Zoology Club Of Titumir

Directions

Zoology Club Of Titumir সরকারি তিতুমীর কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগীয় ক্লাব।

জুওলজি ক্লাব অব তিতুমীরের এডমিন (২৩-২৪) মো. সজিব বিশ্বাস এর জন্মদিন আজ।আজকের এই আনন্দের দিনে জুওলজি ক্লাব অব তিতুমীর তার...
16/10/2026

জুওলজি ক্লাব অব তিতুমীরের এডমিন (২৩-২৪) মো. সজিব বিশ্বাস এর জন্মদিন আজ।

আজকের এই আনন্দের দিনে জুওলজি ক্লাব অব তিতুমীর তার সুস্থতা ও জীবনে সফলতা কামনা করছে।

শুভ জন্মদিন!

ধন্যবাদ  Clean & Green Campus - Titumir। আপনাদের বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারি তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাস আরো সবুজায়ন...
15/10/2026

ধন্যবাদ Clean & Green Campus - Titumir।

আপনাদের বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারি তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাস আরো সবুজায়ন হয়ে উঠবে।

Happy Birthday Md Abdur Rahman Shad
09/10/2026

Happy Birthday Md Abdur Rahman Shad

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সকল শিক্ষকদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
05/10/2026

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সকল শিক্ষকদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

৪ অক্টোবর | বিশ্ব প্রাণী দিবসWorld Animal Day-2026“প্রাণীর প্রতি সহমর্মিতা, প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ব।”প্রতিবছর ৪ অক্টোবর ...
04/10/2026

৪ অক্টোবর | বিশ্ব প্রাণী দিবস
World Animal Day-2026

“প্রাণীর প্রতি সহমর্মিতা, প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ব।”

প্রতিবছর ৪ অক্টোবর বিশ্ব প্রাণী দিবস পালিত হয়। প্রাণীদের অধিকার, কল্যাণ ও সংরক্ষণ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানুষ ও প্রাণীর মধ্যে সহাবস্থানকে উৎসাহিত করাই এই দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য।

পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীই কোনো না কোনোভাবে বাস্তুতন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত। পরাগায়ন, বীজ বিস্তার, খাদ্যশৃঙ্খল নিয়ন্ত্রণ, মৃতজীব পদার্থের পচনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় প্রাণীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই প্রাণী সংরক্ষণ শুধু একটি প্রজাতিকে রক্ষা করা নয়, বরং পুরো বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা করা।

প্রাণীরা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
১. খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজালের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রাণীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২. অনেক প্রাণী পরাগায়ন ও বীজ বিস্তারে সহায়তা করে।
৩. বিভিন্ন প্রাণী মৃতজীব পদার্থের পচন ও পুষ্টি উপাদানের পুনঃচক্রায়নে ভূমিকা রাখে।
৪. প্রাণীরা বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের পরিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।
৫. প্রাণীর বৈচিত্র্য একটি সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ বাস্তুতন্ত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

প্রাণীরা বর্তমানে যেসব হুমকির মুখে-
১. প্রাকৃতিক আবাসস্থল ধ্বংস ও খণ্ডিত হওয়া।
২. অবৈধ শিকার ও বন্যপ্রাণীর অবৈধ বাণিজ্য।
৩. পরিবেশ ও প্লাস্টিক দূষণ।
৪. জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব।
৫. মানুষের সঙ্গে বন্যপ্রাণীর সংঘাত।

আমাদের করণীয়
১. বন্যপ্রাণীকে অযথা বিরক্ত, ধরার বা হত্যা করার চেষ্টা না করা।
২. বন্যপ্রাণীর অবৈধ শিকার ও বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করা।
৩. প্রাণীদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণে ভূমিকা রাখা।
৪. পোষা প্রাণীর প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করা এবং তাদের যথাযথ যত্ন নেওয়া।
৫. শিশু ও তরুণদের প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতন করা।

একটি প্রাণীকে রক্ষা করা মানে শুধু একটি জীবনকে রক্ষা করা নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে একটি সম্পূর্ণ খাদ্যশৃঙ্খল, একটি বাস্তুতন্ত্র এবং অসংখ্য জীবের ভবিষ্যৎ।

আসুন, প্রাণীর প্রতি সহমর্মী হই, তাদের আবাসস্থল রক্ষা করি এবং মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জন্য একটি নিরাপদ ও ভারসাম্যপূর্ণ পৃথিবী গড়ে তুলি।

প্রাণী বাঁচুক,
জীববৈচিত্র্য বাঁচুক,
সুস্থ থাকুক আমাদের পৃথিবী।


আজ বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে ধরীত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) আয়োজিত নদী ও পাখি বিষয়ক ৪ দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অন...
03/10/2026

আজ বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে ধরীত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) আয়োজিত নদী ও পাখি বিষয়ক ৪ দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুওলজি ক্লাব অব তিতুমীরের সদস্যদের অংশগ্রহণ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা ও জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাণ ও প্রকৃতিপ্রেমী বিশেষ ব্যক্তিবর্গরা।

অনুষ্ঠান শেষে বিশিষ্ট আলোকচিত্রী আবির আবদুল্লাহ ও বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী আনসার উদ্দিন খান পাঠানের নদী ও পাখি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

#নদী #পাখি #প্রকৃতি

🍃 আন্তর্জাতিক খাদ্য অপচয় ও বর্জ্য সচেতনতা দিবস 🌍International Day of Awareness of Food Loss and Waste🥗 খাদ্য বাঁচাই, অপচ...
29/09/2026

🍃 আন্তর্জাতিক খাদ্য অপচয় ও বর্জ্য সচেতনতা দিবস 🌍
International Day of Awareness of Food Loss and Waste

🥗 খাদ্য বাঁচাই, অপচয় কমাই—টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ি। 🌱
খাদ্য আমাদের মৌলিক অধিকার, অথচ প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খাদ্য অপচয় হচ্ছে। একদিকে মানুষ খাদ্যসংকটে ভুগছে, অন্যদিকে আমাদের অসচেতনতা ও অপরিকল্পিত ব্যবহারের কারণে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান খাদ্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ।
খাদ্যের অপচয় শুধু খাবারের অপচয় নয়; এটি পানি, জমি, শ্রম, জ্বালানি ও পরিবেশের উপরও বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। তাই খাদ্য অপচয় রোধে আমাদের প্রত্যেকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত জরুরি।

🌿 আসুন, আজ থেকেই কয়েকটি অভ্যাস গড়ে তুলি—
✅ প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার গ্রহণ ও প্রস্তুত করি।
✅ খাদ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ করি।
✅ অতিরিক্ত খাবার অপচয় না করে অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নিই।
✅ জৈব বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট তৈরি করি।
✅ খাদ্য অপচয় রোধে পরিবার ও সমাজে সচেতনতা ছড়িয়ে দিই।

মনে রাখবেন, আপনার সামান্য সচেতনতাই পারে খাদ্য অপচয় কমাতে এবং পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে।
🌎 খাদ্যের মর্যাদা দিই, অপচয় রোধ করি—সবুজ ও টেকসই পৃথিবী গড়ি। 🌱

২৮ সেপ্টেম্বর | বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসWorld Rabies Day 2026“Stronger Together”একসঙ্গে সচেতন হই, জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করি।জলাতঙ্ক...
28/09/2026

২৮ সেপ্টেম্বর | বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস
World Rabies Day 2026

“Stronger Together”
একসঙ্গে সচেতন হই, জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করি।

জলাতঙ্ক একটি ভাইরাসজনিত প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত রোগ। আক্রান্ত প্রাণীর লালা কামড়, আঁচড় বা ক্ষতস্থানের সংস্পর্শের মাধ্যমে মানুষের শরীরে ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। মানুষের জলাতঙ্কের প্রায় ৯৯ শতাংশ সংক্রমণ কুকুরের মাধ্যমে হয়ে থাকে। রোগের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পর জলাতঙ্ক প্রায় ১০০ শতাংশ প্রাণঘাতী হলেও সময়মতো প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

জলাতঙ্ক প্রতিরোধে করণীয়

১. কুকুরসহ পোষা প্রাণীকে নিয়মিত জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া।

২. অপরিচিত বা আক্রমণাত্মক প্রাণীকে উত্ত্যক্ত বা ধরার চেষ্টা না করা।

৩. শিশুদের প্রাণীর সঙ্গে নিরাপদ আচরণ সম্পর্কে সচেতন করা।

৪. প্রাণীর কামড় বা আঁচড়কে কখনোই অবহেলা না করা।

কামড় বা আঁচড়ের পর কী করবেন?

১. ক্ষতস্থান দ্রুত সাবান ও প্রচুর পানি দিয়ে কমপক্ষে ১৫ মিনিট ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

২. মরিচ, চুন, গাছের রস, মাটি বা অন্য কোনো ক্ষতিকর পদার্থ ক্ষতস্থানে লাগাবেন না।

৩. দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জলাতঙ্কের টিকা ও অন্যান্য পোস্ট-এক্সপোজার চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

৪. চিকিৎসা নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনোভাবেই দেরি করবেন না।

জলাতঙ্ক প্রতিরোধ শুধু মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষার বিষয় নয়; এটি মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের সম্মিলিত স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। কুকুরের ব্যাপক টিকাদান, সচেতনতা, দ্রুত চিকিৎসা এবং প্রাণিস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্য খাতের সমন্বিত উদ্যোগ জলাতঙ্ক নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আসুন, কুসংস্কার ও অবহেলা নয়, বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও সচেতনতার মাধ্যমে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করি।

মানুষ ও প্রাণী উভয়ের জীবন রক্ষায়
একসঙ্গে এগিয়ে আসি।





#জলাতঙ্ক_দিবস
#জলাতঙ্ক_প্রতিরোধ

২৭ সেপ্টেম্বর | বিশ্ব নদী দিবসWorld Rivers Dayনদী শুধু পানি প্রবাহের একটি প্রাকৃতিক ধারা নয়; এটি একটি সম্পূর্ণ জলজ বাস্...
27/09/2026

২৭ সেপ্টেম্বর | বিশ্ব নদী দিবস
World Rivers Day

নদী শুধু পানি প্রবাহের একটি প্রাকৃতিক ধারা নয়; এটি একটি সম্পূর্ণ জলজ বাস্তুতন্ত্র এবং অসংখ্য প্রাণীর আবাসস্থল। মাছ, উভচর, সরীসৃপ, জলচর পাখি, অমেরুদণ্ডী প্রাণী ও বিভিন্ন জলজ উদ্ভিদের জীবন নদীর সুস্থ পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল।

নদীর গুরুত্ব

১. জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল হিসেবে নদী কাজ করে।

২. মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর প্রজনন, খাদ্য সংগ্রহ ও আশ্রয়ের সুযোগ তৈরি করে।

৩. নদী জলচক্র ও প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।

৪. কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে নদীর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে।

৫. নদী ও এর আশপাশের জলাভূমি বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী ও জলচর পাখির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।

নদী আজ কেন হুমকির মুখে?

১. শিল্প ও গৃহস্থালি বর্জ্য নদীতে ফেলা।

২. প্লাস্টিক ও অন্যান্য কঠিন বর্জ্য দ্বারা নদী দূষণ।

৩. অপরিকল্পিত দখল ও ভরাট।

৪. কৃষিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ ও কীটনাশকের পানিতে মিশে যাওয়া।

৫. অতিরিক্ত পানি উত্তোলন ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে পরিবর্তন।

৬. নদীর তীর ও আশপাশের প্রাকৃতিক আবাসস্থল ধ্বংস।

আমাদের করণীয়

১. নদীতে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলা।

২. শিল্পবর্জ্য ও পয়ঃবর্জ্য পরিশোধন করে নির্গমন নিশ্চিত করা।

৩. নদী দখল ও অবৈধ ভরাটের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করা।

৪. নদীর তীরের প্রাকৃতিক উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা।

৫. প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে নদী ও জলাশয়কে প্লাস্টিক দূষণ থেকে রক্ষা করা।

৬. নদীর পানি ও জলজ প্রাণীদের সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।

একটি সুস্থ নদী মানেই শুধু স্বচ্ছ পানি নয়; এর অর্থ একটি সক্রিয় ও বৈচিত্র্যময় জলজ বাস্তুতন্ত্র।

আসুন, নদীকে শুধু সম্পদ হিসেবে নয়, জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল হিসেবেও দেখি। নদী বাঁচাই, জলজ প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করি।

নদী বাঁচলে,
বাঁচবে জীববৈচিত্র্য,
বাঁচবে আমাদের ভবিষ্যৎ।


#বিশ্ব_নদী_দিবস


#জীববৈচিত্র্য_সংরক্ষণ

২৬ সেপ্টেম্বর | বিশ্ব পরিবেশ স্বাস্থ্য দিবসWorld Environmental Health Dayসুস্থ মানুষ ও সুস্থ সমাজের জন্য একটি নিরাপদ ও স...
26/09/2026

২৬ সেপ্টেম্বর | বিশ্ব পরিবেশ স্বাস্থ্য দিবস
World Environmental Health Day

সুস্থ মানুষ ও সুস্থ সমাজের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ অপরিহার্য। বায়ু, পানি, মাটি, খাদ্য, আবাসস্থল এবং আমাদের চারপাশের পরিবেশের মান সরাসরি ও পরোক্ষভাবে মানুষের পাশাপাশি অন্যান্য জীবের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। বিশ্ব পরিবেশ স্বাস্থ্য দিবস প্রতি বছর ২৬ সেপ্টেম্বর পালিত হয় এবং পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের আন্তঃসম্পর্ক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিই এই দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য।

পরিবেশের কোন কোন বিষয় আমাদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত?

১. বিশুদ্ধ বায়ু
বায়ুদূষণ শ্বাসতন্ত্রসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই বায়ুদূষণ কমানো এবং নির্মল বায়ু নিশ্চিত করা জরুরি।

২. নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন
দূষিত পানি ও অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন জনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

৩. পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বর্জ্য কমানো, পুনর্ব্যবহার এবং সঠিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৪. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
প্রকৃতির সুস্থতা ও মানুষের স্বাস্থ্য পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত। বন, জলাভূমি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা করা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

৫. রাসায়নিক ও অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থের নিরাপদ ব্যবহার
ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ, দূষণ এবং অনিরাপদ পরিবেশ মানুষ ও অন্যান্য জীবের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই এসব ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা ও যথাযথ ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।

আমাদের করণীয়

১. যেখানে সেখানে ময়লা ও প্লাস্টিক না ফেলা।
২. পানি ও জলাশয় দূষণ থেকে বিরত থাকা।
৩. একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো।
৪. গাছপালা ও প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণ করা।
৫. বায়ুদূষণ কমাতে পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনে অভ্যস্ত হওয়া।
৬. মানুষ ও প্রাণীর জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে অন্যদেরও সচেতন করা।

আসুন, শুধু দিবস পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রতিদিনের জীবনে পরিবেশবান্ধব আচরণ করি। সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করি, জীববৈচিত্র্য রক্ষা করি এবং মানুষ ও অন্যান্য জীবের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলি।



#পরিবেশ_স্বাস্থ্য
#পরিবেশ_সচেতনতা
#জীববৈচিত্র্য_সংরক্ষণ

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 15:00
Tuesday 09:00 - 15:00
Wednesday 09:00 - 15:00
Thursday 09:00 - 15:00
Saturday 09:00 - 15:00
Sunday 09:00 - 15:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zoology Club Of Titumir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share