Online Islamic Madrasha

Online Islamic Madrasha আমাদের অঙ্গীকার, নৈতিকতা ও প্রযুক্তি জ্ঞান সমৃদ্ধ আলোকিত জীবন এবং সুন্দর মানুষ গড়ার লক্ষ্যে।

15/04/2025

শুধু মাত্র পুরুষদের জন্য
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,
আপনি কী ব্যস্ততার কারণে বিশুদ্ধভাবে কুরআনুল কারীম পড়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারছেন না?
অথবা আপনার বাচ্চার বিশুদ্ধভাবে কুরআন শিক্ষা নিয়ে আপনি চিন্তিত?
আপনার জন্য OIM নিয়ে এসেছে সহজে কুরআন শিক্ষা কোর্স।

আমাদের কোর্সের বৈশিষ্ট্য হলো—
১. অভিজ্ঞ শিক্ষক ও শিক্ষিকার মাধ্যমে কায়দা থেকে আরম্ভ করে কুরআনুল কারীম পর্যন্ত পাঠদান।
২. সরাসরি লাইভ ক্লাসে অভিজ্ঞ শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে মশকের মাধ্যমে ক্লাসের পড়া ক্লাসেই সম্পন্ন করার চেষ্টা করা।
৩. পুরুষদের জন্য পুরুষ শিক্ষক এবং মহিলাদের জন্য মহিলা শিক্ষিকার মাধ্যমে পৃথক পৃথক ক্লাসের আয়োজন।
৪. প্রতি ক্লাসের আলাদা আলাদা শীট প্রদান করা হবে ইনশাআল্লাহ।
৫. কোনো ক্লাসে উপস্থিত হতে না পারলে সেই ক্লাসের ভিডিও পরবর্তীতে দেখার সুযোগ রয়েছে।
৬. আমাদের রয়েছে দক্ষ সাপোর্ট টিম। যাদের মাধ্যমে প্রতিদিনের পড়া বুঝে নেওয়া, পড়া শোনানো ও মশক্বের আলাদা সুবিধা থাকবে।
৭. সর্বমোট ৩০ টি ক্লাসের মাধ্যমে কোর্স শেষ হবে।
৮. এই কোর্সে ছাত্র/ছাত্রী, চাকুরিজীবী, ব্যাবসায়ী , গৃহিণীসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
৯. কোর্স শেষে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সেরা ১০ জনকে আকর্ষণীয় পুরস্কার সহ সকলকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে ইনশাআল্লাহ।
তাই আর দেরি না করে এখুনি যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
বিস্তারিত জানতে আমাদেরকে মেসেজ করুন। অথবা কল করুন: 019767320109

22/01/2025

১ বার দরুদ পড়লে
- আল্লাহ তায়ালা ১০ টা রহমত দেন
- ১০ টা গুনাহ মাফ করেন
- ১০ টা মর্যাদা বাড়িয়ে দেন
- আল্লাহর ফেরেশতারা দুয়া করেন
- আল্লাহর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে দরুদ পৌঁছে দেওয়া হয়। পৌঁছানোর সময় আমার নাম, আমার বাবার নাম বলা হয়।
- এরপর নবিজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে দুয়া করেন। সালাম দিলে সালামের জবাব দিয়ে দেন।

- যে বেশি বেশি দরুদ পড়বে, আল্লাহ তায়ালা তার দুনিয়ার টেনশন, মনের কষ্ট দূর করে দিবেন।

- তার দুয়া কবুল করবেন
- আখিরাতে সে রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শাফায়াত পাওয়ার বেশি যোগ্যতা অর্জন করবেন।

আর কিছু বাকি আছে দুনিয়া আখিরাতে?

--- ড: খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ এর দরুদ সংক্রান্ত আলোচনা থেকে সংগৃহীত।

اللهم صل وسلم على نبينا محمد وعلى اله واصحابه
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলিহী ওয়া আসহাবিহী আজমাইন।

22/01/2025

সাদাকা করার ইচ্ছে! কিন্তু পকেটে টাকা নেই! তাহলে?

➜ একজনের সাথে হাসিমুখে কথা বললেই ‘সাদাকা’ হয়ে যাবে।

☛ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই এই টিপস দিয়ে গেছেন!


তোমার ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাত করা সাদাকা (أن تلقى أخاك بوجهٍ طَلْق)

✍️ উস্তায আতিক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ

22/01/2025

আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَلَقَدۡ عَهِدۡنَاۤ إِلَىٰۤ ءَادَمَ مِن قَبۡلُ فَنَسِیَ وَلَمۡ نَجِدۡ لَهُۥ عَزۡمࣰا
"আর আমি ইতিপূর্বে আদমের প্রতি নির্দেশ দিয়েছিলাম; কিন্তু সে তা ভুলে গিয়েছিল এবং আমি তার মধ্যে সংকল্পে দৃঢ়তা পাইনি।"[১]
"যদিও ভুলক্রমে এ অন্যায় কাজটি হয়েছে আর ভুলক্রমে হওয়ার কারণেই তাকে পাপকার্য বলে অভিহিত করা যায় না। কেননা, পাপ বলা হয় তাকে, যা ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়। কিন্তু নবী রাসূলগণের শান হল এই যে, যখন তাঁদের দ্বারা কোনো ভুলত্রুটি হয়ে যায় তখন তাঁরা সাথে সাথে আল্লাহ পাকের দরবারে ক্ষমাপ্রার্থী হন এবং সেই ভুলত্রুটির পক্ষে কোনো ওজর-আপত্তি পেশ করাও আদবের খেলাফ মনে করেন। আর এটিই পার্থক্য হযরত আদম [আ.] এবং ইবলিসের মধ্যে। ভুলক্রমে একটি অন্যায় কাজ হযরত আদম [আ.] এর দ্বারা হয়েছে কিন্তু যখনই তিনি তাঁর ভুল বুঝতে পেরেছেন তখনই তিনি আল্লাহ পাকের মহান দরবারে ক্ষমাপ্রার্থী হয়েছেন।
পক্ষান্তরে, ইবলিস ইচ্ছা করেই আল্লাহ পাকের নাফরমানী করেছে, এরপর যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় তখন সে তার অন্যায়ের পক্ষে যুক্তি পেশ করেছে, তাই সে চির অভিশপ্ত হয়েছে। পবিত্র কুরআন এ ঘটনার বিবরণ দিয়ে মানব জাতিকে এ শিক্ষা দিয়েছে যে, যদি তোমাদের দ্বারা কখনও কোনো অন্যায় হয়ে যায় তবে আল্লাহ পাকের দরবারে অনতিবিলম্বে ক্ষমাপ্রার্থী হও, তওবা ইস্তিগফার কর, অন্যায়ের পক্ষে দলিল বা যুক্তির অন্বেষণ করোনা"।[২]
[১) সূরা আল আ'রাফ: ১১৫;
২) মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (রাহ.), তফসীরে নূরুল কোরআন: ৮/১৭৭] p: 959

22/01/2025


" আমার কাছে রাসূলুল্লাহর صلى الله عليه وسلم কোনো হাদিস পৌঁছালে আমি একবারের জন্য হলেও তার ওপর আমল করেছি"।
~ ইমাম সুফইয়ান আস সাওরী [রাহ.]
[ ইমাম যাহাবী (রাহ.), সিয়ারু আ'লামিন নুবালা: ৭/২৪২] p: 960

22/01/2025

"নিশ্চয় তারা আল্লাহকে ছেড়ে শয়তানকে তাদের অভিভাবক-রূপে গ্রহণ করেছিল এবং মনে করত তারাই হিদায়াতপ্রাপ্ত।"
إِنَّهُمُ ٱتَّخَذُوا۟ ٱلشَّیَـٰطِینَ أَوۡلِیَاۤءَ مِن دُونِ ٱللَّهِ وَیَحۡسَبُونَ أَنَّهُم مُّهۡتَدُونَ
[সূরা আল আ'রাফ: ৩০] p: 964

12/07/2024

সূরা ফালাক ও নাস প্রসঙ্গ।

এ ধারণা সম্পূর্ণ অবাস্তব যে, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. এর অস্বীকারকারী ছিলেন। এবং এ ধারণাও ভুল যে, তিনি তা কুরআন মাজীদের সূরা হওয়া স্বীকার করতেন না। কিছু অস্পষ্ট বর্ণনা ও বক্তব্যের ভিত্তিতে কিছু সংখ্যক লেখক তা লিখে দিয়েছেন। আর এই বিচ্ছিন্ন কথাটিই আরো রঙ মিশিয়ে শুধু মাযহাবী আসাবিয়াতের ভিত্তিতে প্রচার করা হচ্ছে! অন্যথায় এ ক্ষেত্রে সঠিক কথা সেটাই, যা ইমাম ইবনে হাযম, কাযী ইয়ায (৫৪৪হি.) ও নববী রাহ. (৬৭৬হি.) বলেছেন।

ইবনে হাযম রাহ. বলেন, ‘ইবনে মাসউদ রা.-এর মুছহাফে মুআব্বিযাতাইন ও উম্মুল কুরআন ছিল না- বলে এ সম্পর্কে তাঁর থেকে যা কিছু বর্ণনা করা হয় তা সবই বানোয়াট, জাল ও অপ্রমাণিত। তাঁর থেকে প্রমাণিত শুধু আসিমের কিরাত, যা তিনি যির ইবনে হুবাইশ থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তাতে উম্মুল কুরআন ও মুআব্বিযাতাইন আছে।’
(আলমুহাল্লা ১/১৫)

কাযী ইয়ায রাহ. ‘ইকমালুল মু‘লিম বিফাওয়াইদি মুসলিম’ (৩/১৮)-এ উকবা ইবনে আমির রা. কর্তৃক বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইরশাদ, ‘তুমি কি দেখনি আজ রাতে কী আয়াত নাযিল হয়েছে, এর মত আয়াত আর কখনো দেখা যায়নি কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক ও কুল আউযু বিরাব্বিন নাস’-এর ব্যাখ্যায় লিখেছেন, ‘এটি এ দুটোর (সূরা ফালাক ও নাসের) কুরআন মাজীদের অংশ হওয়ার স্পষ্ট প্রমাণ এবং তাদের বক্তব্য খণ্ডন করে, যারা ইবনে মাসউদ রা. সঙ্গে ভিন্ন কিছু যুক্ত করেছে...।’

ইমাম নববী রাহ. বলেছেন, ‘উম্মুল কুরআন ও মুআব্বিযাতাইন কুরআন মাজীদের অংশ না এ বলে ইবনে মাসউদ রা. থেকে যা বর্ণনা করা হয় তা বাতিল, এ তাঁর থেকে প্রমাণিত না।’ (আলমাজমূ শরহুল মুহায্যাব ৪ /৪৪২)

এটা খুবই দুঃখজনক যে, হাদীস অনুসরণের নামে অকারণে একটি সহীহ হাদীস প্রত্যাখ্যান করে দেওয়া হয়। এবং এজন্য মর্যাদাবান সাহাবীর উপর আক্রমণ করাকেও মেনে নেওয়া হয়! শুধু তাই না, তাঁকে কুরআন মাজীদ সম্পর্কেও জাহেল বানানোর চেষ্টা-তদবির করা হয়!! অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মতকে এই নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, তোমরা চারজনের কাছ থেকে কুরআন শেখ। তার সর্বপ্রথম ইবনে উম্মে আবদ (আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.)-এর নাম নিয়েছেন।
(সহীহ বুখারী, হাদীস ৩৮০৮)

12/07/2024

কবরের আযাব থেকে মুক্তি পেতে ছোট্ট একটি আমল

আবু হুরাইরা রা. বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ سُورَةً مِنَ القُرْآنِ ثَلَاثُونَ آيَةً شَفَعَتْ لِرَجُلٍ حَتَّى غُفِرَ لَهُ، وَهِيَ سُورَةُ تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ المُلْكُ.
“নিশ্চয় কুরআনে ৩০ আয়াত বিশিষ্ট একটি সূরা রয়েছে, যা তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে, যতক্ষন পর্যন্ত তাকে ক্ষমা না করা হয়। সূরাটি হচ্ছে “তাবারাকাল্লাযী বি ইয়াদিহিল মুলকু...।” (তিরমিযী হা. ২৮৯১, আবু দাউদ হা. ১৪০০, হাসান)
মুসতাদরাকে হাকিমের বর্ণনায় এসেছে, .شَفَعَتْ لِرَجُلٍ فَأَخْرَجَتْهُ مِنَ النَّارِ وَأَدْخَلَتْهُ الْجَنَّةَ.
“..উক্ত সূরা তিলাওয়াতকারীকে সুপারিশ করে জাহান্নাম থেকে বের করে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।” (মুসতাদরাকে হাকিম হা. ৩৮৩৮, তিনি বলেন, এর সনদ সহীহ। এছাড়া তাবরানীর আল-মুজামুল আওসাত হা. ৫৬৬৪ গ্রন্থে আনাস রা.ও এরূপ বর্ণনা করেছেন।)

হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রা. বলেন, “কবরস্থিত ব্যক্তির পায়ের দিকে দিয়ে (আযাবের ফেরেশতা শাস্তির জন্য) আসতে চাইলে তার পদদ্বয় বলবে, আমার এ দিক দিয়ে আসার রাস্তা নেই। কেননা সে ‘সূরা মুলক’ তিলাওয়াত করত। এরপর তার সীনা অথবা পেটের দিক দিয়ে আসতে চাইবে, তখন বলা হবে, তোমাদের জন্য আমার এ দিকে দিয়ে আসার কোন সুযোগ নেই। কেননা সে আমি ‘সূরা মুলক’কে তিলাওয়াত করত।

অতঃপর তার মাথার দিক দিয়ে আসার চেষ্টা করলে মাথা বলবে, এ দিক দিয়েও আসার রাস্তা নেই। কেননা সে আমি ‘সূরা মুলক’কে তিলাওয়াত করত। (এর কারণ বর্ণনা করে বলেন,) সূরা মুলক হচ্ছে বাধাপ্রদানকারী তথা কবরের আযাব থেকে বাধা প্রদান করে। তাওরাতেও ‘সূরা মুলক’ ছিল। যে ব্যক্তি তা রাত্রে তিলাওয়াত করল, সে অধিক ও পবিত্র-উৎকৃষ্ট আমল করল।” (মুসতাদরাকে হাকিম হা. ৩৮৩৯, তিনি বলেন, এর সনদ সহীহ, মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক হা. ৬০২৪, ৬০২৫।)

অন্যত্র এসেছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন,
مَنْ قَرَأَ {تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ} كُلَّ لَيْلَةٍ مَنَعَهُ اللهُ بِهَا مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَكُنَّا فِي عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نُسَمِّيهَا الْمَانِعَةَ...
“যে ব্যক্তি প্রতি রাতে তাবারাকাল্লাযী বি ইয়াদিহিল মুলক তিলাওয়াত করবে, আল্লাহ তাআলা এর উসিলায় তাকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবেন।”
অতঃপর বলেন, “আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূরাটিকে মানিআ’ বা বাধা প্রদানকারী সূরা বলে আখ্যা দিতাম।” (আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, নাসায়ী হা. ৭১১, আস-সুনানুল কুবরা, নাসায়ী হা. ১০৪৭৯।)

হযরত জাবের রা. বলেন,
عَنْ جَابِرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ لَا يَنَامُ حَتَّى يَقْرَأَ الم تَنْزِيلُ، وَتَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ المُلْكُ.
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সূরা) আলীফ-লাম-মীম (সেজদা) ও তাবারাকাল্লাযী বি ইয়াদিহিল মুলক পড়া ব্যতীত শুইতেন না। (তিরমিযী হা. ২৮৯২, মুসতাদরাকে হাকিম হা. ৩৫৪৫, আল-আদবুল মুফরাদ, বুখারী হা. ১২০৭, সনদ সহীহ বা হাসান।)

হযরত কা’ব রা. বলেন, যে ব্যক্তি (রাতে সূরা) আলীফ-লাম-মীম সেজদা ও তাবারাকাল্লাযী বি ইয়াদিহিল মুলক পড়বে, তার জন্য ৭০টি নেকী লেখা হবে, তার ৭০টি গুনাহ মাফ করা হবে এবং ৭০টি মরতবা বুলন্দ করা হবে। (সুনানে দারেমী হা. ৩৪৫২, সনদ সহীহ, ফাযায়েলে কুরআন, ইবনে দুরাইস হা. ২১৩।)

আরেকটি হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করা হয়েছে, যে ব্যক্তি সূরা মূলক ও আলিম-লাম-মিম সিজদা মাগরিব ও এশার মাঝখানে পড়ল, সে যেন শবে কদরে ইবাদত করল। (ফাযায়েলে কুরআন, মুস্তাগফিরী হা. ৮৫৯, ৮৬১, ৮৮২, ১১৯৯, তাখরীজুল কাশ্শাফ, যায়লায়ী ৩/৮৮, আল-আজইবাতুল মারদিয়্যাহ, সাখাবী ২/৪৬১-৬২, এর সনদগুলোতে সমস্যা থাকলেও নির্ভরযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।)

উল্লেখ্য, কবর আযাব কোন সাধারণ বিষয় নয়, মৃত্যুর পর এর সম্মুখীন হতে হবে। হযরত উসমান রা. যখন কবরের পাশ দিয়ে যেতেন, তখন কান্নায় উনার দাড়ি ও বুক ভাসিয়া যেত। তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, আপনি জান্নাত-জাহান্নামের বর্ণনাও এত বেশী কান্নাকাটি করেন না, অথচ কবরের পাশ দিয়ে গেলে করেন- এর কারণ কি?
তিনি বললেন, আমি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি, “কবর আখেরাতের প্রথম মনজিল। যে ব্যক্তি এখানে নাজাত পাবে, তার জন্য সমস্ত মনজিল আছান বা সহজ। আরো শুনেছি, কবর হইতে ভয়ংকর দৃশ্য আমি আর কিছু দেখিনি।” (তিরমিযী হা. ২৩০৮, হাসান।)

আসুন! আমরা সূরা মূলক প্রতি রাতে তিলাওয়াত করি, মুখস্ত করি ও এবং কবর আযাব হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য আল্লাহর দরবারে দুআ করি। হে আল্লাহ! তুমি আমাদের কবর আযাব হতে হেফাযত করুন।

✍️ Sayed Ahmad Hafi.

12/07/2024

সত্যিই কি আব্দুল কাদির জিলানী রহ. ১৮ পারা মুখস্ত নিয়ে দুনিয়ায় জন্মেছিলেন?
-------------
সময়টা এমন নাযুক হয়েছে, প্রত্যেকেই তার বক্তব্যকে চুড়ান্ত সঠিক মনে করে। মনে করে সে যা বলেছে তাই ঠিক। তার বক্তব্যের দোষ দেখাতে গিয়ে যদি কুরআনের আয়াত দিয়েও দলিল দেয়া হয় মানতে চায় না। একজন বললেন— ❝হযরত আব্দুল কাদির জিলানী রহ. মায়ের পেঠ থেকে ১৮ পারা মুখস্ত নিয়ে দুনিয়ায় জন্ম নিয়েছিলেন।❞ অধম তাকে বললাম— ❝এ ঘটনাটা না বলাই ভালো।❞ তিনি আমার দিকে চোখ তোলে তাকালেন এবং রাগস্বরে বললেন— ❝কেন? সমস্যা কী? আপনি ওলিদের কারামতে বিশ্বাস করেন না!❞ বললাম— ❝কেন না! অবশ্যই। কিন্তু এ ঘটনাটা নির্ভরযোগ্য কোন গ্রন্থে বর্ণিত হয়নি। অধিকন্তু এটাকে কুরআনও সমর্থন করে না। আল্লাহ তাআলা বলেছেন-
ﺍﺧﺮﺟﻜﻢ ﻣﻦ ﺑﻄﻮﻥ ﺍﻣﻬﺎﺗﻜﻢ ﻻ ﺗﻌﻠﻤﻮﻥ ﺷﻴﺌﺎ
অর্থাৎ «আল্লাহ মানুষদেরকে দুনিয়ায় এভাবে পাঠান যে তারা কোন বিষয়ে কিঞ্চিৎ পরিমাণও জ্ঞান রাখে না। (অর্থাৎ জাহিল অবস্থায় পাঠান)»।❞ [ সূরা নাহল:৭৮]

তো কুরআনের দাবী হচ্ছে মানুষ পৃথিবীতে জ্ঞানহীন হয়ে জন্ম নেয়, পরে শিক্ষার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করে। এখন চিন্তা করুন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জ্ঞান আল-কুরআন এর ১৮ পারা মুখস্ত নিয়ে জিলানী রহ. জন্ম গ্রহণ করেছেন, তা কীভাবে সঠিক হতে পারে!?

আর মানুষ তো বেলায়াত লাভ করে মুকাল্লাফ হওয়ার পর শরীয়তের ওপর আমল করে। শরীয়তের ওপর ইস্তেকামতের সাথে আমলের পরিবর্তে তার সম্মানার্থে তার থেকে কখনো কখনো কারামত প্রকাশ পেতে পারে। তাহলে জিলানী রহ. বালেগই হলেন না, মুকাল্লাফ হলেন না, শরীয়তের ওপর আমলের সময়ই আসেনি, সেখানে কারামত আসবে কোত্থেকে?

✍️ Abdul Kadir Masum hafi.

12/07/2024

শয়তানের মধ্যে পরিপূর্ণ ছিল দ্বীনদারিত্ব। নফসের ধোঁকায় হয়ে গেছে অভিশপ্ত। আমাদের শত্রু নফস এবং শয়তান দুটোই। তাহলে বুঝুন- আমাদের দ্বীন কতটা বিপদগ্রস্ত!

কথা : আদিব সালেহ

আজ স্রেব্রেনিকা গণহত্যার ২৯ বছর পূর্ণ হচ্ছে যেখানে ৮,৩৭২ জন বসনিয়ান মুসলিমকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। সার্ব বাহিনী...
11/07/2024

আজ স্রেব্রেনিকা গণহত্যার ২৯ বছর পূর্ণ হচ্ছে যেখানে ৮,৩৭২ জন বসনিয়ান মুসলিমকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।

সার্ব বাহিনী স্রেব্রেনিকার জাতিসংঘ গোষিত নিরাপদ এলাকায় প্রবেশ করে এবং ২-৩ দিনের মধ্যে ৮,৩৭২ বসনিয়ান নারী পুরুষ, শিশুকে হত্যা করে।

বিপুল এই নিহতের কবর দেয়ার যায়গা সংকুলান না হওয়ায় শহরের পার্কগুলোকে গোরস্তানে পরিণত করা হয়।

নির্দোষ এই মানুষগুলো স্রেফ জাতিগত এবং ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হয়।

11/07/2024

Address

Jatrabari
Dhaka
1204

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online Islamic Madrasha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share