Dhaka University Students' Association of Panchagarh-DUSAP

Directions Contact the university

Dhaka University Students' Association of Panchagarh-DUSAP DUSAP is a students organization of the students of Dhaka University from Panchagarh.

This page is for spreading the activities of our organization to the people. We also support the school and college level students of Panchagarh through our organization

18/10/2026
🌿কাঞ্চনজঙ্ঘা, পঞ্চগড় ও পর্যটন সম্ভাবনা🌿কেনো লিখছি? কাদের উদ্দেশ্যে লিখছি? জানতে চাইলে ধৈর্য নিয়ে পড়ুন।ভ্রমণ হলো মনের ...
17/10/2026

🌿কাঞ্চনজঙ্ঘা, পঞ্চগড় ও পর্যটন সম্ভাবনা🌿

কেনো লিখছি? কাদের উদ্দেশ্যে লিখছি? জানতে চাইলে ধৈর্য নিয়ে পড়ুন।

ভ্রমণ হলো মনের রিক্রিয়েশনের এক অন্যতম মাধ্যম। অজানাকে জানার, নতুন সংস্কৃতি, জীবন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের অন্যতম সেরা উপায়।

আয়তনে ছোট এই বাংলাদেশের এলাকাভেদে প্রকৃতি খুব বেশি বৈচিত্র্যময় না হলেও এখানে রয়েছে মোটাদাগে কয়েকটি স্বতন্ত্র বিষয় যা ভ্রমণ টেস্টকে বিশ্লিষ্ট করে, ভ্রমণপিপাসুদের আগ্রহী করে তোলে। এসব ইন্ডিকেটরগুলোর মধ্যে হলো পাহাড়, সমুদ্র, সমতল, বর্ষার হাওর, শীতের আমেজ, এলাকাভেদে জীবনসংস্কৃতি, ঐতিহাসিক স্থান, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ইত্যাদি যেগুলো প্রত্যেকটিকে একেকটি পর্যটন টুল হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

🍃আর এখানেই আসে বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা, হিমালয়কন্যা খ্যাত পঞ্চগড়ের কথা। 🍃

শীতের কুয়াশা, কাঞ্চনজঙ্ঘার হাতছানি, সমতলের চা-বাগান, নির্মল বাতাস, মানুষের জীবনযাপন ও আঞ্চলিক সংস্কৃতি সব মিলিয়ে পঞ্চগড়ের রয়েছে স্বতন্ত্র আকর্ষণ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, করতোয়া ও মহানন্দা নদীর তীরবর্তী জনপদ এবং সবুজে ঘেরা ছোট ছোট শহর ও গ্রাম।
রয়েছে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, তেঁতুলিয়ার রওশনপুরের কাজী এন্ড কাজী এর আনন্দধারা রিসোর্ট, পঞ্চগড়ের পাঁচটি গড়, মহারাজার দিঘি, মির্জাপুর শাহী মসজিদ, দেবীগঞ্জের ময়নামতির চরসহ বিভিন্ন দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থান।
এখানে পঞ্চগড় বলতে শুধু জেলা শহরকে নয়, বরং জেলার পাঁচটি উপজেলাকেই বোঝাচ্ছি, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর, আটোয়ারী, বোদা ও দেবীগঞ্জ।

এত ভূমিকা কেন❓
কারণ, পঞ্চগড়ের সামনে পর্যটনশিল্প গড়ে তোলার একটি বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে কাজে লাগাতে হবে, সুযোগটি হাতছাড়া হওয়ার আগেই।

ভ্রমণ আমার শখের অন্যতম একটি। সুযোগ পেলেই ঘুরতে বের হই। দেশের অধিকাংশ পরিচিত পর্যটন এলাকার পাশাপাশি তুলনামূলক কম আলোচিত বিভিন্ন জেলাও ঘুরে দেখার সুযোগ হয়েছে। ভ্রমণের প্রতি আগ্রহ থেকে প্রকৃতি, মানুষ, জীববৈচিত্র্য, খাদ্যাভ্যাস ও স্থানীয় সংস্কৃতি পর্যবেক্ষণ করার চেষ্টা করি। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুবাদে বিভিন্ন পরিবর্তিত প্যাটার্ন অনুমান করা যায়। সে সুবাদে আমার অনুমান, সামনের কয়েকটি বছর হলো উত্তরবঙ্গ তথা পঞ্চগড় জেলা পর্যটন এলাকা হয়ে উঠবে কি উঠবে না তার একটা পরীক্ষা। এই সেক্টরে উল্লেখযোগ্য কাজ করা হলে বাংলাদেশের পর্যটন মানচিত্রে শীতকালীন ভ্রমণের একটি স্থায়ী গন্তব্য হিসেবে উত্তরবঙ্গকে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

সম্ভাবনাময় ইতিবাচক পরিবেশ:📈
✅১. ঢাকার সাথে পঞ্চগড়ের প্রতিটি উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা তুলনামূলক সহজ ও সাশ্রয়ী। বিশেষ করে রেল ও সড়ক পথে। এটাই অন্যতম লেভারেজ। পাশাপাশি পঞ্চগড় জেলার সকল পর্যটন স্পট সদর থেকে প্রায় ৪০-৫০ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে যা পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে, কম খরচে রিলাক্সিং ওয়েতে এক্সপ্লোর করার সুযোগ দিবে।

✅২. শীতকাল। শীতকাল হলো উত্তরবঙ্গ ঘোরার মোক্ষম সময় এ নিয়ে কেউ দ্বিমত করবে না। তাই এটাকেই উত্তরবঙ্গের সিজন হিসেবে নিয়ে কাজ করতে হবে। পৃথিবীর অসংখ্য দেশে সিজনের উপর ভিত্তি করেই মেইনলি পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠে। বাংলাদেশে শীতকালে সাজেক, সেন্টমার্টিন, কক্সবাজারের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ ভ্রমণ ম্যাসিভলি যুক্ত হওয়া এখন শুধু সময়ের ব্যাপার। এর জন্য প্রয়োজন মানসম্মত সেবা, পর্যাপ্ত নিরাপদ আবাসন এবং পাবলিসিটি।

✅৩. কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন, কেন্দ্রীয় আকর্ষণ। যা এক নামেই উত্তরবঙ্গকে ব্র্যান্ডিং করছে। কিন্তু মনে রাখা উচিত শুধুমাত্র একটি স্পট দিয়ে এই সেক্টর সাস্টেইন করবে না। তাই কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শনের পাশাপাশি আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পর্যটন গন্তব্য গড়ে তুলতে হবে। সমতলের চা-বাগান, স্থানীয় খাবার, নদীকেন্দ্রিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্থাপনা ও গ্রামীণ সংস্কৃতিকে ট্যুরিজম এর সাথে মার্জ করতে হবে। এখানেই এলাকার স্টেকহোল্ডার: উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন; প্রশাসনকে মেইন কাজ করতে হবে, যা একটু পরে ভেঙে বলছি।

✅৪. মানুষ। কথায় আছে, উত্তরের মানুষ সরল, অতিথিপরায়ণ। তাদের ঠান্ডা মেজাজ, জীবনযাপন জানতে আগ্রহী করে তোলে সকলকে। এলাকার মানুষের উদ্যমকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগিয়ে এলাকার পর্যটনকে একটি শিল্পে রূপান্তর করলে সিজনাল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। আমার মনে আছে, একজনকে বলেছিলাম উত্তরে কোন বিষয়টি আপনাকে অবাক করেছে? তিনি বলেছেন, "মানুষ! এত অতিথিপরায়ণ! এরপর তিনি আরেকটি দৃশ্যের কথা বলেছিলেন—সকালের মিষ্টি রোদে মেয়েদের দলবেঁধে একসাথে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাওয়া। ছোট্ট এই অভিজ্ঞতার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, পর্যটন শুধু দর্শনীয় স্থান দেখার নাম নয়; স্থানীয় মানুষের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়াও এর অংশ।

✅৫. সংস্কৃতি। উত্তরের সংস্কৃতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নতুন ধরনের খাবার। যদিও খাবারের বৈচিত্র্যের দিক থেকে দেশের অন্যান্য অঞ্চল অনেক অনেক এগিয়ে, তবুও উত্তরের শিদল, প্যালকা, পাটশাক ঝোল সহ অসংখ্য চমৎকার আঞ্চলিক খাবার রয়েছে যেগুলোর নামই অনেকে জানেনা ব্র্যান্ডিংয়ের অভাবে।

✅৬. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। প্রতিটি উপজেলায় বেশকিছু উল্লেখযোগ্য নিদর্শন রয়েছে যেগুলো অনলাইন এ সার্চ দিলেই সব জানিয়ে দিবে।

✅৭. ক. তুলনামূলক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, দলগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের পরিচয়।
খ. ক্ষুদ্র এবং বৃহৎ ব্যবসায়িক গোষ্ঠীদের ইনভেস্ট করার সক্ষমতা।
গ. সামাজিক গোষ্ঠীগুলোর উদ্যম ও ইতিবাচক মানসিকতা
ঘ. প্রশাসনিক সক্ষমতা

✅৮. নিরাপত্তা। সমতল অঞ্চল হওয়ায়, ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকায় এবং প্রান্তীয় অঞ্চলে প্রশাসনের পৌঁছানোর সক্ষমতা থাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই এলাকা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাই ডিফল্ট লেভারেজ পায়।

তাহলে করণীয়❓
এখানেই আসে পঞ্চগড়বাসীর (পাঁচটি উপজেলারই) করণীয়।

🎯১. তেঁতুলিয়া কেন্দ্রিক ইকো-রিসর্টের সংখ্যা বাড়ানো এবং তাদেরকে অফিসিয়াল বাইন্ডিংএ নিয়ে আসা। অলরেডি বিভিন্ন ছোটবড় রিসোর্ট স্থাপনের উদ্যোগ শুরু হয়ে গিয়েছে, কিন্তু সেগুলো নিয়ম মেনে পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা বিবেচনা করে, বিল্ডিং কোড মেনে, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ইকুইপমেন্ট নিশ্চিত করে তৈরি করা হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। এখানে শুরু থেকেই প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তদারকি প্রয়োজন, নাহলে যত্রতত্র রিসোর্ট এলাকার জন্যই ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াবে।
পাশাপাশি বৃহৎ ব্যবসায়িক গোষ্ঠীদের এগিয়ে আসতে হবে উন্নতমানের (৫তারা) রিসোর্ট স্থাপনের জন্য। পরিকল্পিত ছোট-বড় ভিলা/ইকো-রিসোর্ট স্থাপন, মানসম্মত আবাসন, পরিচ্ছন্ন খাবারের দোকান, ট্রান্সপোর্ট, নিরাপত্তা নিশ্চিতই স্থায়ী পর্যটনকেন্দ্র হবার পূর্বশর্ত। কিন্তু অবশ্যই

🎯২. নতুন নতুন পর্যটন ডেস্টিনেশন তৈরি করা। প্রাকৃতিক স্পর্শে আরো কিছু পর্যটন স্পট স্থাপন। এরকম প্রজেক্ট এর সুদূরপ্রসারী আউটকাম বিবেচনায় রেখে বড় বড় কিছু উদ্যোগ নেয়া। ক্ষুদ্র ও বৃহৎ উভয় ধরনের উদ্যোগের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা জরুরি।

🎯৩. উত্তরবঙ্গ ভ্রমণের সার্বিক তথ্যসেবা ওয়েবসাইট। প্রশাসনের আন্ডারেই পরিচালিত হবে। এখানে থাকবে সকল রেজিস্টার্ড রিসর্টের চার্ট এবং প্যাকেজ অনুযায়ী নির্ধারিত ভাড়া, সেখান থেকে অনলাইনে পর্যটকরা সরাসরি দেশের যেকোনো স্থান থেকে রিসোর্ট বুক করতে পারবে। আরও থাকবে, বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের/পর্যটন স্পট এর পূর্ণাঙ্গ চার্ট, আদ্যপান্ত, অনলাইনেই আগাম টিকিট কাটার ব্যবস্থা। থাকবে, যানবাহনের ন্যায্য ভাড়ার তালিকা, টপ রেটেড রেস্টুরেন্টের ঠিকানা। মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট, সেখানে থাকবে সরাসরি কমেন্ট/ফোনকল করে রিভিউ বা অভিযোগ জানানোর উপায়।

🎯৪. জনপ্রতিনিধিদের ট্যুরিজম বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া, এর ইতিবাচকতা নেতিবাচকতা মূল্যায়ন করে, সিদ্ধান্ত নেওয়া। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার, প্রশাসনকেও এ বিষয়গুলোতে উদ্যোগী হওয়া। ইতিবাচকভাবে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সামাজিক সহযোগিতা প্রদান যাতে এসব বৃহৎ অথবা ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাগুলো সফলভাবে দাঁড়াতে পারে, তবেই সাস্টেইননেবিলিটির পথে এগিয়ে যাবে এই খাত।

🎯৫. যুবসমাজকে এই উদ্যোগে ইনক্লুড করা, ছোট ছোট ইনভেস্টও যাতে অবদান রাখতে পারে সেদিকটি এন্সিওর করা।

🎯৬. স্বতন্ত্র নয়, সমন্বিত উদ্যোগ। পঞ্চগড়ের পাঁচটি উপজেলায় বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের পরিবর্তে সমন্বিত পরিকল্পনা, দায়িত্বশীল বিনিয়োগ এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটনব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

⚠️সতর্কতা অবলম্বন:❗
প্রতিটি উদ্যোগের বাই প্রোডাক্ট হিসেবে কিছু নেগেটিভ এক্সটারনিলিটি থাকে। তাই যেসব উদ্যোগই নেওয়া হোক, সেটার সায়েন্টিফিক, পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা প্রস্তুত করে তারপর সে অনুযায়ী পলিসি ডেভেলপ করে ইমপ্লিমেন্টেশনে নামা। অবশ্যই অবশ্যই খেয়াল রাখা প্রাকৃতিক ভারসাম্য যাতে নষ্ট না হয়, নৈতিক কালচার যাতে নষ্ট না হয়। স্থানীয় মানুষ, নতুন প্রজন্মের বিকাশের ক্ষেত্রে যাতে নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে। মাদক থেকে শুরু করে প্রত্যেক নেতিবাচক বিষয় যাতে শুরু থেকেই নির্মূল বা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সে বিষয়ে স্ট্রিকটলি ইন্সিওর করা। প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে পরিবেশগত প্রভাব, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থ, ভূমির ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব বিবেচনা করতে হবে।

🌿এবার আসি দেবীগঞ্জ নিয়ে কিছু কথা:🌿

দেবীগঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছা আছে। আপাতত পর্যটনের সম্ভাবনার দিকটি তুলে ধরছি।

করতোয়া নদীর তীরঘেঁষা শীতল সবুজে মোড়ানো ছোট উপশহর দেবীগঞ্জ নিয়ে অনেকের আগ্রহ কম নেই বৈকি বেশিই রয়েছে। গোছানো এই এলাকাতে রয়েছে ময়নামতির চর, খয়ের বাগান, করতোয়া সেতুসংলগ্ন ডিসিপার্ক এবং বিস্তৃত কৃষি ফার্মসহ বেশ কিছু প্রাকৃতিক স্থান। আর ঐতিহাসিক স্থান যেমন: গোলকধাম মন্দির, নৃপেন্দ্র নারায়ণ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, জগবন্ধু ঠাকুরবাড়ি, সোনাহার জমিদার বাড়ি, শতবর্ষী দেবীগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান ইত্যাদি।

🎯উদ্যোগ নিন: ময়নামতির চর সংলগ্ন এলাকায় অথবা ফিজিবল আশপাশের এলাকায় একটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভ্রমণ স্পট (শুধুমাত্র পিকনিক স্পটএর গণ্ডি নয়, অনলাইনে একটু নারায়ণগঞ্জের "জিন্দাপার্ক" সার্চ দিয়ে ঘেঁটে দেখুন তাহলে বুঝতে পারবেন কেমন স্পটের কথা বলছি) চাইলেই করা সম্ভব।

দেবীগঞ্জের এই স্পটকে ঘিরে পঞ্চগড় থেকে অনতিদূরে (৩৯কিলো) অবস্থিত এই উপজেলাটি হবে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শনের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ ভ্রমণপিপাসুদের জন্য এক অন্যতম ট্যুর ডেস্টিনেশন। দেবীগঞ্জের ইনভেস্টর, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিবর্গের ইতিবাচক হস্তক্ষেপে এটা সম্ভব।

এমনভাবে পঞ্চগড়ের অন্যান্য উপজেলায় নেওয়া উদ্যোগগুলো সমন্বিতভাবে অবদান রাখবে উত্তরবঙ্গকে একটি স্থায়ী ভ্রমণকেন্দ্র হিসেবে তৈরি করতে।
⭐আপনি পঞ্চগড়ের অন্য উপজেলার হলে আপনার উপজেলার সম্ভাবনার কথা কমেন্টে জানাতে পারেন।

😮‍💨যা হোক অনেক কথা বললাম, যারা পুরোটা পড়েছেন তাদের ধৈর্যের প্রশংসা করি। সোশ্যাল মিডিয়াতে তেমন একটা লিখালিখি করি না, কিন্তু আজকে এসব বলার একটা কারণ রয়েছে। উত্তরবঙ্গে ট্যুরিজম বিষয়টি সকলের অজান্তেই জনপ্রিয় হচ্ছে, যা আপাতপক্ষে তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে না হলেও, অদূর ভবিষ্যতে এটি এলাকার ব্র্যান্ডিং ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের একটা সেক্টর হতে পারে। প্রতি বছর প্রচুর পর্যটক কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন ও শীতকাল উপভোগের উদ্দেশ্যে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছে, যাবার প্ল্যান করছে। অনেকেই ভাবছে প্রতিবার তো কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেটে যাওয়া হয়, এবার শীতে উত্তরবঙ্গে যাই। এই রেশটা সামনের এই কয়েকটি বছরই থাকবে, তারপর ট্যুরিস্টরা তৃপ্তি নিয়ে ফিরে না গেলে ধীরে ধীরে এই উত্তরে ভ্রমণের গতি মন্থর হয়ে যাবে। পর্যটকেরা ভালো অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরলে তাঁরা অন্যদের কাছে সেই গন্তব্যের পরিচিতি ছড়িয়ে দেন। ট্যুরিস্টরাই ট্যুরিস্ট স্পট ব্র্যান্ডিং করে।

🏅পঞ্চগড়ের এই সেক্টরের সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ, যেখানে প্রশাসন পথ তৈরি করবে, উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করবেন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহযোগিতা করবেন, যুবসমাজ নতুন ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসবে এবং স্থানীয় মানুষ উন্নয়নের অংশীদার হবেন।

লিখেছেন:
টি, এন, আল নাশেখ
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন অব পঞ্চগড় (ডিইউসেপ)

নিচে পঞ্চগড় জেলার কিছু দর্শনীয় স্থান যুক্ত করা হলো , আপনিও কমেন্টে ছবিসহ যুক্ত করতে পারেন বাকি স্থানগুলো।😀

সবাইকে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রীতি শুভেচ্ছা। ♥️শারদীয় দুর্গোৎসব বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও শান্তির বা...
17/10/2026

সবাইকে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রীতি শুভেচ্ছা। ♥️

শারদীয় দুর্গোৎসব বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও শান্তির বার্তা। দেবী দুর্গার আগমনে দূর হোক সকল অশুভ শক্তি, মুছে যাক দুঃখ-গ্লানি, আর প্রতিটি হৃদয় ভরে উঠুক সুখ, সমৃদ্ধি ও নতুন আশার আলোয়।
চিরন্তন সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে গড়ে উঠুক অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও সুন্দর পঞ্চগড়।

পরিবার ও প্রিয়জনদের সাথে সুন্দর ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হোক সবার পুজো।

বার্তা প্রেরক,
মোঃ মামুন বিল্লাহ
প্রচার সম্পাদক
ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন অব পঞ্চগড়

অভিনন্দন প্রফেসর ড. নেপাল চন্দ্র রায় স্যার ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন অব পঞ্চগড় (ডিইউসেপ) এর সম্মানিত...
08/10/2026

অভিনন্দন প্রফেসর ড. নেপাল চন্দ্র রায় স্যার

ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন অব পঞ্চগড় (ডিইউসেপ) এর সম্মানিত উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক,ড. নেপাল চন্দ্র রায় স্যার বিশ্বের শীর্ষ ২% শিক্ষক-গবেষকদের মধ্যে স্থান পাওয়ায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন অব পঞ্চগড় (ডিইউসেপ) এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন।

আমরা ডিইউসেপ পরিবার স্যারের এই অর্জনে আনন্দিত ও গর্বিত।

উল্লেখ্য যে, যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডসের প্রকাশনা সংস্থা 'এলসেভিয়ার' যৌথভাবে গত ৭ই অক্টোবর, ২০২৬, বুধবারে বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানী ও গবেষকদের তালিকা প্রকাশ করে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক-গবেষক তালিকায় প্রকাশ পায়, যার মধ্যে ড. নেপাল চন্দ্র রায় স্যার অন্যতম।

ড. নেপাল চন্দ্র রায় স্যার দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা খাতে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন। বিশেষ করে গণিতশাস্ত্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর রয়েছে প্রকাশিত বহুল গবেষণাপত্র।

30/09/2026

DUSAP REELS CONTEST -2026

Participants Name : Esrat Jahan Any
Dept : Sociology
Session : 2024-25
Hall : Bangamata Sheikh Fazilatunnesa Mujib Hall

ডিইউসেপ-২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে উক্ত কমিশনের অধীন। বর্তমান কমিটি এতে কোনো প্রকার...
16/01/2026

ডিইউসেপ-২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে উক্ত কমিশনের অধীন। বর্তমান কমিটি এতে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না।

সকলকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা🇧🇩
16/12/2025

সকলকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা🇧🇩

"আলোকিত পঞ্চগড় চাই" প্রত্যয়কে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের 'কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান' ইউনিটে ভর...
14/12/2025

"আলোকিত পঞ্চগড় চাই" প্রত্যয়কে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের 'কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান' ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীদের জন্য Dhaka University Students' Association of Panchagarh-DUSAP এর পক্ষ থেকে কলাভবনে হেল্প-ডেস্ক স্থাপন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত পঞ্চগড়ের শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান, শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র (ব্যাগ,বই,মোবাইল) রাখার ব্যবস্থা করা, কেন্দ্র ও সিট খুঁজে পেতে সাহায্য করা, পঞ্চগড় থেকে আগত সম্মানিত অভিভাবকদের বিশ্রামের ব্যবস্থাসহ সুপেয় পানি বিতরণ করা হয়েছে সংগঠনের পক্ষ থেকে।

আগামীতেও এই কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।

#আলোকিত_পঞ্চগড়_চাই

📢 অনলাইন নিবন্ধ রচনা প্রতিযোগিতা ২০২৫ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশন অব পঞ্চগড় (DUSAP)মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপল...
06/12/2025

📢 অনলাইন নিবন্ধ রচনা প্রতিযোগিতা ২০২৫
ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশন অব পঞ্চগড় (DUSAP)

মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশন অব পঞ্চগড় (DUSAP)-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শব্দচিত্রে আঁকি স্বপ্ন ও সংগ্রামের গল্প, যেখানে প্রকাশ পাবে আপনার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিচ্ছবি ও ভাবনা।
উক্ত গল্প লেখা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে জিতে নিন আকর্ষণীয় পুরস্কার।

📌 গল্প লেখার বিষয় :

*"স্বপ্ন থেকে বাস্তবতা : বিশ্ববিদ্যালয় জীবন, সংকটের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ নির্মাণে এক স্বপ্নবাজের যাত্রা"*
(উল্লেখিত গল্পে শিক্ষার্থীদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পূর্ববর্তী স্বপ্ন ও প্রেরণা, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও সম্মুখীন সংকট, এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্য ও জীবন নির্মাণে এসব অভিজ্ঞতার প্রভাব—এই তিনটি বিষয় সুস্পষ্টভাবে উপস্থাপন করতে হবে।)

📌 অংশগ্রহণকারীদের যোগ্যতা :

বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন, এবং প্রতি সেশন থেকে ৩ জন বিজয়ীকে যথাক্রমে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান নির্ধারণ করে পুরস্কৃত করা হবে।
এছাড়াও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য থাকবে আকর্ষণীয় উপহার।

📌 নির্দেশনা :

১. গল্প টাইপ করে(পোস্ট আকারে) DUSAP এর অফিসিয়াল গ্রুপে পোস্ট করতে হবে সাথে নাম, সেশন , বিভাগ, হল যুক্ত করতে হবে।

২. গল্পের একটা কপি (পিডিএফ রিনেইম করে নাম, সেশন লিখে) জমা দিতে হবে; হাতে লেখা গল্পের ক্ষেত্রে পরিষ্কার ছবি ও পেজ নম্বর যুক্ত করতে হবে।
৩. গল্পের শিরোনাম পরিবর্তন করা যাবে, তবে লেখার মধ্যে অবশ্যই উপরোক্ত বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
৪. রচনা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫। নির্ধারিত সময়ের পরে রচনা গ্রহণ করা হবে না।

৫. ই-মেইলে দেওয়া রচনার সঙ্গে একটি কভার পেজ সংযুক্ত করতে হবে, যেখানে নিজের নাম (বাংলা ও ইংরেজি), সেশন, বিভাগ, হলের নাম এবং মোবাইল নম্বর স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

বি.দ্র. DUSAP এর মেইন পেজে আপলোড (হ্যাশট্যাগ ' #স্বপ্নসংগ্রামের_যাত্রা' সহ)
না করলে সেটা গ্রহনযোগ্য হবেনা।

📧 রচনা পাঠানোর ই-মেইল ঠিকানা :

[email protected]

ধন্যবাদ।

সার্বিক নির্দেশনায়,
মো: শিশির ইসলাম
সাহিত্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, ডিইউসেপ।

সহযোগিতায়,
আল খালিদ বীন ওয়ালিদ দিপু
পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক, ডিইউসেপ।

টি, এন, আল নাশেখ
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, ডিইউসেপ।

সাদিয়া আফিয়া সেবী
উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, ডিইউসেপ।

Address

Dhaka University Campus
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka University Students' Association of Panchagarh-DUSAP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Dhaka University Students' Association of Panchagarh-DUSAP:

Shortcuts

Share