Mpsz.Com.Bd

Mpsz.Com.Bd If you fly, we fly. If we fly, you close eye

!!এক চমকপ্রদ ইতিহাস!!হজ্জ কিংবা উমরাহ করতে যাঁরা মক্কায় হারাম শরীফে গিয়েছেন, তাঁরা সবাই নিশ্চয়ই একটা ব্যাপার লক্ষ্য করে...
23/01/2023

!!এক চমকপ্রদ ইতিহাস!!

হজ্জ কিংবা উমরাহ করতে যাঁরা মক্কায় হারাম শরীফে গিয়েছেন, তাঁরা সবাই নিশ্চয়ই একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছেন- চামড়া পোড়ানো প্রখর রোদে খোলা আকাশের নিচে কাবার চারপাশে তাওয়াফ করার সময় পায়ের তলাটা পুড়ে যায় না, বরং বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়।

কারণ, এর নেপথ্যে রয়েছে এক চমকপ্রদ ইতিহাস।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল (১৯০৮-২০০৮) একজন মিশরীয় প্রকৌশলী ও স্থপতি; লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। মিশরের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন প্রথম সর্বকনিষ্ঠ শিক্ষার্থী- যিনি হাইস্কুল শেষে ‘রয়েল স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং’-এ ভর্তি হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ইউরোপে পাঠানো ছাত্রদের ভেতরেও তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ, ইসলামি আর্কিটেকচার-এর ওপর তিনটি ডক্টরেট ডিগ্রিপ্রাপ্ত প্রথম মিশরীয় প্রকৌশলী।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল প্রথম প্রকৌশলী- যিনি হারামাইন (মক্কা-মদিনা) সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ভার নিজের কাঁধে তুলে নেন। এই সুবিশাল কর্মযজ্ঞ তত্ত্বাবধান করার জন্য সৌদি বাদশাহ ফাহাদ এবং বিন লাদেন গ্রুপের সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও তিনি কোনো পারিশ্রমিক গ্রহণ করেননি; মোটা অংকের চেক উনি ফিরিয়ে দেন! তাঁর সততা ও কাজের প্রতি আন্তরিকতা তাঁকে বাদশাহ ফাহাদ, বাদশাহ আব্দুল্লাহসহ সকলের প্রিয়পাত্র ও বিশেষ আস্থাভাজন করে তোলে।

তিনি বাকার বিন লাদেনকে বলেছিলেন, এই দু’টি পবিত্র মসজিদের কাজের জন্য পারিশ্রমিক নিলে শেষ বিচারের দিনে আমি কোন মুখে আল্লাহর সামনে গিয়ে দাঁড়াবো?

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ৪৪ বছর বয়সে বিয়ে করেন। তাঁর স্ত্রী সন্তান জন্ম দিয়ে মারা যান। এরপর তিনি আর বিয়ে করেননি। মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর পুরোটা জীবন আল্লাহর ঘর রক্ষণাবেক্ষণে উৎসর্গ করেন। অর্থ-বিত্ত, খ্যাতি-যশ, মিডিয়ার লাইম লাইট থেকে দূরে সরে থেকে তিনি তাঁর ১০০ বছরের জীবনের পুরোটা সময় মক্কা ও মদীনার দুই মসজিদের সেবায় বিনিয়োগ করে গেছেন।

মক্কা-মদিনার হারাম শরীফের মার্বেলের কাজের সঙ্গে উনার জীবনের একটি বিস্ময়কর ঘটনা রয়েছে। উনি চেয়েছিলেন- মাসজিদুল হারামের মেঝে তাওয়াফকারীদের জন্য এমন মার্বেল দিয়ে আচ্ছাদিত করে দিতে- যার বিশেষ তাপ শোষণ ক্ষমতা রয়েছে। এই বিশেষ ধরনের মার্বেল সহজলভ্য ছিল না। এই ধরনের মার্বেল ছিল পুরো পৃথিবীতে কেবলমাত্র গ্রিসের ছোট্ট একটি পাহাড়ে।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল গ্রিসে গিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে মার্বেল কেনার চুক্তিস্বাক্ষর করে মক্কায় ফিরে এলেন এবং সাদা মার্বেলের মজুদও চলে এলো। যথাসময়ে বিশেষ নকশায় মাসজিদুল হারামের মেঝের সাদা মার্বেলের কাজ সম্পন্ন হলো।

এর ঠিক ১৫ বছর পরে সৌদি সরকার তাঁকে মাসজিদুন নব্বীর চারদিকের চত্বরও একইভাবে সাদা মার্বেল দিয়ে ঢেকে দিতে বললেন। কিন্তু ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল দিশেহারা বোধ করলেন! কেননা ওই বিশেষ ধরনের মার্বেল কেবলমাত্র গ্রিসের ওই ছোট্ট জায়গা বাদে গোটা পৃথিবীর কোথাও পাওয়া যায় না এবং সেখানে যতটুকু ছিল, তার অর্ধেক ইতোমধ্যেই কিনে মক্কার হারাম শরীফে কাজে লাগানো হয়ে গেছে। যেটুকু মার্বেল অবশিষ্ট ছিল- সেটা মাসজিদুন নব্বীর প্রশস্ত চত্বরের তুলনায় সামান্য!

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল আবার গ্রিসে গেলেন। সেই কোম্পানির সি.ই.ও-র সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন, ওই পাহাড় আর কতটুকু অবশিষ্ট আছে? সি.ই.ও জানালেন, ১৫ বছর আগে উনি কেনার পরপরই পাহাড়ের বাকি অংশটুকুও বিক্রি হয়ে যায়! এই কথা শুনে তিনি এতটাই বিমর্ষ হলেন যে, তাঁর কফি পর্যন্ত শেষ করতে পারলেন না! সিদ্ধান্ত নিলেন- পরের ফ্লাইটেই মক্কায় ফিরে যাবেন। অফিস ছেড়ে বেরিয়ে আসার আগে কী মনে করে যেন অফিস সেক্রেটারির কাছে গিয়ে সেই ক্রেতার নাম-ঠিকানা জানতে চাইলেন- যিনি বাকি মার্বেল কিনেছিলেন।

যদিও এটা অনেক দুরূহ কাজ, তবু কামালের পুনঃপুন অনুরোধে সে পুরোনো রেকর্ড চেক করে জানাবে বলে কথা দিলো। নিজের নাম এবং ফোন নম্বর রেখে বেরিয়ে আসার সময় কামাল মনে মনে ভাবলেন- কে কিনেছে, ১৫ বছর পরে তা জেনেই-বা আর লাভ কী?

পরদিন এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে অফিস সেক্রেটারি ফোনে জানাল, সেই ক্রেতার নাম-ঠিকানা খুঁজে পাওয়া গেছে! কামাল ধীর গতিতে অফিসের দিকে যেতে যেতে ভাবলেন- ঠিকানা পেয়েই-বা লাভ কী? মাঝে তো অনেকগুলো বছর পেরিয়ে গেছে...।

অফিসে পৌঁছলে সেক্রেটারি তাঁকে ওই ক্রেতার নাম-ঠিকানা দিলেন। ঠিকানা হাতে নিয়ে ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইলের হৃদ্স্পন্দন বেড়ে গেল, যখন তিনি দেখলেন- বাকি মার্বেলের ক্রেতা একটি সৌদি কোম্পানি!

কামাল সেদিনই সৌদি আরব ফিরে গেলেন। সেখানে পৌঁছে তিনি কোম্পানির ডিরেক্টর এডমিন-এর সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন- মার্বেলগুলো দিয়ে তাঁরা কী করেছেন, যা অনেক বছর আগে গ্রিস থেকে কিনেছিলেন?

ডিরেক্টর এডমিন প্রথমে কিছুই মনে করতে পারলেন না। কোম্পানির স্টক রুমে যোগাযোগ করে জানতে চাইলেন- ১৫ বছর আগে গ্রিস থেকে আনা সাদা মার্বেলগুলো দিয়ে কী করা হয়েছিল? তারা খোঁজ করে জানাল- সেই সাদা মার্বেল পুরোটাই স্টকে পড়ে আছে, কোথাও ব্যবহার করা হয়নি!

এই কথা শুনে কামাল শিশুর মতো ফোঁপাতে শুরু করলেন। কান্নার কারণ জানতে চাইলে তিনি পুরো ঘটনা কোম্পানির মালিককে খুলে বললেন। ড. কামাল ওই কোম্পানিকে সৌদি সরকারের পক্ষে একটি ব্লাংক চেক দিয়ে ইচ্ছেমতো অংক বসিয়ে নিতে বললেন। কিন্তু কোম্পানির মালিক যখন জানতে পারলেন- এই সাদা মার্বেলে রাসূল (সা.)-এর মসজিদ চত্বর বাঁধানোর জন্য ব্যবহৃত হবে, তৎক্ষণাৎ তিনি এর বিনিময় মূল্য নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন, আল্লাহ্ সুবহানুতায়ালা আমাকে দিয়ে এটা কিনিয়েছিলেন আবার তিনিই আমাকে এর কথা ভুলিয়ে দিয়েছেন; কেননা এই মার্বেল রাসূল (সা.)-এর মসজিদের উদ্দেশ্যেই এসেছে…!

সংগৃহীত

যেসব ক্ষমতার কারণে মহারাণী এলিজাবেথকে বিশ্বজুড়ে সম্মান করা হয়।ইতিহাসের পাতা বলে একসময় অর্ধবিশ্ব শাসন করতো ব্রিটিশ রাজ প...
09/09/2022

যেসব ক্ষমতার কারণে মহারাণী এলিজাবেথকে বিশ্বজুড়ে সম্মান করা হয়।

ইতিহাসের পাতা বলে একসময় অর্ধবিশ্ব শাসন করতো ব্রিটিশ রাজ পরিবার। গণতন্ত্রের উত্থানের পর থেকে কালের পরিক্রমায় ইংরেজ শাসকদের ক্ষমতা কমতে থাকলেও তা ব্রিটিশ রাজপ্রধানের ক্ষমতা বা গাম্ভীর্যতার উপর কখনোই ছাপ ফেলতে পারেনি। বর্তমানে ব্রিটিশ রাজ পরিবারের প্রধান হলেন রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। পুরো নাম এলিজাবেথ আলেকজান্দ্রা মেরি। ব্রিটিশরা ভালোবেসে ডাকে মহারাণী এলিজাবেথ।

রাজা ষষ্ঠ জর্জের মৃত্যুর পর ১৯৫২ সালে মাত্র ছাব্বিশ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের সিংহাসনে বসেন কুইন এলিজাবেথ। গণতান্ত্রিক দেশ হবার কারনে নামমাত্র মহারাণী হলেও ইংল্যান্ডের রাজপ্রধান হিসেবে কুইন এলিজাবেথ এর রয়েছে কিছু বিশেষ ক্ষমতা যা বিশ্বের অন্য কোন ক্ষমতাবান ব্যাক্তির নেই এবং সচরাচর ব্যবহার না করার কারনে অনেকেই জানে না এই নামমাত্র রাণীর ক্ষমতা কতটুকু।

বর্তমানে ইংল্যান্ড গনতান্ত্রিক দেশ হলেও সেখানে মহারাণীর শাসনকার্য চালিত হয়, যা অন্য কোন গনতান্ত্রিক দেশেই সম্ভব নয়। দেশের জনগণ ভোট দিলেও মহারাণীর সম্মতিক্রমেই ব্রিটেনের সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত হয়। তিনি সকল আইন এবং সংবিধানের উর্ধ্বে। তিনি আদেশ করলেই যে কোন সময় ইংল্যান্ডের সংসদ ভেঙে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কে ক্ষমতাচ্যুত করে নতুন কাউকে ক্ষমতা দিয়ে দিতে পারেন। তিনি চাইলেই সংসদ কে না জানিয়েও যেকোন দেশের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন এবং শেষ করতে পারেন। ব্রিটিশ সরকার চাইলেই কোথাও পারমানবিক বোমা নিক্ষেপ করতে পারবে না। শুধুমাত্র কুইনের আদেশেই পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা সম্ভব। তিনি এসব কিছু অর্জন করেছেন তার প্রজ্ঞার বলে।

যেহেতু কুইন আইনের উর্ধ্বে তাই কুইনের উপর আইন প্রয়োগ করার ক্ষমতাও কারো নেই। তাই তিনি কোন অপরাধ করলেও তার কোন শাস্তি হবে না। এমনকি বিশ্বের যেকোন দেশে তিনি কোন অপরাধ করলেও তার উপর কেউ আইন প্রয়োগ করতে পারবে না। যদিও মহারাণী কখনো আইন ভঙ্গ করেননি। তিনি চাইলেই যাকে ইচ্ছা তাকে কোন কারন না দেখিয়েই গ্রেফতার করাতে পারবেন। তবে তার জনপ্রিয়তা কমায়, এমন কোন কাজই কুইন এখন পর্যন্ত করেননি।

মহারাণী এলিজাবেথ পৃথিবীর একমাত্র ব্যাক্তি যার কোন দেশে ভ্রমণ করতে পাসপোর্ট লাগে না। রাণী ছাড়া রাজপরিবারের বাকি সবাইকেই পাসপোর্ট ব্যবহার করতে হয়। এলিজাবেথ রাণী হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ৯৫ বার ভ্রমণ করেছেন কোন পাসপোর্ট ছাড়াই। এছাড়া রাণীর গাড়িতে কোন নম্বর পত্রেরও প্রয়োজন হয় না। এমনকি তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই যেকোন দেশে গাড়ি চালাতে পারবেন। মোটকথা, মহারাণী এলিজাবেথের কোন প্রকার পরিচয় পত্রেরই প্রয়োজন নেই। লাইসেন্স না থাকলেও কুইন ভালই গাড়ি চালান।

কুইন এলিজাবেথই একমাত্র রাজকীয় মহিলা যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন। দেশের হয়ে রাণীর সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের কারণে(সেসময় তিনি কুইন ছিলেননা) সাধারণ ব্রিটিশদের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র তিনি।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন একজন মিলিটারি ট্রাক ড্রাইভার এবং কোয়ালিফাইড মেকানিক।

মৃত্যুর আগ অব্দি গ্রেট ব্রিটেনের সেনাবাহিনীর সকল ক্ষমতাও রাণীর হাতে ছিল কারন সেখানে কুইনের নামে জীবন দেওয়ার শপথ নিয়েই সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় সৈনিকেরা। এমনকি ব্রিটিশ নৌবাহিনী যা রয়েল নেভী পরিচিত সব যুদ্ধ জাহাজের নামকরণ কুইনের নামেই করা।

মহারাণী এলিজাবেথ শুধু ইংল্যান্ডেরই নয়, উনি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডাসহ আরও ১২ টি দেশের রাণী। রাণী চাইলে যে কোন সময় অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকেও ক্ষমতাচ্যুত করতে পারেন। তিনি তারই একটি দৃষ্টান্ত রেখেছিলেন ১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতাচ্যুত করেন অর্থনৈতিক দৈন্যতার কারণে। ৩ ঘণ্টার মধ্যে কের সম্পূর্ণ সরকারকেই বন্ধ করে দেন। নতুন করে নির্বাচন হয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়ে এরপর।

ঐতিহাসিক পরম্পরা অনুযায়ী তিনি গ্রেট ব্রিটেনের সকল সামুদ্রিক সম্পদের মালিক। এছাড়া ব্রিটেনের সাগরসীমার সকল তিমি ও ডলফিন এবং টেমস ও টেমসের শাখা নদীর সকল রাজহাঁসের মালিক হলেন কুইন এলিজাবেথ। বছরে একবার টেমস নদীর সকল রাজহাঁস ধরে রাণীর সামনে আনা হয় প্রতিকি মালিকানার প্রতি সম্মান স্বরুপ,তবে সবগুলো রাজহাঁসই টেমস নদীতে পুনরায় ছেড়ে দেয়া হয়।

মহারাণী এলিজাবেথ কোনপ্রকার কর দিতে বাধ্য নন, তবে রাণী হওয়ার পর থেকে ব্যাক্তিগত উদ্যোগেই তিনি নিয়মিত রাজ্যকর দিয়ে আসছেন। তিনিই পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা রাণী।

এছাড়াও রানীর রয়েছে আরো বিভিন্ন অদ্ভুত অদ্ভুত ক্ষমতা। আর এসব ক্ষমতাগুলোই তার ব্যক্তিত্বকে দিয়েছে স্বকীয় এক রাজকীয়তা, যার কারণে সমগ্র পৃথিবী তাকে দেখে শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে।

চীনে লং টাইম Class করার পর বাচ্চাদের ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঘুমানোর সুযোগ দেওয়া হয়।এতে বাচ্চাদের মনযোগ বাড়ে এবং পড়াশোনায় বেশী ...
06/09/2022

চীনে লং টাইম Class করার পর বাচ্চাদের ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঘুমানোর সুযোগ দেওয়া হয়।

এতে বাচ্চাদের মনযোগ বাড়ে এবং পড়াশোনায় বেশী মনোযোগি হতে পারে।

05/09/2022

কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ২৮,০০০ গুণ বেশি।

প্রাণীদের মধ্যে বিড়ালই
সবচেয়ে বেশি ঘুমায় (দৈনিক ১৮ঘন্টা)।

একমাত্র স্ত্রী মশাই মানুষের রক্ত খায়।

মাছি মিনিটে ৮ কিলোমিটার উড়তে পারে ।

পুরুষ ব্যাঙই বর্ষকালে ডাকে, আর তা শুনে কাছে আসে স্ত্রী ব্যাঙ।

হামিং বার্ড পাখি পিছনের
দিকে উড়তে পারে ।

গিরগিটি একই সময়ে তার চোখ
দুটি দুই দিকেই নাড়তে পারে।

টিকটিকি এক সঙ্গে ৩০টি ডিম
পাড়ে ।

মাছ চোখ খোলা রেখে ঘুমায়।

একমাএ পিঁপড়াই কোনদিন ঘুমায় না।

সিডকা পোকা একটানা ১৭ বছর মাটির নিচে ঘুমায়।
তারপর মাটি থেকে বেড়িয়ে এসে চিৎকার করতে করতে ৩ দিনের মাথায় মারা যায়।

সিংহের গর্জন ৫ মাইল দূর
থেকেও শোনা যায়।

অনেকের ধারণা
হাঙ্গর মানুষকে হাতের কাছে পেলে মেরে ফেলে। কিন্তু মানুষের হাতেই বেশী হাঙর মারা পড়েছে।

কাচ আসলে বালু থেকে তৈরী।

আপনি প্রতিদিন কথা
বলতে গড়ে ৪৮০০টি শব্দ ব্যবহার করেন।বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

আপনি ৮ বছর ৭ মাস ৬ দিন
একটানা চিৎকার করলে যে পরিমান শক্তি খরচ হবে তা দিয়ে এক কাপ কফি অনায়েসে
বানানো যাবে।

একটি রক্ত কনিকা আমাদের পুরো দেহ ঘুরে আসতে সময় নেয় ২২ সেকেন্ড।

আপনার যদি একটা তারকা
গুনতে ১ সেকেন্ড সময় লাগে তাহলে একটি গ্যালাক্সির সব তারকা গুনতে সময় লাগবে প্রায় ৩ হাজার বছর।

অনেকের ধারণা শামুকের দাঁত নেই। অথচ শামুকের ২৫
হাজার দাঁত আছে।

চোখ খুলে হাঁচি দেয়া সম্ভব
না।

বিড়াল ১০০ রকম শব্দ করতে পারে অথচ কুকুর পারে ১০ রকম।

পৃথিবীর প্রাণীদের মধ্যে ৮০ ভাগই পোকামাকড়।

একটি তেলাপোকা তার মাথা
ছাড়া ৯দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এরপর তারা সাধারণত খাদ্যাভাবে মারা যায়।

ভালো লাগবে আপনাদেরকে অজানা কিছু জানতে পারলে।

04/09/2022

At last We have successfully finished Mirza Nurul Hossain Memorial International Rapid Rating Chess Tournament.
Heartiest Thanks to Mirza Zahid Hossain to sponsor this successful chess event which is the First International Rapid Rating Chess Tournament in History of Magura City Also thanks to Mirza Nahid Hossain to provide sufficient Environment with helpful cooperation.

বাসের রুটটা দেখে অবাক হবেন না। একসময় আমাদের পাশের দেশ ভারতের কোলকাতা থেকে দিল্লি হয়ে লন্ডন যাওয়া যেত বাসে করে। তখন বিশ্ব...
29/08/2022

বাসের রুটটা দেখে অবাক হবেন না। একসময় আমাদের পাশের দেশ ভারতের কোলকাতা থেকে দিল্লি হয়ে লন্ডন যাওয়া যেত বাসে করে। তখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাস রুট ছিল কোলকাতা টু লন্ডন ভায়া দিল্লি। কোন ভারতীয় বা ব্রিটিশ কোম্পানি না, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের "অ্যালবার্ট ট্যুর কোম্পানি" এই বাস চালাতো। প্রায় ২৫ বছর ধরে চলে এই বাস সার্ভিস।

১৯৫০ সালের প্রথম পর্যন্ত এই বাস সার্ভিস চালু ছিল। এই বাসের ভাড়া কোলকাতা থেকে লন্ডন ৮৫ পাউন্ড থেকে ১৪৫ পাউন্ড ছিল। বাস কোলকাতা ধর্মতলা থেকে ছেড়ে বেনারস, এলাহাবাদ, আগ্রা, দিল্লি,লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি, কাবুল, কান্ধাহার, তেহরান, ইস্তানাবুল, যুগোস্লাভিয়া, বুলগেরিয়া হয়ে ইংল্যান্ড পৌছাত।
এই রাস্তা কমবেশি ২০৩০০ কিমি ছিল। ১১টি দেশ পার করে অবশেষে লন্ডন পৌঁছানো যেত।

আজ ১২ ভাদ্র ২৮  আগস্ট আলাব্বু ২৯  আগস্ট জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম মৃত্যু বরণ করেন। জাতীয় কবির মৃত্যু বার্ষিকী বাংলা না ...
27/08/2022

আজ ১২ ভাদ্র ২৮ আগস্ট আলাব্বু ২৯ আগস্ট জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম মৃত্যু বরণ করেন। জাতীয় কবির মৃত্যু বার্ষিকী বাংলা না ইংরেজি হবে এ চিন্তা নজরুল গবেষক করবেন। আমার মতো অভাজন বিভাজন হয়ে কি লাভ!

যে নজরুল সুগঠিত দেহ, অপরিমেয় স্বাস্থ্য ও প্রাণখোলা হাসির জন্য বিখ্যাত ছিলেন, ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মারাত্মকভাবে স্নায়বিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে পড়লে আকস্মিকভাবে তার সকল সক্রিয়তার অবসান হয়। ফলে ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যু অবধি সুদীর্ঘ ৩৪ বছর তাকে সাহিত্যকর্ম থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের প্রযোজনায় ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে তাকে সপরিবারে কলকাতা থেকে ঢাকা স্থানান্তর করা হয়। ১৯৭৬ সালে তাকে বাংলাদেশের জাতীয়তা প্রদান করা হয়। এখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আল্লাহ ওনাকে কবুল করুন। আমিন।

22/08/2022

বুধবার থেকে সরকারি অফিস ৮ টা থেকে ৩ টা, ব্যাংক ৯টা থেকে ৪ টা,
স্কুল খোলা ৫ দিন।

চাঁদের এই ৪৮টি রঙ ক্যাপচার করতে ফটোগ্রাফার মার্সেলা জুলিয়া পেসের ১০ বছর লেগেছে!
20/08/2022

চাঁদের এই ৪৮টি রঙ ক্যাপচার করতে ফটোগ্রাফার মার্সেলা জুলিয়া পেসের ১০ বছর লেগেছে!

18/08/2022

প্রতিটি মৃত্যুর সাথে
প্রতিটি লাশের সাথে বিনামুল্যে দিয়েছি
একটি করে গোলাপ।
#দোক্তাতামাক_ঠাকুর

16/08/2022

জীবন যেখানে সুন্দর

12/08/2022

#পদ্মা_নদী উপরে সমুদ্রের চেয়ে বিশাল মনের মানুষের সাথে।

Address

265, Muradpur
Dhaka
1204

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mpsz.Com.Bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Mpsz.Com.Bd:

Share