শেরেবাংলা হল, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • শেরেবাংলা হল, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

শেরেবাংলা হল, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শেরেবাংলা হল ব্যুরুকেটিক হল, যা শেখায়

25/06/2020
21/07/2018

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে ভর্তি পরীক্ষা :-

★ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে আগামী ১৪, ১৫, ২১, ২২, ২৮ সেপ্টেম্বর এবং ১২ অক্টোবর।
★জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর (২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর বাদে) ★রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২ ও ২৩ অক্টোবর ★চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭ থেকে ৩০ অক্টোবর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে
★বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা হবে আগামী ৬ অক্টোবর
★ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ নভেম্বর
★রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ অক্টোবর
★ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ২৭ অক্টোবর
★বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ নভেম্বর।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে
★ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হবে আগামী ১০ নভেম্বর
★শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ ডিসেম্বর
★ গাজীপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫ নভেম্বর
★সিলেটের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩ নভেম্বর ★চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪ নভেম্বর।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সিলেটে অবস্থিত
★শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩ অক্টোবর
★ দিনাজপুরে অবস্থিত হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬ থেকে ২৯ নভেম্বর
★টাঙ্গাইলে অবস্থিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর
★পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ ও ২২ ডিসেম্বর
★নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬ থেকে ২৮ অক্টোবর
★যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২ থেকে ২৪ নভেম্বর
★পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ নভেম্বর
★বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ ও ৫ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে
★ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ থেকে ৭ নভেম্বর, ★খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ নভেম্বর
★জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬, ১৩ ও ২৭ অক্টোবর ★কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ ও ১০ নভেম্বর ★জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ থেকে ১৫ নভেম্বর
★রংপুরে অবস্থিত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫ থেকে ২৯ নভেম্বর
★বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে ২৬ ও ২৭ অক্টোবর
★বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩ ও ২৪ নভেম্বর, ★বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ থেকে ১০ নভেম্বর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলোতে ভর্তির জন্য ১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর ফরম বিতরণ হবে এবং ১১ অক্টোবর থেকে ক্লাস শুরু। উল্লেখ্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলোতে আলাদা ভর্তির পরীক্ষা হয় না। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হয়।

05/12/2017

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নোটিশ!

কোটাসহ মেধা তালিকা ও অপেক্ষমান তালিকার সকল ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে ০৬/১২/২০১৭ থেকে ১০/১২/২০১৭ তারিখ বিকেল ৫ টার মধ্যে ভর্তি ফরম পূরণ করতে হবে। উক্ত ভর্তি ফরমে পছন্দানুযায়ী অনুষদ ও ডিগ্রী উল্লেখ করতে হবে। এ পছন্দ পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই। ১০ তারিখের মধ্যে করতে হবে, পরবর্তিতে আর করার সুযোগ থাকবে না।
আগামী ১২/১২/২০১৭ অনুষদ ও ডিগ্রী অনুযায়ী নির্বাচিতদের ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে(যারা Waiting তাদের সহ)। যারা কৃষি অনুষদ পাবে তাদের ২০/১২/২০১৭ তারিখে ও যারা ভেটেরিনারি / ফিশারিজ/এগ্রিবিজনেজ ম্যানেজমেন্ট তাদের ২১/১২/২০১৭ তারিখে শেকৃবির সেমিনার কক্ষে স স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে(সকাল ৯ টা - বিকেল ৫ টা) ভর্তি হতে হবে।
আগামী ২৪/১২/২০১৭ তারিখে অটোমাইগ্রেশন ফলাফল সহ ভর্তিযোগ্য waiting এর তালিকা প্রকাশ করা হবে। উক্ত তালিকার প্রার্থীদের ২৬/১২/২০১৭ তারিখে সকাল ৯ টা - বিকেল ৫ টা পর্যন্ত স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে ভর্তি হতে হবে।
ভর্তির সময় অবশ্যই শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল মূল সনদপত্র,ট্রান্সক্রিপ্ট,প্রশংশাপত্র, ৪ কপি সত্যায়িত ছবি ও ভর্তি পরিক্ষার প্রবেশপত্র অবশ্যই সাথে আনতে হবে।
(SSC & HSC এর মূল সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট অবশ্যই সাথে আনতে হবে, নাহলে ভর্তি হওয়া যাবে না)
কোটার ক্ষেত্রে
(ক) মুক্তিযোদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত সনদপত্র অথবা ১৯৯৭-২০০১ পর্যন্ত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অধীনে ততকালীন প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক স্বাক্ষরিত মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র ও মুক্তিযোদ্ধার সাথে আত্নীয়তার সম্পর্ক প্রমানের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ/ওয়ার্ড কমিশনারের সার্টিফিকেট দাখিল করতে হবে।
(খ)উপজাতি/আদীবাসি/হরিজন ও দলিত সম্প্রদায়,ছিটমহল বাসি কোটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাশকের সনদপত্র দাখিল করিতে হবে ও বিকেএসপির ক্ষেত্রে উক্তপ্রতিষ্ঠান প্রধানের সনদপত্র দাখিল করতে হবে।
ভর্তির জন্য নিম্নবর্ণিত হারে টাকা লাগবে
কৃষি- ১৬,৩০০ টাকা
ভেটেরিনারি - ২০,৭০০ টাকা
এগ্রিবিজনেস ম্যানেজমেন্ট - ১৮,৪০০ টাকা
ফিশারিজ- ১৬,৩০০ টাকা
(উপরোক্ত টাকা ছাড়াও আবাসিক হলে ভর্তির জন্য ২৭৫০/- টাকা এবং অনাবাসিক হিসেবে ভর্তির জন্য ১০৫০/- টাকা দিতে হবে)

01/12/2017

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আজকের ভর্তি পরীক্ষা একটি অসাধারণ নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার নজির রাখলো। মেটাল ডিটেক্টর থাকায় কোথাও কোন ডিভাইস পাওয়া যায়নি, হয়নি কোন প্রশ্ন ফাঁসও। যদিও প্রশ্নপত্র" ফাঁস হয়েছে বলে কেউ কেউ গুজব ছড়াচ্ছে। তবে প্রশ্নপত্র কোন ভাবেই আউট হওয়া সম্ভব না এতো নিরাপত্তার বেড়াজাল অতিক্রম করে। আসলে ভার্সিটির সুনাম নষ্ট করার জন্য অনেক একটা অসাধু চক্র ভুয়া প্রশ্নপত্র দিয়ে অনেককেই বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে, যার সাথে পরীক্ষার মূল প্রশ্নপত্রের কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায় নি। বরাবরের মত এবারো শেকৃবি প্রশাসন কঠোর নিরাপত্তায় প্রশ্ন ফাঁস ছাড়াই পরীক্ষা নিতে সক্ষম হয়েছে।
ধন্যবাদ শেকৃবি প্রশাসনকে। অগ্রিম অভিনন্দন হুবু শেকৃবিয়ানদের। #কপি

23/11/2017

সাবজেক্ট রিভিউ 🌾 কৃষি 🌾
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়( শেকৃবি )"
রাজধানীর অন্যতম শান্ত, সুন্দর, সুসজ্জিত আর পরিচ্ছন্ন একটি গ্রাম!
এবার হয়তো অনেকেই এক্সাম দিবে ৮৮একরের এই সবুজ ক্যাম্পাসে!😍
তাই তাঁদের জ্ঞাতার্থে শেকৃবির সবগুলো অনুষদের উপর পর্যায়ক্রমে রিভিউ দেওয়া হবে। আজকে শেকৃবির সবচেয়ে বড় অনুষদ (৩৫০ টি আসন) কৃষি অনুষদের সাবজেক্ট রিভিউ দেওয়া হলো:

🌾Faculty of Agriculture🌾
কৃষিই কৃষ্টি। কৃষিই সমৃদ্ধি। কৃষিকে ঘিরেই মানুষের সভ্যতার জাগরণ শুরু। ‘কৃষি’ পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতি ক্ষেত্রে কৃষির বিকল্প নেই। কৃষি পৃথিবীর মূূল চালিকা শক্তি। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও বিনোদনের অধিকাংশ উপাদান আসে কৃষি থেকে। বিশেষ করে খাদ্য ছাড়া জীবন বাঁচানো যায় না। খাদ্যের একমাত্র উৎস কৃষি।
♦♦ডিগ্রিঃ ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন এগ্রিকালচার (BSc in Ag (Hons));
♦♦কৃষি অনুষদের ডিপার্টমেন্ট গুলো এক নজরে দেখে নাওঃ
♣Department of Agronomy
♣Department of Soil Science
♣Department of Entomology
♣Department of Horticulture
♣Department of Plant Pathology
♣Department of Agricultural Botany
♣Department of Genetics and Plant Breeding
♣Department of Agricultural Chemistry
♣Department of Biochemistry
♣Department of Languages
♣Department of Agroforestry & Environmental science
♣Department of Biotechnology
♣Department of Agricultural Engineering
♣Department of Agricultural Extension and Information System
বিজ্ঞান নির্ভর প্রতিটা বিষয়ই তোমার কাছে অনেক মজা নিয়ে পড়াশুনা করতে পারবে এবং পড়াশুনা করেও অনেক আনন্দ পাবে বলে আমার বিশ্বাস।
♦♦এখন জানতে চাইতেই পারো, বিদেশে কৃষিবিদদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ কেমন?
হ্যাঁ দেশেই উচ্চশিক্ষার অনেক সুযোগ আছে।
তবে দেশ ছাড়াও বিদেশে রয়েছে উচ্চশিক্ষার বিশাল সুযোগ। উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতি বছর প্রচুর শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান, জার্মান, নেদারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও ভারতে যাচ্ছে। একজন কৃষিবিদ হিসেবে তোমরাও এ সুযোগ পেতে পারো।
♦♦পড়াশুনা শেষে চাকুরির ক্ষেত্রের কথা ভাবছো??
আরে বাংলাদেশের মতো কৃষিপ্রধান দেশে কৃষিবিদদের সরকারি-বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্র কি কম আছে??
→ কৃষিতে স্নাতক (সম্মান) শেষ করে বাংলাদেশ
কর্ম কমিশনের (বিসিএস) চাকরি করার সুযোগ তো আছেই। পাশাপাশি কৃষি ক্যাডারে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়নে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, কৃষি কর্মকর্তা পদ সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সুবিধা রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে কৃষিবিদ নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে কৃষিবিদদের কর্মক্ষেত্র আরও বৃদ্ধি করেছে সরকার।
♦♦বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন অধিদপ্তর, কৃষি তথ্য সার্ভিস, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
সহ এরকম আরো অনেক প্রতিষ্ঠানে রয়েছে কাজ করার সুযোগ।
♦♦ বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট, ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট, চা গবেষণা কেন্দ্র, মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র, বন গবেষণা কেন্দ্র, মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বন গবেষণা কেন্দ্র, পশুসম্পদ অধিদপ্তর , পানি উন্নয়ন বোর্ড, রেশম উন্নয়ন বোর্ড ও চিনিকল সংস্থায় প্রশাসনিক দায়িত্বে কৃষিবিদদের কাজের বিরাট ক্ষেত্র রয়েছে।
♦♦আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন ইউএসএইড, ডিএফআইডি, ড্যানিডা, সিডা, উইনরক, ইরি, আাইএফডিসি ও অক্সফাম জিবির মতো প্রতিষ্ঠানে ও রয়েছে কৃষিবিদদের অগ্রাধিকার।
♦♦এছাড়াও বেসরকারির কথা বলতে গেলে FAO, ব্র্যাক, স্কয়ার, অ্যাগ্রোবেট, লালতীর, ন্যাশনাল অ্যাগ্রোফেয়ার, প্রশিকা, আশা, এসিআই, কৃষিবিদ গ্রুপ, অ্যাকশন এইডের মতো
বাংলাদেশি এসব প্রতিষ্ঠানেও শুধুমাত্র কৃষিবিদদের জন্য রয়েছে উচ্চ বেতনে চাকরি করার অনন্য সুযোগ। বিশেষ করে বেসরকারি বীজ কোম্পানিগুলোতে রয়েছে কৃষিবিদদের যথেষ্ট চাহিদা।
♦♦বেসরকারি পেস্টিসাইড ও ইনসেক্টিসাইড কোম্পানিগুলোতেওরয়েছে কৃষিবিদদের দারুণ কাজের ক্ষেত্র ।
♦♦চাকুরি না করতে চাইলে ছোট পরিসরে গড়ে তুলতে পারো কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানও।

16/11/2017

প্রথম বর্ষে ফেল করেছে ১৪০ জন

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সার্কুলেশন।সেশনঃ ২০১৭-২০১৮। আবেদন সময়সীমাঃ ১০ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত।☑ ভর...
09/10/2017

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সার্কুলেশন।সেশনঃ ২০১৭-২০১৮।
আবেদন সময়সীমাঃ ১০ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত।☑
ভর্তি পরীক্ষাঃ ১ ডিসেম্বর, সকাল ১০ টা।

ভর্তি কমিটি সূত্র জানায়, আবেদন ফি ধরা হয়েছে এক হাজার টাকা। অাবেদনকারীকে অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রত্যেকটিতে জিপিএ কমপক্ষে ৩.০০ থাকতে হবে এবং দুটি মিলিয়ে কমপক্ষে জিপিএ ৭.০০ হতে হবে। কোটা ছাড়া আসন সংখ্যা ৬২০টি। কোটাসহ মোট আসন ৬৮২টি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম বলেন, ‘আসন সংখ্যার ১০ শতাংশ কোটাধারীদের জন্য রাখা হয়েছে।

☑ প্রবেশপত্র ডাউনলোড সময়সীমাঃ ১৯ নভেম্বর থেকে ২৫ নভেম্বর রাত ১২ টা পর্যন্ত।☑
আবেদনের যোগ্যতাঃ
(ক) বিজ্ঞান গ্রুপে ২০১৪ বা ২০১৫ সালে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (SSC) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
(খ) ২০১৬ বা ২০১৭ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (HSC) বা সমমানের পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গনিত ও জীববিজ্ঞান বিষয়সমুহের প্রত্যেকটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ উত্তীর্ণ হতে হবে।
(গ) SSC/সমমান ও HSC/সমমান এর প্রত্যেকটিতে কমপক্ষে জিপিএ ৩.০০ সহ সর্বমোট জিপিএ ন্যূনতম ৭.০০ থাকতে হবে।(ঘ) GCE `O’ লেভেল এবং `A’ লেভেল পাশকৃত প্রার্থীর ক্ষেত্রে `O’ লেভেল পরীক্ষায় ৫টি পেপারে ন্যূনতম B গ্রেড এবং `A’ লেভেল পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গনিত ও জীববিজ্ঞান বিষয়সমুহের প্রত্যেকটিতে ন্যূনতম B গ্রেড থাকতে হবে।☑
আবেদন প্রক্রিয়াঃ
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (http://www.sau.edu.bd) গিয়ে অনলাইনে আবেদন ফরম যথাযথভাবে পূরণ করা হলে সাথে সাথে প্রার্থীকে একটি ID No. দেয়া হবে। রকেট বা শিউরক্যাশের এর মাধ্যমে নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে।

আসন সংখ্যাঃ
💜কৃষি অনুষদ- ৩৫০
💜এনিম্যাল এন্ড ভেটেরিনারি সায়েন্স অনুষদ- ১০০
💜ফিসারিজ-৫০
💜এগ্রিবিজনেস ম্যানেজমেন্ট- ৬০, এগ্রি ইকোনমিকস
ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টনঃ
** পদার্থবিদ্যা ২০
** রসায়ন ২০
**গণিত ২০
** জীববিজ্ঞান ২০
** ইংরেজি ১০
** সাধারণ জ্ঞান ১০☑
অন্যান্য তথ্যঃ
✪ মোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। পরীক্ষার জন্য ১০০ নম্বর, এসএসসি/সমমান পরীক্ষার ফলাফল থেকে ৪০ নম্বর ও।এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার ফলাফল থেকে ৬০ নম্বর গণনা করা হবে। গ্রেডিং।পদ্ধতিতে এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এর ৮ গুণ এবং এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এর ১২গুণ নম্বর ভর্তি পরীক্ষার নম্বরের সাথে যোগ করে মেধা তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
✪ পরীক্ষার হলে ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন এবং কোন ধরনের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস বহন ও।ব্যবহার করা যাবে না।
ভর্তি সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের জন্য:
www.facebook.com/sau.admission.info

You have lots of choices for study but if you think of a uniquely rewarding experience - think SAU. B. Sc. Ag. (Hons.), BBA in Agribusiness (Hons.), B. Sc. Vet. Science and A.H.   More Details

30/08/2017

শেরেবাংলা হলে এখন ছাড়পোকার রাজত্ব

10/12/2016

সাবজেক্ট রিভিউঃ #কৃষি
আমি যখন ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পেয়ে সব দামী সাবজেক্ট ছেড়ে দিয়ে তথাকথিত "সাধারণ" সাবজেক্ট কৃষি তে ভর্তি হই, অনেকে চোখ মুখ কুচকিয়ে তাকিয়ে ছিল আমার দিকে, "কি ছেলে রে বাবা! জেনেটিক্স ছেড়ে দিয়ে কৃষি তে ভর্তি হয়েছে। বাবা - কোনোদিন জমিতে - ক্ষেতে নামেও নাই আর এই ছেলে হতে যাচ্ছে চাষা!"
কোনো রিপ্লাই দেই নি। দেয়ার প্রয়োজন হয় নি। উত্তর টা কিছুদিন পর তারা জেনে যাবে ইন শা আল্লাহ।
অনেকেই ভাবে, কৃষি বিষয় টা বুঝি ক্লাস সেভেন এইটে পড়া সাধারণ কৃষিই! ভুল ধারণা ভাঙানো অতীব জরুরী। কেননা, কৃষি তে পড়ার জন্য সায়েন্সে পড়া আবশ্যক। আর হাঁস-মুরগি-কবুতর পালন করা কেই কৃষি বলে , এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসো! কৃষি তে ধানের ফলন নিয়ে গবেষণা করতে হয়, মাটির গুণাগুণ নিয়ে গবেষণা করতে হয়, গাছের রোগ নিয়ে ভাবতে হয়, অণুজীববিজ্ঞান, ভ্রূণ কালচার, প্রাণরসায়ন নিয়েও থিসিস করার অসংখ্য পথ আছে।
মনে রাখবা, কৃষি কোনো সাবজেক্ট না। একটি অনুষদ এটি। এর ভেতরে এমন কিছু সাবজেক্ট আছে, যেগুলোর প্রতিটিই তোমার সমান গুরত্ব দিয়ে পড়তে হবে। অর্থাৎ, একের ভেতর অনেক সাবজেক্ট পড়তে হবে। যেগুলো পড়তে হলে নিজেকে একেক সময় ডাক্তার, মেক্যানিকাল ইঞ্জিনিয়ার, ইকোনোমিস্ট, সোশ্যালিস্ট মনে হবে!
নিশ্চয়ই, আগ্রহ জাগছে, কি কি এমন সাবজেক্ট আছে! আচ্ছা জানাই-
১) এগ্রোনোমি
২) সয়েল সায়েন্স
৩) ফার্ম মেকানিক্স
৪) ইকোনোমিক্স
৫) স্ট্যাটিস্টিক্স
৬)ল্যাঙ্গুয়েজ
৭)কেমিস্ট্রি
৮) এগ্রিকালচারাল কেমিস্ট্রি
৯) রুরাল সোশ্যালজি
১০) জেনেটিক্স এণ্ড প্লান্ট ব্রিডিং
১১) হর্টিকালচার
১২) ক্রপ বোটানি
১৩) বায়োকেমিস্ট্রি এণ্ড মলিকুলার বায়োলজি
১৪) এনটোমলজি
১৫) এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স
১৬) কম্পিউটার সায়েন্স
১৭) এগ্রোফরেস্ট্রি
১৮) বায়োটেকনোলজি
১৯)এনিম্যাল সায়েন্স
২০) প্ল্যাণ্ট প্যাথলজি
২১) এগ্রিকালচার এক্সটেনশন
এখন বল, যেখানে পড়ে এত এত ইন্টারেস্টিং বিষয় পড়ার সৌভাগ্য হবে, সেটি তে পড়ব না-ই বা কেন! উপরের তালিকা খেয়াল কর, ডাক্তারি পড়াশুনা (বায়োকেমিস্ট্রি, প্ল্যাণ্ট প্যাথলজি, এনিম্যাল সায়েন্স), ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশুনা (ফার্ম মেকানিক্স, কম্পিউটার সায়েন্স) সবই পাবে এখানে! আছে পতঙ্গবিদ্যা, উদ্যানবিদ্যার মত ইউনিক কিছু বিষয়ও! কি, কৃষিবিদ হতে চাও না?
বায়োলজি, কেমিস্ট্রি ভাল লাগে, এমন শিক্ষার্থী রা সুস্বাগতম কৃষি অনুষদে।
সবাই এখন যে কথা টি বেশি জানতে চায়, তা হল, জব ফ্যাসিলিটি কেমন?
আমি নিজে এজ ওয়েল এজ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষক ও অধিকাংশ শিক্ষার্থী বিশ্বাস করি, মেডিক্যাল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া দের থেকে ও কৃষির চাকরীর সুযোগ ভাল! কৃষিবিদ রা প্রথম শ্রেণির অফিসার (ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারদের মতই)।কৃষির জন্য বিসিএস পরীক্ষায় আলাদা কোঠা আছে, যে কেউ চাইলেই খুব সহজে উপজেলা কৃষি অফিসার হয়ে যেতে পারে। সত্যি বলতে, এটি সর্বাপেক্ষা সাধারণ চাকুরি!!! যারা কৃষি তে পড়ে, তারা ইজিলি বিসিএস উৎরায়, এটি প্রমাণিত সত্য, বিগত বছর গুলোর রেজাল্ট তাই ই বলে, এছাড়াও প্রতি বছর পাস করা ৭% শিক্ষার্থী শিক্ষক হয়ে জয়েন করে বিশ্ববিদ্যালয়ে। যাদের শিক্ষক হবার খুব ইচ্ছা অথচ ৭% এ আসতে পারে নাই, তারা বাইরের দেশের এডজাংড প্রফেসর হয়ে আসছে এমন অনেক নজির আছে। এছাড়া হতে পারে বিজ্ঞানী। বারি (Bangladesh Agriculture Research Institute), বিনা ( Bangladesh Institute of Nuclear Agriculture) , বিরি ( Bangladesh Rice Research Institute) সহ অজস্র রিসার্চ ইনস্টিটিউট রয়েছে দেশেই, এবং স্রষ্টার ইচ্ছায় তাদের অনবদ্য কর্মকুশলতায়, দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এছাড়া বিভিন্ন দেশে কাজ করার সুবর্ণ সুযোগ তো আছেই।
ব্যাংকিং সেক্টর, সেখানেও কৃষির শিক্ষার্থী প্রচুর।
মিল্ক ভিটা, স্কয়ার প্রভৃতিতে জব পাওয়া যায়, সাফারি পার্ক, বোটানিক্যাল গার্ডেন এসবে কিউরেটর হয় কৃষিবিদ রা। সত্যি বলতে কৃষির এত এত জায়গা আছে যে, বলে শেষ করা যাবে না। হাতের কাছে কৃষি গাইড থাকলে উল্টিয়ে দেখ, কত কত সেক্টরে জব পাবে কৃষির স্টুডেন্ট রা!
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সহ আরো কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি আছে। তবে সবচেয়ে ভাল হয় কৃষি ভার্সিটি গুলোতে চান্স পেলে। প্রতিটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েই এক নম্বর সাবজেক্ট কৃষি।
সবার প্রতি তথাকথিত 'চাষা'র বিষয় পড়ার আমন্ত্রণ রইল, সমালোচক দের মুখ টা চাকুরী পাবার পরেই নাহয় বন্ধ কোরো!!!!

#সংরক্ষিত

রিপনের মিনি ক্যান্টিন একমাত্র খোলা
12/07/2016

রিপনের মিনি ক্যান্টিন একমাত্র খোলা

Address

শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শেরেবাংলা হল, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to শেরেবাংলা হল, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়:

Share