স্কলারশিপ এপ্লাই

স্কলারশিপ এপ্লাই Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from স্কলারশিপ এপ্লাই, College & University, Dhaka.
(1)

> 🎓 Your trusted guide to global scholarship opportunities!
🎯 Verified info • Step-by-step application • Expert support
🌍 Study Abroad | Fully Funded | Masters | PhD | UG
For any information : +8801856048594

২ বছরের ওয়ার্ক ভিসা দিচ্ছে যুক্তরাজ্য! মানতে হবে যেসব শর্তযুক্তরাজ্য বিভিন্ন ধরণের ভিসার সুযোগ দিয়ে থাকে, যাতে বিশ্বের ...
14/09/2025

২ বছরের ওয়ার্ক ভিসা দিচ্ছে যুক্তরাজ্য! মানতে হবে যেসব শর্ত

যুক্তরাজ্য বিভিন্ন ধরণের ভিসার সুযোগ দিয়ে থাকে, যাতে বিশ্বের নানা প্রান্তের দক্ষ পেশাজীবী, মৌসুমি কর্মী ও স্বল্পমেয়াদি বিশেষজ্ঞরা সেখানে কাজ করার সুযোগ পান। এর মধ্যে ২ বছরের অস্থায়ী ওয়ার্ক ভিসা অনেকের জন্য একটি মূল্যবান সুযোগ। এই ভিসার মাধ্যমে আপনি যুক্তরাজ্যে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কাজ করতে পারবেন, আন্তর্জাতিক কর্ম-অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন, ব্রিটিশ সংস্কৃতি ঘনিষ্ঠভাবে জানতে পারবেন এবং নিজের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে পারবেন।

এই গাইডে যুক্তরাজ্যের ২ বছরের অস্থায়ী ওয়ার্ক ভিসার যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আবেদন প্রক্রিয়া, সময়সীমা এবং সফলভাবে ভিসা পাওয়ার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে।

📌 ভিসার ধরন ও সুযোগ:
এই ভিসা মূলত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যুক্তরাজ্যে কাজ করার অনুমতি দেয়। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এই ভিসা দেওয়া হয়, যেমন—সৃজনশীল শিল্প, ধর্মীয় চাকরি, মৌসুমি কাজ বা সরকার অনুমোদিত এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম। কোন ক্যাটাগরিতে আবেদন করছেন, তার ওপর নির্ভর করবে আপনি পরিবার নিয়ে যেতে পারবেন কি না এবং আপনার কী কী শর্ত পূরণ করতে হবে।
তবে এই ভিসা সরাসরি স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দেয় না, যদিও নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে অন্য ভিসায় রূপান্তরের সুযোগ থাকতে পারে।

📌 যোগ্যতার শর্ত
সাধারণত আবেদনকারীর অন্তত ১৮ বছর বয়স হতে হবে, অনুমোদিত যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চাকরির অফার থাকতে হবে এবং সেই প্রতিষ্ঠান থেকে একটি Certificate of Sponsorship (CoS) পেতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ লাগতে পারে। পাশাপাশি ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিয়ে আর্থিক সক্ষমতা দেখাতে হবে, এবং পুলিশের সনদপত্র দিয়ে গুরুতর অপরাধের রেকর্ড না থাকার প্রমাণ দিতে হবে।

📌 প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
1. বৈধ পাসপোর্ট
2. স্পন্সর সার্টিফিকেটের রেফারেন্স নম্বর
3. শেষ ২৮ দিনের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যদি খরচ প্রতিষ্ঠান বহন না করে)
4. চাকরির অফার ও চুক্তিপত্রের প্রমাণ
5. প্রয়োজনে টিবি পরীক্ষার রিপোর্ট
6. প্রয়োজন হলে ইংরেজি ভাষার সনদ
7. সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি

📌 আবেদন প্রক্রিয়া (ধাপে ধাপে)
* যোগ্যতা যাচাই ও চাকরির অফার নিশ্চিত করা
* Certificate of Sponsorship সংগ্রহ
* সব প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করা
* যুক্তরাজ্য সরকারের অনলাইন ভিসা ফর্ম পূরণ করা
* ভিসা ফি ও Immigration Health Surcharge (IHS) প্রদান করা
* বায়োমেট্রিকস অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক ও অংশগ্রহণ করা
* আবেদন জমা দিয়ে সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করা
প্রসেসিং সময়

সাধারণত ৩ থেকে ৮ সপ্তাহ লাগে। অতিরিক্ত ফি দিয়ে প্রায়োরিটি বা সুপার প্রায়োরিটি পরিষেবার মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়।

📌 ভিসার মেয়াদ ও শর্ত
ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ২ বছর। এই সময়ে শুধু স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করা যাবে এবং নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে অন্য চাকরি নেওয়া যাবে না। সরকারি ভাতা দাবি করা যাবে না এবং সরাসরি স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করা যাবে না।

📌 পরামর্শ
সময় হাতে রেখে আগে থেকেই প্রক্রিয়া শুরু করুন
স্পন্সর সার্টিফিকেটের তথ্য সঠিক আছে কিনা যাচাই করুন
আর্থিক প্রমাণ যুক্তরাজ্যের শর্ত অনুযায়ী সাজান
সব নথির কপি নিজের কাছে রাখুন

সংক্ষেপে, যুক্তরাজ্যের ২ বছরের অস্থায়ী ওয়ার্ক ভিসা পেশাগত উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের জন্য দারুণ সুযোগ। সঠিক প্রস্তুতি, সময়মতো আবেদন এবং শর্ত মেনে চললে যুক্তরাজ্যে এই দুই বছর হতে পারে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

সিঙ্গাপুরে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবেআধুনিক ও কার্যকর পরিকাঠামো, নিরাপদ পরিবেশ এবং বিশ্বমানের আর্থিক কেন্দ...
13/09/2025

সিঙ্গাপুরে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে

আধুনিক ও কার্যকর পরিকাঠামো, নিরাপদ পরিবেশ এবং বিশ্বমানের আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে সিঙ্গাপুর দীর্ঘদিন ধরেই এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে। শুধু পর্যটক নয়, কর্মসংস্থান ও উন্নত জীবনের স্বপ্ন নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের ইচ্ছুক মানুষের কাছেও দেশটি হয়ে উঠেছে আকর্ষণের ঠিকানা।

সিঙ্গাপুরের পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি (পিআর) ব্যবস্থা এই সুযোগকে আরও সহজলভ্য করে দিয়েছে। পিআর পাওয়া গেলে দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদে বসবাস ও কাজ করার নিশ্চয়তা মেলে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সুযোগও তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিঙ্গাপুরের পিআর ব্যবস্থা বিদেশি পেশাজীবী, বিনিয়োগকারী এবং দক্ষ কর্মীদের জন্য একটি বড় সুযোগ। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা এবং উচ্চমানের স্বাস্থ্যসেবা এ সুযোগকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

📌 আবেদন করতে পারবেন যারা:
সিঙ্গাপুরের পিআর ভিসা একজন বিদেশিকে নির্দিষ্ট শর্তে দেশটিতে স্থায়ীভাবে থাকার অনুমতি দেয়। অনুমোদন পেলে আবেদনকারী পান নীল রঙের পরিচয়পত্র, যা স্থায়ী বাসিন্দার পরিচয় হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
1. যারা ছাত্র হিসেবে অন্তত দুই বছর ধরে সিঙ্গাপুরে বসবাস করেছেন।
2. ২১ বছরের নিচে এবং যাদের জন্ম সিঙ্গাপুরের নাগরিক বা পিআর হোল্ডারের পরিবারে।
3. সিঙ্গাপুরের নাগরিক বা পিআর হোল্ডারের জীবনসঙ্গী।
4. সিঙ্গাপুরে দীর্ঘদিন কর্মরত বিদেশি, যাদের কর্মসংস্থান পাস, এস পাস বা অন্য বৈধ পাস রয়েছে।
5. দেশটিতে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬৮ কোটি বিনিয়োগ করা বিদেশি উদ্যোক্তা।
6. নাগরিক বা পিআর হোল্ডারের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিরাও এ সুযোগ পান।

📌 আবেদন করতে প্রয়োজনীয় নথি :
1. আবেদনকারীর পাসপোর্ট,
2. বৈধ ভ্রমণ নথি ও ইমিগ্রেশন পাস,
3. কর্মসংস্থান পাস (যদি থাকে),
4. জন্ম সনদ,
5. শিক্ষাগত সনদপত্র,
6. সাম্প্রতিক বেতন স্লিপ,
7. স্পন্সরের পরিচয়পত্র,
8. পূর্ববর্তী নিয়োগকর্তার সুপারিশপত্র,
9. বিবাহ সনদ (যদি থাকে) এবং স্বামী বা স্ত্রীর শিক্ষাগত ও
10. চাকরির নথি জমা দিতে হবে।
নথিগুলো ইংরেজিতে না থাকলে নোটারিকৃত অনুবাদ দিতে হবে।

📌 আবেদন প্রক্রিয়া:
*. প্রথমে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড চেকপয়েন্টস অথরিটি (আইসিএ) এর ওয়েবসাইটে গিয়ে যোগ্যতার স্কিম যাচাই করতে হবে।
*. সিংপাস ব্যবহার করে অনলাইনে আইসিএ’র পোর্টালে লগইন করতে হবে।
*. আবেদনপত্র পূরণ ও প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করতে হবে।
*. ফি হিসেবে প্রায় ৬ হাজার ৮৩৪ টাকা জমা দিতে হবে, যা ফেরতযোগ্য নয়।
*. প্রক্রিয়া সাধারণত ৪ থেকে ৬ মাস সময় নেয়, তবে কখনো আরো বেশি লাগতে পারে।
*. অনুমোদন হলে এনআরআইসি (আইডি কার্ড) ও পুনঃপ্রবেশের অনুমতিপত্র নিতে হবে।
(সংগৃহীত পোস্ট- আরটিভি নিউজ)

 #১০০%_স্কলারশিপসম্পূর্ণ বিনা মূল্যে পড়াশোনার সুযোগ  #নেদারল্যান্ডসে, আবেদন  #স্নাতকোত্তরেআন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সম্প...
08/09/2025

#১০০%_স্কলারশিপ
সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে পড়াশোনার সুযোগ #নেদারল্যান্ডসে, আবেদন #স্নাতকোত্তরে

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ #বিনা_মূল্যে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে অধ্যয়নের সুযোগ দিচ্ছে #নেদারল্যান্ডস। #এরিক_ব্লুমিঙ্ক_স্কলারশিপ’- এর আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা দেশটির শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নের সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশসহ আরো ৬৮ টি দেশের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
📌আবেদনের শেষ সময় ১ ডিসেম্বর, ২০২৫।

📌সুযোগ-সুবিধা—
*সম্পূর্ণ টিউশন ফি প্রদান করবে;
*ভ্রমণ খরচ দেবে;
*জীবিকা নির্বাহের খরচ দেবে;
*স্বাস্থ্যবিমা প্রদান করবে;
*বই ক্রয়ের খরচ বহন করা হবে;

📌আবেদনের যোগ্যতা—
*প্রার্থীদের চমৎকার অ্যাকাডেমিক রেকর্ড থাকতে হবে;
*ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে;
*পুরো প্রোগ্রাম শেষ করার মানসিকতা থাকতে হবে;
*সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে;

📌আবেদনপদ্ধতি—
অনলাইনে আবেদন করা যাবে। শিক্ষার্থীদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে।

📌আবেদনের শেষ তারিখ: আগামী ১ ডিসেম্বর ২০২৫।

29/08/2025

এ বছর ২৭ বাংলাদেশি পেলেন কমনওয়েলথ বৃত্তি

ব্রিটিশ কাউন্সিল ও ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে ২০২৫ সালের কমনওয়েলথ বৃত্তি পাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্রি–ডিপারচার ব্রিফিং ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়।

এ বছর ২৭ মেধাবী বাংলাদেশি যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করতে সম্মানজনক এ বৃত্তি অর্জন করেছেন। বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৭ নারী শিক্ষার্থী রয়েছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তাঁদের নির্বাচিত বিষয়ের মধ্যে রয়েছে গ্লোবাল মেন্টাল হেলথ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মানবাধিকার, পরিবেশগত অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়নসহ আরও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য যাত্রা শুরু করা কমনওয়েলথ স্কলারদের এই সাফল্য উদ্‌যাপন করতে পেরে আমি আনন্দিত। শিক্ষাগত উন্নয়নের প্রতি তাঁদের একাগ্রতার মাধ্যমেই বোঝা যায়, তাঁরা বাংলাদেশে ফিরে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন; পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে ভূমিকা রাখবেন। এ বছর বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে নারীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি আমাকে বিশেষভাবে আনন্দিত করেছে। নিঃসন্দেহে এটি বাংলাদেশের নারীর ক্ষমতায়নের অগ্রগতির এক অনন্য উদাহরণ।’
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস। তিনি বলেন, ‘কমনওয়েলথ স্কলারশিপ প্রোগ্রামে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক সফলতা দেখে আমরা সত্যিই গর্বিত। এ বৃত্তি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিচ্ছে। তাঁরা দেশে ফিরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে অবদান রাখেন, তা যুক্তরাজ্যের বিশ্বমানের শিক্ষার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের প্রমাণ। তাই এ বছর বৃত্তি পাওয়া সব শিক্ষার্থীকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন। নিজের দেশ ও দেশের বাইরের বৃহত্তর পরিসরে আমি তাঁদের সাফল্য কামনা করি।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ কমনওয়েলথ স্কলার্স অ্যান্ড ফেলোস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসিএসএফ) সভাপতি বোরহান উদ্দিন খান স্কলারদের অভিনন্দন জানান।

কমনওয়েলথ বৃত্তি যুক্তরাজ্যের অন্যতম আন্তর্জাতিক বৃত্তি কর্মসূচি। এ বৃত্তি বৈশ্বিক উন্নয়ন, একাডেমিক সাফল্য ও আন্তসাংস্কৃতিক সহযোগিতার প্রতি যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অন্যতম মাধ্যম। ১৯৬০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৬০০–এর বেশি বাংলাদেশি এ বৃত্তি পেয়েছেন। তাঁদের অনেকেই বর্তমানে সরকার, শিক্ষা, সিভিল সোসাইটি ও বেসরকারি খাতে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানটিতে স্কলারদের যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা ও পড়াশোনার সময়ে যুক্তরাজ্যে বসবাস–সম্পর্কিত বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিদেশে থাকার জন্য অত্যাবশ্যক হলো সেখানকার কমিউনিটির সঙ্গে পারস্পরিক যোগাযোগ ও পরিচিতি গড়ে তোলা। তাই অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে করণীয় সম্পর্কেও নানা পরামর্শ প্রদান করা হয়।

28/08/2025

ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা

আগাম ভিসা ছাড়া বাংলাদেশিদের ভ্রমণের এই তালিকায় আছে :
বাহামা,
বার্বাডোজ,
ভুটান,
বলিভিয়া,
ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড,
বুরুন্ডি,
কম্বোডিয়া,
কেপ ভার্দে আইল্যান্ড,
কমোরো দ্বীপপুঞ্জ,
কুক আইল্যান্ড,
জিবুতি,
ডমিনিকা,
ফিজি,
গ্রানাডা,
গিনি-বিসাউ,
হাইতি,
জ্যামাইকা,
কেনিয়া,
কিরিবাতি,
মাদাগাস্কার,
মালদ্বীপ,
মাইক্রোনেশিয়া,
মন্টসেরাত,
মোজাম্বিক,
নেপাল,
নুউয়ে,
রুয়ান্ডা,
সামোয়া,
সিচিলিস,
সিয়েরা লিওন,
সোমালিয়া,
শ্রীলঙ্কা,
সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস,
সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডাউন,
গাম্বিয়া,
পূর্ব তিমুর,
ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো,
টুভালু ও
ভানুয়াতু।

এর মধ্যে কিছু দেশ ও অঞ্চলে অন অ্যারাইভাল বা বিমানবন্দরে নামার পর ভিসার সুবিধা এবং কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে নিতে হবে ই-ভিসা।

26/08/2025
অস্ট্রেলিয়ায় যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য সুসংবাদঅস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখেন অনেক শিক্ষার্থী। আর সেই স্বপ্ন ...
25/08/2025

অস্ট্রেলিয়ায় যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য সুসংবাদ

অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখেন অনেক শিক্ষার্থী। আর সেই স্বপ্ন পূরণের দারুণ সুযোগ নিয়ে এসেছে দেশটির অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় কার্টিন ইউনিভার্সিটি। সম্প্রতি শুরু হয়েছে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য ‘রিসার্চ ট্রেনিং প্রোগ্রাম (RTP)’ বৃত্তির আবেদন। এই ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপের আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।

📌বিশ্ববিদ্যালয় পরিচিতি:
কার্টিন ইউনিভার্সিটি অস্ট্রেলিয়ার একটি সরকারি গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়, যার মূল ক্যাম্পাস পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার বেন্টলিতে। এটি রাজ্যের বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে প্রায় ৫৮ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। আধুনিক ল্যাব, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, ক্রীড়া সুবিধাসহ নানা রকম শিক্ষাবান্ধব সুযোগ-সুবিধা শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করে এক অনুকূল পরিবেশ।

📌বৃত্তির সুযোগ-সুবিধা:
(1) সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ,
(2) জীবনযাত্রার জন্য মাসিক উপবৃত্তি,
(3) আন্তর্জাতিক ভ্রমণভাতা গবেষণার জন্য বিশেষ সহায়তা।

📌যোগ্যতা:
এই বৃত্তির জন্য আন্তর্জাতিক এবং অস্ট্রেলিয়ান উভয় শিক্ষার্থীই আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে এবং কার্টিন ইউনিভার্সিটির একজন সুপারভাইজারের কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র (invitation letter) সংগ্রহ করতে হবে।

📌আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
1, অনলাইন আবেদনপত্র,
2, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট,
3, ব্যক্তিগত বিবৃতি বা প্রেরণাপত্র,
4, ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সনদ,
5, সুপারিশপত্র,
6, গবেষণার প্রস্তাবনা,
7, বৈধ পাসপোর্ট/জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি,
8,জীবনবৃত্তান্ত

📌অধ্যয়নের বিষয়সমূহ:
শিক্ষার্থীরা মাস্টার অব কমার্স,
মাস্টার অব ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট,
মাস্টার অব ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস,
মাস্টার অব ইনফরমেশন সিস্টেমস অ্যান্ড টেকনোলজি,
মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন,
মাস্টার অব অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজিসহ
আরও অনেক বিষয়। এ ছাড়া গবেষণা ডিগ্রির মধ্যে রয়েছে মাস্টার অব ফিলোসফি ও ডক্টর অব ফিলোসফি।

📌আবেদন পদ্ধতি:
আগ্রহী শিক্ষার্থীরা কার্টিন ইউনিভার্সিটির নির্ধারিত লিংকে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

📌আবেদনের শেষ তারিখ: ৩১ অক্টোবর ২০২৫

মাত্র ১২ হাজার টাকায় কোস্টারিকায় ডিজিটাল নমেড ভিসা, থাকা যাবে এক বছরপ্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য দারুণ সুযোগ এনেছে মধ্য আমেরিকা...
24/08/2025

মাত্র ১২ হাজার টাকায় কোস্টারিকায় ডিজিটাল নমেড ভিসা, থাকা যাবে এক বছর

প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য দারুণ সুযোগ এনেছে মধ্য আমেরিকার দেশ কোস্টারিকা। ‘ডিজিটাল নমেড ভিসা’ র আওতায় আপনি দেশটিতে এক বছর বসবাস ও অনলাইনে কাজ করার বৈধ সুযোগ পাবেন। ভিসাটির আবেদন মূল্য মাত্র ১০০ মার্কিন ডলার বা ১২ হাজার ১০০ টাকা (প্রায়)।

বিদেশি কোম্পানির কর্মী, অনলাইন ফ্রিল্যান্সার কিংবা উদ্যোক্তা—যে কেউ এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

📌 আবেদনের যোগ্যতা :
(1) যাঁরা পুরোপুরি অনলাইনে কাজ করেন এবং কাজের প্রতিষ্ঠান বা ক্লায়েন্ট কোস্টারিকার বাইরে অবস্থিত।
(2) যাঁরা সর্বোচ্চ এক বছর কোস্টারিকায় থাকতে চান এবং চাইলে এক বছর বাড়াতে পারবেন।
(3) এককভাবে আবেদনকারীর ন্যূনতম মাসিক আয় ৩ হাজার ডলার (৩ লাখ ৬৩ হাজার টাকা)।
(4) পরিবার নিয়ে আবেদন করলে মাসিক আয় হতে হবে কমপক্ষে ৪ হাজার ডলার (৪ লাখ ৮৪ হাজার টাকা)।

এই ভিসার মাধ্যমে করমুক্ত আয়, আরামদায়ক আবহাওয়া এবং বিশ্বের নানা প্রান্তের পেশাদারদের একটি উন্মুক্ত কমিউনিটির অংশ হওয়ার সুযোগ পাবেন।

📌 দরকারি কাগজপত্র
1. বৈধ পাসপোর্ট।
2. কোনো ধরনের অপরাধমূলক কাজের রেকর্ড নেই, তার প্রমাণ।
3. কোস্টারিকায় অবস্থানের জন্য পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিমা।
4. আবেদন করার সময় অবশ্যই কোস্টারিকার বাইরে থাকতে হবে।
5. গত ১২ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা বেতন স্লিপে আয়ের প্রমাণ।
6. নিয়োগকর্তা বা ক্লায়েন্টের পক্ষ থেকে কাজের স্বীকৃতিপত্র বা চুক্তিপত্র।
7. সর্বশেষ ৬ মাসের মধ্যে জারি করা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।
8. অনলাইন কর্মসংস্থান বা স্বনিয়োজিত পেশার প্রমাণ।
9. সব নথি স্প্যানিশ ভাষায় অনুবাদ করতে হবে।

📌 কীভাবে আবেদন করবেন
১. প্রথমে সব দরকারি ডকুমেন্ট সংগ্রহ এবং পেশাদার অনুবাদক দিয়ে স্প্যানিশ ভাষায় অনুবাদ করিয়ে নিতে হবে।
২. কোস্টারিকার সরকারি ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অনলাইনে আবেদন জমা দিন।
৩. আবেদন ফি ১০০ ডলার (১২ হাজার ১০০ টাকা) এবং ভিসা ইস্যু ফি ৯০ ডলার (১০ হাজার ৮৯০ টাকা) অনলাইনে পরিশোধ করুন।
৪. আবেদন অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করুন। এটি সাধারণত ১৫–৩০ দিনের মধ্যে ই-মেইলের মাধ্যমে জানানো হয়।
৫. ভিসা অনুমোদনের পর কোস্টারিকায় ভ্রমণ করুন এবং স্থানীয় ইমিগ্রেশন অফিসে গিয়ে নিবন্ধন করে ডাইমেক্স রেসিডেন্স আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্কলারশিপ এপ্লাই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to স্কলারশিপ এপ্লাই:

Share