হাক্কানী বাবা

হাক্কানী বাবা হ্যা ভৎস্য বল তোর কি সমস্যা তুই বাবা হাক্কানীর কাছে আসছিস তোর সব বালা মুসিবত দূর হয়ে যাবে ভৎস্য আগে বাবা মুরীদ হয়ে নে
ধন্যবাদ আমার মুরিদদের

রাজবাড়ীর গড়াকোলা গ্রামে নৌবাহিনীতে কর্মরত স্বামীর অনুপস্থিতিতে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগে এক নারী ও তার কথিত প্রেমিককে আটক...
07/07/2026

রাজবাড়ীর গড়াকোলা গ্রামে নৌবাহিনীতে কর্মরত স্বামীর অনুপস্থিতিতে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগে এক নারী ও তার কথিত প্রেমিককে আটক করেছে এলাকাবাসী। অভিযুক্ত নারী কাকোলী আক্তার দুই সন্তানের জননী বলে জানা গেছে। আর তার কথিত প্রেমিক আবজাল স্থানীয়ভাবে ডিস ব্যবসার সাথে জড়িত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর ধরে কাকোলী আক্তারের সাথে আবজালের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, স্বামীর অগোচরে তারা একাধিকবার অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন। ঘটনার দিন এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে একটি রুমে অভিযান চালিয়ে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও কাকোলী আক্তার অন্য এক যুবকের সাথে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। পরে দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তার স্বামী সবকিছু মেনে নিয়ে আবার সংসারে ফিরিয়ে আনেন।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে!

ফেসবুকে প্রেম, পরে দেখা করেন অনেক বার। করেছেন স্বারিরিক সম্পর্কও । এভাবেই পার করেন এক বছর । একটা সময় মেয়ে বিয়ের চাপ দি...
07/07/2026

ফেসবুকে প্রেম, পরে দেখা করেন অনেক বার। করেছেন স্বারিরিক সম্পর্কও । এভাবেই পার করেন এক বছর ।

একটা সময় মেয়ে বিয়ের চাপ দিতেই ছেলে উধাও হয়ে যায় । পরে ছেলের দেয়া ঠিকানা বরিশাল ভোলা জেলায় চরনোয়াবাদ গ্রামের বাড়ি গিয়ে দেখে যে ওই বাড়িতে কোনো ছেলেই নেই ।

ওই বাড়িটা লিটন মাতুব্বরের । যার ৩ টা মেয়ে । কোনো ছেলে নাই ।

মেয়ে সব ঘটনা খুলে বলেন ওই লিটন মাতুব্বরের কাছে । পরে ছেলের ছবি দেখতে চান সে ।

ছবি দেখে তো সে ওভাক । তার বাড়িতে ৪ বছর আগে রাজমিস্ত্রি কাজ করার জন্য এই ছেলে আসছিলো । এখন কই তা সে জানে না

07/07/2026
আপনার মেয়ে প্রাইভেটে যাবে, স্যারের ওপর ক্রাশ খাবে, প্রেমের প্রস্তাব দেবে। স্যার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে মেয়েটি সু...
06/07/2026

আপনার মেয়ে প্রাইভেটে যাবে, স্যারের ওপর ক্রাশ খাবে, প্রেমের প্রস্তাব দেবে। স্যার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে মেয়েটি সু**** মতো ভ'য়া'বহ সিদ্ধান্ত নেবে। এরপর পরিবার
মা/ম/লা করবে,আর সেই মা/ম/লা/র ভার গিয়ে পড়বে এমন একজনের ঘাড়ে, যার বিরুদ্ধে এখনো কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়নি।

তারপর শুরু হবে মিডিয়া ট্রায়াল। আদালতের রায় আসার আগেই একজন মানুষকে অপরাধী বানিয়ে দেওয়া হবে। তার মান-সম্মান, সামাজিক অবস্থান, ভবিষ্যৎ—সবকিছু মুহূর্তের মধ্যে ধ্বং/স করে দেওয়া হবে।

খুব সহজ তাই না?

কিন্তু প্রশ্ন হলো, একজন মানুষের জীবন এভাবে ধ্বং/স করার দায় কে নেবে?

কিছু গণমাধ্যমের ভূমিকা দেখে সত্যিই হতাশ হতে হয়। গতকাল তারা নি/হ/ত মেয়েটির মায়ের কাছে গিয়ে জানতে চেয়েছে, আপনার অনুভূতি কী?” আর আজ এমনভাবে একজন তরুণকে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যেন আদালতের বিচার শেষ হয়ে গেছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, নর্থভিউ হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা অন্য একজনকে সাকিন হিসেবে চালানোর চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে। অথচ জানা যাচ্ছে, প্রায় তিন মাস আগেই সে ব্যাচ প্রাইভেট বন্ধ করে দিয়েছিল।

যদি এসব তথ্য সত্য হয়ে থাকে, তাহলে একজন নির্দোষ মানুষকে সামাজিকভাবে ধ্বংস করার দায় কে নেবে?

আইনের কাজ আদালতে বিচার করা। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আর কিছু গণমাধ্যম যদি আগে থেকেই বিচারক, জুরি আর জল্লাদের ভূমিকায় নেমে পড়ে, তাহলে একজন মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ কোথায়?

মাঝে মাঝে সত্যিই লজ্জা লাগে। আমরা কেমন সমাজে বাস করছি, যেখানে অভিযোগই অনেক সময় প্রমাণের চেয়ে বড় হয়ে যায়, আর একজন মানুষের সম্মান ধ্বংস হয়ে যায় সত্য উদঘাটনের আগেই।

একটি পারিবারিক ও সামাজিক শালিস বৈঠকে একজন প্রবাসী স্বামী তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অ*ভিযোগ তুলে ধরেন। তার দাবি,...
06/07/2026

একটি পারিবারিক ও সামাজিক শালিস বৈঠকে একজন প্রবাসী স্বামী তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অ*ভিযোগ তুলে ধরেন। তার দাবি, দীর্ঘদিন বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা করলেও দেশে ফিরে তিনি পান ভাঙা সংসার, হারিয়ে যাওয়া সম্পদ এবং বিশ্বাসের গভীর সংকট।👈

স্বামীর ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশে থাকার সময় থেকেই তাদের দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি বুঝতে পারেন, সংসার টিকিয়ে রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। দেশে ফিরে তিনি দেখতে পান, ঘর থেকে নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার, স্টিলের আলমারিসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র আর নেই।👈

শালিস বৈঠকে তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার স্ত্রীর অন্য একজনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। তার দাবি, বিষয়টি জানতে পেরে তার মা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং পরে অসুস্থ হয়ে মারা যান। তবে স্ত্রী এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার শাশুড়ি আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন এবং মৃত্যুর কারণ সেটিই।👈

আর্থিক বিষয়েও প্রবাসী স্বামী একাধিক দাবি তুলে ধরেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি প্রায় ১৬ লাখ টাকা ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছিলেন। দোকান বিক্রির পর প্রায় ৫ লাখ টাকা স্ত্রীকে দেন, আরও প্রায় ২ লাখ টাকা পারিবারিক বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যয় করেন এবং স্ত্রীর জন্য স্বর্ণালঙ্কারও কিনেছিলেন। কিন্তু তার অভিযোগ, এত ত্যাগ ও পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য তিনি পাননি।👈

তিনি আরও বলেন, যদি স্ত্রী তার সঙ্গে সংসার করতে না চান, তাহলে সম্মানের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের মাধ্যমে সম্পর্কের ইতি টানা উচিত। তার অভিযোগ, স্ত্রী সংসারও করছেন না, আবার বিচ্ছেদও দিচ্ছেন না—ফলে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে রয়েছেন।✍️

অন্যদিকে, শালিস বৈঠকে স্ত্রী এসব অভিযোগের কয়েকটি অস্বীকার করেন এবং নিজের বক্তব্য তুলে ধরার চেষ্টা করেন। উপস্থিত শালিসকারীরা উভয় পক্ষের কথা শুনে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করেন। তবে এই বৈঠকে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়েছে—এমনটি বলা যায় না।✍️

প্রবাস জীবন বাইরে থেকে যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে তা অনেক বেশি কঠিন। পরিবারকে ভালো রাখা, সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়া এবং প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য হাজারো প্রবাসী প্রতিদিন রোদ, বৃষ্টি ও অমানুষিক পরিশ্রম সহ্য করেন। ঈদ, জন্মদিন কিংবা জীবনের অসংখ্য আনন্দঘন মুহূর্ত থেকেও তারা দূরে থাকেন শুধুমাত্র পরিবারের সুখের আশায়।👈

একজন প্রবাসীর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার পরিবারের প্রতি অটুট বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস যদি কোনো কারণে ভেঙে যায়, তাহলে ক্ষতি শুধু অর্থের নয়—ভেঙে যায় স্বপ্ন, ভালোবাসা এবং বেঁচে থাকার সাহসও।
যদি সত্যিই কোনো পরিবারে বিশ্বাসঘাতকতা, পরকীয়া বা অর্থ আত্মসাতের মতো ঘটনা ঘটে, তবে তার প্রভাব শুধু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; সন্তানের ভবিষ্যৎ, দুই পরিবারের সম্পর্ক এবং পুরো সমাজেও এর গভীর প্রভাব পড়ে।👈

প্রবাসীরা শুধু অর্থ পাঠান না; তারা তাদের যৌবন, সময়, স্বপ্ন এবং জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান মুহূর্তগুলো পরিবারের জন্য উৎসর্গ করেন। তাই প্রতিটি সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত পারস্পরিক সম্মান, সততা ও বিশ্বাস। কারণ অর্থ আবার উপার্জন করা যায়, কিন্তু একবার ভেঙে যাওয়া বিশ্বাস ফিরে পাওয়া সবচেয়ে কঠিন।👈

Address

Dhaka
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হাক্কানী বাবা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to হাক্কানী বাবা:

Shortcuts

Share