হে মুসলিম এসো ইসলাম প্রচার করি

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • হে মুসলিম এসো ইসলাম প্রচার করি
Call Directions Contact the university

হে মুসলিম এসো ইসলাম প্রচার করি রসূলুল্লাহ (স.) বলেছেনঃ আমার পক্ষ হতে (মানুষের কাছে) একটি বাক্য হলেও পৌঁছিয়ে দাও। (বুখারী)

একটা সময় জীবনে কিছু মানুষ ছিল, যাদের পাশে না থাকলে যেন দিনটাই অসম্পূর্ণ মনে হতো। কারণ ছাড়াই তাদের কাছে রাখতে ইচ্ছে করত। ...
26/09/2026

একটা সময় জীবনে কিছু মানুষ ছিল, যাদের পাশে না থাকলে যেন দিনটাই অসম্পূর্ণ মনে হতো। কারণ ছাড়াই তাদের কাছে রাখতে ইচ্ছে করত। একটা ডিম ভাজলেও মনে হতো, ওদের ছাড়া এটা খাওয়াই যায় না!
একটা দিনও তাদের ছাড়া কল্পনা করতে পারতাম না। সময় বদলেছে, মানুষ বদলেছে, আমরাও হয়তো বদলেছি।
আজ সেই মানুষগুলোর বেশিরভাগই জীবনে নেই। কেউ নিজের ব্যস্ততায় হারিয়েছে, কেউ প্রয়োজনের ভিড়ে, কেউ হয়তো স্বার্থের হিসাব মেলাতে মেলাতে দূরে চলে গেছে।
অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এখন আর খুব একটা খারাপ লাগে না। মাঝে মাঝে মনে পড়ে, কিছু পুরোনো স্মৃতি হঠাৎ মনটা ভারী করে দেয়। তারপর নিজেকেই মনে হয়, হয়তো কিছু মানুষকে হারানো আসলে হারানো নয়, বরং জীবনে একটা প্রয়োজনীয় দূরত্ব তৈরি হওয়া।
কারণ সময় একটা জিনিস খুব ভালোভাবে শিখিয়েছে, সবাইকে সারাজীবন পাশে রাখার প্রয়োজন নেই। কিছু মানুষ স্মৃতিতে সুন্দর, কিন্তু বাস্তব জীবনে দূরেই ভালো।

24/08/2026

ভালো কাজ লুকিয়ে রাখার নয়, বরং সবসময় বুক ফুলিয়ে গর্বের সাথে সবাইকে জানানোর মতো একটি বিষয়। আমাদের একটি ছোট উদ্যোগ অন্য আরও দশজনকে অনুপ্রাণিত করে উন্নত সমাজ গঠনে ভালো কাজের ধারা ছড়িয়ে পড়বে। সমাজ বদলে যায় তখনই, যখন আমরা নিজেরা বদলানোর উদ্যোগ নিই।

🔹 সমাজের উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং একটি বৈষম্যহীন পরিবেশ তৈরি করা। নিচে কয়েকটি প্রধান উন্নয়নমূলক কাজের বিবরণ দেওয়া হলো:

🔻 শিক্ষার প্রসার ও স্বাক্ষরতা অভিযান
•সুবিধা বঞ্চিতদের শিক্ষাদান: দরিদ্র ও পথশিশুদের জন্য বিনামূল্যে নৈশকালীন বা অনানুষ্ঠানিক স্কুল পরিচালনা করা।
•প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষা: নিরক্ষর বয়স্ক মানুষদের মৌলিক লিখন ও পঠন দক্ষতা শেখানো।
•উপকরণ বিতরণ: গরিব শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই, খাতা, কলম ও স্কুল ইউনিফর্ম বিতরণ করা।

🔻 স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা বৃদ্ধি
•ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডাক্তার নিয়ে গিয়ে বিনামূল্যে সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ওষুধ দেওয়া।
•রক্তদান কর্মসূচি: জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের জীবন বাঁচাতে নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদান ক্যাম্পের আয়োজন করা।
•সচেতনতা তৈরি: পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি, এবং ছোঁয়াচে রোগ প্রতিরোধে উঠান বৈঠক বা লিফলেট বিতরণ করা।

🔻 পরিবেশ উন্নয়ন ও বৃক্ষরোপণ
•গাছ লাগানো: রাস্তার পাশে, স্কুলের মাঠে বা পরিত্যক্ত জায়গায় ফলজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা।
•বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: পাড়া-মহল্লায় নির্দিষ্ট ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করা এবং প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে মানুষকে উৎসাহিত করা।
•পরিচ্ছন্নতা অভিযান: তরুণেরা মিলে নিজ এলাকার রাস্তাঘাট, পার্ক বা খেলার মাঠ পরিষ্কার করা।

🔻 আত্মকর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন
•কারিগরি প্রশিক্ষণ: বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য সেলাই, কম্পিউটার, ড্রাইভিং বা হস্তশিল্পের ফ্রি কোর্সের ব্যবস্থা করা।
•ক্ষুদ্র ঋণ বা উপকরণ সহায়তা: প্রশিক্ষণ শেষে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য সেলাই মেশিন বা প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনে দেওয়া।

🔻 সামাজিক নিরাপত্তা ও জরুরি ত্রাণ বিতরণ
•দুর্যোগে পাশে দাঁড়ানো: বন্যা, ঝড় বা তীব্র শীতে অসহায় মানুষের মাঝে শুকনো খাবার, স্যালাইন এবং কম্বল বিতরণ করা।
•অসহায়দের পুনর্বাসন: গৃহহীন বা বয়স্ক নিঃস্ব মানুষদের থাকার ব্যবস্থা অথবা স্থায়ী আয়ের পথ তৈরি করে দেওয়া।

📣 আসুন, আমরা আমাদের চারপাশের বিপদে পড়া প্রত্যেকের পাশে নিঃস্বার্থভাবে দাঁড়াই এবং সমাজটাকে আরও সুন্দর করে গড়ে তুলি। অহংকার ছাড়াই নিজের কাজের ভালো দিকগুলো তুলে ধরি।

অতিরিক্ত রাগী মানুষের চারটি সুন্দর গুণ থাকে : ১. তারা সবার ভালো চান কিন্তু অনেক সময় ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাদেরকেই দোষী হত...
12/08/2026

অতিরিক্ত রাগী মানুষের চারটি সুন্দর গুণ থাকে :
১. তারা সবার ভালো চান কিন্তু অনেক সময় ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাদেরকেই দোষী হতে হয়।
২. তারা কাউকে ধোঁকা দেন না কারণ তাদের রাগের চেয়ে সততা বড়।
৩. কাছের মানুষ ও ভালোবাসার মানুষকে খুব যত্নে আঁকড়ে ধরে রাখেন এবং
৪. তাদের ভেতরের মনটি খুব নরম হয়; বাইরের রাগ বা কঠিন স্বভাবের পেছনে তাদের একটি কোমল ও নরম মন থাকে।

১০ মহররমে ঘটে যাওয়া প্রধান ঘটনাগুলো:কারবালার মর্মান্তিক যুদ্ধ ও শাহাদাত: ৬১ হিজরির ১০ মহররমে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্র...
26/06/2026

১০ মহররমে ঘটে যাওয়া প্রধান ঘটনাগুলো:
কারবালার মর্মান্তিক যুদ্ধ ও শাহাদাত: ৬১ হিজরির ১০ মহররমে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইমাম হুসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবারের সদস্য ও অনুসারী মিলে মাত্র ৭২ জন ইয়াজিদ বাহিনীর বিরুদ্ধে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে শাহাদত বরণ করেন।

হযরত মূসা (আ.)-এর মুক্তি: এই দিনে আল্লাহ তাআলা হযরত মূসা (আ.) এবং বনী ইসরাঈলকে ফেরাউনের অত্যাচার থেকে রক্ষা করেন এবং লোহিত সাগরের বুক চিরে রাস্তা তৈরি করে পার করে দেন।

হযরত নূহ (আ.)-এর মহাপ্লাবন থেকে মুক্তি: মহাপ্লাবনের পর হযরত নূহ (আ.)-এর নৌকা সুদি পাহাড়ে স্থির হয় এবং তিনি ও তাঁর সঙ্গীরা প্লাবন থেকে মুক্তি পান।

হযরত আদম (আ.)-এর তাওবা কবুল: এই দিনেই হযরত আদম (আ.)-এর সৃষ্টি, জান্নাতে অবস্থান, পৃথিবীতে প্রেরণ এবং পরবর্তীতে তাঁর তাওবা কবুল করা হয় ।

অগ্নিকুণ্ড থেকে হযরত ইবরাহিম (আ.)-এর মুক্তি: নমরুদের প্রজ্বলিত আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়ার পর, আল্লাহ তাআলা তাঁকে এই দিনেই নিরাপদে মুক্তি দান করেন।

হযরত ইউনুস (আ.)-এর উদ্ধার: ৪০ দিন মাছের পেটে থাকার পর হযরত ইউনুস (আ.) দজলা নদী থেকে এই দিনে মুক্তি লাভ করেন ।

অন্যান্য নবীদের বিজয়: হযরত আইয়ুব (আ.) দীর্ঘ ১৮ বছর রোগভোগের পর এই দিনে আরোগ্য লাভ করেন এবং হযরত সুলাইমান (আ.) তাঁর হারানো রাজত্ব ফিরে পান।

পবিত্র এই ১০ মহররম মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি দিন। সুন্নি মুসলমানরা এ দিনে শোক ও কৃতজ্ঞতাস্বরূপ নফল রোজা রাখেন ।
১০ মহররম (আশূরা) ইসলামের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ দিন, যার প্রধান আমল হলো রোজা রাখা। রাসূলুল্লাহ (সা.) এই দিনে রোজা রাখতেন এবং সাহাবিদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
এই দিনের প্রধান আমল ও রোজা রাখার নিয়মকানুন নিচে দেওয়া হলো:
আশূরার রোজার নিয়ম দুটি রোজা রাখা:
১০ মহররমের রোজার সাথে মিল রেখে তার আগে বা পরে আরও একটি রোজা রাখা উত্তম। ইহুদিদের সাথে সাদৃশ্য এড়াতে রাসূলুল্লাহ (সা.) এই নির্দেশ দিয়েছেন।

তারিখের অপশন ১:
মহররমের ৯ এবং ১০ তারিখে রোজা রাখা (সবচেয়ে উত্তম ও সুন্নাতসম্মত)।
তারিখের অপশন ২: মহররমের ১০ এবং ১১ তারিখে রোজা রাখা (যদি কেউ ৯ তারিখে রাখতে না পারেন)।
শুধু একটি রোজা: কেউ যদি কোনো কারণে দুটি রোজা রাখতে না পারেন, তবে শুধু ১০ মহররমে একটি রোজা রাখলেও গুনাহ হবে না, তবে তা মাকরূহে তানজিহি বা অপছন্দনীয়।
নিয়ত ও সময়: অন্যান্য নফল বা রমজানের রোজার মতোই সুবহে সাদিকের আগে সেহরি খেয়ে রোজা শুরু করতে হয় এবং সূর্যান্তের পর ইফতার করতে হয়।
আশূরার দিনের ফজিলত ও আমলগত এক বছরের গুনাহ মাফ: সহীহ মুসলিমের হাদিস অনুযায়ী, আশূরার দিনের রোজার বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা বান্দার পূর্ববর্তী এক বছরের (সগিরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
তওবা ও ইস্তিগফার: এই দিনটি তওবা কবুলের দিন। তাই আল্লাহর কাছে বেশি বেশি নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত।
পরিবারের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা: একটি হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি আশূরার দিনে নিজের পরিবারের জন্য উদারহস্তে ভালো খাবারের ব্যবস্থা করবে, আল্লাহ সারা বছর তার রিজিকে বরকত দান করবেন।
নফল ইবাদত ও দান-সদকা: এই মোবারক দিনে সামর্থ্য অনুযায়ী নফল নামাজ পড়া, কোরআন তিলাওয়াত করা এবং গরিব-দুঃখীদের দান-সদকা করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।
১০ মহররমে কারবালার মর্মান্তিক ঘটনাকে স্মরণ করে আমাদের শোক প্রকাশ করা ও শিক্ষা নেওয়া উচিত।

25/06/2026

সেই সুখি মানুষ!
যার মগজও নাই;
চিন্তাও নাই।

মাত্র ৪ দিনের ব্যবধানে হযরত শাহজালাল (রহঃ) এর মাজারের ডেগ থেকে ১৭ লক্ষ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে! তাহলে মাসে/ব...
23/06/2026

মাত্র ৪ দিনের ব্যবধানে হযরত শাহজালাল (রহঃ) এর মাজারের ডেগ থেকে ১৭ লক্ষ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে! তাহলে মাসে/বছরে কত টাকা উঠে? সবাই একমত হবেন যে এই টাকা নিঃসন্দেহে হযরত শাহজালাল (র:) নেয়না। তাহলে প্রশ্ন হল এই টাকা কে নেয়? কারা নেয়?
সারাদেশে এত বড় না হলেও ছোট ছোট হাজার হাজার মাজার রয়েছে সেগুলোতেও এরকম ব্যবসা চলে, এখানে দুইটা শ্রেণি রয়েছে: এক শ্রেণি হচ্ছে ভুক্তভোগী আরেক শ্রেণি হচ্ছে সুবিধাভোগী!
১) ভুক্তভোগী: আমাদের দেশের মানুষের ধর্মীয় আবেগ বেশি হলেও ধর্মীয় জ্ঞান খুবই কম। আর এটাকেই পুঁজি করে একশ্রেণীর ভন্ড পীর, পীরের মুরিদরা মাজারের নানান অলৌকিক ক্ষমতা প্রচার করে। আর সাধারণ মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ে এবং নানান রকম নিয়ত-মানত করে হাজার হাজার লাখ লাখ টাকা এসমস্ত মাজারে দান করে। এতে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ আর্থিকভাবে যতটা না ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার চেয়ে বেশি শির্ক-বিদআতে লিপ্ত হয়ে ঈমান ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলে।
২) সুবিধাভোগী: আর এর সুবিধাভোগী হচ্ছে এক শ্রেণীর কথিত ভন্ড পীর, পীরের মুরিদেরা, মাজারের খাদেম, আর শেল্টার দেওয়া স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনীতিবিদরা। চিন্তা করেন ৪ দিনে যদি এত টাকা হয়? তাহলে মাসে/বছরে যুগ যুগ ধরে ধরে হাজার হাজার কোটি টাকা এভাবে লুটপাট করে নিয়ে যায়।
তাই আসুন, এইসব ধর্মব্যবসায়ী ও লুটেরাদের নিকট থেকে দেশ বাচাঁই, ঈমান বাচাঁই। আর ডিসি সারওয়ার আলমের প্রত্যাহারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি, গর্জে উঠি।
পোস্টটি জনস্বার্থে শেয়ার করে দিবেন, প্লিজ।

21/06/2026

সেই লোক মমিন না,
যার মুখ ও হাত থেকে আরেকজন নিরাপদ না

23/05/2026

লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক!লাব্বাইকা, লা শারীকা লাকা লাব্বাইক!ইন্নাল হাম্‌দা, ওয়ান নি’মাতা, লাকা ওয়াল মুলক,লা শারীকা লাক!

19/05/2026

জিলহজ মাসের ৯ তারিখ (আরাফার দিন) ফজর থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর তাকবির পড়া ওয়াজিব।

18/05/2026

পবিত্র কোরআনে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ধনীদের ধন-সম্পদে দরিদ্র ও বঞ্চিতদের সুনির্দিষ্ট অধিকার রয়েছে। এটি গরিবের প্রতি ধনীর কোনো দয়া বা অনুগ্রহ নয়, বরং তাদের মৌলিক অধিকার।

Address

Farmgate
Dhaka
1215

Telephone

+8801826999507

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হে মুসলিম এসো ইসলাম প্রচার করি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to হে মুসলিম এসো ইসলাম প্রচার করি:

Shortcuts

Share