26/11/2025
আসসালামু আলাইকুম,
বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইন্টারমিডিয়েট কে নিয়ে কিছু লেখা, বর্তমান সময়ে ইন্টারমিডিয়েটের শিক্ষার্থীরা সকাল আটটা ক্যাম্পাসে ঢুকে এবং ১২ টায় ক্যাম্পাস থেকে বের হয়।
দেখা যাচ্ছে প্রতিদিন তাদেরকে বিভিন্নভাবে কোনও না কোনও ক্লাস মিস দিতে হয় কারণ বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সাবজেক্টিভ ক্লাসগুলো হয়ে থাকার কারণে।
কমন সাবজেক্টের জন্য এক ক্লাসে থাকতে হয় আবার যখন সাবজেক্টিভ ক্লাস শুরু হয় তখন অন্য ক্লাসে যেতে হয়।
যখন এটি স্কুলিং পদ্ধত চলে আসবে তখন তাদেরকে এইরকম হ্যারেজমেন্টের শিকার হতে হবে না। বর্তমানে তাদের কোন আলাদা লাইব্রেরী নেই যেখানে দেশের অন্যান্য কলেজের মতো তারা ব্যবহার করতে পারবে! যখন ইন্টারমিডিয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে তখন লাইব্রেরি খোলা হয় কিন্তু তাদের জন্য প্রবেশের অধিকার থাকে বারোটার পরে, তখন আবার অনার্সের স্টুডেন্টদের কারণে লাইব্রেরি পরিপূর্ণ হয়ে থাকে। যার কারণে তারা সেখানে বসে নিজেদের মত করে পড়তেও সমস্যা হয়।
যখন স্কুলিং সিস্টেম রান হবে তখন তাদের জন্য আলাদা কমনরুম ও লাইব্রেরি ব্যবস্থা থাকবে ।
বর্তমানে তাদের ল্যাবের সমস্যা হবে বলে বিভিন্নভাবে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে।
সরকার কতৃক প্রকাশিত খসড়ায় কবি নজরুল কলেজকে স্কুলিং পদ্ধতিতে যে ভাবে বিভক্ত করা হয়েছে সেখানে অনার্সের শিক্ষার্থীদের ল্যাবের প্রয়োজন হবে না।কারণ আইন অনুষদের শিক্ষার্থীদের ল্যাব ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।
এখন যেভাবে মন্ত্রণালয় থেকে বাজেট পাবে ঠিক সেভাবেই ইন্টারমিডিয়েটরা পরবর্তীতেও বাজেট পাবে। এখানে অনার্সের সাথে ভাগাভাগি হবে না।
আমি যদি সহজ ভাবে নটরডেম কলেজ এর সাথে তুলনা দেই তাহলে বুঝতে পারবেতোমরা। দেখবে নটর ডেম কলেজের পাশে নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। দুইটি আলাদাভাবে পরিচালিত হচ্ছে । দুটি প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। দেখবে এখানে কোন ধরনের সমস্যা বা হারাসমেন্টের শিকার কোন পক্ষই হতে হয় না। আরোও সহজ ভাবে বলি, আমাদের কলেজের ইসলামিয়া স্কুলের সাথে কখনও ইন্টার মিডিয়েট বা অনার্সের দ্বন্দ্ব হয়েছো শুনেছো? বা একজনের কাজের জন্য অন্যজনের ক্ষতি হয়েছে এমনটা হয়েছে?সেভাবে স্কুলিং পদ্ধতিতেও চলবে।
এবার আসা যাক যাতায়াত ব্যবস্থার ক্ষেত্রে, যাতায়াত ব্যবস্থার ক্ষেত্রে দেখা যায় ইন্টারমিডিয়েট স্টুডেন্ট ও অনার্সের স্টুডেন্টদের একত্রে যেতে হয় আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাস ছাড়ে দুইটার দিকে তাই দেখা যায় তাদেরকে দুইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।
আর স্কুলিং পদ্ধতিতে হলে তাদের যাতায়াত ব্যবস্থার এই সমস্যা থাকবে না।
বর্তমানে কলেজে যে বাজেট আসে সেটি ইন্টারমিডিয়েট ও অনার্সের বিভাগগুলোকে ভাগ করে নিতে হয়।
স্কুলিং পদ্ধতিতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আলাদা বাজেট হবে এবং পরিবহন ব্যবস্থা স্বতন্ত্র থাকবে,ভাগাভাগির প্রয়োজন হবে না।
বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট এবং সিন্ডিকেটে পাশ হয়ে আলাদা বাজেট থাকবে, এবং ইন্টারমিডিয়েটের বাজেট যেভাবে মন্ত্রণালয় বর্তমান সময়ে দেয় সেভাবেই চলবে।
যে সকল গান্ডুগণ ইন্টারমিডিয়েটের শিক্ষার্থীদের কে উস্কানি দিচ্ছে তোমরা ভাই এক যুগ ধরে অনার্স করতেছো তোমাদের মস্তিষ্ক কেমন ষাঁড় সেটা দেখলেই বুঝা যায়।
তোমরা যারা বলো এই কারণে ওই কারণে অনার্স করতে পারিনা তাহলে তোমাদের সাথের অনেকেই রাজনীতি করার সাথে সাথে অনার্স কমপ্লিট করেছে ১৭-১৮ সেশনের অনেকেই চিনি তোমাদের সাথে তোমাদের রাজনীতি করে তাদের অনার্স শেষ করেছে আর তোমরা গান্ডুরা ১১-১২ সেশনে ঢুকে এখন অনার্স শেষ করতে পারো না।
তুমিতো লেজ কাটা শিয়ালের মতো হয়ে গেলে, শিয়ালের যেমন লেজ কাটা ছিল অন্যদেরকে কাটা লেজের গুরুত্ব বুঝাতো এবং সকলের লেজ কাটতে বলতো।
তোমরা অধম বলিয়া অন্যদেরকে উত্তম হইবার পথে বাঁধা কেন দিবে?
অনেক ছাত্রছাত্রীদেরকে দেখেছি এই কলেজে শেষ না করার কারণে পরবর্তী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হয়ে লেখাপড়া শেষ করেছে । তোমাদের ইচ্ছা মূর্খ থাকা তাই এখানে পড়ে থাকো সকাল থেকে রাত। ক্যাম্পাসে ঢুকো শরম করে না হাটুর বয়সী ছেলেদের সাথে রাজনীতি করতে লজ্জা হওয়া দরকার ভাই।
ছবি: চট্রগ্রামের কলেজের লাইব্রেরি।