জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দিলুরোড মাদরাসা

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দিলুরোড মাদরাসা

জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দিলুরোড মাদরাসা আরবী বিশ্ববিদ্যালয়
(1)

09/08/2026

সৌদি আরবে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭ জন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

নিহতদের মধ্যে এ পর্যন্ত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭ জনই নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায়, পরিবারের স্বচ্ছলতার স্বপ্ন নিয়ে তাঁরা প্রিয়জনদের ছেড়ে দূর প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁদের নিথর দেহ দেশে ফিরতে হচ্ছে—এ এক হৃদয়বিদারক ও অপূরণীয় ক্ষতি।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি জানাচ্ছি আন্তরিক সমবেদনা।

হে আল্লাহ! এই হতভাগ্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন, তাঁদের কবরকে প্রশস্ত ও নূরে ভরপুর করে দিন, জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন এবং তাঁদের পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি দান করুন।
আল্লাহুম্মা আমিন।

কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের বিধান রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে নিহতদের পরিবারগুলো সেই ন্যায্য ক্ষতিপূরণ আদৌ পাবে কি না—এ নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যায়।

তাই বাংলাদেশ সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ—এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, নিহতদের পরিবারের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করুন।

প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাঁদের জীবন ও অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা আমরা প্রত্যাশা করি।

আল্লাহ নিহতদের মাগফিরাত করুন এবং তাঁদের পরিবারকে সবর ও উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।

জরুরি ঘোষণা'তাকরীর'-এর জন্য দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল)-এর কিতাবসমূহের নির্বাচিত অধ্যায়সমূহ-এর তালিকা আসসালামু আলাইকুম ওয়া...
12/07/2026

জরুরি ঘোষণা

'তাকরীর'-এর জন্য দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল)-এর কিতাবসমূহের নির্বাচিত অধ্যায়সমূহ-এর তালিকা

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ কর্তৃক প্রণীত নেসাবে তা'লীম অনুযায়ী দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল)-এর সিলেবাসভুক্ত হাদীসের কিতাব মোট দশটি। এই দশ কিতাবের অন্তর্ভুক্ত অধ্যায়সমূহের কোনো গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেন উস্তাদগণের বিশেষ আলোচনা (তাকরীর) থেকে বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে কোন কিতাবের কোন কোন অধ্যায়ের ওপর উস্তাদগণ বিশেষভাবে আলোচনা করবেন— আল-হাইআতুল উলয়ার স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে তার একটি তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে, যা "مواضع تقرير হিসাবে দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল)-এর কিতাবসমূহের নির্বাচিত أبواب" শিরোনামে এ ঘোষণার সঙ্গে সংযুক্ত করা হলো।

এ প্রসঙ্গে স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ বিশেষভাবে দ্রষ্টব্য:

১. مواضع تقرير নির্ধারণ করা হয়েছে দুটি উদ্দেশ্যে — (ক) সংশ্লিষ্ট কিতাবের উস্তাদ যেন উক্ত أبواب-এর ওপর বিশেষভাবে 'তাকরীর' করেন; এবং (খ) দাওরায়ে হাদীসের কিতাবগুলোর কোনো أبواب যেন 'তাকরীর' থেকে বাদ না যায়।

২. উপরোল্লিখিত مواضع تقرير ছাড়াও প্রত্যেক কিতাবের مقدمة العلم ও مقدمة الكتاب সম্পর্কে তাকরীর হবে।

৩. প্রত্যেক কিতাবের خصوصيات (বৈশিষ্ট্যপূর্ণ বিষয়সমূহ) বিষয়ে অবশ্যই তাকরীর হবে। যেমন — বুখারী শরীফের تراجم أبواب، مناسبة الحديث بالترجمة، قال بعض الناس، ثلاثيات; আবু দাঊদ শরীফের قال أبو داود; তাহাবী শরীফের نظر الطحاوي ইত্যাদি।

৪. দাওরায়ে হাদীসের পরীক্ষায় مواضع تقرير-এর বাইরে থেকেও প্রশ্ন হতে পারে। যেমন — মুসলিম আউওয়ালের مواضع تقرير-এর বাইরেও অনেক أبواب আছে; পরীক্ষায় সেখান থেকেও, অর্থাৎ দাখেলে নেসাবের মধ্য হতে যেকোনো স্থান থেকে প্রশ্ন হতে পারে।

৫. দাওরায়ে হাদীসের ১০ কিতাবের مواضع تقرير-এর মধ্য হতে যে কোনো কিতাবে প্রশ্ন হতে পারে; ঐ কিতাবের নিজস্ব مواضع تقرير-এর মধ্য হতে না হলেও।

আরো উল্লেখ্য, তালিকায় উল্লিখিত أبواب-এর নাম ও পৃষ্ঠা নম্বর "মাকতাবাতুল ফাতাহ বাংলাদেশ" প্রকাশিত কিতাবসমূহ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।

এমতাবস্থায়, আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন ৬ বোর্ডে অধিভুক্ত দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) মাদরাসার সকল মুহতামিম, শিক্ষাসচিব ও দাওরায়ে হাদীসের উস্তাদগণকে সংযুক্ত তালিকাটি সংগ্রহপূর্বক সে অনুযায়ী দাওরায়ে হাদীসের দরস ও তাকরীর পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলের ইলমী খেদমতসমূহ কবুল করুন। আমীন।

চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে,

মু. অছিউর রহমান
অফিস ব্যবস্থাপক,
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

 #বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ঘোষণা :১০ জানুয়ারি-২০২৭ ঈসায়ি [রোজ রবিবার] থেকে ১৮ জানুয়ারি-২০২৭ ঈসায়ি [রোজ সোমবার]...
08/07/2026

#বেফাকের ৫০তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ঘোষণা :

১০ জানুয়ারি-২০২৭ ঈসায়ি [রোজ রবিবার] থেকে ১৮ জানুয়ারি-২০২৭ ঈসায়ি [রোজ সোমবার] পর্যন্ত চলবে, ইনশাআল্লাহ ।।

01/07/2026
16/06/2026

আজ মাগরিবের সময় থেকে *হিজরী নববর্ষ* শুরু হতে পারে : *১ মুহাররম ১৪৪৮ হিজরী*

“সাহাবায়ে কেরাম নতুন মাস বা নতুন বছর শুরুর এ দুআটি তেমন গুরুত্ব দিয়ে শিখতেন, যেভাবে কুরআনুল কারীম শিখতেন।"

*اَللّٰهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالإِسْلَامِ وَجِوَارٍ مِنَ الشَّيْطَانِ وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمٰنِ*

হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ মাস/বছরের আগমন ঘটান- শান্তি ও নিরাপত্তা এবং ঈমান ও ইসলামের (উপর অবিচলতার) সাথে; শয়তান থেকে সুরক্ষা ও দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে।

(আলইসাবাহ ফী তাময়ীযিস সাহাবাহ, ইবনে হাজার আসকালানী, খ. ৪, পৃ. ২১৮, দারুল কুতুবুল ইলমিয়্যা, বৈরুত, প্র. সংস্করণ ১৪১৫ হি.)
[[ الجِوار : (معجم الوسيط) :
الجِوار : العهد. الجِوار الأَماِن.
جِوَار [جور] [জিওয়ার]
প্রতিবেশিত্ব, সান্নিধ্য, পার্শ্ববর্তিতা
নৈকট্য, *আশ্রয়, নিরাপত্তা*
-আল মুজামুল ওয়াফী
اللهم أجرني من النار
দোয়াটাও এ অর্থে এসেছে।]]

=========

১.
*শুধু আরবদের নয়, হিজরী মুসলমানদের সন, ইসলামী সন*

মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ

হিজরী সনের প্রথম মাস মুহাররম। এই হিজরী সনের সূচনা, প্রেক্ষাপট, মুসলিম-জীবনে এর প্রভাব, হিজরী ক্যালেন্ডার ও একদিনে বিশ্বব্যাপী ঈদ-রোযা করা বিষয়ে মাসিক আলকাউসারের সম্পাদক, মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকার মুদীর মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ একটি সাক্ষাৎকার দেন। এ সাক্ষাৎকারের একটি চুম্বক অংশ গত ২৫ নভেম্বর দৈনিক আমার দেশ-এ মুদ্রিত হয়। সাক্ষাৎকারের পূর্ণরূপ এখানে মুদ্রিত হল। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন-শরীফ মুহাম্মদ।......

https://www.alkawsar.com/bn/article/498/

২.
*হিজরি সন ও আরবি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম।*

তারিখ শব্দটি আরবি। এর প্রচলিত অর্থ ইতিহাস, বছরের নির্দিষ্ট দিনের হিসাব। আল্লামা ইবনে মানজুর (রহ.) তাঁর বিখ্যাত আরবি অভিধান ‘লিসানুল আরবে’ লিখেছেন, তারিখ হলো—সময়কে নির্দিষ্ট করা, সময়ের চিত্র তুলে ধরা, সময়ের ঘটনাপ্রবাহকে শব্দবদ্ধ করা। আল্লামা আইনি (রহ.) লিখেছেন, সায়দাভি (রহ.) বলেছেন, ‘তারিখ’ শব্দটি ‘আরখুন’ থেকে উদ্ভূত; যার অর্থ নবজাতক, সদ্য প্রসূত শিশু। ইতিহাসের সঙ্গে এর সামঞ্জস্য হলো নবজাতকের জন্মের মতো ইতিহাসও সৃজিত হয়, রচিত হয়। একের পর এক সন্তান জন্ম দেওয়ার মতো ইতিহাসের ধারা চলমান, প্রবহমান।

কেউ কেউ বলেছেন, ‘তারিখ’ শব্দটি অনারবি। ‘মা’ ও ‘রোজ’ থেকে পরিবর্তন করে একে আরবিতে রূপান্তর করা হয়েছে। এর অর্থ : দিন, মাস, বছরের হিসাব।

উল্লিখিত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, সংখ্যা গণনা, হিসাব সংরক্ষণের সঙ্গে ইতিহাসের সখ্য অনেক গভীর। সন-তারিখ ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জীবনচরিত রচনা, সময়ের আলোচনা-পর্যালোচনা সন-তারিখ ছাড়া সম্ভব নয়। যদিও এটি ইতিহাস রচনার মূল উদ্দেশ্য নয়, তবু সন-তারিখ প্রথা ইতিহাসের অনুষঙ্গ হয়ে আছে সেই আদিকাল থেকে। ফলে ইতিহাস বোঝাতে ‘তারিখ’ শব্দটিকেই ব্যবহার করা হয়।

তারিখ গণনার সূচনা কিভাবে হলো, কবে থেকে হলো, বিভিন্ন গ্রন্থে বিভিন্নভাবে বিষয়টি বর্ণনা করা হয়েছে। ‘আল মাওসুআতুল ফিকহিয়্যা আল কুয়েতিয়্যা’ গ্রন্থে বিষয়টি এভাবে এসেছে—

ইসলাম আসার আগে আরবের সমষ্টিগত কোনো তারিখ ছিল না। সে সময় তারা প্রসিদ্ধ ঘটনা অবলম্বনে বছর, মাস গণনা করত। হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর সন্তানরা কাবা শরিফ নির্মিত হওয়ার আগে তাঁর আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়ার ঘটনা অবলম্বনে তারিখ নির্ধারণ করত। কাবা শরিফ নির্মাণের পর তাঁরা বিক্ষিপ্ত হওয়া পর্যন্ত এর আলোকেই সাল গণনা করতেন। তারপর বনু ইসমাঈলের যারা হেজাজের তেহামা অঞ্চল থেকে বেরিয়ে অন্যত্র চলে যেত, তখন সেই গোত্র বেরিয়ে যাওয়ার দিন থেকে তারিখ গণনা করত। যারা তেহামাতে রয়ে যেত তারা বনি জায়েদ গোত্রের জুহাইনা, নাহদ ও সাদের চলে যাওয়ার দিন থেকে সাল গণনা করত। কাব বিন লুআইয়ের মৃত্যু পর্যন্ত এ ধারা চলমান ছিল। পরে তাঁর মৃত্যুর দিন থেকে নতুনভাবে সাল গণনা শুরু হয়। এটি চলতে থাকে হস্তী বাহিনীর ঘটনা পর্যন্ত। হজরত ওমর (রা.) হিজরি নববর্ষের গোড়াপত্তন করার আগ পর্যন্ত আরবে ‘হস্তীবর্ষ’ই প্রচলিত ছিল। (আল-কামেল লিইবনিল আসির : ১/৯)

বনু ইসমাঈল ছাড়া আরবের অন্য লোকেরা নিজেদের মধ্যে ঘটে যাওয়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে উপলক্ষ করে বর্ষ গণনা করত। যেমন—বাসুস, দাহেস, গাবরা, ইয়াওমু জি-কার, হরবুল ফুজ্জার ইত্যাদি ঐতিহাসিক যুদ্ধের দিন থেকে নতুন নতুন বর্ষ গণনার সূত্রপাত করত। এ তো গেল আরবদের সাল গণনার বর্ণনা। গোটা বিশ্বের ইতিহাস পাঠ করলে দেখা যায়, পৃথিবীতে মানব ইতিহাসের সূচনালগ্ন থেকে বর্ষপঞ্জি গণনা শুরু করা হয়। আদি পিতা আদম (আ.) পৃথিবীতে আগমনের দিন থেকে সাল গণনা শুরু। এ ধারা চলতে থাকে হজরত নুহ (আ.)-এর মহাপ্রলয় পর্যন্ত। এরপর মহাপ্রলয় থেকে নতুন বর্ষপঞ্জি তৈরি করা হয়। এটা চলতে থাকে ইবরাহিম (আ.) অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত। এ বর্ষপঞ্জি চলতে থাকে ইউসুফ (আ.) মিসরে শাসনকর্তা নিযুক্ত হওয়া পর্যন্ত। সে ঘটনা থেকে শুরু হয় নতুন বর্ষ গণনা। এটি চলতে থাকে মুসা (আ.) মিসর ত্যাগের ঘটনা পর্যন্ত। সেটি চলতে থাকে দাউদ (আ.)-এর শাসনামল পর্যন্ত। সেটি চলতে থাকে সুলাইমান (আ.)-এর রাজত্বকাল পর্যন্ত। সেটি চলতে থাকে হজরত ঈসা (আ.)-এর যুগ পর্যন্ত। ঈসা (আ.)-এর জন্ম থেকে নতুন বর্ষ গণনা শুরু হয়। আরবের হিময়ার গোত্র তাবাবিয়াহ (ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দিন) থেকে, প্রাচীন আরবের গাসসান গোত্র বাঁধ নির্মাণের দিন থেকে সাল গণনা করে। সানআ অধিবাসীরা হাবশিদের ইয়েমেন আক্রমণের দিন থেকে বর্ষ গণনা শুরু করে। তারপর তারা পারস্যদের জয়লাভের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাল গণনা করে। (আল-ইলান, লিস সাখাভি : ১৪৬-১৪৭)

পারসিকরা তাদের রাষ্ট্রনায়কদের চার স্তরে বিন্যস্ত করে সাল গণনা করত। রোমানরা পারসিকদের কাছে পরাজিত হওয়া পর্যন্ত দারা ইবনে দারা নিহত হওয়ার দিন থেকে সাল গণনা করত। কিবতিরা মিসরের রানি কিলইয়ুবাতরাকে রুখতে বুখতে নছর কর্তৃক সাহায্য করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাল গণনা করত। ইহুদিরা বায়তুল মাকদিসে হামলা এবং এটি তাদের হাতছাড়া হওয়ার ঘটনাকে উপলক্ষ করে বর্ষ গণনা করে। খ্রিস্টানরা হজরত ঈসা (আ.)-কে আসমানে উত্তোলনের ঘটনাকে স্মারক বানিয়ে খ্রিস্টবর্ষ পালন করে। (আল মাওসুয়াতুল ফিকহিয়্যা আল কুয়েতিয়্যা : ১০/২৮ ‘তারিখ’)

❁ জুমাবারের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহসমূহ ❁
04/06/2026

❁ জুমাবারের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহসমূহ ❁

23/05/2026

দিলুরোড মাদ্রাসা মসজিদে
ঈদুল আজহা এর
প্রথম জামাত সকাল ৬:০০
দ্বিতীয় জামাত ৬:৪৫

18/05/2026

🌙 জিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন
মুমিনের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান দিনগুলোর একটি ✨
আল্লাহ তাআলা কুরআনে শপথ করেছেন—
﴿ وَالْفَجْرِ ۝ وَلَيَالٍ عَشْرٍ ﴾
“শপথ ফজরের, এবং শপথ দশ রাত্রির।”
📖 সূরা ফাজর: ১-২
তাফসীরকারগণ বলেন, এখানে “দশ রাত্রি” বলতে জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনকে বুঝানো হয়েছে।
━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 রাসূল ﷺ বলেন:
“আল্লাহর কাছে এমন কোনো দিন নেই, যাতে নেক আমল করা এই দশ দিনের চেয়ে বেশি প্রিয়।”
সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন:
“আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়?”
তিনি ﷺ বললেন:
“জিহাদও নয়, তবে সেই ব্যক্তি ছাড়া যে জান-মাল নিয়ে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি।”
📚 সহীহ বুখারী
━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 রাসূল ﷺ আরো বলেন:
“এই দশ দিনে বেশি বেশি তাসবীহ, তাহলীল, তাহমীদ ও তাকবীর পড়ো।”
📚 শুআবুল ঈমান, বায়হাকী
অর্থাৎ পড়ুন:
▪️ سُبْحَانَ اللهِ
▪️ الْحَمْدُ لِلّٰهِ
▪️ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ
▪️ اللهُ أَكْبَرُ
━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 আরাফার দিনের ফযীলত
রাসূল ﷺ বলেন:
“আরাফার দিনের রোযা পূর্ববর্তী এক বছর ও পরবর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়।”
📚 সহীহ মুসলিম / তিরমিযী

🌿 আরেক হাদীসে এসেছে:
রাসূল ﷺ বলেন—
“এই দশ দিনের প্রতিটি দিনের রোযা এক বছরের রোযার সমান, আর প্রতিটি রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের রাতের ইবাদতের সমান।”
📚 তিরমিযী (অর্থবোধক বর্ণনা)

🌿 আরেক হাদীসে এসেছে:
“আরাফার দিনের সবচেয়ে উত্তম দোয়া হলো—
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
‘আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁরই, আর তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।’”
📚 মুসনাদ আহমাদ
━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 কুরবানীর ফযীলত
আল্লাহ তাআলা বলেন:
﴿ فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ ﴾
“আপনার রবের জন্য নামাজ পড়ুন এবং কুরবানী করুন।”
📖 সূরা কাওসার: ২

🌿 রাসূল ﷺ বলেন:
“কুরবানীর দিনের আমলের মধ্যে আল্লাহর কাছে রক্ত প্রবাহিত করার চেয়ে অধিক প্রিয় কোনো আমল নেই।”
📚 তিরমিযী, ইবনে মাজাহ

🌿আরেক হাদীসে এসেছে:
“কুরবানীর পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি নেকি রয়েছে।”
📚 সুনানে বায়হাকী
━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 কুরবানীদাতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ আমল
রাসূল ﷺ বলেন:
“তোমাদের কেউ জিলহজ্জের চাঁদ দেখার পর কুরবানী করার ইচ্ছা করলে, সে যেন কুরবানী করা পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটে।”
📚 সহীহ মুসলিম
সাহাবী ও তাবেয়ীগণের আমল থেকেও জানা যায়, তাঁরা এই দশকে চুল-নখ কাটা অপছন্দ করতেন।
━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 এই দশকের করণীয়
✅ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায়
✅ বেশি বেশি তাকবীর, তাহলীল, তাসবীহ
✅ কুরআন তিলাওয়াত
✅ নফল রোযা রাখা
✅ আরাফার রোযা
✅ দান-সদকা
✅ তওবা ও ইস্তিগফার
✅ আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক করা
✅ গীবত-অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকা
✅ কুরবানীর প্রস্তুতি
━━━━━━━━━━━━━━━

🤲🏻জীবনের কত জিলহজ্জ চলে গেছে…
কিন্তু আমরা কয়টা কাজে লাগিয়েছি?
হয়তো এটাই আমাদের জীবনের শেষ জিলহজ্জ।
তাই আসুন,
এই দশ দিনকে বদলে যাওয়ার মৌসুম বানাই। 🌙✨🤲🏻

مناظرہ سے دل میں ظلمت از  : شیخ الاسلام حضرت مفتی تقی عثمانی صاحب مدظلہم
25/04/2026

مناظرہ سے دل میں ظلمت

از : شیخ الاسلام حضرت مفتی تقی عثمانی صاحب مدظلہم

انتہائی افسوس کے ساتھ اطلاع دی جاتی ہے کہ استاذ الاساتذہ حضرت مولانا قمر عثمانی صاحب رحمہ اللہ (استاذ حدیث دار العلوم وق...
23/04/2026

انتہائی افسوس کے ساتھ اطلاع دی جاتی ہے کہ استاذ الاساتذہ حضرت مولانا قمر عثمانی صاحب رحمہ اللہ (استاذ حدیث دار العلوم وقف دیوبند) کا طویل علالت کے بعد اج صبح انتقال ہوگیا ہے، انا للہ وانا الیہ راجعون

حضرت مرحوم کی وفات علمی و دینی حلقوں کے لیے ایک عظیم خسارہ ہے۔ اللہ تعالیٰ نے انہیں علم حدیث کی خدمت اور دین کی اشاعت میں غیر معمولی مقام عطا فرمایا تھا۔

اللہ تعالی حضرت کے درجات بلند فرماۓ، اعلی علیین میں مقام کریم سے سرفراز فرماۓ اور پسماندگان کو صبر جمیل کی توفیق عطا فرماۓ۔

Address

৩৯/এ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, 39/A Dilu Road, New Eskaton
Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দিলুরোড মাদরাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share