পৃথিবীতে মানব জাতির জন্য স্রষ্টা ও প্রভুর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ সবচেয়ে বড় নিয়ামত হচ্ছে - 'আল-কুরআন' যা আমাদের জীবন চলার পথে গাইড বুক। আর 'আল-হাদীস' হচ্ছে আল-কুরআন বাস্তবায়নের সুন্দরতম পথনির্দেশনা, যা প্রিয় নবীর মাধ্যমে আমরা পেয়েছি। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কী করণীয় ও বর্জনীয়, কুরআন ও হাদীস থেকে জেনে সে অনুযায়ী প্রতিনিয়ত সঠিক চর্চার মাধ্যমে আমরা প্রত্যেকেই প্রভূত কল্যাণ লাভ করতে পা
রি।
কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে বর্তমান বিজ্ঞানময় বিশ্বে কুরআনে উদ্ধৃত বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যাপক তথ্যসমূহ বিদগ্ধজনের সম্মুখে যথাযথভাবে উপস্থাপিত না হওয়ায় তারা 'কুরআন' কে অসম্পূর্ণ ভেবে ভুল পথে পরিচালিত হচ্ছে। যার কারণে তারা ক্রমান্বয়ে ইসলামের সুশীতল ছায়া থেকে কেবলই দূরে সরে যাচ্ছে। বিষয়টি বড়ই বেদনাদায়ক।
বর্তমান সময়ের দাবি হচ্ছে- এ অবস্থা আর চলতে দেয়া যায় না। তাই দ্রুত এ আত্মঘাতী অবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর লক্ষ্যে আমাদের শ্রম, মেধা, জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও সম্পদ সাধ্যমত এ পথে ব্যয় করে এগিয়ে যেতে হবে। যাতে করে বিজ্ঞানময় কুরআনকে পরিকল্পিতভাবে নানামুখী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী জ্ঞানী সমাজের সম্মুখে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা যায়। এতে আশা করা যায় সত্যপন্থী জ্ঞানী সমাজ অনুপ্রাণীত হয়ে আবার শান্তির পথ ইসলামের দিকে ফিরে আসার এক মহাসুযোগ লাভ করবে। মানব জাতির জন্য যা হবে সত্যিকার অর্থেই এক কল্যাণকর পদক্ষেপ, যার কোনো বিকল্প হতে পারে না।
উল্লেখিত পরিস্থিতিতে আভ্যন্তরীণ গরজ ও স্বতঃস্ফূর্ত তাগাদা থেকে 'দি রিসার্চ ফাউন্ডেশন ফর কুরআন এণ্ড সাইন্স' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে জয়েন্ট স্টক কোম্পানী থেকে ফাউন্ডেশনের নিবন্ধ সম্পন্ন করা হয়েছে। সকল আগ্রহী ব্যক্তিকে সাধ্যমত এ কাজে জড়িত হয়ে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার উদাত্ত আহ্বান জানানো যাচ্ছে।