NUB School of Science and Engineering

NUB School of Science and Engineering Welcome to the official page of NUB School of Science and Engineering.

15/11/2024
The Generalized System of Preferences is a U.S. trade program designed to promote economic growth in the developing worl...
15/11/2024

The Generalized System of Preferences is a U.S. trade program designed to promote economic growth in the developing world by providing preferential duty-free entry for up to 4,800 products from 129 designated beneficiary countries and territories. GSP was instituted on January 1, 1976, by the Trade Act of 1974.

07/09/2024

বর্ষাকালে জামাকাপড় ময়লা না হওয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যা...
বৃষ্টির দিনগুলিতে জামাকাপড় ময়লা কম হবে। জামাকাপড় ময়লা হওয়ার একটা বড় কারণ কাপড়ের সাথে শরীরের ঘর্ষণের ফলে স্থিরবিদ্যুৎ সৃষ্টি হয় যা বায়ুমন্ডলের ধূলিকণাকে আকর্ষণ করে। বর্ষাকালে বাতাসে ধূলিকণা থাকেনা তা ছাড়া স্থির বিদ্যুৎের শত্রু পানি আর বর্ষাকালে বাতাস স্যাঁতসেঁতে থাকে তাই স্থির বিদ্যুৎও তৈরি হয়না বা খুব কম হয়

17/02/2024

ফাইবার লেংথ ও কোয়ালিটির উপর ভিত্তি করে কটন মূলত তিন প্রকার।নরমাল কটন,ইজিপশিয়ান কটন ও পিমা কটন।আপল্যান্ড কটন মোট কটন প্রোডাকশনের প্রায় ৯০% এবং ইজিপশিয়ান ও পিমা কটন একত্রে বাকি ১০% মার্কেট পূরণ করে।ইজিপশিয়ান ও পিমা কটনকে ELS কটন (Extra long staple cotton) বলা হয়।কারণ এদের ফাইবার লেংথ সাধারণ কটন ফাইবারের চেয়ে বেশি থাকে।ফলে এ দুটি ফাইবার থেকে ইয়ার্ন তৈরির সময় অল্প টুইস্ট প্রয়োগ করলেই চলে।এর ফলে এ থেকে উৎপন্ন ফেব্রিক অনেক Smooth এবং Silky হয় অথচ তার Strenth ও বেশি থাকে।এজন্য ইজিপশিয়ান ও পিমা কটনের বাজারমূল্য খুব চড়া হয়।

ইজিপশিয়ান কটন মিসরে এবং পিমা কটন আমেরিকায় উৎপন্ন হয়।সাধারণ কটন ফাইবারের লেংথ ০.৫-১ inch হয়।সেখানে ইজিপশিয়ান কটনের ফাইবার লেংথ ১.৩-১.৬ inch এবং পিমা কটনের ফাইবার লেংথ ১.৫-২ inch পর্যন্ত হয়ে থাকে।

তবে এক গবেষণায় দেখা গেছে বাজারে লেবেলকৃত ইজিপশিয়ান ও পিমা কটনের ৯০% ই নকল।আর মিসর বা আমেরিকায় জন্মানো সকল কটন এই পর্যায়ে পড়বে না।ফাইবার লেংথ যাদের ELS কটন এর মধ্যে হবে শুধু সেগুলোই ইজিপশিয়ান বা পিমা কটন হওয়ার যোগ্যতা রাখে।হ্যান্ডফিল থেকে এদের সাধারণ পর্যবেক্ষণ করা গেলেও একমাত্র ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার মাধ্যমেই ইজিপশিয়ান ও পিমা কটন যাচাই করা সম্ভব

16/02/2024

ডাইং এ নিউ ইনোভেশন আসতে যাচ্ছে ওয়াটারলেস ডাইং। এটা বাল্কে আসতে হয়তো সময় লাগবে।
CO₂ কে লিকুইড করে সেই লিকুইডকে পানির বিকল্প হিসেবে ইউজ করে ডাইং করা হয় এই সিস্টেমে। এখন CO₂ এর লিকুইড দিয়ে বিভিন্ন ডাইয়ের লিকার কীভাবে তৈরি করবে সেটা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। যদি ডিসপার্স ডাইয়ের কথা চিন্তা করি, এটাকে তো সলিউশন তৈরি করতে বেগ পোহাতে হয়, ক্যারিয়ার, ডিসপার্সিং এজেন্ট ইউজ করতে হয়। যদি হাই টেম্পারেচারে ডাইং করি তাহলে ক্যারিয়ার না হয় বাদ দিলাম, ডিসপার্সিং এজেন্ট CO₂ এর লিকুইডের সাথে কীভাবে কাজ করে ডাই লিকার তৈরি করবে সেই প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়। এটা নিয়েও রিসার্চ হচ্ছে।
ব্যাপারটা বেশ ইন্টারেস্টিং

09/02/2024

অস্ট্রেলিয়ার সহায়তায় উলের পোশাক রপ্তানি ১ বিলিয়ন ডলারে নেওয়ার সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশ ।

উদ্যোক্তারা জানান, বাংলাদেশ বর্তমানে উলের উচ্চমূল্যের কিছু স্যুট, শার্ট, প্যান্ট ও নিটওয়্যারের সোয়েটার তৈরি করে রপ্তানির জন্য, যার কাঁচামাল আসে চীন, ইতালি কিংবা ইংল্যান্ড থেকে।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ উল উৎপাদনকারী দেশ অস্ট্রেলিয়া উল প্রক্রিয়াকরণের জন্য বাংলাদেশকে চীনের সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে ভাবছে। তার সুবাদে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে উচ্চমূল্যের উলের পোশাকের বার্ষিক রপ্তানি দশগুণ বাড়িয়ে ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে বাংলাদেশ

07/02/2024

আমরা প্রায়ই রেয়ন,মডাল ও লাইওসেল ফাইবারের নাম শুনে থাকি।অনেকেই এগুলোকে আলাদা আলাদা ফাইবার মনে করেন।মূলত এরা সকলেই রিজেনারেটেড সেলুলুজ ফাইবার যা উড পাল্প থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়। উড পাল্প থেকে তৈরি হলেও কিছু বাড়তি বৈশিষ্ট্য ও প্রোডাকশন প্রসিডিউর এ বিশেষ বিষয় যোগ করার জন্য এরা একে অপর থেকে আলাদা হয়ে যায়।

রেয়ন (Rayon) বা ভিসকস (viscouse) হল রিজেনারেটেড সেলুলুজ এর ফার্স্ট জেনারেশন।যা কটনের চেয়ে অনেক সফট,উজ্জ্বল ও ব্যবহারে আরামদায়ক।এটি ১৮৯৪ সালে প্রথম 'আর্টিফিশিয়াল সিল্ক' নামে পেটেন্ট করা হয়।ভিসকস বা রেয়ন তৈরির সময় প্রথমে ওড পাল্পকে (wood pulp) একটি ক্যামিক্যাল সল্যুশনে ডুবিয়ে রেখে একে pulpy viscouse substance এ পরিণত করা হয়।তারপর একে একটি Spinneret এর ভেতর দিয়ে উচ্চ চাপে ছোট ছোট ছিদ্র দিয়ে সরু আঁশের আকৃতিতে বের করা হয়।তারপর এই সরু আঁশগুলো একত্রে জোড়া দিয়ে কাঙ্ক্ষিত কাউন্টের সুতা তৈরি করা হয়।এই পদ্ধতি Wet spinning হিসেবে পরিচিত।প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত সেলুলুজকে (wood pulp) বিশেষ প্রক্রিয়ায় প্রক্রিয়াজাত করা হয় বলে একে রিজেনারেটেড সেলুলুজ বলে।রিজেনারেটেড হলেও এর সাথে ন্যাচারাল ফাইবারের মিলই সবচেয়ে বেশি।এর pilling ও wrinkling resistance কটন এর চেয়ে ভাল।কিন্তু এর Shrinkage কটন এর চেয়ে ভাল নয়।

এই প্রক্রিয়ায় Wood কে pulpy বৈশিষ্টে আনার জন্য Caustic Soda ও Carbon disulphide ব্যবহার করা হয় যা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং যার শতকরা ৫০% রিসাইকেল করা সম্ভব হয় না।তাই পড়তে ভাল লাগলেও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিধায় গবেষকগণ এর দ্বিতীয় সংস্করণের দিকে মনোযোগ দেন যার নাম মডাল (Modal) ফাইবার।

মডাল ফাইবার মূলত রেয়নের চেয়ে উচ্চ শোষণ ক্ষমতা সম্পন্ন,অধিক নরম এবং এখানে অপেক্ষাকৃত পরিবেশ বান্ধব ক্যামিক্যাল ব্যবহার করা হয়।এর Shrinkage রেয়ন এর চেয়ে অপেক্ষাকৃত ভাল।তাই আন্ডার ওয়ার ও স্পোর্টস ওয়ার হিসেবে এটি বেশি ব্যবহৃত হয়।এটি ১৯৫১ সালে প্রথমে জাপানে ডেভেলপ করা হয়।বেশিরভাগ মডাল ফাইবার অস্ট্রিয়ান কোম্পানী 'লেনজিং' উৎপাদন করে থাকে যা তারা ১৯৬৪ সালে প্রথম বাজারজাত শুরু করে।

লাইওসেল (Lyocell) হল রেয়ন এর তৃতীয় প্রজন্ম যা অধিক উন্নত ও পরিবেশবান্ধব।এখানে ক্ষতিকারক ক্যামিক্যালের পরিবর্তে ইউক্যালিপটাস ওডকে একটি আবদ্ধ সিস্টেম এ রেখে তাতে এন মিথাইলমরফলিন-এন-অক্সাইড (NMMO) প্রয়োগ করা হয়। এই ক্যামিক্যালের শতকরা ৯৯% রিসাইকেল করা সম্ভব যার জন্য এটি অত্যন্ত পরিবেশবান্ধব।এছাড়া এটি রেয়ন ও মডাল এর চেয়ে অপেক্ষাকৃত soft.এতে সহজে ভাঁজ পড়ে না বা কুঁকড়ে যায় না।এটি কটনের চেয়ে প্রায় ৫০% বেশি moisture absorb করে এবং দ্রুত তা বাইরে রিলিজ করে দেয়।এর ফলে ফেব্রিক এ দুর্গন্ধ কম হয় এবং তা খুব বেশি বেশি ওয়াশ করতে হয় না।আবার এতে হাইড্রোফিলিক Microscopic Nanofibrils থাকায় এটি জলীয় বাষ্পের প্রতি আকর্ষণ দেখায়।ফলে গরমের দিনেও এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখে।

লাইওসেল এর একটি ট্রেডমার্ক নাম হল টেনসেল (Tencel) যা অস্ট্রিয়ান কোম্পানি Lenzing বাজারজাত করে থাকে।অত্যন্ত পরিবেশবান্ধব হওয়ার জন্য এটি "European Award for Environment" পুরস্কার প্রাপ্ত হয়

06/02/2024

Color space হল একটি ত্রিমাত্রিক Plot, যা সম্ভাব্য সকল color কে ধারন করে। এই ত্রিমাত্রিক plot এ কোন color কে ডিফাইন করার জন্য Color coordinator ব্যবহার করা হয়। প্রতিটা আলাদা আলাদা color এর জন্য color coordinator এর মান ভিন্ন ভিন্ন হয়।

✅ CIE L*C*h Color Coordinates:
এখানে মূলত পোলার কো-অর্ডিনেটস ব্যবহার করা হয় Color এর মানকে প্রকাশ করার জন্য, যেখানে L*a*b* এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে কার্টেসিয়ান কো-অর্ডিনেটস।
☞ L*, এটি কালারের লাইটনেস ভ্যালু কে প্রকাশ করে, অর্থাৎ কালারটি লাইটার নাকি ডার্কার। L=0 মানে Black এবং L=100 মানে White.

☞ C*, এটি Chroma প্রকাশ করে, ক্রোমা বলতে উক্ত কালারের উজ্জলতা/Saturation, বা Vividness & Dullness বুঝায়। যেমনঃ ব্রাইট রেড, ডাল রেড। Chroma একটি কনস্ট্যান্ট লাইটনেস লেভেলে, Pure Color (100%) থেকে Gray (0%) পর্যন্ত একটি পরিসর সংজ্ঞায়িত করে। একটি Pure Color সম্পূর্ণরূপে Saturated হয়।

☞ h* বলতে এখানে Hue Angle কে বোঝানো হয়েছে, L*C*h যেহেতু পোলার কো-অর্ডিনেট ব্যবহার করে, তাই হিউ ডিগ্রীতে পরিমাপ করা হলে কালারের রেঞ্জ 0° থেকে 359° (বা 360°) এর মধ্যে হয়ে থাকে।
h° = 0➤Red
h° = 45➤Orange
h° = 90➤Yellow
h° = 135➤Yellow
h° =180➤Green
h° = 225➤Cyan
h° = 270➤Blue
h° = 315➤Magenta
h° = 360➤Red

✅ CIE LCH Color Deviation:
এটা সাধারনত স্ট্যান্ডার্ড এর সাথে তুলনা করে স্যাম্পলের কালার ডিফরেন্স বের করার জন্য করা হয়।
ধরা যাক এটি স্ট্যান্ডার্ড (S◑) এর কালার কো-অর্ডিনেটস হচ্ছেঃ-
L*◑ = +53.20
C*◑ = +55.45
h°◑ = 20.45°
এবং একটি স্যাম্পলের (S1) কালার কো-অর্ডিনেটসগুলো হচ্ছেঃ-
L*1 = +55.90
C*1 = +59.85
h°1 = 21.40°

☞ dL* = Difference in lightness/darkness value
এখানে dL* = পজিটিভ ভ্যালু আসলে বুঝতে হবে স্যাম্পলটি স্ট্যান্ডার্ড এর তুলনায় Lighter, আর যদি নেগেটিভ ভ্যালু আসে তাহলে বুঝতে হবে সেটা Darker.
+L = Lighter
-L = Darker

☞ dC* = difference in Chroma
এখানে dC* value পজিটিভ হলে বুঝতে হবে স্যাম্পলটি স্ট্যান্ডার্ড এর তুলনায় একটু বেশি Brighter আর যদি dC* value নেগেটিভ হয় তাহলে সেটা হবে স্ট্যান্ডার্ড এর তুলনায় Duller.
+C* = Brighter
-C* = Duller

☞ dh* = Difference in hue
এখানে ডিফরেন্ট হিউ এঙ্গেল ডিফরেন্ট হিউ(কালার) প্রকাশ করে। উপরে ডিফরেন্ট হিউ এঙ্গেল এর জন্য নির্দিষ্ট হিউ ইন্ডিকেট করে দেখানো হয়েছে।

এখন যদি বলা হয় উপরে যে স্ট্যান্ডার্ড ও স্যাম্পলের কালার কো-অর্ডিনেটস এর উদাহরন দেয়া হয়েছে তার ভিত্তিতে স্যাম্পলের জন্য কি কমেন্ট করবেন / কিভাবে স্যাম্পলের কালার ডিফাইন করবেন???

dL* = +2.70
dC* = +4.40
dh* = 0.95°
🟢তাহলে উত্তরটি হবেঃ- The Sample (S1) is lighter and duller in appearance compared to the Standard (S◑). The positive value of dh* (0.95°) indicates sample falls counterclockwise to the standard in LCH color space. This tells us that the sample is less red than the standard.

✅ Color Difference (dE)
dL*, dC*, dh* এর মান দিয়ে টোটাল কালার ডিফরেন্স (dE) ক্যালকুলেট করা হয়। প্রাকটিক্যালি শূন্য (dE=0) কালার ডিফরেন্স হওয়া অসম্ভব। এমনকি যদি একটি স্যাম্পলের একই জায়গায় ২ বার টেস্ট করি তাহলেও সামান্য হলেও কালার ডিফরেন্স শো করবে। তবে কতটুকু কালার ডিফরেন্স (dE) গ্রহনযোগ্য, তা আমরা এখন দেখবো।
If, dE is greather than 1 ➤ color does not match.
If, dE is less than equal to 1 ➤ color match (no color difference)
If, dE > 1 ➤ Very little color difference
If, dE > 2 ➤ Little color difference
If, dE > 3 ➤ Considerable color difference
If, dE > 4 ➤ Remarkable Color difference

04/02/2024

টেক্সটাইল ডাইং একটি জটিল ও সেনসেটিভ প্রক্রিয়া।সামান্য একটি বিষয়ের পরিবর্তনের ফলে এখানে কাঙ্ক্ষিত Shade পাওয়া সম্ভব হয় না।ডাইং অনেকগুলো বিষয়ের উপর নির্ভর করে।যেমন--ফাইবার কম্পোজিশন,ফেব্রিক টাইপ,ফাইবারের প্রতি ডাই এর আকর্ষণ ক্ষমতা (Substantivity),ডাইং মেশিন এর কন্ডিশন,ওয়াটার হার্ডনেস/সফটনেস,লিকার রেসিও,টাইম,টেম্পারেচার,এলকালি,সল্ট,পানিতে উপস্থিত মেটালিক আয়ন ইত্যাদি।পরবর্তীতে এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।আজ ডাই বা রঙ সম্পর্কে প্রাথমিক কিছু ধারণা দেওয়া হবে।

ডাই মূলত দুই প্রকার।ন্যাচারাল ডাই ও সিনথেটিক ডাই।১৮৫৬ সালে উইলিয়াম হেনরি পার্কিন কর্তৃক সিনথেটিক ডাই Aniline purple বা Mauvene আবিষ্কারের আগে ন্যাচারাল ডাইই ছিল ফেব্রিক বা অন্যান্য বস্তু রঙ করার একমাত্র উপাদান।

খ্রীস্টপূর্ব ৪০০০ বছর আগে থেকে প্রাচীন ভারত,চীন ও মধ্যপ্রাচ্যে ন্যাচারাল ডাই থেকে ফেব্রিক ডাইং করার ঐতিহাসিক উপকরণ পাওয়া গেছে।সুতরাং এটি অত্যন্ত প্রাচীন পদ্ধতি।ন্যাচারাল ডাই আসে মূলত plant ও Animal থেকে।বিভিন্ন গাছের পাতা,শেকড়,বীজ,বাঁকল এমনকি ফল ও ফুল থেকে তৈরি করা হয় এসব রঙ।প্রাণীদের মধ্যে বিভিন্ন রকম Insect ও সামুদ্রিক শামুক উল্লেখযোগ্য।প্রাচীন বিভিন্ন গুহাচিত্রেও চিত্রশিল্প নির্মাণে ন্যাচারাল ডাই ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মধ্যযুগে cochineal insect (ইমেজ-১) নামে একধরনের লাল পোকা থেকে উজ্জ্বল এক রঙ তৈরি হত।ভাবতে অবাক লাগে যে এরকম ৭০,০০০ পোকা থেকে মাত্র ১ পাউন্ড রঙ পাওয়া যেত (ইমেজ-২)।আবার একধরনের Sea mollusk (সামুদ্রিক শামুক) থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আরেকটি রঙ তৈরি হত যেখানে এরকম ১২,০০০ শামুক থেকে মাত্র ১ গ্রাম রঙ পাওয়া যেত।তাই সমাজের অভিজাত শ্রেণী বিশেষ করে রাজা-রাণী ছাড়া কেউ এসব রঙ ব্যবহার করতে পারতো না।

plant থেকে তৈরি রঙ তার চেয়ে সহজপ্রাপ্য ছিল।Indigo plant (ইমেজ-৩) থেকে তৈরি indigo (নীল) সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ন্যাচারাল ডাই।এটি মূলত Water insoluble dye.একে Soluble করার জন্য এতে একধরনের ক্যামিকেল যোগ করা হয়। এই ডাই ফেব্রিকে মিশ্রিত করার পর বাতাসের সাথে বিক্রিয়া করে আবার তা পূর্বের insoluble রূপে ফিরে যায়।তাই Indigo ডাই অত্যন্ত স্থায়ী ও উজ্জ্বল হয়।শোনা যায় প্রাচীন ভারতে এই Indigo চাষের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই কলম্বাস ইন্ডিয়া আবিষ্কার করতে গিয়ে আমেরিকা আবিষ্কার করেন।ব্রিটিশ ভারতে যে নীল চাষ ও নীলচাষীদের উপর অত্যাচারের ঘটনা বলা হয় তা ইংল্যান্ডে টেক্সটাইল শিল্পবিপ্লবের প্রত্যক্ষ ফল ছিল।পরবর্তীতে synthetic indigo dye আবিষ্কারের ফলে ভারতীয় কৃষক সমাজ নীল চাষের অত্যাচার থেকে মুক্তি পায়।

ন্যাচারাল ডাই পরিবেশবান্ধব কিন্তু এটি উৎপাদন ও সংগ্রহ করা অত্যন্ত সময় সাপেক্ষ।তাছাড়া বিপুল পরিমাণ বাণিজ্যিক চাহিদার বিপরীতে এর উৎপাদন খুব সামান্য।তাই Commercil Dyeing unit এ সিনথেটিক ডাইই ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।তাছাড়া সিনথেটিক ডাই এর স্থায়ীত্ব,উজ্জ্বলতা ইত্যাদি গুণ ন্যাচারাল ডাই এর চেয়ে বেশি।ফলে আধুনিক যুগে টেক্সটাইল সেক্টরে ন্যাচারাল ডাই সিনথেটিক ডাই এর মাধ্যমে রিপ্লেস হয়েছে।বর্তমানে ন্যাচারাল ডাই ফুড ইন্ডাস্ট্রিগুলোতেই বেশি ব্যবহৃত হয়।

ডাই এ দুটি গ্রুপ থাকে।ক্রোমোফোর--যা রঙ কি হবে সেই উপাদান বহন করে,অক্সোক্রোম--যা পানিতে দ্রবণীয় হওয়ার জন্য দায়ী।যদি কোন রঞ্জক পদার্থে অক্সোক্রোম না থাকে তবে তা পানিতে দ্রবীভূত হবে না।ফলে সেটা ডাই নয়।যেমন--পিগমেন্ট।এক্ষেত্রে ফেব্রিকে পিগমেন্ট ব্যবহারের জন্য তাই বাইন্ডার ব্যবহার করতে হয়।

কমার্শিয়াল ডাইং ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে সেলুলুজ ফাইবার (কটন,ভিসকস,লিনেন...) ডাইং করার জন্য মূলত Reactive dye ব্যবহার করা হয়।কারণ এটি সহজে পানিতে দ্রবণীয়।অন্যান্য ডাই এসিড বা অন্যান্য মাধ্যমে দ্রবণীয়।পানি সহজলভ্য বলে তাই Reactive dye ব্যবহারে উৎপাদন খরচ কম হয়।তাছাড়া এর molecule অত্যন্ত ছোট বলে ইউনিফর্ম ডাইং হয় এবং এর রঙও উজ্জ্বল হয়।Reactive dye সেলুলুজ এর সাথে সরাসরি React করে সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে ফাইবারেরই অংশ হয়ে যায়।তাই একে Reactive dye বলা হয়।তবে সিনথেটিক ফাইবার যেমন পলিয়েস্টার ডাইং করতে সাধারণত Disprse dye ব্যবহার করা হয়

01/02/2024

Dhaka Int'l Textile & Garment Machinery Exhibition 2024
Date: 1st to 4th of February, 2024
Venue: International Convention City Bashundhara - ICCB

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NUB School of Science and Engineering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share