জ্ঞানীদের বাণী

জ্ঞানীদের বাণী This is educational page .It can change our ethics .So we should follow the page.

24/10/2024

তুরস্কের একটি ফোক কবিতা।।

"তুমি বলো, তুমি বৃষ্টি ভালোবাসো,
কিন্তু তার তলে তুমি ছাতা নিয়ে হাঁটো!

তুমি বলো, তুমি সূর্য ভালোবাসো,
কিন্তু রোদের দিনে তুমি ছায়া খোঁজো!

তুমি বলো, তুমি বাতাস ভালোবাসো,
কিন্তু যখন সে আসে তুমি জানালা বন্ধ করে দাও!

তাই আমি ভয় পাই,
যখন তুমি বলো, তুমি আমাকে ভালোবাসো!

21/02/2023

* হতাশ হবেন না...

বারাক ওবামা যখন প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অবসর নেন তখন তার বয়স ৫৫ বছর।
অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তখন তার বয়স ৬৯ বছর।

ঢাকায় যখন সকাল ৫ টা বাজে, লন্ডনে তখন রাত ১১ টা।
সময়ের হিসেবে লন্ডন, ঢাকার থেকে ছয় ঘণ্টা পিছিয়ে..
এতে কিন্তু প্রমাণ হয় না যে, লন্ডন ঢাকার থেকে স্লো (slow)!

পৃথিবীর সবকিছু আপন গতিতে এবং নিজ সময় অনুযায়ী চলে।
কেউ গ্রাজুয়েশন শেষ করে ২২ বছর বয়সে..
কিন্তু চাকরি পেতে আরো ৫ বছর লেগে যায়।
আবার কেউ ২৭ বছরে গ্রাজুয়েশন শেষ করে পরের দিনই চাকরি পেয়ে যান!

অনেকে ২৫ বছর বয়সে কোম্পানির CEO হয়ে, মারা যান ৫০ বছর বয়সে।
আবার অনেকে ৫০ বছর বয়সে CEO হয়ে, মারা যান ৯০ বছরে।
কেউ ৩৩ বয়সে এখনও সিঙ্গেল,
আবার কেউ ২২ বছর বয়সে বিয়ে করে সন্তান জন্ম দিয়েছেন!

মনে হতেই পারে, পরিচিতদের মধ্যে আপনার থেকে কেউ অনেক এগিয়ে আছেন,
আবার কেউ আছেন অনেক পিছিয়ে।
কিন্তু আপনার ধারনা ভুল..
প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ সময়, অবস্থান এবং গতিতে আছেন।
আগে থাকাদের প্রতি অভিযোগ না করে, পিছিয়ে থাকাদের অবহেলা না করে,
সব সময় শান্ত থাকুন।

আপনি এগিয়েও নেই, পিছিয়েও নেই!
আপনার পথ আপনার, অন্যের পথ অন্যের।
শুধু সময়কে গুরুত্ব দিয়ে পরিশ্রম করে যান..

একদিন ঠিকই সফল হবেন ইনশাআল্লাহ!

08/09/2019

আপনার জীবন কার জন্য .....

26/08/2018

জাজাল্লাহু আন্না মোহাম্মাদাম মা হুয়া য়াহলুহু।
উপরের দোয়াটি পাঠকারীর জন্য এক হাজার বছর পর্যন্ত নেকি লেখতে থাকে।

এই পেজটি ২২২২ জনের ভালোবাসায় সিক্ত। জ্ঞানীদের বাণীর মাধ্যমে মানব আত্মা , বিবেক জাগ্রত হয়। এই পেইজটি মাধ্যমে মানব আত্মা, ...
19/08/2018

এই পেজটি ২২২২ জনের ভালোবাসায় সিক্ত। জ্ঞানীদের বাণীর মাধ্যমে মানব আত্মা , বিবেক জাগ্রত হয়। এই পেইজটি মাধ্যমে মানব আত্মা, বিবেকের সামান্য ইতিবাচক পরিবর্তন আসলেই এই পেজটি সার্থক হয়ে উঠবে।

21/08/2017

১৮ বছর ৭ মাস ১১ দিন বয়সী এক তরতাজা যুবক ফাসীর
আসামী. জেলার ফাঁসির আসামীকে প্রশ্ন করছে,
জেলার -- মৃত্যুর আগে তোমার শেষ ইচ্ছা কী?
আসামী -- আমি ভালো বোমা বানাতে পারি, মৃত্যুর
আগে সারা ভারতবাসীকে সেটা শিখিয়ে দিয়ে যেতে
চাই।
এই মৃত্যুঞ্জয়ী নিজের মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণা শুনে কাঠগড়ায়
দাঁড়িয়ে খিল খিল করে হেসে উঠেছিলেন । এই অভূতপূর্ব
ঘটনায় স্তম্ভিত বিচারক জিজ্ঞাসা করলেন , '' তোমার
ভয় করছেনা ? '' ইংরেজ বিচারককে আরও স্তম্ভিত করে
দিয়ে গম্ভীর কণ্ঠে উত্তর দিলেন , '' আমি গীতা পড়েছি
। মৃত্যুভয় আমার নেই । ''
এযুগের একজন ১৮ বছরের তরুনের কাছে এগুলো অবাস্তব/
গল্প মনে হতে পারে কিন্তু ১৯০৮ সালে বিপ্লবী
ক্ষুদিরাম বসু বাস্তবেই এমন দুঃসাহসী কাজ করেছিলেন।
এযুগের তরুণ, যুবকদের ০.০০০০১% জনেরও দেশপ্রেম
ক্ষুদিরামের মত নেই।
ক্ষুদিরামের ফাঁসি কার্যকর হয় ১৯০৮ সালের ১১ আগষ্ট।
ঘড়িতে তখন ভোর ৪টা। সে সময় ক্ষুদিরামের পক্ষের
আইনজীবি ছিলেন শ্রী উপেন্দ্রনাথ সেন। তাঁর
ভাষ্যমতে -"ফাঁসির মঞ্চে ক্ষুদিরাম নির্ভীকভাবে উঠে
যান। তাঁর মধ্যে কোন ভয় বা অনুশোচনা কাজ করছিল না।
এদেশের নবীন যৌবনের প্রতীক হয়ে হাসিমুখে তিনি
উঠে যান ফাঁসির মঞ্চে।" তাইতো বাঁকুড়ার লোককবি
পীতাম্বর দাস এই বিপ্লবীর আত্মত্যাগের উপাখ্যানকে
কেন্দ্র করেই গানে লিখেছিলেন,
”একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি।
হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে জগৎবাসী।”
যে দুর্লভ ছবিটি দেখছেন তা ১৯০৮ সালের এপ্রিল মাসে
তোলা। ব্রিটিশ বিচারক কিংসফোর্ট যখন একের পর এক
বিপ্লবিকে কারণে অকারনে শাস্তি দিচ্ছিলেন তখন
তাকে মারার ব্যর্থ চেষ্টা করেন ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল
চাকী। ৩০ এপ্রিল কিংসফোর্টের গাড়িতে বোমা
মারতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফেরার পথে আটক হন ক্ষুদিরাম।
ছবির পিছনে দেখা যাচ্ছে আহত অবস্থায় বসে আছেন
সহিস।আর পুলিশের মাঝে ধুতি পরা যে ছেলিটি
দাড়িয়ে আছে তিনিই ক্ষুদিরাম বসু। ঃ কার্টেসি ঃ খান
তামজিদ আহমেদ শুভ্র।

21/08/2017

পোষ্টটি পড়ুন,কিন্তু কাঁদবেন না। -- 'বাবা' প্রসঙ্গে
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মিসাইল ম্যান
আব্দুল কালাম ওনার আত্মজীবনীতে কি বলেছিলেন
জেনে নিন। ::::: """'“ যখন আমি ছোট ছিলাম, আমার মা
আমাদের জন্য রান্না করতেন। তিনি সারাদিন প্রচুর
পরিশ্রম করার পর রাতের খাবার তৈরি করতেন। এক
রাতে তিনি বাবাকে এক প্লেট সবজি আর একেবারে
পুড়ে যাওয়া রুটি খেতে দিলেন। আমি অপেক্ষা
করছিলাম বাবার প্রতিক্রিয়া কেমন হয় সেটা দেখার
জন্য। কিন্তু বাবা চুপচাপ রুটিটা খেয়ে নিলেন এবং
আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন স্কুলে আমার আজকের
দিনটা কেমন গেছে।
আমার মনে নেই বাবাকে সেদিন আমি কি উত্তর দিয়ে
ছিলাম কিন্তু এটা মনে আছে যে, মা পোড়া রুটি খেতে
দেওয়ার জন্য বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। এর
উত্তরে বাবা মা’কে যা বলেছিলেন সেটা আমি
কোনদিন ভুলব না। বাবা বললেন, ‘প্রিয়তমা, পোড়া রুটিই
আমার পছন্দ।’
পরবর্তীতে সেদিন রাতে আমি যখন বাবাকে শুভরাত্রি
বলে চুমু খেতে গিয়েছিলাম তখন আমি তাকে
জিজ্ঞাসা করলাম যে তিনি কি আসলেই পোড়া রুটিটা
পছন্দ করেছিলেন কিনা। বাবা আমাকে দুহাতে জড়িয়ে
ধরে বললেন, ‘তোমার মা আজ সারাদিন অনেক পরিশ্রম
করেছেন এবং তিনি অনেক ক্লান্ত ছিলেন। তাছাড়া
একটা পোড়া রুটি খেয়ে মানুষ কষ্ট পায় না বরং মানুষ
কষ্ট পায় কর্কশ ও নিষ্ঠুর কথায়। জেনে রেখো, জীবন
হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ জিনিস এবং ত্রুটিপূর্ণ মানুষের সমষ্টি।
আমি কোনক্ষেত্রেই সেরা না বরং খুব কম ক্ষেত্রেই
ভাল বলা যায়। আর সবার মতোই আমিও জন্মদিন এবং
বিভিন্ন বার্ষিকীর তারিখ ভুলে যাই। এ জীবনে আমি
যা শিখেছি সেটা হচ্ছে, আমাদের একে অপরের
ভুলগুলোকে মেনে নিতে হবে এবং সম্পর্কগুলোকে
উপভোগ করতে হবে।
জীবন খুবই ছোট; প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে অনুতপ্ত বোধ
করার কোন মানেই হয় না। যে মানুষগুলো তোমাকে
যথার্থ মূল্যায়ন করে তাদের ভালোবাসো আর যারা
তোমাকে মূল্যায়ন করে না তাদের প্রতিও
সহানুভূতিশীল হও।”
তখন ১৯৪১ সাল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। আমরা থাকতাম
রামেশ্বরম শহরে। এখানে আমাদের পরিবার বেশ কঠিন
বাস্তবতার মধ্য দিয়ে সময় পার করছিল। আমার বয়স তখন
মাত্র ১০ বছর। কলম্বোতে যুদ্ধের দামামা বাজছে,
আমাদের রামেশ্বরমেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
খাবার থেকে শুরু করে নিত্যব্যবহার্য পণ্য, সবকিছুরই
দারুণ সংকট।
আমাদের সংসারে পাঁচ ভাই, পাঁচ বোন। তাদের মধ্যে
তিনজনের আবার নিজেদেরও পরিবার আছে, সব
মিলিয়ে এক এলাহি কাণ্ড। আমার দাদি ও মা মিলে
সুখে-দুঃখে এই বিশাল সংসার সামলে রাখতেন।
আমি প্রতিদিন ভোর চারটে ঘুম থেকে উঠে অঙ্ক
শিক্ষকের কাছে যেতাম। বছরে মাত্র পাঁচজন ছাত্রকে
তিনি বিনা পারিশ্রমিকে পড়াতেন। আমার মা ঘুম
থেকে উঠতেন আমারও আগে। তিনি আমাকে স্নান
করিয়ে, তৈরি করে তারপর পড়তে পাঠাতেন।
পড়া শেষে সাড়ে পাঁচটার দিকে বাড়ি ফিরতাম। তারপর
তিন কিলোমিটার দূরের রেলস্টেশনে যেতাম খবরের
কাগজ আনতে। যুদ্ধের সময় বলে স্টেশনে ট্রেন থামত না,
চলন্ত ট্রেন থেকে খবরের কাগজের বান্ডিল ছুড়ে ফেলা
হত প্ল্যাটফর্মে। আমার কাজ ছিল সেই ছুড়ে দেওয়া
কাগজের বান্ডিল সারা শহরে ফেরি করা, সবার আগে
গ্রাহকের হাতে কাগজ পৌঁছে দেওয়া।
কাগজ বিক্রি শেষে সকাল আটটায় ঘরে ফিরলে মা
টিফিন খেতে দিতেন। অন্যদের চেয়ে একটু বেশিই
দিতেন, কারণ আমি একই সঙ্গে পড়া আর কাজ করতাম।
সন্ধ্যাবেলা স্কুল শেষ করে আবার শহরে যেতাম
লোকজনের কাছ থেকে বকেয়া আদায় করতে। সেই বয়সে
আমার দিন কাটত শহরময় হেঁটে, দৌড়ে আর পড়াশোনা
করে।
একদিন সব ভাইবোন মিলে খাওয়ার সময় মা আমাকে রুটি
তুলে দিচ্ছিলেন, আমিও একটা একটা করে খেয়ে
যাচ্ছিলাম (যদিও ভাত আমাদের প্রধান খাবার, কিন্তু
রেশনে পাওয়া যেত গমের আটা)। খাওয়া শেষে বড় ভাই
আমাকে আলাদা করে ডেকে বললেন, ‘কালাম, কী হচ্ছে
এসব? তুমি খেয়েই চলছিলে, মাও তোমাকে তুলে
দিচ্ছিল। তার নিজের জন্য রাখা সব কটি রুটিও
তোমাকে তুলে দিয়েছে। এখন অভাবের সময়, একটু
দায়িত্বশীল হতে শেখো। মাকে উপোস করিয়ে রেখো
না।’ শুনে আমার শিরদাঁড়া পর্যন্ত শিউরে উঠল। সঙ্গে
সঙ্গে মায়ের কাছে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরলাম।
মাত্র পঞ্চম শ্রেণিতে পড়লেও পরিবারে ছোট ছেলে
হিসেবে আমার একটা বিশেষ স্থান ছিল। আমাদের
বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না। কেরোসিন দিয়ে বাতি
জ্বালানো হতো; তাও শুধু সন্ধ্যা সাতটা থেকে ন'টা
পর্যন্ত। মা আমাকে কেরোসিনের ছোট্ট একটা বাতি
দিয়েছিলেন, যাতে আমি অন্তত রাত ১১টা পর্যন্ত পড়তে
পারি। আমার চোখে এখনো পূর্ণিমার আলোয় মায়ের মুখ
ভাসে।আমার মা ৯৩ বছর বেঁচে ছিলেন। ভালোবাসা আর
দয়ার এক স্বর্গীয় প্রতিমূর্তি ছিলেন আমার মা। মা,
এখনো সেদিনের কথা মনে পড়ে,যখন আমার বয়স মোটে
১০। সব ভাইবোনের ঈর্ষাভরা চোখের সামনে তোমার
কোলে মাথা রেখে ঘুমাতাম।
সেই রাত ছিল পূর্ণিমার। আমার পৃথিবী শুধু তোমাকে
জানত মা! আমার মা! এখনো মাঝরাতে ঘুম ভেঙে উঠি।
চোখের জল গড়িয়ে পড়ে। তুমি জানতে ছেলের কষ্ট মা।
তোমার আদরমাখা হাত আমার সব কষ্ট ভুলিয়ে দিত।
তোমার ভালোবাসা, তোমার স্নেহ, তোমার বিশ্বাস
আমাকে শক্তি দিয়েছিল মা। সৃষ্টিকর্তার শক্তিতে
ভয়কে জয় করতে শিখিয়েছিল।""""'
[সূত্র: এ পি জে আবদুল কালামের নিজস্ব ওয়েবসাইট।]
June 18 at 10:40am · Public

02/03/2016

Address

Dhaka

Telephone

+8801679672904

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জ্ঞানীদের বাণী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share