SAU Insiders

SAU Insiders Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SAU Insiders, College & University, Sher-e-Bangla Agricultural University, Dhaka.

এই ছবির সম্ভাব্য ক্যাপশন কি কি হতে পারে? আমি কয়েকটা দিলাম। আপনারাও দিতে পারেন -১. ১৭ বছর আওয়ামীলীগ দৌড়ের উপরে রেখেছে, স...
19/05/2026

এই ছবির সম্ভাব্য ক্যাপশন কি কি হতে পারে? আমি কয়েকটা দিলাম। আপনারাও দিতে পারেন -

১. ১৭ বছর আওয়ামীলীগ দৌড়ের উপরে রেখেছে, সেই অভ্যাস এখনো রয়ে গেছে

২. কয়দিন পর পিএম নিজেই গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ানি শুরু করবে

৩. শরীর ফিট রাখতে দৌড়ের বিকল্প নেই, তাই তারেক মুলত রাস্তায় বেড় হোন উনার দলের নেতাকর্মীদের ফিট রাখতে।

৪. এই গাড়ির সাথে না দৌড়ালে গাড়ি আগায় না

৫. মনে হয়, প্রধানমন্ত্রী পরীক্ষা করতেছে এদের৷ যে ভাল পারফরম্যান্স দেখাবে অলিম্পিকে পাঠাবে

৬. চলমান...

17/05/2026

তিনদিন ধরে কোশ্চেন ব্যাংক পড়ে যখন এক্সাম হলে গিয়ে দেখেন কিছুই কমন পড়ে নাই...

রাগ করলা?

17/05/2026

শেকৃবি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে যখন দেখেন ল্যাব ক্লাস বোর্ডে হয় আর ল্যাব থাকলেও সেই ল্যাবে জিনিস নাই অবস্থা... তখন.....

ক্যাম্পাস টু স্টুডেন্ট -
কী! রাগ করলা!!!

14/05/2026

এক্সামের আগের দিন যখন নতুন শিট নিয়ে পড়তে বসি।

11/05/2026

শুরুতে বলে নিই, আমি হয়তো খুব ভালো মানুষ না। এবং বেগারে দান-খয়রাত করতেও আমার বিশেষ আগ্রহ নাই। এই ডিসক্লেইমার আর সেল্ফ সেন্সরশিপ দিয়েই শুরু করি।

আমি যেখানে কফি খাই, সেখানে নানা কিসিমের মানুষের আনাগোনা। কেউ আসে আড্ডা দিতে, কেউ আসে কাজ করতে, কেউ আসে শুধু বসে থাকতে। আর বেশ কিছুদিন ধরে সেখানে ছিন্নমূল কিছু শিশুর আনাগোনাও বেড়েছে। হাত পাতে। আমি টাকা দিই না। যেকোনো শিশুকেই আমি টাকা দিই না। এই জায়গায় আমার একটা কঠিন, হয়তো নির্মম, নীতি আছে।

যাই হোক, সেই মহলে একদিন একজন লোক এলো। লোকটার পরিবার আছে। একটা ছোট ফুটফুটে মেয়েও আছে। দেখে মনে হলো, লোকটা সম্ভবত ফ্রিল্যান্স সার্ভিস প্রোভাইডার—ডিজাইন, ফিল্মমেকিং, এ রকম কোনো ক্রিয়েটিভ কাজ করে। শহরের ভেতরকার সেই ভাসমান পেশাজীবী মানুষদের মতো- ল্যাপটপ, কফি, ফোনকল, আর মাঝেমধ্যে নিজের ভেতরের নীরব ক্লান্তি নিয়ে বসে থাকা।

এই লোকটার কাছেও এক পথশিশু এসে টাকা চাইলো। লোকটা আমার মতোই দিলো না। কোনো ব্যাখ্যা না, কোনো বিরক্তিও না। শুধু না।

একটু পর সেই একই জায়গায় একটা ছিন্নমূল কুকুরছানা এলো। ছোট, অসহায়, কিন্তু তবু নিজের মতো স্বাধীন। লোকটা তাকে একটু আদর করলো। কুকুরছানাটাও মানুষের আদর বুঝে নিলো, তারপর আবার নিজের পথে হাঁটা দিলো।

কিন্তু হাঁটতে হাঁটতে সে রাস্তায় নামতে চাইলো। রাস্তায় অনেক গাড়ি। এই শহরে গাড়িগুলো কারও দিকে তাকায় না- না মানুষ, না পশু, না শিশুর দিকে। কুকুরছানাটা হয়তো চাপা পড়তে পারে, আহত হতে পারে, মরে যেতে পারে, এই আশঙ্কায় লোকটা হঠাৎ অস্থির হয়ে উঠলো।

দূর থেকে বললো,
“নামিস না বাবা। মরে যাবি।”

এই “বাবা” ডাকটাই আমাকে থামিয়ে দিলো।

একটু পর সেই ছিন্নমূল ছেলেটা এসে কুকুরছানাটাকে ডাকলো। কুকুরছানাটা সাড়া দিলো। মানুষে-পশুতে কী অদ্ভুত বন্ধুত্ব! শহরের ফুটপাতেও সংসার থাকে, সম্পর্ক থাকে, দায়িত্ব থাকে-মশুধু আমাদের চোখে পড়ে না।

কুকুরছানাটার সম্ভাব্য করুণ পরিণতি এড়ানো গেছে দেখে লোকটা যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো।

তারপর সে ছিন্নমূল শিশুটিকে ডাকলো।

জিজ্ঞেস করলো,
“কুকুরটা তুই পালিস?”

ছেলেটা বললো,
“হ্যাঁ।”

লোকটা তখন ওয়ালেট খুললো। একশ টাকার একটা নোট বের করে ছেলেটার হাতে দিলো। বললো,
“কুকুরটাকে কিছু একটা খাওয়াইস।”

আমি তাকিয়ে রইলাম।

একটু আগেও যে লোকটা শিশুটিকে টাকা দেয়নি, সে-ই লোকটা এখন সেই শিশুকেই টাকা দিলো। কিন্তু শিশুটির জন্য না। কুকুরটার জন্য।

এখানেই আমার ভেতরে কোথাও একটা খচখচ করলো।

আমরা সম্ভবত মানুষের দুঃখে ক্লান্ত হয়ে গেছি। মানুষের ক্ষুধা, মানুষের হাত পাতা, মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই, এসব আমাদের কাছে এত পরিচিত হয়ে গেছে যে আর বিশেষ কিছু মনে হয় না। বরং বিরক্তি লাগে। সন্দেহ হয়। মনে হয়, টাকা দিলে অপব্যবহার করবে। মনে হয়, এরা পেশাদার। মনে হয়, এই সিস্টেমকে আমি ফিড করবো না।

কিন্তু একটা কুকুরছানা রাস্তার দিকে নামতে চাইলে আমাদের বুক কেঁপে ওঠে।

আমরা তাকে “বাবা” বলে ডাকি।
তার জন্য চিন্তা করি।
তার খাবারের ব্যবস্থা করি।
তার সম্ভাব্য মৃত্যুকে কল্পনা করেও অস্থির হয়ে যাই।

অথচ যে শিশুটি প্রতিদিন রাস্তার ওপরেই বড় হচ্ছে, গাড়ির পাশে, ধুলার পাশে, মানুষের অবহেলার পাশে-তার জন্য আমাদের বুক ততটা কাঁপে না।

হয়তো কুকুরছানাটার প্রতি মায়া ভুল না। মায়া কখনো ভুল হতে পারে না।

কিন্তু প্রশ্নটা অন্য জায়গায়।

আমরা কবে থেকে এমন হয়ে গেলাম যে একটা ছিন্নমূল কুকুরছানার নিরাপত্তা আমাদের বেশি নাড়া দেয়, অথচ একটা ছিন্নমূল শিশুর অনিরাপদ জীবন আমাদের কাছে প্রায় স্বাভাবিক দৃশ্য হয়ে দাঁড়ায়?

এই শহরে কুকুরের জন্য মায়া আছে।
মানুষের জন্য আছে যুক্তি, সন্দেহ, বিরক্তি আর দূরত্ব।

আর হয়তো এই জায়গাতেই আমাদের সভ্যতার সবচেয়ে নীরব ব্যর্থতা লুকিয়ে আছে।

রিদওয়ান মাহমুদ

রাত জাগার মতো মানুষ নাই।ভাবতেছি গাছে গাছে আম পেড়ে রাতটা কাটিয়ে দেব।
09/05/2026

রাত জাগার মতো মানুষ নাই।
ভাবতেছি গাছে গাছে আম পেড়ে রাতটা কাটিয়ে দেব।

শেকৃবি ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে এত ঝামেলা করার কোনো কারণই দেখি না। আলমগীর ব্রোকে সভাপতি আর বাকিদের সহ-সভাপতি ঘোষণা করলেই হয...
09/05/2026

শেকৃবি ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে এত ঝামেলা করার কোনো কারণই দেখি না। আলমগীর ব্রোকে সভাপতি আর বাকিদের সহ-সভাপতি ঘোষণা করলেই হয়।

East or west
আলমগীর ব্রো is best.
সিউউউউউউঊঊঊঊ🔥

আমাদের হল ও ক্যাম্পাসে কিছু শিক্ষার্থী প্রকাশ্যেই মদ, গাঁজা ও বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন করছে। বিষয়টি এখন আর গোপন কিছু নয়। ...
09/05/2026

আমাদের হল ও ক্যাম্পাসে কিছু শিক্ষার্থী প্রকাশ্যেই মদ, গাঁজা ও বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন করছে। বিষয়টি এখন আর গোপন কিছু নয়। তথাকথিত “ইনজয়”, “স্টাইল” বা “কুল” হওয়ার নামে নিয়মিত নেশা করে তারা নিজেদের যেমন ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তেমনি আশেপাশের মানুষদেরও এই ভয়ংকর পথে টেনে নিচ্ছে।সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো এরা শুধু নিজেরাই মাদক গ্রহণ করে না, বরং ব্যাচমেট, জুনিয়র ও সিনিয়রদের মাঝেও এটিকে স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করে। বিভিন্ন হলের মাদকাসক্তদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা ও মাদকের আসর বসানো হচ্ছে। নতুন শিক্ষার্থীদের কাছেও ধীরে ধীরে এই অপসংস্কৃতিকে স্বাভাবিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চলছে, যা ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ভয়াবহ ইঙ্গিত বহন করে।গত বছরও কয়েকজন মাদকসেবী ধরা পড়েছিল। কিন্তু কঠোর শাস্তির বদলে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ফলে অনেকেই আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের নরম অবস্থানের সুযোগ নিয়ে ক্যাম্পাসে আবারও একই অপসংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য সুস্থ ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে।
দুঃখজনক হলেও সত্য, প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও আমাদের কেবল আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, কার্যকর কোনো ব্যবস্থা এখনো চোখে পড়েনি। ফলে মাদকসেবীদের মাঝে এক ধরনের দায়মুক্তির মানসিকতা তৈরি হয়েছে। তারা মনে করছে, যাই করুক না কেন শেষ পর্যন্ত কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কখনো মাদক, নষ্ট সংস্কৃতি ও অপরাধের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান, নৈতিকতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার জায়গা মাদকের আখড়া নয়। আজ যদি কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হয়, তাহলে আগামী দিনে আরও অসংখ্য শিক্ষার্থী এই ভয়ংকর আসক্তির শিকার হবে।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটি নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস চায়। এখন দায়িত্ব প্রশাসনের, তারা কি সত্যিই ব্যবস্থা নেবে, নাকি শুধু আশ্বাস দিয়েই সময় পার করবে?

ইনবক্স

08/05/2026

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিরকম মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে জাস্ট চিন্তা করেন-

ডাকসু ইউনিভার্সিটির সেন্ট্রাল ফিল্ডের জন্য ২ কোটি টাকা বরাদ্দ এনেছে বিসিবি থেকে। ইউনভার্সিটি প্রশাসন সেটা ৩ মাস ধরে আটকে রাখছে।

সেন্ট্রাল মসজিদ এত পুরান, এত জরাজীর্ণ যে কেউ গেলে এটা প্রাচীন আমলের কোনো ঐতিহাসিক স্থাপনা বলে ভুল করবে।

ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের বাজেট নাই। তাই ডাকসু নিজ উদ্যোগে বাজেট সংগ্রহ করে এসি লাগাইছে। মসজিদের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করছে।

তারপর ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ আগায়ে আসছে। আগায়ে এসে তারা সেই এসিগুলোতে বিদ্যুতের লাইন দেয় নাই!

এখন এসি লাগানোর জন্য মসজিদের আগের সেটাপ চেঞ্জ করা হইছে। চারদিকে গ্লাস লাগানো হইছে।

এখন এর ভিতরে না চলে এসি, না আসে বাহির থেকে বাতাস!

ভেতরে নামাজ পড়তে গেলে ভয়াবহ দমবদ্ধ অবস্থা তৈরি হয়। কিন্তু প্রশাসন বিদ্যুতের লাইন দিবে না! দিবে না তো দিবেই না!!

শনিবার নানা কারণে ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষার্থীদের আসা-যাওয়া করতে হয়। শনিবারে বাস চালুর দাবি ছিল।

শিক্ষার্থীদের দাবি শোনার মত প্রশাসন ঢাবিতে কখনোই আসে নাই। আসবেও না। লাগারে লাগা ধান লাগার অথর্ব পা চাটারাই সাধারণত বসে।

আবারও ডাকসু গিয়ে মঞ্জুরি কমিশন থেকে ২ বছরের জন্য ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ আনছে।

কিন্তু প্রশাসন সেই বাস চালু করবে না।
কেন? কারণ শিক্ষার্থীরা 'সারাজীবনের' জন্য বরাদ্দ আনতে পারে নাই!!

সারাজীবনের জন্য বরাদ্দ আনতে পারলে ট্রেজারার মহোদয় সেখানে স্বাক্ষর করবেন!

আনতে না পারলে? সারাজীবনের বাজেট আনতে না পারলে এই ৪ কোটি টাকার কী হবে?

আকাশের নিচে, জমিনের উপরে জগতের কোথায় কোনোকিছুর সারাজীবনের বাজেট একসাথে গ্র্যান্ট করা হয়?

আবার এইসব দাবি নিয়া মহামান্য ঢাবির ততোধিক মহামান্য প্রশাসনের সাথে শিক্ষার্থীরা কথা বলতে গেলে তাদের ভাষা কী ছিল জানেন?

তাদের ভাষা ছিল-

"আমি কথা বলতে পারলে মিটিং হবে, নাহয় মিটিং অফ", "ক্যামেরা নিয়া, সাংবাদিক নিয়া কিসের মিটিং করতে আইছো? এগুলো অতি গোপনীয় মিটিং, এরকম ক্যামেরার সামনে হয় না", "আমি এইখানে ইয়ার্কি মারাইতে আসি নাই"!

©Rakibul Hasan

এমন বিশ্বস্ত সিনিয়র হও,জুনিয়ররাও যাতে তোমার কাছে রুমের চাবি রাখতে দেয়।
03/05/2026

এমন বিশ্বস্ত সিনিয়র হও,
জুনিয়ররাও যাতে তোমার কাছে রুমের চাবি রাখতে দেয়।

02/05/2026

আজকে জিয়া পরিষদের প্রোগ্রামে ২৫ ব্যাচের জুনিয়রদের সবার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে, শেরেবাংলা হল এর ২৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী রিয়াজ ( নীলফামারী), শেরেবাংলা হল এর ২৫ ব্যাচের জুনিয়রদের রুমে তালা দিয়ে, চাবি তার কাছে রেখে দেয়।

বিদ্রঃ ২৫ ব্যাচের অনেকেরই কালকে এক্সাম।

From: Inbox

Address

Sher-e-Bangla Agricultural University
Dhaka
1207

Telephone

+880244814020

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SAU Insiders posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to SAU Insiders:

Share