08/09/2024
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে চলমান আন্দোলনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিল আওয়ামী লীগ বিরোধী বিএনপি এবং জামায়েত ইসলামী দল। ফ্যাসিস্ট শাসন ও স্বৈরাচার মুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারা প্রতিনিয়ত রাজপথে থেকে আন্দোলন চালিয়ে গেছে। শেখ হাসিনার শাসনামলকে "অত্যাচারী" আখ্যা দিয়ে, দেশের সাধারণ জনতা, ছাত্র, শিক্ষক, দিনমজুরসহ সর্বস্তরের মানুষকে এই সরকারের বিপক্ষে সচেতন করার জন্য এই দল দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
১৫ বছরের এই ধারাবাহিক আন্দোলনে অনেক সহযোদ্ধা, বন্ধু, এবং পরিবারের সদস্যদের হারিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে, জেলখানায় বন্দি হয়ে কিংবা আদালতের বারান্দায় বছরের পর বছর কেটেছে তাদের জীবন। তবুও, তারা থেমে থাকেনি। যারা পালাতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের অনেকেই গুম, খুন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
তাদের এই দীর্ঘ সংগ্রামের ফলে দেশবাসী এবং প্রবাসী বাঙালিরাও শেখ হাসিনার সরকার কতটা ভয়ংকর এবং অত্যাচারী তা বুঝতে সক্ষম হয়েছে। ছাত্রসমাজের নেতৃত্বে এবং বৈষম্যবিরোধী ব্যানারে নবীন-প্রবীণদের সমন্বয়ে তারা একত্রিত হয়ে জাতির অধিকার রক্ষায় আন্দোলন চালিয়ে এসেছে।
২০২৪ সালের ছাত্রদের আন্দোলনে, ১৫ বছরের সংগ্রামের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে, এই স্বৈরাচারী সরকারের পতন নিশ্চিত হয়েছে। ছাত্রদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক সমুদ্র রক্তের বিনিময়ে তারা শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।
এই আন্দোলনের অন্যতম একজন মির্জা আসলাম আলী, যিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আদর্শের এক অগ্রণী সৈনিক। তিনি দেশের মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন এবং ছাত্রদের নেতৃত্বে এনে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছেন।
রিপোর্ট : সাইফুর রহমান
বাংলাদেশ প্রতিনিধি,
CSB NEWS USA