BUET Higher Studies

BUET Higher Studies Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BUET Higher Studies, Community College, Dhaka.

15/12/2024

বছরের এই সময়টা সবাই দেশের বাইরে পড়াশুনার জন্য এপ্লিকেশন করতে বসে। এপ্লিকেশন প্যাকেজের একটা খুব ইম্পর্ট্যান্ট জিনিস নিয়ে সবার মধ্যে বেশ একটা টেনশন কাজ করে দেখি-- স্টেটমেন্ট অফ পারপাজ। প্রতি বছর কয়েক ডজন করে এসওপি রিভিউ করা লাগে, এখন লাগে, বিদেশে থাকতেও লাগত। এই কয়েকশ এসওপি রিভিউ করার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু ব্যক্তিগত মতামত দিয়ে যাই। এইগুলা একান্তই ব্যক্তিগত মতামত, গসপেল হিসাবে নেয়ার কিছু নাই। আমি কী ধরণের এসওপি পড়তে পছন্দ করি সেইটার একটা টেমপ্লেট-- এর বেশি কিছু না।

এক নাম্বার যে জিনিসটা ক্লিয়ার করা দরকার সেইটা হইল গিয়ে এসওপির জন্য পারফেক্ট টেমপ্লেট বলে কিছু নাই। ঠিক কোনভাবে এসওপিটা লিখলে সেইটা ভাল এসওপি হবে সেইটা আসলে জোর দিয়ে বলা যায়না। আমার ব্যক্তিগত মতামত হচ্ছে গিয়ে, জিনিসটা যেহেতু স্টেটমেন্ট অফ পারপাজ, কাজেই তার মধ্যে আপনার পারপাজ জিনিসটা ফোকাসে থাকা দরকার। আমার পছন্দের এসওপিগুলাতে আমি সবসময় তিনটা জিনিসে ফোকাস দেখসিঃ মোটিভেশন, প্রিপারেশন, আর পারপাজ। আপনি কেন এই ফিল্ডে পড়াশুনা করতে আসছেন এটসেট্রা এইগুলা হচ্ছে আপনার মোটিভেশন। আপনি নিজেকে কীভাবে গ্র্যাজুয়েট স্টাডির জন্য রেডি করসেন-- কী প্রজেক্ট করসেন কী থিসিস করসেন এটসেট্রা হচ্ছে আপনার প্রিপারেশন, আর গ্র্যাজুয়েট স্টাডি করে আপনি কী করতে চান সেইটা আপনার পারপাজ। খুব জেনেরিক একটা কথা বললাম, জগতের নব্বই ভাগ এসওপি এই টেমপ্লেটেই লেখা হয়। কাজেই একটু ব্যাখ্যা করি।

এক নাম্বার পয়েন্ট হইল গিয়ে, আমার বিশ্বাস আপনার এসওপি আপনার সিভিকে কমপ্লিমেন্ট করা উচিত, কপি না। আপনি কোন ভার্সিটিতে পড়ে কত সিজি ঘাপাইসেন কিংবা কয় ডজন পেপার পাবলিশ করসেন এইগুলা আপনার সিভিতে আছে, কিংবা আপনার এপ্লিকেশন প্যাকেজের অন্য কোথাও আছে। এইগুলা হুবহু এসওপিতে রিপিট করার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না। আমার মনে হয়, এসওপিতে থাকা উচিত কিছু স্পেসিফিক জিনিসের ইন-ডেপথ আলাপ। আপনার পছন্দের কোন একটা পেপারে আপনার কী বিশেষ অবদান ছিল, আপনার পছন্দের কোর্সে কোন জিনিসটা আপনি শিখতে পারসিলেন যেটা আপনার কাজে লাগসে, এইগুলা থাকালে আমার মনে হয় আমি আপনার সম্পর্কে একটু ভালভাবে জানতে পারব। আপনি প্রিপারেশন পার্টটাতে এই দিকগুলায় ফোকাস করতে পারেন।

দুই নাম্বার পয়েন্ট হচ্ছে, এসওপিতে পার্সোনাল টাচ থাকলে পড়তে ভাল লাগে। স্পাইডারম্যানের উইথ গ্রেট পাওয়ার ... ডায়ালগ দিয়ে, কিংবা "আম পাড়তে গাছে উঠসিলাম দেখি আকাশে প্লেন তাই আজ আমি ইঞ্জিনিয়ার" দিয়ে এসওপি শুরু করতে হবে এইটা বাধ্যতামূলক কিছু না। আপনি আপনার গল্প বলেন। যদি আপনার গল্পে আপনি আম গাছে না উঠে পেয়ারা গাছে উঠে প্লেন দেখেন সেইটাই বলেন। নিজের গল্প সুন্দর করে বলা কঠিন, লেখা তার চেয়েও কঠিন-- এইটা আমি জানি। কিন্তু সত্যি কথা, নিজের ব্যক্তিগত গল্প কেউ সুন্দর করে লিখতে পারলে সেইটা পড়তে ভাল লাগে। একটু সময় নিয়ে করা প্র্যাকটিস এই ক্ষেত্রে আপনাকে অনেক দূর নিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।

তিন নাম্বার, আপনার অতীত ইতিহাস (মোটিভেশন এবং প্রিপারেশন) এসওপিতে থাকা দরকার, কিন্তু খেয়াল রাইখেন এসওপির মেইন পার্ট হচ্ছে পারপাজ। কাজেই, স্টেটমেন্টের আশি পার্সেন্ট ইতিহাসে ব্যয় করে তারপর পারপাজে গিয়ে জেনেরিক কথাবার্তা লেখাটা মনে হয় খুব বুদ্ধিমানের কাজ হবেনা। আপনার পারপাজ, আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা, আপনার রিসার্চ ইন্টারেস্ট, কী নিয়ে কাজ করতে চান, কার সাথে কাজ করতে চান, কোথায় কাজ করতে চান, এই ইউনিভার্সিটি আপনাকে সেই পারপাজ রিচ করতে কী প্রোভাইড করতে পারে, আপনি এই ইউনিভার্সিটিকে কী প্রোভাইড করতে পারেন, এই ফিল্ডে আপনি কী কন্ট্রিবিউট করার ক্ষমতা রাখেন এইগুলা আপনার এসওপিতে সুন্দর করে লিখেন। মনে রাইখেন, এইখানেও কীওয়ার্ড "আপনি"। আপনার গল্প লিখেন, অন্য কারোটা না।

চার এবং লাস্ট, মনে রাইখেন, ইউনিভার্সিটি আপনাকে এডমিশন দিয়ে কোন দয়া করতেসে না, আপনি আপনার যোগ্যতা দিয়ে এডমিশন নিতেসেন। কাজেই, এসওপিতে দয়া ভিক্ষা করা টাইপ কিছু লিখবেন না। যা লিখবেন, কনফিডেন্সের সাথে লিখবেন। কনফিডেন্স আর বিনয় কোএক্সিস্ট করা সম্ভব-- বেশি বিনয় দেখাইতে গিয়ে ন্যাতান্যাতা বেগ মোস্ট রেস্পেক্টফুলি টু স্টেট দ্যাট এইসব লেখার মানে নাই।

বেস্ট অফ লাক। আপনার হায়ার স্টাডি এপ্লিকেশন প্রসেস সফল হোক।

08/12/2024

সেই ২০২০ এ লেখা স্ট্যাটাস, তখন পিএইচডি সেকেন্ড ইয়ার শেষের পথে। সবকিছু নিয়ে মতামত সেইম নেই তাই একটু এডিট করে দিলাম:

'একটা প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়া দরকার মনে হল। প্রথমে আমি আমার অবস্থান পরিষ্কার করি। আমি নিজে আরেকজনের ক্যারিয়ার চয়েস এর ব্যপারে স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আরেকজন মানুষের শতভাগ অধিকার আছে ক্যারিয়ার বেছে নেয়ার এবং সে যদি তার নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে খুশি থাকে তাহলে সেটাই বেস্ট তার জন্য। আমার বক্তব্য হল, 'অমুকের ক্যারিয়ার বেস্ট। সরকারি চাকরি/বিসিএস না দিলে জীবন বৃথা' এই টাইপ অযৌক্তিক মতবাদের বিরুদ্ধে।

আমার মনে হয়, প্রতিটি ক্যারিয়ার চয়েস এর কিছু ভাল আর মন্দ বিষয় আছে। সেগুলো সম্পর্কে জেনেশুনে সিদ্ধান্ত নিলে পরবর্তিতে অনুশোচনা করতে হয় না। আমেরিকা বা কানাডায় যারা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে আসে তাদের লাইফ এবং ক্যারিয়ার চয়েস এর ভাল ও মন্দ বিষয় নিয়ে আমি আলোচনা করতে পারি যেহেতু আমি এখানে দুই বছর অতিক্রান্ত করেছি।

ভাল দিকগুলো বলি আগে। লাইফস্টাইল একটা বড় ফ্যাক্টর। এখানকার লাইফস্টাইল বাংলাদেশের চেয়ে আমার কাছে ভাল মনে হয় যদি সবমিলিয়ে একটা কমেন্ট করতে বলা হয়। জীবনের নিরাপত্তা, দূষণমুক্ত পরিবেশ, ভেজালমুক্ত খাবার, জ্যামমুক্ত রাস্তা, শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর সাথে বসবাস, ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং মত প্রকাশের অধিকার এগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট অনেকের কাছেই। আর হ্যা যারা এখানে পড়ালেখা করে চাকরিরত তারা খুবই দ্রুত তাদের লাইফের সবকিছু গুছিয়ে নিতে পারে যেমন বাড়ি-গাড়ি ইত্যাদি।

অনেকে পড়াশুনা করতে আসা স্টুডেন্টদের সাথে ডিভি লটারি জেতা মানুষদের গুলিয়ে ফেলে। আমি অন্তঃত দুইজন বিসিএস ক্যাডারকে বলতে শুনেছি, 'আমেরিকায় পড়তে যাওয়া মানে ফুলগাছের মালী হওয়া কিংবা দোকানের ওয়েটার হওয়া'। প্রথমত স্টুডেন্টদের এসব করতে হয় না আর দ্বিতীয়ত এগুলো যারা করে তাদের অসম্মান করাও যুক্তিযুক্ত নয়।

এবার সত্যিকারের নেগেটিভ পয়েন্টগুলো নিয়ে আলোচনা করি এই ক্যারিয়ার চয়েস এর। প্রথম সমস্যা হল পরিবার পরিজন থেকে দূরে থাকা। বন্ধুদের সাথে একবেলা আড্ডা না দিলে অনেকের হয় না দেশে, এইদেশে এসে এগুলো ভুলে যাওয়া উচিত। সপ্তাহান্তে কিংবা মাসে এক দুইবার বাংলাদেশি স্টুডেন্টদের গেট টুগেদার হয়, সেখানেই সামাজিকতার প্রয়োজন মিটাতে হয়।

আবহাওয়া একটা বড় সমস্যা হতে পারে অনেকের জন্য। দেশে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে যাদের ঠান্ডা লাগে তাদের জন্য আক্ষরিক অর্থে এখানে দশ মাশ শীতকাল অনেক স্টেট এ এবং চার পাঁচ মাস যেই পরিমাণ তুষারপাত হয় সেটা সহ্য করে বাস করা অনেকের কাছেই কঠিন লাগতে পারে।

খাওয়াদাওয়ার সমস্যা হতে পারে যাদের অনেক বাছবিচার খাওয়াদাওয়া নিয়ে। দেশি সব্জি আর মাছের কথা ভুলে গিয়ে নতুন নতুন খাবারে অভ্যস্ত হতে হয় অনেকেরই। তবে একটা সময়ের পর স্বাভাবিক লাগতে শুরু করে আমার মত অনেকের।

একাডেমিক প্রেশার একটা বড় ফ্যাক্টর। যারা আমেরিকা কানাডায় পড়তে না ঘুরতে বা চিল করতে আসে তাদের জন্য পড়ালেখার প্রেশার বিভীষিকা হয়ে উঠতে পারে। প্রতি সপ্তাহে চার পাঁচদিন অন্তঃত পড়ালেখার পিছনে ব্যয় করতেই হয় নাহলে পেরে ওঠা কষ্টকর হয়।

আরো ছোটখাটো ভালমন্দ অনেক বিষয় আছে। লেখালেখি করেছি আগেও সেগুলো নিয়ে। তবে আমি আবারো বলতে চাই, এদেশের লাইফস্টাইল নিয়ে জেনেশুনে মন্তব্য করুন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াবেন না অনুগ্রহ করে।

যাই হোক, আমাকে যদি প্রশ্ন করা হয় আমি কেন বিসিএস কিংবা সরকারি চাকরির পিছনে দৌড়ালাম না আর পাঁচজনের মত কিংবা গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার পোস্টে কেন জয়েন করলাম না চাকরি পেয়েও সেটার উত্তর আমার কাছে রয়েছে। সরকারি চাকরি মানে সোনার হরিণ এতে আমি বিশ্বাস করি না এখনো কারণ সততার সাথে পয়ত্রিশ হাজার টাকা দিয়ে ঢাকার মত শহরে বাস করাই সম্ভব না যা নির্মম সত্য। ব্যাচমেট যারা সরকারি চাকরি করে এবং ঘুষ খায় না তারা এখনো মেসে রুম শেয়ার করে থাকে যেটা বাস্তবতা। যদিও এই টাইপ ছাপোষা জীবন আমি মেনে নিতাম যদি ক্যারিয়ার প্লান কিংবা আমার আন্ডারগ্রাডের পড়ালেখার সাথে বিসিএস জবের সামান্য কোন মিল থাকত।

ঢাকা শহরে ফ্যামিলির বাসা ভাড়া মিনিমাম বিশ হাজার টাকা সেখানে নবম গ্রেডের সরকারি বেতন পয়ত্রিশ হাজার টাকা। তো আমার সংসার এই চাকরিতে ঘুষ না খেয়ে কিভাবে চলত সেটা কি সরকারি চাকরিকে সোনার হরিণ বলা মানুষগুলো আমাকে বুঝাতে পারবে কোনদিন? নাকি ব্যপারটা এমন, ঘুষ তো সবাই খায় তো তুমি খাইলে প্রব্লেম কি?

বিভিন্ন রকম মূলা ঝুলানো হয় এখনো এদেশের সদ্য পাশ করা গ্রাজুয়েটদের সামনে। তুমি সরকারি চাকরি করলে বাড়ি বানানোর লোন পাবা, রিটায়ার্ড এর পর এক কোটি টাকা পাবা, চাকরি কোনদিন যাবে না ইত্যাদি। একেবারে লাস্ট পয়েন্টটা কিছুটা ভ্যালিড। চাকরির সিকিউরিটি একটা বড় ফ্যাক্টর যেটা আমি মানি। তবে হ্যা সরকারি চাকরিতে বদলি আর ওএসডি এবং পলিটিকাল প্রেশার এবং ঘুষ খেতে রাজি না হলে খুনের খবরও কিন্তু নতুন বা আনকোরা নয়। বাড়ি বানানোর লোন একটা ভুয়া জিনিস, বছরের পর বছর বেতনের টাকা কেটে নিয়ে বাড়ি বানানোর লোন শোধ করার মাঝে কি এমন সুখ আমার জানা নেই। আর আমি ৬০-৬৫ বছর বয়সে কিছু টাকা পাব সেটার কথা চিন্তা করে ২৫ বছর বয়সের থেকে আমাকে ক্যারিয়ার প্লান করতে হবে এটাও একটা যুক্তি! আমাকে আগে একজন গ্যারান্টি দিক ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত সুস্থভাবে বেঁচে থেকে ওই এক কোটি টাকা দিয়ে একটা হাতি কিনে তার পিঠে চড়ে মজা করতে পারব (মজা করা থেকে বিরত থাকতে পারলাম না সিরিয়াস পোস্টেও) 😛

আরেক পার্টি আছে। এরা বলে আগে সরকারি চাকরি ধর, তারপর দুই তিন বছর অই চাকরি করে চাকরি পাকা কর তারপর স্টাডি লিভ নিয়ে বাইরে পড়তে যা, ফিরতে চাইলে ফিরবি নাইলে থাকবি ওইখানে, মাসে মাসে তোর ব্যাংক একাউন্টে বেতনের টাকা জমা হবে। এখানে একটা শুভংকরের ফাকি আছে। মাসে মাসে কিন্তু ব্যাংকে পুরো বেতন না মাত্র মূল বেতন স্কেলের সমান টাকা (২২৪০০) ব্যাংকে জমা হবে। ডলারের হিসাবে এইটা বেশ কম এবং এটার লোভে দুই তিন বছর নষ্ট করা আমার কাছে লস মনে হইছে তাই গোপালগঞ্জের চাকরি আমি জয়েন করি নি দুই বছর আগে। সিকিউরিটি একটা ইস্যু কিন্তু লাইফ আর ক্যারিয়ার কিছুই আসলে ফুল সিকিউরিটি দেয়া যায় না। কার ক্যারিয়ারে কি আছে কে বলতে পারে!

আবারো বলছি এগুলো আমার ব্যক্তিগত মতামত। অনেকের সাথেই মিলবে না, মিলতে হবে এমনও কোন কথা নেই। মানুষ এই বিষয়গুলো জানুক বুঝুক এবং নিজের ইচ্ছায় যেই পথ ভাল লাগে সেই পথেই এগিয়ে যাক কিন্তু অমুক রাস্তা বেস্ট বলে চাপিয়ে না দিক এটাই আমি চাই। আজ এ পর্যন্তই।

27/11/2024
27/11/2024

তুমি কি লক্ষ করেছো, কতদিন ধরে তুমি শুধু ভাবছো—"কাল থেকে শুরু করব"? সকালে উঠে ঠিক করো, আজ Productivity-তে ভরপুর একটা দিন হবে। কিন্তু সন্ধ্যা নামার আগে, সেই লিস্টের একটাও কাজ শেষ হয় না। কারণ তোমার Most Productive সময়টা Social Media স্ক্রলিং, YouTube-এর র‍্যান্ডম ভিডিও আর আজাইরা কাজে পার হয়ে যায়।
দিন চলে যায়, তুমি হয়তো মনে করছো ‍তুমি পিছিয়ে পড়ছো, " আর সবাই আমার থেকে এগিয়ে যাচ্ছে।" কিন্তু তারা এগিয়ে যাচ্ছে কারণ তারা Action নিচ্ছে।
আর তুমি? তুমি Procrastination-এর সেই Comfort Zone থেকে বের হতে পারছো না।
তুমি তো জানো, যারা বড় সাফল্য অর্জন করে, তারা এমন কোনো জাদু জানে না। তাদের কাছে দিনও ২৪ ঘণ্টার। পার্থক্য শুধু একটাই—তারা Discipline ধরে রাখে।
আর তুমি? হয়তো নিজের Limitations-এর জন্য নিজেকেই Blame করছো। "আমার Resources নেই", "আমার Inspiration নেই", "সঠিক সময় আসেনি"—এগুলোই Procrastination-এর বাহানা। কিন্তু ভাবো তো, এইভাবে আর কতদিন?
তুমি যদি সত্যিই কিছু করতে চাও, তাহলে আজ থেকেই শুরু করো। নিজের জন্য একটা ছোট Goal সেট করো। সেই কাজটা যতোই কঠিন লাগুক, করো। হয়তো প্রথমেDiscipline তৈরি করতে কষ্ট হবে, তবে হাল ছাড়া যাবে না।
ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে গেলে Dedication আরHard Work ছাড়া কোনো শর্টকাট নেই। সময় যেমন থেমে থাকে না, তেমনই সুযোগও সবাইকে বারবার দেয় না। Procrastination-এর Comfort Zone ছেড়ে আজ থেকে নিজের স্বপ্নের জন্য কাজ শুরু করো। তুমি পারবে, যদি নিজের উপর বিশ্বাস রাখো।

গ্রুপে অনেক সময় অনেকের দরকার হয় যে অমুক কোম্পানি / অরগানাইজেশান এ কোন বুয়েটিয়ান কেউ আছেন কিনা। কেউ কেউ হয়ত আশানুরূপ সা...
21/11/2024

গ্রুপে অনেক সময় অনেকের দরকার হয় যে অমুক কোম্পানি / অরগানাইজেশান এ কোন বুয়েটিয়ান কেউ আছেন কিনা। কেউ কেউ হয়ত আশানুরূপ সাড়া পান, কেউ হয়ত সেটা পান না সময় মত। তাই ভাবলাম ছোট একটা পোস্ট করি জুনিয়রদের জন্য (যারা আগে থেকেই জানেন তাদের জন্য এই পোস্ট নয়)। কেননা আমরা যা কিছু জানি সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে আমাদের কিছুটা জড়তা আছে।

নেটওয়ার্ক বিল্ডাপের জন্য LinkedIn কার্যকরী একটা জায়গা যদি সেটাকে খুব ভালো মতো ব্যবহার করা যায়। মনে করুন আপনি মাইক্রোসফটে কর্মরত কোন বুয়েটিয়ানকে খুঁজে বের করতে চান। লিংকডইনে সার্চ অপশনে গিয়ে কোম্পানির নাম লিখুন। পরে লোগো সম্বলিত কোম্পানির পেজে চলে যান। তার নিচেই People ট্যাবে ক্লিক করুন। সেখানে পেয়ে যাবেন ওই কোম্পানিতে যারা কর্মরত রয়েছেন/ ছিলেন আগে। আপনি যদি বের করতে চান আপনার স্কুল, কলেজ কিংবা ইউনিভার্সিটির কে কে আছে। এমনকি যেই ডিপার্টমেন্টে আপনি পড়াশোনা করেছেন সেই ডিপার্টমেন্টের মানুষকেও খুঁজে পেয়ে যাবেন। আবার যদি চান যে শহরে আপনি বসবাস করছেন সেই শহরে কারা আছেন সেটাও পেয়ে যাবেন।

এরপর এদের মধ্যে কারো সাথে আপনি অলরেডি কানেক্টেড আছেন কিনা সেটা জানতে 1st বাটনে ক্লিক করুন। 2nd বাটনে ক্লিক করলে জানতে পারবেন মিউচুয়াল কানেকশনগুলো। প্রোফাইলে কোন ব্যাচ সেটাও জানতে পারবেন। তবে হ্যাঁ কারো কাছে নক করার ক্ষেত্রে প্রফেশনাল কমিউনিকেশনের স্কিল গুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। আমাদের ইঞ্জিনিয়ারদের ক্ষেত্রে যেটার কিছুটা কমতি থাকে অনেক সময়। এ ব্যাপারে হয়তো আমার থেকে অন্যরা আরো ভালো বলতে পারবেন। আমি এক্সপার্ট না, কিন্তু যতটুকু জানি মানুষের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করি। এই পোস্টের মূল উদ্দেশ্য হলো এখনো যারা স্টুডেন্ট কিংবা সদ্য পাশ করেছে তাদের লিংকডইনের ব্যবহার কিছুটা বাড়ানো। যেন ৩ ঘন্টা কমেন্টের অপেক্ষায় না থেকে ৩০ সেকেন্ডেই ইনফরমেশন বের করে ফেলতে পারে। আরেক দিন হয়ত অন্য কোন টপিক নিয়ে লেখার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ।

19/11/2024

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

আমার ম্যানেজার আমার সাথে সেল্ফ ইম্প্রুভমেন্ট বই নিয়ে সেদিন গল্প করছিল। আমি বলছিলাম যে কিছুদিন Conflict Resolution এর বই ...
19/11/2024

আমার ম্যানেজার আমার সাথে সেল্ফ ইম্প্রুভমেন্ট বই নিয়ে সেদিন গল্প করছিল। আমি বলছিলাম যে কিছুদিন Conflict Resolution এর বই পড়ছিলাম। তখন সে আমাকে বলল যে Conflict Resolution কিছুটা Crucial Conversation এর সাথে জড়িত। একটা সেল্ফ ইম্প্রুভমেন্ট এর বই আছে যেটার নামই Crucial Conversation (পাঁচজন লেখক) এবং বেশ হেল্পফুল। তো আমি বইটা কিনে পড়া শুরু করেছি। আমার মতে অসাধারণ একটা বই। এখনো শেষ করি নি বইটা তবে প্রথম কয়েকটা চ্যাপ্টার এর রিভিউ দিচ্ছি এখানে।

প্রথমত Crucial Conversation কি সেটা জানা প্রয়োজন। লেখক সংজ্ঞায়িত করেছেন, যখন কনভারসেশন এর ফলাফল বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কনভারসেশন এর বিভিন্ন পার্টির ভিন্নমত থাকে, এবং ইমোশনাল লেভেল বেশ হাই থাকে বিভিন্ন পক্ষের তখন সেটাকে Crucial Conversation বলা যায়। উদাহরণস্বরূপ, আপনার অফিসের বস আপনার মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছে না, কিন্তু এতে আপনি দিনের পর দিন আপনার কাজকে ঘৃণা করে চলেছেন। কিংবা আপনার রুমমেট আপনার জামাকাপড় আপনার অজান্তেই ব্যবহার করছে এবং ধরা পড়ার পরও নির্বিকারভাবে ব্যপারটি চালিয়ে যাচ্ছে। আপনি মনেপ্রাণে আপনার রুমমেট এর উপর বিরক্ত হচ্ছেন কিন্তু কি করা উচিত বা বলা উচিত বুঝতে পারছেন না, আবার সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ভয় পাচ্ছেন।

এখন এসব ক্ষেত্রে মানুষের রিএকশন তিন রকম হয়। যারা নিজেদের এরকম সিচুয়েশনে ভিক্টিম মনে করে তারা হয়:
১) ভিক্টিম ব্যক্তি মনে মনে অপরপক্ষকে ঘৃণা করে কিন্তু বিভিন্ন ফলাফল চিন্তা করার পর নীরবে সহ্য করে।
২) ভিক্টিম ব্যক্তি একসময় রিএকশন দেখায় কিন্তু রিএকশন আগে থেকে প্লান করা না থাকায় এবং ইমোশনাল লেভেল অনেক উচ্চ থাকার কারণে কথাগুলো খুব অগোছালো, চেচামেচি পর্যায়ের এবং অকার্যকর হয়ে পড়ে।
৩) ভিক্টিম ব্যক্তি সঠিকভাবে চিন্তা করে এবং মাথা ঠান্ডা করে যথাযথভাবে কনভারসেশন করতে সক্ষম হয়।

ইন্টারেস্টিং ব্যপার হল, বেশিরভাগ মানুষ এই তিনটি উপায়ের এক ও দুই নম্বর ভুল উপায় অবলম্বন করে এবং ফলাফল বেশ বাজে আসে। আমি নিজেও দেখেছি তিন নম্বর যে সঠিক সমাধান এটা হয়ত আমি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভাবিও নি এবং অন্ধভাবে এক ও দুই নম্বর উপায় অবলম্বন করেছি। যাই হোক, আমার কাছে মনে হয়েছে বইটি ভাল পরিমাণ সেল্ফ ইম্প্রুভমেন্ট করতে সক্ষম এবং আমাদের অনেকেরই এই কনসেপ্টগুলো ব্যক্তিগত জীবনে প্রয়োগ করা সম্ভব!

19/11/2024

USA তে বিশ্ববিদ্যালয় ঠিক করার ক্ষেত্রে খুব-ই ভিন্ন একটা ধ্যান-ধারণার কথা বলব। Nobody thinks like this but it might make sense just bear with me.

তোমাদের মধ্যে এমন অনেক "কাবিল" পোলাপান থাকবা যারা একাধিক ইউনি তে চান্স পাবা, আর তখন মধুর এক সমস্যায় পড়বা কোন টা ছেড়ে কোন টা তে যাবা? তো, সাধারণত দেখা যায় যেটার র‍্যাংকিং US News or Qs ranking অনুযায়ী আগায়ে পোলাপানের মন ঐদিকেই বেশি টানে। আমি বলব না এই টা খারাপ কিন্তু র‍্যাংকিং কে অন্ধের মত বিশ্বাস করে চোখ বুজে বাকি সব গুলারে না করে পরে পস্তানোর কোন মানে হয় না। তাই আমি কিছু এমন পয়েন্ট নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছিলাম যেগুলা তোমাদের আরেকবার ভেবে দেখা উচিত ইউনি ফাইনালাইজ করার আগে।

1. Differential Tution : সবার-ই ধারণা থাকে PhD করতে আসব full Fund এ , পেসা হি পেসা হোগা। কিন্তু, পোলাপান আকাশ থেকে পড়ে যখন এসে দেখে নিজের পকেট থেকে প্রত্যেক সেমিস্টারে অনেকের টাকা দেওয়া লাগে। College of Engineering এ বিভিন্ন ভার্সিটি তে এই Differential tution জিনিস টা চালু আছে , যেই টার পরিমাণ ইউনি ভেদে 300-1200 usd হইতে পারে per semester. এই টাকা টা তোমার নিজের earn করা RA/TA এর বেতন থেকে দিয়ে দিতে হবে যেটা একটা হিউজ পেইন। তাই আগেই খোজ নিও এই প্যারা তোমার ভার্সিটিতে আছে কি না।
2. Public Transport : যেই স্টেটে তুমি থাকবা সেখানকার Public Transport ভালো হলে এটা একটা বিশাল ব্লেসিং। USA আসার পর গাড়ি ছাড়া নিজেকে খোড়া মনে হবে। ডেইলি গ্রোসারি শপিং করতে তুমি নিশ্চয় মাইলের পর মাইল হেটে যেতে চাইবা না। সব সময় সিনিয়র ভাইদের থেকে লিফট নিতেও পারবা না। অনেকে হোম ডেলিভারি নিয়ে থাকে কিন্তু হুট করে কিছু দরকার হলেও তো বাইরে যাওয়া লাগে সেই ব্যবস্থাটা না থাকলেও বিশাল সমস্যা। তাই, খোজ নিও পাব্লিক ট্রান্সপোর্টের।
3. ভার্সিটি লোকেশন : অনেক অনেক নামকরা ভার্সিটি আছে যেগুলা একদম চিপায় ,গ্রামের মধ্যে। উইকেন্ডে যে চিল করবা , করার কিছু নাই। একারণে নেটিভরা অনেক সময় র‍্যাংকিং ভালো ইউনি এভোইড করে যদি মেইন সিটিতে না হয়। মেইন সিটিতে হওয়ার সুবিধা অনেক, সাধারণত ডাইভার্সিটি বেশি থাকে, হালাল খাবার পাওয়া সুবিধাজনক হয়। পাশাপাশি দেশীয় ইন্ডিয়ান স্টোর থাকার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।
4. বাংলাদেশী কমিউনিটি : অবশ্য-ই ভার্সিটি ফাইনালাইজ করার আগে ঐখানকার বাংলাদেশী কমিউনিটি কেমন সেটা দেখা উচিত। একেবারে না থাকলে যেমন সমস্যা আবার খুব বেশি হলেও সমস্যা। কারণ যত বড় বাঙালি কমিউনিটি তত বেশি জাজমেন্টাল তত বেশি গুতাগুতি আর কি।

তো, এই পোস্টে আমি কোথাও রিসার্চ রিলেটেড বিষয় টা আনিই নাই। কারণ এখানে আসলেই বুঝবা তোমরা রিসার্চের "র" ও জানতানা বুয়েটে। যেই ল্যাবেই ঢুকবা গ্রাউন্ড জিরো থেকেই শুরু করা লাগবে মোটামুটি।

PhD ৫ বছরের এক বিশাল বড় কমিটমেন্ট। রিসার্চ কি হবে কেমনে হবে তা তুমি কিছুই জানো না। কিন্তু, তুমি জানো তুমি কোন স্টেটে থাকবা, কাদের সাথে থাকবা। তাই, uncertain জিনিসের ওপর gamble না করে certain ভালো দিক হিসেব করে versity choose করা more wise. After all, It's all about upgrading your life style. আমার সাজেশন মানতে হবে এমন না ,কিন্তু তোমাদের জানানো টা আমার উচিত বলে মনে হইছে PhD তে রিসার্চের বাইরেও অনেক প্যারামিটার আছে যেগুলা আসলেই তোমার লাইফ সহজ করতে পারে। Good luck all!

ফ্যাসিস্ট ফিরে আসতে চাচ্ছে সাকিবীয় লিগের মাধ্যমে...কি একটা অবস্থা...।  🙂 #ঘরে_ঘরে_দুর্গ_গড়ে_তলুন #আমাদের_যা_কিছু_আছে #তা...
18/10/2024

ফ্যাসিস্ট ফিরে আসতে চাচ্ছে সাকিবীয় লিগের মাধ্যমে...কি একটা অবস্থা...। 🙂

#ঘরে_ঘরে_দুর্গ_গড়ে_তলুন
#আমাদের_যা_কিছু_আছে
#তাই_নিয়ে_ফ্যাসিস্ট_এর_মোকাবেলা_করতে_হবে

If you are BUET graduate and want to take part in IELTS exam,  then Magoosh account can help you a lot. A new Magoosh IE...
22/10/2019

If you are BUET graduate and want to take part in IELTS exam, then Magoosh account can help you a lot.

A new Magoosh IELTS account will be bought just for you. Inbox us if you are interested to take part in buying the account.

Price per person : 1500. 6 students will be taken for this account.

You can also communicate with us via email : [email protected]

08/09/2019

~ আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা: প্রফেসরদেরকে ইমেইল করবেন কীভাবে? ~
©️Ragib Hasan

ফেলোশীপ বা টিচিং অ্যাসিস্টান্টশীপ ছাড়া ফান্ডের অন্য উৎস হলো প্রফেসরদের কাছ থেকে রিসার্চ অ্যাসিস্টান্টশীপ পাওয়া। প্রফেসরেরা সরকারী বেসরকারী নানা উৎস হতে গবেষণার জন্য অনুদান পেয়ে থাকেন, সেই প্রকল্পে কাজ করার জন্য ছাত্র দরকার তাদেরও। কাজেই অনেক সময় প্রফেসরদের হাত করা গেলে ফান্ড পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


দেশে থেকে সেটা কীভাবে করবেন? এখানেই আসছে সুলিখিত ইমেইলের ভূমিকা।


কোনো প্রফেসরকে ইমেইল করতে হলে শুরুতেই তার ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে প্রকাশনার তালিকা, সব ঘেঁটে দেখুন। প্রফেসরের গবেষণা সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন। তারপর ভেবে দেখুন, আপনার পছন্দের কোন বিষয়ের সাথে সেটা মিলছে। এসব পড়াশোনা করে তারপর ঠিক করুন কী বিষয়ে আলোচনা করতে লিখবেন।

প্রথমেই আসা যাক, ইমেইলের শিরোনাম ও ধাঁচ নিয়ে। অধিকাংশ ভর্তিচ্ছু ছাত্ররা একটা বড় ভুল করে ... ইমেইল করেই সরাসরি বলে, আপনার কাছ থেকে ফান্ড চাই, অথবা আপনার গ্রুপে ঢুকতে চাই। এরকম কয়েকশো ইমেইল প্রতিবছর একেকজন প্রফেসর পান। কাজেই টাকা দিন বললেই কাজ হবে, সেই আশা করাটা বাতুলতা মাত্র। সেজন্য সরাসরি শুরুতেই ফান্ডের কথা না বলে বরং রিসার্চ নিয়ে বলা ভালো। প্রফেসরের গবেষণার এলাকা বা তাঁর কোনো গবেষণাপত্র নিয়ে প্রশ্ন করে শুরু করতে পারেন। কয়েকবার ইমেইল চালাচালি করে তারপর তার গ্রুপে ছাত্র নেয়া হবে কি না, সেটা তখন বলতে পারেন। আপনার মূল লক্ষ্য হবে যাকে ইমেইল পাঠাচ্ছেন, তার আস্থা অর্জন করা আর আপনাকে ছাত্র হিসাবে নিলে ভালো হবে, এই ধারণা দেয়া।

ইমেইলে আরেকটা বড় ভুল ছাত্ররা করে, তা হলো ইমেইল পাঠাবার সময়ে ভাষা ও বানানের দিকে খেয়াল না করা। কেবল বাংলাদেশ না, বিদেশের নানা জায়গার ছাত্ররাও এই কাজ করে। আমি কোনো ছাত্রের ফান্ড না দিলেও কিছু ইমেইল পেয়েছি চীনা ছাত্রদের থেকে। এমন এক ছাত্র ইমেইল করলো, আমার সাথে কাজ করতে চায়, কিন্তু মেইলের ভিতরে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম লেখা, মানে কপিপেস্ট করে একই মেইল শখানেক জায়গায় পাঠিয়েছে। এভাবে ইমেইল করলে তা ধরে ফেলাটা খুব সহজ।


গুরুত্বপূর্ণ আরেকটা ব্যাপার বলি, অফিশিয়াল কাজে ব্যবহার করার জন্য একটা আলাদা ইমেইল খুলুন। অনেকেই "কুল" হওয়ার জন্য বিদঘুটে সব ইমেইল খুলে, যেমন কুলগাই২১২@জিমেইল, কিংবা সুইটগার্ল৫৪৪ ইত্যাদি। এধরণের ইমেইল থেকে মেইল পাঠালে সেই ছাত্র/ছাত্রীকে যে কারো পাত্তা দেয়ার সম্ভাবনা কম। কাজেই আলাদা ইমেইল খুলুন নিজের নামে, সবচেয়ে ভালো হয় নিজের নামের প্রথমাংশ ডট শেষাংশ, এভাবে খুলতে পারলে। যেমন, আপনার নাম আবদুল করিম হলে আবদুল.করিম@জিমেইল, তা না পেলেও আবদুল.করিম৫@জিমেইল, এভাবে খুলতে পারেন। মেইল পাঠাবার আগে বানান খেয়াল করে নিন, ব্যকরণ ঠিক আছে নাকি দেখুন।


সবশেষে খুবই দরকারী আরেকটা কথা যোগ করছি। প্রফেসরকে ঠিকভাবে সম্বোধন করুন ইমেইলের শুরুতে। ধরা যাক, প্রফেসরটির নাম হলো জন স্মিথ। আপনার সম্বোধন হওয়া উচিৎ প্রফেসর স্মিথ, বা ডক্টর স্মিথ। ভুলেও ডিয়ার জন বলে সম্বোধন করবেন না, কারণ ব্যক্তিগত পরিচিত ছাড়া অন্যদের ক্ষেত্রে ফার্স্ট নেইম ধরে সম্বোধন করাটা আমেরিকাতে অশিষ্ট আচরণ ধরা হয়। আবার ডক্টর জন বা প্রফেসর জন বলেও সম্বোধন করার রীতি নেই। আর কেবল ডিয়ার স্মিথ বলে সম্বোধন করাটাও অনেকটা আপনার জুনিয়র কাউকে ইমেইল করছেন, সেরকম দেখায়। অধ্যাপিকাদের ইমেইল করার সময়ে মিস বা মিসেস না লিখে নিরাপদ হলো ডঃ অমুক লেখা। (আমার পিএইচডির এডভাইজর প্রফেসর মেরিঅ্যান উইন্সলেটকে একবার একজন মিসেস উইন্সলেট সম্বোধন করেছিলো। উনি খুব ঠান্ডা গলায় বলেছিলেন, "The only Mrs. Winslett in my family is my mother")। কাজেই সম্বোধন ঠিকভাবে করে তবেই ইমেইল শুরু করুন। (ব্যক্তিগতভাবে এই রকম ভুল সম্বোধনের অনেক ইমেইল পেয়েছি, এবং অনেক সময় সম্বোধন পড়েই ডিলিট ক্লিক করেছি, এমন ঘটনাও ঘটেছে। "Hey Bro" টাইপের সম্বোধন প্রফেশনাল ক্ষেত্রে করা চলেনা, সেটা না বুঝলে সেই ছাত্রের ইমেইলের পরিণতি সরাসরি ডিলিটই হবে, তাই না? )।

(পাবলিক পোস্ট, তাই শেয়ার করুন নির্দ্বিধায়, খালি লেখক হিসাবে আমার নামটা উল্লেখ করবেন। )

#উচ্চশিক্ষা

01/09/2019

৭ বছর আগে ঠিক এমন এক দিনেই প্রবাসীর খাতায় নাম লিখিয়েছিলাম। তার তিন বছর পরে নিচের লেখাটা লিখেছিলাম।অধিকাংশের জন্য দেশের বাইরে আসাটা যে একটা একমুখী যাত্রা এটা বুঝি নাই তখনও। আড়িপাতায় কমেন্ট আকারে ছিল কোথাও, সাহস করে পোস্ট করে দিলাম। আমি কয়দিন পর পরই এই লেখাটা পড়ে হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসি!

"তিন বছর হয়ে গেছে বিদেশে আসার? কি আশ্চর্য! প্রথম প্রথম বিদেশে আসছি তখন ।জায়গাটাও ছিল এত সুন্দর; কোথায় সবকিছুতে মুগ্ধ হব, তা না, উলটা সবসময় মন খারাপ লাগত। অবশ্যি সেই সময়টাই তো কেমন ছিল। এতদিনের পরিচিত একটা জীবন ছেড়ে, প্রিয় মানুষদের ছেড়ে হঠাত করেই যেন পুরাপুরি ভিন্ন একটা জায়গায়, ভিন্ন একটা পরিবেশে এসে হাজিড় হলাম । কিন্তু তখনও ঠিক বুঝতে পারি নি, এইখানে একটা জীবন থেমে যাচ্ছে, আরেকটা নতুন জীবন শুরু হচ্ছে। কয়দিন পরেই বুঝতে পারলাম আসলে সেই জীবনটা পুরোপুরি হারিয়ে যাচ্ছে; সেখানে আমার ছবি হয়ে যাওয়ার গল্প শুরু হচ্ছে :(

এতদিনের পরিচিত চলমান দৃশ্যগুলো হঠাৎ করেই যেন সব থেমে গেল; সবাক দৃশ্যগুলো সব যেন নির্বাক ছবি হয়ে গেল। যে জীবনের পুরাটাই ছিল আমার হঠাৎ করেই যেন আমি সেখানে হয়ে গেলাম অতিথি। নতুন জীবনটা সুন্দর কি অসুন্দর এই সব ভাবনা তখন আর আসে না; খালি হারিয়ে যাওয়া জীবন নিয়েই আমার সব আফসোস। সকালে ঘুম থেকে উঠে তখনও খুব অবাক হয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকি, পরিচিত সকালের কিছুই না দেখে হতাশ হয়ে পড়ি। বিকেলটা কিংবা সন্ধ্যার পরের সময়টা আড্ডা না দিয়ে ঠিক কিভাবে কাটানো যায় সেইটা বুঝেই উঠতে পারতাম না। সেই ছেলেটার জন্য আমার তখন খুব আফসোস-অতি পরিচিত ঢাকার রাস্তাগুলোতে হঠাৎ প্রেমিকা থেকে বউ হয়ে যাওয়া মেয়েটার হাত ধরে হেটে বেড়ানো সেই ছেলেটি। কিংবা তুমুল বৃষ্টির মাঝে পার্কের বেঞ্চিতে বসে এক কাপ গরম চা আর সিগারেট হাতে বন্ধুদের ভিড়ে অলস বসে থাকা সেই ছেলেটি। অথবা সোহরাওয়ার্দী, পলাশী কিংবা শহীদ মিনারে জীবন, যৌবন আর দেশ নিয়ে বন্ধুদের সাথে তুমুল আড্ডারত সেই ছেলেটি। কিংবা ঘুমানোর আগে জেমসের গান শুনতে শুনতে শেষ সিগারেটটা হাতে নিয়ে ঝিকাতলার সেই মেসের জানালা দিয়ে অন্ধকারে তাকিয়ে থাকা সেই ছেলেটি; অথবা গভীর রাতে বুয়েটের সামনের রাস্তায় হাটতে হাটতে আড্ডা দিয়ে বেড়ানো সেই ছেলেটির জন্য আমার তখন সব আফসোস। আমি শুধু তখন কল্পনায় হারিয়ে যাওয়া সেই সব দৃশ্যগুলো দেখি- কি আশ্চর্য! এক সময় বাস্তব আর কল্পনার মধ্যে তেমন ফারাক ছিল না। আর তখন? হঠাৎই যেন পুরোটাই হয়ে গেল কল্পনা :("

Razib
-03,CSE

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BUET Higher Studies posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share