BUETian Network

BUETian Network Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BUETian Network, College & University, BUET, Dhaka.

09/08/2026

বুয়েট-টেস্ট বলে কথা

৩১৫০ কেভিএ ট্রান্সফরমার টেস্ট করার জন্য ক'দিন আগে বুয়েটের দুইজন অনেক সিনিয়র ও সম্মানিত অধ্যাপকের নেতৃত্বে একটি টীম আমাদের (পাওয়ারব্রীজ) ফ্যাক্টরীতে গিয়েছিলেন ।

ট্রান্সফরমারটি ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে নির্মিত একটি ব্যাংকের হেডকোয়ার্টার বিল্ডিংয়ের জন্য আমরা বানিয়েছিলাম । বিল্ডিংয়ের ওভারঅল কনস্ট্রাকশন+ইন্টেরিয়রের কার্যাদেশ যে কোম্পানি পেয়েছিল তারা ৩১৫০ কেভিএ ট্রান্সফরমারটি আমাদের কাছ থেকে কিনেছে ।

এর পেছনে আবার আরেকটি গল্প আছে । প্রথমে তারা বাংলাদেশের অন্য কোনো একটি ট্রান্সফরমার ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিকে অর্ডার দিয়েছিল । কিন্তু সেই ম্যানুফ্যাকচারার এর বানানো ট্রান্সফরমারটি বুয়েট-টেস্টে ফেইল করে, অর্থাৎ সন্তোষজনক ফলাফল পাওয়া যায়নি । যেহেতু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এবং তাদের কনসালট্যান্টের শর্ত ছিল বুয়েট-টেস্টে কুয়ালিফাই করতে হবে, তাই শেষ পর্যন্ত তারা আগে অর্ডার দেওয়া সেই ম্যানুফ্যাকচারারের ট্রান্সফরমারটি নিতে পারেনি ।

এরপর আমাদের কাছে এলো ক্লায়েন্ট । দামদর, পেমেন্ট-টার্মস সহ অন্যান্য কমার্শিয়াল আলোচনার পাশাপাশি ক্লায়েন্টের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ছিল যে, বুয়েট-টেস্টে আমাদের বানানো ট্রান্সফরমার কুয়ালিফাই করতে হবে । যদি ফেইল করে তাহলে তারা ট্রান্সফরমার নিবে না, এ্যাডভান্স হিসেবে নেওয়া পেমেন্টটুকুও ফেরত দিতে হবে ।

এটা একটা রিস্কি চ্যালেন্জ । কারন, ৩১৫০ কেভিএ ক্যাপাসিটির একটা ট্রান্সফরমার বানানোর পরে যদি অর্ডার ক্যানসেল হয়, তাহলে অনেক টাকা আটকা পড়ে যাবে, লস হবে । আর তাছাড়া এটা তো একেবারে চাল-ডাল, খই-মুড়ি না যে যখন-তখন ওটা যে কোনো জায়গায় বিক্রি করে দেওয়া যাবে ।

যা হোক, সেই রিস্ক নিয়েই আমাদের টীম ট্রান্সফরমার বানানো শুরু করলো । আমি শুরুতেই আমাদের টীমমেম্বারদের ভয় দেখিয়ে বললাম, দেখো, যদি বুয়েট-টেস্টে ফেইল করে তাহলে ইনভেস্টমেন্ট তো নষ্ট হবেই, সাথে আমার মানইজ্জতও যাবে । কারন, বুয়েটের টীচারদের মধ্যে অনেকেই তা জানবে যাদের মধ্যে আমার সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দও যেমন আছেন, তেমনি আমার বন্ধু, ছোটো-বড় ভাইবোন অনেক শিক্ষক আছেন ।

অবশেষে এলো সেই মহেন্দ্রক্ষণ । তবে বুয়েট-টেস্টের জন্য প্রয়োজনীয় আয়োজন অর্থাৎ এপ্লিকেশন করা, ফিস্ জমা দেওয়া, বুয়েটের কাছ থেকে এপয়েন্টমেন্ট নেওয়া, উনাদেরকে বুয়েট থেকে পিক করে আমাদের ফ্যাক্টরীতে নিয়ে যাওয়া - এই দায়িত্বগুলো ছিল আমাদের ক্লায়েন্টের যারা আমাদেরকে অর্ডার দিয়েছিল ।

অনেকেই হয়ত জানেন, বুয়েটের টেস্ট-ফিস্ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি বলে আজকাল অনেকে থার্ডপার্টি ইন্সপেকশনের বেলায় বুয়েটের পরিবর্তে ঢাকার কাছাকাছি হওয়াতে ডুয়েট বা এমআইএসটি থেকে টেস্টের ক্লজ যুক্ত করেন পারচেজ কন্ডিশনে । কিন্তু এই প্রোজেক্টের কর্তৃপক্ষ বোধহয় একটু বেশিই কনজার্ভেটিভ, তাদের বুয়েট-টেস্টই লাগবে ।

সাধারনতঃ ফ্যাক্টরীর প্রোডাকশন সংক্রান্ত ইস্যু টেককেয়ার করে আমার অন্য একজন বিজনেস পার্টনার ; আমি বিজনেসের অন্য বিষয়গুলো দেখি । ঘটনাক্রমে সেইদিন সে ঢাকায় ছিল না, অনেক দূরবর্তী একটি শহরে ছিল তার একটি আনএ্যাভয়েডেবল ফ্যামিলি প্রোগ্রামে ; আর ওইদিনই আমাদের ক্লায়েন্টের এপ্লিকেশনসাপেক্ষে বুয়েট থেকে শিডিউল দেওয়া হয়েছে ।

আমি আমার টীমমেম্বারদেরকে বললাম যে, কোনোভাবেই যেন আমাদের কারও কোনো আচরনে বুয়েটের স্যাররা বিন্দু পরিমানেও মাইন্ড না করেন, উনারা যে বিষয়টা যেভাবে দেখতে চাইবেন, সেটা সেভাবেই দেখাতে হবে, কোনো রকমের পন্ডিতি বা মাতব্বরি টাইপের জ্ঞান জাহির করা যাবে না বুয়েটের স্যারদের সামনে কোনো কিছুর বিকল্প ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য । কোনো বিষয়ে যদি উনারা কোন এডভাইস বা ফাইন্ডিংস দেন, তাহলে হাসিমুখে বিনয়ের সাথে তা মেনে নিতে হবে, কোনোরকম আঁতলামিমার্কা বুঝ দেওয়ার চেষ্টা করা যাবে না ।

টেস্ট চলাকালীন বুয়েটের সম্মানিত প্রফেসরবৃন্দ যখন আমার সহকর্মীদের কাছ থেকে জানতে পারলেন যে, এই কোম্পানির চেয়ারম্যান বুয়েট গ্র্যাজুয়েট, তখন উনারা আমি কোন ব্যাচের তা জানতে চাইলেন । তখন আমাদের কোনো না কোনো ইন্জিনিয়ার বুয়েটে আমার ব্যাচের EEE এর দুই/একজন শিক্ষকের নাম বলে উনাদেরকে বলেছিল যে, আমাদের চেয়ারম্যান স্যার উনাদের ব্যাচের । তখন একজন স্যার আমার সহকর্মীদের বললেন যে, তাহলে প্রথমদিকে তো আমি ওদেরকে পড়িয়েছি ।

হ্যাঁ, আমরা যখন ১৯৯৪ সালের জুন মাসে ক্লাস শুরু করেছিলাম, তার কয়েকদিন আগে উনি পাস করে লেকচারার হিসেবে মাত্র জয়েন করেই লেভেল ১, টার্ম ১ এ আমাদের ক্লাস নিয়েছিলেন । বাই দা ওয়ে, হজ্জব্রত পালন করে সৌদিআরব থেকে ১/২ দিন আগে দেশে ফিরেই স্যার সেদিন চলে গেছেন বুয়েট থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে আমাদের ফ্যাক্টরীতে ট্রান্সফরমার টেস্ট করতে ।

খুব সাদামাটা কিন্তু সিরিয়াস টাইপের শিক্ষক ছিলেন তিনি । যতদূর মনে পড়ে, উনার সাবজেক্টে বোধহয় আমি A গ্রেড পেয়েছিলাম যদিও ওভারঅল টার্মে A- (A minus) পেয়েছিলাম (৩.৫৭) । মেকানিক্যালে ৩.৫৭ খুব একটা খারাপ জিপিএ ছিল না ; মানে তখনো আমি বুয়েটের তুলনামূলক খারাপ ছাত্রদের তালিকায় নাম লেখাই নাই ।

এরপর পদ্মা-মেঘনা-যমুনায় অনেক জল বয়ে গেল, আমিও দিনেদিনে বারভেজাইল্যা কাজ যেমন, ডিবেট, আবৃত্তি, বিভিন্ন ক্লাব, সংগঠন আর ''বুয়েট থেকে টিএসসি'' করতে করতে, বুয়েটের বাহিরে বিভিন্ন রকমের বাউন্ডুলে-মার্কা ঘুরাঘুরি করতে করতে, আর বিশেষ আরেকটি কারনে শেষ পর্যন্ত পাস করে বের হওয়ার সময় তুলনামূলক খারাপ ছাত্রদের তালিকায় নাম লিখেছিলাম যদিও আবার ফাইনাল টার্মের রেজাল্ট বের হওয়ার অনেক আগেই বুয়েটের আমাদের পুরো ব্যাচের মধ্যে সবচাইতে প্রথম ৩ জন কর্মজীবীর তালিকায় আমরা ৩ বন্ধু একসাথে নাম লিখেছিলাম । জীবন আসলেই অদ্ভুৎ, বড়ই অমসৃন ; কোথাও উঁচু তো কোথাও নিচু !

উনার সাথে আরেকজন প্রোফেসর যিনি গিয়েছিলেন সেদিন, তিনি বোধহয় উনার চাইতে ২/১ ব্যাচ জুনিয়র হবেন ।

বুয়েটে আমার সরাসরি ক্লাস নেওয়া শিক্ষক আমার ফ্যাক্টরীতে গিয়েছেন শুনে আমার বুক তো আরও দুরুদুরু, শেষ পর্যন্ত উনাদের টেস্টে আমাদের বানানো ট্রান্সফরমার সকল টেস্টিং প্যারামিটারে কুয়ালিফাই করে কি-না সেই দুশ্চিন্তায় ।

আমাদের টীমের কয়েকজন আমাকে জানালো যে, স্যাররা তো খুবই সিরিয়াস, নিজের হাতে সব কিছু টেস্ট করছেন উনাদের টীমে ফোরম্যান/টেকনিশিয়ান টাইপের সদস্য থাকা সত্ত্বেও । কোনো এক পর্যায়ে ট্রান্সফরমারের উপরের দিকে কিছু একটা দেখার জন্য একটি চেয়ার দেওয়া হ'লো । স্যার চেয়ারের উপরে উঠলেন, পারলে পারে উনি লাফ দিয়ে ট্রান্সফরমারের উপরে উঠে পড়েন, এমন একটা অবস্হা । আমাদের লোকজন তো পুরোই অবাক উনাদের সিরিয়াসনেস ও একটিভনেস দেখে ।

কারন, সরকারি অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ ফ্যাক্টরী ভিজিটে গেলে তাদের এসিস্ট্যান্ট ইন্জিনিয়ার লেভেলের লোকজনও পকেটে হাত দিয়ে সাহেবের মতো ঘুরে আর চোখ দিয়ে দেখে, ফিজিক্যাল কাজকর্ম সব করায় টেকনিশিয়ান, ফোরম্যানদেরকে দিয়ে ।

আমার সহকর্মীদের কাছ থেকে এগুলো শুনে আমি তখন মনেমনে ভয় পেলেও আমার আলমা-ম্যাটারের অহংকারে আহলাদিত হয়ে তাদেরকে বললাম যে, এইজন্যই তো ওইটার নাম বুয়েট আর "বুয়েটে টেস্টকৃত" বলে সিমেন্ট, রড-সহ সব বড় বড় কনস্ট্রাকশান প্রোডাক্টের ম্যানুফ্যাকচারাররা তাদের এ্যাড বানিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে তা লাখ-লাখ টাকা খরচ করে প্রচার করে ।

আরও বললাম, দেখো, আমার স্যার বুয়েট থেকে পাস করে এখন থেকে কমপক্ষে ২৫-২৬ বছর আগে ইউরোপ/আম্রিকা থেকে পিএইচডি করে এসেছেন, এখন থেকে হয়ত প্রায় ১৭/১৮ বছর আগে এসোসিয়েট প্রফেসর থেকে পদোন্নতি পেয়ে প্রফেসর হয়েছেন, এত সিনিয়র মানুষ, তারপরও নিজস্ব দায়িত্ব সততার সাথে যথাযথভাবে পালনের দায়বদ্ধতার বিষয়টিতে উনারা কতখানি সিরিয়াস ! সাথে টেকনিশিয়ান, ফোরম্যান থাকা সত্ত্বেও এই পজিশনে এবং বয়সেও উনারা নিজের হাতে সবকিছু চেক করছেন, চেয়ারের উপরে দাঁড়িয়ে যা দেখার তা তো দেখছেনই, পারলে পারে এক লাফে ট্রান্সফরমারের উপরে উঠে যান ।

যা হোক, শেষ পর্যন্ত আমাদের বানানো ৩১৫০ কেভিএ ট্রান্সফরমার বুয়েটের দুইজন অনেক সিনিয়র সম্মানিত প্রফেসরের নেতৃত্বাধীন টীমের টেস্টে উত্তীর্ণ হয় । আমাদের ইনভেস্টমেন্টও নষ্ট হয় নাই, আবার স্যারদের কাছে উনাদের ছাত্রের মানইজ্জতও নষ্ট হয় নাই ।

আনোয়ার পারভেজ শেফীন
চেয়ারম্যান, পাওয়ারব্রীজ গ্রুপ

পাদটীকা :
-এরপর আরেকদিন লিখব বুয়েটের আভ্যন্তরীন টেস্টিংল্যাবে ১১/১২ বছর আগে আমার কোম্পানির ম্যানুফ্যাকচার করা আরেকটি ট্রান্সফরমার টেষ্টের গল্প যেখানে আরেকটি স্পেশাল ক্লাইমেক্স তৈরি হয়েছিল যখন বুয়েটের সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর ছিল আমার অতি ঘনিষ্ঠ বন্ধু যে কি-না অতি কম বয়সে তখন সবেমাত্র প্রফেসর হয়েছিল ।

-আর হ্যাঁ, প্রাইভেসির কারনে স্যারদের নাম, ক্লায়েন্টের নাম, আগে কোন কোম্পানির ট্রান্সফরমার বুয়েট-টেস্টে উত্তীর্ণ না হওয়ায় আমরা অর্ডারটি পেয়েছিলাম তার নাম, টেস্টকালীন সময়ে স্যারদের ফটো এবং বুয়েট-টেস্টের সার্টিফিকেটটি এখানে সংযুক্ত করি নাই ।




পুঁথিগত বিদ্যা আর পরহস্তে ধন,নহে বিদ্যা নহে ধন হলে প্রয়োজন  ।
07/08/2026

পুঁথিগত বিদ্যা আর পরহস্তে ধন,
নহে বিদ্যা নহে ধন হলে প্রয়োজন ।

Jul92026Blog Episode 7:   পুঁথিগত বিদ্যা আর পরহস্তে ধন, নহে বিদ্যা নহে ধন হলে প্রয়োজন ।   আমার আগের এপিসোডগুলিতে আমি মূলত: নতুন উদ্....

BUET graduate as well as Business graduate Engr. Anwar Pervez Shefin, Chairman, Powerbreeze Group, a promising entrepren...
04/08/2026

BUET graduate as well as Business graduate Engr. Anwar Pervez Shefin, Chairman, Powerbreeze Group, a promising entrepreneur in the engineering industry of Bangladesh with multidirectional socio-cultural-professional background and involvement.









Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.

বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না  । https://shefin-bd.com/entrepreneurship-%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6...
02/08/2026

বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না ।

https://shefin-bd.com/entrepreneurship-%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%95-episode-6/?fbclid=IwdGRjcATcUKpjbGNrBNxQomV4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkDDM1MDY4NTUzMTcyOAABHkSvEvuQ6PDVfPmxMvbtlBd_8gTtc1B8rMgb_pDrCJesS7zfDwXq5MvMj8Ir_aem_WSZzE-5MLsNviMujXpcmJA

Jul82026Blog Episode 6:   ‘বাকী চাহিয়া লজ্জা দিবেন না’- এই কথাটি বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক দোকানে লেখা থাকে । এমনি-এমনি কি দ.....

29/07/2026

It's a YouTube content on socio-cultural-professional profile/background/achievement/activities of Engr. Anwar Pervez Shefin, Chairman, Powerbreeze Group in brief being a promising entrepreneur in the electro-mechanical engineering industry of Bangladesh.








শাহীন ভাই (Dr. Mohammad Shariful Islam), খুবই কাছের মানুষ, ছাত্রজীবনের অতি আপনজন । একই হলে পুরোটা বুয়েট লাইফে থাকলেও একদ...
22/07/2026

শাহীন ভাই (Dr. Mohammad Shariful Islam), খুবই কাছের মানুষ, ছাত্রজীবনের অতি আপনজন । একই হলে পুরোটা বুয়েট লাইফে থাকলেও একদম পাশাপাশি রুমে আমরা থাকতাম এক বছর ।

শাহীন ভাই আজকে বুয়েটের Pro-VC নিযুক্ত হয়েছেন । জেনে খুব ভালো লাগলো । উনারা আপন দুই ভাই একই রুমে থাকতেন, একই ব্যাচে একই ডিপার্টমেন্টে পড়তেন । জানি না উনার ভাই বুলবুল ভাই এখন কোথায় আছেন, কি করছেন । উনারা দুই ভাই-ই ছোটো ভাই হিসেবে আমাকে ভীষণ স্নেহ করতেন ।

Congratulation Shaheen Vai !

উনার সাথে আমার কাছে ছাত্রজীবনের একটা স্মৃতি ছিল ছবির এলবামে, সেটাই শেয়ার করলাম । আমরা তখন মাত্র ৩-১ এ উঠেছি, শাহীন ভাইরা ৪-২ তে । আমরা '৯২ ব্যাচ, উনার '৯০ ।

জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিজয়ীর বেশে হলে ফিরেছি । আমাদের দল ডঃ এম এ রশীদ হল জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন হ'লো, আমি দলনেতা ছিলাম, ফাইনাল কম্পিটিশনে শ্রেষ্ঠ বিতার্কিকও নির্বাচিত হয়েছিলাম ।

৬-৭ বছর পরে বুয়েটের একটি দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আবার জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় টানা ২ বছর ধরে চলা ইভেন্টে অনেকগুলো রাউন্ড পেরিয়ে, হলের সবার আনন্দের সীমা ছিল না ।

শাহীন ভাইও গিয়েছিলেন রামপুরায় বিটিভি ভবনে রশীদ হলের কয়েকশো বন্ধু, বড় ভাই, ছোটো ভাইদের সাথে নিজ হলের দলের বিতর্ক দেখতে, উৎসাহ দিতে ।

হলে ফিরে কয়েকজন বড় ভাই এবং বন্ধুর সাথে এই ফটোটি তুলেছিলাম হলগেটের সামনে দাঁড়িয়ে, সেটি ছিল ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারির কোনো এক শেষবিকেলের গোঁধুলিলগ্নে ।

ডানদিক থেকে তৃতীয় সবুজ ব্লেজারের সাথে সাদা শার্ট আর টাই পড়া চিকনচাকন আমি, আর ঠিক আমার পাশেই বামদিক থেকে চতুর্থজন অর্থাৎ সবুজ/নীল রংয়ের শার্ট পড়া শাহীন ভাই ।

ভাল থাকবেন শাহীন ভাই ।

May Almighty bless you to perform your duty successfully with dignity and honour.

আনোয়ার পারভেজ শেফীন
চেয়ারম্যান, পাওয়ারব্রীজ গ্রুপ



#ডঃ_মোহাম্মদ_শরিফুল_ইসলাম
াচার্য_বুয়েট

21/07/2026

আপনার পড়া হুমায়ূন আহমেদের লেখা সবচেয়ে প্রিয় গল্প/উপন্যাস/সায়েন্স ফিকশন কোনটি ?

16/07/2026

আজীবন ফেরিওয়ালা :

সময়টা তখন ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বর । বুয়েটের শেষ টার্মের ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে থিসিস পেপার জমা দেবার জন্য কাজ করছি । একদিন হঠাৎ EME Building এর দেয়ালে দেখলাম Energypac নামের একটি কোন্পানীর Walk-in-Interview -এর সার্কুলার । ঐসময় যেহেতু ব্যাচের সবাই থিসিসের প্রয়োজনে ক্যাম্পাসেই ঘুরাঘুরি করত, তাই কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা সবার মাঝে চাউর হয়ে গেল ।

পরদিন সকালে অনেকেই গিয়ে হাজির হল মতিঝিলের জীবনবীমা টাওয়ারের ১২-তম তলায় এনার্জিপ্যাকের প্রধান কার্যালয়ে । দুই কিংবা তিন দফা Interview দিয়ে আমরা কয়েকজন জয়েন করলাম । চাকরি শুরু করেছি । একদিন রাস্তায় দেখা হ'লে বুয়েটের এক ব্যাচমেট জিজ্ঞেস করল, 'কি রে দোস্ত, তুই নাকি Transformer আর Switchgear ফেরি করে বিক্রী করার চাকরি নিছস ?' । সে দুষ্টুমি না-কি তাচ্ছিল্য করে বলেছিল পুরোপুরি তা বুঝতে পারিনি কিংবা হয়ত বোঝার মতো বয়সও তখন হয়নি ।

এরপর আস্তে আস্তে বন্ধু-বান্ধবদের একটা বড় অংশ USA, Canada, UK, Australia, Europe -এ চলে গেল । দেশে সেসময় Telecom Industry -তে জোয়ার চলছিল । অনেকে Telecom জগতের চাকচিক্যময় কর্পোরেট চাকরিতে জয়েন করল, কেউবা জয়েন করল আরও কিছু গ্লোবালি রেপুটেড মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে । কেউ কেউ বিসিএস দিয়ে সরকারী চাকরিতে, কেউবা বিভিন্ন কর্পোরেশন, সায়ত্ত্বশাষিত সংস্হায় জয়েন করল ।

ঐ সময়গুলিতে আত্নীয় , প্রতিবেশী , পরিচিতজনদের মধ্য থেকে যে যেভাবে পারত জ্ঞান দিত ; কেউবা শুভাকাঙ্খীর মত আন্তিরকতার সাথে, আর কেউবা কিঞ্চিত তাচ্ছিল্যের সুরে । সম্পূর্ণ অশিক্ষিত মানুষ থেকে শুরু করে ডিপ্লোমা, পাসকোর্সে বিএ পাস/ফেল করা অনেকেও জ্ঞান দিয়েছেন । তাদের বক্তব্য, 'বুয়েট থেকে পাস করে ছেলেমেয়েরা আমেরিকায় যায়, টেলিকমে কিংবা BATB, Unilever, BOC, Chevron টাইপের Top Level Multinationals এর হাইফাই কর্পোরেট এনভায়রনমেন্টে উচ্চ বেতনে চাকরি করে, বিসিএস দিয়ে সরকারী চাকরি করে, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান যেমন PDB/REB/DESA/DESCO/DPDC/PGCB/University/PETROBANGLA/BCIC/City Corporation/WASSA /LGED- তে চাকরি করে, নিদেনপক্ষে কেউবা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করে । আর তুমি কি সারাজীবন Transformer, Switchgear, Generator, BBT, Air Compressor ফেরি করে বিক্রী করবে ? ' ।

তোমার বাবা-মা দুইজনই কত আগের মাস্টার্স পাশ মানুষ ; সেই পাকিস্তান আমলে এপ্লাইড কেমিস্ট্রিতে মাস্টার্স করা তোমার হ্যান্ডসাম ও স্মার্ট মুক্তিযোদ্ধা বাবা আজীবন বিভিন্ন ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপ্যাল ছিলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, সিনেট, একাডেমিক কাউন্সিল সদস্য ছিলেন, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের গভর্নিং বর্ডির চেয়ারম্যান ছিলেন ; অর্থনীতিতে মাস্টার্স পাস তোমার মা হাইস্কুলের এসিস্ট্যান্ট হেড-মিস্ট্রেস ছিলেন, তুমি ছোটোবেলা থেকে নিজ জেলার অন্যতম সেরা ছাত্র ছিলে ; আবৃত্তি-বিতর্ক-উপস্হিত বক্তৃতা-রচনা প্রতিযোগিতা-দেয়াল পত্রিকা-সহ বিভিন্ন রকমের কো-কারিকুলার অ্যাকটিভিটিজে সেই ছোটবেলা থেকেই তুমি অসম্ভব অ্যাকটিভ ছিলে ; ঢাকা কলেজে পড়লে, বুয়েটে পড়লে, জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জাতীয় চ্যাম্পিয়ন দলের দলনেতা ছিলে, ফাইনাল রাউন্ডের বিতর্কে শ্রেষ্ঠ বক্তা হলে, বুয়েটে পড়ার সময় কত রকমের ক্লাব আর এক্সট্রাকারিকুলার অ্যাকটিভিটিজে কী দারুণ অ্যাকটিভ ছিলে ; আর কী-না শেষ পর্যন্ত ফেরিওয়ালার মত হকারি করে বেড়াচ্ছো মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ? OMG ! ছি: ছি: ছি: ! মানুষ কি বলবে !

কখনো কখনো এই ধরনের প্রশ্নবানে জর্জরিত হয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম, আর কখনো বলতাম যে, আমি যদি এটাই করি তাহলে অন্য কারও কোনো সমস্যা তো হচ্ছে না । এটা করতে Interest পাচ্ছি বলতাম না এই কারনে যে তাহলে অনেকে এমন Reactive Look দিত যার মানে দাঁড়াত 'আঙ্গুর ফল টক' ।

দিনগুলো খুব কঠিন গেছে । খুব ঘনিষ্ঠ যারা তাদেরকে বলতাম, জীবনটাই তো ক’দিনের ; কিছু একটা করে কাটিয়ে দিলেই তো হলো । একবার এক উপযাজক জ্ঞানদাতার উপর একটু বেশি রাগ হওয়াতে তাকে বলেছিলাম , 'বিল গেটস্ সফটওয়ার ফেরি করে বেচলে দোষ হয়না, স্টিভ জবস্ iPhone ফেরি করে বেড়ালে দোষ হয় না ; আর যত দোষ এই গরিব দেশের গরিব ফেরিওয়ালাদের ! ' । শুনে তিনি এমন লুক দিয়েছিলেন যার অর্থ ছিল, 'ছোট মুখে বড় কথা ! ' ।

এরপর থেকে Transformer, Switchgear, Generator, BBT, Panels, Cooling Tower, Heat Exchanger, Gearbox, LPS, Vacuum Pump, Industrial Tools, Ventilation Fan, Compressor -সহ আরো কিছু ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল প্রোডাক্টস্ আর সার্ভিসেস বেচেই দিব্যি কাটিয়ে দিচ্ছি জীবন । আগে চাকরি করতাম, এখন ব্যবসা করি ; পার্থক্য এই যা ।

কয়েক বছর নিজের প্রতিষ্ঠান পাওয়ারব্রীজ (Powerbreeze) -এর ট্রান্সফরমার, সুইচগিয়ার, জেনারেটর, BBT ফেরি করে বিক্রি করার পর ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে টাইম স্কয়ার সংলগ্ন ম্যারিয়ট হোটেলে অনুষ্ঠিত New York Quality Summit Convention থেকে আমার প্রতিষ্ঠান 'পাওয়ারব্রীজ' -এর পক্ষ থেকে একটি Business Excellence Award রিসিভ করতে গিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াতে তা দেখে আমেরিকা প্রবাসী আমার এক অতি সুদর্শন ও ব্রিলিয়ান্ট অধ্যাপক বন্ধু ফোন করে বলল, 'মামা তুই আম্রিকা চইলা আইছস ! ' । ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালিতে পৃথিবীর একটি শীর্ষ আইটি কোম্পানিতে চাকরি করা এক বন্ধু বলল, 'I feel you deserve this recognition' । কোন মন্তব্যটি উৎসাহমূলক, কোনটি সম্মাননামূলক আর কোনটি বিদ্রুপাত্নক তা যাচাই করার চেষ্টা করিনি ।

এরপর থেকে অনেকবার কখনো ব্যবসার কাজে, কখনো টেকনিকাল সেমিনারে বা কনফারেন্সে Attend করতে কিংবা কখনো নিছক হলিডে কাটাতে USA, Canada, UK, Australia, Europe, Asia এর প্রায় অধিকাংশ বিখ্যাত দেশে/শহরে যাবার সৌভাগ্য হয়েছে । গরিব দেশের গরিব ফেরিওয়ালা বলে First World -এর উন্নত দেশের উন্নত শহরে গিয়ে অনেক কিছু দেখে কিছুটা অবাক হই, তার সামনে দাঁড়িয়ে একটা ছবি তুলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেই । তা দেখে ওইসব উন্নত দেশে বসবাস করা অনেক বন্ধু/আত্নীয় আড়ালে টিপ্পনী কেটে বলে, 'কি আজব রে বাবা ! এইসব জায়গায় গিয়ে ছবি তুলে স্ট্যাটাস দেওয়ার কি আছে ? '। তারা বিষয়টি এইভাবে চিন্তা করে না যে, তারা ওখানে থাকে জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে বছরের পর বছর ধরে ; আর আমরা ক্ষনিকের জন্য যাই জীবনে অল্প সংখ্যকবার । তাই তারা 'Used to' হওয়াতে অনেক কিছুতেই অবাক না হলেও আমরা সামান্য কিছু বৈচিত্র্যময় জিনিস দেখে অবাক হতেই পারি, মুগ্ধ বিষ্ময়ে তার সামনে দাঁড়িয়ে একটা ছবি তুলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিতেই পারি । বিষয়টি কারও পছন্দ না হলে সে Unfriend করে দিতে পারে ; তাই বলে উপহাস কেন ?

এখনো কোন অতি উৎসাহী অতি জ্ঞানী আত্নীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী যখন জিজ্ঞেস করে, 'কি খবর তোমার ? কি করছো এখন ? ক্যারিয়ারের ভালো কোনো গতি হলো ? '। আমি উত্তর দেই , 'এখনো আগের মতোই বিভিন্ন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ইন্জিনিয়ারিং প্রোডাক্টস্ আর সার্ভিসেস মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে ফেরি করে বেচি' ।

আমি এক আজীবন ফেরিওয়ালা ; ফেরিওয়ালা ছিলাম, ফেরিওয়ালাই আছি ; অফিসার হওয়ার ভাগ্য নিয়ে জন্মাই নাই তো !

দিব্যি কাটিয়ে দিচ্ছি জীবন, মানিয়ে নিচ্ছি, জীবন কেটে যাচ্ছে জীবনের মত ; হয়ত রক্ত ঝরছে না ; তবুও বেশ তো আছি !

আনোয়ার পারভেজ শেফীন
বুয়েট '৯২ ব্যাচ (এইচএসসি '৯২)
চেয়ারম্যান, পাওয়ারব্রীজ গ্রুপ

#ফেরিওয়ালা
#উদ্যোক্তা





14/07/2026

প্রখ্যাত চিন্তাবিদ, প্রাবন্ধিক, গবেষক, কথাসাহিত্যিক, লেখক, কলামিস্ট ইমেরিটাস অধ্যাপক ডঃ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (SIC) স্যারের এই ঘোষনার মধ্য দিয়ে ১৯৯৭ সালে বুয়েট লাইফের তৃতীয় বর্ষের একেবারে শুরুর দিকে অর্জিত হয় আমার ছাত্রজীবনের এক্সট্রাকারিকুলার এ্যাকটিভিটিজের সবচাইতে উল্লেখযোগ্য ও প্রেরণাদায়ক স্বীকৃতি ।

১৯৯৫ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ২ বছরে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ক্যাডেট কলেজ, স্বনামধন্য কলেজসমূহের প্রায় ১০০ এর কাছাকাছি সংখ্যক দলের মাঝে পরিচালিত ১৩-তম জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতার শেষদিনে চুড়ান্ত পর্যায়ের ফাইনাল কম্পিটিশন ছিল এইটা বাংলাদেশের টেলিভিশনের অডিটোরিয়ামে ।

এর ক'দিন আগে ঘটনাক্রমে সেমিফাইনাল পর্বেও আমরা প্রতিযোগিতার চেয়ার(স্পীকার) হিসেবে পেয়েছিলাম এই কিংবদন্তি শিক্ষাবিদকে ।

যতদূর জানি, SIC Sir পরপর ৩ বার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কর্তৃক ভিসি প্যানেলের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন যার মধ্যে একবার সম্ভবতঃ সর্বোচ্চ ভোট পেয়েই নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং মহামান্য আচার্য কর্তৃক উপাচার্য হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন ।

আর একবার বোধহয় ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্ট কমিশন (UGC) এর চেয়ারম্যান হওয়ারও অফার পেয়েছিলেন । কিন্তু তিনি সেই প্রস্তাবগুলো গ্রহন না করে একজন শিক্ষাবিদ হিসেবেই কাজ করতে সাচ্ছন্দ্য অনুভব করার ক্ষেত্রে তাঁর ইচ্ছের কথা তৎকালীন সরকার বাহাদুরকে জানিয়েছিলেন সেই আশির দশকে ।

বিভিন্ন সময় বিতর্কের বিষয়বস্তুর উপর তত্ত্ব ও তথ্যভিত্তিক তালিম নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে ইংরেজি বিভাগে স্যারের চেম্বারে গিয়ে বেশ কয়েকবার জ্বালিয়েছি স্যারকে ছাত্রজীবনে, কী একটা কাজে একবার বোধহয় স্যারের বাসাতেও গিয়েছিলাম জ্বালাতে বুয়েট লাইফের মাঝামাঝি সময়ে ।

মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে নব্বই বছর ছুঁয়ে SIC স্যার এখনও বেঁচে আছেন মুক্তচিন্তা ও দর্শনের আলোকবর্তিকা হয়ে ।

- আনোয়ার পারভেজ শেফীন
চেয়ারম্যান, পাওয়ারব্রীজ গ্রুপ








Address

BUET
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BUETian Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share