05/08/2024
আজ যত লুটতরাজ, ভাঙচুর, সহিংসতা হয়েছে তার একটিতেও আন্দোলনকারী ছাত্ররা ছিলো না।
এতদিন কঠোর আন্দোলন করে তারা কেউ বিজয়উল্লাস করেছে, কেউ মায়ের স্নেহের ছায়ায় ফিরে গেছে।
কারা করেছে?
এদের কারো গলায় কি আইডি কার্ড দেখেছেন?
লক্ষ্য করে দেখবেন, এদের পোশাক, কথা বার্তা অঙ্গভঙ্গী, কিছুই ছাত্রসুলভ নয়।
এরা হলো সুবিধাবাদী মধ্যবয়স্ক বখাটে টোকাই।
এরাই বাসে, ট্রেনে চুরি ডাকাতি করে, এরাই দুর্ঘটনাস্থলে লুটতরাজ করে, ক্ষমতাসীনদের পা চেটে সুবিধা নেয়, টাকার বিনিময়ে সংঘর্ষ - অপরাধ করে।
রাজপথে আন্দোলনে এরা থাকে না , এরা আসে ভীড়ের মাঝে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে।
হ্যাঁ, এরাই যখন মিরপুর, বাড্ডা, রামপুরায় ছাত্ররা আন্দোলন করেছে, ক্ষমতাসীনদের কাছে টাকা নিয়ে এরাই ছাত্রদের মারতে এসেছে।
নেতা আদেশ মানতে গিয়ে তখন ছাত্রদের হাতে এরাও মার খেয়েছিলো, এদের এখন সময় এসেছে ক্ষোভ মিটাবার,
তাইতো আজ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বাসায়ও এরা হামলা করেছে, ক্ষমতাসীনদের বাসায় লুটতরাজ করেছে, মন্দিরের দানবাক্সে হামলা করেছে, জাদুঘরে লুটতরাজ ভাঙচুর করেছে, কুচক্রী নেতার স্বার্থহাসিল করতে জাতিরপিতার প্রতিকৃতি- মুরাল ভেঙেছে।
এরা শুধু স্বার্থ দেখে, এদেরকে টাকা দিয়ে কেনা যায়।
আন্দোলনটা করেছে দেশের ছাত্র সমাজ।
ছাত্ররা চেয়েছে স্বাধীনতা, ন্যায্য অধিকার, অন্যায় অবিচার এর পতন, ভাইয়ের রক্তের বিচার। বলুন তো ছাত্ররা সোফা দিয়ে, ফ্রীজ দিয়ে, এসি দিয়ে কি করবে ।
যেই স্বৈরাচার তার ভাইয়ের রক্ত নিয়েছে, তার শাড়িগুলো কি সে গায়ে জড়াতে পারবে? গায়ে কাটা দিবে না? ঘৃণা আসবে না ।
ছাত্রসমাজ লুটতরাজ করে না, করতে পারে না। এরা মেট্রোরেল ভাঙে না, টোল প্লাজা ভাঙে না, দেশের সম্পদ ভাঙচুর করে না।
এরা পুলিশকে নিশ্চিত মৃত্যু থেকে বাচায়, সাংবাদিককে নিরাপদে নিয়ে যায়।
তবুও, আবার বলছি তবুও,
যখনি কিছু কুচক্রী মহল আন্দোলনকে, আমাদের বিজয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেয়েছে।
সরকার প্রধান পদত্যাগ করার পর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, স্পর্শকাতর স্থান থেকে নিরাপত্তা সরিয়ে নিয়েছে, লুট অরাজকতার পরিস্থিত সৃষ্টি করেছে বা সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে
তখন ছাত্ররা বিজয় উল্লাস ছেঁড়ে, মায়ের স্নেহকোল ছেঁড়ে আবার সোচ্চার হয়েছে, সংঘবদ্ধ হয়েছে।
মন্দির পাহাড়া দিচ্ছে, সহিংসতা থামাচ্ছে, মসজিদ থেকে সম্পৃতি- ঐক্যের ডাক দিচ্ছে।
কমিটি করে - দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে, গণভবন থেকে লুট হওয়া আসবাবপত্র উদ্ধার করছে ।
আমরা, এই ফিরে পাওয়া স্বাধীনতাটা শকুনদের থেকে রক্ষা করতে চাই। আমাদের পাশে এসে দাঁড়ান। একসাথে এক হয়ে এই তাজা রক্তে ছিনিয়ে আনা স্বাধীনতাটা রক্ষা করি।
শেষে একটা কথাই বলে যাই --
"যতদিন এই তারুন্যের হাতে দেশ,
পথ হারাবে না বাংলাদেশ "
🌺🌺🌺