26/10/2019
জন্মদিন সম্পর্কে যতটুকু জানা যায় এর সূচনা কোনো মুসলিম থেকে হয়নি। বরং হয়েছে ফেরাউন থেকে।
বাইবেলের বুক অব জেনেসিসে এসেছে, “ তৃতীয় দিনটা ছিল ফেরাউনের জন্ম দিন। ফেরাউন তার সব দাসদের জন্য ভোজের আযোজন করলেন। সেই সময়ে ফেরাউন রুটিওয়ালা ও দ্রাক্ষারস পরিবেশককে কারাগার থেকে মুক্তি দিলেন”। (আদি পুস্তক,৪০:২০) আনুমানিক খৃষ্টপূর্ব তিন হাজার পঞ্চাশ থেকে চার হাজার বছর পূর্বের এ ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।
রাসূল (সাঃ) এর জন্মের ৫/৬হাজার বছর আগে ফেরাউনের জন্ম হয়েছিলো।
রাসূলের ইমিডিয়েট আগে ছিলেন নবী ঈসার অনুসারীরা, যারা ঈসা (সাঃ) কে খোদাপুত্র দাবী করে তার জন্মদিন পালন করতো। তারপর রাসূল (সাঃ) এর জন্ম।
হাদিসে এসেছে রাসূলকে সোমবারের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি উত্তর দিয়েছিলেন " এই দিন আমার জন্ম হয় এবং এই দিনে আমার উপর ওহী নাজীল হয়"!! উনি জন্মবারে রোজা রেখেছেন জন্মবার্ষিকীতে রাখেননি। আরেক হাদীসে এসেছে সোমবারে আর বৃহস্পতিবারে আমলনামা জমা হয় তো আমাদের নবী চাইতেন যে উনার রোযা অবস্থায় আমলনামা জমা হউক।
জন্মদিনের এত গুরুত্ব ও তাৎপর্য থাকলে সাহাবীগন জন্মদিনের উৎসব পালন দেখেও কেনো নিজেদের বা প্রানপ্রিয় রাসূলের জন্মদিন পালন করেন নি?
রাসূল (সাঃ) এর জীবদ্দশায় নিজে কখনো জন্মদিন পালন করেন নি এবং রাসূল (সাঃ) এর কোন আত্মীয়ের জন্মদিন পালন করেন নি।
বরং তিনি বলেছেন "যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের অনুরূপ অবলম্বন করে,সে তাঁদেরই দলভুক্ত। (সুনানে আবূ দাঊদঃ ৪০৩১)
অতএব মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত শুধুমাত্র সেইসব বিষয়ের উপর আমল
করা যা আল্লাহ আমাদের তার রাসূলগনের মাধ্যমে শিক্ষা দিয়েছেন।কারন তিনি বলেছেন,
"তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষথেকে যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তার অনুসরণ কর। তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য সাথিদের অনুসরণ করনা।তোমরা খুব অল্পই উপদেশ গ্রহণ কর"। (সূরা আ’রাফঃ৩)
আল্লাহ আমাদের কবুল করে নিন।
সংগৃহীত