27/04/2026
“যা পেয়েছি আমি তা চাই না, যা চেয়েছি কেন তা পাই না”-জাতীয় কোনো আক্ষেপ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীনদের মধ্যে নেই বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস- শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ঢাবি উপাচার্য।
আজ শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির উইন্টার, সামার, স্প্রিং ও ফল সেমিস্টার ২০২৫ ও ২০২৬-এর নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ.বি.এম. ওবায়েদুল ইসলাম।
শান্ত-মারিয়ামের ক্যারিয়ারবান্ধব, কর্মমুখী বিভিন্ন প্রোগ্রাম পরিচালনার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরির প্রয়াসকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা ও নৈতিক শিক্ষায় দক্ষ ও মানবিক মানুষ তৈরির ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রতিযোগিতামূলক কোনো ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেও সাধারণ সিজিপিএ নিয়ে বিশেষায়িত উচ্চশিক্ষার এই সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগানো উচিত।
২৬ এপ্রিল, রোববার সকালে শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ-ই-আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান, বরেণ্য চিত্রশিল্পী অধ্যাপক মোস্তাফিজুল হক; শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের চেয়ারম্যান এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ডা. আহসানুল কবির; ডেজিগনেটেড ট্রেজারার প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আব্দুল হালীম শেখ; বিভিন্ন বিভাগের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন সেমিস্টারের ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যচিত্র প্রদর্শন এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরিচয়পর্ব শেষে স্বাগত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে রেজিস্ট্রার ড. পাড় মশিয়ূর রহমান এবং ফ্যাকাল্টি অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সের ডিন, বিশিষ্ট সাহিত্যিক অধ্যাপক ড. সৈয়দ আজিজুল হক। অনুষ্ঠানে শান্ত-মারিয়াম হোংহে কনফুশিয়াস ক্লাসরুমের চীনা ও বাংলাদেশি পরিচালক-যথাক্রমে মিসেস ওয়াং লিকুইং এবং প্রফেসর মো. মহিউদ্দিন তাহের-উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহারসামগ্রী প্রদান করা হয়। এছাড়া অতিথিবৃন্দ ও সভাপতির গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য শেষে খেলাধুলায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
আয়োজনের বিভিন্ন পর্বে বর্ণিল ফ্যাশন শো, মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশনা এবং নৃত্যের তাল-লয়ে অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এফডিটি ও সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
সবশেষে বর্ণাঢ্য র্যাফেল ড্র পর্ব ও ধন্যবাদজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে প্রায় দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।