Chy I T Solution

Chy I T Solution The latest Tweets from()
Having IT problem? Let us take care of it, our friendly and courteous tech experts will get you back to work in no time.

02/12/2016

যেভাবে বানাবেন মোবাইল অ্যাপ

এক ডিভাইসে অনেক সুবিধা একসঙ্গে পাওয়ায় স্মার্টফোনের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের সুবিধা-বিনোদন সবই দিচ্ছে অনেক রকম অ্যাপ। প্রযুক্তির দুনিয়াতেও আছে অ্যাপের বিশাল বাজার। তাই ব্যবহারের পাশাপাশি অ্যাপ নির্মাতার সংখ্যাও আমাদের দেশে দিন দিন বাড়ছে। অনেকেই অ্যাপ তৈরিকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন।

মোবাইল অ্যাপ সাধারণত ৩টি অপারেটিং সিস্টেম(ওএস) বা প্লাটফর্মের জন্য তৈরি করা হয়। আইওএস (আইফোনের জন্য), অ্যান্ড্রয়েড (স্যামসাং, সনি ইত্যাদি বেশির ভাগ স্মার্টফোনের জন্য), উইন্ডোজ (মাইক্রোসফট)। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ ব্যবহার করেন অ্যান্ড্রয়েড। তারপর আইওএস ও উইন্ডোজ।

অ্যাপ বানানোর বেসিক থেকে অ্যাডভান্সড সব ধরনের টিউটোরিয়াল পাওয়া যায় ইন্টারনেটে। আছে টেক্সট টিউটোরিয়াল, ভিডিও টিউটোরিয়াল। গুগল সার্চে আসবে অনেক অনেক টিউটোরিয়াল, খুঁজে নিতে হবে দরকারি টেক্সট বা ভিডিও। ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা অনেক ব্লগ, টিউটোরিয়াল পাওয়া যাবে ইন্টারনেটে। ইউটিউবে অনেক ভিডিও পাওয়া যাবে অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের ওপর। তবে ধৈর্য রাখতে হবে।

আইওএস অ্যাপ বানাতে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ অবজেক্টিভ সি ব্যবহার করতে হয়। অ্যান্ড্রয়েডের জন্য জাভা এবং উইন্ডোজের জন্য সি শার্প জানতে হবে। যারা এ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজগুলো জানেন না, তারা ইন্টারনেটে জেনে নিতে পারেন। যেকোনো একটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ দিয়ে শুরু করুন। আস্তে আস্তে শিখুন, ভালো লাগলে শেখায় গতি আসবে।

আইওএস প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করুন অ্যাপলের ডেভেলপার ওয়েবসাইট (https://developer.apple.com) থেকে। এখানে আপনি আইওএস শেখার যাবতীয় জিনিস পেয়ে যাবেন। আপনি অ্যাপলের গাইড অনুসরণ করতে পারেন, খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে সবকিছু লেখা আছে ওখানে। আরো অনেক ওয়েবসাইটে টিউটোরিয়াল আছে, সেসবের সাহায্যও নিতে পারেন। টিউটোরিয়াল পেতে গুগলে ‘iOS tutorial’ লিখে সার্চ করুন। একইভাবে সার্চ করুন ইউটিউবে। ‘আইওএস টিউটোরিয়াল’ এভাবে বাংলায় সার্চ করতে পারেন গুগল ও ইউটিউবে।

অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাপ তৈরি করা যায় সব অপারেটিং সিস্টেমেই। অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার সাইট (developer.android.com) থেকে শুরু করুন। এটি অ্যান্ড্রয়েডের ডেভেলপার সাইট, যেটি শুরু করার জন্য খুবই কার্যকরী। আরো টিউটোরিয়াল পেতে গুগলে ‘android tutorial’ লিখে সার্চ করুন। একইভাবে সার্চ করুন ইউটিউবে। ‘অ্যান্ড্রয়েড টিউটোরিয়াল’ এভাবে বাংলায় সার্চ করতে পারেন গুগল, ইউটিউব দু’ জায়গায়ই।

উইন্ডোজ অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট শেখার জন্যও উইন্ডোজ ডেভেলপার সাইট (https://developer.microsoft.com) দেখুন। এখানে অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট করতে চাইলে যা করতে হবে সবই পেয়ে যাবেন। গুগলে আরো টিউটোরিয়াল পেতে গুগলে ‘windows app tutorial’ লিখে সার্চ করুন। একইভাবে সার্চ করুন ইউটিউবে। ‘অ্যান্ড্রয়েড টিউটোরিয়াল’ এভাবে বাংলায় সার্চ করতে পারেন গুগলে, ইউটিউব দু’ জায়গায়ই।

আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ- এ তিন প্লাটফর্মের ডেভেলপার ওয়েবসাইটে শেখা শুরু করার জন্য যথেষ্ট নির্দেশনা আছে। এগুলো পড়তে হবে, দেখতে হবে, অনুসরণ করতে হবে ধৈর্য নিয়ে। যখনই মনে হবে কোনোকিছু বুঝতে পারছেন না, সমস্যায় পড়েছেন তখনই গুগলের সাহায্য নিন, সার্চ দিন যেটা বুঝতে পারছেন না সেটা নিয়ে। পাশাপাশি পড়ুন অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ব্লগ।

24/11/2016

এক বছরে দেশে ই-কমার্স লেনদেন ৭২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে

পশ্চিমা দেশ এবং এশিয়া মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও অনলাইনে কেনাকাটা অনেক বেড়েছে। দেশে ইন্টারনেটের ব্যবহারের হার অবিশ্বাস্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই এটি হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় আগামী এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশে ই-কমার্স লেনদেন ৭২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে। ই-কর্মাস অনলাইনে কেনাকাটার ওয়েবসাইট কেমু বাংলাদেশের এক জরিপের ফলাফলে এমনটি দাবি করা হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে প্রতিটি ক্ষণস্থায়ী প্রান্তিকে ই-কমার্স লেনদেন সূচকে ১০ শতাংশ বৃদ্ধির উপর ভিত্তি করে এ গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ই-কমার্সের জন্য একটি সম্ভাবনাময় দেশ বাংলাদেশ। এখানে বিপুল সংখ্যক তরুণ রয়েছে। একইসঙ্গে নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও অনেক বেশি। ই-কমার্সের মাধ্যমে দেশের বাজার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত লেনদেনেও লাভবান হবে বাংলাদেশ।
ভোক্তার সঙ্গে খুচরা বিক্রেতার যোগাযোগ ক্ষমতার ওপর আন্তঃসীমান্ত ই-কমার্সের টেকসই প্রবৃদ্ধি, দ্রুত সম্প্রসারণ নির্ভরশীল। তাই যোগাযোগ নিশ্চিত করতে ডিএইচএলের মতো কুরিয়ার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানও সরাসরি ভোক্তাদের কাছে সেবা দিতে ই-কমার্স খাতে বিনিয়োগ করছে। ডিএইচএল জানায়, স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক অনেক কোম্পানি বাংলাদেশের উদীয়মান ই-কমার্স বাণিজ্যে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। তবে ই-কমার্স সাইটগুলো ক্রমাবর্ধমান ক্রেতার চাহিদা পূরণের মাধ্যমে এ শিল্পের প্রবৃদ্ধির জন্য কার্যকর চালান এবং গুদাম ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করতে হবে। ভবিষ্যতে সর্বোত্তম পরিবহন, উন্নত বিতরণ অভিজ্ঞতা, বিক্রয় আদেশ ব্যবস্থাপনা, পণ্যের দৃশ্যমান তালিকা এবং আয় ব্যবস্থাপনার ওপর ই-কমার্সের সফলতা নির্ভর করবে। একইসঙ্গে উদীয়মান অনলাইন বাজারের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে প্রত্যেক ক্রেতার জন্য সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে ই-কমার্স খাতে প্রবৃদ্ধির হার ২৮ শতাংশ। এশিয়া মহাসাগর অঞ্চলের দেশ চীন, ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০১৫ সালে অনলাইনে মোট ৭৩ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের বাণিজ্য হয়েছে। যা ইউরোপ ও আমেরিকার মোট অনলাইন বাণিজ্যের সমান। বাংলাদেশের মতো ই-কমার্স খাতে উদীয়মান কয়েকটি দেশে এ খাতের প্রবৃদ্ধি দ্রুত বাড়ছে।

পশ্চিমা দেশ এবং এশিয়া মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও অনলাইনে কেনাকাটা অনেক বেড়েছে। দেশে ইন্টারনেটের ব্যবহারের হার অবিশ্বাস্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই এটি হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় আগামী এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশে ই-কমার্স লেনদেন ৭২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে। ই-কর্মাস অনলাইনে কেনাকাটার ওয়েবস...

24/11/2016

কাজের সংকট নয় সংকট দক্ষ ওয়েব ডেভেলপারের

রাসেল আহমেদ, দেশের অন্যতম একজন সেরা ওয়েব ডেভেলপার। ২০০৮ সাল থেকে তিনি এই পেশার সাথে সম্পৃক্ত আছেন। ২০১৩ সালে তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি “বেসিস ডিস্ট্রিক অ্যাওয়ার্ড” লাভ করেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্র্রের একটি সুনামধন্য কোম্পানিতে লিড ডেভেলপার হিসেবে কাজ করছেন। নিজে সাফল্যের সাথে কাজ করার পাশাপাশি নতুনদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য ২০১১ সালে গড়ে তুলেছেন আইটি প্রতিষ্ঠান আর আর ফাউন্ডেশন। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ওয়েব ডেভেলপমেন্টের নানা দিক নিয়ে দৈনিক ইনকিলাবের সাথে কথা হয় এই ওয়েবসাইট নির্মাতার। তার সাথে কথোপকথনে ছিলেন নুরুল ইসলাম।

ইনকিলাব : ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কী এবং এর কাজ কী?
রাসেল আহমেদ : দৈনন্দিন কাজের জন্য আমরা কম্পিউটারে অনেক ধরনেরই সফটওয়ার ব্যবহার করি। ইন্টারনেট ব্যবহারের ভিত্তিতে সফটওয়ারগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়, একটি হলো অনলাইন সফটওয়ার, আরেকটি অফলাইন সফটওয়ার। যেসব সফটওয়ার অনলাইনে কাজ করে তাদেরই মূলত ওয়েবভিত্তিক সফটওয়ার বলে। ওয়েবভিত্তিক সফটওয়ার আবার অনেক ধরনের হয়। মূলত যেসব সফটওয়ার বা অ্যাপ্লিকেশন এইচটিটিপি (যঃঃঢ়) প্রটোকলে চলে তাদের ডেভেলপমেন্ট কাজকেই বলে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ওয়েব ডেভেলপমেন্টের প্রধান কাজ হচ্ছে কোডিংয়ের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের জন্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন এবং পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট তৈরি করা। অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের এবং বিভিন্ন ডিজাইনের ওয়েবসাইট আছে। এসব ওয়েবসাইটের কাজও একেক রকম। কোন ওয়েবসাইট দিয়ে খবর পড়ি, কোন ওয়েবসাইটে বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করি আবার কোন ওয়েবসাইটে পরীক্ষার ফলাফল দেখি। এরকম আমাদের নানান দৈনন্দিন কাজের সাথে জড়িয়ে আছে হাজারো ওয়েবসাইট। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি মিনিটে ৭০টি ওয়েব ঠিকানা নিবন্ধিত হয় এবং প্রতি দশ মিনিটে প্রায় ৫২০০+ ওয়েবসাইট তৈরি হয়।

ইনকিলাব : আপনি কখন এবং কীভাবে এই কাজের সাথে যুক্ত হলেন?
রাসেল আহমেদ : অনলাইন থেকেই ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট শেখার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। গ্রামে থাকার কারণে সেখানে এটা শেখার ভালো কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যবস্থা ছিল না। ইন্টারনেটের সমস্যা তো ছিলই। সব মিলিয়ে আমার ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শেখার পথটা মসৃণ ছিল না। প্রথমে টেক্সট টিউটোরিয়াল পরে বিভিন্ন বিদেশি এক্সপার্টদের ভিডিও টিউটোরিয়াল, ফোরাম দেখে দেখে আস্তে আস্তে কাজ শিখতে শুরু করলাম। এভাবে শেখার পরিধি বাড়ার সাথে সাথে শেখার উৎসগুলোও খুঁজে পেলাম। সেগুলো থেকে ধীরে ধীরে নিজেকে তৈরি করে নিলাম। প্রথমে ছোট্ট ছোট্ট কাজ দিয়ে শুরু। এখনও প্রতিনিয়ত কাজ করছি আর নতুন নতুন অনেক কিছু শিখছি। কারণ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে শেখার কোনো শেষ নেই।

ইনকিলাব : এই সেক্টরে কাজ করার জন্য কী ধরনের প্রাথমিক জ্ঞান প্রয়োজন?
রাসেল আহমেদ : ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রাথমিক জ্ঞান বলতে কম্পিউটার আর ইন্টারনেট ব্যবহার জানলেই চলবে। তবে যারা এই সেক্টরে আসতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আমি প্রথমেই বলবো আপনারা কাজের ক্ষেত্র বাছাই করে নেওয়ার আগে নিজেরাই একটু রিসার্চ করে নিন। অনলাইন থেকেই আপনার শেখাটা শুরু হতে পারে। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে হলে আপনাকে প্রথমে এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট, পিএইচপি শিখতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে এই বিষয়গুলোতে এক্সপার্ট হতে হবে। ইউটিউবে প্রচুর টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়। একটু এডভান্স হওয়ার পর কোড একাডেমি বা টুটপ্লাস থেকে শিখতে পারেন। আমাদের দেশেই শেখার জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা খুব ভালো শেখায়। ভর্তি হওয়ার আগে অন্যদের কাছ থেকে জেনে নিবেন তারা কেমন শেখায়। যে কোন প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার আগে অনলাইন থেকে বেসিকটা শিখে গেলে ভালো হবে। ইউটিউবে প্রচুর টিউটোরিয়াল পাবেন। বাংলা এবং ইংরেজিতে। প্রথমে বাংলাতে দেখুন। কিন্তু অ্যাডভান্স জানতে হলে ইংরেজির বিকল্প নেই। তাই ইংরেজিগুলোও দেখুন। আর টিউটোরিয়ালগুলো অত্যন্ত মনযোগ দিয়ে দেখতে হবে। একটা সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, সংগ্রহ করা টিউটোরিয়াল অনেকেই মনযোগ দিয়ে দেখেন না। সবসময় মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে, এটা তো আমার কাছে আছেই পরে দেখলেই তো হবে। এই পরে কিন্তু আর কখনও হয় না।

ইনকিলাব : নির্ভরযোগ্যতা ও স্থায়িত্বের বিচারে ক্যারিয়ার হিসেবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কেমন?
রাসেল আহমেদ : অতীতে শুধুমাত্র বড় বড় কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানেরই ওয়েবসাইট থাকতো। কিন্তু এখন দিন বদলে গেছে। বর্তমান যুগ হলো অনলাইনের যুগ। এখন কোম্পানির ইনফরমেশন থেকে শুরু করে কোম্পানির সার্ভিস, বিভিন্ন পণ্যগুলোও অনলাইনে বিক্রয় করছে। ব্যক্তি জীবনে পাসপোর্ট বানানো, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, পরীক্ষার ফলাফল দেখা থেকে শুরু করে ব্যক্তি পর্যায়েও ওয়েবসাইট হচ্ছে। এমনকি শিশুদের জন্যও রয়েছে বিশেষায়িত ওয়েবসাইট। জীবনের প্রত্যেকটা কাজেই আমরা ওয়েবসাইটের সাহায্য নিচ্ছি। প্রতিদিনই নতুন নতুন চাহিদার ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। এই চাহিদা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। তাই নির্ভাবনায় বলা যায় যে, ক্যারিয়ার হিসেবে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের ব্যাপক চাহিদা আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

ইনকিলাব : এখানে খ-কালীন কাজের সুযোগ কতটুকু?
রাসেল আহমেদ : চাকরি বা পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ শেখা শুরু করা যেতে পারে। তবে খ-কালীন কাজ শেখার সময় আরেকটা বিষয় খেয়াল রাখা উচিত সেটা হলো কাজ শেখার সময় আপনার বর্তমান কাজের যেন কোন ক্ষতি না হয়। আপনাকে ব্যালেন্স করে চলতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় চাকরি বা পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ শিখতে এসে পড়াশোনা বা চাকরিতে অসুবিধা হয়, আবার কাজ শেখাও হয়ে উঠে না। আপনাকে শেখার জন্য যে প্রতিদিন অনেক সময় দিতে হবে তা না। প্রতিদিন আপনি দুই ঘণ্টা করে সময় দিন। কিন্তু নিয়মিত সময় দিতে হবে। একদিন ৮ ঘণ্টা আর পরের ৪/৫ দিন বাদ রাখলেন তা হবে না। এভাবে ১ বছরের কাজ যদি ২ বছরেও শেখেন তাতে সমস্যা নেই। এভাবে নিয়মিত কাজ শেখার পর আস্তে আস্তে দেখবেন কাজ পেয়ে যাচ্ছেন। কাজের পারিশ্রমিক আসতে শুরু করলেই আপনি সিন্ধান্ত নিতে পারবেন যে, বর্তমান চাকরিটা রাখবেন কিনা। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেসগুলোতে ক্রিয়েটিভ ওয়েবসাইট ডেভেলমেন্ট করার জন্য প্রতিটি সাইটে ২০০ ডলার থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। দেশীয় ওয়েব সাইটগুলো তৈরির জন্য ১০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ টাকা দেয়া হয়। সুতরাং এই পেশাটাকে যেকেউ খ-কালীন হিসেবেও নিতে পারেন।

ইনকিলাব : প্রতি মাসে এখান থেকে কত টাকা আয় করা যাবে?
রাসেল আহমেদ : আসলে এই সেক্টরের আয়টা নির্ভর করবে আপনার কাজের দক্ষতার উপর। দক্ষতা বেশি থাকলে আয় বেশি হবে, দক্ষতা কম থাকলে আয় কম হবে। দেশীয় বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারবেন। অথবা নিজেই কোন ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করতে পারবেন। তবে বর্তমানে মার্কেটপ্লেসে প্রচুর প্রতিযোগিতা হয়। প্রথমেই মার্কেটপ্লেস থেকে কাজ পেতে হয়তো সময় লাগবে। তাই এই সময়ে আপনি যে কোন কোম্পানিতে ইন্টার্ন করতে পারেন। এতে হাত খরচ হিসেবে টাকা পাবেন অপরদিকে আপনার দক্ষতার ঝুলিও ভারী হবে। বর্তমানে দেশীয় কোম্পানিতে একজন ইন্টার্ন ডেভেলপার ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বেতন পান। কিছুদিন চাকরি করার পর ন্যূনতম বেতন হয় ২০-৩০ হাজার টাকা। আস্তে আস্তে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন জাভাস্ক্রিপ্ট, পিএইচপি, রুবি ইত্যাদিতে দক্ষতা আনতে পারলে দেশীয় কোম্পানিতেই ১ থেকে দেড় লাখ টাকা বেতন পাওয়া যায়। আর বাইরের মার্কেটপ্লেসে আয়টা তুলনামূলক বেশি হয়। তবে মার্কেটপ্লেসের আয় কখনো একই থাকে না। মনে রাখবেন মার্কেটপ্লেস শুধুমাত্র দক্ষদের জন্যই। একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার মার্কেটপ্লেস থেকেই ১ থেকে ৫ এমনকি কখনো কখনো ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রতি মাসে আয় করতে পারবেন। দক্ষ ওয়েব ডেভলপার হলে তার জন্য কাজের কোন অভাব থাকে না। কারণ দেশে-বিদেশে ওয়েব ডেভলপিংয়ের কাজ আছে প্রচুর কিন্তু সংকট শুধু দক্ষ ডেভলপারের।

ইনকিলাব : কীভাবে কাজ করলে নবীনরা ওয়েব ডেভেলপমেন্টে সফল হতে পারবে?
রাসেল আহমেদ : নবীনদেরকে যথেষ্ট ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে। অধৈর্য হলে ওয়েব ডেভলপমেন্ট শেখা যাবে না। এ বিষয়ক প্রচুর বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সময় নষ্ট করা যাবে না। তবে সোস্যাল সাইটে যাওয়া যাবে, সেটা হবে স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য। ফেইসবুকে প্রায় শ’ খানেক স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য গ্রুপ আছে। যেখানে প্রশ্ন করলে আপনি সাথে সাথেই সেই প্রশ্নের উত্তর পাবেন। আপনি সেখানে আপনার প্র্যাকটিসের কাজ শেয়ার করে অভিজ্ঞজনের মতামত নিতে পারেন। সর্বোপরি কমিউনিটির সাহায্য নিলে একদিকে আপনার যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়বে অপরদিকে আপনার বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত উত্তর পাবেন। কাজ শিখতে হবে স্টেপ বাই স্টেপ। কোনটা না পারলে স্কিপ করে আরেকটা ধরা যাবে না। প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় রাখতে হবে স্কিল বিল্ডিংয়ের জন্য। কারণ এগুলো চর্চা না থাকলে ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই প্রতিনিয়ত একনিষ্ঠতার সাথে কাজ করে যেতে পারলেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব হবে।

ইনকিলাব : যারা এই সেক্টরে কাজ করতে আগ্রহী তাদেরকে আপনি কী পরামর্শ দেবেন?
রাসেল আহমেদ : যারা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে আগ্রহী তাদেরকে বেশ কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। সেগুলো হলো- স্রোতে গা ভাসাবেন না। আপনি জানার চেষ্টা করুন আপনার কোনটা ভালো লাগে বা কোনটাতে কাজ করতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কোনটা করলে তাড়াতাড়ি ইনকাম করা যায়, কোনটা করলে বেশি ইনকাম হবে এটা ভুলে যান। মার্কেটপ্লেসে এমনও লোক দেখা গেছে যে, এক্সেলের কাজ করে ৭০ ডলার পার আওয়ার ইনকাম করে। কিন্তু দেখা যায় যে, একজন সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারও এমন ইনকাম করতে পারেন না। দক্ষতা থাকলে যে কোন সেক্টরেই ভালো করা সম্ভব। সেটা হোক ফ্রিল্যান্সিংয়ে বা মাটি কাটায়। পত্রিকায়, ফেইসবুকে বা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানতে পারলেন ওয়েব ডিজাইন কাজের প্রচুর চাহিদা। এখান থেকে প্রচুর টাকা আয় করা যায়। তাই সাত-পাঁচ না ভেবেই শেখা শুরু করে দিলেন। পরে দেখলেন এটা আপনার কাজ না। তাই ট্রেন্ড থেকে দূরে থাকুন। কারণ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট একটি সৃষ্টিশীল কাজ। আপনি মানসিকভাবে সৃষ্টিশীল না হলে আপনার পক্ষে এটা শিখেও সফল হওয়া সম্ভব হবে না। তবে চেষ্টা করলে মানুষের অসাধ্য কিছুই নেই- এটাও সত্য। তাই নবীনদের বলবো, সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে একটু ভেবে নিবেন।

23/11/2016

"There's no better way to learn the mechanics and culture of the web than by playing around and hacking it in a safe, fun environment."
– Lifehacker

মাইক্রোসফটের নান্দনিক চমক ‘সারফেস স্টুডিও’মাইক্রোসফট ‘সারফেস’ সিরিজে যোগ হলো নতুন অল-ইন-ওয়ান ডেস্কটপ পিসি। মাইক্রোসফটের ...
19/11/2016

মাইক্রোসফটের নান্দনিক চমক ‘সারফেস স্টুডিও’

মাইক্রোসফট ‘সারফেস’ সিরিজে যোগ হলো নতুন অল-ইন-ওয়ান ডেস্কটপ পিসি। মাইক্রোসফটের করপোরেট ভাইস প্রেসিডেন্ট (ডিভাইস) প্যানোস প্যানে বুধবার নিউইয়র্কে নিউজ কনফারেন্সে তুলে ধরেন নতুন এ নান্দনিক চমক ‘সারফেস স্টুডিও’।

‘টার্ন ইওর ডেস্ক ইনটু এ স্টুডিও’ - থিমের ওপর ভিত্তি করেই তৈরি হয়েছে ‘সারফেস স্টুডিও’। আর এ কথার প্রমাণ মিললো ‘সারফেস’ ইউটিউব চ্যানেলে জুড়ে দেয়া ভিডিওতে।

নতুন অল-ইন-ওয়ান পিসির সঙ্গে টেকপ্রেমীদের পরিচয় করিয়ে দিতে মাইক্রোসফট তাদের ‘সারফেস’ ইউটিউব চ্যানেলে বুধবার রিলিজ করেছে ‘ইনট্রোডিউসিং মাইক্রোসফট সারফেস স্টুডিও’। একদিনেই ভিউয়ার ৩২ লাখের বেশি।

প্রফেশনাল ক্রিয়েটিভ ডিজাইনার, ইঞ্জিনিয়ারদের কথা ভেবে বানানো হয়েছে ‘সারফেস স্টুডিও’। কিন্তু ইউটিউবে ভিডিও দেখলে চোখ ফেরাতে পারবে না কেউ-ই। নিজের টেবিলে সবাই পেতে চাইবেন নান্দনিক ডিজাইন এবং চমৎকার কনফিগারেশনের ‘সারফেস স্টুডিও’।

নতুন অল-ইন-ওয়ান এ পিসির সঙ্গে ব্যবহারের জন্য একেবারে নতুন একটি ইনপুট ডিভাইসও থাকছে। এটির নাম ‘ডায়াল’। ভিডিওতে ডায়ালের কারিশমা দেখে অভিভূত হবে যে কেউ। ডিজাইনাররা এটি দিয়ে মনের মাধুরী আরো সহজে, আরো বেশি করে মেশাতে পারবেন তাদের ক্রিয়েটিভ যে কোনো কাজে। দাম ৯৯.৯৯ ডলার। এটি পেতে চাইলে অর্ডার দিতে হবে আগে।

নিজেদের ওয়েবসাইটে মনোমুগ্ধকর এ অল-ইন-ওয়ান পিসির ৩টি ভার্সনের ‘সারফেস স্টুডিও’র ‘প্রি-অর্ডার’ নিচ্ছে মাইক্রোসফট। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অর্ডার নেবে মাইক্রোসফট, আর ‘সারফেস স্টুডিও’ হাতে পাওয়া যাবে আসছে বছরের শুরুতে।

‘সারফেস স্টুডিও’তে ব্যবহার করা হয়েছে ২৮ ইঞ্চি পিক্সেলসেন্স ডিসপ্লে। রেজোল্যুশন ৪৫০০x৩০০০ (১৯২ ডিপিআই) এবং কালার সেটিংস- অ্যাডোবি এসআরজিবি, ডিসিআই-পিথ্রি এবং ভিভিড কালার প্রোফাইলস। আছে টেন-পয়েন্ট মাল্টি টাচ এবং অ্যাসপেক্ট র‌্যাশিও ৩:২।

এটির প্রসেসর ইন্টেল কোয়াড-কোর সিক্সথ জেনারেশন, ভার্সনভেদে কোর আই ৫ এবং ইন্টেল কোর আই ৭।

‘সারফেস স্টুডিও’র গ্রাফিক্স সমৃদ্ধ করেছে এনভিডিআইএ জিফোর্স গ্রাফিক্স কার্ড। ১টি ভার্সনে ব্যবহার করা হয়েছে এনভিডিআইএ জিফোর্স জিটিএক্স ৯৬৫এম ২জিবি জিপিইউ জিডিডিআর৫ এবং অন্য দু’টিতে এনভিডিআইএ জিফোর্স জিটিএক্স ৯৮০এম ৪জিবি জিপিইউ জিডিডিআর৫।

স্টোরেজের জন্য আছে ১ টেরাবাইট/২ টেরাবাইট হাইব্রিড ড্রাইভ। আর র‌্যাম আছে ৮জিবি, ১৬জিবি বা ৩২জিবি। ওয়্যারলেস সুবিধা হিসেবে আছে ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ৪.০, এক্সবক্স ওয়্যারলেস।

তিন ভার্সন এবং দাম-

১ টেরাবাইট হার্ডডিস্ক, ইন্টেল কোর আই ৫ প্রসেসর, ৮ গিগাবাইট র‌্যাম, ২ গিগাবাইট গ্রাফিক্সকার্ড - ২,৯৯৯ ডলার (২ লাখ ৪০ হাজার টাকা)

১ টেরাবাইট হার্ডডিস্ক, ইন্টেল কোর আই ৭ প্রসেসর, ১৬ গিগাবাইট র‌্যাম, ২ গিগাবাইট গ্রাফিক্সকার্ড - ৩,৪৯৯ ডলার (২ লাখ ৮০ হাজার টাকা)

২ টেরাবাইট হার্ডডিস্ক, ইন্টেল কোর আই ৭ প্রসেসর, ৩২ গিগাবাইট র‌্যাম, ৪ গিগাবাইট গ্রাফিক্সকার্ড - ৪,১৯৯ ডলার (৩ লাখ ৩৬ হাজার টাকা)

https://www.youtube.com/embed/BzMLA8YIgG0

Microsoft Surface Studio is a new category of device, designed to put you at the center of the creative process. Turn your desk into a Studio. Learn more: ht...

12/11/2016

=======Is my smartphone making me stupid?=======

# Are we dialing it down?

Smartphones have become the media device of choice for the vast majority of people around the world. From social media to watching video clips, internet banking to keeping up to date with news, taking selfies to playing games, our smartphones provide us with our media needs – and all in the palm of our hands.
But can you have too much of a good thing? You only have to look around to see swathes of people with their faces glued to their smartphone screen, seemingly oblivious to everything else around them.
But is that to our detriment? By being constantly engaged with our technological friend, are we missing out on other things? Could we be learning and developing other skills better rather than relying on everything at the touch of a screen? Is our intelligence and its advancement suffering?

# Lazy brains

According to a study by the University of Waterloo in Ontario, smartphones are making it easier for us to avoid thinking for ourselves.

In 2015, researchers found that smartphone users who are intuitive thinkers (meaning they are more likely to rely on gut feelings and instincts when making a decision) would frequently make use of their phone’s search engine to find a solution rather than their own brainpower.
According to the study’s co-lead author Gordon Pennycook, this means people “may look up information that they actually know or could easily learn, but are unwilling to make the effort to actually think about it”.
Analytical thinkers, however, are more prone to second-guess themselves and analyse a problem more logically. These type of smartphone users spent less time using their devices search engine, the study found.

# Lowered intelligence

According to Pennycook, the research “provides support for an association between heavy smartphone use and lowered intelligence”.
He added, however, that it was an “open question” whether or not smartphones actually decreased intelligence, and further study was needed.
The study’s other co-lead author, Nathaniel Barr, pointed out that “our reliance on smartphones and other devices will likely only continue to rise”.
According to “decades of research”, Barr added, “human are eager to avoid expending effort when problem-solving and it seems likely that people will increasingly use their smartphones as an extended mind”.

10/11/2016

স্মার্টসিটি গড়তে হ্যাকাথন

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে স্মার্টসিটি সমাধান নিয়ে হ্যাকাথন প্রোগ্রাম। প্রেনিউর ল্যাব ও গ্রামীণফোনের উদ্যোগ হোয়াইট বোর্ডের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানটি ১১ থেকে ১২ নভেম্বর গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ৩৬ ঘণ্টার এ স্মার্টসিটি হ্যাকাথনে তরুণেরা বিভিন্ন উদ্ভাবনী ধারণার মাধ্যমে ঢাকা শহরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন।

গ্রামীণফোন সূত্রে জানা গেছে, স্মার্টফোন হ্যাকাথনে ৪৩০টি দল নিবন্ধন করেছে। এর মধ্যে বাছাইকৃত ৩০টি দল মূল পর্বে অংশ নিচ্ছে। স্মার্টসিটি হ্যাকাথনের উদ্দেশ্য হচ্ছে, প্রতিভা শনাক্ত করা ও বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়ে তরুণদের ধারণাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা গ্রামীণফোনের কার্যালয় জিপি হাউসে তিন মাস কাজ করার সুযোগ, ছয় মাসের স্টার্টআপ মেন্টরশিপ ও ইনকিউবেশন সহযোগিতা। উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবসায়িকভাবে সফল করতে মোট পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান পাওয়ার সম্ভাবনাও থাকবে। মূলত স্যানিটেশন, পরিষ্কার রাস্তাঘাট ও সবুজ পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে ক্লিন সিটি, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ইফিসিয়েন্ট লিভিং, শহর ব্যবস্থাপনা আরবান ম্যানেজমেন্ট, শহরের বস্তিবাসীর জন্য সুষ্ঠু ও উন্নত জীবনব্যবস্থা বেটার স্লাসন, ট্রাফিক ও ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থাপনা ট্রাফিক অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট, নারীদের জন্য নিরাপদ শহর সিটি ফর উইমেন, লাইফস্টাইল, সহজ যোগাযোগব্যবস্থা টাউন হল, শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য সুন্দর ও নির্মল শহর ফিউচার সিটিজেন এবং গতানুগতিক চিন্তা থেকে বেরিয়ে এসে ভিন্নধর্মী উদ্ভাবন ওপেন আইডিয়াজ নিয়ে কাজ করবে অংশগ্রহণকারী দলগুলো।

এ নিয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের এই আয়োজন তরুণ প্রযুক্তিবিদ ও উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করবে। এই হ্যাকাথনের মাধ্যমে মেধাবী তরুণেরা ঢাকা শহরকে আরও নাগরিকবান্ধব করে তুলতে নানা ডিজিটাল সমাধান নিয়ে আসবেন।

সুত্রঃ প্রথম আলো

08/11/2016

তথ্য-প্রযুক্তি (আইটি) খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য আরও সুযোগ সুবিধা আসছে।
বিশ্বমানের উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের সহায়তা দিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে হাইটেক পার্ক এবং যশোর হাইটেক পার্কে প্রায় ২৫ হাজার বর্গফুট জায়গা দেওয়া হবে।
আইসিটি ইনকিউবেটর ডিজিটাল উদ্যোক্তা তৈরির একটি প্ল্যাটফর্ম। এটি তরুণদের ক্ষমতায়ন, কাজের সুযোগ প্রদান এবং বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতি ও সমাজে কাজের সুযোগ-সুবিধা প্রদানের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।
বিশ্বমানের উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের সহায়তা দিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংকের সহায়তায় রাজধানীর জনতা টাওয়ারে স্থাপিত আইসিটি ইনকিউবেটর চালু করা হয় গত জুলাই মাসে।
“এখানে যে স্টাটআপরা কাজ করছে তারা ব্যাংকিং, শিক্ষা, স্বাস্থ্য কৃষিখাতসহ অন্যান্য খাত নিয়ে কাজ করছে। স্থানীয় অভিজ্ঞতা নিয়ে তারা বৈশ্বিক ব্যবসায় যাচ্ছে।
“শুরুর কয়েকমাস পর আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলতে পারি যে দশজন স্টার্টআপ যে উদাহারণ রেখে যাবে, ভবিষ্যতের উদ্যেক্তারা আরো বড় বড় স্বপ্ন দেখার উৎসাহ পাবে।”
“এখানে শুধু স্টার্টআপদের অফিস স্পেস দেওয়া হয়েছে, এর বাইরে আরো পরিকল্পনা আছে এর মেন্টরিং, ফাইন্যান্সিং ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানির সাথে এদের যুক্ত করে দেওয়াসহ অন্যান্য সুযোগ দিয়ে আরো বড় কোম্পানিতে নিয়ে যেতে চাই।”
“কালিয়াকৈরে হাইটেক পার্ক ৩০ হাজার স্কয়ার ফুট এখন তৈরি রয়েছে, সেখানে কিছু প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি যাবে। পাশাপাশি স্টার্টআপদেরও খুব কমমূল্যে জায়গা দেওয়া হবে।”
যশোরে দুই লাখ ৩২ হাজার স্কয়ার ফুট জায়গায় ১৫ হাজার স্কয়ার ফুটের একটি ফ্লোর পুরোটাই এবং কালিয়াকৈরে হাইটেক পার্কে ১০ হাজার স্কয়ার ফুট স্টার্টআপদের দিয়ে দেওয়া হবে।
ইনকিউবেটর পরিদর্শনকালে ভিম্পেলকম গ্লোবাল এর চিফ অফ ইমার্জিং মার্কেট জন এডি বলেন, “ভিম্পেলকম বিশ্বাস করে যে, ডিজিটাল অগ্রযাত্রা কেবল জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই নয়, বরং এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতিতেও বিশেষ অবদান রাখে। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, এই স্টার্ট-আপগুলো বাংলাদেশকে ডিজিটাল জাতিতে রূপান্তরে একটি চমক সৃষ্টি করবে।”

03/11/2016
One way you can really look after yourself is by getting enough 💤
02/11/2016

One way you can really look after yourself is by getting enough 💤

Address

Green Road
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 10:00 - 19:00
Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Friday 10:00 - 19:00
Saturday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chy I T Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Chy I T Solution:

Share