রোদারপুড্ডা দরবার শরিফ

Call Directions Website

রোদারপুড্ডা দরবার শরিফ (ঐতিহ্যবাহী রোদারপুড্ডা কাদরীয়া চিশতীয়া মোজাফফরীয়া দরবার শরিফ) জারইতলা, নিকলী, কিশোরগন্জ।

23/09/2026
সকলের প্রতি ঈমানী দাওয়াত রহিলো।
21/09/2026

সকলের প্রতি ঈমানী দাওয়াত রহিলো।

শাদদাদ ইবনু আউস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বুদ্ধিমান ব্যক্তি সেই, যে নিজেকে ...
19/09/2026

শাদদাদ ইবনু আউস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বুদ্ধিমান ব্যক্তি সেই, যে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং মৃত্যুর পরবর্তী জীবনের জন্য আমল করে। আর অক্ষম বা দুর্বল ব্যক্তি সে, যে নিজের নফসকে প্রবৃত্তির অনুসরণ করতে দেয় এবং আল্লাহর কাছে বিভিন্ন আশা-আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে। এই হাদিসটি মুমিন জীবনের শ্রেষ্ঠ দিকনির্দেশনা হিসেবে গণ্য। এখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই ব্যক্তিকে প্রকৃত প্রজ্ঞাবান বা বুদ্ধিমান হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যে ব্যক্তি দুনিয়ার জীবনে নিজের কাজের হিসাব নেয় এবং সর্বদা নিজের ভুলত্রুটি সংশোধন করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে। মুহাসাবা বা আত্মপর্যালোচনা কেবল একটি আনুষ্ঠানিক কাজ নয়, বরং এটি একজন মুমিনের ঈমানের গভীরতার পরিচয় বহন করে। আসরের এই শান্ত বিকেলে যখন দিনের সূর্য হেলে পড়ছে, তখন আমাদের উচিত দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের প্রতিটি কাজের দিকে একবার ফিরে তাকানো। আমাদের প্রতিটি কথা, প্রতিটি কাজ কি আল্লাহর সন্তুষ্টির উপযোগী ছিল? যদি আমরা নিজের হিসাব নিজেই নিয়ে নেই, তবে কিয়ামতের ময়দানে কঠিন বিচারের সম্মুখীন হওয়ার সময় আমাদের জন্য তা সহজ হয়ে যাবে। যে ব্যক্তি নিজের প্রবৃত্তিকে শাসন করে, সে প্রকৃতই সফল।

সূত্র:জামে আত-তিরমিযী ২৪৫৯, ইবনু মাজাহ ৪২৬০।

মূল বিষয়:
✧ প্রকৃত বুদ্ধিমান তারাই যারা দুনিয়াতে থাকতেই নিজেদের কৃতকর্মের হিসাব নিকাশ করে এবং পরকালের পাথেয় সংগ্রহে ব্যস্ত থাকে। ✧ প্রবৃত্তির দাসত্ব থেকে মুক্তি এবং নফসকে আল্লাহর অনুগত করাই হলো মুমিনের প্রকৃত কামিয়াবি বা সফলতার মূল চাবিকাঠি। ✧ যে ব্যক্তি নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে না এবং কেবল অলীক আশায় বিভোর থাকে, সে আল্লাহর কাছে অক্ষম ও ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে গণ্য হবে।
#রোদারপুড্ডা_দরবার_শরিফ

18/09/2026

জুমআর দিনে - মুর্শিদ কিবলা
#রোদারপুড্ডা_দরবার_শরিফ

মাওলানা মোজাফফর হোসাইন (রহ.)- রোদারপুড্ডা দরবার শরিফ নিকলী কিশোরগঞ্জ ===============================‎‎জ্ঞান, প্রজ্ঞা, আম...
15/09/2026

মাওলানা মোজাফফর হোসাইন (রহ.)
- রোদারপুড্ডা দরবার শরিফ নিকলী কিশোরগঞ্জ
===============================
‎
‎জ্ঞান, প্রজ্ঞা, আমল-আখলাক ও নৈতিক আদর্শে যিনি ছিলেন আমাদের পরিবারের গর্ব এবং এলাকার মানুষের শ্রদ্ধার পাত্র
‎প্রিয় দাদা মরহুম মাওলানা মোজাফফর হোসাইন (রহ.) আজ আমাদের মাঝে শারীরিকভাবে উপস্থিত নেই। কিন্তু তাঁর জ্ঞান, প্রজ্ঞা, আমল-আখলাক, নৈতিক আদর্শ, স্নেহ ও ভালোবাসার স্মৃতি আজও আমাদের হৃদয়ে অমলিন।
‎
‎সময় তার নিজস্ব নিয়মে অনেক কিছু মুছে দেয়, অনেক মুখ বিস্মৃতির আড়ালে হারিয়ে যায়। কিন্তু কিছু মানুষ তাঁদের জ্ঞান, কর্ম, চরিত্র, আদর্শ ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নেন। প্রিয় দাদা মরহুম মাওলানা মোজাফফর হোসাইন (রহ.) ছিলেন তেমনই একজন আলোকিত মানুষ।
‎
‎তিনি ছিলেন নিকলী ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের একজন খ্যাতিমান, বিদ্বান ও প্রজ্ঞাবান আলেম। ইলমে দ্বীন, আমল-আখলাক, তাকওয়া, নৈতিকতা, বিনয় ও উত্তম চরিত্রের সমন্বয়ে তিনি নিজেকে এমন এক আদর্শিক ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিলেন, যার জ্ঞান ও নৈতিক প্রভাব তাঁর সময়কে অতিক্রম করে আজও মানুষের স্মৃতিতে জীবন্ত হয়ে আছে।
‎
‎ #জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়ঃ
‎
‎মরহুম মাওলানা মোজাফফর হোসাইন (রহ.) ১৯০১ সালে কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলার রোদারপুড্ডা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন মোঃ ফাজিল মুন্সি।
‎শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত জ্ঞানপিপাসু, মেধাবী ও অধ্যবসায়ী। নিজ গৃহেই তাঁর পিতা মোঃ ফাজিল মুন্সির নিকট প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি হয়। পরবর্তীতে তিনি কটিয়াদী উপজেলার নোয়াকান্দি এলাকার একটি মাদ্রাসায় কিছুদিন অধ্যয়ন করেন। সময়ের পরিক্রমায় সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির আর কোনো অস্তিত্ব নেই।
‎এরপর তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার মঙ্গলবাড়িয়া আলিয়া মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করেন। সেখানে তাঁর দ্বীনি শিক্ষার ভিত্তি আরও সুদৃঢ় ও বিস্তৃত হয়।
‎
‎ #উচ্চশিক্ষা ও জ্ঞানসাধনাঃ
‎
‎জ্ঞানার্জনের প্রতি গভীর আকাঙ্ক্ষা তাঁকে উচ্চতর দ্বীনি শিক্ষার সন্ধানে তৎকালীন উপমহাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও সংস্কৃতির কেন্দ্র কলকাতায় নিয়ে যায়।
‎তিনি কলকাতা মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করে কৃতিত্বের সঙ্গে কামিল শিক্ষা সম্পন্ন করেন। তাঁর এই উচ্চতর দ্বীনি শিক্ষা পরবর্তী জীবনে তাঁকে একজন সুপণ্ডিত, বিচক্ষণ ও প্রজ্ঞাবান আলেম হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
‎দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের সাধনা তাঁর চিন্তা, মনন ও ব্যক্তিত্বকে সমৃদ্ধ করে। জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা, আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া ও মানবিক মূল্যবোধকে জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গ্রহণ করেন তিনি।
‎তাঁর কাছে জ্ঞান ছিল কেবল অর্জন করার বিষয় নয়; বরং জ্ঞানকে জীবনে ধারণ করা, আমলের মাধ্যমে প্রকাশ করা এবং মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোই ছিল প্রকৃত জ্ঞানচর্চার উদ্দেশ্য।
‎
‎ #ইলম, আমল ও আখলাকঃ
‎
‎মাওলানা মোজাফফর হোসাইন (রহ.)-এর জীবনের অন্যতম উজ্জ্বল বৈশিষ্ট্য ছিল ইলম ও আমলের গভীর সমন্বয়।
‎তিনি শুধু জ্ঞান অর্জন করেই থেমে থাকেননি; বরং অর্জিত জ্ঞানকে নিজের জীবন, আচরণ ও সমাজে বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছেন। ইলমে দ্বীনের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ, তাকওয়া, আমল-আখলাক, বিনয় ও উত্তম চরিত্র তাঁকে একজন আদর্শ আলেমের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছিল।
‎তাঁর ব্যক্তিত্বে জ্ঞান ও প্রজ্ঞার পাশাপাশি ছিল বিনয়, সৌজন্য, নৈতিকতা ও মানবিকতার অপূর্ব সমন্বয়। মানুষের সঙ্গে তাঁর আচরণ ছিল সৌম্য, মার্জিত ও হৃদয়গ্রাহী। তাঁর কথা, ব্যবহার ও জীবনাচরণে ফুটে উঠত দ্বীনি মূল্যবোধ ও মানবিকতার সৌন্দর্য।
‎তিনি বিশ্বাস করতেন। মানুষের প্রকৃত মর্যাদা শুধু তার জ্ঞানের পরিমাণে নয়; বরং সেই জ্ঞান তার চরিত্র ও কর্মে কতটা প্রতিফলিত হয়েছে, তার ওপর নির্ভর করে।
‎
‎ #দ্বীনি ও সামাজিক অবদানঃ
‎
‎নিজ এলাকার মানুষের মাঝে দ্বীনি শিক্ষা, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সৎ ও সুন্দর জীবনযাপনের চেতনা ছড়িয়ে দিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
‎তাঁর জ্ঞান ও প্রজ্ঞার আলোয় বহু মানুষ দ্বীনের শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও আদর্শিক জীবনযাপনের প্রতি অনুপ্রাণিত হন। তিনি মানুষের মাঝে শুধু ধর্মীয় জ্ঞান প্রচার করেননি; বরং সৎ চরিত্র, ন্যায়পরায়ণতা, আত্মসংযম, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও মানবিকতার শিক্ষাও ছড়িয়ে দিয়েছেন।
‎তাঁর ইলম ও ব্যক্তিত্বের সুনাম শুধু নিকলী উপজেলায় সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং আশপাশের বিভিন্ন উপজেলাতেও তাঁর খ্যাতি ও গ্রহণযোগ্যতা বিস্তৃত হয়েছিল। মানুষ তাঁর কাছে দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিক, পারিবারিক ও মানবিক বিষয়ে দিকনির্দেশনা লাভের আশায় আসতেন।
‎ফলে তিনি সর্বমহলের মানুষের কাছে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সম্মানের পাত্রে পরিণত হন।
‎
‎ #তাসাউফ, আত্মশুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক সাধনাঃ
‎
‎জীবনের পরবর্তী পর্যায়ে মাওলানা মোজাফফর হোসাইন (রহ.) তাসাউফ, আত্মশুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক সাধনার প্রতি আরও গভীরভাবে মনোনিবেশ করেন।
‎এই উদ্দেশ্যে তিনি শায়খুল বাঙাল মরহুম মাওলানা আবু মাসাকিন (রহ.)-এর সান্নিধ্য লাভ করেন। তাঁর সান্নিধ্যে থেকে তিনি তাসাউফ, আত্মশুদ্ধি, আত্মসংযম, আধ্যাত্মিক উৎকর্ষ ও নৈতিক সাধনার শিক্ষা গ্রহণ করেন।
‎ইলম, আমল ও আত্মশুদ্ধির এই সমন্বিত সাধনা তাঁর ব্যক্তিত্বকে আরও পরিশীলিত ও আলোকিত করে তোলে। তাঁর জীবন হয়ে ওঠে জ্ঞানচর্চা, দ্বীনদারি, আত্মসংযম, নৈতিকতা ও মানবকল্যাণের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
‎
‎ #ইন্তেকালঃ
‎দীর্ঘ ৮৮ বছরের কর্মময়, জ্ঞানসমৃদ্ধ ও সাধনাময় জীবন অতিবাহিত করে মরহুম মাওলানা মোজাফফর হোসাইন (রহ.) ১৯৮৯ সালে ইন্তেকাল করেন।
‎তাঁর ইন্তেকালে একটি আলোকিত জীবনের অবসান ঘটলেও তাঁর রেখে যাওয়া ইলম, আদর্শ, নৈতিক শিক্ষা ও কর্মের স্মৃতি আজও মানুষের হৃদয়ে জীবন্ত।
‎মানুষ পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়, কিন্তু তার জ্ঞান, চরিত্র, আদর্শ ও কল্যাণকর কর্ম মানুষের মাঝে দীর্ঘকাল বেঁচে থাকে। মাওলানা মোজাফফর হোসাইন (রহ.)-এর জীবন সেই চিরন্তন সত্যেরই এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
‎
‎আল্লাহ তা'আলা প্রিয় দাদাকে ক্ষমা করে দিন, তাঁর কবরকে নূরে পরিপূর্ণ করুন এবং জান্নাতুল ফেরদাউসের সুউচ্চ মাকামে অধিষ্ঠিত করুন। তাঁর সকল নেক আমল কবুল করুন এবং আমাদের সবাইকে তাঁর জন্য সদকায়ে জারিয়া হওয়ার তাওফিক দান করুন।
‎আমিন, ইয়া রব্বাল আলামিন।

⏩⏩ন্যয় পরায়ণ শাসকের জন্য আরশের ছায়া⏸️আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, সাত শ্রেণির মানুষকে আল্...
12/09/2026

⏩⏩ন্যয় পরায়ণ শাসকের জন্য আরশের ছায়া⏸️

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, সাত শ্রেণির মানুষকে আল্লাহ তাআলা তাঁর আরশের ছায়ায় স্থান দেবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ব্যতীত অন্য কোনো ছায়া থাকবে না। এক. ন্যায়পরায়ণ শাসক বা ইমাম। দুই. সেই যুবক যে তার যৌবনকাল আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত করেছে। তিন. সেই ব্যক্তি যার অন্তর সর্বদা মসজিদের সাথে ঝুলন্ত বা সম্পৃক্ত থাকে। চার. এমন দুজন ব্যক্তি যারা পরস্পরকে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই ভালোবাসে, আল্লাহর উদ্দেশ্যেই তারা একত্রিত হয় এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যেই তারা বিচ্ছিন্ন হয়। পাঁচ. এমন একজন ব্যক্তি যাকে কোনো উচ্চবংশীয় সুন্দরী নারী কুপ্রস্তাব দেয়, কিন্তু সে বলে আমি আল্লাহকে ভয় করি। ছয়. এমন একজন ব্যক্তি যে গোপনে দান করে, যার ফলে তার ডান হাত যা খরচ করে তা বাম হাতও জানতে পারে না। সাত. এমন একজন ব্যক্তি যে নির্জনে আল্লাহর জিকির করে এবং তার চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হয়। এই হাদীসটি রাত্রে ঘুমানোর পূর্বে মুমিনের হৃদয়কে আল্লাহর আনুগত্যের পথে দৃঢ় রাখার এবং খিলাফত বা রাষ্ট্র পরিচালনায় ইনসাফের গুরুত্ব উপলব্ধির অপূর্ব প্রেরণা যোগায়।

সূত্র: সহীহ বুখারী ৬৬০, সহীহ মুসলিম ১০৩১।

মূল পয়েন্ট:
✧ ন্যায়বিচারক শাসক বা খলিফা আল্লাহর নিকট অত্যন্ত প্রিয় এবং কিয়ামতের দিন তিনি বিশেষ মর্যাদায় ভূষিত হবেন। ✧ সমাজে ইনসাফ ও সুবিচার কায়েম করা খিলাফতের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব, যা শাসককে আল্লাহর আরশের ছায়ার নিচে স্থান করে দেয়। ✧ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালোবাসা এবং গোপনীয়তা রক্ষা করে ইবাদত ও দান করা মুমিনের ঈমানের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।
#রোদারপুড্ডা_দরবার_শরিফ

10/09/2026

চোখ কানা ও পথ কানা-দুজনই সমান অসহায়।

একজন দেখতে পায় না সুন্দর পৃথিবী, আরেকজন দেখতে পায় না সত্যের আলো।

02/09/2026

টাকা চাই না! পয়সা চাই না চাই শুধু তোমারে....
রোদারপুড্ডা'র বাদশাহ্ বাবা রে......

✍️মুহাম্মদ রিজন হোসাইন...

31/08/2026

কিশোরগন্জ শহরে'র জশনে্ জুলুশ উয্যাপন ২০২৬ইং।।
প্রচারে- কিশোরগঞ্জ জেলা সুন্নি সাইবার টিম।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রোদারপুড্ডা দরবার শরিফ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share