06/01/2026
এই এডমিশন টেস্টের সময়টা আসলে খুব অদ্ভুত এক সময়।
চারপাশে হাজার হাজার শিক্ষার্থী,
কেউ চান্স পাচ্ছে, কেউ পাচ্ছে না।
অথচ না পাওয়াদের অনেকেই হয়তো সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করেছে।
এটা অস্বাভাবিক না, এটাই বাস্তব।
এডমিশন টেস্টে শুধু পরিশ্রম করলেই সবকিছু হয় না,
ভাগ্যও এখানে বড় একটা ভূমিকা রাখে।
একটা প্রশ্ন, একটা মুহূর্তের নার্ভাসনেস,
একটু এদিক-ওদিক...সবকিছু বদলে দিতে পারে পুরো ফলাফল।
এই যে হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন নিজের সাথেই লড়াই করে যাচ্ছে,
হতাশার সাথে, ভয়-এর সাথে,
“আমি কি পারবো?” এই প্রশ্নটার সাথে।
কিন্তু কয়জনই বা তাদের খোঁজ রাখে?
উল্টো অনেকে অপেক্ষা করে থাকে কথা শোনানোর জন্য,
“আর একটু পড়লে হতো”,
“ও তো পারলো, তুমি পারলে না কেন?”
কারও মনে হয় না, হয়তো সে তার সর্বোচ্চটাই দিয়েছে।
আমাদের সমাজটা এমনই আসলে,
এখানে চেষ্টা দেখার চেয়ে ফলাফল দেখতেই সবাই বেশি অভ্যস্ত।
কেউ জানতে চায় না, তুমি কত রাত ঘুমাওনি,
কতবার ভেঙে পড়ে আবার বই খুলে বসেছো,
কতবার নিজের সন্দেহের সাথে যুদ্ধ করেছো।
চান্স পেলে তুমি “মেধাবী”,
আর না পেলে তুমি যেন “অযোগ্য”-এই দু’য়ের মাঝখানে যে সীমাহীন পরিশ্রম,
তা কারও চোখে পড়ে না।
সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো,
এই সময়টায় শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষার সাথেই না,নীরবে লড়াই করে যায় পরিবার, সমাজ আর নিজের ভেতরের অসহায়তার সাথেও!