International Education College

International Education College International Education College (IEC) affiliated with National University which directed by RR foundation (Gov. Reg. No. S-10430),

S-10430), IEC has been Eestablished by privet initiative to provide high-quality professional education in Bangladesh. The specialty of its nature made it a very distinct kind of University level institute in the non-government sector.Some renowned educationists conceived the idea of starting an institute for quality education in the field of BBA & B.Ed From the beginning the academicians, researc

her and non-government organization have been making significant contribution to the betterment of it's position.

আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিতব্য এই প্রোগ্রামে আইইসি আমন্ত্রিত। শিক্ষা শুধু পাঠ্যক্রমের সীমায় আবদ্ধ নয়; শিক্ষা হলো সময়ের সঙ্গে নি...
21/05/2026

আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিতব্য এই প্রোগ্রামে আইইসি আমন্ত্রিত।

শিক্ষা শুধু পাঠ্যক্রমের সীমায় আবদ্ধ নয়; শিক্ষা হলো সময়ের সঙ্গে নিজেকে নতুনভাবে নির্মাণের এক অবিরাম যাত্রা।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে “Inclusion of Skills-based Education in National University Curriculum” শীর্ষক এই জাতীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সেই যাত্রারই এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জ্ঞান, দক্ষতা ও বাস্তবতার সমন্বয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও সক্ষম, মানবিক ও প্রতিযোগিতামুখী করে গড়ে তোলার যে প্রয়াস—এই আয়োজন তারই প্রতিধ্বনি।

এই আমন্ত্রণ শুধু একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আহ্বান নয়; এটি শিক্ষা-চিন্তার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের পথে এক সম্মিলিত অঙ্গীকার। শিক্ষার আলো তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ না থেকে জীবনের প্রয়োগে, কর্মের উৎকর্ষে এবং সমাজের পরিবর্তনে প্রতিফলিত হয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে আমাদের উচ্চশিক্ষাকে আরও বাস্তবমুখী, দক্ষতানির্ভর ও সময়োপযোগী করে তোলার পথে এক আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ।

অশেষ কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা—এই মহতী আয়োজনের জন্য।

#জাতীয়_বিশ্ববিদ্যালয়

প্রিয় প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ,আপনাদের দীর্ঘ অপেক্ষার একটি অধ্যায় এবার পরিণতি পাচ্ছে। অক্লান্ত পরিশ্রম আর প্রশিক্ষণের ভেতর দি...
19/05/2026

প্রিয় প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ,

আপনাদের দীর্ঘ অপেক্ষার একটি অধ্যায় এবার পরিণতি পাচ্ছে। অক্লান্ত পরিশ্রম আর প্রশিক্ষণের ভেতর দিয়ে গড়ে ওঠা সেই সময়ের সাক্ষ্য হিসেবে বহুল কাঙ্ক্ষিত বিএড সার্টিফিকেট আগামী শুক্রবার সকাল ১০:০০টা থেকে বিতরণ করা হবে।

শিক্ষার এই অর্জন শুধু একটি কাগজ নয়, বরং আপনাদের অধ্যবসায়, ধৈর্য ও পরিশ্রমের নীরব স্বীকৃতি।

অধ্যক্ষ
আইইসি, ধানমণ্ডি, ঢাকা।

শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানুষ গড়ার এক গভীর শিল্প।একজন আদর্শ শিক্ষক কখনও কেবল বইয়ের পাঠ শেখান না; তিনি শেখান চিন্...
18/05/2026

শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানুষ গড়ার এক গভীর শিল্প।

একজন আদর্শ শিক্ষক কখনও কেবল বইয়ের পাঠ শেখান না; তিনি শেখান চিন্তা করতে, স্বপ্ন দেখতে, মানুষ হতে। আর সেই শিক্ষক হয়ে ওঠার পথ শুরু হয় শ্রেণিকক্ষের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে— যেখানে একজন প্রশিক্ষণার্থী প্রথমবার বুঝতে শেখেন, একটি পাঠ কেবল শব্দে নয়, উপস্থাপনায়ও জীবন্ত হয়ে ওঠে।

ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়-এ আজ বিএড প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে প্রাকটিস টিচিং প্রদর্শন করেন আইইসি’র ১৮তম ব্যাচের মেধাবী প্রশিক্ষণার্থী মো. আলমগীর হোসেন। এটি ছিল শুধু একটি আনুষ্ঠানিক উপস্থাপনা নয়; বরং একজন ভবিষ্যৎ শিক্ষকের আত্মবিশ্বাস, প্রস্তুতি ও দায়বদ্ধতার প্রতিচ্ছবি।

প্রাকটিস টিচিং একজন শিক্ষককে শেখায়— কীভাবে একটি শ্রেণিকক্ষকে প্রাণবন্ত করতে হয়, কীভাবে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখতে হয়, কীভাবে জ্ঞানের সঙ্গে মানবিকতার সেতুবন্ধন তৈরি করতে হয়। বইয়ের তত্ত্ব তখন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়ায়, আর সেখানেই একজন প্রশিক্ষণার্থী ধীরে ধীরে পরিণত হন সত্যিকারের শিক্ষকে।

যারা এখনো এই গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলনকে হালকাভাবে দেখছেন, তাদের জন্য এটি একটি নীরব বার্তা— একজন দক্ষ শিক্ষক হঠাৎ তৈরি হন না। প্রতিটি সফল উপস্থাপনা, প্রতিটি সংশোধন, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষের অভিজ্ঞতা মিলিয়েই গড়ে ওঠে আগামী দিনের আলোকিত শিক্ষক।

কারণ একজন ভালো শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না; তিনি একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করেন।

© প্রফেসর ড নজরুল ইসলাম খান, অধ্যক্ষ, আইইসি, ধানমন্ডি, ঢাকা।

15/05/2026

কিছু দৃশ্য শুধু চোখে দেখা যায় না, অনুভব করতে হয়।
আজ আইইসি’র বিএড প্রশিক্ষণের পরীক্ষার হলজুড়ে ছিল ঠিক তেমনই এক আবহ—নীরব অথচ গভীর মনোযোগে ভরা।

প্রতিটি মুখে ছিল দায়িত্ববোধের ছাপ, প্রতিটি কলমে ছিল ভবিষ্যৎ শিক্ষক হয়ে ওঠার প্রস্তুতি। কেউ শুধু উত্তর লিখছিল না, তারা লিখছিল নিজেদের আগামী দিনের স্বপ্ন, শ্রেণিকক্ষের প্রতি দায়বদ্ধতা, এবং একজন প্রকৃত শিক্ষকের পথে প্রথম দৃঢ় পদক্ষেপ।

শিক্ষকতা কখনো কেবল পেশা নয়; এটি মানুষ গড়ার শিল্প। আর সেই শিল্পের ভিত তৈরি হয় এমনই কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে, যেখানে অধ্যবসায়, ধৈর্য আর আত্মনিবেদন একসাথে পথচলা শুরু করে।

যারা আজ এই পরীক্ষার অংশ হতে পারেনি, তারা হয়তো একটি পরীক্ষা মিস করেনি মাত্র—মিস করেছে এক অনন্য অভিজ্ঞতা, একটি একাডেমিক আবহ, আর নিজের ভেতরের শিক্ষকসত্তাকে নতুন করে আবিষ্কারের সুযোগ।

আইইসি বিশ্বাস করে, একজন ভালো শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না; তিনি একটি প্রজন্মের চিন্তা বদলে দেন।

© ডক্টর নজরুল ইসলাম খান, অধ্যক্ষ, আইইসি, ধানমণ্ডি, ঢাকা।

13/05/2026

কিছু পেশা আছে, যেগুলো মানুষ শুধু জীবিকার জন্য বেছে নেয় না; বরং ধীরে ধীরে নিজের ভেতরের মানুষটিকেও সেই পেশার আলোয় আবিষ্কার করে। শিক্ষকতা ঠিক তেমনই এক যাত্রা—যেখানে প্রতিদিন মানুষ অন্যকে শেখাতে শেখাতে নিজের ভেতরও নতুন এক বোধের জন্ম হতে দেখে।

শুরুতে একজন প্রশিক্ষণার্থী মনে করেন, শিক্ষক হওয়া মানে হয়তো পাঠ্যবই ভালোভাবে জানা। কিন্তু যখন তিনি প্রথমবার কোনো শ্রেণিকক্ষে দাঁড়ান, তখন বুঝতে পারেন—জ্ঞান একা কখনও যথেষ্ট নয়। একটি ক্লাসরুম আসলে বহু আলাদা মন, বহু ভিন্ন স্বপ্ন আর নীরব সংকোচের সমষ্টি। সেখানে একই বাক্য একজন শিক্ষার্থীর মনে আলো জ্বালায়, আবার আরেকজনের কাছে সেটি শুধুই শব্দ হয়ে থেকে যায়। আর এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো বুঝতে শেখার জায়গাটিই হলো টিচিং প্র্যাকটিস।

এখানে একজন মানুষ শুধু পাঠদান করেন না; তিনি মানুষের মন পড়তে শেখেন। কখন ক্লাসে গতি বাড়াতে হয়, কখন থেমে যেতে হয়, কখন একটি উদাহরণ পুরো বিষয়টিকে সহজ করে দেয়—এসব কোনো বই শেখায় না। এগুলো আসে বাস্তব অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে, শিক্ষার্থীদের চোখের ভাষা পড়ে পড়ে।

প্রথম কিছু দিন ভীষণ অদ্ভুত লাগে। নিজের কণ্ঠস্বরও তখন অপরিচিত মনে হয়। মনে হয়, সবাই যেন তার প্রতিটি ভুল লক্ষ্য করছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ভয় ধীরে ধীরে বদলে যায় এক ধরনের নীরব স্থিরতায়। তখন তিনি বুঝতে শুরু করেন, একজন ভালো শিক্ষক কখনও নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা করেন না; বরং প্রতিদিন একটু বেশি মানবিক, একটু বেশি মনোযোগী হওয়ার চেষ্টা করেন।

সবচেয়ে বড় কথা হলো, টিচিং প্র্যাকটিস একজন মানুষকে বিনয়ী হতে শেখায়। কারণ শ্রেণিকক্ষে দাঁড়িয়ে তিনি উপলব্ধি করেন, শেখানো আসলে একমুখী কিছু নয়। শিক্ষক যেমন শিক্ষার্থীকে শেখান, শিক্ষার্থীরাও তেমনি শিক্ষককে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়। কখনও একটি সাধারণ প্রশ্ন, কখনও একটি নির্ভেজাল কৌতূহল—একজন শিক্ষকের বহু পুরোনো ধারণাকেও নতুন করে নাড়িয়ে দেয়।

যে প্রতিষ্ঠান এই অভিজ্ঞতার জন্য একটি সহানুভূতিশীল ও বাস্তবভিত্তিক পরিবেশ তৈরি করে, তারা শুধু শিক্ষক তৈরি করে না; তারা এমন মানুষ গড়ে তোলে, যারা ভবিষ্যতের প্রজন্মের চিন্তা ও মূল্যবোধ নির্মাণে ভূমিকা রাখবে। আইইসি সেই বিশ্বাসেরই একটি নাম, যেখানে শিক্ষা কেবল সনদের ভেতর সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং একজন মানুষের আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব ও দায়বোধের সঙ্গেও যুক্ত হয়ে ওঠে।

শেষ পর্যন্ত শিক্ষকতা কোনো পেশাগত পরিচয়ের নাম নয়। এটি এমন এক নীরব সাধনা, যেখানে প্রতিদিন একটু একটু করে মানুষ নিজেকেই আলোকিত করতে শেখে—আর সেই আলোই একসময় ছড়িয়ে পড়ে অসংখ্য শিক্ষার্থীর জীবনে।

© ডক্টর নজরুল ইসলাম খান
অধ্যক্ষ, আইইসি, ধানমণ্ডি, ঢাকা।

12/05/2026

Benjamin Bloom প্রবর্তিত ব্লুমস ট্যাক্সোনমি (Bloom’s Taxonomy) হলো শিক্ষার লক্ষ্য ও শেখার স্তরগুলোকে শ্রেণিবদ্ধ করার একটি পদ্ধতি।

সহজভাবে বললে, একজন শিক্ষার্থী কীভাবে ধাপে ধাপে জ্ঞান অর্জন করে, বুঝে, প্রয়োগ করে এবং সৃজনশীল চিন্তায় পৌঁছায়—তার একটি মানচিত্র।

১৯৫৬ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। পরে ২০০১ সালে এর একটি আধুনিক সংস্করণ তৈরি করা হয়, যা বর্তমানে বেশি ব্যবহৃত হয়।

ব্লুমস ট্যাক্সোনমির ৬টি ধাপসমূহ :

১. Remember (মনে রাখা)
তথ্য, সংজ্ঞা বা সূত্র মনে রাখতে পারা।
উদাহরণ: কবিতার লাইন মুখস্থ বলা।

২. Understand (বোঝা)
কোনো বিষয় নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারা।
উদাহরণ: গল্পের মূলভাব বলা।

৩. Apply (প্রয়োগ করা)
শেখা জ্ঞান বাস্তব কাজে ব্যবহার করা।
উদাহরণ: ব্যাকরণের নিয়ম ব্যবহার করে বাক্য লেখা।

৪. Analyze (বিশ্লেষণ করা)
কোনো বিষয় ভেঙে তার অংশ ও সম্পর্ক বোঝা।
উদাহরণ: একটি কবিতার প্রতীক বিশ্লেষণ।

৫. Evaluate (মূল্যায়ন করা)
যুক্তি ও মানদণ্ডের ভিত্তিতে বিচার করা।
উদাহরণ: কোন উপন্যাসটি বেশি শক্তিশালী এবং কেন—তা ব্যাখ্যা করা।

৬. Create (সৃষ্টি করা)
নতুন কিছু তৈরি করা বা উদ্ভাবন করা।
উদাহরণ: নিজে কবিতা বা গল্প লেখা।

এটি সাধারণত একটি পিরামিড আকারে কল্পনা করা হয়—নিচে মৌলিক জ্ঞান, উপরে সৃজনশীলতা।

শিক্ষা ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব :

১। পাঠ পরিকল্পনা তৈরিতে সাহায্য করে;
২। প্রশ্নপত্র প্রণয়নে কার্যকর;
৩। শিক্ষার্থীর চিন্তাশক্তির স্তর নির্ধারণে সহায়ক;
৪। মুখস্থনির্ভর শিক্ষা থেকে বিশ্লেষণধর্মী শিক্ষায় নিয়ে যায়।

মনে রাখবেন, শিক্ষাবিদদের কাছে এটি শুধু একটি তত্ত্ব নয়; বরং শেখানো ও শেখার গভীর দর্শন।

/ \
/ সৃষ্টি \
/ Create \
/-----------\
/ মূল্যায়ন \
/ Evaluate \
/---------------\
/ বিশ্লেষণ \
/ Analyze \
/-------------------\
/ প্রয়োগ \
/ Apply \
/-----------------------\
/ বোঝা \
/ Understand \
/---------------------------\
/ মনে রাখা \
/ Remember \
/_______________________________\

ব্লুমস ট্যাক্সোনমি পিরামিড
(নিচে মৌলিক জ্ঞান,
উপরে সৃজনশীলতা)

12/05/2026

শিক্ষকতা এমন এক পেশা, যেখানে মানুষ নিজেকেই নতুন করে গড়ে তোলে। বইয়ের পাতায় শেখা ধারণাগুলো তখনই প্রাণ পায়, যখন সেগুলো জীবন্ত শ্রেণিকক্ষের ভেতর নেমে আসে। আর সেই নেমে আসার প্রথম বাস্তব দরজা হলো টিচিং প্র্যাকটিস।

এটা কোনো সাধারণ অনুশীলন নয়। এখানে একজন শিক্ষার্থী ধীরে ধীরে নিজের ভেতরের শিক্ষককে খুঁজে পান। সামনে বসে থাকা শিক্ষার্থীদের চোখ, প্রশ্ন, নীরবতা—সবকিছু মিলিয়ে তিনি বুঝতে শুরু করেন, শেখানো মানে শুধু বলা নয়; বরং বোঝানো, অনুভব করানো এবং সম্পর্ক তৈরি করা।

প্রথম দিকে অনেক দ্বিধা থাকে। কীভাবে দাঁড়াবেন, কীভাবে কথা বলবেন, কীভাবে একটি বিষয়কে সহজ করে উপস্থাপন করবেন—এসব প্রশ্ন ঘিরে ধরে। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই অস্বস্তির জায়গা বদলে যায় আত্মবিশ্বাসে। প্রতিটি ক্লাস হয়ে ওঠে একেকটি নতুন শেখার অভিজ্ঞতা, যেখানে ভুলও শেখায়, নীরবতাও শেখায়।

এই অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে একজন প্রশিক্ষণার্থী আবিষ্কার করেন শিক্ষকের প্রকৃত শক্তি কোথায়। সেটা শুধু জ্ঞান নয়, বরং ধৈর্য, মনোযোগ, সহমর্মিতা আর পরিস্থিতি বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। একই পাঠ একেকজন শিক্ষার্থীর কাছে একেকভাবে পৌঁছায়—এই সত্যটি তখনই পরিষ্কার হয়, যখন তিনি বাস্তব শ্রেণিকক্ষে দাঁড়ান।

যে প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের এই বাস্তবতার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ দেয়, সেটি শুধু পড়াশোনা শেখায় না—একজন পূর্ণাঙ্গ শিক্ষক হয়ে ওঠার পথও তৈরি করে দেয়। আইইসি সেই যাত্রারই একটি অংশ, যেখানে তত্ত্ব আর বাস্তবতার মাঝখানে দাঁড়িয়ে একজন শিক্ষার্থী নিজের সক্ষমতাকে নতুনভাবে চিনতে শেখেন।

শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, শিক্ষকতা কোনো গন্তব্য নয়; এটি একটি ধীরে ধীরে বিকশিত হওয়া জীবনযাত্রা। আর সেই যাত্রার শুরুটা যত দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়ায়, ভবিষ্যতের শ্রেণিকক্ষ ততটাই প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

© ডক্টর নজরুল ইসলাম খান, অধ্যক্ষ, আইইসি, ধানমণ্ডি, ঢাকা।

11/05/2026

টিচিং প্রাকটিস শুধু একটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নয়, এটি একজন ভবিষ্যৎ শিক্ষকের আত্ম-আবিষ্কারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। পাঠ্যবইয়ের তাত্ত্বিক জ্ঞান যখন বাস্তব শ্রেণিকক্ষের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত হয়, তখনই একজন শিক্ষার্থী প্রকৃত অর্থে শিক্ষক হয়ে ওঠার যাত্রা শুরু করে।

একজন শিক্ষক কেবল তথ্য প্রদান করেন না; তিনি একটি প্রজন্মের চিন্তা, মূল্যবোধ ও মনন গঠনের কারিগর। আর এই জটিল ও মানবিক দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজন বাস্তব পরিস্থিতিতে নিজেকে প্রস্তুত করা। বিএড প্রশিক্ষণে টিচিং প্রাকটিস সেই প্রস্তুতিরই কার্যকর ক্ষেত্র, যেখানে একজন প্রশিক্ষণার্থী প্রথমবারের মতো শ্রেণিকক্ষ পরিচালনা, শিক্ষার্থীর মনস্তত্ত্ব বোঝা, পাঠ পরিকল্পনা তৈরি, সময় ব্যবস্থাপনা এবং উপযুক্ত শিক্ষণ-পদ্ধতির প্রয়োগ সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

বাস্তবতা হলো, একজন দক্ষ শিক্ষক কেবল বিষয়জ্ঞান দিয়ে গড়ে ওঠেন না; তার প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য, উপস্থাপন দক্ষতা, সহমর্মিতা এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা। টিচিং প্রাকটিস এই গুণগুলোকে ধীরে ধীরে পরিণত ও সুসংহত করে। শ্রেণিকক্ষে দাঁড়িয়ে একজন প্রশিক্ষণার্থী বুঝতে শেখেন—প্রতিটি শিক্ষার্থী আলাদা, প্রতিটি মনের ভাষাও ভিন্ন। ফলে শিক্ষাদান তখন আর যান্ত্রিক প্রক্রিয়া থাকে না; এটি হয়ে ওঠে মানবিক যোগাযোগের এক শিল্প।

বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় যুগোপযোগী ও দক্ষ শিক্ষক তৈরির ক্ষেত্রে টিচিং প্রাকটিসের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ একজন শিক্ষক যত বেশি বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাবেন, তার শিক্ষাদান তত বেশি প্রাণবন্ত, কার্যকর ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক হয়ে উঠবে। তাই বলা যায়, টিচিং প্রাকটিস হলো শিক্ষকতা পেশার সেই সেতুবন্ধন, যেখানে তত্ত্ব বাস্তবতার সঙ্গে মিলিত হয়ে একজন মানুষকে সত্যিকার অর্থে শিক্ষক হিসেবে গড়ে তোলে।

© ডক্টর নজরুল ইসলাম খান, অধ্যক্ষ, আইইসি, ধানমণ্ডি, ঢাকা।

কিছু বই শুধু পড়া হয় না, কিছু বই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে নীরবে বহন করা হয়— ঠিক যেমন কেউ বুকের ভেতর এক টুকরো আলো লুকিয়ে রাখে...
11/05/2026

কিছু বই শুধু পড়া হয় না, কিছু বই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে নীরবে বহন করা হয়— ঠিক যেমন কেউ বুকের ভেতর এক টুকরো আলো লুকিয়ে রাখে।

আজকের এই তরুণ কবিদের চোখে যখন দেখলাম ‘নিভৃতে উচ্চারণ’, মনে হলো শব্দেরা এখনও বেঁচে আছে, এখনও কিছু তরুণ হৃদয় কোলাহলের ভিড় ছেড়ে নিভৃত অনুভূতির কাছে ফিরে যেতে জানে।

একজন লেখকের কাছে এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে— যখন নিজের লেখা বই কয়েকটি উদীয়মান স্বপ্নের হাতে গিয়ে দাঁড়ায়, আর তারা ছবির ভেতরেও শব্দের প্রতি ভালোবাসা ধরে রাখে।

সময় বদলায়, মুখ বদলায়, কিন্তু সাহিত্যের প্রতি মায়া বদলায় না কখনও। এই তরুণদের চোখেই হয়তো আগামী দিনের কবিতার ভোর লুকিয়ে আছে।

© ডক্টর নজরুল ইসলাম খান

জীবনের দীর্ঘ পথচলায় কিছু মুহূর্ত আসে, যা কেবল আয়োজন নয়—আত্মার ভেতরে আলো জ্বালিয়ে দেয়। শব্দের সঙ্গে যে মানুষের বসবাস, কবি...
10/05/2026

জীবনের দীর্ঘ পথচলায় কিছু মুহূর্ত আসে, যা কেবল আয়োজন নয়—আত্মার ভেতরে আলো জ্বালিয়ে দেয়। শব্দের সঙ্গে যে মানুষের বসবাস, কবিতার সঙ্গে যার নিত্য আলাপন, তাকে ঘিরে ভালোবাসার মানুষদের এই সমবেত হওয়া আসলে এক ধরনের হৃদয়ের উৎসব।

জন্মদিন তো কেবল বয়সের হিসাব নয়; এটি ফিরে তাকানোর দিন, কৃতজ্ঞতার দিন, আর নতুন স্বপ্নের দিগন্তে দাঁড়িয়ে আবারও শব্দকে আলিঙ্গন করার দিন। কবিতা মানুষকে যেমন একা হতে শেখায়, তেমনি মানুষকেও মানুষের কাছে ফিরিয়ে আনে।

এই “জন্মোৎসব ও কবিতা সন্ধ্যা” তাই শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়—এ যেন অনুভূতির এক নীরব নদী, যেখানে স্মৃতি, ভালোবাসা, সাহিত্য আর মানুষের আন্তরিকতা একসঙ্গে প্রবাহিত হবে।

প্রিয়জনদের উপস্থিতিতে সন্ধ্যাটি হয়ে উঠুক আরও উজ্জ্বল, আরও মায়াময়।

09/05/2026

📚 রেডি ক্লাসরুম দরকার?
📍 ধানমন্ডি-৮, ঢাকা

✨ ক্লাসরুম ভাড়া দেওয়া হবে

কোচিং, ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ, মিটিং, সেমিনার এবং ভাষা ক্লাসের জন্য উপযোগী আধুনিক ক্লাসরুম এখন আপনার হাতের নাগালে।

🔹 ২০ / ৩০ / ৪০ / ৫০ জন ধারণক্ষমতার বিভিন্ন সাইজ
🔹 হোয়াইটবোর্ড
🔹 প্রোজেক্টর
🔹 এসি
🔹 হাই-স্পিড ওয়াইফাই

🕙 সময়: সকাল ১০টা – রাত ৮টা

🌿 পরিবেশ: নিরিবিলি, আরামদায়ক ও শিক্ষাবান্ধব

📞 কল ও হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৭১১-২৮৯৭৫৪

👉 আপনার ক্লাস বা ইভেন্টের জন্য আজই বুকিং দিন!

Address

House # 39A, Road # 8, Dhanmondi
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when International Education College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to International Education College:

Share