Deprtment of Electrical Technology,BCI

Deprtment of Electrical Technology,BCI Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Deprtment of Electrical Technology,BCI, College & University, East Raza Bazar, Dhaka.

10/10/2021

শিক্ষক পিটাবে, থাপড়াবে, বড় চুল দেখলে কেটে দিবে, ময়লা জামা দেখলে সাথে সাথে পরিষ্কার করতে বলবে, কোন ভুল দেখলেই ধমক দিয়ে লাইনে নিয়ে আসবে।
কিন্তু সেই অধিকার কেড়ে নিয়ে; একটি অভদ্র ও বেয়াদব প্রজন্ম উপহার দিতে চাচ্ছে তারা।

Keeping Trust On Allahসুইডেনে একজন দিনমজুরের খুব ইচ্ছা ছিল সে টাইটানিকে চড়বে। এই উদ্দেশ্য সে ওভারটাইম করতো।টাইটানিক যাত...
21/08/2021

Keeping Trust On Allah

সুইডেনে একজন দিনমজুরের খুব ইচ্ছা ছিল সে টাইটানিকে চড়বে। এই উদ্দেশ্য সে ওভারটাইম করতো।
টাইটানিক যাত্রা শুরু হওয়ার মাত্র এক মাস বাকি,পরিবারের সকলেই তাদের ভ্রমন নিয়ে খুব উৎসাহিত ছিল।
হঠাৎ তার ছেলেকে কুকুর কামড় দেওয়ার ফলে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে গেল। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ছেলেকে ৬ মাস বাইরে কোথাও নেওয়া যাবে না।
পরিবারের সকলেই খুব কষ্ট পেল। তাদের এতদিনের ইচ্ছার জন্য সে দিনরাত পরিশ্রম করেছিল।এখন সব পানিতে।

১৯১২ সালে টাইটানিক যাত্রা শুরু করে, দিনমজুরটি প্রতিদিন তার সন্তানকে বকা দিত।তার স্বপ্ন ভাঙার জন্য অভিশাপ দিত।
১২ দিনের মাথায় টাইটানিক ডুবি হয়, এরপর দিনমজুরটি তার সন্তানের কাছে ক্ষমা চায়।
২) প্রশান্ত মহাসাগরে একটি জাহাজ ডুবে যায়,
জাহাজের সকল যাত্রী মারা যায়, কেবল
একজন ছাড়া।
মানুষটা অনেক কষ্টে একটি দ্বীপে আশ্রয় নেয়,এবং সেখানে থাকতে শুরু করে,ঘরবাড়ি বানিয়ে এবং ফল খেয়ে বেচেছিল অনেকদিন।
হঠাৎ একদিন তার ঘরে আগুন লেগে যায় এবং সে কান্নায় ভেঙে পরে,
সৃষ্টিকর্তাকে সে অপবাদ দিতে শুরু করে,'' আমার সবকিছু কেড়ে নিলে,এখন আমার এইটুকুও কেড়ে নিলে তুমি''

পরের দিন একটি জাহাজ তার হই হুল্লোরের শব্দ এবং আগুন দেখে তাকে উদ্ধার করতে আসে, সে সৃষ্টিকর্তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে।।

সৃষ্টিকর্তা আমাদের কখনও নিরাশ করেন না,
আজকে ভাল কিছু পাইনি, ভবিষ্যৎ হয়তো আমাদের অপেক্ষা করছে।।।

যতক্ষণ ভাল কিছু না হয় অপেক্ষা করে যেতে হবে, সৃষ্টিকর্তার নিকট বিনয়ী হতে হবে,চেষ্টা করে যেতে হবে।।।
সাফল্য আসবেই ইনশাআল্লাহ
©

21/08/2021

#চাকরিজীবীর_জন্য_অফিস_হচ্ছে_স্কুল
আমি যখন প্রথম চাকরিতে জয়েন করেছিলাম তার কিছুদিন পরে আমার ম্যানেজার আমাকে ২টি প্রশ্ন করেছিলেন, চাকরি কেন করো? তোমার চাকরি করার উদ্দেশ্য কি?
আমি বিরাট জ্ঞানী মানুষের মত উত্তর দিয়েছিলাম স্যার কোম্পানির জন্য চাকরি করি। আমরা যদি গুরুত্ব সহকারে কোম্পানির প্রোডাকশন বাড়াতে পারি তাহলে কোম্পানির অনেক প্রফিট হবে। আর তখন কম্পানি আমাদের প্রোমোশন,প্রফিট বোনাস সহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দিবে।

স্যার হেসে বলেছিলেন তোমার উত্তরটা ১০% সঠিক আর বাকি ৯০% ভুল।
তুমি যতই ভালো কাজ করো না কেন কোম্পানি যদি কম বেতনে তোমার চেয়ে ভালো কর্মী পায় তোমাকে বিভিন্ন ছলে-বলে-কৌশলে কোম্পানি থেকে বের করে দিবে। যা প্রচন্ড তিক্ত বাস্তবতা।

🌲আমাদের চাকরি করা উচিত নিজেদের উন্নয়নের জন্য। নিজের অফিসকে স্কুল মনে করা উচিত।
একজন মানুষ যদি চাকরি করার সময় নিজের উন্নয়নের কথা ভেবে.. মনোযোগ সহকারে কাজ শিখে..গুরুত্বসহকারে কাজ করে.. নিজেকে পারফেক্ট একজন অভিজ্ঞ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে পারে, তাহলে কম্পানির কাছে সে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যাবে । এবং কোম্পানি যদি তাকে বাদ দিয়ে দেয় তাতেও তার কোন ক্ষতি নাই।
সে তার অভিজ্ঞতা দেখিয়ে যে কোন কোম্পানিতে বর্তমানের চেয়ে আরো বেশি বেতনের চাকরি নিতে পারে।

যখন কোন কোম্পানিতে জয়েন করবেন তখন মনে মনে চিন্তা করবেন এই পৃথিবীতে এই কোম্পানিটি ছাড়া আর কোন কোম্পানি নাই। এই কোম্পানিতে ভালো পারফরম্যান্স যদি করতে না পারেন তাহলে জীবনে কোনদিন ও আপনার দ্বারা কিছুই হবে না। অফিসের সবাই আপনার চেয়ে অনেক ভালো কাজ জানে তাই সবার কাছ থেকে কাজ শিখতে হবে এবং সবাইকে সাহায্য করতে হবে। মনে মনে সব সময় এরকম চিন্তা ভাবনা করতে থাকবেন।
তাহলে দেখবেন:
১.কাজে আপনার মনোযোগ বেড়ে যাবে।
২.অনেক কাজ শিখতে পারবেন।
৩.অফিসের সবার সাথে একটি ভালো সম্পর্ক তৈরি হবে।
৪.অফিসে আপনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একজন হয়ে উঠবেন।
৫.সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে অফিস তখন আপনার কাছে সবচেয়ে মজার একটি জায়গা হয়ে উঠবে। কাজ করে এবং শিখে অনেক আরাম পাবেন। অফিস থেকে বাসায় যেতে ইচ্ছা করবে না। 🥰🥰
©ollected

21/08/2021

আমাদের দেশে এখনো আগের যুগের মতই EEE, ECE, ETE এভাবে আলাদা নাম দিয়ে ডিপার্টেমেন্টগুলোকে আলাদা করে রাখা হয়েছে। মাঝে মাঝে এসব আন্ত-বিভাগীয় ডিপার্টমেন্টগুলোর শ্রেষ্ঠতা নিয়েও দেশের ভার্সিটিগুলোতে অর্থহীন বিতর্ক হয় ! এগুলো অনেকটা- ফরজ নাই নফল নিয়ে টানাহেঁচড়ার মত!

কেন, সেটা বলছি।

প্রিয় ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর শিক্ষার্থীগণ, চলো আজ আমি তোমাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি নর্থ আমেরিকার আর আমাদের দেশীয় ভার্সিটির EEE এর কিছু দৃস্টিভংগী নিয়ে।

দু হাজার সালের শুরুতেই আধুনিক প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জোয়ার শুরু হবার সাথে সাথেই ইলেক্ট্রিক্যাল, ইলেক্ট্রনিক্স, কম্পিঊটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠে। তোমরা যতই উপরে দিকে অর্থাৎ PhD এর দিকে আসবে, ততই এদের নিবিড়তা দেখে আশ্চর্য হবে।

আমেরিকা ও কানাডার ভার্সিটিগুলোতে খেয়াল করবে EEE, ECE, ETE বলে আলাদা আলাদা কোনো ডিপার্টমেন্ট নেই। প্রযুক্তির এই নিবিড় সম্পর্কের জন্যে আমেরিকান ও ক্যানাডিয়ান ভার্সিটিগুলোতে দুদশক আগে থেকেই EEE এবং CSE দুটো ডিপার্টমেন্টকে একীভুত করে একটি মাত্র ডিপার্টমেন্ট Electrical & Computer Engineering এর প্রথা চালু হয়েছে।

ইলেক্ট্রিক্যাল এবং কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর গবেষণা ও এপ্লিকেশনের ক্ষেত্রগুলো ওভারল্যাপ করে। একারনেই মেশিন লার্নিং সহ অনেক কম্পিউটিং এলগরিদমের ব্যবহার সিগন্যাল প্রসেসিং, স্মার্ট পাওয়ার গ্রিড, কন্ট্রোল সিস্টেম, ওয়ারলেস কমিউনিকেশন, ন্যানোইলেক্ট্রনিক্স ফিল্ডে দুর্দান্ত ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আবার কম্পিঊটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর ডিভাইস বানাতে প্রয়োজন হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স সার্কিটের জ্ঞান।

তোমরা জানো আগামির দুনিয়া শাসন করবে কোয়ান্টাম কম্পিউটার? বর্তমানের সকল ডিজিট্যাল কম্পিউটার ব্যাবেজীয় মেশিনের আধুনিকায়ন এবং ফিজিক্সের ল' মোতাবেক প্রেডিক্টিভ কম্পিউটিং মেনে চলে। কিন্ত কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রোব্যালিস্টিক কম্পিউটিং নীতি মেনে চলে। একটা ফিজিক্যাল কোয়ান্টাম কম্পিউটার বানাতে হলে অত্যন্ত শীতল তাপমাত্রায়( cryogenic) কাজ করে এমন ইলেক্ট্রনিক্স সার্কিট প্রয়োজন। এধরনের ক্রায়োজেনিক সার্কিট বানানো হয় ইলেক্ট্রনিক্স সার্কিটের নীতি ব্যবহার করে। তাহলেই এক্ষনে বুঝতে পারছো কেন কম্পিউটার ও ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এতটা ওভারল্যাপ করে।

বাংলাদেশীয় ভার্সিটিগুলোর ব্যাচেলরে এধরনের একীভুতকরন এখনো না হয়ে উঠার কারনে তোমরা অনেকেই একটা ভুল থিম নিয়ে এবং অপ্রয়োজনীয় সুপিরিয়রিটি ফিলিংস নিয়ে গ্রাজুয়েশন শেষ করছো। দেশের জব মার্কেটে EEE বলতে পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোর এবং মোবাইল কোম্পানির জবই বোঝায়। যার জন্যে পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্টুডেন্টদের মধ্যে একটা ভুল সুপিরিয়রিটি কাজ করে।

সব শেষে চলো জেনে নেয়া যাক কিছু ইন্টারেস্টিং তথ্য। EEE এর জন্মসুত্র নিয়ে। EEE এর জন্মের ভিত্তি দুটো সুত্রের উপর প্রতিষ্ঠিত : ওহমের সুত্র V=IR এবং কঞ্জারভেশন অব চার্জের অর্থাৎ চার্জকে সৃস্টি বা ধংস করা যায় না। এটা ফিজিক্সের শক্তির নিত্যতা সুত্রেরই একটা রূপ।

ওহমের সুত্র ছিল এক্সপেরিমেন্টাল ওব্জারভেশন। অর্থাৎ থিওরেটিক্যাল ভিত্তিটা ম্যাথ দিয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত ছিল না। ওহমের প্রায় ৫০ বছর পর স্কটিশ বিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল রিগোরাস ম্যাথেমেটিক্স দিয়ে ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক্সের সুচনা করেন যেটা ওহমের ছিল না। জানো কি, মুলত ওহমের V = IR সূত্রটি, ম্যাক্সওয়েলের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক্সের J = σE এর একটি বিশেষ রুপ!

আর কার্শফের যে দ্বিতীয় সুত্রটি আছে সেটা ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক্সের ইকুয়েশন অব কন্টিনিউটির একটি বিশেষ রুপ!

ম্যাক্সওয়েল এসে EEE এর চেহারা পালটে দিয়েছিল। ওর আগে সকল EEE অধিকাংশ সুত্রসমুহ বিক্ষিপ্ত ভাবে ছিল। কোনো রিগোরাস ম্যাথমেটিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক ছিল না EEE এর। পুরো EEE কে ম্যাক্সওয়েলের ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক্সের একটিমাত্র রিগোরাস ম্যাথ ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে বেধে ফেলা যায়। পাওয়ার ও কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টরা যে সার্কিট থিওরি পড়ছো সবই ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক্স এর একটি বিশেষ রুপ। ভোল্টেজ ও কারেন্টের ফিজিক্যাল উৎপত্তি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড থেকে। একারনে EEE এর জন্মসুত্র ট্রেইস করলে ম্যাক্সওয়েলের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক্স এ এসে থামা যায়।

শেষ করতে করতে আরেকটি মজার তথ্য দিয়ে যাই। ম্যাক্সওয়েল তার অরিজিন্যাল ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক্সের লেখায় ভেক্টরের নোটেশন মধ্যযুগীয় প্যাঁচানো গোথিক স্টাইলের ফন্ট দিতেন। ওলিভার হেভিসাইড নামের এক ইঞ্জিনিয়ারের সেটা পছন্দ হয়নি। তিনিই আজকের মত করে ভেক্টর নোটেশন শুরু করেন। হেভিসাইডের হাত ধরেই impedance টার্মটার প্রচলন শুরু হয়! ঊনিই unit step function প্রচলন করেন! হেভিসাইড নিয়ে বললে এ লিখা আরো লম্বা হবে। আজ আর নয়।

আমার পিএইচডির রিসার্চ ফিল্ডও ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক্স নিয়েই। আমি রিসার্চ করি এন্টেনা ও ওয়ারলেস কমিউনেশন নিয়ে। স্পেইস-শিপ থেকে পৃথিবীতে সিগন্যাল পাঠানো, ওয়েস্টার্ন আর্মিদের জন্য হাই-টেক টেক্সটাইল এন্টেনা (আর্মিদের ড্রেসের কাপড়ে এন্টেনা), মানুষের শরিরে বায়ো-ইম্পল্যান্টাবল চিপ্স, ক্যান্সার ডিটেকশনের জন্য ডিভাইস থেকে সিগ্ন্যাল প্রেরনসহ সকল যোগাযোগে এখন ছোট ও স্মার্ট এন্টেনার ব্যবহার হয়। তাই আগের যুগের মত এন্টেনা মানে ছাদে বসানো ডিশ এন্টেনা, আর টিভির এন্টেনা এমন নয়!

আগামী লিখায় EEE এর বিভিন্ন অত্যাধুনিক রিসার্চ ফিল্ড নিয়ে লিখবো, আমারটা সহ। তোমরা যারা ভবিষ্যতে পিএইচডি মাস্টার্সে গবেষণা করতে চাও এতে কিছু আইডিয়া পাবে। এই ফিল্ডে কি কি মেজর গবেষণা হচ্ছে বর্তমানে। অনেক কিছুই জানতে পারবে। লিখাটি শেয়ার করতে পারো।

© Md Nazmul Hasan Topu, UBC, Canada

বাংলাদেশ জার্মান টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্সে বিজ্ঞপ্তি - যাদের হাতে সময় আছে নিন্মক্ত কোর্স গুলোর যে ...
19/08/2021

বাংলাদেশ জার্মান টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্সে বিজ্ঞপ্তি -

যাদের হাতে সময় আছে নিন্মক্ত কোর্স গুলোর যে কোন একটি করতে পারেন যা প্রাইভেট চাকুরি পাওয়ার ক্ষেতে অত্যন্ত সহযোগী হবে।
আবেদনের যোগ্যতাঃ JSC/SSC/HSC
বয়সঃ ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী প্রার্থীরা উক্ত কোর্স গুলো করতে পারেন।
আবেদনের শেষ তারিখঃ ৩১/০৮/২১
ফলাফলঃ ০২/০৯/২০২১
ক্লাস শুরুঃ ০৪/০৯/২০২১
কোর্সের মেয়াদঃ ৪ মাস

ভাতাঃ প্রতি ক্লাসে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে ১০০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে ।

বিস্তারিত জনার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নাম্বার গুলো তে যোগাযোগ করুন।

10/09/2015
19/11/2014
3-Phase Transformer............
24/10/2014

3-Phase Transformer............

08/09/2014

University

Address

East Raza Bazar
Dhaka
1215

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deprtment of Electrical Technology,BCI posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share