Dhaka University Botany Club

Dhaka University Botany Club Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dhaka University Botany Club, Dhaka.

Botany is the eldest daughter of Science, Our purpose is to improve & share our knowledge in plant science.So stay tuned & share your knowledge and views with us

বেলি ফুল: সৌন্দর্য, সুবাস এবং স্মৃতির মেলবন্ধনবেলি ফুল, যা বৈজ্ঞানিক নাম Jasminum sambac, বাংলার সংস্কৃতির এক অপরূপ উপহা...
17/05/2025

বেলি ফুল: সৌন্দর্য, সুবাস এবং স্মৃতির মেলবন্ধন

বেলি ফুল, যা বৈজ্ঞানিক নাম Jasminum sambac, বাংলার সংস্কৃতির এক অপরূপ উপহার। এই সাদা মখমলের মতো নরম ফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, সঙ্গে নিয়ে আসে এক মিষ্টি সুরভি। এর সুবাস যেন হৃৎপিণ্ডের গভীরে লুকিয়ে থাকা স্মৃতিগুলিকে জাগিয়ে তোলে। প্রাচীনকাল থেকেই বেলি ফুল প্রেম, স্নেহ এবং পবিত্রতার প্রতীক হয়ে আমাদের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

সৌন্দর্যের মায়াবী রূপঃ

“তোমার চুলের খোঁপায় একগুচ্ছ বেলি, আর আমার চোখে শুধু তোমার প্রেমের ছবি।”

বেলি ফুলের ছোট ছোট থোকা যেন স্নিগ্ধ শুভ্রতার প্রতিচ্ছবি। সন্ধ্যায় যখন ফুলগুলো ফোটে, তখন তার সুরভি বাতাসে ভাসে। গ্রীষ্মের গরম দিনগুলোতে এর সুবাস ক্লান্ত মনকে প্রশান্তি দেয়। বাংলার নারীসজ্জায় বেলি ফুলের মালার ঐতিহ্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। বিয়ে বা পহেলা বৈশাখের মতো উৎসবে বেলির মালা যেন নারীর সৌন্দর্যকে আরও মহিমান্বিত করে।

প্রাকৃতিক রত্নের বৈচিত্র্যঃ

বেলি ফুলের তিনটি প্রজাতি—সিঙ্গেল, ডবল এবং বৃহদাকার ডবল প্রজাতি—প্রতিটিই তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য নিয়ে আমাদের মুগ্ধ করে। সাদা পাপড়ির মধ্যে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য যেন একটি কবিতার মতো, যা প্রতিটি মনকে মুগ্ধ করে।

স্মৃতির অমূল্য ধনঃ

“বেলি ফুলের গন্ধে ভরা স্মৃতির পাতা,
ফুলে ছুঁয়ে যায় জীবনের কথা।”

ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে—বন্ধুদের সঙ্গে বসে বেলি ফুলের মালা বানানোর মুহূর্তগুলো। কখনো কোনো বইয়ের ভাঁজে বেলি ফুল রেখে দেওয়া, যা শুকিয়ে গেলেও তার গন্ধ হারায় না। এই ফুল শুধু প্রকৃতির নয়, আমাদের হৃদয়েরও এক বিশেষ সম্পদ।

ভেষজগুণে সমৃদ্ধঃ

বেলি ফুল তার সুগন্ধের পাশাপাশি ভেষজগুণেও অতুলনীয়। বেলির মূল ও কচি পাতা থেঁতো করে খেলে বুকে বসে থাকা সর্দি দূর হয়। শ্বাসকষ্ট, পেটের কৃমি, এমনকি বমি ভাব দূর করতেও এর ব্যবহার আছে। ক্ষতের ওপর বেলি পাতা বেটে লাগালে দ্রুত আরোগ্য লাভ হয়। এটি যেমন সুন্দর, তেমনই উপকারী।

সৌন্দর্যচর্চায় বেলিঃ

“বেলি ফুলের স্নিগ্ধতায়,
ত্বকে আসে শুভ্রতার ছোঁয়া।”

ত্বকের যত্নে বেলি ফুলের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। বেলি ফুল থেঁতো করে এতে মধু ও অ্যালোভেরা মিশিয়ে তৈরি প্যাক ত্বকের শুষ্কতা দূর করে এবং মসৃণতা বাড়ায়।

প্রেম ও প্রকৃতির সঙ্গমঃ

"বেলি ফুলের এই সাদামাটা সৌন্দর্যেই লুকিয়ে আছে একরাশ প্রেমের কবিতা।"

বেলি ফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, এটি প্রকৃতির প্রেমিক। এর সুরভি ভ্রমরদের আকর্ষণ করে। সিলেটের শালবন বা পার্বত্য চট্টগ্রামের অরণ্যে বুনো বেলির মিষ্টি সুবাস যেন প্রকৃতির মধুর আলাপ।

বেলি ফুল, তার মিষ্টি সুবাস ও অতুলনীয় সৌন্দর্যের কারণে, কেবল একটি ফুল নয়। এটি ভালোবাসার এক নীরব সাক্ষী, যা মানুষের জীবন, প্রকৃতি ও স্মৃতিকে একসূত্রে গেঁথে রাখে।

This post is dedicated to someone special 💝

আমাদের মনে রাখা উচিত যে- ফোন, টিভি এবং কম্পিউটার ছাড়াও আমাদের একটি সুন্দর জীবন আছে। তাই মাঝে মধ্যে সবকিছু ছেড়ে দিয়ে প্রক...
02/05/2025

আমাদের মনে রাখা উচিত যে- ফোন, টিভি এবং কম্পিউটার ছাড়াও আমাদের একটি সুন্দর জীবন আছে। তাই মাঝে মধ্যে সবকিছু ছেড়ে দিয়ে প্রকৃতিকে উপভোগ করা উচিত!

প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে গেলেই নিজেকে খুঁজে পাওয়া যায়!
23/04/2025

প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে গেলেই নিজেকে খুঁজে পাওয়া যায়!

প্রকৃতির লুকানো রত্ন: কেশরদাম (Ludwigia adscendens)বর্ষার বৃষ্টি যখন জলাশয়গুলোকে জীবন্ত করে তোলে, তখন এক অনন্য বুনো ফুল...
22/04/2025

প্রকৃতির লুকানো রত্ন: কেশরদাম (Ludwigia adscendens)

বর্ষার বৃষ্টি যখন জলাশয়গুলোকে জীবন্ত করে তোলে, তখন এক অনন্য বুনো ফুল – কেশরদাম (স্থানীয়ভাবে মালচা নামে পরিচিত) – ফুটে উঠে, যা এর সূক্ষ্ম সৌন্দর্যে পরিবেশকে রাঙিয়ে তোলে। আমাদের দেশের খেতখামারের আগাছা হিসেবে বিবেচিত হলেও, এই উভচর জলজ উদ্ভিদ তার আকর্ষণীয় গুণাবলীর জন্য আলাদা।

প্রকৃতির নিখুঁত সৃষ্টিকর্মঃ

কেশরদামের সাদা ও হলুদ ফুল জলাশয়ের রূপকে নতুন মাত্রা দেয়। এটি খাড়া, লতানো বা ভাসমান হতে পারে। এর পাতা বিপরীতমুখী বা একান্তর এবং উপপত্রহীন। শাখার শীর্ষে একক ফুল দেখা যায়। ফুলের ৪-৫টি ত্রিভুজাকার বৃত্যাংশ এবং পাপড়ি সাদা, হলুদ বা দুধসাদা রঙে শোভিত। এমনকি পাপড়ি অনুপস্থিত হলেও এর অনন্য গঠন চোখে পড়ার মতো।

প্রতিটি ফুলে ৪-৮টি পুংকেশর থাকে, যা কখনো রোমহীন আবার কখনো রোমযুক্ত হতে পারে। ফুল থেকে বীজ উৎপন্ন হয় এবং এর ফল বেলনাকার, যেখানে বাদামি থেকে ফিকে বাদামি রঙের গোলাকার বা উপবৃত্তাকার বীজ থাকে।

সুস্বাদু খাবারের গুণে ভরপুরঃ

কেশরদাম খাবার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এর কাঁচা পাতা এবং কচি শেকড় সালাদ হিসেবে খাওয়া হয়, যা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ।

প্রকৃতির নিজস্ব ফার্মেসিঃ

কেশরদাম শুধুমাত্র সৌন্দর্য ও স্বাদের জন্য নয়; এর ভেষজ গুণাবলীও অসাধারণ:

#চোখের সংক্রমণ: ভাইরাসজনিত চোখের ইনফেকশনে এটি প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে।

#হজমজনিত সমস্যা: গ্যাস্ট্রিক থেকে শুরু করে আলসার নিরাময়ে এর কার্যকারিতা প্রমাণিত।

#সাধারণ রোগব্যাধি: আমাশয়, জ্বর, কাশি এবং ত্বকের ফোড়া নিরাময়ে এটি সাহায্য করে।

#ত্বকের উজ্জ্বলতা: ত্বকের যত্নে এটি উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

সংরক্ষণযোগ্য একটি রত্নঃ

আগাছা হিসেবে পরিচিত হলেও কেশরদামের সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং পরিবেশগত গুরুত্ব এটিকে একটি মূল্যবান উদ্ভিদে পরিণত করেছে। যখনই জলাশয়ে এর সূক্ষ্ম ফুল ভাসতে দেখবেন, একটু সময় নিয়ে এর লুকানো সম্ভাবনাকে আবিষ্কার করুন।

তাহলে কেশরদাম কি শুধুই আগাছা, নাকি এক অমূল্য রত্ন? সিদ্ধান্ত আপনার।

16/04/2025

Hi everyone! 🌟 You can support us by sending Stars - they help us earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send us Stars!

09/04/2025
Celebrating my 9th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
12/03/2025

Celebrating my 9th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

 #সাতকরা(Citrus macroptera): এটি Rutaceae পরিবারের Citrus গণের অন্তর্ভুক্ত লেবু জাতীয় ফলের গাছ। এটি সিলেট, ভারতের আসাম,...
17/02/2025

#সাতকরা(Citrus macroptera): এটি Rutaceae পরিবারের Citrus গণের অন্তর্ভুক্ত লেবু জাতীয় ফলের গাছ। এটি সিলেট, ভারতের আসাম, মালয়েশিয়া এবং মেলানেশিয়ার একটি স্থানীয় ফল। লেবুগাছের মতো সাতকরার কাঁটাভরা গাছ ২০ থেকে ২৫ ফুট লম্বা হয়। ফাল্গুন মাসে এর ফুল আসে। জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ়ে ফল হয়। সাতকরা একটি ভিটামিন সমৃদ্ধ ফল এবং এর পুষ্টিমান অনেক উন্নত। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। বাংলাদেশে, বিশেষ করে সিলেটে, এটিকে সবজি হিসাবে খাওয়া হয়। এটির মজ্জাটি টক-মিষ্টি স্বাদের। ঘন বাহিরের মাংসল ছিলকা ছোট ছোট টুকরো টুকরো করে কাটা হয় এবং গরুর মাংস, মাটন এবং মাছের তরকারীতে দিয়ে রান্না করা হয়। সাতকরার গরুর মাংস বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার। তরকারিটি সিলেটের বাইরেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সিলেটের সাতকরা রান্না মোটেই বাংলাদেশের আট-দশটা রান্নার মতো নয়। লেবু জাতীয় এই ফল তরকারিতে ব্যবহারের কারণে, এর স্বাদ এবং গন্ধ উভয়ই অন্যান্য বাংলাদেশি তরকারি থেকে আলাদা হয়। সাতকরা আচারেরও প্রাথমিক উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এটি ব্রিটিশ বাংলাদেশী ফাস্টফুডের রেস্তোঁরাগুলিতে ডোনার কাবাবেও ব্যবহৃত হয়।

 #বৈঁচি(Flacourtia indica): এটি বাংলাদেশে একধরনের বিলুপ্তপ্রায় এবং অপ্রচলিত ফল। এই ফল কাঁটাবহরী, বুঁজ, ডুংখইর ’পাইন্নাগ...
18/12/2024

#বৈঁচি(Flacourtia indica): এটি বাংলাদেশে একধরনের বিলুপ্তপ্রায় এবং অপ্রচলিত ফল। এই ফল কাঁটাবহরী, বুঁজ, ডুংখইর ’পাইন্নাগুলা’ ইত্যাদি নামেও পরিচিত। এটি নানা দেশে নানা নামে পরিচিত। ইংরেজিতে governor’s plum, batoko plum,Indian plum ইত্যাদি নামে পরিচিত। ফ্রেঞ্চ ভাষায় এর নাম প্রুনিয়ের দ্য মাদাগাস্কার এবং গ্রসে প্রুন দ্য কাফে। এর জার্মান নাম এচে ফ্লাকুর্তিয়ে, স্প্যানিশ নাম সিরুয়েলা গভের্নাদোরা এবং বার্মিজ নাম না-ইউ-ওয়ানি। বাংলাদেশে এই ফলের চাষ করা হয়না, ক্ষেতের পাশে ঝোপঝাড়ে বা পাহাড়ের ঢালে অযত্নে বৈঁচিগাছ বেড়ে ওঠে। দক্ষিণ এশিয়ার অনেক জায়গায় এ ফল জন্মে। বৈঁচি ফুল ক্ষুদ্র আকারের, হালকা পীত রঙের। সাধারণত শীতের শেষে ফাল্গুন-চৈত্র মাসে বঁইচিগাছে ফুল ধরে। পাঁচ পাপড়িযুক্ত ক্ষুদ্রাকৃতির ফুল। পুরুষ ও স্ত্রী ফুল আলাদা গাছে ফোটে। জ্যৈষ্ঠ মাস (এপ্রিল-জুন) থেকে ফল পাকতে শুরু করে। কাঁচা ফল গোলাকার সবুজ। পাকলে গাঢ় বেগুনি রং ধারণ করে। এর স্বাদ টক-মিষ্টি এবং কস। বাংলাদেশের গ্রামের শিশুরা পাকা ফলের মালা বানিয়ে গলায় পরে থাকতে পছন্দ করে এবং মালা থেকে ফল ছিঁড়ে খায়। বৈঁচি ফলে প্রচুর পুষ্টি উপাদান আছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। দাঁতের গোড়া ফোলা ও জন্ডিস রোগের চিকিৎসায় বৈঁচি ব্যবহৃত হয়।

 #প্যালা: এটি এক ধরনের টক-মিষ্টি অপ্রচলিত ফল। এর অন্যান্য নামগুলো হলো- টিপফল, টিপটিপানি, টিপাটিপি, লুকলুকি, পেলাগোটা, প্...
09/12/2024

#প্যালা: এটি এক ধরনের টক-মিষ্টি অপ্রচলিত ফল। এর অন্যান্য নামগুলো হলো- টিপফল, টিপটিপানি, টিপাটিপি, লুকলুকি, পেলাগোটা, প্যালা, পায়েলা, ঝিটকি, পলাগোটা, টরফই, পানিয়ালা, পানি আমলা, পাইন্না, পাইন্যাগুলা, বেহুই ইত্যাদি। এর ইংরেজি নাম Indian plum বা coffee plum এবং বৈজ্ঞানিক নাম Flacourtia jangomas বা Flacourtia cataphracta। এটি নিচুভূমি এবং পাহাড়ি এলাকার বৃষ্টিবহুল অঞ্চলের 'উইলো' পরিবারভুক্ত বৃক্ষ। এটি দক্ষিণপূর্ব এশিয়া এবং পূর্ব এশিয়াতে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। অনেক অঞ্চলে এটি চাষ করার ক্ষেত্র ছেড়ে মুক্তভাবে জন্মে থাকে।এর আদি নিবাস জানা যায়নি তবে ধারণা করা হয়, এটি এশিয়ার ক্রান্তীয় অঞ্চল বা ভারতবর্ষে উদ্ভূত। এটি ছোট গুল্ম বা বৃক্ষ যা দশ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। গাছ কাঁটাযুক্ত। কাঁটাগুলো শাখান্বিত ও যুথবদ্ধ। ডালপালাতেও কাঁটা থাকে। পাতা একক, ডিম্বাকৃতি, কিছুটা লম্বাটে। অগ্রভাগ সূঁচালো। সবুজ রংয়ের পাতা কিছুটা ঢেউ খেলানো থাকে। পাতার কিনারায় সামান্য খাঁজ কাটা থাকে। গাছে মার্চ-এপ্রিল মাসে ফুল আসে। এর ফুল ছোট, সাদাটে সবুজ থেকে বেগুনী এবং সুগন্ধী। ফুল ফোটে গুচ্ছাকারে। ফল গোলাকার মার্বেলের মতো, খোসা পাতলা ও মসৃণ। কাঁচা অবস্থায় সবুজ। কাঁচা ফলও খাওয়া যায়। ফল পাকে জুলাই-আগস্ট মাসে। পাকা ফলের সংরক্ষণ গুণ ভালো। ফল পাকলে লালচে বেগুনী রঙের হয়। পাকা ফলের ভেতরটা বাদামী বা কালচে গোলাপী রঙের। এই ফল পাকার পরে টিপে নরম করে খেতে হয়; এই কারণে এমন নামকরণ হয়েছে। আচার বা শরবত করেও এটি খাওয়া হয়। এর ছালে ঔষধি গুণ আছে বলেও অনেকে ধারণা করে থাকেন। কাঠের জন্যেও এই গাছ চাষ করা হয়। 'কুইন্সল্যান্ড ফ্রুট ফ্লাই' (Bactrocera tryoni) নামক এক প্রকার মাছির আবাস ও আশ্রয় হিসেবে এই গাছের পরিচিতি রয়েছে। অপ্রচলিত এই ফলটি এখন বাংলাদেশে অনেক সহজলভ্য; এর চাষ ও বাণিজ্যিক উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়ছে।

Breath-taking beauty of Ratargul swamp forest
29/04/2024

Breath-taking beauty of Ratargul swamp forest

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka University Botany Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share