W3sir

W3sir E- learning school

03/04/2024

ইসলামের ইতিহাসে এমন বহু ঘটনা আছে যা রমজানের মাসে ঘটেছে। এর মধ্যে সবচাইতে উল্লেখযোগ্য হলো ফাতাহ-এ-মক্কা বা মক্কা বিজয়।

এরপরই আরব উপ-দ্বীপ একত্রিত হওয়ার সুযোগ পায়

প্রাক-ইসলামিক যুগে মক্কার গুরুত্ব
আরবের প্রধান শহর মক্কা ইসলামি বিশ্বের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্র। ওলন্দাজ প্রাচ্যবিদ ডোজি লিখেছেন, মক্কার ইতিহাস শুরু হয় হযরত দাউদের সময় থেকে।

তাওরাত (ইহুদিদের পবিত্র গ্রন্থ তোরাহ) এবং ইঞ্জিলেও (বাইবেল) এর উল্লেখ রয়েছে।

নবী ইব্রাহিম (আব্রাহাম) মিশর থেকে ফিলিস্তিনে আসার পর তাকে মক্কার উদ্দেশে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

স্ত্রী হাজরা ও পুত্র ইসমাইলকে নিয়ে মক্কায় আসেন তিনি।

কথিত আছে তিনি মক্কায় খানা-এ-কাবার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।

খানা-এ-কাবা সেই ভবনের উপর নির্মাণ করা হয়েছিল যা প্রাচীনতম ভবনের মধ্যে একটি বলে মনে করা হয়।

বহু শতাব্দী ধরে নানান সমস্যায় ভারাক্রান্ত মানুষেরা সেখানে আসতেন মনস্কামনা পূরণ করতে।

নবী ইব্রাহিম (আব্রাহাম) ওই ভবনের ভিত্তির উপরই খানা-এ-কাবা পুনর্নির্মাণ করেন।

আরব উপত্যকার অধিবাসীরা সর্বদাই নিজেদের আল-আরব বা আরব উপদ্বীপের অধিবাসী বলে পরিচয় দিতেন। এর সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে এদের অধিকাংশই ছিলেন মরুভূমির যাযাবর যাদের বেদুইন বা বেদু বলা হয়।

প্রাক-ইসলামিক যুগে সমাজ বেদুইন সম্প্রদায় বেশ কয়েকটি গোষ্ঠী এবং জাতিতে বিভক্ত ছিল। এদের প্রত্যেকেরই নিজস্ব শাসন ও রীতিনীতি ছিল।

‘দ্য কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ ইসলাম’ অনুযায়ী প্রাক-ইসলামিক যুগে বিভিন্ন ছোট ছোট নগররাষ্ট্র ছিল। যদিও এগুলি রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত বা একীভূত অঞ্চল ছিল না।

তবে ইসলামের নবীর জন্মের আগেই মক্কা বাণিজ্যের একটি প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। কেন্দ্রীয় স্তরে পথপ্রদর্শকের আখ্যাও পেয়েছিল মক্কা।

‘দ্য কেমব্রিজ হিস্ট্রি অব ইসলাম’ বলছে দীর্ঘ যুদ্ধের কারণে পারস্য ও রোম সাম্রাজ্য ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছিল। আর অন্যদিকে শক্তিশালী হয়ে উঠছিল মক্কা।

মক্কার গুরুত্বের অন্যতম কারণ ছিল বায়তুল্লাহ (আল্লাহর ঘর, কাবা ঘর)। কুরাইশ সম্প্রদায়ের বণিকরা ইয়েমেন থেকে সিরিয়ায় যাতায়াত করতেন। বিভিন্ন দেশের বিখ্যাত জিনিস এনে সেগুলি বিক্রি করতেন মক্কায়।

প্রতি বছর মক্কায় একটি বড় মেলা হতো যেখানে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের পাশাপাশি ক্রীতদাসও কেনাবেচা চলতো।

‘দ্য কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ ইসলাম’ অনুযায়ী, মক্কার গুরুত্ত্ব বোঝা যেত পবিত্র মাসগুলিতে। প্রতি বছর মক্কায় সেই সময় বহুলসংখ্যক মানুষের ঢল নামত।

ইতিহাসবিদদের মতে এক সময় ইসলাম বিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মক্কা।

মক্কা ও হুদাইবিয়া বিজয়ের আগের ঘটনাবলী
মদিনায় হিজরতের পর মক্কাবাসীরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে তিনটি যুদ্ধ লড়েছিলেন। ঐতিহাসিকদের মতে, সেময় ইসলাম বিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মক্কা। ওই আন্দোলনে মূলত সামিল ছিলেন কুরাইশ সম্প্রদায়ের মানুষ।

এই পরিস্থিতিতে এক জুলকাদায় (ইসলামিক ক্যালেন্ডারের ১১তম মাস) ছয় হিজরির (৬২৮ খ্রিস্টাব্দে) ইসলামের নবী এবং তার সহচররা জিয়ারত (দর্শন) এবং ওমরাহর (হজের সংক্ষিপ্ত রূপ) জন্য রওয়ানা হন। এই ধর্মীয় সফরে আহরাম (বিশেষ কাপড়) পরিধান করেছিলেন তারা।

আরবদের ঐতিহ্য ছিল কোনো ব্যক্তি আহরাম বেঁধে মক্কায় এলে তাকে বাধা দেওয়া হতো না এবং এই প্রথা কিন্তু শত শত বছর ধরে চলে আসছিল।

মক্কার নয় মাইল আগে রয়েছে হুদাইবিয়া। সেখানে পৌঁছে নবী মুহাম্মদ মক্কার কুরাইশ সম্প্রদায়ের কাছে বার্তা পাঠান। তিনি জানিয়েছিলেন তাদের আগমনের উদ্দেশ্য বায়তুল্লাহ। তারা যুদ্ধের জন্য আসেননি।

তাদের বাধা দিতে উরওয়া ইবনে মাসউদকে পাঠিয়েছিল কুরাইশ সম্প্রদায়। সেই উদ্দেশ্য অবশ্য সফল হয়নি।

পরবর্তীকালে উসমান বিন আফফানকে (ইসলামের তৃতীয় খলিফা) মক্কার অভিজাতদের সাথে আলোচনার জন্য পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু প্রথমে তাকে বন্দী করা এবং তারপরে হত্যার গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

এই পরিস্থিতিতে হযরত মুহাম্মদ প্রতিশোধ নেওয়ার ‘বাইত’ বা শপথ নেন। সেই শপথ ‘বাইত-ই-রিজওয়ান’ নামে বিখ্যাত।

বিষয়টি জানতে পেরে কুরাইশ সম্প্রদায়ের মানুষেরা বার্তা পাঠান উসমান বেঁচে আছেন এবং সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছেন। একইসঙ্গে তাদের অনুরোধ করেন এই বছর ফিরে যাওয়ার। হযরত মুহাম্মদ এবং তার সঙ্গীদের বার্তা পাঠিয়ে বলা হয় তারা যেন পরের বছরে আবার আসেন খানা-ই-কাবার জিয়ারত ও ওমরাহ করতে।

সে সময় মক্কা তিন দিনের জন্য খালি করে দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। যাতে কোনওরকম সংঘাতের সম্ভাবনা না থাকে।

এই প্রস্তাবগুলি লিখিতভাবে দেওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল আরও কিছু শর্ত। এটি সুলহ-হুদাইবিয়া বা হুদাইবিয়া চুক্তি হিসাবে পরিচিত। চুক্তির বেশ কিছু শর্ত মুসলমানদের বিরুদ্ধে হলেও কোরানে এই চুক্তিকে ফাতেহ-ই-মুবীন (স্পষ্ট বিজয়) বলে অভিহিত করা হয়েছে।

মক্কার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়া ইসলামের নবী এবং তার সঙ্গীদের সঙ্গে যোগ দেন বিপুল সংখ্যক মানুষ।ছবির উৎস,GETTY IMAGES
ছবির ক্যাপশান,
মক্কার উদ্দেশে রওয়ানা হওয়া ইসলামের নবী এবং তার সঙ্গীদের সঙ্গে যোগ দেন বিপুল সংখ্যক মানুষ।

মক্কা বিজয়
হুদাইবিয়া চুক্তির পর এক বছর হতে না হতেই এমন কিছু ঘটনা ঘটে যার ফলে কুরাইশ সম্প্রদায় এই চুক্তি ভঙ্গ করার ঘোষণা করে।

১০ রমজান ৮ হিজরির (৬৩০ খ্রিস্টাব্দ) হযরত মুহাম্মদ তার সঙ্গীদের নিয়ে মক্কার উদ্দেশে রওয়ানা হন। মদিনা থেকে যাওয়ার সময় তাদের সংখ্যা ছিল প্রায় সাত হাজার। সফর চলাকালীন অন্য উপজাতির লোকজনও এই দলে যোগ দেন। এইভাবে তাদের সংখ্যা দশ হাজারে পৌঁছায়।

মক্কা প্রবেশের দশ মাইল আগে তারা এক জায়গায় থামেন। মক্কার কুরাইশ সম্প্রদায় এই বিশাল সংখ্যক মানুষের আগমনের খবর পেয়ে তাদের প্রধান নেতা আবু সুফিয়ান নবী মুহাম্মদের কাছে পৌঁছান এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার সিদ্ধান্তের কথা জানান।

ইতিমধ্যে চতুর্দিক থেকে মুসলমানরা মক্কায় প্রবেশ করেন এবং এর ফলে মক্কাবাসীদের জন্য বাইরে যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়।

কিছু মানুষ প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেন। এই সংঘর্ষে ৩৩-৩৪ জনের মৃত্যু হয়। ২০ রমজান, ৬৩০ খ্রিস্টাব্দে ইসলামের নবী খানা-এ-কাবা পৌঁছান।

মক্কাবাসীদের সম্বোধন করে তিনি বলেন, “তোমরা সকলে মুক্ত। আজ তোমাদের কেউ প্রশ্ন করবে না। আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুন। তিনি পরম দয়ালু।“

কুরআনের হুদাইবিয়ার চুক্তিকে পূর্ণ বিজয় হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছিল।

বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর
সিরিয়ায় কনস্যুলেট ভবনে ইসরায়েলের হামলায় ইরানের কমান্ডারসহ সাত কর্মকর্তা নিহত
২ এপ্রিল ২০২৪
সাদা ডিম নাকি লাল ডিম, কোন ডিমে পুষ্টি বেশি
২ এপ্রিল ২০২৪
‘বনের জমিতে বেনজীরের রিসোর্ট’
২ এপ্রিল ২০২৪
‘দ্য কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ ইসলাম’-এ মক্কা বিজয়ের বিশদে বর্ণনা করা হয়েছে।ছবির উৎস,REUTERS
ছবির ক্যাপশান,
‘দ্য কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ ইসলাম’-এ মক্কা বিজয়ের বিশদ বর্ণনা করা হয়েছে।

মক্কা বিজয়ের ফলে কীভাবে ইসলামের প্রসার ঘটে?
মক্কা বিজয়ের পর মানুষের মন থেকে কুরাইশ সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি থাকা ভীতি দূর হয়ে যায়। সে বিষয়ে দাইরা মা'আরিফ-এ-ইসলামিয়া (ইসলামিক এনসাইক্লোপিডিয়া)-তে উল্লেখ করা হয়েছে। কুরাইশরা ইসলামের কাছে আত্মসমর্পণ করলে আরব ও গোত্রের একটি বড় দল মুসলমান ধর্ম গ্রহণ করতে শুরু করেন।

‘দ্য কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ ইসলাম’ অনুযায়ী মক্কার বিজয় এবং হুনিয়ান যুদ্ধে জেতার অর্থ হলো মুসলমানদের বিরোধিতা করতে পারে এমন কোনও শক্তিশালী উপজাতি আর নেই। এইভাবে হযরত মুহাম্মদকে এই অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী পথপ্রদর্শক হিসাবে সম্মানিত করা হয়েছিল।

‘দ্য কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ ইসলাম’-এ বলা হয়েছে আরবরা ক্ষমতার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং সেই কারণে দলে দলে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে শুরু করেন।

সুতরাং এই বিষয়টা স্পষ্ট যে মক্কা বিজয় আরব অঞ্চলকে পথ দেখিয়েছিল। এই জয়ের আধার গোত্রীয় আনুগত্য বা সামাজিক অবস্থান ছিল না। এই জয়ের ভিত্তি ছিল ধর্মীয়। আরব যোদ্ধারা, যারা এতদিন পারস্পরিক যুদ্ধে ব্যস্ত থাকতেন তারা এখন একজন পথপ্রদর্শক নেতৃত্বে এবং একটি ধর্মকে কেন্দ্র করে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন।

‘দ্য কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ ইসলাম’ অনুযায়ী, এর ফলে এমন একটি সম্প্রদায়ের জন্ম হয়েছিল যেখানে কিছু মানুষ দীর্ঘকাল পর শান্তি খুঁজে পান অন্যদিকে কিন্তু পারস্য ও রোমের শক্তিশালী সাম্রাজ্যগুলি দুর্বল হয়ে পড়ে।

ওই বইটিতে বলা হয়েছে জয়ের এই ধারাবাহিকতা শুরু হয় একটি বিশেষ কারণে। এর উদ্দেশ্য ছিল আরব যোদ্ধারা যাতে তাদের শক্তি আরব উপদ্বীপের শান্তি বিঘ্নিত করতে নষ্ট না করেন। সংগঠিত আরব গোষ্ঠী ইসলাম প্রচারে সহায়তা করেন।

‘দ্য কেমব্রিজ হিস্ট্রি অফ ইসলাম’ অনুযায়ী, হযরত মুহাম্মদ স্মভবত মক্কা বিজয়ের অনেক আগেই অনুমান করেছিলেন যে, একটা সময় আসবে যখন আরব উপদ্বীপে খুব কম সংখ্যক অন্য ধর্মের মানুষ অবশিষ্ট থাকবেন। এই পরিস্থিতিতে ইসলাম ধর্মকে আরব উপদ্বীপের সীমানা পেরিয়ে ইরাক ও সিরিয়ার দিকে প্রসার করতে হবে। এর জন্য প্রশাসনিক দক্ষতা সম্পন্ন মানুষের প্রয়োজন হবে বলেও অনুমান করেছিলেন তিনি।

মক্কায় এমন অনেক মানুষ ছিলেন যাদের বাণিজ্যিক উদ্দেশে যাওয়া মরুযাত্রী দল সংগঠিত করার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা ছিল।

নবপ্রতিষ্ঠিত ইসলামী রাষ্ট্রের সম্প্রসারণ সম্ভব করেছিলেন যে প্রশাসকেরা তাদের সঙ্গে মক্কা, মদিনা এবং তায়েফ-সহ হিজাজ অঞ্চলের তিনটি শহরের সঙ্গে ছিল।

এভাবে মক্কা বিজয়ের পর মুসলমান ধর্ম গ্রহণকারী এবং তাদের বংশধরেরা ইসলামি শিক্ষাকে চতুর্দিকে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করেন। ওই বংশধরদের মধ্যে কেউ ছিলেন মুজাহিদ, সৈনিক ও উলেমা। এরা ইরান, ইরাক, সিরিয়া ও আফ্রিকায় ইসলাম ধর্মের প্রসার ঘটান।

হযরত মুহাম্মদের মৃত্যুর পর, মদিনার রাজধানীর মর্যাদা বজায় থাকে, তবে হজের কারণে মক্কা ধর্মীয়, আধ্যাত্মিক ও শিক্ষাকেন্দ্রের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে রয়ে যায়।

বনু উমাইয়ার সময়ে, ইসলামিক বিশ্বের কেন্দ্র মদিনা থেকে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও, মক্কা ও মদিনার কেন্দ্রীয় মর্যাদা বজায় ছিল। আধ্যাত্মিক তৃষ্ণা মেটাতে বহু দূর থেকে মানুষ সেখানে আসতেন।

মক্কার কেন্দ্রীয় ও আধ্যাত্মিক মর্যাদা আজও অক্ষুণ্ণ। প্রত্যেক মুসলমান খানা-এ-কাবার দিকে মুখ করে নামাজ পড়েন।

মৃ'ত্যুর পর গায়ে থুতু দেয়ার জন্য তাঁর ম'রদেহ বাইরে রেখে দেওয়া হয়েছিল 🥲বলছি ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের কথা ❤️যদি জিজ্ঞেস করি কে ...
24/02/2024

মৃ'ত্যুর পর গায়ে থুতু দেয়ার জন্য তাঁর ম'রদেহ বাইরে রেখে দেওয়া হয়েছিল 🥲

বলছি ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের কথা ❤️

যদি জিজ্ঞেস করি কে সর্বপ্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার প্রস্তাব রাখেন?

সেই ইতিহাস আমরা অনকেই মনে রাখি নি। ইতিহাসে যিনি আড়ালেই থেকে গেলেন। আসুন একটু জেনে নিই-

পাকিস্তান স্বাধীন হয় ১৯৪৭ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ই আগস্ট। মাত্র ছয় মাসের মাথায় করাচিতে ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ খ্রীষ্টাব্দে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে যিনি স্পষ্ট ভাষায় দাবি তুলেন - “বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা হোক”, সেই মানুষটির নাম ‘ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত’।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্তই সর্বপ্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলে ছিলেন। ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের সেই দাবি পাকিস্তান পার্লামেন্টে প্রত্যাখ্যাত হয়। তারপরই ভাষা আন্দোলনের সূচনা ঘটে।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পাকিস্তান পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘‘পূর্ব পাকিস্তানের ৬ কোটি ৯০ লাখ মানুষের মধ্যে ৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষ বাংলায় কথা বলে, তাই আমার বিবেচনায় বাংলা হওয়া উচিত রাষ্ট্রভাষা।’’ তার এই বক্তব্যকে জিন্নাহর ‘‘উর্দু হবে রাষ্ট্রভাষা’’ ঘোষণার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ বলা যায়। সুতরাং তাঁকে ‘ভাষা আন্দোলনের জনক’ বললেও অত্যুক্তি হবে না।

আজ আমরা উনাকে মনে রাখি না। অথচ পাকিস্তানের শাসকেরা তাঁকে মনে রেখেছিল!
ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের ২৯শে মার্চ পাক-আর্মিরা ধরে নিয়ে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্টে নিষ্ঠুরভাবে হ'ত্যা করে। ৮৪ বছর বয়সী মানুষটিকে হাত-পা ভে'ঙ্গে প'ঙ্গু এবং দুই চোখে কলম ঢুকিয়ে অন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মৃ'ত্যুর পর গায়ে থুতু দেয়ার জন্য তাঁর ম'রদেহ বাইরে রেখে দেওয়া হয়েছিল। 😢

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সহ সকল শহীদের কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি।

17/09/2023

Date- “তারিখ” আবার Date- “খেজুর”

Watch- ঘড়ি আবার Watch- দেখা

Fine - জরিমানা আবার Fine ভালো

Capital = রাজধানী আর capital =মূলধন

Kind- দয়ালু আর Kind-রকম

like-পছন্দ আর like-মত

live-বাস করা আর live -সরাসরি

Light- আলো আর Light-হালকা

14/08/2023

Wesir

14/08/2023

♦️ইংরেজিতে বকাঝকা করুন♦️

● তুমি বদমাশ
You scoundrel

● তুমি ভন্ড
You hippocrates

● সীমা ছাড়িয়ে যেওনা
Don't cross your limit

● গলা নামিয়ে কথা বলো
Keep your voice down

● চোখ নামিয়ে কথা বলো
Keep your eyes down

● আমার দিকে চোখ পাকিয়ো না
Don't show your temper to me

● তোমাকে পচা পানিতে চুবিয়ে দেব
I will dip you into dirty water

● তোমাকে উচিত শিক্ষা দিবো।
I will teach you a good lesson

● তোমাকে লাথি দিয়ে বের করে দেব এখান থেকে
I will kick you out from here

● কত বড় শয়তানরে বাবা!
What a big devil.

07/08/2023

✪ The sooner, the Better – যত শিগগির, তত ভাল
✪ I am fond of you – তোমাকে আমার ভালো লাগে
✪ I am impressed to see you – আমি তোমায় দেখে মুগ্ধ হলাম
✪ It’s so nice of you – সত্যি আপনি দারুন লোক
✪ Blessed be your tongue – তোমার মুখে ফুলচন্দন ফুটুক
✪ You deserve this thank – এই ধন্যবাদ তোমার পাওনা
✪ I’ll make you mine – আমি তোমাকে আমার করে নিব
✪ It has been nice having you – আপনাকে পেয়ে ভাল লাগছিল।
✪ Oh yeah! You’re rakib – হা-হা, মনে পরেছে। তুমি রাকিব।
✪ Many happy returns of the day – এই দিন বার বার ফিরে আসুক
✪ I am looking forward to seeing you – আমি তোমার পথপানে চেয়ে আছি
✪ How about having a cup of coffee? – এক কাপ কফি পান করলে কেমন হয়?
✪ Out of sight, out of mind – চোখের আড়াল হলে মনের আড়াল হয়।
✪ May I have your attention please
আপনি যদি এইদিকে একটু নজর দেন
✪ I am having my heart but don’t have any sweet heart
মন আছে মনের মানুষ নেই

E- learning school

30/07/2023

Spoken Rule : As + Adjective + As

as good as Meshkat. - মেশকাতের মতো ভালো।
as big as ocean. - সাগরের মতো বিশাল।
as cheap as water. - পানির মতো সস্তা।
as clever as fox. - শেয়ালের মতো চালাক।
as dangerous as snake. - সাপের সতো ভয়ংকর।
as fat as elephant. - হাতির মতো মোটা।
as happy as a King . - রাজার মতো সুখী।
as green as leaf. - পাতার মতো সবুজ।
As strong as tiger. - বাঘের মতো শক্তিশালী।
As pure as flower. - ফুলের মতো পবিত্র।
As hard as iron. - লোহার মতো শক্ত।
As cold as ice. - বরফের মতো ঠান্ডা।
As clear as day. - দিনের মতো পরিষ্কার।
As bright as day. - দিনের মতো উজ্জ্বল।
As brave as lion. - সিংহের মতো সাহসী।
As black as coal. - কয়লার মতো কালো।

দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত ২০ টি ছোট বাক্যঃ♪চুপ করো না হয় এক থাপ্পড় মারব। ♪Keep quite neither I will slap you!♪আমি আপনার সম্...
19/07/2023

দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত ২০ টি ছোট বাক্যঃ

♪চুপ করো না হয় এক থাপ্পড় মারব।
♪Keep quite neither I will slap you!

♪আমি আপনার সম্পর্কে অনেক শুনেছি।
♪I have heared a lot about you.

♪কষ্ট অনেক কিছু বদলে দেয়।
♪Trouble changes a lot.

♪এমনটা আর কখনো হবে না।
♪This will never happen.

♪আমি তোমাকে কখনো কাদতে দিব না।
♪I will never let you cry.

♪বাহানা করো না।
♪Don't make excuses.

♪আমি এটা ভেবে দেখব।
♪I will think over it.

♪আমার কিছু বলার নেই।
♪I have no words.

♪বাজে বকো না।
♪Don't talk nonsense.

♪বইটি পাওয়া যাচ্ছে না।
♪The book is missing.

♪তার কোন জ্ঞান নেই।
♪She has no sense.

♪ভিতরে থাকো।
♪Stay inside.

♪তুমি এখানে কেন এসেছো?
♪Why are you here?

♪মনে হয় না।
♪I suppose not.

♪তুমি আমার মনটা খারাপ করে দিলে।
♪You spoiled my mind.

♪আমাকে খারাপ মনে করো না।
♪Don't get me wrong.

♪আমার মা আমার চোখের মণি।
♪My mother is my apple of eyes.

♪এটা আমার জন্য খুবই সহজ কাজ।
♪It’s a piece of cake for me.

♪এটা আমার ভাবার বিষয় না।
♪It’s not my cup of tea.

♪আজ আমি কিছুটা অসুস্থ।
♪I am a bit under the weather today.

২৩ টি দেশি মসলার নাম1. জায়ফল - NUTMEG (নাট-মেগ)2. জয়িত্রি - MACE (মেইস)3. এলাচ - CARDAMOM(খাডামাম)4. দারচিনি - CINNAMON ...
18/01/2023

২৩ টি দেশি মসলার নাম

1. জায়ফল - NUTMEG (নাট-মেগ)
2. জয়িত্রি - MACE (মেইস)
3. এলাচ - CARDAMOM(খাডামাম)
4. দারচিনি - CINNAMON (সিনামাম)
5. লবঙ্গ - CLOVES (ক্লৌভস)
6. ধনিয়া / ধনে - CORIANDER (খরি-আনডা)
7. গোলাপ জল - ROSE WATER (রোউয-ওঠা)
8. জিরা - CUMIN SEED (খিউমিন-সিড)
9. কাজু বাদাম - CASHEW NUT (খ্যাশু-নাট)
10. বিট লবন - BLACK SALT (ব্ল্যাক -সোল্ট)
11. গোল মরিচ - BLACK PEPPER(ব্ল্যাক-ফেপা)
12. কালো জিরা - NIGELLA SEED(নাইজেলা-সিড)
13. জাফরান ইংরেজি - SAFFRON (সাফ-রান)
14. পোস্ত ইংরেজি -POPPY SEED (ফপি-সিড)
15. পেঁয়াজ পাতা ইংরেজি - SCALLION (স্ক্যালি-য়ান)
16. সরিষা - MUSTARD SEED (মাসটাড-সিড)
17. মৌরি - FENNEL SEED (ফেনল-সিড)
18. তেজ পাতা ইংরেজি - BAY LEAF (বেই-লিফ)
19. তিল - SESAME SEED (সেসামি -সিড)
20. হলুদ ইংরেজি - TURMERIC (ঠামারিক)
21. পুদিনা পাতা MINT - (মিন্ট)
22. আমলকি ইংরেজি - GOOSEBERRY (গুয-বারি)
23. কাঠবাদাম ইংরেজি - ALMOND (আমান্ড)

17/01/2023

বিচিত্র ফুল

⭕সুন্দর যে ফুল = বিউটিফুল (Beautiful)

⭕রঙিন যে ফুল = কালারফুল (Colourful )

⭕ঘর-ভর্তি ফুলহাউজফুল (Houseful)

⭕হাত-ভর্তি ফুল = হ্যান্ডফুল (Handful)

⭕যত্নেলালিত যে ফুল = কেয়ারফুল (Careful)

⭕আশ্চর্য ধরণের ফুল = ওয়ান্ডারফুল (Wonderful)

⭕বেদনা দায়ক ফুল = পেইনফুল (Painful)

⭕লজ্জাবতী ফুল = শেইমফুল (Shameful)

⭕কৃতজ্ঞতা জানানোর ফুল = থ্যাংকফুল(Thankful)

⭕সাহায্যকারী ফুল = হেলপফুল (Helpful)

⭕সফলতার প্রতীক যে ফুল = সাকসেসফুল(Successful)

⭕অনেক শক্তিশালী যে ফুল =পাওয়ারফুল(Powerful)

⭕মনেশান্তি আনে যে ফুল =পিসফুল(peaceful)

Address

Farmgate
Dhaka
1215

Telephone

01715189989

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when W3sir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to W3sir:

Share