ক্রসিয়ানদের দিনকাল

ক্রসিয়ানদের দিনকাল "Holy Cross we shall be True"

"Strength does not come from physical capacity. It comes from an indomitable will."সম্প্রতি নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, খ...
22/08/2024

"Strength does not come from physical capacity. It comes from an indomitable will."

সম্প্রতি নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি , ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি এবং মধ্যরাতে ত্রিপুরার ডুম্বুর সুইচ গেট খোলার কারণে লক্ষাধিক মানুষ গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন। তাদের অনেকেই বর্তমানে শুকনো খাবারের অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এই কঠিন সময়ে হলিক্রস কলেজের প্রাক্তন এবং বর্তমান শিক্ষার্থীরা বন্যা কবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সাহায্য পাঠানোর ব্যবস্থা করতে " প্রজেক্ট একত্ব " উদ্যোগ টি গ্রহণ করা হয়েছে । সবাইকে নিজ নিজে অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান করা হচ্ছে । এই প্রজেক্ট এ প্রাপ্ত অর্থ সরাসরি বন্যা উদ্ধার কাজে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবক দলের কাছে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা হিসাবে প্রেরণ করা হবে ।
আপনার সামান্য অনুদান এখন একটি জীবন বাঁচাতে সাহায্য করবে । তাই দেশ এর বিপর্যস্ত পরিস্থিতি তে সকলকে এগিয়ে আসতে আহ্বান করছি ।

আমরা অনলাইনের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছি। বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে আপনারাও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন।

📌 সাহায্য করার জন্য:
বিকাশ / নগদ / রকেট -
বিকাশ - 01316861787, 01319295675, 01303202154

নগদ - 01725117524, 01771562061
রকেট - 01948884039

Reference : "Ekatto "

আমাদের একমাত্র লক্ষ্য—এই সংকটাপন্ন অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আসুন, আমরা আমাদের নিজেদের অবস্থান থেকে সাহায্য করার চেষ্টা করি

বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ -
Mayesha Momtaz (HSC 21 )
01316861787
Roza Rownok (HSC 21 )
01948884039

Azmaine Talukder (HSC 22)
01405307558
Noorshad Zaman(HSC 22 )
01303202154
Nabila Zaman Orchi (HSC 22)
01319295675

Athai Mazumder (HSC 23)
01771562061

Tasnuva Mehjabin (HSC 24)
01302670690

18/06/2023

আজকে তো ফাদার্স ডে তাই ভাবলাম আমার বাবার দায়িত্ব পালন করা মাকে নিয়ে কিছু বলি। আমার আম্মু একজন ক্রসিয়ান। আম্মু বাবা প্লাস মা দুটোর দায়িত্বই পালন করছে আমার আর আমার ভাইয়ার, আম্মু হলি ক্রসে পড়া কালীন আব্বুর সাথে পরিচয় হয়। আমার বাবা আবার নটর ডেম কলেজে পড়তেন। দুজনেই ব্যাচ ম্যাট তারপর প্রেম হলো তাদের মধ্যে, বাসায় জানাজানি ও হলো তখন আবার আব্বু আমার আম্মুকে চুপ করে বিয়ে করে নেয় এটা বাসায় জানা জানি হয় তাই আম্মুকে বাসা থেকে বের করে দেয়। তখন আব্বুই আম্মুর সব দায়িত্ব নিলো। এভাবে আব্বু আর আম্মু পড়াশোনা ও করতো পাশাপাশি সংসার সামলাতো। আমার আব্বু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাবার পর সংসারে একটু স্বচ্ছলতা আসে। তারপর আমার ভাইয়া হলো, তখন আরোও সুখ চলে আসলো, বাবা টিউশনি আর কোচিং করিয়ে টাকা ইনকাম করতো ঐ সময়। ২০০৩ সালের ২৩ মার্চ আমার বাবা মারা যায় তখন আমার বয়স মাত্র ছয় মাস। বাবা কি জিনিস আমি জানিও না, আমার ভাইয়াও ৬ বছরের শিশু ঐ সময়। নানু বাসা থেকেও আম্মুর সাথে কেউ যোগাযোগ করে না। কিন্তু আম্মু ভেঙে পড়ে নাই নিজেই মনোবল দৃঢ় করলো তখন আমাদের নিয়ে আম্মু চলে গেলো আমার দাদু বাসায়। আম্মু কোথাও জব করতো না পড়ালেখাও অফ হয়ে গেছিলো। তাই আম্মুর চিন্তা ভাবনা ছিলো যেমন করেই হোক আমাদের দুইভাইকে মানুষ করবেই। আমার আম্মু ২৬ বছর বয়সে স্বামী হারা হন। তিনি দ্বিতীয় কোনো সংসারে যান নি। দাদু বাসায় একটা রুমে আমরা থাকতাম। আমার বাবার কিছু জমি ছিলো সেগুলো আম্মু নিজেই দেখাশোনা শুরু করলো। ধান লাগানো, আলু লাগানো সব আম্মু মানুষ দিয়ে করাতো। একজন পুরুষের সাথে তাল মিলিয়ে আম্মু সব জায়গায় সকসেস হতে শুরু করে। আমার ভাইকে একটা স্কুলে ভর্তি করালো, ওর পড়ালেখার খরচ,আমাদের সব খরচ আম্মু বহন করতো। কেউ একটা টাকা দিয়েও সাহায্য করে নি। আমার ভাইয়ার এসএসসির সময় বাহিরে থেকে লন নিয়ে ফরম ফিলাপ করে কারণ ঐটুকু জমি দিয়ে আমাদের চলতো না তবুও আম্মু হার মানে নি। রাতে ভাইয়া কে পড়াতো, আবার আমাকেও। সকালে খাবার রান্না করে দিয়ে যেতো জমিন বাড়িতে দেখাশোনা করতে। কত লোক আম্মুকে কত খারাপ কথা বলেছে ওসব কানে না নিয়ে শুধু আমাদের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমার ভাইয়াও নটর ডেম এর ১৮ ব্যাচের স্টুডেন্ট আর এখন বুয়েটের রানিং স্টুডেন্ট আমিও নটর ডেম এর ২৪ ব্যাচের স্টুডেন্ট। এখন আমার আম্মুর কোনো কষ্ট নেই। আমি শুধু একটা কথাই বলবো হলি ক্রস একটা মেয়েকে কি ধরনের শিক্ষা দেয় তার বাস্তব উদাহরণ আমার মা। তিনি বাবা ও মা দুটোরই দায়িত্ব পালন করেছেন। আমি স্যালুট করি আমার আম্মুর মতো সকল ক্রসিয়ান কে। রিয়েল ডায়মন্ড আমার আম্মু ❤️

~ ইনবক্স থেকে নেওয়া

"For what reason you’re rushing to nowhere?এইযে,ক্লাসে লুকিয়ে প্র‍্যাক্টিক্যাল লিখছো, টিচার এলেই তাড়াহুড়ো করে সেগুলো বেঞ...
15/03/2023

"For what reason you’re rushing to nowhere?
এইযে,ক্লাসে লুকিয়ে প্র‍্যাক্টিক্যাল লিখছো, টিচার এলেই তাড়াহুড়ো করে সেগুলো বেঞ্চের নিচে ছুঁড়ে ফেলছ,তারপর সেই শিট গুলোই কোনোরকম চেক না করে জমা দিচ্ছ...কী কারন?
কারণ তোমাকে জমা দিতেই হবে!!! হোক সে যেকোনো উপায়ে।
এইযে ইংরেজী ক্লাসে বসে ম্যাথ করছো,সামনে হয়তো কুইজ আছে, কেন করছ?
কারণ কুইজ এ পাশ করতে হবে?কেন?
কারণ যদি ফেইল হয় তাহলে বন্ধুদের সামনে লজ্জায় মুখ দেখাতে পারবে না?
কারণ তুমি তো ফার্স্ট হয়ে এসেছ বরাবর,জীবনে কখনো সেকেন্ড হওনি। হায়েস্ট তো পেতেই হবে।
এই সব কিছু করছ আর দিনশেষে তুমি একজন ভালো ম্যানেজার হচ্ছো।
perhaps a good manager!! "
©Hamida Roushan Ara
Holy Cross College,Dhaka.

কথাগুলো কোনো একদিন ভীষণ রকম প্রেশারে পড়ে সবাই আমরা যখন যে যার কাজ নিয়ে ব্যস্ত, সেদিন হামিদা মিস বলেছিলেন।
আমরা এতটাই rush এর মধ্যে থাকি আর নিজের image ধরে রাখতে এতটাই desperate হয়ে পড়ছি যে কোনো এক ফাঁকে যে আমাদের survive করতে হবে সেটাই ভুলে যাচ্ছি।
কি এমন হবে কোনো একটা পরীক্ষায় সাদা খাতা জমা দিয়ে যদি শুণ্য পাই?অথবা পাতার পর পাতা লিখেও যদি শুণ্য পাই?কি এমন হবে টিচার এর মনে একটু সফট কর্ণার না পেলে?কি এমন হবে টিচার এসে একটু বকাঝকা করলে?
সবসময় কেন সবকিছুতে Perfect হওয়ার এই Rat- Race এ আমাকে পারফর্ম করতেই হবে?
করলাম না, বকা খেলাম,এরপর একদিন সেই টিচার কেই গিয়ে বললাম- স্যার সেদিন পড়ে আসিনি,তাই পারিনি,আজকে পড়ে এসেছি, আর পেরেছি ও।
কাউকে ম্যানেজ করতে হয়নি,কোনোভাবে চুরি চাতুরি করতে হয়নি,যা হয়েছে নিজের চেষ্টার কমতির জন্য হয়েছে। ব্যাস এতটুকুই তো!!
HCC taught me how to survive this everday's hell not even thinking twice that what's gonna happen if I fall?!
যা হবে দেখা যাবে 🤟🤞
লেখা: আনিকা তাসনিম অনি

সময় কত দ্রুত চলে যায়। ২০১৭ সালের অসম্ভব সুন্দর একটা ছবি।
31/01/2023

সময় কত দ্রুত চলে যায়। ২০১৭ সালের অসম্ভব সুন্দর একটা ছবি।

19/01/2023

শেষ পর্যন্ত মিরাকল ঘটেনি। আমাদের সারাহ ইসলাম ঐশ্বর্য আর ফিরে আসেনি। বুধবার, ১৮ জানুয়ারি রাত ১০টায় তার লাইফ সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে জানাজা শেষে আজিমপুর নতুন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

মৃত্যুর আগে সারাহ ঐশ্বর্য অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছে, নাম লিখিয়ে গেছে ইতিহাসে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো মৃত ব্যক্তির দান করা কিডনি অন্য ব্যক্তির দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে গত রাতে। এই কিডনি দান করে গেছে সারাহ। লাইফ সাপোর্ট খুলে নেওয়ার পর রাত সাড়ে ১০টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার ভোররাত ৪টা পর্যন্ত দুটি কিডনির একটি প্রতিস্থাপন করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ); অন্যটি প্রতিস্থাপন করা হয় কিডনি ফাউন্ডেশনে। সারাহ দান করে গেছে কর্নিয়াও।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত রাতে প্রথম কিডনি প্রতিস্থাপনে অস্ত্রোপচারের নেতৃত্ব দেন বিএসএমএমইউর রেনাল ট্রান্সপ্লান্ট বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, সারাহর মা জানিয়েছিলেন, সারাহ মৃত্যুর আগে তার দেহের সবকিছুই দান করে দিতে বলেছিল। তবে তাঁর শুধু কিডনি ও কর্নিয়া নেওয়া হয়েছে। হাবিবুর রহমান আরও বলেন, 'সারাহকে বীরের মর্যাদা দেওয়া উচিত। মরণোত্তর কিডনি দানে উদ্বুদ্ধ করতে এই দান মানুষের কাছে উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

করোনার কারণে কিশোর আলোর অফলাইন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সারাহ ঐশ্বর্য কিশোর আলোর নিয়মিত স্বেচ্ছাসেবক ছিল। সে আঁকতে ভালোবাসত। অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি আর হলি ক্রস কলেজ থেকে এইচএসসি দেওয়ার পর সারাহ তাই ভর্তি হয়েছিল ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভের চারুকলা বিভাগে। টিউবেরাস স্ক্লেরোসিস নামক খুব জটিল ও 'রেয়ার' একটি রোগে আক্রান্ত ছিল সে। এই রোগ ভালো করার কোনো উপায় এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। ফলে যন্ত্রণাদায়ক এই রোগের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করতে হতো সারাহকে। তারপরও নিজের ভালো লাগার কাজগুলো করতে করতে ঠিকই এগিয়ে যাচ্ছিল সে। কিন্তু ১০ জানুয়ারি তার মস্তিুষ্কের টিউমার অপসারণের জন্য একটি সার্জারি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে।

এই সোমবার হাসপাতালে সারাহর মা আমাকে বলছিলেন, 'সারাহ বাসা থেকে যে টাকা নিত, তা নিজের জন্য খরচ করত না। খরচ করত অন্যকে উপহার দিতে। সারাহ 'স্যান্টা ক্লজ' হতে চাইত।'

উপহার দিতে সত্যিই খুব পছন্দ করত সারাহ। আর সেজন্যই বোধহয় মৃত্যুর সময়ও উপহার দিয়ে যেতে ভুলে যায়নি সে। সারাহ চলে গেলেও তার দেওয়া কিডনি নিয়ে নতুনভাবে বাঁচার সুযোগ পাচ্ছেন দুজন মানুষ। আর সারাহর দান করা কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের পর আরও এক বা দুজন পৃথিবীটাকে দেখতে পারবেন নতুন করে।

পৃথিবীর জন্য, পৃথিবীর মানুষের জন্য এর চেয়ে সুন্দর উপহার আর কী হতে পারে!

সারাহর জন্য ভালোবাসা।
লেখা কৃতজ্ঞতাঃ পাভেল মহিতুল আলম

হলি ক্রস কলেজ ডিবেটিং ক্লাবের সাথে যে মানুষের নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত তা হলো তাহমিনা বারি তিথি। ডিবেটিং ক্লাবের জন্য তিথি...
01/10/2022

হলি ক্রস কলেজ ডিবেটিং ক্লাবের সাথে যে মানুষের নামটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত তা হলো তাহমিনা বারি তিথি। ডিবেটিং ক্লাবের জন্য তিথি মিস আসলে কি এটা ক্লাবের বাইরের মানুষের জন্য বোঝা একটু কঠিন হলেও আমি হলফ করে বলতে পারি এই ক্লাবের মানুষজন মিসের জন্য যে কোনো কিছু করতে প্রস্তুত। তিথি মিসকে নিয়ে বলা শুরু করলে এই পোস্ট লেখা আমার কোনোদিন শেষ হবে কি না বলা যাচ্ছে না !!

আমার কলেজ জীবনের শুরু থেকে মিস কে কোনোদিন আরাম করে বসে এক কাপ চা খেতে দেখিনি। যখনই দেখি মিসকে, মিস কোনো না কোনো কাজে ব্যস্ত। আর সেগুলো সবই হতো শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক কাজ। আমাদের প্রোগ্রাম প্র‍্যাক্টিসে সাহায্য করা, ক্লাবিং এ সাহায্য করা ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি আমার ক্ষুদ্র জীবনে তিথি মিসের মতো আদর্শবান মানুষ খুব কম দেখেছি। মিসের ব্যক্তিত্বের ছিটেফোঁটাও যদি নিজের ভেতরে ধারণ করতে পারি সেটাই আমার বাকি জীবনের জন্য যথেষ্ট হবে।

Credit: Tasmia Ferdous

Ict exam ft Holy Cross College.
04/08/2022

Ict exam ft Holy Cross College.

Address

Tejgaon
Dhaka
HOLYCROSSCOLLEGE

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ক্রসিয়ানদের দিনকাল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share