Unity Of BUBTians

Directions

Unity Of BUBTians Unity of BUBTians is a community for BUBT students. It provides updates, news, and events while promoting social engagement. Stay connected and informed.

বিইউবিটি (BUBT)-এর বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. শওকত আলীর নজিরবিহীন অনিয়ম, ডেটা চুরি এবং শীর্ষ শিক্ষকদের দ্বিমুখ...
19/10/2026

বিইউবিটি (BUBT)-এর বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. শওকত আলীর নজিরবিহীন অনিয়ম, ডেটা চুরি এবং শীর্ষ শিক্ষকদের দ্বিমুখী নীতি নিয়ে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য!

বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন জুনিয়র কর্মকর্তা নিজের বাসা থেকে ছুটির দিনগুলোতে একটা সফটওয়্যার কোম্পানির জন্য মাসে মাত্র ১৫ ঘণ্টা কাজ করায় ভিসি সাহেব তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শো-কজ) জারি করেছেন! অথচ খোদ ভিসি সাহেব নিজে যা করছেন, তা শুনলে যে কেউ স্তম্ভিত হতে বাধ্য।

আপনারা সবাই জানেন, অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. শওকত আলী নিজেই ০৯টি কোম্পানির মালিক, যার মধ্যে একটি হলো ইআরপি (ERP) কোম্পানি (আপনারা চাইলে তাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে দেখতে পারেন)। বিইউবিটির টাকা ও জনবল ব্যবহার করে তিনি এই ইআরপি সফটওয়্যারটিকে নিজের ব্যক্তিগত পণ্য হিসেবে তৈরি করছেন।

চলুন দেখে নেওয়া যাক ভিসি সাহেবের সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ড:
১. গত ২ বছর ধরে বিইউবিটির ৮ থেকে ২০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে এই ইআরপি সফটওয়্যার তৈরির কাজ করছেন, যার পেছনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে প্রতি মাসে খরচ হচ্ছে ৮-১০ লাখ টাকা!
২. খোদ ভিসি সাহেব নিজে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮-১০ জন রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও লিড ডেভেলপার তাঁর ব্যক্তিগতভাবে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলোতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন।
৩. প্রায় ৬ মাস আগে, ভিসি সাহেব সিনিয়র আইটি অফিসার জনাব পল্লবের কাছ থেকে এই সফটওয়্যারের সোর্স কোড (Source Code) এবং পাসওয়ার্ড (Password) জোরপূর্বক নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন।
৪. গতকাল ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে দুপুর ১২:৩০ মিনিটে ভিসি সাহেব আইটি অফিসার জনাব সাজ্জাদকে সাথে নিয়ে একটি হার্ডডিস্কসহ বিইউবিটি-এর ডেটা সেন্টার বা সার্ভার রুমে প্রবেশ করেন। সেখানে প্রায় ২ ঘণ্টা অবস্থান করে তিনি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক হিসাবসহ সমস্ত গোপন ডেটা কপি করে নিয়ে গেছেন!

এখন বড় প্রশ্ন হলো, উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অভ্যন্তরীণ গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা ভঙ্গ করে এই বিশাল ডেটা দিয়ে কী করবেন?

প্রথমত: বিইউবিটি-এর এই বিশাল ডেটা ভাণ্ডার ব্যবহার করে তিনি তাঁর নতুন ইআরপি সফটওয়্যারটি টেস্ট (Testing) করবেন, যাতে এটিকে আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তর করে বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে নিজের ব্যবসার জন্য বিক্রি করা যায়।
দ্বিতীয়ত: এই সংবেদনশীল ডেটাগুলো থার্ড পার্টির কাছে বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ টাকা উপার্জন করা হতে পারে, যা পরবর্তীতে ভুয়া একাডেমিক সার্টিফিকেট তৈরি ও বিক্রির মতো মারাত্মক জালিয়াতিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

ভিসি যখন নিজের কোম্পানির স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ, জনবল ও গোপন ডেটা চুরি করছেন, তখন প্রশাসনের কোনো শো-কজ হয় না। অথচ একজন জুনিয়র কর্মকর্তা ছুটির দিনে সামান্য কাজ করলেই নিয়ম ভাঙার দায় চাপানো হয়!

এর পাশাপাশি গ্রিন ইউনিভার্সিটি থেকে আসা সিএসই (CSE) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহসান হাবিব এবং সিএসই ও এসআই (SI) অনুষদের ডিন ড. আমিনুর রহমান-এর ভূমিকা দেখুন। তাঁরা কোনো নিয়মিত ক্লাস নেন না, কিন্তু অতিরিক্ত টাকা উপার্জনের জন্য নিয়ম করে এক্সট্রা (অতিরিক্ত) ক্লাস নিয়ে থাকেন! এমনকি তাঁরা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার উত্তরপত্রও (খাতা) সঠিকভাবে মূল্যায়ন করেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পদে বসে এমন প্রকাশ্য দুর্নীতি, জালিয়াতি এবং শীর্ষ শিক্ষকদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা কতদিন চলবে? উপাচার্যের সততা এবং প্রশাসনের নৈতিকতা আজ কোথায়? বিইউবিটি পরিবারের প্রতিটি সদস্য এর জবাব চায়!

বিইউবিটিতে নিয়োগের নামে কী চলছে? বিইউবিটির ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলীকে ঘিরে নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগের সঙ্গে এব...
18/10/2026

বিইউবিটিতে নিয়োগের নামে কী চলছে?

বিইউবিটির ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলীকে ঘিরে নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগের সঙ্গে এবার সামনে এসেছে আরও কিছু গুরুতর তথ্য। সংযুক্ত স্ক্রিনশটগুলোতে দেখা যাচ্ছে, একজন মন্তব্যকারী দাবি করেছেন, ভিসির বাসায় বাবুর্চির কাজ করা একজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পিয়ন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, এমনকি কোনো ইন্টারভিউ ছাড়াই। অন্যদিকে, নাদিয়া আনজুম সাইকি নামে একজন দাবি করেছেন, নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হয়েও তিনি চাকরি পাননি; অথচ ভিসির ব্যক্তিগত সহকারী জাম্বিলের স্ত্রী চাকরি পেয়েছেন। ভিসির বাসার বাবুর্চিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এগুলো বিচ্ছিন্নভাবে দেখার বিষয় নয়। নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হয়েও চাকরি না পাওয়া, ভিসির ব্যক্তিগত সহকারীর পরিবারের সদস্যদের নিয়োগ এবং ভিসির বাসার কর্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পাওয়ার মতো অভিযোগ সামনে এলে নিয়োগব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ওঠে। এসব নিয়োগে কারা সুপারিশ করেছেন, কী যোগ্যতা বিবেচনা করা হয়েছে এবং কোন নিয়মে চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়া হয়েছে—তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করতে হবে।

একটি বিশ্ববিদ্যালয় কি যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও প্রভাবের ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার জায়গা? ভিসির দায়িত্ব কি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করা, নাকি নিজের ঘনিষ্ঠদের সুযোগ করে দেওয়া? বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি কারও ব্যক্তিগত অনুগ্রহ নয়; এটি যোগ্যতা ও নিয়মের ভিত্তিতে পাওয়ার অধিকার।

বিইউবিটির কর্তৃপক্ষকে এসব অভিযোগের জবাব দিতে হবে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিয়োগের অনিয়ম চিহ্নিত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো ব্যক্তি তাঁর পদ বা পরিচয়ের কারণে জবাবদিহির বাইরে থাকতে পারেন না।

আমাদের দাবি স্পষ্ট বিইউবিটিতে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অবসান চাই, যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ চাই এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা চাই। ব্যক্তির স্বার্থে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।

ভালো থেকো সবাই। চলে গেলাম।✈️
17/10/2026

ভালো থেকো সবাই।
চলে গেলাম।✈️

  ✊
17/10/2026

✊

বিশ্ববিদ্যালয় কি স্বজনপ্রীতি ও পারিবারিক নিয়োগের জায়গা?বিইউবিটির ভিসি এবং তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী জাম্বিলকে ঘিরে নিয়োগ নিয়...
17/10/2026

বিশ্ববিদ্যালয় কি স্বজনপ্রীতি ও পারিবারিক নিয়োগের জায়গা?

বিইউবিটির ভিসি এবং তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী জাম্বিলকে ঘিরে নিয়োগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, জাম্বিলের স্ত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুক স্টোরে অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং তাঁর শালাকে ক্যাম্পাস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগের পেছনে ভিসি ও জাম্বিলের ইচ্ছা এবং প্রভাব কাজ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। যদি নিয়োগে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে প্রাধান্য দিয়ে নিয়মনীতি ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা উপেক্ষা করা হয়ে থাকে, তাহলে এটি নিছক নিয়োগের ঘটনা নয় এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বজনপ্রীতির গুরুতর অভিযোগ।

জাম্বিলের স্ত্রী ও শালা চাকরি পেয়েছেন এটাই একমাত্র প্রশ্ন নয়; প্রশ্ন হলো, তাঁরা কি যোগ্যতা ও স্বচ্ছ প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন, নাকি ভিসির ব্যক্তিগত সহকারীর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন? একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্য যোগ্য চাকরিপ্রার্থী থাকেন। তাঁদের পাশ কাটিয়ে প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকলে, সেটি অন্য প্রার্থীদের প্রতি বৈষম্য এবং নিয়োগব্যবস্থার ন্যায্যতার পরিপন্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি কারও ব্যক্তিগত সুপারিশের পুরস্কার হতে পারে না।

এখানে ভিসির দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে প্রত্যাশা করা হয়, প্রতিটি নিয়োগ নিয়মতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হবে। আর জাম্বিল যদি নিজের প্রভাব বা ভিসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ ব্যবহার করে স্ত্রী ও শালার চাকরির ব্যবস্থা করে থাকেন, তাহলে তাঁর ভূমিকাও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। একদিকে ভিসির প্রশাসনিক ক্ষমতা, অন্যদিকে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীর পারিবারিক স্বার্থ এই দুইয়ের মধ্যে কোনো অনৈতিক যোগসূত্র তৈরি হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে প্রকাশ করা প্রয়োজন।

সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয় হলো, বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে দুই শিক্ষার্থীর আত্মত্যাগের স্মৃতি বহনকারী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠছে। যে প্রতিষ্ঠানে যোগ্যতা ও ন্যায্যতার চর্চা হওয়ার কথা, সেখানে যদি ব্যক্তিগত সম্পর্ক চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে, তাহলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা ন্যায়বিচারের ওপর আস্থা রাখবেন কীভাবে?

ভিসি ও জাম্বিলের কাছে তাই স্পষ্ট জবাবদিহি দাবি করছি। জাম্বিলের স্ত্রী ও শালার নিয়োগ কী প্রক্রিয়ায় হয়েছে, তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল, নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ও বাছাইপ্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল কি না এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছিল কি না এসব তথ্য প্রকাশ করতে হবে। নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তার দায় নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিইউবিটি কি যোগ্যতার ভিত্তিতে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়, নাকি ভিসির ঘনিষ্ঠজনদের প্রভাব খাটিয়ে পরিবারের সদস্যদের চাকরি নিশ্চিত করার জায়গা? শুধু জাম্বিল না ভিসি আসার পরে ৩১৫ জন নিয়োগ দিয়েছে সব তার নিজের পূর্ব পরিচিত ও আশেপাশের,এটা কি আসলেই ভিসির পারিবারিক নিয়োগের যায়গা যে তার লোকজনেরই বা তাদের পরিবারের লোকজনেরই চাকুরি হবে? এই প্রশ্নের উত্তর কথায় নয়, স্বচ্ছ নথি ও জবাবদিহির মাধ্যমেই দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়; এখানে চাকরি পাওয়ার অধিকার সবার, আর সেই অধিকার রক্ষার দায়িত্ব প্রশাসনের।

প্রমান : কমেন্টে!!

15/10/2026

😕

বিইউবিটির বর্তমান ভিসিকে ঘিরে ফিজিতে অনুষ্ঠিত ML4CS-2026 সম্মেলনের আর্থিক লেনদেন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ইনভয়েস ও অন্য...
14/10/2026

বিইউবিটির বর্তমান ভিসিকে ঘিরে ফিজিতে অনুষ্ঠিত ML4CS-2026 সম্মেলনের আর্থিক লেনদেন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ইনভয়েস ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে সম্মেলনের অর্থের উৎস, লেনদেনের পদ্ধতি, অর্থপ্রাপকের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা স্বচ্ছভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

এই সম্মেলনের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে NPS Australia নামের প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট: https://nps-australia.com.au/
এই ওয়েব সাইটে দেওয়া +61 450 989 594 যোগাযোগের নাম্বার ও ঠিকানা এ ছাড়া, https://aussietutor.com.au/about-us/ ওয়েবসাইটের প্রকাশিত যোগাযোগের নম্বর +61 450 989 594 নিয়েও অনুসন্ধান করেছি। নম্বরটি WhatsApp-এ সার্চ করলে বিইউবিটির বর্তমান ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলীর নাম ও ছবি-সংবলিত একটি প্রোফাইল দেখতে পাই। বিষয়টি নিশ্চিত করতে ওই নম্বরে সরাসরি কলও করা হয়েছে।

এই তথ্যগুলো NPS Australia, Aussie Tutor এবং বিইউবিটির ভিসির মধ্যে সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত মালিকানা, পরিচালনা ও পারস্পরিক সম্পর্ক সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন নথি এবং অন্যান্য নির্ভরযোগ্য তথ্য দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।

সম্মেলনের অর্থের হিসাব কোথায়?

ML4CS-2026 সম্মেলনের নিবন্ধন ফি ও অন্যান্য অর্থ কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়েছে? সম্মেলনের মোট আয়, ব্যয়, অর্থপ্রাপকের পরিচয় এবং লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ হিসাব কোথায়?

ইনভয়েসগুলোর তথ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গেটওয়ে লেনদেন, প্রকৃত সেবা এবং অর্থপ্রাপকের বিবরণ সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ? ইনভয়েসে দেখানো সেবার বিপরীতে বাস্তবে অর্থ পরিশোধ হয়েছে কি না, সেটিও প্রকাশ করা প্রয়োজন। এই কনফারেন্সের টোটাল পেপার সাবমিট হইছে ২৮ টা এর মধ্যে বিউবিটির পেপার ১৪ টা 🫤

NPS Australia ও Aussie Tutor-এর সঙ্গে বিইউবিটির ভিসির প্রকৃত সম্পর্ক কী? এসব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধিত মালিক ও নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিরা কারা? সম্মেলনের আর্থিক লেনদেনে তাঁদের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা ছিল কি না?

সম্মেলনের অর্থ বিদেশে নিবন্ধিত কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লেনদেন হয়ে থাকলে, সেই অর্থের গতিপথ কী ছিল? অর্থ গ্রহণ থেকে শুরু করে চূড়ান্ত প্রাপকের কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের হিসাব কি যাচাই করা সম্ভব?

ইনভয়েস,লেনদেনের নথি ও অন্যান্য আর্থিক তথ্যের মধ্যে যদি অসংগতি পাওয়া যায়, তাহলে তার দায় কার? সংশ্লিষ্ট অর্থের ব্যবহার ও হিসাবরক্ষণের দায়িত্বে কারা ছিলেন? এটা কি মানিলন্ডারিং কিনা সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা দরকার।

কোনো অনুমানকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই না। আমরা চাই, নথির ভিত্তিতে সত্য সামনে আসুক। তাই বিইউবিটি কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি—

১. ML4CS-2026 সম্মেলনের অনুমোদিত বাজেট, মোট আয়-ব্যয় এবং সংশ্লিষ্ট অনুমোদনের নথি প্রকাশ করা হোক।

২. সম্মেলনের ইনভয়েস, নিবন্ধন ফি, পেমেন্ট গেটওয়ের রেকর্ড ও ব্যাংক লেনদেন স্বাধীনভাবে নিরীক্ষা করা হোক।

৩. NPS Australia ও Aussie Tutor-এর নিবন্ধিত মালিকানা এবং বিইউবিটির ভিসির সঙ্গে সম্ভাব্য ব্যবসায়িক সম্পর্ক যাচাই করা হোক।

৪. কোনো ইনভয়েস জাল বা কোনো ব্যাংক লেনদেন অসত্য বলে প্রমাণিত হলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা তদন্ত করে প্রকাশ করা হোক।

৫. তদন্তে অর্থপাচার, জালিয়াতি বা অন্য কোনো আর্থিক অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। মানি লন্ডারিং মারাক্তক অপরাধ!!

বিশ্ববিদ্যালয় কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। এখানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকদের আস্থা জড়িত। বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, অর্থ, জনবল কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

ইনভয়েস ও অন্যান্য তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ রেখে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করা হোক, যাতে কোনো অভিযোগ সত্য হলে তা প্রমাণসহ প্রকাশ পায় এবং ভিত্তিহীন হলে সেটিও স্পষ্ট হয়।

বিইউবিটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট সবার জানার অধিকার রয়েছে এই সম্মেলনের অর্থ কোথা থেকে এসেছে, কোন পথে লেনদেন হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত সেই অর্থ কোথায় গিয়েছে।

কোন ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, নথিভিত্তিক জবাব চাই। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য প্রতিষ্ঠিত হোক।

13/10/2026

একজন বিইউবিটিয়ান হিসেবে নিজের বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এমন প্রশ্ন তুলতে ভালো লাগে না। কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমাদের শুধু ডিগ্রির সম্পর্ক নয়; জড়িয়ে আছে আমাদের স্বপ্ন, পরিশ্রম, পরিবারের কষ্টার্জিত অর্থ এবং ভবিষ্যৎ। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে এমন কিছু বিষয় সামনে এসেছে, যেগুলোর উত্তর না চেয়ে চুপ থাকাও নিজের বিবেকের কাছে দায়বদ্ধতা এড়িয়ে যাওয়া।

প্রথম প্রশ্ন—বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও শিক্ষকতার দায়িত্ব নিয়ে।

আমাদের কাছে থাকা তথ্য ও নথি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের স্প্রিং, সামার ও ফল সেমিস্টারে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং কিছু ক্ষেত্রে সহকারী অধ্যাপকদের নিয়মিত কোর্সে পাঠদান না করার অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কোটি টাকারও বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে আমাদের দাবি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে অনৈতিক আর্থিক সুবিধা দেওয়ার এবং তাঁদের ঘিরে একটি বিশেষ প্রভাববলয় গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে।

প্রশ্ন হলো, শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিশ্চিত না করেই যদি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেওয়া হয়, তাহলে সেই অর্থের জবাবদিহি কে করবে? বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থে ক্ষতি হলে তার দায় কার? এসব বিষয়ে কি নিরপেক্ষ তদন্ত হবে?

দ্বিতীয় প্রশ্ন—অতিরিক্ত ভাতা, বোনাস এবং আর্থিক বৈষম্য নিয়ে।

অভিযোগ রয়েছে, উপাচার্য মহোদয়ের পছন্দের কিছু কর্মচারী অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন না করেও অতিরিক্ত ভাতা পেয়েছেন। আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনীয় সিন্ডিকেট বা ট্রাস্টি বোর্ডের অনুমোদন ছাড়াই পছন্দের কিছু কর্মচারীকে বোনাস দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকদের বেতন-ভাতার সঙ্গে নিয়মিত স্কেলে নিয়োগপ্রাপ্ত বা পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতার বিশাল পার্থক্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

আমরা জানতে চাই—কোন নীতিমালায় এসব সুবিধা দেওয়া হয়েছে? কোথায় অনুমোদন? বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নিয়ম সবার জন্য সমান, নাকি পদ ও ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতার ভিত্তিতে আলাদা?

তৃতীয় প্রশ্ন—উপাচার্য, প্রভাববলয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে।

আমাদের কাছে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযোগ উঠেছে, উপাচার্য মহোদয়, কয়েকজন প্রভাবশালী শিক্ষক এবং কিছু ট্রাস্টি সদস্যের সমর্থনকে কেন্দ্র করে এমন একটি বলয় তৈরি হয়েছে, যার সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব রয়েছে। অভিযোগ আরও রয়েছে, কিছু আর্থিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।

যদি এসব অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে এটি কেবল প্রশাসনিক দুর্বলতা নয়; এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশাসন ও আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। তাই প্রতিটি সিদ্ধান্তের অনুমোদন, আর্থিক হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা হোক। আইন ও বিধিমালা সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করা হোক।

চতুর্থ প্রশ্ন—৫ আগস্ট ২০২৫-এর পর ৩১৩টি নিয়োগ নিয়ে।

আমাদের কাছে থাকা নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য ও নথি অনুযায়ী, ৫ আগস্ট ২০২৫-এর পর বিইউবিটিতে ৩১৩ জন নিয়োগের বিষয়টি সামনে এসেছে। আমাদের দাবি, এই নিয়োগগুলোর সঙ্গে গ্রিন ইউনিভার্সিটি, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা প্রার্থীদের ব্যাপক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের একটি বড় অংশ উপাচার্য মহোদয়ের পূর্বপরিচিত বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এখানে আমাদের প্রশ্ন অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া নিয়ে নয়। যোগ্য প্রার্থী যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই আসতে পারেন। প্রশ্ন হলো—এই ৩১৩টি নিয়োগে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও স্বচ্ছ প্রতিযোগিতাই কি প্রধান বিবেচ্য ছিল? নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ পরিচিতি বা পূর্বসম্পর্ক প্রভাব ফেলেছে কি না, তা কি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হবে?

আমরা চাই, ৩১৩টি নিয়োগের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, প্রার্থীদের প্রাসঙ্গিক যোগ্যতা, নিয়োগের উৎস, নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং অনুমোদনসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হোক। কারণ নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা থাকলে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কঠিন হওয়ার কথা নয়।

পঞ্চম প্রশ্ন—বিশ্ববিদ্যালয়ের চিফ প্রোগ্রামার নিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা নিয়ে।

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিফ প্রোগ্রামার গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত দায়িত্ব পালন করেন। এই পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা যাচাই করা অপরিহার্য।

আমাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট নিয়োগে প্রার্থীর সরাসরি পেশাগত অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একজন ফ্রিল্যান্সার হওয়া কোনো অযোগ্যতার প্রমাণ নয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত পদে নিয়োগের সময় কী কী যোগ্যতা যাচাই করা হয়েছে? নিয়োগের মানদণ্ড কি প্রকাশ করা হবে?

বিইউবিটির নিজেরই এমন বহু গ্র্যাজুয়েট রয়েছেন, যাঁরা দেশি-বিদেশি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন, এমনকি লিড প্রোগ্রামার ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত দায়িত্বেও রয়েছেন। তাহলে নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য দক্ষ জনবল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তাঁদের মতো যোগ্য প্রার্থীদের সুযোগ ও মূল্যায়ন কীভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে?

ষষ্ঠ প্রশ্ন—TA ও RA নিয়োগে বিইউবিটির শিক্ষার্থীরা কতটা সুযোগ পাচ্ছেন?

আমাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট (TA) ও রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট (RA) নিয়োগে বিইউবিটির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ মাত্র ৩–৫ শতাংশের কাছাকাছি। অন্যদিকে গ্রিন ইউনিভার্সিটি, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা প্রার্থীদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

যদি এই পরিসংখ্যান সঠিক হয়, তাহলে বিইউবিটির শিক্ষার্থীরা কেন এত কম সুযোগ পাচ্ছেন? নিজেদের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা এবং শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া কি বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব নয়?

আমরা বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সুযোগ বন্ধ করতে চাই না। আমরা চাই, বিইউবিটির শিক্ষার্থীরাও যোগ্যতার ভিত্তিতে সমান সুযোগ পান। নিজেদের শিক্ষার্থীদের অবমূল্যায়ন করে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী হতে পারে না।

সপ্তম প্রশ্ন—ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে।

বিইউবিটির ওয়েবসাইটে অনুপযুক্ত বা ১৮+ কনটেন্ট প্রদর্শিত হওয়ার অভিযোগ এবং শিক্ষার্থীদের তথ্য ফাঁস হয়ে স্প্যাম ফোন আসার বিষয়ে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। এসব ঘটনা সত্য হলে, সেগুলোকে সাধারণ প্রযুক্তিগত সমস্যা বলে পাশ কাটানোর সুযোগ নেই।

শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য কতটা নিরাপদ? ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা কে পর্যবেক্ষণ করেন? কোনো তথ্য ফাঁস হয়ে থাকলে তার উৎস কী, কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের কীভাবে সুরক্ষা দেওয়া হবে?

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজিটাল নিরাপত্তা শুধু আইটি বিভাগের বিষয় নয়; এটি শিক্ষার্থীদের গোপনীয়তা ও আস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

সবশেষে, আমরা কী চাই?

আমরা বিইউবিটির ক্ষতি চাই না। আমরা চাই না আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বিতর্কে জড়িয়ে পড়ুক। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষা করার অর্থ অনিয়মের অভিযোগ উপেক্ষা করা নয়। বরং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, স্বচ্ছতা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব।

আমাদের কাছে থাকা তথ্য ও নথিগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা হোক। শিক্ষকতার দায়িত্ব, আর্থিক সুবিধা, বোনাস, নিয়োগ, অনুমোদন এবং তথ্যনিরাপত্তা—প্রতিটি বিষয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে পদ-পদবি বা প্রভাব বিবেচনা না করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

বিইউবিটি কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, অভিভাবকদের কষ্টার্জিত অর্থ এবং অসংখ্য শিক্ষক-গ্র্যাজুয়েটের পরিশ্রমে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠান।

একজন বিইউবিটিয়ান হিসেবে আমার প্রশ্ন—আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে হলে কি আমাদের অপরাধী হতে হবে? নিয়োগের স্বচ্ছতা চাইলে, অর্থের হিসাব চাইলে, শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন করলে কি আমরা ভুল করছি?

আমরা কারও ব্যক্তিগত শত্রু নই। আমরা জবাবদিহি চাই, স্বচ্ছতা চাই, যোগ্যতার মূল্যায়ন চাই এবং এমন একটি বিইউবিটি চাই, যেখানে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ সবার আগে থাকবে।

বিইউবিটি প্রশাসনের কাছে সরাসরি প্রশ্ন: এই অভিযোগগুলোর জবাব কি প্রমাণ ও নথিসহ প্রকাশ করা হবে? ৩১৩টি নিয়োগের প্রক্রিয়া, আর্থিক সুবিধা প্রদানের অনুমোদন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ব্যয়ের হিসাব কি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে দেওয়া হবে?

প্রশ্নগুলো ব্যক্তিগত নয়। এগুলো আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে।

একজন পূর্ণকালীন ভিসি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় একাধিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পা...
12/10/2026

একজন পূর্ণকালীন ভিসি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় একাধিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন কি? বিশ্ববিদ্যালয়ের জনবল, উদ্ভাবন ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিচিতি কি ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থে ব্যবহৃত হতে পারে? ভিসির স্বেচ্ছাচারিতা, ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ ও জবাবদিহি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন!

বিইউবিটির শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই ও সচেতন নাগরিকদের সামনে আজ এমন কিছু প্রশ্ন তুলে ধরা প্রয়োজন, যেগুলোর উত্তর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া জরুরি।

বিইউবিটির ভিসি ABM Shawkat Ali-কে BD AI, ByteBuilders এবং ERP (প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটগুলো হলো: nps-australia.com.au, bd-ai.net, www.bytebuilders.app, https://erp.bd-ai.net) -সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে বিভিন্ন নেতৃত্বের পদে দেখানো হয়েছে। এসব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য যদি তাঁর বর্তমান দায়িত্বের প্রতিফলন হয়, তাহলে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণকালীন প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একাধিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়টি কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে?

তাঁর নিয়োগপত্র, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি ও প্রযোজ্য বিধিমালায় কি অন্য প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের অনুমতি রয়েছে? থাকলে, সেই অনুমোদন কে দিয়েছেন? বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে থেকে ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থের সংঘাত এড়াতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?

প্রশ্ন এখানেই শেষ নয়।

অভিযোগ উঠেছে, বিইউবিটির Innovation Hub-এ তৈরি একাধিক পণ্য ও প্রযুক্তি ভিসি-সংশ্লিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পণ্য হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের Innovation Hub ও ERP-সংক্রান্ত কার্যক্রমে যুক্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয়ও দেখা যায়।

তাহলে জানতে চাই Innovation Hub-এর পণ্যগুলোর প্রকৃত মালিকানা কার? এগুলো তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ, প্রযুক্তি, গবেষণাগার কিংবা বেতনভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শ্রম ব্যবহৃত হয়ে থাকলে, তার অনুমোদন ও আর্থিক হিসাব কোথায়? বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হলে সেই ব্যবসার সুফল কি বিশ্ববিদ্যালয় পাচ্ছে, নাকি ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান?

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনবল যদি একই সময়ে ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের কাজেও নিয়োজিত থাকেন, তাহলে তাঁদের নিয়োগের শর্ত, কর্মঘণ্টা, পারিশ্রমিক ও দায়িত্বের হিসাব কি স্বাধীনভাবে নিরীক্ষা করা হয়েছে?

এবার আসা যাক আরও স্পর্শকাতর একটি বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং সিদ্ধান্ত এবং ভিসি-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণ।

অভিযোগ রয়েছে, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক পিএলসির সঙ্গে বিইউবিটির বেতন-ভাতা, ফিক্সড ডিপোজিট, শিক্ষার্থী ফি সংগ্রহ এবং ক্যাম্পাসে উপশাখা স্থাপনের মতো আর্থিক সম্পর্কের পাশাপাশি ভিসি ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের বিষয়ও রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকার ঋণ নেওয়া হয়েছে এবং আরও ১০ কোটি টাকার ঋণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এই ঋণের পরিমাণ, ঋণগ্রহীতাদের পরিচয়, অনুমোদন এবং বর্তমান অবস্থা যথাযথ নথি দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কোনো ব্যাংকের সম্পর্ক এবং একই ব্যাংক থেকে ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়ার তথ্য পাশাপাশি থাকলেই অনিয়ম প্রমাণিত হয় না। মূল প্রশ্ন হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংক নির্বাচন, আমানত রাখা, শিক্ষার্থীদের ফি সংগ্রহ কিংবা উপশাখা স্থাপনের সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থ বা বিনিময়ের সম্পর্ক ছিল কি না।

যদি এমন সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে সেটি কি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল? সিদ্ধান্তগুলো কোন প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়েছিল? অর্থ কমিটি, সিন্ডিকেট ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের অনুমোদন ছিল কি? এসব বিষয়ে স্বাধীন তদন্ত ও আর্থিক নিরীক্ষা হওয়া প্রয়োজন নয় কি?

বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ৩১ ধারায় ভিসির দায়িত্ব এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির বিষয়টি নির্ধারিত রয়েছে। একই আইনের ২৫ ধারায় অর্থ কমিটির বিধান রয়েছে। এসব বিধানের পাশাপাশি ভিসির নিয়োগপত্র, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি ও প্রযোজ্য নীতিমালার আলোকে তাঁর দায়িত্ব এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক সিদ্ধান্তগুলো যাচাই করা জরুরি।

আমরা কাউকে প্রমাণের আগেই অপরাধী বলতে চাই না। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ, উদ্ভাবন, জনবল ও অর্থের সঙ্গে ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থের কোনো সম্পর্ক থাকলে, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের রয়েছে।

তাই বিইউবিটির ভিসি, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কাছে আমাদের প্রশ্ন:

১. ভিসি-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বিইউবিটির কোনো আর্থিক, প্রযুক্তিগত, কর্মীসংক্রান্ত বা বাণিজ্যিক চুক্তি রয়েছে কি?

২. Innovation Hub-এর পণ্য ও মেধাস্বত্বের প্রকৃত মালিকানা কার? এসব পণ্য থেকে অর্জিত আয়ের হিসাব কোথায়?

৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করলে তার অনুমোদন ও আর্থিক হিসাব কী?

৪. ভিসির নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী অন্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ রয়েছে কি? থাকলে, কী অনুমোদন নেওয়া হয়েছে?

৫. বিইউবিটির ব্যাংকিং সিদ্ধান্ত ও ভিসি-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের মধ্যে কোনো স্বার্থের সংঘাত বা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ বিনিময় ছিল কি?

৬. এসব অভিযোগ যাচাই করতে ইউজিসি কি স্বাধীন তদন্ত, সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক নিরীক্ষার উদ্যোগ নেবে?

একটি বিশ্ববিদ্যালয় কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থের সম্প্রসারণ হতে পারে না। আবার অভিযোগ উঠলেই কাউকে অপরাধী ঘোষণা করাও ন্যায়বিচার নয়। প্রয়োজন নথি, স্বচ্ছতা, স্বাধীন তদন্ত এবং প্রমাণভিত্তিক জবাবদিহি।

বিইউবিটি কোনো ব্যক্তির একক সম্পত্তি নয়। এটি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ, অভিভাবকদের আস্থা, শিক্ষকদের শ্রম এবং একটি প্রাতিষ্ঠানিক ঐতিহ্যের অংশ।

তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পদে থেকে ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থের সম্পর্ক কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে? এসব বিষয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা ও নথি প্রকাশ করা হবে না কেন?

বিইউবিটির শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের এখনই প্রশ্ন তোলা উচিত: বিশ্ববিদ্যালয় কি তার নিজস্ব স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে, নাকি এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যার ব্যাখ্যা ও জবাবদিহি জনসমক্ষে প্রয়োজন?

আমরা চাই সত্য প্রকাশিত হোক, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক ।

বিইউবিটির স্বার্থ সবার আগে।

24/08/2026

বিউবিটির স্বৈরাচার প্রেম দেখেন, একটা দেশের রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন হইলো খোদ বিউবিটির চ্যান্সেলর পরিবর্তন হইলো বিউবিটির অভিনন্দন জানিয়ে কোন পোস্ট নাই।
বিউবিটি প্রশাসন স্বৈরাচারকে চাটটে চাটতে এমন অবস্থা করে ফেলছে কখন কোনটা করতে হবে কোথায় কি করতে হবে সেই হিতাহিত জ্ঞান ভুলে গেছে। দেশে ৩৫ বছর পরে নির্বাচনের মাধ্যেম রাষ্টপতি নির্বাচিত হইছে থাক বাদ দিলাম বিউবিটির চ্যান্সেলর তো পরিবর্তন হইছে, নাই বিউবিটির কোন খবর নাই।
যেখানে দেশের সব ইউনিভার্সিটিগুলো তাদের চ্যান্সেলরকে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট করছে সেখানে বিউবিটি নিরব।

বিউবিটির উইশ পোস্টে আসলে রাষ্ট্রপতির কিছু যায় আসে না তবে বিউবিটি যে এখনও স্বৈরাচারের দোসরে ভরা সেটাই এটার প্রমান।

৫ তারিখের পরে যত নিয়োগ হইছে সব গুলোর ব্যাকরাউন্ড খুজলে পাওয়া যাবে কেউ কেউ ভার্সিটির অথবা হল ছাত্রলীগের সভাপতি বা ভিপি।
বিউবিটি স্বৈরাচার পূর্নবাসন কেন্দ্রে পরিনত হইছে সেইম।

Address

Rupnagar, Mirpur/2
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unity Of BUBTians posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share