10/01/2026
বর্তমান পরিস্থিতিতে জেদ্দা এয়ারপোর্টে ওমরাহ যাত্রী নামলেই নুসুক কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। বাস্তবতা হলো, ট্রান্সপোর্ট কনফার্মেশন ছাড়া কাউকেই সহজে এয়ারপোর্ট এলাকা ত্যাগ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে যারা শুধু ভিসা নিয়ে নিজের মতো করে, পরিবারসহ বা ব্যক্তিগতভাবে ওমরাহ করতে যান এবং কোনো গ্রুপ বা প্যাকেজের সঙ্গে যুক্ত নন, তাদের ক্ষেত্রে এই কড়াকড়ি আরও বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এই অবস্থায় এয়ারপোর্ট পার হওয়ার জন্য হলেও অন্তত একটি ট্রান্সপোর্ট আগে থেকেই নিশ্চিত থাকা প্রায় বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে। যাদের ভিসার সঙ্গে ট্রান্সপোর্ট যুক্ত নেই, অনেক ক্ষেত্রে তাদের নুসুকের নির্ধারিত গাড়িতে উঠতে বাধ্য করা হচ্ছে। আর যাদের ভিসায় ট্রান্সপোর্টসহ প্যাকেজ রয়েছে, নুসুক কর্মীরা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির গাড়ি খুঁজে পেতে সহায়তা করছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, বর্তমান আপডেট অনুযায়ী জেদ্দা এয়ারপোর্ট দিয়ে প্রবেশ করলে ট্রান্সপোর্ট ছাড়া ওমরাহ সফর বাস্তবে প্রায় অসম্ভব।
এখানে আরেকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝা দরকার। প্রাইভেট ট্রান্সপোর্ট আগে থেকেই রিজার্ভ করা থাকে, তাই এর খরচকে হাঁটা পথে বা তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া গাড়ীর ভাড়ার সঙ্গে তুলনা করা ঠিক নয়। কারণ তাৎক্ষণিক গাড়ী যে কোনো যাত্রী পেলে সেটাই তাদের লাভ, কিন্তু রিজার্ভ করা প্রাইভেট ট্রান্সপোর্টকে এয়ারপোর্ট এলাকায় প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি ও কাগজপত্র সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আসতে হয়। পাশাপাশি যাত্রীর সংখ্যা যত বেশি হয়, যেমন তিন জন বা সাত জন, তখন এই প্রাইভেট ট্রান্সপোর্টের খরচ গড়ে অনেক সময় এক বা দুই জন যাত্রীর তুলনায় কম পড়ে। তাই খরচের বিষয়টি এককভাবে না দেখে বাস্তব প্রেক্ষাপট অনুযায়ী বিবেচনা করাই যুক্তিসংগত। যে কোন প্রয়োজনে আপনাদের পাশে আমরা আছি # ব্যবসা নয় খেদমতে আমাদের উদ্দেশ্য ইনশাআল্লাহ ,
#উমরাহ বা হজ্বের 🕋 সঠিক সার্ভিস পেতে Umaer Travels এবং Ihram Shop এর পেইজে যোগাযোগ করতে পারেন ইনশাআল্লাহ।
অথবা 01613-432302 এই নাম্বারে মেসেজ দিন।
#