01/07/2016
কয়েকটা মাস আগে একটা ভিডিও ব্যাপক ভাবে জনপ্রিয়তা পায়। ভিডিওটিতে
সৈকতে গা মালিশ করে খেটে খাওয়া এক ছোট্ট ছেলের গানের প্রতিভা তুলে ধরা হয়।
ছেলেটির নাম জাহিদ, আমি তাকে উপাধি দিয়েছিলাম 'সৈকত সন্তান' বলে।
এমন অনেক প্রতিভা-ই আমাদের দেশের আনাচে কানাচে লুকিয়ে আছে।
তবে জাহিদ নামের এই একটিকে খুঁজে পেয়েছিল ইমরান হোসাইন, বন্ধুরা তাকে জন
নামেও চিনে। ইমরান নিজেকে আনন্দ নগরের মাঝি মনে করে( আনন্দ নগর তার ব্যান্ড এর নাম)। প্রতিভাশীল এসব ছেলে-মেয়েদের খুঁজে তাদের প্রচারণার সাথে সাথে
ইমরান লোক সঙ্গীত গেয়ে সকলকে তুষ্ট করে বেড়ায়। এ কাজের মাধ্যমে তার বিশ্বাস
'আনন্দ আসবেই'।
উপরের দেয়া তথ্য হয়ত অনেক ইউ.আই.ইউ এর স্টুডেন্টরাই জানেন।
তবে যে কারনে আমি এই পোষ্টটি করেছি তার পিছনের কারণ একজনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া।
মোঃ আকরাম হোসাইন( Administrative officer, UIU)
মেইন ক্যাম্পাস-এ খুব পরিচিত এক মুখ। সকলেই আমরা কম বেশি দেখেছি।
আকরাম স্যার হচ্ছেন ইমরান এর শ্রদ্ধেয় বাবা। ইমরানের মত এক প্রতিভাবান
ছেলের জন্ম দেয়ার সাথে সাথে আমাদের মত প্রতিভাবান ছেলে-মেয়েদের দেখা-শোনা
করতেও তিনি সর্বদা ব্যাস্ত। হাসি-খুশি মুখে সে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন
বেশ লম্বা সময় ধরে।
পরিচয় পর্বটুকু ছাড়া আমার একটা ইচ্ছার কথা সবাইকে বলি।
আমরা সবাই সাধারণত ছোট থেকে আমাদের বাবার পরিচয়ে বড় হই। কিন্তু যখন
কেউ আমাদের বাবাকে বলে, আর এ আপনি উনার বাবা, ও তো এলাকার সিক্সার, দারুন ক্রিকেট খেলে অথবা আর এ আপনার মেয়ে তো দারুন নাচে।
সেই সময় বাবার চেহারাটা দেখার মত হয়। বাবা তার সন্তানের নামে পরিচিত হয়।
বাবাদের জন্য এটা অনেক গর্বের।
একটা ছোট্ট ছেলের প্রতিভাকে সবার সামনে তুলে ধরে ইমরানও ছোট খাটো একটা
ছক্কা তো মেরেই দিয়েছে। তার এই কৃতিত্তের কিছুটা অংশ তার বাবা অর্থাৎ
আকরাম স্যারেরও প্রাপ্য। তাকে এই গর্বটির সুযোগ দেবার অনুরোধ থাকলো সবার কাছে।
by the way,
তাহসান এর বাবাকে দেখলে তো আশা করি সবাই একটা সালাম দিতেন।
ইমরানও আগামীর এমন বড় একজন নক্ষত্র। তার বাবা তো আমাদের পাশেই
থাকে, এখন থেকেই নাহয় দেই ? :P
-collected