ZOOLOGY - প্রাণিবিদ্যা

ZOOLOGY - প্রাণিবিদ্যা দেশজুড়ে প্রাণিবিদ্যার শিক্ষার্থীদের এক অভিন্ন মঞ্চ এই পাতা।
https://youtube.com/.bd.31

📍৫০ বছরে বিশ্বের ৭০ শতাংশ বন্যপ্রাণী উধাও!▪️বিশ্বজুড়ে গত ৫০ বছরে ৭০ শতাংশ বন্যপ্রাণী কমে গেছে। পরিবেশ ও প্রকৃতি নিয়ে আতঙ...
22/08/2026

📍৫০ বছরে বিশ্বের ৭০ শতাংশ বন্যপ্রাণী উধাও!

▪️বিশ্বজুড়ে গত ৫০ বছরে ৭০ শতাংশ বন্যপ্রাণী কমে গেছে। পরিবেশ ও প্রকৃতি নিয়ে আতঙ্কজনক এ তথ্য প্রকৃতিবিষয়ক গবেষকদের এক রিপোর্টে উঠে এসেছে। বন্যপ্রাণীর উধাও হয়ে যাওয়ার জন্য বনভূমি উজাড়, নানা ধরনের দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন ও মানুষের প্রকৃতিবিরোধী কর্মকাণ্ড ও প্রাকৃতিক সম্পদের অতিরিক্ত ব্যবহারকে দায়ী করা হয়েছে।

▪️বন্যপ্রাণীবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়ার্ল্ডওয়াইড ফান্ড ফর ন্যাচার (ডব্লিউডব্লিউএফ) ও জিওলজিক্যাল সোসাইটি অব লন্ডন (জেডএসএল) যৌথভাবে ‘লিভিং প্ল্যানেট ইনডেক্স’ শীর্ষক সমীক্ষাটি করেছে।

বিশ্বজুড়ে যেসব প্রাণী পর্যবেক্ষণ করা হয়, সেই প্রাণীর সার্বিক বিশ্লষণে এ চিত্র উঠে এসেছে। ৫ হাজার ২৩০টি প্রজাতির ৩২ হাজার বন্যপ্রাণী নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন তারা। যেটি প্রতিষ্ঠানটির ২৪ বছরের ইতিহাসের মধ্যে সবচেয়ে বিশদ পর্যালোচনা।

▪️বিশ্বে ১৯৭০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে গড়ে বন্যপ্রাণীর সংখ্যা ৬৯ ভাগ কমে গেছে। এর মধ্যে একক দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্যে কমেছে ৫০ ভাগ, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ। যুক্তরাজ্যে এখন চাতক (স্কাইলার্কস) ও সজারু (হেজহগ) আর তেমন দেখা যায় না। সামুদ্রিক ঘাসের আবাসস্থল ৯২ ভাগ ও ৯৭ ভাগ বন্যফুলের তৃণভূমি চিরতরে হারিয়ে গেছে।

রিপোর্টমতে, প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ১ কোটি হেক্টর বন উজাড় করে ফেলা হচ্ছে, যা প্রায় পর্তুগালের আয়তনের সমান। এর প্রভাবে জলবায়ু বিপর্যয়ের শঙ্কা ও খাদ্য নিরাপত্তা হুমকিতে পড়ছে।

~ চূড়ান্ত সাজেশন (পুরাতুন সিলেবাস)🔥অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষা—২০২৫ বিষয়: রসায়ন-১ (Chemistry-1) বিষয় কোড: ২১২৮০৭(Repost)🔰 এই ...
22/08/2026

~ চূড়ান্ত সাজেশন (পুরাতুন সিলেবাস)🔥
অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষা—২০২৫
বিষয়: রসায়ন-১ (Chemistry-1)
বিষয় কোড: ২১২৮০৭(Repost)

🔰 এই সাজেশনের সমাধানের পিডিএফ ফাইল এবং নতুন ও পুরাতন সিলেবাসের সকল বিষয়ের সাজেশনের PDF কমেন্ট বক্সে দেওয়া হলো 👇🏻

🦩 ফ্লেমিঙ্গো: গোলাপি রঙের এক বিস্ময়কর পাখি প্রকৃতির সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও সহজে চেনা পাখিগুলোর মধ্যে ফ্লেমিঙ্গো অন্যতম। লম্বা...
22/08/2026

🦩 ফ্লেমিঙ্গো: গোলাপি রঙের এক বিস্ময়কর পাখি
প্রকৃতির সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও সহজে চেনা পাখিগুলোর মধ্যে ফ্লেমিঙ্গো অন্যতম। লম্বা পা, বাঁকানো ঠোঁট এবং উজ্জ্বল গোলাপি রঙের জন্য এই পাখি পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপকভাবে পরিচিত। তবে শুধু সৌন্দর্য নয়, তাদের জীবনধারা ও অভিযোজন ক্ষমতাও অত্যন্ত বিস্ময়কর।

🔹 পরিচিতি
বাংলা নাম: ফ্লেমিঙ্গো
ইংরেজি নাম: Flamingo
বৈজ্ঞানিক পরিবার: Phoenicopteridae

🔹 কেন ফ্লেমিঙ্গো গোলাপি রঙের?
মজার বিষয় হলো, ফ্লেমিঙ্গো জন্মের সময় ধূসর বা সাদা রঙের হয়। তাদের খাদ্যে থাকা ক্যারোটিনয়েড নামক রঞ্জক পদার্থ ধীরে ধীরে পালক, ঠোঁট ও পায়ের রঙকে গোলাপি বা লালচে করে তোলে।
খাদ্যের মধ্যে থাকে— ক্ষুদ্র চিংড়ি, শৈবাল,ছোট জলজ অমেরুদণ্ডী প্রাণী।
খাদ্যে ক্যারোটিনয়েড কম থাকলে তাদের রঙও ফ্যাকাশে হয়ে যায়।

🔹 এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকে কেন?
ফ্লেমিঙ্গোর সবচেয়ে পরিচিত আচরণ হলো এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকা। বিজ্ঞানীরা মনে করেন—
- শরীরের তাপ সংরক্ষণে সাহায্য করে
- পেশির শক্তি কম খরচ হয়
- দীর্ঘ সময় বিশ্রাম নিতে সুবিধা হয়

ফ্লেমিঙ্গো শুধু একটি সুন্দর পাখিই নয়, বরং প্রকৃতির অভিযোজন, সামাজিকতা এবং বিবর্তনের এক অনন্য উদাহরণ। জন্মের সময় ধূসর হলেও খাদ্যের প্রভাবে ধীরে ধীরে গোলাপি রঙ ধারণ করা এই পাখিটি সত্যিই প্রকৃতির এক জীবন্ত শিল্পকর্ম। 🦩✨

🧠 Perception কীভাবে তৈরি হয়?Perception (উপলব্ধি) হলো বাইরের জগত থেকে পাওয়া sensory information-কে মস্তিষ্কের অর্থপূর্ণ অ...
22/08/2026

🧠 Perception কীভাবে তৈরি হয়?
Perception (উপলব্ধি) হলো বাইরের জগত থেকে পাওয়া sensory information-কে মস্তিষ্কের অর্থপূর্ণ অভিজ্ঞতায় রূপান্তর করার প্রক্রিয়া।
যেমন, তুমি একটি ফুল দেখলে—চোখ প্রথমে আলো, রং, আকার ইত্যাদির তথ্য সংগ্রহ করে। এই সংকেত মস্তিষ্কে পৌঁছানোর পর মস্তিষ্ক সেটিকে আগের অভিজ্ঞতা, context ও প্রত্যাশার সঙ্গে মিলিয়ে “এটা একটি ফুল” হিসেবে ব্যাখ্যা করে।
অর্থাৎ,
বাইরের উদ্দীপনা → Sensory signal → মস্তিষ্কের বিশ্লেষণ + পূর্বের অভিজ্ঞতা → Perception
গবেষণায় দেখা যায়, perception শুধু sensory input-এর ওপর নির্ভর করে না; attention, expectation ও পূর্বের অভিজ্ঞতাও আমরা কীভাবে কোনো কিছু perceive করি তা প্রভাবিত করে।
সহজ ভাষায়, চোখ শুধু তথ্য নেয়—“কী দেখছি” তার অর্থ তৈরি করে মস্তিষ্ক। 🧠

🔥একাডেমিক পোস্ট-৩৩🔥স্নাতক তৃতীয় বর্ষ(২০২২-২৩)বিষয় : সিস্টেমেটিক্স,ডেমোগ্রাফি এন্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং পার্ট:সিস্টেমেটিক্স...
22/08/2026

🔥একাডেমিক পোস্ট-৩৩🔥
স্নাতক তৃতীয় বর্ষ(২০২২-২৩)
বিষয় : সিস্টেমেটিক্স,ডেমোগ্রাফি এন্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং
পার্ট:সিস্টেমেটিক্স
বিষয় কোড :২৩৩১১১
অধ্যায়:৫(প্রজাতির ধারণা)

👉PDF ডাউনলোড করুন 👇👇
https://drive.google.com/file/d/1vfubLdoxd7a62erJ9akN4gexxf_mp8Ez/view?usp=drivesdk

১-৩২ নং পোস্ট লিংক কমেন্ট বক্সে 👇👇👇

#233111

🔥একাডেমিক পোস্ট -৩৩✨✨স্নাতক ৩য় বর্ষ (২২-২৩) ✨বিষয় : Evolution, Paleontology & Zoogeography ✨বিষয় কোড :  ২৩৩১০১✨Part - Zo...
21/08/2026

🔥একাডেমিক পোস্ট -৩৩✨
✨স্নাতক ৩য় বর্ষ (২২-২৩)

✨বিষয় : Evolution, Paleontology & Zoogeography

✨বিষয় কোড : ২৩৩১০১

✨Part - Zoogeography

✨অধ্যায় (১৩)

[খ-বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তরসমূহ পিডিএফ আকারে দেওয়া হলো]

https://drive.google.com/file/d/1AHrAfyT-8i2TRrYEl7HFan5uxFJL1hZK/view?usp=drivesdk

👉একাডেমিক পোস্ট (১-৩২) কমেন্ট বক্সে দেওয়া হলো।

#233101 #2022-23

~ চূড়ান্ত সাজেশন (নতুন সিলেবাস)🔥অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষা—২০২৫ বিষয়: রসায়ন-১ (Chemistry-1) বিষয় কোড: ২১২৮০৭(Repost)🔰 এই সাজ...
21/08/2026

~ চূড়ান্ত সাজেশন (নতুন সিলেবাস)🔥
অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষা—২০২৫
বিষয়: রসায়ন-১ (Chemistry-1)
বিষয় কোড: ২১২৮০৭(Repost)

🔰 এই সাজেশনের সমাধানের পিডিএফ ফাইল এবং নতুন ও পুরাতন সিলেবাসের সকল বিষয়ের সাজেশনের PDF কমেন্ট বক্সে দেওয়া হলো 👇🏻

🧠 ভয় কীভাবে তৈরি হয়?ভয় তৈরি হওয়ার মূল কাজটি করে আমাদের মস্তিষ্কের Amygdala নামের একটি অংশ।কোনো বিপদ বা ভয়ংকর কিছু দেখলে/...
21/08/2026

🧠 ভয় কীভাবে তৈরি হয়?
ভয় তৈরি হওয়ার মূল কাজটি করে আমাদের মস্তিষ্কের Amygdala নামের একটি অংশ।
কোনো বিপদ বা ভয়ংকর কিছু দেখলে/শুনলে—
১. চোখ-কান তথ্য নেয় →
২. মস্তিষ্ক বিপদ শনাক্ত করে →
৩. Amygdala সতর্ক সংকেত দেয় →
৪. শরীর দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত হয় →
৫. আমরা ভয় অনুভব করি।
যেমন, হঠাৎ অন্ধকারে সাপের মতো কিছু দেখলে মস্তিষ্ক পুরো বিষয়টি বুঝে ওঠার আগেই Amygdala সতর্কতা তৈরি করতে পারে। ফলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, শরীর সতর্ক হয়ে যায় এবং আমরা ভয় পাই।
আর কোনো ভয়ংকর অভিজ্ঞতা একবার হলে মস্তিষ্ক সেটি মনে রাখতে পারে। পরে একই ধরনের পরিস্থিতি দেখলেই আগের অভিজ্ঞতার কারণে আবার ভয় তৈরি হতে পারে।
সহজ কথায়: ভয় হলো মস্তিষ্কের বিপদ শনাক্ত করে শরীরকে রক্ষা করার একটি স্বাভাবিক ব্যবস্থা। 🧠⚡

🐱 বিড়ালের গোঁফ আসলে একটি প্রাকৃতিক সেন্সর!বিড়ালের গোঁফ শুধু দেখতে সুন্দর লাগার জন্য নয়। এগুলো আসলে বিড়ালের শরীরের অত...
21/08/2026

🐱 বিড়ালের গোঁফ আসলে একটি প্রাকৃতিক সেন্সর!
বিড়ালের গোঁফ শুধু দেখতে সুন্দর লাগার জন্য নয়। এগুলো আসলে বিড়ালের শরীরের অত্যন্ত সংবেদনশীল অনুভূতিশীল অঙ্গ, যা তাকে আশপাশের পরিবেশ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বুঝতে সাহায্য করে। গোঁফকে বৈজ্ঞানিকভাবে Vibrissae বলা হয়।
🔍 গোঁফ কীভাবে কাজ করে?
বিড়ালের গোঁফের গোড়ায় অসংখ্য স্নায়ু ও সংবেদনশীল রিসেপ্টর থাকে। তাই গোঁফ সামান্য নড়লে বা কোনো বস্তুর কাছাকাছি বাতাসের পরিবর্তন হলে সেই তথ্য স্নায়ুর মাধ্যমে দ্রুত মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়।
📏 আশপাশের দূরত্ব বুঝতে সাহায্য করে
বিড়াল যখন কোনো সরু জায়গায় ঢোকার চেষ্টা করে, তখন গোঁফের মাধ্যমে আশপাশের বস্তু কতটা কাছে রয়েছে সে সম্পর্কে ধারণা পায়। বিশেষ করে আলো কম থাকলে গোঁফ তাকে পরিবেশ বুঝতে অতিরিক্ত সাহায্য করে।
তবে গোঁফকে সরাসরি কোনো “মাপার ফিতা” ভাবা ঠিক নয়। বিড়াল শুধু গোঁফের দৈর্ঘ্য দিয়ে কোনো জায়গায় তার পুরো শরীর ঢুকবে কি না নির্ধারণ করে—এমন ধারণার পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
🌬️ বাতাসের সামান্য পরিবর্তনও বুঝতে পারে
গোঁফ এত সংবেদনশীল যে আশপাশের বাতাসের প্রবাহ ও সূক্ষ্ম কম্পন থেকেও বিড়াল তথ্য পেতে পারে। ফলে কোনো বস্তু খুব কাছে থাকলে সেটিকে স্পর্শ না করেও তার উপস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব।
🐭 শিকার ধরার সময়ও গুরুত্বপূর্ণ
বিড়াল যখন শিকারকে খুব কাছে নিয়ে আসে, তখন গোঁফ তার চারপাশের নড়াচড়া ও অবস্থান সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয়। এতে কাছের বস্তুর অবস্থান বুঝতে তার সুবিধা হয়।

📍শহরের পাখিরা ভালো নেই।▪️ঢাকা শহর মানেই যানজট, কংক্রিটের দেয়াল, উঁচু দালান ও অবিরাম মানুষের ভিড়। দ্রুত নগরায়ণের চাপে শহর...
21/08/2026

📍শহরের পাখিরা ভালো নেই।

▪️ঢাকা শহর মানেই যানজট, কংক্রিটের দেয়াল, উঁচু দালান ও অবিরাম মানুষের ভিড়। দ্রুত নগরায়ণের চাপে শহরের খোলা জায়গা, জলাশয় ও সবুজ অঞ্চল ক্রমেই কমে আসছে। এই পরিবর্তনের নীরব কিন্তু গভীর প্রভাব পড়ছে ঢাকা শহরের পাখিদের ওপর। একসময় যে শহরে ভোর হতো পাখির কলরবে, আজ সেখানে সেই শব্দ অনেক জায়গাতেই ক্ষীণ হয়ে এসেছে।
ঢাকা শহরে এখনো টিকে আছে দোয়েল, শালিক, কাক, চড়ুই, ফিঙে, কবুতর, ঘুঘু ও টুনটুনির মতো কয়েকটি পরিচিত প্রজাতি। তবে আগের মতো সর্বত্র তাদের দেখা যায় না। বিশেষ করে চড়ুই পাখির সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। নগরবিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক ভবন নির্মাণশৈলী, জানালায় কাচের ব্যবহার, গাছপালা কমে যাওয়া এবং খাদ্যসংকট চড়ুইসহ অনেক ছোট পাখির আবাস ধ্বংস করছে।

▪️ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, রমনা পার্ক, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা, হাতিরঝিল ও কিছু পুরোনো আবাসিক এলাকা এখনো শহরের পাখিদের জন্য তুলনামূলক নিরাপদ আশ্রয়। এসব স্থানে বড় গাছ, জলাশয় ও খোলা জায়গা থাকায় পাখিরা খাবার ও বাসা বাঁধার সুযোগ পায়। তবে এসব এলাকাও ক্রমেই উন্নয়ন প্রকল্প ও অতিরিক্ত মানুষের চাপের মুখে পড়ছে।

▪️শব্দদূষণ, আলোক দূষণ ও বায়ুদূষণ শহরের পাখিদের আচরণে বড় পরিবর্তন আনছে। যানবাহনের উচ্চ শব্দে অনেক পাখি স্বাভাবিক ডাক দিতে পারে না, ফলে যোগাযোগ ও প্রজনন ব্যাহত হয়। রাতভর কৃত্রিম আলো পাখিদের বিশ্রামচক্র নষ্ট করে দেয়। একই সঙ্গে কীটনাশক ও বায়ুদূষণের কারণে খাদ্যশৃঙ্খলেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

▪️বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শহরের পাখিদের টিকিয়ে রাখতে হলে নগর–পরিকল্পনায় প্রকৃতিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ছাদবাগান, রাস্তার পাশে গাছ লাগানো, জলাশয় সংরক্ষণ এবং পার্ক ও খোলা জায়গা রক্ষা করা জরুরি। পাশাপাশি নগরবাসীর সচেতনতা বাড়ানোও প্রয়োজন—পাখির জন্য পানির পাত্র রাখা, গাছে বাসা বাঁধতে দেওয়া এবং অকারণে গাছ না কাটার মতো ছোট উদ্যোগও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

Address

Bhatara

Telephone

+8801767064064

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ZOOLOGY - প্রাণিবিদ্যা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share