North Bangla Culture

North Bangla Culture Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from North Bangla Culture, Dinajpur, Rājshāhi, Dinajpur.

31/03/2024

৯৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি বিজ্ঞপ্তিপ্রাথমিক আবেদন ২২ জানুয়ারি বিকাল ৪টা থেকে শুরু হয়ে ...
21/01/2024

২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

প্রাথমিক আবেদন ২২ জানুয়ারি বিকাল ৪টা থেকে শুরু হয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে।

আবেদন করতে যোগাযোগ করুন শরিফ কম্পিউটার, পাকেরহাট, খানসামা, দিনাজপুর, মোবাইল :01750966675

19/01/2024

দশ সংখ্যার জাতীয় পরিচয় পত্র (NID) কারো প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করতে পারেন- শরিফ কম্পিউটার পাকেরহাট, খানসামা, দিনাজপুর, 01750966675

19/01/2024

পুলিশ কনস্টেবল চাকরির বিজ্ঞপ্তি ২০২৪

অনলাইনে আবেদন শুরু ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ এবং
শেষ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বয়সসীমা: ১৮-২০ বছর

আবেদন করতে যোগাযোগ করুন শরিফ কম্পিউটার, পাকেরহাট, খানসামা, দিনাজপুর।

04/01/2024

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে যোগ দিন-

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

অনলাইন এর মাধ্যমে আবেদন শুরুর তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৪
এবং শেষ তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।

* ২০২৪ সালে নির্ধারিত সেনানিবাসে সৈনিক পদে পুরুষ ও মহিলা প্রার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। সেনাবাহিনীতে যোগদানে আগ্রহী সরুল জেলার পুরুন ও মহিলা প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

যোগ্যতা:
ক। সাধারণ ট্রেড (GD) পুরুষ ও মহিলা।
(১) বয়স: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে ১৭ বছর এর কম এবং ২০ বছরের বেশি হবে না (এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়)।
(২) শিক্ষাগত যোগ্যতা। এসএসসি/সমমান (মাদ্রাসা/কারিগরি/উন্মুক্ত) পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ-৩.০০ পেয়ে উত্তীর্ণ।

খ। টেকনিক্যাল ট্রেড (TT) পুরুষ ও মহিলা।
(১) বয়স: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে ১৭ বছর এর কম এবং ২১ বছরের বেশি হবে না (এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়)। শুধুমাত্র ড্রাইভিং পেশায় অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীর ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ০১ (এক) বছর শিথিল যোগ্য।

(২) শিক্ষাগত/কারিগরি যোগ্যতা।
ক: এসএসসি ভোকেশনাল হতে সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ-৩.০০ পেয়ে উত্তীর্ণ।
খ। এসএসসি/সমমান (মাদ্রাসা/কারিগরি/উন্মুক্ত) পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ-৩.০০ পেয়ে উত্তীর্ণ

আবেদন ফি: মোট ৩০০ টাকা কাটবে।

আবেদন করতে যা লাগবে: ছবি, জন্ম নিবন্ধন/ভোটার আইডি কার্ড, এবং পিতা ও মাতার ভোটার আইডি কার্ড এর নাম্বার, সঙ্গে নিজের অথবা পিতা-মাতার মোবাইল নিয়ে আসবেন।

আবেদন করতে যোগাযোগ করুন: শরিফ কম্পিউটার পাকেরহাট, খানসামা, দিনাজপুর।

02/01/2024

টমাস আলভা এডিসনের ভাই যখন বিসিএস ক্যাডার
মনোয়ার রুবেল | ০১ জানুয়ারি, ২০২৪

টমাস আলভা এডিসনের চাচাতো ভাই বিসিএস কোনো এক ক্যাডারে টিকেছেন। ফেসবুকে গ্রামের যুবকেরা অভিনন্দন জানাচ্ছেন৷ গ্রামের গর্ব বলেও লিখেছেন৷

তারা কেউ কখনো লেখেননি- এডিসন আমাদের গর্ব। অথচ তিনি বিজলি বাতি আবিষ্কার না করলে এরা অন্ধকারেই থেকে যেতেন।

আবার আফসোসও হচ্ছে৷ এরা এখনো অন্ধকারেই রয়ে গিয়েছে। অন্ধকারে আছে বলেই এদের কাছে বিসিএসই পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা জ্ঞান। অল্পশিক্ষিতের সমাজে বিসিএসই সর্বোত্তম পদক হয়। এখানে সেটাই।

এডিসন ফেসবুকে দেখলেন- কেউ একজন লিখেছেন, 'কাসেম আমাদের অহংকার'! এই কাসেমই এডিসনের চাচাতো ভাই।

এডিসন যখন ফিলামেন্ট নিয়ে দৌড়াচ্ছিলেন কাসেম তখন কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স আওড়াচ্ছিলেন। কে জানতো, মুখস্থবিদ্যার এতো কদর! চাকুরির পরীক্ষার এতো সম্মান?

এডিসন রাগে ক্ষোভে কল দিলেন জেপি মর্গানকে। জেপি তার বন্ধু। দুজন মিলে এডিসন ইলেক্ট্রিক কোম্পানি খুলেছিলেন। এডিসন ব্যবসা বোঝেন না, জেপি ভালো বিজ্ঞান বোঝে না। দুজনেরই দরকার দুজনকে। তারা প্রতিষ্ঠান করেন জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি- সংক্ষেপে জিইসি। জিইসিতো এখনো টিকে আছে৷ জেপির রেল ব্যবসা, ব্যাংক ব্যবসা ফুলেফেঁপে একাকার।

মনোয়ার রুবেল
এডিসন সেদিন ফোন করে বললেন-

- জেপি! ভাই আমি তো মহা ঝামেলায় আছি।
- কী হয়েছে?
- আগে তুই বল তো, একজন বিজ্ঞানী, একজন গবেষক, একজন শিল্পী বা একজন লেখকের চেয়ে বিসিএসের চাকরি পাওয়া কি বেশি সম্মানের?
- হ্যাঁ। এটা সমাজ ভেদে ডিপেন্ড করে। নিরক্ষরদের সমাজে এটা বেশি সম্মানের। ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করার ক্ষমতাই সেই সমাজে আসল।
- তো বিজ্ঞান? সাহিত্য চর্চা?
- তারা বুঝবে না। তাদের মস্তিষ্কের লেভেল সেই স্তরের হবে না৷
- এমনও সমাজ আছে?
- শ দেড়শ বছর পরে এমন একটি দেশ হবে গঙ্গার তীর ঘেঁষে। সেখানে হালের বলদের চাষ হবে অঢেল। রাস্তায় গোবর, ফেসবুকে গোবর, মাথায় গোবর৷ বলতেই আমার গা ঘিন ঘিন করছে রে 'এডি'।
- কি বলিস?
- তুই বোধহয় জানিস না, ওটা ব্রিটিশদের কলোনি ছিলো। তখন সেই সমাজে 'কেরানি' হওয়াটাকে সম্মানজনক ভাবা হতো। ব্রিটিশরা সেখানে কেরানি তৈরির জন্য স্কুল করেছিল। তাদের মানসিকতাই কেরানির। জীবনের লক্ষ্য কেরানি হওয়া।
- দোস্ত আমি তো এখন সেই ভয়ংকর জায়গায় আটকে গেছি।

টমাস আলভা এডিসন হুহু করে কেঁদে উঠলেন।
-তুই আমাকে উদ্ধার কর।
- কিন্তু, তুই তো আটকাস নি৷ তুই মৃত্যু ঘুমে টাইম ট্রাভেল করছিস। কিছুক্ষণ পর তুই অন্য টাইমে চলে যাবি। সেখানে কালি দাস পণ্ডিতের সাথে দেখা হবে, লালন নামের চারণ শিল্পীর সঙ্গে দেখা হবে, খেপা পাগল হাছনের সঙ্গে দেখা হবে। সেই সময়ে সেই সমাজে বিদ্বান, বিদগ্ধ জনদের সম্মান দেখবি। বিসিএস দেখবি না।
- আচ্ছা এই বিসিএস জিনিসটা কী?
- চাকুরির পরীক্ষা!
- মানে এডিসন ইলেক্ট্রিক কোম্পানিতে যেভাবে লোক নিই, তেমনই?
- হু, তেমনই?
- আরিব্বাস!

এডিসন আবার বললেন-
- টাইম ট্রাভেলে আমাকে এই সময়টা স্কিপ করে দে দোস্ত। এই সমাজে বিজ্ঞানী নাই, গবেষক নাই, সাধক নাই৷ এখানে বেঁচে থাকা অসম্ভব। তার চেয়ে বড় কথা, এখানে অমুক তমুক ভাইয়ের সাথে চা খেয়ে ছবি তোলায় এরা জীবন ধন্য মনে করে৷ নিজেদের পরিচয় নেই, আত্মসম্মান নেই। - তাদের এক সাধক ছিলো মহাকবি। নাম নবীন চন্দ্র সেন। তিনি লিখে গেছেন তার অঞ্চলে ভাই প্রথার কথা। তারা 'ভাই'এর পেছনে চলে, শ্লোগান দেয়। ভাই এর ওপর তাদের ভক্তি শ্রদ্ধা অসীম।
- বড় পুণ্যবান মানুষ ছিলেন, তাই নারে?
- তিনি নিজেও সিভিল সার্ভেন্ট ছিলেন।
- বিসিএস?
- না। তখন তো ব্রিটিশ ভারত। তবে সে আমলে টুকে পাস ছিল না। তিনি সাধক ছিলেন বলতে হয়। মহাকাব্য লিখেছেন। সে সময় সাধকদের সম্মান ছিলো। চাকুরেরা প্রণাম করতো পায়ে পড়ে। তাই চাকুরেরাও সাধক হতে চাইতেন।
- কিন্তু আমি কোন যুগে এসে পড়লাম। এখানে তরুণরা ওই চাকুরির পূজা করছে। যে চাকুরি পেলো তার সাথে ছবি তুলে পোস্ট দিচ্ছে। কবি, সাহিত্যিক, লেখক, বিজ্ঞানী- এরা কই?
- তুই দেড়শ বছর পরের সেই সমাজে আছিস।
- এ-তো অন্ধ মানুষের সমাজ রে। এখানে কে কতো বড় চাকর হবে তা দিয়ে মানুষের সম্মান মাপা হয়৷ এখানে এডিসন থাকতে পারে, তুই বল?

জেপি ফোন রেখে দিলেন।

এডিসন ফেসবুকে ঢুকে লিখলেন, ‘একজন বিজ্ঞানীর চেয়ে বিসিএসের সম্মান বেশি নয়’। লোকেরা নিচে এসে কমেন্টে হা হা রিয়েক্ট দিলো। খিক খিক হাসি দিলো। টিটকারি করলো। ট্রল করলো।

এডিসনের মন আরও খারাপ হলো। জেপি বলেছিল, মূর্খদের সমাজে জ্ঞান ফলাস না। কায়দা করে বেঁচে থাকবি।

সেটা করাই ভালো ছিলো।

লেখক : মনোয়ার রুবেল, কলামিস্ট

23/12/2023

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কবে ভর্তি পরীক্ষা
দৈনিক শিক্ষাডটকম প্রতিবেদক | ২২ ডিসেম্বর, ২০২৩

দৈনিক শিক্ষাডটকম প্রতিবেদক : দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। এবার একক ভর্তি পরীক্ষা না হলেও তিনটি গুচ্ছে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগীয় শহরে, এমনকি জেলায়ও পরীক্ষা নেয়ার কথা জানিয়েছে। গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতেও শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়া চলছে। ঘোষণা করেছে পরীক্ষার তারিখ। শিগগিরই তারিখ ঘোষণা করতে পারে গুচ্ছসহ শীর্ষস্থানীয় আরো বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়। জাতীয় নির্বাচনের পর কয়েকটির ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ভর্তিতে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ গত ১৮ ডিসেম্বর (সোমবার) শুরু হয়েছে। আগামী ৫ জানুয়ারি (শুক্রবার) মধ্যরাত এ কার্যক্রম শেষ হবে। ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা হবে বিভাগীয় শহরে। ঢাবির কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার), বিজ্ঞান ইউনিট ১ মার্চ (শুক্রবার), ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট ২৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) ও চারুকলা ইউনিট (সাধারন জ্ঞান ও অংকন) ৯ মার্চ (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আগের বছরের মতো এবারও জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়ার কোটায় শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়া হবে।

ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় কোটায় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি পৃথকভাবে পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে। ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে এ কোটায় পরীক্ষা ছাড়াই ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন ৪৯ জন শিক্ষার্থী।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় :

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২ থেকে ১৬ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে ২ মার্চ ‘এ’ ইউনিটের, ৮ মার্চ ‘বি’ ইউনিটের, ৯ মার্চ ‘সি’ ইউনিটের এবং ১৬ মার্চ ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ‘বি-১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৩ মার্চ ও ‘ডি-১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। ‘বি-১’ উপ-ইউনিটের ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে ১২, ১৩ ও ১৪ মার্চ এবং ‘ডি-১’ উপ-ইউনিটের ব্যবহারিক ১০ ও ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবারের মতো চবির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসেও।

চবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন আগামী ৪ জানুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে শুরু হবে। চলবে ১৮ জানুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। এবার ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় :

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক-স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৫, ৬ ও ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৮ থেকে ১৭ জানুয়ারি প্রাথমিক আবেদন জমা দেয়া যাবে। গত বছরের ন্যায় এবারও দ্বিতীয়বার ভর্তির সুযোগ থাকছে। ভর্তি সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে। বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে ‘সি’ ইউনিট, মানবিক অনুষদের অধীনে ‘এ’ ইউনিট এবং বাণিজ্য অনুষদের অধীনে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর চারটি গ্রুপে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় :

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভর্তি পরীক্ষা আগামী বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। উপাচার্য অধ্যাপক ড. নুরুল আলম জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

মেডিক্যাল কলেজ :

দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ভর্তি আবেদন আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে ৯ জানুয়ারি। ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৯ ফেব্রুয়ারি। সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রস্তাবনায় এমনটি জানানো হলেও এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

প্রস্তাবনায় অনুযায়ী, বিদেশী শিক্ষার্থীদের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি আগামী ৪ জানুয়ারি প্রকাশ করা হবে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে ৯ জানুয়ারি। ১০ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে ২৩ জানুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। অনলাইনে আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে ২৪ জানুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে পরীক্ষা নেয়া হবে।

ডেন্টাল :

সরকারি-বেসরকারি ডেন্টাল কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১ মার্চ আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। শিগগিরই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সভায় তারিখ চূড়ান্ত করা হতে পারে। ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সূত্র। এটি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি :

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন আগামী ২৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে চলবে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত। নতুন শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিটাইম গভর্ন্যান্স এন্ড পলিসি, শিপিং অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, আর্থ এন্ড ওশান সায়েন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এবার সেকেন্ড টাইম রাখা হয়েছে।

ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২০ অথবা ২০২১ সালে মাধ্যমিক-সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০২২ অথবা ২০২৩ সালের উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে কেবল সে সব শিক্ষার্থী নির্ধারিত ফরমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ছয় বিভাগীয় শহর ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, বরিশাল, সিলেট এবং পাবনা জেলার কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা হবে বিশ্ববিদ্যালয়টির।

বুয়েট :

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করাসহ বিভিন্ন বিষয় নির্ধারণে কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিগগিরই কমিটি সভা করে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করবে। গত ১৩ ডিসেম্বর একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি সংক্রান্ত কমিটি গঠন করা হয়।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস :

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৯ ও ২০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এবারও প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিইউপিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী আর্টস ও সোশ্যাল সায়েন্স অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা হবে। এদিনই বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।পরদিন ২০ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা বেলা তিনটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত নেয়া হবে।

তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ :

২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের প্রকৌশল গুচ্ছের তিন বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)-এর সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি আবেদনের যোগ্যতা ও সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

প্রকৌশল গুচ্ছের ভাইস চ্যান্সেলরদের সমন্বয়ে গঠিত অ্যাডমিশন অ্যাডভাইজরি কমিটি এবং সেন্ট্রাল এডমিশন কমিটির যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানায় সূত্র।এবারের প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্ব দিচ্ছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)।

২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ

২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। ইউজিসির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর জানিয়েছেন, একক ভর্তি পরীক্ষা না হলেও গত বছরের মতো আসন্ন শিক্ষাবর্ষেও গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হবে।

২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি কবে আয়োজন করা হবে তা এখনো আলোচনা হয়নি। তবে আগামী মার্চের শেষ দিকে অথবা এপ্রিল মাসের শুরুতে পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষাও নিজ নিজ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।

তবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানান, এবার গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করতে চায়। গুচ্ছ থাকলে মার্চ অথবা এপ্রিলে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা যেতে পারে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভর্তি পরীক্ষা নিজস্ব পদ্ধতিতে নেয়ার পক্ষে শিক্ষক সমিতি। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানা গেছে। শুরু থেকে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছের অংশ নিচ্ছে জবি।

৮ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ

২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা গুচ্ছে না নেয়ার পক্ষে শিক্ষকদের বড় অংশ। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি কর্তৃপক্ষ। শিগগিরই সভা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এবার গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার দায়িত্ব সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি চলতি ডিসেম্বর মাসের শেষে প্রকাশ করা হতে পারে। এবারও জিপিএর নম্বরের ওপর ভিত্তি করে ভর্তি নেওয়া হবে। এ তথ্য জানান উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান।

জানা গেছে, ডিসেম্বরের শেষ দিকে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এবারও এসএসসি এবং এইচএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএ নম্বরের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে। আলাদা পরীক্ষা আয়োজন করা হবে না।

21/12/2023

প্রাইমারি স্কুলে ছুটি ৬০ দিন, তালিকা প্রকাশ

21/12/2023

এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ, পরীক্ষা শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

প্রাইমারি দিনাজপুর ফলাফল
20/12/2023

প্রাইমারি দিনাজপুর ফলাফল

19/12/2023

Dhaka University Admission

২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

ভর্তি প্রার্থীরা ১৮/১২/২০২৩ তারিখ দুপুর ১২:০০টা থেকে ০৫/০১/২০২৪ তারিখ রাত ১১:৫৯ মি: পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবে।

আবেদন করতে যোগাযোগ করুন শরিফ কম্পিউটার পাকেরহাট, খানসামা, দিনাজপুর, মোবাইল 0175966675

19/12/2023

শিক্ষায় 'সিঙ্গাপুর পদ্ধতি' কী এবং কেন এত সফল?
অন্যান্য দেশের তুলনায় সিঙ্গাপুরের শিশুরা গণিতে ভালো পারফর্ম করে।

অন্যান্য দেশের তুলনায় সিঙ্গাপুরের শিশুরা গণিতে ভালো পারফর্ম করে।

ইসারিয়া প্রাথংইয়াম
বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস

এশিয়ার ছোট দেশ সিঙ্গাপুরের স্কুল শিক্ষার্থীরা, সবশেষ আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন পরীক্ষায় বিশ্বে সেরা ফলাফল অর্জন করেছে।

সারা বিশ্বের শিক্ষার্থীদের ফলাফল মূল্যায়নের এই আন্তর্জাতিক কর্মসূচিকে বলা হয় ‘প্রোগ্রাম ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাসেসমেন্ট’ সংক্ষেপে পিসা।

প্রতি তিন বছর অন্তর অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা-ওইসিডি এই পরীক্ষা পরিচালনা করে।

এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য হল গণিত, বিজ্ঞান এবং পঠনে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের দক্ষতা এবং জ্ঞান পরিমাপ করা।

এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের শিক্ষাগত মান নির্ধারণ করা যায়।

দেখা গিয়েছে, সবশেষ ২০২২ সালে সিঙ্গাপুরের স্কুল শিক্ষার্থীরা গণিত, বিজ্ঞান, পিসা পরীক্ষাসহ প্রতিটি দক্ষতায় সর্বোচ্চ স্কোর করেছে।

এশিয়ার দেশটি ঐতিহাসিকভাবে স্কুল শিক্ষায় নিজেদের বেশ সফল বলে প্রমাণ করে আসছে, বিশেষ করে গণিতে।

গত সপ্তাহে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, এ বিষয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানের মধ্যে ব্যবধান ছিল ৩৯ পয়েন্ট।

শিক্ষার্থীদের গণিতের দক্ষতা বিকাশে সিঙ্গাপুরের সাফল্যের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। আর এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দেশটির অনন্য শিক্ষণ কৌশল এবং পদ্ধতি।

গণিতের সাংকেতিক পদ্ধতিতে শিক্ষা শিশুদের জন্যএমনকি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য কঠিন হতে পারে।

গণিতের সাংকেতিক পদ্ধতিতে শিক্ষা শিশুদের জন্যএমনকি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য কঠিন হতে পারে।

"সিঙ্গাপুর পদ্ধতি" কী এবং কেন এত সফল?
২০২২ সালের পিসা পরীক্ষার তিনটি প্রধান বিষয়ের মধ্যে একটি হল ‘গণিত’।

সিঙ্গাপুরের ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা গণিতে ৫৭৫ পয়েন্ট অর্জন করে শীর্ষস্থান লাভ করেছে।

ওই পরীক্ষায় মোট ৮১টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল। যাদের সবার গড় স্কোর ছিল ৪৭২ পয়েন্ট।

সে হিসেবে সিঙ্গাপুরের শিক্ষার্থীরা অনেকটাই এগিয়ে আছে। গতবারের চাইতে এবার তারা ছয় পয়েন্ট বেশি অর্জন করেছে।

অন্যদিকে ৫৫২ পয়েন্ট নিয়ে ম্যাকও আছে দ্বিতীয় অবস্থানে। এরপর তাইপেই, হংকং, জাপান, কোরিয়া, এস্তোনিয়া, সুইটজারল্যান্ড, কানাডা, নেদারল্যান্ডস পরের অবস্থানে রয়েছে।

সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে যে গণিত শিক্ষা মানুষকে যৌক্তিক এবং বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা করতে শেখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তাই অল্প বয়স থেকেই, সিঙ্গাপুরের শিশুরা জটিল গাণিতিক প্রক্রিয়াগুলি শিখতে শুরু করে যেমন: যুক্তি দাঁড় করানো, যোগাযোগ স্থাপন এবং গাণিতিক মডেল তৈরি করা।

এই পদ্ধতিতে তারা তাদের মেধার বিকাশ ঘটায়।

"সিঙ্গাপুরের গণিত" হল দেশটির অনন্য এবং ব্যাপকভাবে স্বীকৃত শিক্ষণ পদ্ধতি।

গণিত শিক্ষার ক্ষেত্রে দেশটির এই শিখন পদ্ধতি "সিঙ্গাপুর পদ্ধতি" (বা মাস্টারি অ্যাপ্রোচ) নামে পরিচিত।

১৯৮০-এর দশকে সিঙ্গাপুরের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই কৌশলটি তৈরি করে এবং দেশটির সরকারি স্কুলগুলোয় শিক্ষাদানে তা প্রয়োগ করে।

মূলত প্রচলিত মুখস্থ বিদ্যা থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে আনতে গণিত শেখানোর নতুন এই পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।

যেন শিক্ষার্থীরা যা শিখছে সেটা যেন তারা আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারে।

সাম্প্রতিক দশকগুলোয় সিঙ্গাপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা পদ্ধতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ গ্রহণ করে তা ব্যবহার করতে শুরু করেছে।

"সিঙ্গাপুর পদ্ধতি" এর লক্ষ্য হল কোন শিক্ষার্থী যেন পিছিয়ে না থাকে সেটা নিশ্চিত করা।

এই পদ্ধতি কিভাবে কাজ করে
সিঙ্গাপুর গণিত শিক্ষা মূলত দুটি অন্তর্নিহিত মৌলিক ধারণার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। একটি হল, সিপিএ পদ্ধতি এবং আরেকটি নোশন অব মাস্টারি।

সিপিএ পদ্ধতি বলতে কনক্রিট, পিকটোরিয়াল ও অ্যাবস্ট্র্যাক্ট বোঝানো হয়েছে। বাংলায় যার অর্থ দাঁড়ায় বাস্তবসম্মত, সচিত্র এবং সাংকেতিক পদ্ধতি।

অন্যদিকে নোশন অব মাস্টারি যা শেখানো হচ্ছে সেটা আয়ত্ত করার বিশেষ প্রক্রিয়া।

তবে গণিত শিক্ষার ক্ষেত্রে সিপিএ পদ্ধতি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুর প্রথম দেশ নয়। ১৯৬০-এর দশকে আমেরিকান মনোবিজ্ঞানী জেরোম ব্রুনার এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিলেন।

সাধারণত অনেক শিশু এমনকি প্রাপ্তবয়স্করাও গণিতকে কঠিন বলে মনে করে। যেহেতু এটি একটি বিমূর্ত বা সাংকেতিক বিষয়।

এই ভয়ের উপর ভিত্তি করে সিপিই পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। যেন গণিত নিয়ে ভয় কাটে। সিপিএ পদ্ধতিতে সাংকেতিক গাণিতিক ধারণাকে একটি বাস্তব আকারে উপস্থাপন করা হয়।

যখন শিক্ষার্থীরা ওই ধারণাটি পরিষ্কার বুঝতে পারে তখন তারা অন্যান্য আরও জটিল বিষয়গুলো পড়তে থাকে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এরিয়েল লিন্ডফ বিবিসিকে বলেছেন, "সিঙ্গাপুরের গণিত ক্লাসে, শিশুরা সবসময়ই কিছু না কিছু শারীরিক কসরত করে থাকে।

সিঙ্গাপুরের গণিত শিখন পদ্ধতি তাই মুখস্থের ওপর নির্ভর করে না

"তারা বাচ্চাদের ছোট ছোট কিউব বা ঘনক দিতে পারে, যেগুলো পর পর বসিয়ে সাজাতে হয়। তারা সচিত্র কোন কাজ করতে দিতে পারে। যেমন ফুলের অনেক ছবি থাকতে পারে যেগুলো বাচ্চাদের বেছে বেছে একসাথে রাখতে হবে।"

"অথবা এটি একটি ব্যক্তি, ব্যাঙ বা অন্যান্য বস্তুর ছবি থাকতে পারে, যাতে শিশুরা কাছ থেকে এই বিষয়গুলো দেখে উপলব্ধি করতে পারে। কেননা এগুলো সংখ্যার চেয়ে বোঝা সহজ।"

সিপিএ এভাবে শিশুদের এই বিভিন্ন বাস্তব উপকরণ উপস্থাপনের মাধ্যমে গণিত বুঝিয়ে থাকে।

শিশুরা যখন বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে এবং সচিত্র উপকরণের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে শেখে এবং গণিতের সমস্যাগুলো সম্পর্কে দৃঢ় ধারণা লাভ করে তখনই তারা পাঠের পরবর্তী ধাপে চলে যায়।

যেখানে সংকেত বা সংখ্যার মাধ্যমে শিশুদের অংক করানো হয়।

"সিঙ্গাপুরের গণিত শিখন পদ্ধতি তাই মুখস্থের ওপর নির্ভর করে না," ড. লিন্ডফ জোর দিয়ে বলেছেন।

শিশুরা গণিত সম্পর্কে গভীর ধারণা পায়।

‘রিয়েল লার্নিং’
সিঙ্গাপুরে গণিত শেখার আরেকটি স্তম্ভ হল "রিয়েল লার্নিং”। অর্থাৎ যে শিখন পদ্ধতির মাধ্যমে একটি ক্লাসের সকল শিক্ষার্থী একসাথে এগিয়ে যাবে।

একই সময়ে সবার দক্ষতা বিকাশ লাভ করবে। যাতে শিক্ষার্থীদের কেউ পিছিয়ে না থাকে।

রিয়েল লার্নিং এর এই ধারণা নিশ্চিত করে যে কেউ পিছিয়ে নেই।

উদাহরণস্বরূপ, যখন শিশুরা যোগ করার মতো একটি নির্দিষ্ট বিষয় শেখে, তখন কেউ কেউ অন্যদের তুলনায় এটি আরও দ্রুত বুঝতে পারে।

তখন শিক্ষকরা ওই শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়ে সরানোর পরিবর্তে, তাদেরকে একই বিষয় সম্পর্কিত আরও বিভিন্ন কার্যকলাপ শেখায়।

যেন ওই শিশুরা বিষয়টি সম্পর্কে গভীর ধারণা পায়।

"এর মানে এই নয় যে ওই শিশুদের থামিয়ে দেয়া হয় বা অপেক্ষা করানো হয়। তারা তাদের মতো শিখে যায়। এই সময়ের মধ্যে বাকি শিক্ষার্থীরা তাদের পর্যায়ে চলে আসে।” লিন্ডফ বলেন।

"ধারণাটি হল, যদি কিছু শিশুর যোগ সম্পর্কে খুব ভাল ধারণা থাকে, তাহলে শিক্ষকরা তাদের সরাসরি বিয়োগ করানোর দিকে নিয়ে যাবেন না, বরং তাদেরকে এমন কিছু দেবেন যা যোগের ধারণাকে আরও কিছুটা প্রসারিত করবে।"

উদাহরণস্বরূপ, শিশুদের বড় সংখ্যা যোগ করতে দেওয়া। অথবা অন্যান্য, বিভিন্ন বিন্যাসে সংখ্যা যোগ করানো।

সিঙ্গাপুরের শিক্ষাব্যবস্থা বরাবরই র‍্যাঙ্কিংয়ে খুব ভালো করে এসেছে।

এভাবে, যে শিশুরা ক্লাসের পড়া দ্রুত বুঝতে পারে, তারা ক্লাসের বাকিদের মতো একই ধরণের সমস্যার সমাধান করতে থাকে, তবে তারা এটি করে ভিন্ন উপায়ে।

সিঙ্গাপুরে গণিত শেখানোর জন্য এটা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি যে গণিত শেখা গুরুত্বপূর্ণ এবং সেটি শিক্ষার্থীদের নাগালের মধ্যে রয়েছে।

“ধারণাটি হল, প্রত্যেকেরই গণিত বোঝার এবং ব্যবহার করার ক্ষমতা রয়েছে। কারো কারো এই জাতীয় ধারণাগুলো বোঝার দক্ষতা কিছু স্তর পর্যন্ত থাকতে পারে, এবং প্রত্যেকেরই একটি নির্দিষ্ট স্তর পর্যন্ত সেই ধারণাটি আয়ত্ত করতে সক্ষম হওয়া উচিত " লিন্ডফ ব্যাখ্যা করেন।

তিনি বলেন, “কেউ কেউ দ্রুত শিখতে পারে। কিছু শিক্ষার্থী ক্লাসের পড়া যা বোঝে তার একটু গভীরে যেতে পারে।... আমরা প্রায়শই মনে করি যে কিছু শিক্ষার্থী গণিত বোঝে। ‌আর কিছু শিক্ষার্থী কিছুই বুঝতে পারে না। কিন্তু সিঙ্গাপুরের গণিত এই ধারণাটি গ্রহণ করে না।"

সিঙ্গাপুরের গণিতের সাফল্যের সাথে দেশটির শিক্ষাগত সংস্কৃতি জড়িত।

এই পদ্ধতি কি অন্য দেশে কাজ করবে?
পদ্ধতিটি ইতিমধ্যে অন্যান্য দেশ যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইসরায়েল এবং যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থীদের ওপর ব্যবহার করা হয়েছে।

ড. লিন্ডফ বিশ্বাস করেন সিঙ্গাপুরের গণিতের সাফল্যের সাথে দেশটির শিক্ষাগত সংস্কৃতি, প্রেক্ষাপট এবং ইতিহাসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

"আমি মনে করি না আপনি এই পদ্ধতি অবিলম্বে অন্য দেশে এটি বাস্তবায়ন করতে পারবেন," তিনি বলেন।

"আমি মনে করি না যে আপনি কেবল পদ্ধতিটি নিতে পারেন এবং এটি অন্য দেশে প্রয়োগ করতে পারেন," তিনি বলেছেন।

"সিঙ্গাপুরের একটি আকর্ষণীয় এবং অনন্য ইতিহাস রয়েছে, এবং এটি খুব ছোট একটি দেশ। সিঙ্গাপুরের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করার চিন্তা করা আর যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করার চাইতে একেবারেই আলাদা।"

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, অন্যান্য দেশের তুলনায় সিঙ্গাপুরের শিক্ষকদের ক্যারিয়ার আরও উন্নত করার সম্ভাবনা বেশি। এজন্য তারা বিভিন্ন সহায়তা পেয়ে থাকে।

সেইসাথে অন্যান্য দেশের শিক্ষকদের তুলনায়, গণিতের প্রতি সিঙ্গাপুরের শিশুদের মনোভাবও সিঙ্গাপুরের গণিতকে সফল করার অন্যতম কারণ।

“প্রশ্ন হল, মানুষ কি গণিত পড়ার সুবিধা বুঝতে পারে? এবং গণিত শেখার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী তা জানতে পারে?"

"এই গণিত শিক্ষার লক্ষ্য কী শুধুমাত্র হোমওয়ার্কের সমস্যা সমাধান করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নাকি এই শিক্ষার মাধ্যমে তারা তাদের বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধান করতে পারছে?”

Address

Dinajpur, Rājshāhi
Dinajpur
5231

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when North Bangla Culture posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share