Engineer's Diary II

Engineer's Diary II The alternative of Engineer's Diary Main Page. Visit: https://engineersdiarybd.com/

18/06/2026
Canary Bird এর থিমে ব্রাজিল এর কন্সেপ্ট টিশার্ট।অথবা ৩ স্টার আর্জেন্টিনা। লিকরা কটনের টিশার্ট গুলো নিতে অর্ডার করুন। htt...
12/06/2026

Canary Bird এর থিমে ব্রাজিল এর কন্সেপ্ট টিশার্ট।
অথবা ৩ স্টার আর্জেন্টিনা।
লিকরা কটনের টিশার্ট গুলো নিতে অর্ডার করুন।
https://sutonu.shop

অফিসের ইন্টার্ন হালারে পাঠাইসিলাম পর্তুগালের ফ্ল্যাগ কিনে আনতে...🤌🏽© শাফক্বাত রিয়াসাত
10/06/2026

অফিসের ইন্টার্ন হালারে পাঠাইসিলাম পর্তুগালের ফ্ল্যাগ কিনে আনতে...🤌🏽

© শাফক্বাত রিয়াসাত

10/06/2026

লাল শার্ট পরা যে লোককে দেখা যাচ্ছে, তার নাম মেহেদী হাসান। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী ইঞ্জিনিয়ার।

বুয়েট ইইই'২০১৭ ব্যাচের ছাত্র।

তাঁকে তার অফিসে শারীরিকভাবে আক্রমণ করে মারধোর করেছে তার অফিসের অধঃস্তন কর্মচারীরা।

দেশে থাকার পুরষ্কার। আবেগে পড়ে দেশে থাকার মূল্য।

এর কয়েকমাস আগে নেসকোতে আরেক সহকারী ইঞ্জিনিয়ার রোকনুজ্জামান(বুয়েট ইইই'২০১৭) কে নেসকোর ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানরা শারীরিকভাবে আক্রমণ করে এবং জ*বাই করে হত্যা করার হুমকি দেয়। যার ভিডিও ফুটেজ নেই (অডিও আছে)।

এইগুলা হলো ইঞ্জিনিয়াররা দেশে থাকার পুরষ্কার।

এরপরও দেখবেন, বুয়েট-কুয়েট-রুয়েট-চুয়েটের মুখে কোনো রা নাই। কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কোনো মাথাব্যথা নাই।

ইঞ্জিনিয়ারদের সংগঠনগুলো খুব বেশি হলে একটা বিবৃতি দিয়ে খালাস। সেটাও দেবে কিনা সন্দেহ আছে।
সিনিয়র পজিশনের ইঞ্জিনিয়াররা কালার হতে রাজি না।

এভাবেই চলবে সব আরামে।

আরো মজার বিষয় কি জানেন? এই মারধোরের খবর মিডিয়াতে পর্যন্ত ও পৌঁছবে না। কোনো পত্রিকায় ছাপা হবে না।
বর্বর-জাত শয়তান কর্মচারীদের হাতে লাঞ্ছিত হবেন। জবা ই করে খুনের হুমকি পাবেন। এরপর অফিসের স্যার হাল্কা মিটমাট করে দেবে। পরেরদিন থেকে আবার ওদের সাথেই অফিস করতে বাধ্য হবেন।
এটাই দেশে ইঞ্জিনিয়ার হবার মজা।

SM Plaban

08/06/2026

বুয়েটের সেই সোনালী দিনগুলো শেষ করে যখন পাওয়ার সেক্টরের এই চাকরিতে জয়েন করেছিলাম, বুকে অনেক স্বপ্ন ছিল। ভেবেছিলাম মেধা, যোগ্যতা আর সততা দিয়ে দেশের সেবা করব, নিজের একটা ক্যারিয়ার গড়বো। শুরুর দিকে সবকিছু ঠিকঠাকই মনে হচ্ছিল। কাজের প্রতি একটা অন্যরকম ভালোবাসা ছিল, তাই সিনিয়রিটি বা পদোন্নতির ওই নোংরা পলিটিক্স নিয়ে কখনো মাথা ঘামাইনি। ভাবতাম, কাজ জানলে মূল্যায়ন একদিন মিলবেই।
​কিন্তু আজ যখন প্রতিষ্ঠানের সিনিয়রিটি লিস্টটার দিকে তাকাই, হতাশ হয়ে যাই। এক বুক তীব্র হতাশা আর অপমান ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আমাদের সামনে সিনিয়রিটি লিস্টে যারা বসে আছে, তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কেবলই একটা ডিপ্লোমা ডিগ্রি আর সন্ধ্যায় কেনা একটা সার্টিফিকেট । শুধু গায়ের জোরে, ব্যাকডেট দিয়ে জয়েনিং ডিলে করিয়ে, নোংরা সিন্ডিকেটবাজি করে তারা আজ আমাদের মাথার ওপর চেপে বসেছে। আমাদের চোখের সামনে দিয়ে তারা ষষ্ঠ গ্রেডে চলে যাচ্ছে, আর আমরা? এই নোংরা সিস্টেমের বেড়াজালে আটকে আগামী ১০ বছরেও আমাদের ষষ্ঠ গ্রেডে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই।
​সবচেয়ে বড় নির্মম পরিহাস কী জানেন? আমার বর্তমান এক্সেন (XEN) একজন ডিপ্লোমাধারী। পদে তিনি এক্সেন ঠিকই, কিন্তু কাজের বেলায়? ফিল্ডে কোনো একটা টেকনিক্যাল প্রবলেম হলে উনাকে না পারি কোনো কিছু বুঝিয়ে বলতে, না উনি নিজে মাথা খাটিয়ে সেটার কোনো সল্যুশন বের করতে পারেন। পদের চেয়ারটা উনার ভারী, কিন্তু টেকনিক্যাল জ্ঞানের দিক থেকে উনি কতটা ‘শূন্য’, সেটা আর মুখে প্রকাশ করতে পারছি না।
​বুয়েট থেকে পাস করার পর একজন ডিপ্লোমাধারীর অধীনে জব করা যে কতটা কুঁকড়ে যাওয়া যন্ত্রণার, কতটা লজ্জার—সেটা কেবল ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না। মাঝে মাঝে মনে হয়, দেশসেরা প্রতিষ্ঠানে পড়াটাই কি আমাদের অপরাধ ছিল? এই কি আমাদের মেধার পুরস্কার? এটা চাকরি নয়, এ যেন কোনো এক অমোঘ পাপের জন্য নিজের অর্জিত জ্ঞানের কাফফারা দেওয়া!
​তাই আজ বুয়েট, রুয়েট, চুয়েট, কুয়েটসহ দেশের সমস্ত ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই-বোন, রানিং স্টুডেন্ট এবং চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছে আমার একটাই আকুল আহ্বান—তোমরা যদি পড়াশোনা শেষ করে দেশের বাইরে চলে যেতে চাও, তবে ভালো কথা, চলে যাও। কিন্তু যদি এই দেশে থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং প্রফেশনে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে চাও, তবে এখনই জেগে ওঠো! এই মরণঘাতী ‘ডিপ্লোমা সিন্ডিকেট’ নির্মূল করার জন্য বুক চিতিয়ে সর্বোচ্চ প্রতিরোধ গড়ে তোলো।
​যদি আজ তোমরা চুপ করে থাকো, তবে এই সিন্ডিকেট তোমাদের সম্মানের সাথে চাকরি তো করতেই দেবে না, বরং এদের অধীনে চাকরি করতে করতে তোমাদের পুরো জীবনটা বিষিয়ে দেবে, তোমাদের মেধা আর স্বপ্নগুলোকে তিলে তিলে মেরে ফেলবে। মেডিকেল সেক্টরের ডাক্তাররা যেভাবে লড়াই করে নিজেদের পেশার মর্যাদা ধরে রেখেছে, প্রমাণ করে দিয়েছে যে মেধার উপরে কিছু হতে পারে না—ঠিক একইভাবে আমাদেরও এক হতে হবে। এই বৈষম্য আর সিন্ডিকেটের দেয়াল ভাঙার লড়াইয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দাও। নিজেদের অধিকার আর পেশাগত আত্মসম্মান ফিরিয়ে আনার জন্য এখনই রাজপথে, টেবিলে, কলমে—সবখানে আওয়াজ তোলো। আজ না লড়লে, আগামী দিনগুলো শুধুই অন্ধকারের!
সাবেক বুয়েট শিক্ষার্থী
ব্যাচ-২০১০

ছেলের পরিবার vs মেয়ের পরিবার
08/06/2026

ছেলের পরিবার vs মেয়ের পরিবার

২০১৬/১৭ এর দিকে একটা ঘটনা ঘটেছিলো। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণ তরুণীর লাশ মিলে এক হোটেলে। সব কিছু দেখেশুনে পুলিশ রিপোর্ট দা...
05/06/2026

২০১৬/১৭ এর দিকে একটা ঘটনা ঘটেছিলো। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণ তরুণীর লাশ মিলে এক হোটেলে। সব কিছু দেখেশুনে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করে যে এটা আত্মহত্যার ঘটনা৷ আর পুলিশ এই রিপোর্ট দেবেই না কেন! ভিতর থেকে দরজা জানালা বন্ধ। আবার তরুণ ছেলেটা দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার কথা বলে ফেসবুকে স্ট্যাটাসও দিয়েছে। অন্য কিছু হতে পারে সন্দেহের কোন উপায় নাই।
তবে বেশ অনেকমাস পর আদালত পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিলে ক্রাইম সিনের একটা ছবি তদন্তকারীদের চমকে দেয়। তারা হিসাব মিলাতে হিমশিম খেয়ে যায়। তরুণীর মাথার পাশের বালিশে একটা হাতের ছাপ দেখে৷ যাতে রক্তের ছোপ ছিলো। এই ক্লু ধরেই এগিয়ে যায় পুলিশ। বাকি ঘটনা রোমাঞ্চকর......
নেটফ্লিক্সের ক্রাইম ডকু বা আলফ্রেড হিচককের সিনেমায় যে চাঞ্চল্য, রহস্য উত্তেজনা থাকে সম্প্রতি এমন কিছু ঘটনা প্রথম আলো ও অন্যান্য মিডিয়ায় আসছে। পুলিশ বুরো একটা বই প্রকাশ করেছে। বইয়ের নাম, 'পরিচয়হীন অজ্ঞাতনামা মৃতদেহ এবং ক্লুলেস মার্ডার মামলার তদন্ত'। এই বই থেকে মিডিয়া ঘটনাগুলো প্রকাশ করছে। প্রথম আলো চার পাঁচটা এখন পর্যন্ত ছাপিয়েছে।
ঘটনাগুলো পড়লে বাংলাদেশের পুলিশের দক্ষতা আর যোগ্যতার প্রতি শ্রদ্ধা এসে যায়।
একটা ঘটনা এমন, মহিলার মাথার চুলে থাকা একটা ঘাঘরার দানা থেকে পুরো রহস্য বের করে ফেলেছে।
হিচককের একটা সিনেমায় এক গোয়েন্দা গল্প লেখক একটা পার্ফেক্ট মার্ডার করতে চান। নিজের কৌতূহল থেকে। পারেন নি। নিখুঁত পরিকল্পনা সত্ত্বেও ধরা পরে যান।
দুনিয়াতেই এই কাজে নিখুঁত হয়না। কোন না কোন ক্লু থাকেই।
জটিল জটিল রহস্য এদেশের পুলিশ স্বল্প দিনেই সমাধান করার ঘটনা অহরহ। অথচ সাগর রুনির ঘটনার কোন সুরাহা নাই।
এর কারণ দুইটা হতে পারে।
এক. ঘটনা নিখুঁত ছিলো না। যে খুঁত বা ক্লু ধরে তদন্তে আগানো যেতো সেগুলোও মাটিচাপা দেয়া হয়েছে৷
দুই. এইটার উত্তর ইতালিয়ান ক্লাসিক Citizen above suspicion এ আছে। ক্ষমতার লোকজন নিজেদের বলয়ের অপরাধ এমনভাবে ঢেকে ফেলে যে অপরাধী যেচে স্বেচ্ছায়ও যদি নিজের অপরাধ প্রকাশ করতে চায় তবুও নিজেরাই অপরাধীকে বাঁচায়।
বালক মেঘ বাল্য পেরিয়ে কৈশোর শেষ এখন যৌবনে। এর বিচার সে দেখে যাতে পারে কিনা কে জানে! নাকি যৌবন প্রৌঢ় বৃদ্ধ সব কেটে যাবে কিন্তু এই বিচার আর দেখে যাবে না!

- শরিফ সাইদুর

এই ১০টা দেশের নাম খেয়াল করে দেখেন:🥇 নরওয়ে🥈 নেদারল্যান্ডস🥉 সিঙ্গাপুর4️⃣ ডেনমার্ক5️⃣ সুইডেন6️⃣ অস্ট্রেলিয়া7️⃣ চীন8️⃣ কানাড...
05/06/2026

এই ১০টা দেশের নাম খেয়াল করে দেখেন:
🥇 নরওয়ে
🥈 নেদারল্যান্ডস
🥉 সিঙ্গাপুর
4️⃣ ডেনমার্ক
5️⃣ সুইডেন
6️⃣ অস্ট্রেলিয়া
7️⃣ চীন
8️⃣ কানাডা
9️⃣ দক্ষিণ কোরিয়া
🔟 যুক্তরাষ্ট্র

🛑 এসব দেশে ঘুষ দূর্নীতি একেবারে অল্প, নাই বললেই চলে। কারণ এরা নগদবিহীন (ক্যাশলেস) লেনদেনে পৃথিবীর শীর্ষ ১০ দেশ।

🛑 কেনাকাটা বা যেকোনো লেনদেনে তারা নগদ টাকার পরিবর্তে ডিজিটাল পেমেন্ট করে।

🛑 ডিজিটাল লেনদেনের সব রেকর্ড থেকে যায় তাই ঘুষ দেয়া-নেয়া এবং দুর্নীতি করা কমে গিয়েছে।

🛑 চীনের Alipay বা WeChat Pay, ব্রাজিলের pix, ভারতের UPI এসব ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার নাম হয়তো শুনেছেন।

🇧🇩 বাংলাদেশও সেই লাইনে এগুচ্ছে। নগদ টাকার ব্যবহার কমাতে পারলে ঘুষ দূর্নীতি ছাড়াও ব্যাংকিং অনেক ঝক্কি ঝামেলা কমে যাবে। খরচ কমে যাবে।

Bangla QR সেরকম একটা উদ্যোগ।

ai ক্যামেরা যেভাবে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে সাইজ করে ফেলেছে, Bangla QR দিয়ে এদেশের অনেক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

বাংলাদেশের ফিউচার Bangla QR 🔥

আল্টিমেট সমাধান Bangla QR এ, বাংলা কিউআর-কে হ্যাঁ বলুন ✅

পারবে বাংলাদেশ.? 🤷‍♂️🇧🇩



- মাসুদ

Address

Banglabazar
Faridpur
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engineer's Diary II posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Engineer's Diary II:

Share