15/08/2026
বাংলাদেশের সত্যি হাতে হ্যারিকেন ধরায় দেয়া হয়েছে। ২০২৭ থেকে ২০৩০ সালের ভেতর দেশের গ্যাস
একদম তলানিতে থাকবে। তার মানে এই না যে এলএনজি টার্মিনাল দিয়ে দেশ ভরাতে হবে।
দ্রুত একটা সাগরে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বসানো লাগবে সত্য, কিন্তু সেটা পেট্রোবাংলা স্বল্প মেয়াদে ভাড়া করতে পারে। সেটা না করে যদি এলএনজি টার্মিনাল বিদেশীদের দেন তবে তার ব্যয় নিতে পারবে না দেশ। দুটি টার্মিনালের এলএনজি কেনে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার। আরও তিনটা হলে ব্যয় দাড়াবে ২ লাখ কোটির বেশি। সেটা আবার বিদেশীদের দিতে হবে।
দেশের স্থলভাগের গ্যাস উত্তোলনে মনোযোগ দেন। গত লীগ সরকার শেষ দিকে ৫০টি কূপ খননের প্লান নিছিলো সেটাকে গতি দেন, ৬৫ কোটি ঘনফুট বাড়বে তাতে দেশের গ্যাস।
সূনেত্রতে গ্যাস আছে,ঠিকঠাক করে কূপ খননের ব্যবস্থা করেন। শরিয়তপুর থেকে পাবনা খুড়ে ফেলেন। এটা নতুন ধারার স্ট্রাকটার,নিশ্চিত গ্যাস পাবেন। দু চারটা কূপ ড্রাই হলে ফকিন্নী টাইপ জার্নালিজম হবে,সেটা ইগনোর করেন।
ভোলায় ৫ টিসিএফ প্লাস মজুদ আছে, এ গ্যাস পাইপ লাইনে খুলনায় নেন। খুলনা থেকে সিরাজগঞ্জ নতুন করে জেগে উঠবে, পাইপ লাইন করা আছে।
কুমিল্লার বাঙ্গুরাতে গোটা দশেক কূপ খনন করেন, বাংলাদেশ তিনটি কূপ করে গ্যাস তুলছে অথচ ৮ কিলোমিটার ওপারে ভারত একই ফিল্ড থেকে ১০টা কূপ খনন করে বেশি গ্যাস তুলছে। সেই কূপের গ্যাস দিয়ে পাল্টানা বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে,সেখান থেকে আমরা ১১০ মেগাওয়াট আমদানি করছি।
এভাবে ঘুরিয়ে পেচিয়ে বিষয়টি জটিল করার কারন নেই। বাঙ্গুরা খুড়ে ফেলেন। পাইপ লাইন করা আছে গ্যাস নিতে বেশি সময় লাগবে না।
সব কাজ বাপেক্সকে দেন। বাপেক্স বিদেশ থেকে রিগ ভাড়া করে,জনবল ভাড়া করে করবে।
স্থলভাগের ৯ নম্বর ব্লক খুড়ে ফেলেন,ডিপ ড্রিলিং করেন।৫ হাজার মিটারের নিচে নামান রিগ। এসব সব করতেও ১ বিলিয়ন ডলার খরচ হবে না,কিন্তু গ্যাস পাবেন ৫০০ বিলিয়ন ডলারের। আর এসব না করে এলএনজি করলে এ ক বছরে দিতে হবে (নতুন তিনটা হলে) ২০ বিলিয়ন ডলার।
ফলে বইলেন না,টাকার অভাবে গ্যাস কূপ খনন করতে না পেরে এলএনজি আমদানি করছি,লোকে হাসবে।তখন বলবে,জানি তুমি কেনো এলএনজি আমদানি ঘুমে জাগরনর দেখো।
আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে টানা কথা বলা।যেহেতু বিরোধী দল বলে কিছু নেই, তারা বর্ষায় কাচা মরিচের দাম কেনো ৪০০ টাকা কেজি হলো বলে কাদবে; অথচ চাষার বেটা হলে জানত বর্ষায় মরিচ গাছ মরে যায় দাম বাড়ে। ফলত, বিরোধী দলের দায়িত্ব জনগন নিক।
আমদানি নির্ভরতা কমাতে কথা বলুন।
Arifuzzaman Tuhin