05/08/2026
ফরিদপুর জেলার ইতিহাস সমৃদ্ধ ও প্রাচীন। এ অঞ্চলের প্রধান ঐতিহাসিক দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে এর নামকরণ, প্রাচীন ফতেহাবাদ পরিচিতি এবং ব্রিটিশ আমলের প্রশাসনিক বিবর্তন। এই জেলার প্রাচীন নাম ছিল ফতেহাবাদ এবং
পরবর্তীতে প্রখ্যাত সুফি সাধক শাহ ফরিদউদ্দীন মসুদ-এর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় ফরিদপুর।প্রাচীন নাম ও নামকরণঐতিহাসিক মতে, ১৫ শতকে সুলতানি আমলে এ অঞ্চলটি ফতেহাবাদ নামে পরিচিত ছিল।ত্রয়োদশ শতাব্দীর সুফি সাধক হযরত খাজা ফরিদুদ্দীন মসুদের (শাহ ফরিদ) আস্তানা ও প্রচারের কেন্দ্র ছিল এখানে। তার নামানুসারেই পরবর্তীকালে শহর ও জেলার নাম ফরিদপুর রাখা হয়।প্রশাসনিক ইতিহাসব্রিটিশ আমলে ১৮০৭ সালে ঢাকা জালালপুর জেলার সদর দপ্তর ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়।১৮১৫ সালে ঢাকা থেকে পৃথক করে একে স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।১৮৩৩ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ জেলার স্বীকৃতি লাভ করে।১৮৬৯ সালে ফরিদপুর পৌরসভা গঠিত হয়।১৯৮৪ সালে ফরিদপুর জেলাকে ভেঙে রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর নতুন জেলা গঠন করা হয়।ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক নিদর্শনসুলতানি ও মুঘল আমলের অনেক নিদর্শন এখানে রয়েছে। যেমন: পাটরইল মসজিদ, সাতৈর মসজিদ এবং ষোড়শ শতকের মথুরাপুর দেউল।পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের জন্মস্থান এবং স্মৃতিবিজড়িত স্থান এই ফরিদপুরেই অবস্থিত