আঃ রউফ ডিগ্রী কলেজ

আঃ রউফ ডিগ্রী কলেজ Its A College

02/07/2022
13/04/2022

#সবচেয়ে জনপ্রিয় ১৪৯টি প্রবাদ বাক্যের অনুবাদ:

১. অভাবে স্বভাব নষ্ট- Necessity knows no law.
২. অতি চালাকের গলায় দড়ি- Too much cunning overreaches itself.
৩. অতি লোভে তাঁতি নষ্ট- To kill the goose that lays golden eggs./ All covet, all lost.
৪. অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ- Too much courtesy, full of craft.
৫. অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট- Too many cooks spoil the broth.
৬. অসময়ের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু/বিপদেই বন্ধুর পরিচয় -- A friend in need is a friend indeed.
৭. অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী- A little learning is a dangerous thing.
৮. অপচয়ে অভাব ঘটে-Waste not, want not.
৯. অন্ধকারে ঢিল মারা-Beat about the bush.
১০. অন্ধের কিবা রাত্রি কিবা দিন-Day and night are alike to a blind man.
১১. অপ্রিয় সত্য কথা বলতে নেই- Do not speak an unpleasant truth.
১২. অরণ্যে রোদন/বৃথা চেষ্টা- Crying in the wilderness.
১৩. অর্থই অনর্থের মূল-Money is the root cause of all unhappiness.
১৪, অহংকার পতনের মূল-Pride goeth before destruction.
১৫. অহিংসা পরম ধর্ম-Love is the best virtue.
১৬. অসারের গর্জন তর্জন সার/খালি কলসি বাজে বেশি-An empty vessel sounds much.
১৭. আকাশ কুসুম কল্পনা-Build castles in the air.
১৮. আগাছার বাড় বেশি-All weeds grow apace.
১৯. আগে ঘর, তবে তো পর-Charity begins at home.
২০. আঠারো মাসে বছর-Tardiness.
২১. আপনার পায়ে আপনি কুড়াল মারা-To dig one’s own grave.
২২. আপনার ভালো পাগলেও বোঝে- Even a fool knows his business.
২৩. আপনি বাঁচলে বাপের নাম/চাচা আপন প্রাণ বাঁচা-Self preservation is the first law of nature.
২৪. আগুন নিয়ে খেলা-To play with fire.
২৫. আদার ব্যাপারীর জাহাজের খবর-The cobbler must stick to his last.
২৬. আয় বুঝে ব্যয় কর-Cut your coat according to your cloth.
২৭. আল্লাহ তাদেরই সাহায্য করেন যে নিজেদের সাহায্য করে- Allah helps those who helps help themselves.
২৮. ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়-Where there is a will, there is a way
২৯. ইটটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয়-Tit for tat.
৩০. সৃষ্টিকর্তা যা করেন সবই মঙ্গলের জন্য-It is all for the best./ What God wills is for good.
৩১. উলুবনে মুক্তা ছড়ানো- To cast pearls before swine.
৩২. উত্তমমধ্যম দেওয়া (মারপিট করা)- To beat black and blue.
৩৩. উঁচুগাছেই বেশি ঝড় লাগে-High winds blow on high hills.
৩৪. উঠন্তি মুলো পত্তনেই চেনা যায়-The child is father to the man
৩৫. উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে- One doth the scratch and another hath the scorn.
৩৬. উড়ে এসে জুড়ে বসা-To be quick to occupy.
৩৭. এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো-To be tarred with the same brush.
৩৮. এক ঢিলে দুই পাখি মারা-To kill two birds with one stone.
৩৯. এই তো কলির সন্ধ্যা- It is just the beginning of the trouble.
৪০. এক হাতে তালি বাজে না-I takes two to make a quarrel.
৪১. এক মিথ্যা ঢাকতে অন্য মিথ্যার অশ্রয় নিতে হয়- One lie leads to another.
৪২. একাই একশ- A host in himself.
৪৩. একূল ওকূল দুকূল গেল- To fallen between two stools.
৪৪. এক মাঘে শীত যায় না- One swallow does not make a summer.
৪৫. এক মুখে দুরকম কথা-To blow hot and cold in the same breath.
৪৬. কই মাছের প্রাণ বড় শক্ত- A cat has nine lives.
৪৭. কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না-No pains no gains.
৪৮. কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না-Black will take no other hue.
৪৯. কাঁচা বাঁশে ঘুণে ধরা-To be spoiled in early youth.
৫০. কাটা দিয়ে কাটা তোলা-To swallow the bait.
৫১. চিল কান নিয়েছে শুনে চিলের পিছনে ছোটা- To swallow the bait.
৫২. কাকের মাংস কাক খায় না-No raven will not pluck another’s eye.
৫৩. কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা-To add insult to injury./ To add fuel to fire.
৫৪. কান টানলে মাথা আসে-Give the one, the other will follow.
৫৫. কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন-Appearances are deceptive.
৫৬. কিল খেয়ে কিল চুরি করা-To pocket an insult.
৫৭. কুকুরের পেটে ঘি সহ্য হয় না- Habit is the second nature.
৫৮. কেঁচো খুড়তে সাপ-From the frying pan to the fire.
৫৯. কোথাকার জল কোথায় গড়ায়- Let us wait to see the conclusion.
৬০. খাল কেটে কুমির আনা- To bring on calamity by one’s own imprudence.
৬১. অসারের গর্জন তর্জন সার/খালি কলস বাজে বেশি -Empty vessels sound much.
৬২. খিদে থাকলে নুন দিয়ে খাওয়া যায়।–Hunger is the best sauce.
৬৩. গাছে তুলে মই কেড়ে নেওয়া-To leave one in the lurch.
৬৪. গ্রামে মানে না আপনি মোড়ল- A fool to others to himself a sage.
৬৫. ঘর পোড়া গোরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়-A burnt child dreads the fire.
৬৬. ঘরের শত্রু বিভীষণ- Fifth columnist.
৬৭. ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া-To make a fruitless effort.
৬৮. ঘোড়া দেখে খোঁড়া হওয়া- To be unwilling to work when there is somebody to help.
৬৯. ঘোমটার ভেতর খেমটার নাচ-Coquetry under the guise of modesty.
৭০. চাঁদেও কলঙ্ক আছে-There is no unmixed goods.
৭১. চাচা আপন প্রাণ বাঁচা-Ever y man is for himself.
৭২. চেনা বামুনের পইতা লাগে না-Good value for ready money.
৭৩. চকচক করলেই সোনা হয় না-All the glitters is not gold.
৭৪. চোরে চোরে মাসতুতো ভাই-All thieves are cousins.
৭৫. ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি-Don’t nag me, and leave me in peace.
৭৬. ছেলের হাতের মোয়া-Child’s play thing.
৭৭. জহুরিরাই জহর চেনে-Diamond cut diamond.
৭৮. জোর যার মুল্লুক তার-Might is right.
৭৯. গোরু মেরে জুতা দান-To rob Peter, to pay Paul.
৮০. ঝিকে মেরে বৌকে শেখান-To whip the cat of the mistress who doesn’t spin.
৮১. ঝোপ বুঝে কোপ মারা- Make hay while the sun shines.
৮২. টাকায় কি না হয়-Money makes everything.
৮৩. ঠ্যালার নাম বাবাজি -Nothing likes force.
৮৪. তেলা মাথায় তেল দেওয়া- To carry coal to new castle.
৮৫. দশের লাঠি একের বোঝা-Many a little makes a mickle.
৮৬. দুধ কলা দিয়ে কালসাপ পোষা-To cherish a serpent in one's bosom.
৮৭. দুষ্ট গোরু অপেক্ষা শূন্য গোয়াল ভালো-Better an empty house than a bad tenant.
৮৮. যারে দেখতে নারি তার চলন বাকা- Faults are thick where love is thin.
৮৯. ধান ভানতে শিবের গীত-A rigmarole
৯০. ধর্মের কল বাতাসে নড়ে-Virtue proclaims itself.
৯১. ধরি মাছ না ছুঁই পানি- To make sure of something without risking anything.
৯২. নুন আন পানতা ফুরায়-After meal comes mustard.
৯৩. নানা মুনির নানা মত-Many men, many minds.
৯৪. নাকে তেল দিয়ে ঘুমানো-To be careless about what happens.
৯৫. নিজের বলই শ্রেষ্ঠ বল-Self-help is the best help.
৯৬. পাকা ধানে মই দেওয়া-To do a great injury.
৯৭. পাগলে কি না বলে ছাগলে কি না খায়-A mad man and an animal have no difference.
৯৮. পাপের ধন প্রায়শ্চিত্তে যায়-Ill got, ill spent.
৯৯. পুরনো চাল ভাতে বাড়ে-All that is old is not bad.
১০০. পেটে খেলে পিঠে সয়-Pain is forgotten where gain follows.
১০১. পরের মন্দ করতে গেলে নিজের মন্দ আগে হয়-Harm watch, warm catch.
১০২. বসতে পেলে শুতে চায়-Give him an inch and he will take an ell.
১০৩. বারো মাসে তেরো পার্বণ-A succession of festivities the all year round.
১০৪. বিধাতার লিখন না যায় খণ্ডন-Inevitable are the decrees of God.
১০৫. বিয়ে করতে কড়ি, ঘর বাধতে দড়ি-Be sure before you marry of a house, where in tarry.
১০৬. ভাই ভাই ঠাই ঠাই- Brothers will part.
১০৭. ভিক্ষার চাল কাড়া আর আকাড়া- Beggars must not be chosen.
১০৮. ভাগ্যর লেখা খণ্ডায় কে-Fate cannot be resisted.
১০৯. ভাঙ্গা মন জোড়া লাগে না-Lost credit is like broken glass.
১১০. ভাবিয়া করিও কাজ-Look before you leap.
১১১. মশা মারতে কামান দাগা-To take a hammer to spread a pastor.
১১২. মরা হাতি লাখ টাকা-The very ruins of greatness are great.
১১৩ রক্তের টান বড় টান-- Blood is thicker than water.
১১৪. মাছের তেলে মাছ ভাজা-To gain without spending.
১১৫. মৌনতা সম্মতির লক্ষণ-Silence gives consent./Silence is half consent.
১১৬. মিষ্টি কথায় চিড়ে ভিজে না- Fine words butter no parsnips.
১১৭. মূর্খই মূর্খের কদর করে-Fools paradises fools.
১১৮. যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ আশ-While there is life there is hope.
১১৯. যার জ্বালা সেই জানে-The wearer best knows where the show pinches.
১২০. যার বিয়া তার খবর নাই, পাড়াপড়শির ঘুম নাই- Though he is careless to make his mark, others are moving mountains for him.
১২১. যে রক্ষক সেই ভক্ষক- I am makers are law breakers.
১২২. যেমনি বাপ তেমনি ব্যাটা- Like father like son.
১২৩. যেখানে বাঘের ভয় সেখানে রাত হয়- Dangers often comes where danger is feared.
১২৪. যেমন কুকুর তেমন মুগুর- As is the evil, so is the remedy.
১২৫. আপনি ভালো তো সব ভালো-To the good the world appears to be good.
১২৬. ব্যননা বনে খাটাস রাজা-A dog is a lion in his lane.
১২৭. রাখে আল্লাহ মারে কে- What good wills no frost can kill.
১২৮. রতনে রতন চেনে মানিকে মানিক- Diamonds cuts diamond.
১২৯. শাক দিয়ে মাছ ঢাকা- Hide in a superficial way.
১৩০. সাবধানের মার নাই- Safe bind, safe find.
১৩১. সস্তার তিন অবস্থা-Penny wise pound foolish.
১৩২. সব ভালো যার শেষ ভালো তার-All’s well that that ends well.
১৩৩. সময় একবার বয়ে গেলে আর ফেরত আসে না- Time once lost cannot be regained.
১৩৪. সবুরে মেওয়া ফেলে- Patience has its reward.
১৩৫. হয় এসপার নয় ওসপার-To be desperate.
১৩৬. হাটের মাঝে হাঁড়ি ভাঙা-To wash one’s dirty line in public.
১৩৭.হাতি ঘোড়া গেল তল মশা বলে কত জল-Fools rush in in where anger fear to tread./ He would bend the bow of Ulysses.
১৩৮. কর্তর ইচ্ছায় কর্ম-Master’s will is law.
১৩৯. যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ- A drawing man catches at a straw.
১৪০. যারে দেখতে নারি তার চলন বাকা-Faults are thick where love is thin.
১৪১. যারে দেখতে নারি তার চলন বাকা-Faults are thick where love is thin.
১৪২. তুমি কোথায় থাকো?-Where do you put up?
১৪৩. এ বিষয়ে মতভেদ আছে--Opinions differ on this subject.
১৪৪. এ বাড়িটি ভাড়া দেয়া হবে--The house is to let.
১৪৫. আমার বড়ো ক্ষুধা পেয়েছে--I feel very hungry.
১৪৬. আমার ঠান্ডা লেগেছে-- I have caught a cold.
১৪৭. নিজের চরকায় তেল দাও--Oil your own machine.
১৪৮. অনভ্যাসের ফোঁটায় কপাল চড়চড় করে-- Every shoe fits not foot
১৪৯. পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈশ্বরভক্তির একটি ধাপ-- Cleanliness is next of godliness.

ধন্যবাদ।

‘শবে বরাত’ শব্দটি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ব্যবহার করেননি, সাহাবীরা ব্যবহার করেননি, তাবে’ঈরা ব্যবহার করেন...
30/03/2021

‘শবে বরাত’ শব্দটি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ব্যবহার করেননি, সাহাবীরা ব্যবহার করেননি, তাবে’ঈরা ব্যবহার করেননি। এটা প্রায় পাঁচশো বছর পর তৈরি হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে পরিভাষাটি ব্যবহার করেছেন সেটা হলো- ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শা’বান’ বা মধ্য শা’বানের রাত।

‘শবে বরাত’ বলাটা নাজায়েজ না; কিন্তু ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শা’বান’ বলাটা সুন্নাত। কুর’আন-হাদীসে কোথাও ‘শবে বরাত’ শব্দটি পাবেন না, ঠিক যেমন কুর’আন-হাদীসের কোথাও নামাজ, রোজা শব্দগুলো পাবেন না। আপনি পাবেন সালাত, সিয়াম। তাই বলে, নামাজ-রোজা কুর’আন-হাদীসে নাই এজন্য এগুলো বললে নাজায়েজ হয়ে যাবে, এমন না। এগুলো পারিভাষিক শব্দ। নামাজ-রোজা এগুলো হলো ফারসি শব্দ।

আবার, কুর’আন-হাদীসের কোথাও ‘পীর’ শব্দটি নেই। ‘পীর’ শব্দটি ফারসি শব্দ, এর সমার্থক আরবি শব্দ হলো ‘শায়েখ’। এই ‘শায়েখ’ শব্দটিও কুর’আন-হাদীসে নেই। তবে এটার কুর’আনিক শব্দ হলো সোহবত-সাহেব।

ঠিক তেমনি কুর’আন-হাদীসে ‘শবে বরাত’ নেই, ‘লাইলাতুল বরাত’ও নেই। এর জায়গায় আছে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শা’বান’।

কিছু মানুষ মনে করেন ‘নবীজি কিছু করেননি’ তাই সেটি বিদ’আত। না, নবীজী কিছু করেননি এই বলে সেটা বিদ’আত হবে না। নবীজি করেননি তাই সেটা ‘সুন্নাত’ না; কিন্তু সেটাকে সুন্নাত মনে করাটা বিদ’আত।

আবার আরেক গ্রুপ আছেন যারা ‘নবীজি করেননি’ কিন্তু সেটা জায়েজ। এই যে জায়েজ প্রমাণ করতে গিয়ে তারা নবীর সুন্নাতকে ছোটো বানিয়ে ফেলেন।

আপনারা খেয়াল করবেন, যদি কোনোকিছু জানতে পারেন যে সেটা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাত; হোক সেটা ফরজ সুন্নাত, ওয়াজিব সুন্নাত, মুস্তাহাব সুন্নাত যাই হোক না কেন তার বাইরে কিছু ঢুকতে দিবেন না। আপনি যদি মানতে না পারেন তাহলে বলবেন, “ভাই, দু’আ করবেন, যেন সুন্নাতটি মানতে পারি।” কিন্তু, নবীজির সুন্নাতের বিপরীতে কোনো কিছুকে আনবেন না।

তারমানে প্রথমে আমরা যেটা বুঝলাম, ‘শবে বরাত’ বা ‘লাইলাতুল বরাত’ শব্দটি নবী, সাহাবী, তাবে’ঈ, ইমাম আবু হানিফা, ইমাম মালিক, ইমাম শাফে’ঈ, ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (আল্লাহ সবার উপর রহম করুন) কেউ ব্যবহার করেননি, এটা অনেক পরে তৈরি হয়েছে।

দুই.

সুন্নাতের মধ্যে নিরাপত্তা। সুন্নাতের বাইরে যেটা সেটা বিদ’আত না হলেও সমস্যা তৈরি করে। যেমন ‘শবে বরাত’ শব্দটি। আমরা যদি ‘মধ্য শা’বানের রজনী’ বলি তাহলে কোনো উত্তেজনা তৈরি করে না। কিন্তু যখনই আমরা বলবো ‘শবে বরাত’ তখনই আমাদের মধ্যে একটা ধারণা তৈরি হবে, এটা বুঝি ভাগ্য রজনী।

শবে বরাত হলো গুনাহ মাফের রজনী। আরবীতে ‘বারাআত’ শব্দের অর্থ মুক্তি। আমরা বাংলায় অর্থটি পাল্টে ‘বরাত’ বা ভাগ্য করে ফেলেছি।

বারাআত মানে মুক্তি। আল্লাহ শবে বারআতের রাতে বান্দার গুনাহ মাফ করেন, এটা সত্যি। এটা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।

কিন্তু এই রাত্রিতে আল্লাহ ভাগ্য লিখেন, এই কথাটি কোনো হাদীসে নেই, কুর’আনের কোনো আয়াতে নেই; এই ব্যাপারে যতো হাদীস আছে সবগুলো জাল হাদীস, তাফসীরে যে দু-একটা কথা বলে হয়েছে, কোনো তাফসীরকারক সেটা সমর্থন করেননি।

যেসব তাফসীরকারক সমর্থন করেননি:

তাফসীর ইবনে কাসির।
জামিউল বায়ান, তাবারী।
আল-কাশশাফ, যামাখশরী।
ফাতহুল কাদীর, শাওকানী।
রূহুল মা’আনী, আলুসী।
তাফসীর-ই আশরাফী, আশরাফ আলী থানবী।
মা’রেফুল কুর’আন, মুফতী শফী।

তিন.

এখন জিজ্ঞেস করবেন, শবে বারাআতের আমল কী? তিনটি বিষয় বলবো।

প্রথম বিষয় হলো:

শবে বারাআত বা লাইলাতুন নিসফি মিন শা’বানের রাত্রিতে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের গুনাহ মাফ করেন, এটা সহীহ হাদীস।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:

“আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে তাঁর সৃষ্টির প্রতি দিকপাত করেন এবং মুশরিক এবং বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত সকলকে ক্ষমা করেন।” [সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৩৯০]

তারমানে এই রাত্রিতে আল্লাহ দুই শ্রেণীর মানুষ বাদে বাকিদেরকে ক্ষমা করেন। দুই শ্রেণী হলো:

মুশরিক।
বিদ্বেষ পোষণকারী।

তারমানে হলো শবে বারাআত হলো ‘কমন বোনাস’। এই রাত্রিতে আপনি যদি ঘুমিয়ে থাকেন, জেগে থাকেন, কিন্তু আপনার কোনো শিরক নেই, মনে কোনো বিদ্বেষ নেই তাহলে আল্লাহ আপনাকে মাফ করে দিবেন (ইন শা আল্লাহ)। আপনার একাউন্টে বোনাসটি জমা হয়ে যাবে।

দ্বিতীয় বিষয়টি হলো:

এই রাতে আমরা আমল করবো কি-না?

আমল না করে ঘুমিয়ে থাকলেও আপনি বোনাস পাবেন। এই রাতে আমল করার ব্যাপারে কোনো সহীহ হাদীস পাওয়া যায় না, তবে কিছু যঈফ হাদীস পাওয়া যায়। যঈফ হাদীসের আলোকে তিনটি আমল পাওয়া যায়।

কবর যিয়ারত। [সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৩৮৯]
দু’আ করা। [আল-জামে আস-সাগীর: ৩৯৫২]
নামাজ পড়া। [সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৩৮৮]

তবে সবগুলো হাদীসই যঈফ। কিন্তু, যেহেতু এই রাতের ফযিলত সহীহ, সেহেতু কেউ যদি অন্যান্য রাতে তাহাজুদ পড়ে, এই রাতেও পড়ে, অন্যান্য রাতে দু’আ করে, এই রাতেও করে, তাহলে এটাকে কিছু কিছু ইমাম মুস্তাহাব বা বৈধ বলেছেন। যেমন: ইমাম আল-আউযায়ী, ইমাম আশ-শাফে’ঈ (আল্লাহ সবার উপর রহম করুন)।

আমরাও মনে করি, যদি কেউ এই রাতে ব্যক্তিগতভাবে (আবারো বলছি, ব্যক্তিগতভাবে) তাহাজ্জুদ পড়ে, আল্লাহর কাছে দু’আ করে, তবে সেটা নাজায়েজ হবে না, বিদ’আতও হবে না। কয়েকটি কারণে এগুলো নাজায়েজ বা বিদ’আত হবে না:

সুন্নাত দ্বারা ফযিলত প্রমাণিত, এখানে যঈফ হাদীস দ্বারা আমল করলে বিদ’আত হবে না। তাবে’ঈদের মধ্য থেকে কোনো কোনো তাবে’ঈ এই রাতে ইবাদাত করেছেন। যেমন: আবু আব্দুল্লাহ মাকহুল, খালিদ বিন মা’দান, আবু আব্দুল্লাহ হিমসী, লুকমান ইবনু আমির (আল্লাহ সবার উপর রহম করুন)।

এই রাত্রিতে সমবেত হয়ে ইবাদাত করাকে সবাই বিদ’আত বলেছেন, মাকরূহ বলেছেন, এটা নিয়ে কোনো মতভেদ নাই। যেমন: প্রসিদ্ধ হানাফী ফকীহ আল্লামা হাসান ইবনু আম্মার শুরুম্বুলালী (রাহিমাহুল্লাহ)।

তৃতীয় বিষয়টি হলো:

এই রাত্রিতে ভাগ্য লিখা হয় এই মর্মে যা আছে সবই জাল হাদীস। এমনকি শবে বারাআতের পরদিন রোজা রাখার ফজিলতের ব্যাপারে যে দুটো হাদীস আছে সেগুলোও জাল হাদীস পর্যায়ের।

তবে আমরা হাদীসে পাই, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখতেন [সহীহ বুখারী: ১৯৬৯]।

তাছাড়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতেন। দিনগুলো হলো- তেরো, চৌদ্দ, পনেরো তারিখ (হিজরী) [জামে আত-তিরমিজি: ৭৬১]।

তাহলে আপনারা যদি রোজা রাখতে চান, তাহলে এই তিন দিন অর্থাৎ তেরো, চৌদ্দ, পনেরো তারিখ রাখবেন (যারমধ্যে আপনার শবে বারাআতও পড়ে যায়)।

আমরা শেষ কথায় পৌঁছতে পারি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবু বকর, উমর, উসমান, আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) কেউই এই রাত উপলক্ষ্যে মসজিদে সমবেত হয়ে আলাদা ইবাদাত করেননি।

এই রাতে দু’আ করলে দু’আ কবুল হবে এমন হাদীস আমরা শুনি। কিন্তু এটা যঈফ [জামে আত-তিরমিজি: ১৩৮৮]।

তবে সহীহ মুসলিমের আরেকটি হাদীসে আমরা পাই,
“প্রতি রাতের এক-তৃতীয়াংশ বাকী থাকতে আল্লাহ আকাশে এসে ঘোষণা দেন- যে আমাকে ডাকবে, আমি তাড় ডাকে সারা দেবো, যে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দেবো, যে আমার কাছে মাফ চাইবে, আমি তাকে মাফ করবো।” [সহীহ বুখারী: ১১৪৫]

এই সুযোগ প্রতি রাতে। আমরা যদি প্রতি রাতে দু’আ করি, তাহলে প্রতি রাতই আমাদের জন্য ‘শবে বরাত’ হয়ে যায়। মুসলিমের জন্য প্রতি রাতই তো দু’আ কবুলের রাত। তারমানে দু’আ কবুলের রাত শুধু শবে বরাতই না।

© ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)
সংগৃহীত।

মুসলিমদের প্রতি মদিনা শরীফের ইসলামী স্কলার ড. আহমদ আলী সিরাজের ১৫ পরামর্শপ্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বব্যাপী। ...
05/04/2020

মুসলিমদের প্রতি মদিনা শরীফের ইসলামী স্কলার ড. আহমদ আলী সিরাজের ১৫ পরামর্শ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বব্যাপী। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোও এই ভাইরাস মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে। লকডাউনের ফলে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে মানুষ। এখন আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসুলের দিকে প্রত্যাবর্তনের সময় বলে মন্তব্য করেছেন মদিনা শরীফের ইসলামী স্কলার ড. আহমাদ আলী সিরাজ।
আহমাদ আলী সিরাজ বলেন, এই ঘরবন্দি অবস্থায় আমাদের হাতে অনেক অবসর সময় রয়েছে। অধিকাংশ মানুষকে দেখা যায় তারা অবসর সময়ের মূল্য দেয় না।
হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, নবী কারীম (সা.) বলেছেন, দুইটি নেয়ামত এমন রয়েছে অধিকাংশ মানুষ যার মূল্য দেয় না। সেই দুটি নেয়ামত হলো, সুস্থতা এবং অবসর সময়। এই জন্য আমাদের সময়ের মূল্য দিতে হবে।
মদিনা শরীফের এই ইসলামী স্কলার মুসলিমদের ঘরে সময় কাটানোর ব্যাপারে কতগুলো দিক দির্দেশনা দিয়েছেন। যেগুলো উল্লেখ করা হলো-
গুনাহ থেকে বেঁচে থাকবে। বিশেষ করে যেসব মহিলাদের দেখা যায়েজ নয়, তাদের দেখা বিরত থাকবে।
গান-বাজনা শোনা থেকে বিরত থাকবে। ঘরে ছবি ঝুলাবে না এবং রাখবে না।
অপ্রয়োজনে সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় নষ্ট করবে না।
যাচাই না করে কোনও খবর প্রচার করবে না এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করবে না।
সমাজে ভয়ভীতি ছড়ানো থেকে বিরত থাকবে।
ছয় থেকে আট ঘন্টার বেশি না ঘুমানোর চেষ্টা করবে।
সারাক্ষণ মোবাইল হাতে রাখা, গেম খেলা এবং খারাপ জিনিস দেখা থেকে বিরত থাকবে।
ঘরেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জামাতের সঙ্গে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার চেষ্টা করবে। সঙ্গে সঙ্গে সুন্নত, নফল, তাহাজ্জুত, ইশরাক, এবং আওয়াবিন নামাজ আদায়ের প্রতি গুরুত্ব দেবে।
নামায আদায়ের পর সুন্নত দোয়া দুরুদ পড়বে।
প্রতিদিন ১ পারা কোরআন পাঠ করবে এবং কোরআানের হাফেজরা তিন পারা পাঠ করবে।
দুরুদ শরীফ, ইস্তেগফার, আয়াতে কারিমা – ‘‘লা হাউলা ওলা কুয়াতা ইল্লা বিল্লা ‘’ পড়বে। তিন তাসবিহ-এর আমল করবে।
প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ মিনিট একাগ্রচিত্তে আল্লাহর নিকট দোয়া করবে।
প্রতিদিন কিছু সময় বই পড়বে। ভাল হবে ‘হায়াতুস সাহাবাহ’ বই পড়া। অথবা যে কোনও ভাল বই পড়া যেতে পারে।
শাবান মাসে নবী স. অনেক বেশি রোজা রাখতেন। তো এই সময় শাবান মাসের রোজা রাখা যেতে পারে। আবার যারা পূর্বের রোজা কাজা করেছেন তারা কাজা রোজা আদায় করতে পারেন।
নিজের সন্তান এবং পরিবারের সদস্যদের সময় দেবে। তাদের সঙ্গে গল্প করবে এবং তাদের কথা শুনবে। রান্না-বান্না, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করাসহ ঘরের কাজে নারীদের সাহায্য করবে।

মা করছে বাজার পরিষ্কার।  বাচ্চাকে নিয়ে এসছে স্কুলের জন্য রেডি করে। এ অকৃত্রিম ভালোবাসা আর অদম্য চাওয়া এখনো আছে।  আজ মা ব...
22/02/2020

মা করছে বাজার পরিষ্কার। বাচ্চাকে নিয়ে এসছে স্কুলের জন্য রেডি করে। এ অকৃত্রিম ভালোবাসা আর অদম্য চাওয়া এখনো আছে। আজ মা বাবা কিভাবে যেন আলাদা হয়ে গেছে পশ্চিমা সংস্কৃতিতে মিশে। এমন ভালোবাসা বিরলহয়ে গেছে মধ্যবিত্ত্ব কিংবা উচ্চবিত্ত্বে। মায়ের কিংবা বাবার পরোকিয়ায় শিশুরা এখন বঞ্চিত ভালোবাসার সঠিক সাদের। স্মার্ট ফোনের কার্টুনই এখন তাদের ভালোবাসা। ছবিটি সকাল ৭.০০ টায় তোলা। যখন অধিকাংশই আলতো ঘুমে ডুবে আছে বিছানায়।

করোনাভাইরাসের ৮ লক্ষণ  করোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন ...
28/01/2020

করোনাভাইরাসের ৮ লক্ষণ


করোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২০০০ জনের কাছাকাছি, এর মধ্যে বেশিরভাগই চীনের মানুষ। চীনেই সর্বপ্রথম এই ভাইরাসের খবর পাওয়া যায়। ধীরে ধীরে এটি গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে। থাইল্যান্ড, জাপান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো অন্যান্য দেশ থেকেও এই ভাইরাস সংক্রমণের ঘটনা জানা গেছে। তাই, বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে এই মারণ ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

কীভাবে এই ভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তিদের চিকিৎসা করা হবে, তা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(WHO) প্রচার করছে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের বিশ্বাস, ২০০৩ সালে ৮০০-রও বেশি মানুষের মৃত্যু ও হাজার হাজার মানুষের আক্রান্ত হওয়ার কারণ 'সার্স' (সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম) ভাইরাসের পরিবার থেকেই এসেছে এই নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস। তারা আরো জানিয়েছেন যে এই ভাইরাসটি চীনের বাজারে পাওয়া প্রাণীজ পণ্য বা সামুদ্রিক খাবার থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে।

Ad by Valueimpression
এখন জেনে নেয়া যাক, করোনা ভাইরাস কী এবং কীভাবে এটি ছড়িয়ে পড়ে।

করোনা ভাইরাস কী?
করোনা ভাইরাস বলতে এক গোত্রের অনেকগুলো ভাইরাসকে বোঝায়, যা মূলত প্রাণীদের মধ্যে পাওয়া যায়। বার্ড ফ্লু তথা সার্স ভাইরাসও এই গোত্রের। হিউম্যান করোনা ভাইরাস এক ধরনের জুনোটিক রোগ এবং এই সংক্রমণটি প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাসটির অনেক রকম প্রজাতি আছে। কিন্তু, এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা প্রায় ছয়টি করোনা ভাইরাস সনাক্ত করেছেন, যা মানুষকে প্রভাবিত করে এবং হালকা থেকে মারাত্মক লক্ষণ সৃষ্টি করে।


হিউম্যান করোনা ভাইরাসের প্রথম খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল ১৯৬০ সালে একজন রোগীর মধ্যে, যিনি সর্দিতে ভুগছিলেন। করোনাভাইরাস নামটি এসেছে এর আকৃতির ওপর ভিত্তি করে। ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপে এই ভাইরাসটি ক্রাউন বা মুকুটের মতো দেখতে হওয়ায় এর নাম হয়েছে 'করোনা'।

মানুষ প্রায়ই তাদের জীবনের কোনও না কোনও সময়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়, সুস্থ হয়ে ওঠে এবং কয়েক মাস পরে আবার সংক্রমিত হতে পারে। মানুষের দেহে ছয় ধরনের করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে, যথা - আলফা করোনা ভাইরাস (NL63 এবং 229E), বিটা করোনা ভাইরাস (HKU1 ও OC43) এবং বাকি দুটি সার্স ও মার্স তাদের প্রাণঘাতী লক্ষণগুলোর জন্য পরিচিত।

হিউম্যান করোনা ভাইরাস ছড়ানোর কারণ হিউম্যান করোনা ভাইরাস সাধারণত একজন ব্যক্তির শ্বাসনালীকে প্রভাবিত করে। শ্বাসনালীতে সংক্রমিত তরল কাশি বা হাঁচির সময় এক ব্যক্তির থেকে আরেক ব্যক্তির মধ্যে চলে যায়। এছাড়াও, যদি সংক্রামিত ব্যক্তি মুখ না ঢেকে খোলা বাতাসে হাঁচি বা কাশি দেয়, তাহলে ভাইরাসটি বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার অন্যান্য কারণ হলো, সংক্রামিত ব্যক্তির সঙ্গে হ্যান্ডশেক, সংক্রামিত কোনো বস্তুর সাথে নাক বা মুখ একসঙ্গে স্পর্শ করা এবং বিরল ক্ষেত্রে, রোগীর মলমূত্র স্পর্শ করা। হিউম্যান করোনা ভাইরাসের লক্ষণ NL63 এবং 229E, HKU1 ও OC43-এর কারণে ফ্লু-এর মতো লক্ষণ দেখা দেয় যা, হালকা থেকে মাঝারি আকার ধারণ করে। অন্যদিকে, মার্স ও সার্স মারাত্মক লক্ষণ সৃষ্টি করে।

এই ভাইরাসের পূর্ববর্তী লক্ষণগুলো হলো -
ক) সর্দি
খ) গলা ব্যথা
গ) কাশি
ঘ) মাথা ব্যাথা
ঙ) জ্বর
চ) হাঁচি
ছ) অবসাদ
জ) শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।

এক্ষেত্রে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায় এবং যারা বয়স্ক তাদের এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে এবং নিউমোনিয়া বা শ্বাস নালীর ব্যাধির মতো মারাত্মক অসুস্থতায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বেশি থাকে।

মার্স ও সার্স-এর লক্ষণগুলো মারাত্মক হয়, এর কারণে গুরুতর শ্বাসকষ্টের সমস্যা, কিডনিতে সমস্যা, ডায়রিয়া এবং কোনো ব্যক্তির মৃত্যুও হতে পারে বলে জানা গেছে।

হিউম্যান করোনা ভাইরাস নির্ণয় হিউম্যান করোনা ভাইরাস নির্দিষ্ট কয়েকটি পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়, যথা - মলিকিউলার টেস্ট : সক্রিয় সংক্রমণের লক্ষণগুলি খুঁজে বের করতে।
সেরোলজি টেস্ট : এই পরীক্ষাটি নজরদারি করার উদ্দেশ্যে। এটি পূর্ববর্তী সংক্রমণ থেকে অ্যান্টিবডিগুলি সনাক্ত করার জন্য করা হয়, যা একজন ব্যক্তির ভাইরাসের ধরন প্রকাশিত করে।

হিউম্যান করোনা ভাইরাস চিকিৎসা এর সঠিক চিকিৎসা এখনো আবিষ্কার করা হয়নি। বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিন নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে। তবে, অনেকগুলো সহায়ক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং ওষুধ রয়েছে যেগুলো এর হালকা থেকে মাঝারি উপসর্গগুলির চিকিৎসা করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ব্যথা ও জ্বরের চিকিৎসার জন্য ওষুধ বা গলা ব্যথা নিরাময়ের জন্য গরম পানি, ইত্যাদি।

হিউম্যান করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ
ক) হাঁচি বা কাশির পরে হাত ধুয়ে নিন।
খ) কাশি বা হাঁচির আগে মুখ ঢেকে নিন।
গ) আপনার যদি মনে হয় যে আপনি সংক্রামিত, তাহলে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলুন।
ঘ) রান্না না করা গোশত ও ডিম খাওয়া এড়ান। ]
ঙ) নিজেকে সারাক্ষণ হাইড্রেট রাখুন।
চ) লক্ষণগুলো দেখা দেয়া মাত্রই ওষুধ খান এবং পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে দেবেন না।
ছ) ধোঁয়াটে এলাকা বা ধূমপান করা এড়িয়ে চলুন।
জ) যথাযথ বিশ্রাম নিন।
ঝ) ভিড় থেকে দূরে থাকুন।

সূত্র : বোল্ডস্কাই

Address

Www. Ardc. Edu. Bd
Jhinaidaha
7300

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Thursday 09:00 - 14:30
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 16:00

Telephone

+8801727226232

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আঃ রউফ ডিগ্রী কলেজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share