Khulna Agricultural University

Directions

Khulna Agricultural University খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক ফেসবুক পেজ।
Official page of Khulna Agricultural University

খুকৃবিতে লেডিস ক্লাবের প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিতনারীদের পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের আহ্ব...
30/09/2026

খুকৃবিতে লেডিস ক্লাবের প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

নারীদের পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের আহ্বান।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুকৃবি) লেডিস ক্লাবের প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস-১-এর মাল্টিপারপাস রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার-এর সহধর্মিণী ড. মাহমুদা হক এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোনমি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহান আইরিনসহ বিভিন্ন বিভাগের নারী শিক্ষক এবং কর্মকর্তাবৃন্দ।

সভায় লেডিস ক্লাবের কার্যক্রম, সদস্যপদ গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার এবং বিভিন্ন ইতিবাচক ও সৃজনশীল কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি সহযোগিতামূলক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা বলেন, লেডিস ক্লাবের মাধ্যমে সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে।

সভায় জানানো হয়, নির্ধারিত ফি প্রদান এবং ক্লাবের নির্ধারিত নিয়ম-কানুন মেনে লেডিস ক্লাবের সদস্যপদ গ্রহণ করা যাবে। আগ্রহী নারী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সদস্য হতে পারবেন।

নজরুল বর্ষ উপলক্ষে খুকৃবিতে আন্তঃঅনুষদীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নজরুল বর্ষ-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে খুলনা কৃষি বিশ্ব...
29/09/2026

নজরুল বর্ষ উপলক্ষে খুকৃবিতে আন্তঃঅনুষদীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নজরুল বর্ষ-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুকৃবি) আন্তঃঅনুষদীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামের মাল্টিপারপাস রুমে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তচিন্তার চেতনা ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার এবং সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এনিমেল নিউট্রিশন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ তসলিম হোসেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, “কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তচেতনার কবি। তাঁর সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্ম অন্যায়, বৈষম্য, ধর্মীয় সংকীর্ণতা ও বিভেদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রেরণা জোগায়।” তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে হবে। এর মাধ্যমে তাদের মননশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্বগুণ বিকশিত হবে।

উপাচার্য আরও বলেন, ধর্মীয় সাম্য ও সম্প্রীতির চেতনায় নজরুলকে গভীরভাবে গবেষণা করতে হবে। খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নজরুলের সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে গবেষণা করে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কৃত হবে—এটাই তাঁর প্রত্যাশা।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেন। আন্তঃঅনুষদীয় এ প্রতিযোগিতাকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক বিকাশের পাশাপাশি নজরুলের মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক দর্শনকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া ঠেকাতে খুকৃবিতে পরিষ্কার-পরিছন্নতা অভিযানক্যাম্পাস পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্...
27/09/2026

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া ঠেকাতে খুকৃবিতে পরিষ্কার-পরিছন্নতা অভিযান

ক্যাম্পাস পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে গুরুত্ব

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুকৃবি) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস-১ ও অস্থায়ী ক্যাম্পাস-২-এ পৃথকভাবে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় অস্থায়ী ক্যাম্পাস-১ এবং দুপুর ১২টায় অস্থায়ী ক্যাম্পাস-২-এ আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার। তিনি নিজেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে পুরো অভিযানে সরাসরি নেতৃত্ব দেন।

কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ রেজাউল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ছায়াডিনবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেন। এ সময় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল পরিষ্কার এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, “খুলনাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গু ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছে গেছে। হাসপাতালগুলোতে রোগীদের তিল ধারণেরও জায়গা নেই। ডেঙ্গুতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিবেশ পরিষ্কার রাখা অপরিহার্য।”

তিনি আরও বলেন, “ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এর নির্দেশনার পাশাপাশি নিজেদের ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখার জন্য আমরা এ কার্যক্রম শুরু করেছি।”

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। এ জন্য কোথাও যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সচেতন ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

খুকৃবিতে স্মার্ট কৃষি নিয়ে প্রি-কনফারেন্স কর্মশালাখুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুকৃবি) টেকসই কৃষির ভবিষ্যৎ নির্মাণে স্মার্...
24/09/2026

খুকৃবিতে স্মার্ট কৃষি নিয়ে প্রি-কনফারেন্স কর্মশালা

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুকৃবি) টেকসই কৃষির ভবিষ্যৎ নির্মাণে স্মার্ট প্রযুক্তির সম্ভাবনা, গবেষণা ও উদ্ভাবন নিয়ে ‘প্রি-কনফারেন্স অ্যাওয়ারনেস ওয়ার্কশপ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এ কর্মশালার প্রতিপাদ্য ছিল 'স্মার্ট এগ্রিকালচার ফর অ্যা সাসটেইনেবল ফিউচারঃ রিচার্স, ইনোভেশন এন্ড কোলাবরেশন’।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে এবং 'সেন্টার ফর স্মার্ট ভিলেজ এন্ড স্মার্ট সিটি স্টাডিজ' -এর সহযোগিতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শামীম আহমেদ কামাল উদ্দিন খান এবং অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ড. মোহাম্মদ নাজরুল ইসলাম এবং মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন যুক্তরাজ্যের উলস্টার ইউনিভার্সিটি -এর স্কুল অব কম্পিউটিং, ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্টেলিজেন্ট সিস্টেমস -এর প্রফেসর ড. নাজমুল সিদ্দিক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষির গুরুত্ব সম্পর্কে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি উৎপাদন, খাদ্যনিরাপত্তা ও কৃষকের জীবন-জীবিকায় নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই কৃষি ব্যবস্থা, আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সমন্বিত প্রয়োগ প্রয়োজন।

তিনি জলবায়ু-সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং তা মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে স্মার্ট কৃষির বিকাশে দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

ড. নাজমুল সিদ্দিক বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুধু আলোচনা ও মতবিনিময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর গবেষণালব্ধ ফলাফলকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রকাশ ও মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনের মাধ্যমে শতাধিক গবেষণাপত্র তৈরি ও দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশের ব্যবস্থা করা হবে। এসব গবেষণার ফলাফল কৃষির বাস্তব সমস্যার সমাধানে কীভাবে প্রয়োগ করা যায়, সে বিষয়েও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, স্মার্ট কৃষির বিকাশে শুধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বিভিন্ন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ও সহযোগিতার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কৃষি, প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ে আন্তঃবিষয়ক গবেষণা জোরদার করা গেলে স্মার্ট কৃষির নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

কর্মশালায় স্মার্ট কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কৃষি রোবোটিকস, ডেটা বিশ্লেষণ, স্বয়ংক্রিয় কৃষি ব্যবস্থা, স্মার্ট সেচ, ফসলের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এবং জলবায়ু-সহনশীল কৃষি মডেলসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এ সময় জানানো হয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ২০–২১ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন এগ্রিকালচার ফর ডেভেলপমেন্ট (ICSASD)’। সম্মেলনকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মশালায় গবেষক ও সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণ এবং গবেষণাপত্র উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়।

সম্মেলনের 'কল ফর পেপারস'-এ ফসলের রোগ ও পোকামাকড় পর্যবেক্ষণ, স্মার্ট পেস্ট ম্যানেজমেন্ট, ডিজিটাল ফার্মিং, এআই-এসিসটেড ক্রপ প্লানিং, কৃষি রোবোটিকস, কৃষি ডেটা বিশ্লেষণ, মেশিন ভিশন, স্মার্ট সেচ, জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃষি অভিযোজন, এআই-ড্রাইভেন পলিসি সিমুলেশন, মাটির স্বাস্থ্য মূল্যায়ন এবং ডেটা-নির্ভর স্মার্ট কৃষিসহ বিভিন্ন বিষয়ে মৌলিক ও অপ্রকাশিত গবেষণাপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

আয়োজকেরা জানান, আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনের মাধ্যমে স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি নিয়ে দেশি-বিদেশি গবেষকদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, গবেষণা সহযোগিতা এবং নতুন উদ্ভাবনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টেকসই, প্রযুক্তিনির্ভর ও উৎপাদনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গবেষণার ফলাফল মাঠপর্যায়ে প্রয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (খুকৃবি) কর্তৃপক্ষ ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম উপলক্ষে নির্ধারিত ছুটির তারিখ পরিবর্তন করেছে। পূর্বনির্ধার...
22/09/2026

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (খুকৃবি) কর্তৃপক্ষ ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম উপলক্ষে নির্ধারিত ছুটির তারিখ পরিবর্তন করেছে। পূর্বনির্ধারিত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের পরিবর্তে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি পালিত হবে।

খুকৃবি উপাচার্যকে বিশেষ অতিথি করে বাকৃবিতে কর্মকর্তাদের ৩০তম ফাউন্ডেশন প্রশিক্ষণ শুরুবিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে দক্ষতা ও পেশ...
20/09/2026

খুকৃবি উপাচার্যকে বিশেষ অতিথি করে বাকৃবিতে কর্মকর্তাদের ৩০তম ফাউন্ডেশন প্রশিক্ষণ শুরু

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে দক্ষতা ও পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েসহ (বাকৃবি) বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের জন্য ৩০তম ফাউন্ডেশন ট্রেনিংয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণ চলবে আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (জিটিআই) যৌথভাবে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম সরদার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুকৃবি) মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দিন।

প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করছেন। দীর্ঘমেয়াদি এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক দক্ষতা, পেশাগত সক্ষমতা, দায়িত্বশীলতা এবং আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও দক্ষ করতে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ কর্মকর্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবর্তিত উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ও পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবা কার্যক্রম আরও কার্যকর ও মানসম্মত হবে।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার প্রশিক্ষণে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে দক্ষ ও পেশাদার প্রশাসনিক ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

২০ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চলমান এ প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, দাপ্তরিক কার্যক্রম ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।

খুলনায় ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন এর বিভাগীয় কর্মশালাগবেষণা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে পোল্ট্রি শিল্পের সম্ভাবনা...
19/09/2026

খুলনায় ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন এর বিভাগীয় কর্মশালা

গবেষণা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে পোল্ট্রি শিল্পের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর তাগিদ

খুলনায় ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন (WPSA) বাংলাদেশ শাখার উদ্যোগে বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নগরীর দ্য গ্র্যান্ড খুলনা হোটেলে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় দেশের পোল্ট্রি শিল্পের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, গবেষণার সুযোগ এবং এ খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে পোল্ট্রি শিল্পকে আরও টেকসই ও আধুনিক করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষক ও উদ্যোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুকৃবি) মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার এবং সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড. মোঃ ইলিয়াস হোসেন। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান, খুলনা বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মোঃ ওমর রহিম এবং WPSA বাংলাদেশ শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়েজুর রহমান।

বক্তারা বলেন, দেশের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পোল্ট্রি শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ খাতের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও দক্ষ জনবল তৈরির বিকল্প নেই।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুকৃবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, পোল্ট্রি খাতের উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা ও শিল্পসংশ্লিষ্টদের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা প্রয়োজন। গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে এ খাতের সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব।

কর্মশালায় পোল্ট্রি শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। পরে মতবিনিময়ের মাধ্যমে খুলনা বিভাগের পোল্ট্রি শিল্পের উন্নয়নে ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

খুকৃবিতে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণজলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক ...
15/09/2026

খুকৃবিতে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাক্রম প্রণয়নের তাগিদ

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুকৃবি) আউটকাম বেইসড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউসি)-এর উদ্যোগে ‘ডিজাইন অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন অব আউটকাম বেইসড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম’ শীর্ষক প্রশিক্ষণটি ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব। অনুষ্ঠানে তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় এবং খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শামীম আহমেদ কামাল উদ্দিন খান, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউসির পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. এম এ হান্নান এবং সঞ্চালনা করেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোঃ আসাদুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব বলেন, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে যুগোপযোগী কারিকুলামের কোনো বিকল্প নেই। বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও কারিকুলামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সময়োপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; তাঁদের সফট স্কিল, নৈতিক মূল্যবোধ, নেতৃত্বগুণ এবং বাস্তবমুখী দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে হবে। ওবিই পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মূল্যবোধের সমন্বিত বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভবিষ্যতে দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি খাতে ব্যাপক পরিবর্তন ও নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সময়োপযোগী, বাস্তবভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও কারিকুলাম অনুসরণ করে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা কার্যক্রম চালুর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করছে। শিক্ষা ও গবেষণার সমন্বিত বিকাশের মাধ্যমে খুকৃবিকে একটি মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহেদ রেজা। তিনি ওবিইর ধারণা, প্রোগ্রাম ও কোর্সের কাঙ্ক্ষিত শিক্ষণফল নির্ধারণ, কারিকুলাম ডিজাইন, শিক্ষণ-পদ্ধতি, মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং ওবিইভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

প্রশিক্ষণে খুকৃবির বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষকরা অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন প্রফেসর ড. মো. আবদুল আলীম, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মুশাররাফ উদ্দিন ভূঁইয়া, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলম মিয়াহ, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আশিকুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মো. রুহুল আমিন, প্রফেসর ড. মো. শহিদুর রহমান, প্রফেসর ড. আহমেদ খায়রুল হাসান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, প্রফেসর ড. মো. হারুন আর রশীদ, প্রফেসর মো. শরীফ আর রাফি, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাফি উল্লাহ, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, প্রফেসর ড. মো. শাহেদ রেজা, প্রফেসর ড. হারুনুর রশীদ এবং প্রফেসর ড. মো. আমিনুর রহমান।

প্রশিক্ষণে বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে ওবিইভিত্তিক কারিকুলাম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা গেলে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মূল্যবোধের সমন্বিত বিকাশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে উচ্চশিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষতা উন্নয়ন এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রের উপযোগী মানবসম্পদ গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর সচিবালয়ে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তা জনাব মাসুদ রানার পিতার ইন্তেকালে খুকৃবি...
14/09/2026

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর সচিবালয়ে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তা জনাব মাসুদ রানার পিতার ইন্তেকালে খুকৃবি উপাচার্যের শোক

কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া শুনলেন খুকৃবি উপাচার্য পর্যায়োন্নয়ন, পদোন্নতি ও সুযোগ-সুবিধাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপের আ...
13/09/2026

কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া শুনলেন খুকৃবি উপাচার্য

পর্যায়োন্নয়ন, পদোন্নতি ও সুযোগ-সুবিধাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপের আশ্বাস

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুকৃবি) কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া, সমস্যা ও প্রত্যাশা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকারের সঙ্গে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন প্রত্যাশা ও সমস্যার কথা সরাসরি শুনেছেন উপাচার্য।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস-১-এর অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা অংশ নেন।

সভায় কর্মচারীরা পর্যায়োন্নয়ন ও পদোন্নতি, চাকরিসংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা, প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়সহ তাদের নানা দাবি-দাওয়া উপাচার্যের কাছে তুলে ধরেন। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার কথাও তারা তুলে ধরেন। এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য উপাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কর্মচারীরা।

কর্মচারীদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রত্যেকের দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও পারস্পরিক সহযোগিতাই একটি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের মূল শক্তি।

তিনি আরও বলেন, কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি ও সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। প্রচলিত বিধি-বিধান, নীতিমালা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক সক্ষমতার আলোকে এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

উপাচার্যের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন কর্মচারীরা। তারা আশা প্রকাশ করেন, তাদের উত্থাপিত বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে বিবেচনার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক পরিবেশ আরও কর্মবান্ধব হবে।

আলোচনা সভায় কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে পারস্পরিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ভবিষ্যতেও কর্মচারীরা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবেন বলে সভায় প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

Address

Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khulna Agricultural University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share