20/04/2026
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে আমি ২০১৯ সাল থেকে অধ্যায়নরত একজন ছাত্র। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ নিয়ে বর্তমানে ছাত্র শিক্ষক পরিষদের মধ্যে (ক্যাম্পাস এ চাষাবাদ এবং জমি ইজারা) নিয়ে যে মতানৈক্য সৃষ্টি হয়েছে আমি মনে করি তার ফলে আমার প্রানের বিদ্যাপিঠ এর ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে ।
মহিলা হোস্টেল সংলগ্ন মাঠটি একসময় ছিলো ছাত্রদের বিনোদনের প্রান কেন্দ্র কিন্তু মহিলা হোস্টেল চালু হওয়ার পর এটা আমরা দেখি স্যারদের তত্ত্ববধায়ানে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এবং এখানে কলেজের ভারসাম্য বজায় থাকবে এমন পরিবেশবান্ধব কিছু গাছপালা লাগানো হয় যার ফলে কলেজ থেকে রাজস্বখাতে একটা ভূমিকা রাখতে শুরু করে।
ফলশ্রুতিতে বিকালে ছেলেদের খেলাধুলা করার জায়গার সংকুলান হয়ে গেছে।ক্যাম্পাসে বসে অনেকে গ্রুপ স্টাডি করতো মনোরম পরিবেশে এগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ধু বান্ধব সকলে মিলে আড্ডা দেওয়ার একটা সুন্দর জায়গা ছিলো এগুলো বন্ধ হয়ে গেছে।
*এবার আসি এই কার্যক্রম এর কিছু ইতিবাচক দিক নিয়ে।
এ জায়গাগুলোতে বিভিন্ন নেশাগ্রস্তদের আড্ডার আকড়া হয়ে উঠেছিলো লেকপাড় এবং ছেলেদের হোস্টেল এর পিছনে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নেশাগ্রস্ত পোলাোনের আকড়া ছিলো। বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংঘর্ষ। ইভটিজিং এবং রাতের অন্ধকারে এ জায়গাগুলো আরো অনেক ভয়ংকর অবস্থা ছিলো।এটা কিছুটা হলেও কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
আমাদের কলেজের একটা মাঠ থাকা সত্বেও এখানে কলেজের স্টুডেন্ট রা খেলাধুলা করতে পারেন না যার ফলে আমরা মহিলা হোস্টেল এর সামনের মাঠ টা ব্যাবহার করতাম কিন্তু কলেজ কমিটির উক্ত পদক্ষেপ এর কারনে সেটাও বন্ধ হয়ে গেছে।
এখন কলেজের পরিবেশ রক্ষার্থে এবং ছাত্রদের দাবি পূরনের জন্য কলেজ কমিটির কিছু বিষয়ে নজর দিতে হবে।
১) ছাত্রদের খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়ার জন্য কলেজ মাঠকে শুধুমাত্র ছাত্রদের জন্য উন্মুক্ত করা।
২) কলেজের চারপাশ দিয়ে দেওয়াল দেওয়ার মাধ্যমে কলেজের মধ্যে বহিরাগত বিভিন্ন ছেলেদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা।