Child Development and Social Relationship Department, KCC Women's College

Directions Website

Child Development and Social Relationship Department, KCC Women's College Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Child Development and Social Relationship Department, KCC Women's College, College & University, Khan Jahan Ali Road, Khulna.

01/01/2026

🏛️ কেসিসি উইমেন্স কলেজ, খুলনা
📢 ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কেসিসি উইমেন্স কলেজে নিম্নোক্ত বিভাগসমূহে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে-

📚 বিভাগসমূহ:
🔹 ফুড এন্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স
(জীববিজ্ঞানসহ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রীদের জন্য)
🔹 চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড সোশ্যাল রিলেশনশিপ
(সকল বিভাগের ছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত)
🔹 ফ্যাশন ডিজাইন
(সকল বিভাগের ছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত)

🧑‍🎓 আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা:
✔️ ২০২২ বা ২০২৩ সালের এসএসসি/সমমান
✔️ ২০২৪ বা ২০২৫ সালের এইচএসসি/সমমান
✔️ গ্রেড পদ্ধতিতে (৫.০০ স্কেলে) মোট জিপিএ ৬.০০
✔️ এসএসসি বা এইচএসসি—যেকোনো একটিতে ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০

🕰️ ভর্তি ফরম বিতরণ ও জমাদানের সময়সূচি:
📅 ১৩ নভেম্বর ২০২৫ থেকে পরবর্তী ঘোষণা পর্যন্ত
⏰ সময়: সকাল ১০.০০ টা – দুপুর ২.০০ টা
(শুক্রবার, শনিবার ও সরকারি ছুটি ব্যতীত)

💳 ভর্তি ফরমের মূল্য:
৬০০/- টাকা মাত্র

📌 বিশেষ দ্রষ্টব্য:
🔸 বিস্তারিত তথ্যের জন্য সম্মান শাখার অফিসে যোগাযোগ করুন
🔸 কলেজ ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.kccwc.edu.bd
🔸 কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি পেতে পারে

🟢আসন সীমিত। এখনই ভর্তি হয়ে উজ্জ্বল ভবিষৎ নিশ্চিত করুন।

📞 বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
📱 ০১৭১১-২৪৮৪২৯
📱 ০১৭৪৭-৬১৫৫৫১
📱 ০১৭৯৩-০০৯০৬০

১৩/১১/২০২৫ থেকে পরবর্তী ঘোষণা পর্যন্ত ভর্তির আবেদন ফরম জমা প্রদান করা যাবে।
16/11/2025

১৩/১১/২০২৫ থেকে পরবর্তী ঘোষণা পর্যন্ত ভর্তির আবেদন ফরম জমা প্রদান করা যাবে।

𝗕𝗹𝗮𝗺𝗶𝗻𝗴 𝗵𝗲𝗿𝗲𝗱𝗶𝘁𝗮𝗿𝘆 𝘃𝗲𝗿𝘀𝘂𝘀 𝗼𝗻𝗲𝘀𝗲𝗹𝗳- 𝗙𝗶𝗻𝗮𝗹 𝗣𝗮𝗿𝘁এজাজ সাহেব খুব রাগী মানুষ। ছেলে-মেয়ে ভয়ে তাকে কিছু বলতে চায় না। মাধ্যম হিসে...
09/09/2025

𝗕𝗹𝗮𝗺𝗶𝗻𝗴 𝗵𝗲𝗿𝗲𝗱𝗶𝘁𝗮𝗿𝘆 𝘃𝗲𝗿𝘀𝘂𝘀 𝗼𝗻𝗲𝘀𝗲𝗹𝗳- 𝗙𝗶𝗻𝗮𝗹 𝗣𝗮𝗿𝘁

এজাজ সাহেব খুব রাগী মানুষ। ছেলে-মেয়ে ভয়ে তাকে কিছু বলতে চায় না। মাধ্যম হিসেবে মা কে দিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে অনুমতি থেকে শুরু করে ছোটোখাটো আবদার করে থাকে। পরিবর্তে প্রায়শই সাহানাকে শুনতে হয় কটু কথা। কখনো কখনো এজাজ সাহেব স্ত্রী সাহানার গায়ে হাত তোলেন। পরবর্তীতে বুঝিয়ে বলেন " রাগের বশে তিনি এরকম কাজ করে ফেলেছেন ভবিষ্যতে কখনো করবেন না ”
তাদের সাথে এজাজ সাহেবের মা টুম্পা বেগম ও থাকেন তবে তিনি ছেলের এসব কর্মকান্ড নিয়ে তেমন মাথা ঘামান না। সাহানা কে বলেন " ও আসলে ছোটো বেলা থেকেই বদমেজাজি ”
সাহানার পরিবার ও অবশ্য এ বিষয় সম্পর্কে অবগত।
তারা বলেন, "যে একটু মানিয়ে নাও, ঠিক হয়ে যাবে ”
এই মানিয়ে নেওয়ার আজ ১৩ বছর। কিন্তু কিছুই বদলায়নি।
সাহানা কখনো তার সম্পর্ক থেকে সরে আসেননি। অনেক বছর পর তাদের ছেলেমেয়েরা প্রাপ্ত বয়স্ক হলে বাবার এ ধরণের আচরণের খেলাফ করে এবং আঘাত করে কথা বলে। উত্তরে এজাজ সাহেব বলেন, "সাহানাকে তিনি স্বইচ্ছায় বিয়ে করেননি, তার ওপর তার বাবা-মা নিজেদের ইচ্ছে চাপিয়ে দিয়েছেন তাই তিনি এমন হয়ে গেছেন”

আপনাদের কি মনে হচ্ছে এজাজ সাহেব আসলে কেমন মানুষ? তার বাবা-মা যে কাজটা তার সাথে করেছেন কাজটা কি করা ঠিক হয়েছে? আমাদের কাছে এজাজ সাহেব খারাপ মানুষ। বাস্তবতা হলো এই এজাজ সাহেব আমরা এবং পারিপার্শ্বিক মানুষগুলো ও আমরা।
বিহেভিয়ারেল প্রবলেম আছে এমন ব্যক্তি সংখ্যাগরিষ্ঠ। তার চেয়ে ও ভয়ংকর অসুখ হলো আমরা প্রতিনিয়ত এজাজ সাহেবের মতোন মানুষকে গ্রহণ করে চলেছি এবং এরকম ব্যবহার নরমালাইজ করে চলেছি।

একজন শিশুর প্যারেন্টিং, পরিবেশ বা বায়োলজিক্যালি প্রভাব নেতিবাচক হলেও প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার মধ্যে সম্পূর্ণ ক্ষমতা জন্মে যে সে ভালো এবং মন্দের মধ্যে ভালো কে বেছে নিতে পারে কেননা তার বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা, নিজস্ব জ্ঞান এ ক্ষেত্রে বড় নিয়ামক। ব্যক্তিত্ব হলো একজন মানুষের পরিপূর্ণ আচরণ এবং সার্বিক জ্ঞানের প্রতিফলন যা সে চাইলেই ইতিবাচকভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

আসুন এজাজ সাহেবের মতোন ব্যক্তিত্বকে আমরা অসমর্থন করি। যারা নিজেদের নেতিবাচক আচরণের জন্য অন্যদের দায়ী মনে করেন এবং নিজেদের ভুল-ত্রুটি মেনে নিতে চান না।
তিনি চাইলেই তার স্ত্রী, সন্তান এবং পরিবারকে একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ দিতে পারতেন।

I've tried to avoid the typical article writing to reach out through metaphor story. Pardon me if there is any mistake.

Taznin Jannat
Child Development & Social Relationship
3rd year 2nd Term

𝗕𝗹𝗮𝗺𝗶𝗻𝗴 𝗵𝗲𝗿𝗲𝗱𝗶𝘁𝗮𝗿𝘆 𝘃𝗲𝗿𝘀𝘂𝘀 𝗼𝗻𝗲𝘀𝗲𝗹𝗳- 𝗽𝗮𝗿𝘁 𝘁𝘄𝗼সবার সুবিধার্থে আর্টিকেলটি বাংলায় লিখছি।আমাদের সমাজে অনেকে আছেন যাদের আচরণগত ...
05/09/2025

𝗕𝗹𝗮𝗺𝗶𝗻𝗴 𝗵𝗲𝗿𝗲𝗱𝗶𝘁𝗮𝗿𝘆 𝘃𝗲𝗿𝘀𝘂𝘀 𝗼𝗻𝗲𝘀𝗲𝗹𝗳- 𝗽𝗮𝗿𝘁 𝘁𝘄𝗼

সবার সুবিধার্থে আর্টিকেলটি বাংলায় লিখছি।
আমাদের সমাজে অনেকে আছেন যাদের আচরণগত সমস্যা রয়েছে বা যাদের আচরণে নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আদর্শ প্যারেন্টিং এর অভাবে আচরণের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব দৃশ্যমান।
ব্যক্তিত্ব বলতে বোঝায় একজন মানুষের পরিপূর্ণ আচরণ। শুধু আচরণ ই নয়, পাশাপাশি তার চিন্তাভাবনা, অনুভূতি এবং আচরণের স্থায়ী ধরণ যা একজন ব্যক্তিকে স্বতন্ত্র করে তোলে।

আমেরিকান সাইকোলজিস্ট এবং শিক্ষাবিদ এলিজাবেথ হার্লক এর মতে, “একজন শিশুর ব্যক্তিত্ব তার বায়োলজিক্যাল সূত্রে প্রাপ্য অথবা পরিবেশের প্রভাবে হয়ে থাকে।” অর্থাৎ একজন শিশুর আচরণের ধরণ তার পরিবার এবং পরিবেশের প্রতিচ্ছবি।
যেমন : কোনো শিশু তার বাবাকে মায়ের সাথে বিরূপ আচরণ করতে দেখলে, সহজেই রেগে যেতে দেখলে তার মধ্যে সহনশীলতার নীতি চর্চা বাধাগ্রস্থ হয় এবং পরিশেষে পরিপূর্ণ যত্নের অভাবে তার way of talking & thinking এর বিকাশ ব্যাহত হয়।
ব্যক্তিত্ব গঠনের পেছনে পরিবার এবং পরিবেশ কে যুক্তিযুক্ত কারণ হিসেবে প্রদর্শন করা সত্ত্বেও হার্লক বলেছেন, “ব্যক্তির আচরণগত সমস্যার জন্য ব্যক্তি নিজে দায়ী এবং এক্ষেত্রে তার পরিবার এবং পরিবেশ দায়ী নয় ”

আপনাদের মনে কি প্রশ্ন আসছে কেন?
বিবৃতি আসছে 𝗕𝗹𝗮𝗺𝗶𝗻𝗴 𝗵𝗲𝗿𝗲𝗱𝗶𝘁𝗮𝗿𝘆 𝘃𝗲𝗿𝘀𝘂𝘀 𝗼𝗻𝗲𝘀𝗲𝗹𝗳- 𝗙𝗶𝗻𝗮𝗹 𝗣𝗮𝗿𝘁 এ।

তাজনীন জান্নাত
চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড সোশ্যাল রিলেশনশিপ
৩য় বর্ষ ২য় টার্ম

𝗕𝗹𝗮𝗺𝗶𝗻𝗴 𝗛𝗲𝗿𝗲𝗱𝗶𝘁𝗮𝗿𝘆 𝗩𝗲𝗿𝘀𝘂𝘀 𝗢𝗻𝗲𝘀𝗲𝗹𝗳 - 𝗣𝗮𝗿𝘁 𝗼𝗻𝗲This recognition has had two effects. First, it has emphasized that people c...
28/08/2025

𝗕𝗹𝗮𝗺𝗶𝗻𝗴 𝗛𝗲𝗿𝗲𝗱𝗶𝘁𝗮𝗿𝘆 𝗩𝗲𝗿𝘀𝘂𝘀 𝗢𝗻𝗲𝘀𝗲𝗹𝗳 - 𝗣𝗮𝗿𝘁 𝗼𝗻𝗲

This recognition has had two effects. First, it has emphasized that people can no longer blame a poor hereditary endowment or environment for their unfavourable personality characteristics but rather must blame themselves for developing such personality patterns.

এই ছবিটি জর্জ লিচটির লেখা "গ্রিন অ্যান্ড বিয়ার ইট" শিরোনামের একটি রাজনৈতিক কার্টুন, যা ১৩ অক্টোবর, ১৯৭৩ সালে ফিল্ড নিউজপেপার সিন্ডিকেট দ্বারা প্রকাশিত হয়েছিল। এতে দেখানো হয়েছে যে একজন অধ্যক্ষ একজন ছাত্র, ওটিস এবং তার পিতামাতাকে সম্বোধন করছেন, হাস্যকরভাবে আচরণের আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করে সরাসরি দোষারোপের পক্ষে। জিন এবং পরিবেশের প্রভাব সম্পর্কে সমসাময়িক আলোচনা সত্ত্বেও, কার্টুনের রসবোধ নিহিত রয়েছে অধ্যক্ষের স্পষ্ট বক্তব্যের মধ্যে যে ওটিস তার কর্মের জন্য সম্পূর্ণরূপে দায়ী।

reference : Child Development by
Elizabeth B.Hurlock

শিশুকে কখন আলাদা ঘরে ঘুমাতে দেওয়া উচিত?আমাদের সমাজে এখনো অনেক পরিবারে শিশুদের মা–বাবার সঙ্গে একই বিছানায় বা একই ঘরে ঘুমত...
27/08/2025

শিশুকে কখন আলাদা ঘরে ঘুমাতে দেওয়া উচিত?

আমাদের সমাজে এখনো অনেক পরিবারে শিশুদের মা–বাবার সঙ্গে একই বিছানায় বা একই ঘরে ঘুমতে দেখা যায়। ছোট বয়সে এটা দরকারি হলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে আলাদা ঘরে অভ্যাস করানো কেন গুরুত্বপূর্ণ, তা অনেকেই জানেন না। বয়সভিত্তিক ধাপে ধাপে বিষয়টি বুঝে নিলে মা–বাবা ও শিশুর জন্য দু’পক্ষের জীবনই সহজ হয়।

👶 ০–৬ মাস:
•এই সময়ে নবজাতককে মায়ের খুব কাছে রাখতে হয় বুকের দুধ খাওয়ানো, ডায়াপার বদলানো, অসুস্থ হলে দ্রুত যত্ন নেওয়া—সবকিছু সহজ করার জন্য।
•শিশুর শরীর ও মস্তিষ্কের বিকাশে মায়ের উপস্থিতি নিরাপত্তা ও শান্তি দেয়।

যদি আলাদা করা হয়:
এ বয়সে আলাদা বিছানায় রাখলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি (শ্বাসকষ্ট, কান্না বুঝতে না পারা, দুধ খাওয়াতে দেরি) বেড়ে যায়। তাই শিশুকে এ বয়সে একেবারেই আলাদা না করা ভালো।

👶 ৬ মাস – ২ বছর:
•এ সময়ে শিশু ধীরে ধীরে ঘুম ও খাওয়ার রুটিনে অভ্যস্ত হয়।
•মা–বাবার ঘরে ছোট কট বা ক্রিবে রাখলে নিরাপদ থাকে, আবার বিছানা আলাদা থাকায় মা–বাবার জন্যও কিছুটা স্বস্তি হয়।

যদি আলাদা করা হয়:
•যদি শিশুকে আলাদা রুমে দেওয়া হয়, রাতে জেগে উঠলে শিশুকে সামলাতে কষ্ট হবে।
•শিশুর মানসিকভাবে ভয় বা অনিরাপত্তা তৈরি হতে পারে।
তাই এই বয়সে আলাদা রুমে নয়, তবে আলাদা ছোট বিছানায় ঘুমাতে অভ্যস্ত করানো যেতে পারে।

👦 ২–৩ বছর:
•এ সময়ে শিশু কথা বলা, হাঁটা, খেলা—এসব শিখে যায়।
•স্বাধীনতা ও নিজের জায়গার অনুভূতি তৈরি হয়।
•কাছে থাকলে মা–বাবা শিশুর মানসিক চাহিদা সহজে বুঝতে পারেন এবং শিশুর নিরাপত্তাবোধ বজায় থাকে।
•মা ও শিশুর বন্ধন মজবুত হয়
এ সময়ে দূরে রাখলে শিশু হঠাৎ ভয় পেতে পারে বা অসুস্থ হলে শিশুর মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

তবে এই বয়স থেকে ধীরে ধীরে আলাদা বিছানা দেওয়ার অভ্যাস করানো ভালো, যদিও শিশুর রুম এখনো মায়ের কাছেই থাকা উচিত।

👦 ৪–৬ বছর: আলাদা হওয়ার সেরা সময়:
•এই বয়সে শিশু বুঝতে শেখে: “এটা আমার ঘর, এটা আমার জিনিস।
•এই বয়সে শিশুর মানসিক ও সামাজিক পরিপক্বতা তৈরি হয়।

আলাদা ঘরে রাখলে শিশুর -
•স্বাধীনতা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।
•নিজের ঘর গুছানো, খেলনা বা বই সামলানো শেখে।
•গোপনীয়তার গুরুত্ব বোঝা শুরু করে।
•বাবা–মায়ের দাম্পত্য জীবনে ব্যক্তিগত পরিসর বা প্রাইভেসি বজায় থাকে।

এ সময় কাছে রাখলে যেসব অসুবিধা হতে পারে:
•শিশুর নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেরিতে গড়ে ওঠে।
•অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারে।

তাই ৪–৬ বছরের মধ্যেই আলাদা রুমে অভ্যস্ত করানো সবচেয়ে ভালো।

👦 ৭ বছর বা তার বেশি হলে:
এ বয়সে শিশুর বিছানা অবশ্যই আলাদা করা উচিত.
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ৭ বছর পার হলে শিশুর আলাদা ঘর জরুরি।
কারণ এই বয়সে শিশু গোপনীয়তা (privacy), আত্মসম্মান ও ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলে।

এ সময়ে আলাদা থাকলে শিশুর -
•স্বাধীনতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
•গোপনীয়তা বোঝে, ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠে।
•শৃঙ্খলা শেখে (নিজের ঘর গুছানো, জিনিস সামলানো)।
•বাবা–মায়ের সম্পর্ক সুস্থ থাকে।

যদি এখনো মা–বাবার বিছানায় থাকে তবে শিশুর -
•শিশুর আত্মবিশ্বাস কমে যেতে পারে।
•সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতায় দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
•বাবা–মায়ের সম্পর্কেও অস্বস্তি তৈরি হয়

জন্মের পর প্রথম কয়েক বছর মা–বাবার কাছে থাকা শিশুর জন্য নিরাপদ। তবে ৪–৬ বছরের মধ্যে ধীরে ধীরে আলাদা রুমে অভ্যস্ত করানো সবচেয়ে ভালো সময়। এতে শিশুর স্বাস্থ্য, মানসিক বিকাশ, আত্মবিশ্বাস ও বাবা–মায়ের সম্পর্ক—সবকিছু ইতিবাচকভাবে গড়ে ওঠে। খুব তাড়াতাড়ি আলাদা করলে শিশুর ভয়, নিরাপত্তাহীনতা ও মানসিক চাপ বাড়ে। অন্যদিকে খুব দেরিতে আলাদা করলে শিশু অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে যায়, আত্মবিশ্বাস কমে যায়।

তাই শিশুকে ধাপে ধাপে আলাদা করতে হবে। প্রথমে আলাদা বিছানা → পরে আলাদা রুম। ঘুমানোর আগে গল্প বলা, আলো জ্বালিয়ে রাখা বা খেলনা পাশে রাখা—এসব উপায়ে ভয় কমানো যায়।

কর্মক্ষেত্রে ডে-কেয়ার থাকলে কর্মজীবী মায়েরা নির্ভয়ে কাজ চালিয়ে যেতে পারেন, আর শিশুরাও পায় নিরাপদ পরিবেশে যত্ন ও খেলাধুলা...
26/08/2025

কর্মক্ষেত্রে ডে-কেয়ার থাকলে কর্মজীবী মায়েরা নির্ভয়ে কাজ চালিয়ে যেতে পারেন, আর শিশুরাও পায় নিরাপদ পরিবেশে যত্ন ও খেলাধুলার সুযোগ। এতে কর্মক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা হয় না, আর মা চাইলে কাজের ফাঁকেই সন্তানের খোঁজ নিতে পারেন। আর শিশুকাল থেকেই গড়ে ওঠে সামাজিক দক্ষতা।❤️

Understanding your child's emotions is important. They may not express through words when they're feeling off, but ask y...
25/08/2025

Understanding your child's emotions is important. They may not express through words when they're feeling off, but ask you to be with them. When kids say ‘play with me,’ they really mean ‘be with me.’ 💛

চাইল্ড ডেভলপমেন্ট আ্যন্ড সোশ্যাল রিলেশনশিপ বিভাগে অধ্যয়নের মাধ্যমে ক্যারিয়ার গঠণে আছে চমৎকার সুযোগ। পেশা নিবার্চনের সুযো...
25/07/2025

চাইল্ড ডেভলপমেন্ট আ্যন্ড সোশ্যাল রিলেশনশিপ বিভাগে অধ্যয়নের মাধ্যমে ক্যারিয়ার গঠণে আছে চমৎকার সুযোগ।

পেশা নিবার্চনের সুযোগ:
• স্কুল, কলেজে শিক্ষকতা
• বি.সি.এস উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ক্যাডার ও নন-ক্যাডার পদে চাকুরী
• ব্যাংকিং খাতে
• শিশু কল্যানে নিয়োজিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় চাকুরী
• কাউন্সিলির ও থেরাপিস্ট পদে
• চাইল্ড সাইকোলজিস্ট
• বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ও অটিস্টিক শিশুর শিক্ষা ও পরিচালনা
• ইসিডি কার্যক্রম যেমন- প্ল্যান বাংলাদেশ, কেয়ার বাংলাদেশ, ব্র্যাক প্রভৃতিতে চাকুরী
• মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে
• শিশুদের কল্যানে জাতীয় ও আস্তর্জাতিক সংস্থা যেমন- SWID Bangladesh, Unicef, Save The Children প্রভৃতি
• দিবা যত্ন কেন্দ্রের ইনচার্জ হিসেবে

উচ্চ শিক্ষা লাভে:
• দেশে বিদেশে সোশ্যাল সায়েন্সের সকল বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভের সুযোগ
•M.Phil ও Ph.D
• ডিপ্লোমা

সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক মানের কারিকুলামে অনার্স ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হতে এখনই যোগাযোগ করুন।

সুখবর! সুখবর!অনেক অপেক্ষার ইতি টেনে চলে এলো "পিঠা উৎসব"আমরা থাকছি... আপনারা থাকছেন তো! #পিঠা_উৎসব_২০২৫ #স্থান_খুলনা_কলেজ...
25/02/2025

সুখবর! সুখবর!
অনেক অপেক্ষার ইতি টেনে চলে এলো "পিঠা উৎসব"
আমরা থাকছি... আপনারা থাকছেন তো!
#পিঠা_উৎসব_২০২৫
#স্থান_খুলনা_কলেজিয়েট_গার্লস_স্কুল_এন্ড_কেসিসি_উমেন্স_কলেজ

04/12/2024

International Day of Persons with Disabilities, 3 December, 2024 was celebrated by the Department of Child Development and Social Relationship at KCC Women's College, Khulna compound.

গর্ভকালীন মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া কতটা জরুরি? গর্ভকালীন অবস্থায় প্রত্যেক নারীর শরীরে প্রোজেস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন নাম...
18/09/2024

গর্ভকালীন মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া কতটা জরুরি?

গর্ভকালীন অবস্থায় প্রত্যেক নারীর শরীরে প্রোজেস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন নামক দুটি হরমোন বৃদ্ধি পায়। এই হরমোনগুলোর কিছুটা নেগেটিভ এফেক্ট মনের ওপর পড়ে। আবার এ সময় প্রথম তিন মাস শরীরটাও একটু দুর্বল থাকে। বমি-বমি ভাব, জ্বর-জ্বর লাগা, খাবারে গন্ধ, সর্বোপরি পরিবারে নতুন সদস্যের আগমন, তাকে কতটা ভালোভাবে লালন পালন করা সম্ভব হবেÑ এসব নিয়ে একটা চিন্তাভাবনা মাথায় চলে আসে প্রত্যেক মায়েরই। তাই গর্ভকালীন প্রত্যেক মাকে তার মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে । ইদানীং এ নিয়ে বিশ্বের সর্বত্র অনেক গবেষণা হচ্ছে। দেখা গেছে যে, মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রভাব অনেকটাই গর্ভস্থ শিশুর ওপর গিয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য গড়ে ওঠার ক্ষেত্রেও এর অনেক ভূমিকা কাজ করে। তাই গর্ভকালীন অবস্থায় সুস্থ সন্তান ও মায়ের সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত সুষম খাবার-দাবার, চেকআপÑ এসব যেমন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, তেমনি মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখাটাও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা দেয়।




Address

Khan Jahan Ali Road
Khulna
9100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Child Development and Social Relationship Department, KCC Women's College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share