Department of Arabic Language & Literature -IIUC

Department of Arabic Language & Literature -IIUC Arabic Club Female Chapter

بسم الله الرحمن الرحيمআলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা আমাদের বড়বোনদের মাধ্যমে এত সুন্দর একটি।মজলিস হাদিয়া দি...
20/08/2026

بسم الله الرحمن الرحيم
আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা আমাদের বড়বোনদের মাধ্যমে এত সুন্দর একটি।মজলিস হাদিয়া দিয়েছেন। আমরা আন্তরিকভাবে আমাদের বড়বোনদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমাদের আয়িশা আপুর কুরআনের বেশকিছু দু'আসম্বলিত তিলাওয়াত এবং হুমায়রা আপুর প্রাণবন্ত উপস্থাপনা আমাদেরকে রৌদ্রজ্জ্বল সকালের মতো সজীব করে নিয়েছিল আলহামদুলিল্লাহ। শায়রা আপুর কাছ থেকে আমরা শিখেছি প্রতি পদক্ষেপের পূর্বেই আমাদের নিয়্যাত খালিস করে নিতে হবে, সবসময় নিজের প্রচেষ্টা শতভাগ রাখার জন্য মেহনত করা, সময়ের বারাকাহর জন্য প্রতিটি সময় হিকমাতের সাথে কাজে লাগানো, আরও অনেক কিছু। মা শা আল্লহ, বারকাল্লহু ফিহিন্না।

আমাদের দু'জন মুহতারামাহ ম্যাম আমাদের স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন। আমাদের এই জীবনের উদ্দেশ্য এবং আমরা কী নিয়ে ফিরে যাবো তা কুরআনের আয়াত, সালাফদের কথা দিয়ে হৃদয়ে গেঁথে দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। আমদের জন্য ৩টি মূল্যবান নাসীহা সবক দিয়েছিলেন-

১। পবিত্রতা এবং সালাত যথাসময়ে ও যথাযথভাবে আদায়ে ইহতিমাম করা। (যত ব্যস্ততাই থাকুক)

২। অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ, যা রসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের জন্য কষ্টকর না হলে ফরয করে দিতেন। মিসওয়াক অন্তত প্রতি সালাতের জন্য ৫ বার হলেও করা। (মৃত্যুর সময় কালিমা নাসীব হওয়া এবং জান্নাতে যাওয়ার সহজ পন্থা)

৩। সকাল সন্ধ্যায় সায়্যিদুল ইস্তেগফার। (জান্নাতে যাওয়ার জন্য)

*আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি এবং জান্নাত ছাড়া আমাদের আর কি আর কিছুর প্রয়োজন আছে?*
আমাদের বুশরা আপু, ইভা আপুর আলোচনা আমাদের নিজেদের কাজ নিয়ে চিন্তা-ফিকির করতে ও সংশোধনের পথে আমল করার দিকনির্দেশনা দিয়েছে। তাশফি আপুর আয়োজনও আমাদেরকে তাবাসসুমে ভরিয়ে নিয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু একটা ছোট্ট কষ্ট হচ্ছিল আমরা আপুদের জন্য কিছুই নিয়ে যেতে পারি নি। আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের প্রত্যেকের ভুল-ত্রুটিগুলো মাফ করে দিন। আমরা যা শুনেছি তার উপর ইখলাসের সাথে সবাইকে একসাথে আমল করার তাওফিক দিয়ে দিন। আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন। জাযাকুন্নাল্লাহু খইরন কাসিরন ফিদ দুনিয়া ওয়াল আখিরহ।

~ আল ফাইজাত-১০ব্যাচ থেকে
তারান্নুম

19/08/2026

"একঝাঁক স্বপ্ন, এক নতুন পথচলা"
Al Faizat 10th Batch --- A Journey Begins ❤️❤️

প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণে: হুমায়রা আহাম্মেদ
আল - মুমতাহিনাত, ৯ম ব্যাচ

--❤️❤️----নবীনবরণ ২০২৬ --❤️❤️----"আল মুমতাহিনাত" ৯ম ব্যাচের পক্ষ থেকে"আল ফাইজাত" ১০ম ব্যাচকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন...
19/08/2026

--❤️❤️----নবীনবরণ ২০২৬ --❤️❤️----
"আল মুমতাহিনাত" ৯ম ব্যাচের পক্ষ থেকে
"আল ফাইজাত" ১০ম ব্যাচকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নতুন পথচলার শুরু মানেই নতুন স্বপ্ন, নতুন প্রত্যাশা আর নতুন কিছু অর্জনের প্রত্যয়। সেই সুন্দর পথচলাকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে "আল মুমতাহিনাত" ৯ম ব্যাচের পক্ষ থেকে আল "ফাইজাত" ১০ম ব্যাচের জন্য আয়োজন করা হয়েছে এই নবীনবরণ অনুষ্ঠান। ভালোবাসা ও আন্তরিকতার নিদর্শন হিসেবে ৯ম ব্যাচের পক্ষ থেকে রয়েছে বিভিন্ন উপহার ও প্রয়োজনীয় বইয়ের আয়োজন। এই ছোট্ট উপহারগুলো যেন তোমাদের জ্ঞানার্জনের পথে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকে এবং প্রতিটি বই তোমাদের স্বপ্নপূরণের পথে একজন নীরব সহযাত্রী হয়ে ওঠে।

প্রিয় আল ফাইজাত ১০ম ব্যাচ,
"আহলান সাহলান ওয়া মারহাবান"
তোমাদের নতুন এই পথচলা হোক সুন্দর, সফল ও কল্যাণময়। জ্ঞান, আদর্শ, শৃঙ্খলা ও ভালো কাজের মাধ্যমে তোমরা নিজেদের আলোকিত করবে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম আরও সমৃদ্ধ করবে এই আমাদের প্রত্যাশা।

তোমাদের প্রতিটি স্বপ্ন পূর্ণ হোক,
প্রতিটি প্রচেষ্টা সফল হোক,
প্রতিটি পদক্ষেপ হোক কল্যাণের পথে।
তোমাদের আগামীর পথচলা হোক সাফল্যমণ্ডিত।

শুভকামনায়
"আল মুমতাহিনাত" ৯ম ব্যাচ

🌸 بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ 🌸মৌমাছির মতো কল্যাণের ফুল কুড়িয়ে, ইলমের সুবাস ছড়িয়ে এগিয়ে চলুক আমাদের প্রিয় ব্যাচ...
18/08/2026

🌸 بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ 🌸
মৌমাছির মতো কল্যাণের ফুল কুড়িয়ে, ইলমের সুবাস ছড়িয়ে এগিয়ে চলুক আমাদের প্রিয় ব্যাচ - الفائزات। 🌼
নতুন পথচলার প্রতিটি পদক্ষেপ হোক ইলম, আমল ও ইখলাসে সমৃদ্ধ। এই আগমন হোক সুন্দর এক দাওয়াহি সফরের সূচনা যেখানে জ্ঞান হবে আলো, আর আমল হবে তার সৌন্দর্য। 🌿

ব্যাচ الممتحنات-এর পক্ষ থেকে ব্যাচ الفائزات-কে জানাই আন্তরিক ভালোবাসা ও উষ্ণ স্বাগতম।
আল্লাহ তোমাদের এই ইলমের সফরকে কবুল করুন, বরকতময় করুন এবং উম্মাহর জন্য কল্যাণের মাধ্যম বানিয়ে দিন।
آمين يا رب العالمين
‌‏اللهم صل على محمد و على ال محمد

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম প্রিয় নবাগত বোনেরা,আরবি বিভাগে তোমাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক স্বাগতম ও মোবারকবাদ!أَهْلًا بِكُ...
17/08/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
প্রিয় নবাগত বোনেরা,
আরবি বিভাগে তোমাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক স্বাগতম ও মোবারকবাদ!
أَهْلًا بِكُنَّ يَا زَهْرَاتِ قِسْمِ اللُّغَةِ العَرَبِيَّةِ، نَوَّرْتُنَّ مَكَانَنَا بِحُضُورِكُنَّ
“আরবি বিভাগের ফুলদের স্বাগতম, তোমাদের উপস্থিতিতে আমাদের প্রাঙ্গণ আলোকিত হয়েছে।”💐
তোমাদের আগমনে আমাদের প্রিয় বিভাগটি আরও প্রাণবন্ত ও সুন্দর হয়ে উঠেছে। নতুন একটি পথচলা, নতুন কিছু স্বপ্ন, নতুন কিছু মানুষ সব মিলিয়ে তোমাদের জন্য শুরু হলো জীবনের এক সুন্দর অধ্যায়।
আল-মুমতাহিনাত ব্যাচের পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি রইল ভালোবাসা, আন্তরিক শুভেচ্ছা ও দোয়া।
আল্লাহ তাআলা তোমাদের ইলমে বরকত দান করুন, আরবি ভাষার প্রতি ভালোবাসা বাড়িয়ে দিন এবং তোমাদের জ্ঞানকে দ্বীন ও উম্মাহর কল্যাণে কবুল করুন। আমিন।
মনে রেখো, আমরা একে অপরের বোন, সহযাত্রী ও শুভাকাঙ্ক্ষী। তাই পথচলায় কোনো প্রয়োজন, দ্বিধা বা সহযোগিতার দরকার হলে নির্দ্বিধায় আমাদের পাশে পাবে, ইনশাআল্লাহ।
আবারও স্বাগতম, প্রিয় বোনেরা!
তোমাদের পথচলা হোক সুন্দর, সফল ও বরকতময়। ✨

— আল-মুমতাহিনাত ৯ম ব্যাচ

#আরবি

❝ফুলে ফুলে সাজানো ক্যাম্পাস, স্রষ্টার অপার সৌন্দর্য❞ফুলের সাথে মানুষের সাইলকোলজির অদ্ভুত একটা বোঝাপড়া আছে। তীব্র রাগে জ...
12/08/2026

❝ফুলে ফুলে সাজানো ক্যাম্পাস, স্রষ্টার অপার সৌন্দর্য❞

ফুলের সাথে মানুষের সাইলকোলজির অদ্ভুত একটা বোঝাপড়া আছে। তীব্র রাগে জর্জরিত মানুষটাও একটি সুন্দর ফুল দেখে মুহূর্তের জন্য থমকে যায়। এই ফুল মানব মনের অভিমান ভুলিয়ে দেয়, মনের গহীনে লুকিয়ে থাকা কোমলতাকে এক লহমায় টেনে আনে। স্নিগ্ধ এক পবিত্র আবহে মন চায় একটু ছুঁয়ে দিতে স্রষ্টার এই অনন্য রূপসী সৃষ্টিকে।

জীবনের ম্যারাথনে আমরা সবাই ছুটে চলি নিজেদের গন্তব্যের দিকে। ঠিক যেমন দৌড়াতে হয় ভার্সিটির এক্সাম আর এসাইনমেন্টের ভিড়ে। একাডেমিক লাইফের এই শ্বাসরুদ্ধকর দৌড়ের মাঝে একদিন ভার্সিটি প্রাঙ্গণের ফুলগুলো দেখে আমার দৌড় স্তিমিত হয়। মনে হলো, প্রতিদিন ফুলগুলো আমায় দেখে স্নিগ্ধ হাসে। নীরব প্রশংসা ছুঁড়ে দেয় আমাদের এই সফলতা অর্জনের জেদ ও জিহাদের প্রতি। অস্থির মনটা তখন শীতলতায় ছেয়ে যায়। দেহ-মন পুনরায় উদ্যমী হয়। আশার ঝলক খেলে যায় চোখে-মুখে। হৃদয় ভর্তি সুকুন্ নিয়ে আমি আবারও নেমে পড়ি আমার জীবনের দৌড়ে।🌻

ভার্সিটির সেন্ট্রাল মসজিদের সামনে সকল পাপড়ি মেলে দিয়ে ফুটে থাকে এই সাদা, লাল আর হলদে ফুলগুলো। নাম তাদের চন্দ্রমল্লিকা (الأُقْحُوَانُ)। বিরাটকায় মসজিদের সামনে ছোট এই ফুলগুলো কী বিপুল আত্মবিশ্বাস নিয়ে চমৎকারভাবে ফুটে থাকে। লাল রঙের গাম্ভীর্যের সাথে মিলেমিশে ফুটে থাকে শুভ্রতায় ভরা সাদা চন্দ্রমল্লিকা। নজর ঘোরালে পাশেই দেখতে পাওয়া যায় প্রফুল্লতার রং, হলদে রঙের আরেক চন্দ্রা।
চন্দ্রমল্লিকার সৌন্দর্যে বিমোহিত হওয়া শেষ হলে পেছন ফিরলে চোখ যায় বড় বড় পিলারের সাহায্যে আইআইইউসি-এর বুক চিরে দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল সেন্টার লাইব্রেরির দিকে। কিন্তু এই উঁচু ইমারতের সকল আকর্ষণ কেড়ে নেয় পাশেই রূপকথার কোনো মহারানীর মতো ঝাড় মেলে থোকায় থোকায় ফুটে থাকা মুসেন্ডা (الْمُوسَنْدَا) ফুল।
এরপর একটু কসরত করে সেন্ট্রাল অডিটোরিয়ামের দিকে এগোলে দেখা মেলে কিছু আদুরে নয়নতারা (وَنْكَة)-দের। সাদামাটা হয়েও চারপাশে কীভাবে মন মাতানো সৌন্দর্য ছড়িয়ে দেওয়া যায়, এটা এই ফুলকে দেখলেই বোঝা যায়।
নয়নতারার গোলাপি সুবাসে ভাসতে ভাসতে পথের মাঝেই দেখতে পাই পুঁচকু টগর (الْيَاسَمِينُ الْهِنْدِيُّ)-দের। সাদা স্নিগ্ধতায় মোড়ানো ছোট্ট এই ফুলে মুগ্ধ হয় না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর।
অতঃপর, পায়ের কদমে জোর লাগিয়ে ফিমেইল জোনে আসলে মন আরেকবার সতেজতায় ভরে যায়। বদনে একরাশ ক্লান্তি, আর মিড আর সিটির চাপে অবসন্ন মন নিয়ে চাইল্ড কেয়ার সেন্টারের সামনে গেলে ক্লান্তি দূর দূর করে পালায়। হলুদ অলকানন্দা (الْأَلَامَنْدَا)-র সৌন্দর্য দেখে মনে অদ্ভুত ভালোলাগা কাজ করে। হলদে রঙটা যেন মন চনমনে করে তোলার আশ্চর্য রকমের সুন্দর অনুপ্রেরণা।
হলুদাভ এই সৌন্দর্য উপভোগ করা শেষ না হতেই চোখ পড়বে অনতিদূরে থাকা গোলাপি ডালিয়া (الدَّالِيَا)-র দিকে। মোটা মোটা ডাটার মাঝে কী নিদারুণ গর্বের সাথে সবকটা পাপড়ি ফুলিয়ে ফুটে থাকে এই ফুল। ডালিয়ার এই অপার্থিব স্নিগ্ধতা দেখতে দেখতে মনের অবসন্নতা বিনা নোটিশেই হারিয়ে যায়।
তারপর জানা যাক জবা ফুলের সহোদর ভাই কমলা রঙের এই থোকা জবা (الْكَرْكُدِيْهِ)-র সাথে। ছোট্ট ক্যাম্পাসের একপাশ দিয়ে যাওয়া পিচঢালা পথের ধারে এই জবা দাঁড়িয়ে থাকে আমাদের সাদরে বরণ করে দিতে।
সবশেষে পরিচয় করিয়ে দেওয়া যাক খুব সাধারণ এই ফুলের সাথে। বাগানবিলাস (الْجَهَنَّمِيَّة)-এর এই শহরে আমাদের ক্যাম্পাসের বাগানবিলাস যেন একটু বেশিই সুন্দর। বাগানবিলাসের ঝাড় দেখলেই মনে এক উৎসবমুখর আমেজ তৈরি হয়।

এমনিভাবে নজর ঘুরিয়ে আশপাশ তাকালে বুঝে আসবে, আমাদের ক্যাম্পাসের পথঘাট, প্রাঙ্গণ ও সবুজের মাঝে ছড়িয়ে আছে আল্লাহর অপার সৃষ্টিশীলতার অসংখ্য নিদর্শন। কখনো জবার জ্বলজ্বলে সজীবতা, কখনো টগরের স্নিগ্ধ শুভ্রতা, কখনো হলুদ অলকানন্দার বিপুল মুগ্ধতা।
এতসবের মাঝে থেকে উপলব্ধি আসে মনে স্বচ্ছ নীলাভ আকাশের পানে চেয়ে মৃদুমন্দ বাতাসে শরীর দুলিয়ে এই ফুলগুলো বুঝি বারবার জানান দিচ্ছে,

“فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ”
অতএব, কতই না বরকতময় আল্লাহ, যিনি সর্বোত্তম স্রষ্টা। (সূরা আল-মু’মিনূন, ২৩:১৪)

লেখনী ও আলোকচিত্রে:
হুমায়রা আহাম্মেদ
আল-মুমতাহিনাত, ৯ম ব্যাচ

08/08/2026

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস: প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায়। এটি একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘটনা পাশাপাশি বৈষম্য, দমন-পীড়ন ও কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের প্রতীক। ছাত্র-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, নারীদের সাহসী ভূমিকা এবং তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব এই আন্দোলনকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।

দুই বছর পর এই অভ্যুত্থানের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা মূল্যায়ন করলে দেখা যায়, কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নয়নের চেষ্টা, মতপ্রকাশের তুলনামূলক স্বাধীনতা এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ ইতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তবে আন্দোলনের মূল লক্ষ্য রাষ্ট্র সংস্কার, সুশাসন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, রাজনৈতিক সংঘাত ও দলীয়করণের মতো সমস্যাগুলো সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ফলে জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে এখনো অনেক পথ অতিক্রম করা বাকি।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে জাতীয় ঐক্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জবাবদিহিতা এবং জনকল্যাণমুখী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার ওপর। সকল পক্ষ যদি ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়, তবে জুলাইয়ের আত্মত্যাগ সত্যিকার অর্থে সফল হবে এবং বাংলাদেশ একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

লিপিশিল্পী: হুমায়রা আহাম্মেদ
আল - মুমতাহিনাত, ৯ম ব্যাচ

‘আল-আমালি’ গ্রন্থকার উৎকৃষ্ট কবিতার একটি গল্প বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, কুসাইর উয্‌যা একবার আবদুল মালিক ইবন মারওয়ানের দ...
02/08/2026

‘আল-আমালি’ গ্রন্থকার উৎকৃষ্ট কবিতার একটি গল্প বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, কুসাইর উয্‌যা একবার আবদুল মালিক ইবন মারওয়ানের দরবারে উপস্থিত হলে খলিফা তাকে জিজ্ঞেস করলেন,
“তুমি কি কুসাইর উয্‌যা?”
তিনি বললেন, “হ্যাঁ।”
তখন খলিফা বললেন, “মুআইদির সম্পর্কে শোনাই ভালো, তাকে দেখার চেয়ে।
এর উত্তরে কুসাইর বললেন,
“হে আমিরুল মু’মিনিন! প্রত্যেক মানুষ তার নিজ নিজ অবস্থানে মর্যাদাসম্পন্ন তার অঙ্গন প্রশস্ত, স্থাপনা সুউচ্চ এবং সম্মান সমুন্নত।”
এরপর তিনি এই কবিতাটি আবৃত্তি করেন:
تَرَى الرَّجُلَ النَّحِيفَ فَتَزْدَرِيهِ
وَفِي أَثْوَابِهِ أَسَدٌ هَصُورُ
وَيُعْجِبُكَ الطَّرِيرُ إِذَا تَرَاهُ
فَيُخْلِفُ ظَنَّكَ الرَّجُلُ الطَّرِيرُ
بِغَاثُ الطَّيْرِ أَطْوَلُهَا رِقَابًا
وَلَمْ تَطُلِ الْبُزَاةُ وَلَا الصُّقُورُ
خَشَاشُ الطَّيْرِ أَكْثَرُهَا فِرَاخًا
وَأُمُّ الصَّقْرِ مُقْلَاتٌ نَزُورُ
ضِعَافُ الأُسْدِ أَكْثَرُهَا زَئِيرًا
وَأَصْرَمُهَا اللَّوَاتِي لَا تَزِيرُ

তুমি যখন কোনো রোগা-পাতলা মানুষ দেখো, তখন তাকে তুচ্ছ মনে করো,
অথচ তার পোশাকের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে এক হিংস্র সিংহ।
আর সুদর্শন কাউকে দেখলে সে তোমার চোখে ভালো লাগে,
কিন্তু বাস্তবে সে তোমার ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে।
দুর্বল পাখিদেরই গলা সবচেয়ে লম্বা হয়,
কিন্তু বাজপাখি বা শিকারি পাখিদের গলা বড় হয় না।
ছোট পাখিরাই সবচেয়ে বেশি বাচ্চা জন্ম দেয়,
আর বাজপাখির মা প্রায়ই নিঃসন্তান থাকে।
দুর্বল সিংহরাই সবচেয়ে বেশি গর্জন করে,
আর প্রকৃত শক্তিশালীরা নীরব থাকে।
এই কবিতা শুনে আবদুল মালিক বললেন:
“আল্লাহ তাকে বরকত দিন! তার জিহ্বা কত প্রাঞ্জল, তার হৃদয় কত সংযত, আর তার চিন্তার পরিধি কত বিস্তৃত! আল্লাহর কসম, আমি তাকে ঠিক তেমনই মনে করি, যেমন সে নিজেকে বর্ণনা করেছে।”
আবদুল মালিক কাসীরের কবিতায় মুগ্ধ হন কারণ এতে অর্থ প্রকাশে স্পষ্টতা, অনুভূতিতে সততা এবং চিন্তার সুবিন্যস্ততা ছিল, সঙ্গে ছিল ভাষার দক্ষ ব্যবহার।
আরেকটি বর্ণনায় এসেছে এক রাতে আবদুল মালিক তাঁর পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে আলোচনায় বসে বললেন,
“তোমাদের প্রত্যেকে বলো কবিতায় সর্বোত্তম পঙক্তি কোনটি?”
কেউ বলল — ইমরুল কাইস,
কেউ বলল—।নাবিগা,
আবার কেউ বলল—আ‘শা।
সবাই বলার পর তিনি বললেন,
“আমার কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ কবি তিনি, যিনি এই কবিতাটি বলেছেন।”
এরপর তিনি মা‘ন ইবন আউস-এর একটি কবিতা আবৃত্তি করলেন, যার শুরু

وَذِي رَحِمٍ قَلَمْتُ أَظْفَارَ ضِغْنِهِ
بِحِلْمِي عَنْهُ وَهُوَ لَيْسَ لَهُ حِلْمُ
يُحَاوِلُ رَغْمِي لَا يُحَاوِلُ غَيْرَهُ
وَكَالْمَوْتِ عِنْدِي أَنْ يَحِلَّ بِهِ الرَّغْمُ
فَإِنْ أَعْفُ عَنْهُ أَغْضِ عَيْنًا عَلَى أَذًى
وَلَيْسَ لَهُ بِالصَّفْحِ عَنْ ذَنْبِهِ عِلْمُ
বাংলা অনুবাদ:
আমি আত্মীয়ের বিদ্বেষের নখ কেটে দিয়েছি আমার ধৈর্য দিয়ে,
অথচ তার মধ্যে ধৈর্যের লেশমাত্র নেই।
সে কেবল আমাকে অপমান করতেই চায়, অন্য কিছু নয়,
আর আমার কাছে সেই অপমান মৃত্যুসম।
তবুও যদি আমি তাকে ক্ষমা করি, কষ্ট উপেক্ষা করে চোখ বন্ধ করি,
তাহলে সে ক্ষমার মূল্যই বোঝে না।

📌আগামীকাল আবেদনের শেষ সময়।
26/07/2026

📌আগামীকাল আবেদনের শেষ সময়।

Address

Kumira

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Department of Arabic Language & Literature -IIUC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share