Faculty of Business Administration - FBA, Islamic University of Bangladesh

Faculty of Business Administration - FBA, Islamic University of Bangladesh Faculty of Business Administration (FBA), Islamic University, Kushtia, Bangladesh

কয়েকদিন আগেও যারা ক্যাম্পাস দাপিয়ে বেড়াতো তারা কোথায়?আর যেন এরা সংগঠিত হয়ে সাধারণ ছাত্রদের উপর চড়াও হতে না পারে সেই লক্ষ...
05/08/2024

কয়েকদিন আগেও যারা ক্যাম্পাস দাপিয়ে বেড়াতো তারা কোথায়?
আর যেন এরা সংগঠিত হয়ে সাধারণ ছাত্রদের উপর চড়াও হতে না পারে সেই লক্ষ্যে এদের বয়কট করুন।

আগামীকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খুলছে...
05/08/2024

আগামীকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খুলছে...

04/08/2024

সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক সংগঠনকে ছাত্র-জনতার 'মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচি তে অংশগ্রহণের খোলা আহ্বান জানাচ্ছি।

মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার পক্ষে, দেশের জনগণের পক্ষে অবস্থান নিন। সারাদেশ থেকে মুক্তিকামী জনতাকে সাথে নিয়ে ঢাকায় আসুন।

আসিফ মাহমুদ
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

03/08/2024

আর দু'মাস দায়িত্ব আছে। বাড়তি প্রেসার নিতে চাই না। তাই ঢাকায় আছি।

- ভিসি

03/08/2024

ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক ও হলসহ বিভিন্ন ভবনে অযথা কথাবার্তা না লেখার আহ্বান ইবি ভিসির!

02/08/2024

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আগামীকালের কর্মসূচী- বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।”
তারিখ : ৩ রা আগষ্ট, ২০২৪
সময়: সকাল ১১:০০ টায়
বার: শনিবার
স্থান : ডায়ানা চত্বর, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
সকল শ্রেনী-পেশার মানুষকে অংশগ্রহণের অনুরোধ করছি।

সমন্বয়ক,
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইবি।

31/07/2024

আমাকে কঠোর করলে পরিনাম ভালো হবে না!!!

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ইবি ভিসি!!!

"আগামীকাল হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের ইব্রাহিম স্যারের মৃত্যু বার্ষিকী"গত কয়েক বছরের মধ্যে প্রতি বছরই (১বার হয়তো ...
07/03/2022

"আগামীকাল হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের ইব্রাহিম স্যারের মৃত্যু বার্ষিকী"
গত কয়েক বছরের মধ্যে প্রতি বছরই (১বার হয়তো মিস হয়েছিল) ইব্রাহিম স্যারের স্মরণসভায় অংশ নিয়েছি।

আমি ডিপার্টমেন্টের বাইরের অনেকের কাছেও স্যারের নামে ভাল কথা শুনেছি। আমরা তার মাগফিরাত কামনা করি। আল্লাহ তার উপর রহম করুন, আমি ব্যক্তিগতভাবে তার জন্য দু'আ করি।

গত কয়েক বছরের অনুষ্ঠানের অভিজ্ঞতা বলছি।
অনুষ্ঠানের অন্ততঃ ৯০% সময় স্যরের গুণকীর্তন করা হয়, স্যার কতটা ভালো ছিলেন ইত্যাদি।
সবচেয়ে বেশী যে ব্যপারটাতে ফোকাস করা হয়, স্যার কতটা ছাত্রবান্ধব ছিলেন সে ব্যাপারে। ছাত্রদের নিয়ে কতটা ভেবেছেন, কতভাবে হেল্প করেছেন, ছাত্রত্ব শেষেও কীরকম সাপোর্ট দিয়েছেন (অনুষ্ঠানে যেমনটা শুনেছি)।
দৃষ্টিকটু লাগে, যে সমস্ত সম্মানিত শিক্ষকগণ এসব স্মৃতিচারণ করেন, তারা নিজেরা কি এসব গুণাবলি ধারণ করার চেষ্টা করেন? গত ছয় বছরে দেখিনি।

ইব্রাহিম স্যারের পরে কি ওরকম একজন ছাত্রবান্ধব শিক্ষক ডিপার্টমেন্টে এসেছেন? একজন শিক্ষকও কি আছেন যার কাছে ছাত্ররা নির্ভয়ে বড় ভাইয়ের মত নিজের সমস্যা নিয়ে যেতে পারে? এখানে ছাত্রদের ছাত্রসুলভ ভুলগুলোকে কিভাবে দেখা হয়?

সম্মানিত শিক্ষকগণ স্মৃতিচারণের মাধ্যমে নাকি ইব্রাহিম স্যারের আদর্শ আমাদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান, যারা তাকে দেখেনি তাদের মধ্যে বাঁচিয়ে রাখতে চান। তারচেয়ে ভালো হত না, যদি আপনারাই ইব্রাহিম স্যারের মত হয়ে যেতেন?
তাই যদি নাই হয়, তাহলে এই অনুষ্ঠানের মানে কী?
হিপোক্রেসি।

(ইনবক্স থেকে)

11/05/2018


#মানসিকতা_পুরাই_ভিন্ন।

অাপনি যত না বিজ্ঞান এবং মানবিক শাখার স্টুডেন্টদের দেখবেন তারা হয়ত পড়ালেখার ক্ষেত্রে খুব সিরিয়াসনেস দেখায়।
বিজ্ঞান শাখার স্টুডেন্টরা ভাবে তারা তাদের স্টাডি খুব কঠিন অামরাই- সেরা।মানবিক শাখার স্টুডেন্টরা ভাবে যে- অামাদের কত কিছুর কথা মনে রাখতে হয়-তাই অামরাই সেরা।
কখনো কর্মাসের স্টুডেন্টরা বলে না অামরাই সেরা।এরা এই সব এর ধারে কাছে যায় না কারন তারা জানে ফলে ই পরিচয়।
নবম শ্রেনী থেকে একজন কর্মাসের স্টুডেন্টের যাত্রা শুরু এবং অর্নাস পর্যন্ত সে তার মত করে পড়তে পারে। তার স্টাডির সাথে একটা কথাই জড়িত সেটা- Accounting-হিসাব।
তার জীবনে কিছু মিলুক অার না মিলুক তাকে তার অংকের হিসাব যেমন করেই হোক মিলাতে হবে।পড়তে বসলে কিভাবে একটা অংকের পিছনে কত সময় চলে যায় সেটা তার অজানা।
হিসাব যে তাকে মিলাতেই হবে- না হলে ক্যালকুটারে হাজার বার টেবিলের সাথে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
তার যে রাতের ঘুম হারাম-হয়ে যায়।
ঘুমের মধ্যে তার যে হিসাব মিলানো শুরু হয় যায়। তবুও তার হিসাব মিলানো বাদ হয় না।
কর্মাসের স্টুডেন্টরা LOVE(লাভ) বলতে জানে- sells থেকে purchase বাদ দিয়ে যেটা থাকে সেটাই Love(মুনাফা)।
তাদের সকাল-বিকাল হিসাব মিলাতে sir কাছে দৌড় ঝাপ করতে গিয়ে - যে Love কে hide করে Equation আর Result নিয়ে Busy থাকতে হয়।
অবশ্য তাদের মনে যে আবেগ নেই তা নয়।
তাদের ভালবাসা- ক্যালকুটারে লুকিয়ে থাকে। সারা রাত ক্যালকুটারের সাথে প্রেম চলে। অাবার সকাল হলে Sir এর কাছে গিয়ে হিসাব মিলাতে ব্যস্ত।
আনেকেই ভাবতে পারে-কমার্স এ পড়া সেটা তো যোগ-বিয়োগ। অাসলে একটা অংকের পিছনে যে কতটা সময় নষ্ট হয় সেটা অন্যান্য Department এর Student দের বুজানো মুশকিল।

21/11/2017

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ অনার্স (স্নাতক) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ৩৮ জন ভর্তিচ্ছু।
ভর্তি পরীক্ষায় ২২৭৫টি আসনের বিপরীতে ৮৭ হাজার ১শত ৩৫টি আবেদপত্র জমা পড়েছে।
এ ইউনিটে ২৪০ আসনের বিপরীতে ২ হাজার ৮২টি, বি ইউনিটে ৪২০ আসনের বিপরীতে ১৪ হাজার ৩শত ৯৮ টি, সি ইউনিটে ৩৭৫টি আসনের বিপরীতে ১৭ হাজার ৪ শত ৩৫টি, ডি ইউনিটে ২৫০টি আসনের বিপরীতে ১৬ হাজার ৬ শত ৪৬টি, ই ইউনিটে ২০০টি আসনের বিপরীতে ১২ হাজার ৯শত ৬৬টি, এফ ইউনিটে ১০০টি আসনের বিপরীতে ৩ হাজার ৭ শত ৫৯টি, জি ইউনিটে ৪৫০টি আসনের বিপরীতে ৯ হাজার ১শত ১৮টি এবং এইচ ইউনিটে ২৪০টি আসনের বিপরীতে ১০হাজার ৭শত ৩১টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে।

15/11/2017

ভর্তিযুদ্ধে প্রাণপন লড়াইরত দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তিচ্ছুক প্রিয় বন্ধুরা! নিশ্চয়ই তোমরা এখন পড়াশুনা নিয়ে খুবই ব্যস্ত। লেখাপড়ার চাপে তোমরা কেউই ক্যারিয়ার নিয়ে ভাববার সময় পাও নাই, যা তোমাকে পরবর্তী জীবনে চাকরির প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করতে সাহায্য করবে। তবে যুগ উপযোগী এবং চাহিদাসম্পন্ন বিষয় ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষা। দেশ ও বিদেশের চাকরির বাজারে এখন ব্যবসায় প্রশাসনে ডিগ্রিধারীদের চাহিদা ব্যাপক। সেই অর্থে এই সময়েই নিতে হবে ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত যা তোমাকে পরবর্তী জীবনে চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করতে সাহায্য করবে। প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে পেশার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এই বিষয়ে পড়ে তোমরাও গড়তে পারো সফল ক্যারিয়ার। তোমরা জানো আগামী ১ ডিসেম্বর স্বাধীন দেশের সর্বপ্রথম দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাই যারা ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদে পড়তে চাও, তাদের জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের কিছু তথ্য নিচে দেয়া হল।
#ব্যবসায়_প্রশাসন_অনুষদ:
১৯৮৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা এবং অন্যান্য সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তাল মিলাতে ইবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বর্তমানে এই অনুষদের অধিনে ৬ টি বিভাগ চালু রয়েছে। বর্তমানে এই অনুষদের ডিনের দায়িত্ব পালন করছেন হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন। বিভাগগুলো হলো হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ, মার্কেটিং বিভাগ এবং সদ্য চালু হওয়া হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ও ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। এই অনুষদের মোট আসন সংখ্যা ৪৫০ টি।
#হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় যে ৪ টি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ তার মধ্যে অন্যতম। ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে এ বিভাগ যাত্রা শুরু করে। এই বিভাগের শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি। বর্তমানে বিভাগের সভাপতির দ্বায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছেন অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরিন। বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো: শাহজাহান আলী বর্তমানে রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভাগে বর্তমান ১১ জন অধ্যাপক দায়িত্বশীলতা ও কর্মউদ্দীপনার সহিত শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছেন।
#ব্যবস্থাপনা বিভাগ:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নে ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে এ বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়। এই বিভাগের শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি। বর্তমানে বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ড. রুহুল আামিন। এ বিভাগে বর্তমান ৮ জন অধ্যাপক, ৩ জন সহযোগী অধ্যাপক ও ৪ জন সহকারী অধ্যাপক অধ্যাপনায়রত আছেন।
#ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ:
২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী অধ্যাপক সুতাপ কুমার ঘোষ। বর্তমানে বিভাগে ৫ জন সহকারী অধ্যাপক ও ১ জন প্রভাষক পদে দায়িত্বরত আছেন।
#মার্কেটিং বিভাগ:
বর্তমান চাকুরির বাজারের চাহিদা মোতাবেক ও বিভাগের সার্বিক গুনগতমানের বিবেচনা করে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে উক্ত অনুষদে মার্কেটিং বিভাগ চালু করা হয়। বর্তমানে বিভাগে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ড. জাকারিয়া রহমান।
এছাড়া এবার ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে আরো যুগোপযোগী ও দেশের বর্তমান চাকুরির বাজারের চাহিদানুযায়ী শিক্ষার্থীদের মানসম্মত জ্ঞানলাভের অন্যতম পাথেয় হিসেবে সদ্য চালু হওয়া ইবির ৮ টি বিভাগের মধ্যে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অধীন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ও ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি বিভাগ চালু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন ও ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি বিভাগে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনকে সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী বিবিএ এবং এমবিএ ডিগ্রী লাভ করেছে। এছাড়া প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেছে।
#চাকুরির_ক্ষেত্রে_সুবিধাসমূহ:
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, উন্নয়ন সংস্থায় উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে দায়িত্বরত আছে। এছাড়া দেশ বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংক, বীমা, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে সাফল্য দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদেরকে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষন দিয়ে থাকি যাতে তারা চাকরির বাজারে উপযোগী হয়ে গড়ে উঠতে পারে। আমার জানা মতে এখানে পড়ে কেউ সাধারনত বেকার থাকেনা। এই অনুষদে পড়ে অনেকেই ব্যাংক-বীমা ও দেশের বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পদে কর্মরত আছে। তাই ভর্তিচ্ছুরা ক্যারিয়ার গড়তে এই অনুষদে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে।

Address

Https://goo. Gl/maps/A6rnBEB8v6NziQN 66
Kushtia
7003

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Faculty of Business Administration - FBA, Islamic University of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Faculty of Business Administration - FBA, Islamic University of Bangladesh:

Share