Islamic University, Kushtia-7003

Islamic University, Kushtia-7003 Islamic University (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়) is one of the major

www.iu.ac.bd
08/11/2019

www.iu.ac.bd

Islamic University, Kushtia a modern responsive website. Developed By e-Business Soft Solution Ltd.

07/10/2019

ফাহাদ আবরারের শেষ কথা
---------------------------
লিখবোই আমি, লিখছিই আমি কী করবি তোরা বল
তাজা রক্তেই লিখে দিয়ে যাই,খা হায়েনার দল।
একা লিখে যাবো,একা গেয়ে যাবো,সকল দ্রোহের গান,
আয় নিয়ে যা শকুনের দল, বুক চিরে এই প্রাণ।
ভেঙে ফেল হাড়, কর চুরমার,ছিড়ে ফেল টেনে জিব
খোদার কসম তবু লিখে যাবো, এটাই আমার জিদ।
চিবিয়ে খাস এই পাজরের হাড়,নরপিশাচের ক্ষুধা
তুমিও না হয় সহ্য করলে ওহে ইশ্বর খোদা।
অসহায় আমি, নির্বাক জাতি, মুখে এটে আছে তালা
চেয়ে চেয়ে দেখ শকুনের থাবা, যত কাপুরুষ শালা।
কেউ বাচেনি, কেউ বাচেনারে পৃথিবীরে বলে কয়ে
আমিও নাহয় চলেই যাবো তোরা থাক সুখে রয়ে।
কলমের কালি লালে রঞ্জিত, দেখোনি তোমরা যারা
তারা হয়ে আছো পাথুরে মূর্তি,তাই নেই কোন সাড়া।
পচে যাক জাতি,নেই মাতামাতি,হায়েনার হোক বাস
অশুভ শকুন মাথার উপরে ছাড়িতেছে নি:শ্বাস।
আজ হোক কাল, ছড়াবে যেদিন বিষাদের দাবানল
সেদিনও তোরা ঘুমিয়ে থাকিস কাপুরুষের দল।

27/10/2017

১০ বছর আগে ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দরী 'নজর
কাড়া' মেয়েটা এখন দুই বাচ্চার মা। কিন্তু
সেই রূপ আর নাই।এখন আর আলাদা ভাবে
সুন্দরী হিসাবে কারো 'নজর কাড়ে' না!!
সব পরীক্ষায় নকল করে পাশ করা ছেলেটা
এখন গোরু গাধার মতো খাটা বিসিএস
স্টুডেন্টদের সাথে একি সরকারি দপ্তরে
“দূর্দান্ত” স্যালারিতে ‘দক্ষতার’ সহিত জব
করে!!
ক্লাসের সবচেয়ে বেশি পড়াশুনায় সময় ব্যয়
করা ছেলেটা এখনো বেকার ঘুরছে।
অন্যের গার্লফ্রেন্ড ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়া
বাইকওয়ালা ছেলেটার ‘হবু বউ’ এখন আরেক
'এস্টাবলিসড টাকাওয়ালার' বিয়ে করা বউ!!
৬ বছর আগে ক্লাসের সবচেয়ে অহংকার
নিয়ে চলাফেরা করা ছেলেটা এখন লোনের
বোঝা মাথায় নিয়ে কাজ করে!!
১৫ বছর আগের ক্লাসের লাস্ট বেঞ্চে বসা
প্রতিনিয়ত খারাপ রেজাল্ট করা ছেলেটা
এখন মেডিকেল এর এক্স স্টুডেন্ট!!
৭-৮ বছর ধরে নিজের ইচ্ছা মত একের পর এক
প্রেম করা সুন্দরী মেয়েটা এখন নিজের
অনিচ্ছায় অপছন্দের মানুষের সাথে সংসার
করে!!
৫ বছর আগেও সবচেয়ে ভালো জুটিটা এখন
একজন আরেক জনের ব্লক লিস্টে!!
৬-৭ বছর ধরে বার বার বড়লোক বয়ফ্রেন্ড
চেঞ্জ করা ফর্সা সুন্দরী মেয়েটা এখন পাত্র
পক্ষের কাছে বার বার রিজেক্ট হয়!!
৩৫-৪০ বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করা
জুটিটা এখন নিজের ছেলে মেয়ের প্রেম
আছে শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে যায়!!
১০ বছর আগে আড্ডা জমানো ছেলেটাকে
বন্ধু সার্কেল থেকে সরিয়ে দেওয়া মানুষটা
এখন নিজেই বন্ধুহীনতায় ভোগে!!
৪-৫ বছর আগে ক্লাসে সবার আগে তুলনামুলক
সবচেয়ে ভালো জায়গায় জব পাওয়া সবচেয়ে
ভালো ছেলেটা এখন রোড অ্যাকসিডেন্টে
মৃত!!
কখন যে কার কপালে কি ঘটে তা আগে
থেকে প্রেডিক্ট করা সম্ভব না। অর্থ বিত্ত
রুপ গুনের কারনে সাময়িক কিছু দিনের জন্য
আপনি হয়তো সময় কে নিজের মত করে
চালাতে পারবেন কিন্তু সব সময় ‘সময়’ আপনার
ইচ্ছা আর কর্ম অনুযায়ী চলবে এমন আশা
করলে ভুল করবেন।
আসলে সময় সবারই আসে। কারো হয়তো ৫ মাস
পরে আসে কারো ২৫ বছর পরে আসে। আজকে
আপনি কারো উপর জুলুম করলে, কাউকে
কটাক্ষ করলে, অহংকার করলে সিওর থাকুন
এক দিন আপনিও একি সিচুয়েশনে পড়বেন।
আবার আজকে আপনার উপর কেউ জুলুম করলে,
আন্ডারএস্টিমেট করলে, ছেড়ে চলে গেলে
হতাশ হওয়ারো কিছু নেই। সময় নিজেই এর
শোধ নেবে।...............................................
অল্প কয়দিনের জীবন, তার চেয়েও অল্প
কয়দিনের টাকা পয়সা রুপ গুণের ঠাটবাট...
এরপরো মানুষের এতো অহংকার কোথা
থেকে আসে বুঝি না..........।।।
(Collected )

23/06/2017

পাবলিক ভার্সিটির ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করে,রাজনীতি করে,প্রেমও করে।
তারা একই সাথে রাজনৈতিক গুন্ডাও হয় আবার ট্যালেন্টেড স্টুডেন্টও হয়।
রাতের বেলা মারামারি করে সকাল বেলা পরীক্ষা দিতে যায়।
এরা বাসের ভিড়ে দাঁড়িয়ে যেতেও অভ্যস্ত,আবার গাড়ির সিটে ভাব নিয়ে বসতেও পটু।
চটি জুতায় বছর পার করে,আবার স্নিকার্স পড়ে কুল হ্যান্ডসাম ডিউড সাজতেও এদের জুড়ি মেলা ভার।
হলের পচা খাবার খেয়েও অভ্যস্ত।
আবার দামী রেস্টুরেন্টের ফাস্টফুডও পেটে হজম হয়।
এখানকার হলে প্রতি রাতে গল্প তৈরি হয়।
অনুপ্রেরনার গল্প ,সম্ভাবনার গল্প,রিলেশন ব্রেকাপ হওয়ার গল্প।
পরিবার ছেড়ে দুরে থাকার গল্প। সবাই মিলে একসাথে বাসি মুড়ি খাওয়ার গল্প।
রাত জেগে তাস পেটানোর গল্প।
অসাধারন বন্ধুত্ব আর অপরিসীম শত্রুতা দুইটাই পাবেন এখানে।
ইন্টারে ডবল এ প্লাস পেয়ে ক্যাম্পাসে এসে সেকেন্ড ক্লাস পাওয়া ছেলে যেমন পাবেন একই ভাবে দুইটা এ মাইনাস পেয়ে ক্যাম্পাসে এসে ফাস্ট হওয়া ছেলেও পাবেন।
হাইস্ট সিজিপিএ পাওয়া বেকার ছেলে যেমন পাবেন,আবার কম জিপিএ নিয়ে শাইন করা ছেলেও পাবেন ।
এখানে এক রাত পড়াশুনা করে সি প্লাস পাওয়া ছেলে যেমন আছে,
একইভাবে সারা বছর পড়াশুনা করে এ প্লাস পাওয়া স্টুডেন্টও আছে।
মেকাপের আস্তরনে ঢাকা পটের বিবিও যেমন আছে,একই সাথে ঘেমে পিঠ ভিজে ব্রা এর লেইস দৃশ্যমান হওয়া সংগ্রামী মেয়েও পাবেন।
এইটা পাবলিক ভার্সিটি।
এখানে কেউ কারো ""বস"" নয় । এখানে সবাই একেকটা ""বস ""। এখানে প্রতিটা ছেলে মেয়ে একেকটা ক্রিয়েটর।
এখানে স্বপ্ন তৈরি হয় না।
এখানে স্বপ্নের স্রষ্টা তৈরি হয়। প্রতিটা স্টুডেন্ট তার জায়গা থেকে একেকজন বড় মাপের ড্রিমার।
বগিতে ড্রাম বাজানো ছেলেটা
কিংবা টিউশনে গিয়ে বেতন না পেয়ে ঠকে যাওয়া মানুষটাকে তাই কেউ দমিয়ে রাখতে পারে না।
কারন এরা পাব্লিকিয়ান।

06/06/2017

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

আগামী ২৫ থেকে ২৯ নভেম্বর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিনস কমিটি।

সোমবার সকল ১১টার দিকে প্রশাসন ভবনের সভাকক্ষে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ কতৃক প্রেরিত চিঠির আলোকে আমরা ডিনস কমিটির বৈঠকে ভর্তি পরীক্ষার এই তারিখ নির্ধারণ করেছি। আশা করছি ঘোষিত তারিখে আমরা পরীক্ষা নিতে সক্ষম হব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারীর সভাপতিত্বে ডিনস কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন- ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা, ধর্মতত্ব অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত মো. ফারুক, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, আইন ও শরীয়াহ অনুষদের অধ্যাপক ড. নূরুন নাহার, ব্যবসায় প্রশাসন আনুষদের অধ্যাপক ড.কাজী আখতার হোসেন, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের অধ্যাপক ড. মো. শাসসুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ।

17/05/2017

ইবিতে অফিস সময় বৃদ্ধি, সপ্তাহে ছুটি দুইদিন
২৩৪তম সিন্ডিকেট সভায় উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত সমূহঃ
- বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সময় সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টার পরিবর্তে সকাল ৯টা থেকে বিকলে সাড়ে ৪টা করা হয়েছে।
- বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার- এ দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
- ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী এলাকায় নগরায়নের পরিকল্পনার আলোকে প্রধান ফটকে দুপাশে ৯৯টি দোকান তৈরির সিদ্ধান্ত হয়।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল টেন্ডার ই-টেন্ডারে করা হবে
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগে সেমিস্টার পদ্ধতি চালু করা হবে।
খবরে জানা যায়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অফিস সময় বাড়িয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সপ্তাহে দুইদিন ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার দুপুরে ইবি উপাচার্যের বাসভবনে অনুষ্ঠিত ২৩৪ তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিন্ডেকেট সভা সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৪তম সিন্ডিকেট সভা বুধবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। এবারের সিন্ডিকেট সভায় ১৩৫টি এজেন্ডা আলোচিত হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো সেলিম তোহা, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ, অধ্যাপক ড. আবুল আহসান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. এস এম মোস্তফা কামাল, অধ্যাপক ড. শামসুল আলম ও সহকারী অধ্যাপক আলতাফ হোসেন রাসেল প্রমুখ।
জানা যায়, সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সময় সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টার পরিবর্তে সকাল ৯টা থেকে বিকলে সাড়ে ৪টা করা হয়েছে। একই সঙ্গে শুক্রবারের সঙ্গে বৃহস্পতিবারও ছুটির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ সিদ্ধান্তটি ঈদুল ফিতরের পর থেকে কার্যকর হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগে সেমিস্টার পদ্ধতি চালু এবং পিএইচডির রিভিউ নীতিমালা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়াও সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল টেন্ডার ই টেন্ডার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অগ্রণী ব্যাংক থেকে ১০০ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে। এছাড়াও ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের দুই পাশে ৯৯টি দোকান করার সিদ্ধান্তও হয়েছে। এছাড়াও আজকের সিন্ডিকেট সভায় ৭টি পিএইচডি ডিগ্রি এবং ৯টি এমফিল ডিগ্রির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ জাগো নিউজকে বলেন,কর্মঘন্টা বৃদ্ধি এবং সেমিস্টার পদ্ধতি চালুর মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে। এর মাধ্যমে ক্যাম্পাস আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি লাভ করবে।
বিশ্ববিদ্যালয়েল উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষার্থীদের পঠন -পাঠন ও গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত অর্ডিনেন্সে ব্যাপক পরিবর্তন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত হবে বলে আশা করছি। এছাড়াও ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী এলাকা নগরায়নের সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যাম্পাসের সামনে একটি উন্নতমানের মার্কেট নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

15/05/2017

বিসিএস ক্যাডার জাহিদ ভাইয়ের জিবনের গল্প:-
অনিবার্য কারনেই শরীফ ভাই আমার পুরো গল্পটি লিখতে পারেনি, একটা অসীম যুদ্ধের গল্প......।
টিউশনি করা এদেশের প্রতিটি ছেলেই দিনমজুর অথবা কাবিখা প্রজেক্টের. তাই শিরোনাম এটাও হতে পারতো "গাবতলি পশু হাটের চায়ের দোকানের আমির এখন বিসিএস ক্যাডার জাহিদ"
প্রকৃতি ঝলসানো চৈত্রের এক দাবদাহে যেদিন আমাদের ঘরবাড়ি পুড়ে কয়লা আর ভস্ম হয়ে যায় ,সম্পদ বলতে ছিল শুধু আমাদের শরীরের পোশাক! আগুনে যে সংসারটা সেদিন ছাই হয়ে গিয়েছিল সেটি ছিল আমার মায়ের ঘাম আর রক্ত দিয়ে তৈরি করা গরীবের রাজপ্রাসাদ। যে সংসারটা বানাতে মা জোসনা রাতে আমাদেরকে পাশে পাটিতে বসিয়ে শাস্ত্র শুনাতেনআর কোদাল দিয়ে খেত কোপাতেন! লাঙ্গল দেয়ার সামর্থ্য ছিলনা তাই! ফজরের নামাজ পরে ফসল কাটা শুরু করতেন সুর্যোদয়ের পুর্বে শেষ করতেন যেন পাশের জমির কাজের লোক বা এলাকার মানুষ না দেখে আর না জানে যে অমুকের বউ মাঠে পুরুষের কাজ করে। নানার পুরনো পাঞ্জাবীটা গায়ে পরে মা আখ ক্ষেতের আখ আটি বেধে দিতেন। মা যখন ঘামে চিপচিপে শরীর নিয়ে বলতো "আয়তো, আব্বা ঘামাচিগুলো গেলে দেতো, মরে গেলাম" প্রিয় কাজটি করতে গিয়ে দেখতাম মায়ের হাতে, পায়ে আর শরীরে আখ পাতার ধারে কাটা শতশত দাগ! সেদিন বুঝিনি সে ক্ষত কতটা বেদনার সন্তানের জন্য।
আগুন সেদিন শুধু সংসার পোড়ায়নি একটি সংসারের স্বপ্ন আর হিসেব-নিকেষও পাল্টে দিয়েছিল। বড় ভাইয়ার ঠাঁই হয়েছিল দর্জির দোকানে আর মেজো ভাইয়া সাইকেলের গ্যারেজ! তারা দুজনই প্রাইমারি স্কুলে ১/২ রোলের অধিকারী ছিলেন। বছর দুই পর আমাকেও অভাব ছুঁড়ে ফেলে দেয় ঢাকা। ১০ বছর বয়সেই কাজ শুরু করি গাবতলি পশু হাটে চায়ের দোকানের হেল্পার হিসাবে। রাতে ঘুমাতাম মশা আর জোনাকির দখলে থাকা দোকানের সরু বেঞ্চে । সেখানে দেশি বিদেশি নানা জাতের গোবরের সুঘ্রান ম’ ম’ করতো। গভীর ঘুম হতো সেখানে। সে বছর ঈদের ছুটিতে বাড়ি গিয়ে বড় ভাইয়া বললেন " আমির স্কুলে পড়বে, আমরা সব ভাইই কি মূর্খ থাকবো? " ভর্তির সময় শেষ হওয়াতে ক্লাস সিক্সে আর ভর্তি হতে পারিনি অগত্যা পঞ্চম উর্ত্তীর্ণ আমির আবার পঞ্চম শ্রেনীতেই ভর্তি! রবি স্যারের(আমার সবচেয়ে প্রিয় শিক্ষক) শর্ত, "ওর নাম পরিবর্তন করতে হবে আর ও খুব দুষ্টু ওকে ভালো করে পড়াশুনা করে বৃত্তি পেতে হবে" ।ব্যাস!গাবতলির চায়ের দোকানের আমির হয়ে গেল আজকের জাহিদ!
জাহিদ প্রথম স্থান নিয়েই ক্লাস সিক্সে ভর্তি হয়। প্রধান শিক্ষক হাফ ফ্রি করে দিলেন স্কুলের বেতন। টাকার অভাবে প্রাইভেট পড়তে পারিনি। অষ্টম শ্রেনীতে গিয়ে চিনু স্যারের দর্শন পাই যিনি নিজেই চাকরি না পেয়ে টিউশনি দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পুরোটা সময় বলতে গেলে ফ্রি পড়িয়েছেন। সামান্য ২০০ টাকার জন্য পিকনিকে যেতে পারিনি স্যার নিজে টাকা দিয়ে বলেছে যা তুইও সবার সাথে আনন্দ কর।ভুলিনি আমি, মনে রেখেছি পরম শ্রদ্ধা ভরে।
মা যখন মাথায় খড়ির বোঝা, কয়েকটি লেবু, বা আঙ্গিনার কোন সবজি কিংবা গোবরের লাঠি দিয়ে বলেছে বিক্রি করে নিয়ে আয়, বাজারে নিয়ে বিক্রি করে এসেছি। ঈদেরছুটি? মন চেয়েছে ইচ্ছামতো ঘুরে বেড়াই, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই, ক্রিকেট খেলি। কিন্তু ভাইয়ের দোকানে ভীষন কাজ! ঈদের আগের সারা রাত পর্যন্তও কাজ! রমজানে বাজারে বন্ধুদের সামনেই ছোলা মুড়ি বেচতাম, আতর,সুরমা বেচতাম। একেবারে লজ্জা লাগেনি তা না আমিওতো এই সমাজেরই সামাজিক জীব নাকি?
২০০৩ সাল জাহিদ আশেপাশে অনেকগুলো বিদ্যালয়ের মধ্যে সবচেয়ে ভালো রেজাল্ট করেছে, সাইন্স নিয়ে পড়তে চায় কিন্তু খরচ? আবারও সেই ফাজিল অভাবটা পথেরকাঁটা। সুতরাং, পড়াশোনা বাদ, ঢাকায় গমন পেটের ধান্দা অন্বেষণ। স্থানীয় কলেজগুলো থেকে শিক্ষকদের আবদার, বাজারের বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের জিজ্ঞাংসা "ছেলেকে কোথায় ভর্তি করাবেন?" ফুটপাতের দোকানদার বাবা এতদিন পর বুঝতে পেরেছিল ছেলে বুঝি ভালো কিছু করেছে! অতএব সম্মানের ব্যাপার, ঝুঁকি নিয়ে রাজবাড়ি সরকারি কলেজে ভর্তি হলাম। বাসা থেকে চাল আনি, টিউশনি করি। এক বছর পর বাবা টাকা দিতে অপারগতা জানালেন! সুতরাং সাইক্লোনটা আবার মায়ের ঘাড়ে! কমল স্যার, তপন স্যার অন্যদের তুলনায় সামান্য টাকা নিয়ে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি পড়িয়েছেন আমাকে। এইচএসসি পাশ করলাম এ গ্রেডে।বিশ্ববিদ
্যালয় ভর্তি? টাকার অভাবে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফর্ম তুলতে পারিনি, কোচিং খরচের মুরোদ নেই, একটা ভর্তি গাইডও নেই তবুও ওয়েটিং এ ছিলাম জাহাংগীরনগরে (পরিবেশ বিজ্ঞান, ভূতাত্বিক বিজ্ঞানে)। অনার্সের ফর্ম টাও তুলতে পারিনি! সুতরাং এখানেও পড়াশোনার যাত্রা বিরতি!
ছাত্রত্ব রক্ষা করতে ভর্তিহলাম পাশ কোর্সে, পাংশা কলেজে। আর এলাকায় টিউশনির রাজত্ব কায়েম করলাম।ভালোই আয়, অনেক ছাত্রছাত্রী অনেকসুনাম আমার , সবাই মাস্টার সাপ বলে ডাকে, ক্যারিয়ার বুঝি এটাতেই গড়বো ধরে নিলাম । পুরো বছর বইয়ের সাথে সম্পর্কহীন তবুও সেবছর ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবস্থাপনা বিভাগে ভর্তি হই আল্লাহর কৃপায়!

03/05/2017

সফলতার গল্প
ইবি শিক্ষার্থীর ‘স্মার্ট ইনটেলিজেন্ট হোম’ আবিষ্কার
==================================*
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান, ইলেক্ট্রনিক্স, অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০০৯-২০১০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নিয়াজ মোস্তাকিম ‘‘ইনটেলিজেন্ট স্মার্ট অ্যান্ড ভার্সেটাইল হোম সিকিউরিটি সিস্টেম’’ আবিষ্কার করেন।
এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কাছে আবিষ্কারের বিষয়টি উপস্থাপন করেন।
নিয়াজ মোস্তাকিম দীর্ঘ ২ বছর যাবৎ বিভাগীয় অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মো: খালিদ হোসেন জুয়েল ও প্রফেসর মো: খলিলুর রহমানের তত্ত্বাবধনে ‘ইনটেলিজেন্ট স্মার্ট অ্যান্ড ভার্সেটাইল হোম সিকিউরিটি সিস্টেম’ আবিষ্কার করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাকিম বলেন, আধুনিক সিকিউরিটি ও সব সুযোগ সুবিধার সমন্বয়ে স্মার্ট ইনটেলিজেন্ট হোম এর বাউন্ডারী লাইনে একটা কি পেড আনলকড সিকিাউরিটি গেট সিস্টেম আছে। এটি কি পেড এর মাধ্যমে পাসওয়ার্ড দিয়ে খুলতে হবে। এর সামনে একেটা ডিসপ্লে আছে এবং ইনডিকেটর লাইট আছে। দরজার সামনে কোন ব্যাক্তি আসলে সেন্সর এর মাধ্যমে অটো ক্যামেরা অন হবে। বাড়ির মালিক ভিতর থেকে সবকিছু দেখতে পাবে । ইচ্ছা অনুযায়ী বাড়ির মালিক অ্যান্ডোয়েট এপ্লিকেশন এর মাধ্যমে ঐ ব্যাক্তিকে প্রবেশের অনুমতি দিতেও পারে নাও পারে।
বাড়ির ভেতরে প্রবেশের পর বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করলে হিউম্যান কাউন্টারের মাধ্যমে কতজন লোক ভেতরে প্রবেশ করল তা ডিসপ্লেতে দেখাবে এবং প্রবেশের পর সংক্রিয়ভাবে কক্ষের লাইট জ্বলে উঠবে। আবার কক্ষ থেকে সকলে বের হলে কক্ষের লাইট অটো বন্ধ হয়ে যাবে।
এছাড়া ভেতরে পিআইআর নামে একটি মোসন সেন্সর রয়েছে যা কোন ব্যাক্তি প্রবেশ করলে সরাসরি ভিডিও রেকোর্ডিং এর মাধ্যমে সে তথ্য ফেইসবুক ও স্কাইপের মাধ্যমে মালিকের নিকট পৌঁছে দেবে।
রান্না ঘরের নিরাপত্তা হিসেবে বাড়িটিতে ব্যাবহার করা হয়েছে ফ্লামা সেন্সর যা ফায়ার সার্ভিসের নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে বাড়ির ঠিকানা জানাবে। গ্যাস সেন্সরের মাধ্যমে মালিককের ফোনে অডিও কল দিয়ে জানাবে এবং স্মোক সেন্সর যা এসএমএসের মাধ্যমে মালিককে জানাবে।
ঘরের বিছানাতে বসেই লাইট, ফ্যান, এসি, কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করাসহ নানা প্রযুক্তি রয়েছে এ বাড়িটিতে। এছাড়া ওয়াটার সেন্সরের ফলে বৃষ্টি হলে ঘরের দরজা ও জানালা একাই বন্ধ হয়ে যাবে এবং ফেইসবুকে পোস্ট দেবে বলে দাবি আবিষ্কারকের।
এ ছাড়া বাড়ির কোন সদস্য বিপদে পড়লে রয়েছে ইমারজেন্সি সংকেত যার মাধ্যমে প্রতিবেশীকে ডাকা যাবে, দূর থেকে বাড়ির কোন ডিভাইসকে নিয়ন্ত্রনের জন্য ব্যাবহার করা হয়েছে জিএসএম মডিউল যার মাধ্যমে এসি, ফ্যান, হিটার, চালু ও বন্ধ করা যাবে এবং বন্ধ বা চালু সম্পন্ন হলে মালিককে তা এসএমএসের মাধ্যমে জানাবে।
আরো রয়েছে এসএমএসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রনকৃত লকার, যা ম্যসেজ দিয়ে চালু ও বন্ধ করা যায়। এর সামনে কেউ আসলে আই সেন্সরের মাধ্যমে তার ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করবে এবং মালিক তাকে সনাক্ত করতে পারবে। এছাড়া রয়েছে ওয়াইফাই মডিউল ও বায়ুর চাপ পরিমাপের জন্য বায়োমেট্রিক পেশার সেন্সর।
মোস্তাকিম অনার্সে ১ম শ্রেণিতে ১ম এবং মাস্টার্সেও একই ফল করবে বলে আশা বিভাগের শিক্ষকদের। প্রজেক্টটি তৈরী করতে তার প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছে সে।
মোস্তাকিম নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার জাহানপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। সে ২০০৯-১০ অনার্স ও ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। এ পদ্ধতিটি বাড়ি ও অফিসসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা যাবে বলে দাবি মোস্তাকিমের।

09/12/2016

সব ইউনিটের রেজাল্ট প্রকাশিত হয়ে গেছে,,,,,,,রেজাল্ট খুব দ্রুত দেওয়া হয়েছে,,,,,,যারা চান্স পেয়েছেন,,তাদের অগ্রীম শুভেচ্ছা,,,

Address

Islamic University, Kushtia-Bangladesh
Kushtia
7003

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic University, Kushtia-7003 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Islamic University, Kushtia-7003:

Share