Islamic University, Bangladesh

Islamic University, Bangladesh Islamic University, Kushtia was founded on November 22, 1979 at Shantidanga-Dulalpur (Kushtia-Jhenidah) by the late president Ziaur Rahman.

Islamic University is one of the major public universities in Bangladesh and the largest seat of higher education in the south-west part of the country. It is a major international center for an excellent integration of Islamic Studies with the General Studies and Studies of Modern Science and Technology. The university provides both the local and foreign students with the facilities of undergradu

ate studies, postgraduate research and teaching. The standard of teaching is high and the facilities both for academic and extracurricular activities are of good quality. It is a campus oriented university, where the academic and administrative buildings, residential halls and gymnasium, central cafeteria and auditorium all are on one self-contained 175-acre site at Shantidanga-Dulalpur, beside the Kushtia-Khulna highway and about 24 kms south and 22 kms north of respectively the Kushtia and Jhenidah district-towns.Islamic University, having started its academic activities on June 28, 1986 now has about 10 thousand regular students studying in 22 Academic Departments under five Faculties. The main objective for establishing Islamic University is "to provide for instruction in theology and other fields of Islamic Studies and comparative jurisprudence and such other branches of learning at Graduatge and Postgraduate level as the University may think fit and make provision for research including Post-Doctorate research and training for the advancement and dissemination of knowledge". [Clause 5(a), The Islamic University Act 1980(37)]The University should also be considered as the affiliating authority of the Fazil and Kamil Madrasahs and shall exercise all the powers conferred on it by or under this Act. [Clause 4(2) of Islamic University (Amendment) Act, 2006]

21/11/2017

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ অনার্স (স্নাতক) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ৩৮ জন ভর্তিচ্ছু।
ভর্তি পরীক্ষায় ২২৭৫টি আসনের বিপরীতে ৮৭ হাজার ১শত ৩৫টি আবেদপত্র জমা পড়েছে।
এ ইউনিটে ২৪০ আসনের বিপরীতে ২ হাজার ৮২টি, বি ইউনিটে ৪২০ আসনের বিপরীতে ১৪ হাজার ৩শত ৯৮ টি, সি ইউনিটে ৩৭৫টি আসনের বিপরীতে ১৭ হাজার ৪ শত ৩৫টি, ডি ইউনিটে ২৫০টি আসনের বিপরীতে ১৬ হাজার ৬ শত ৪৬টি, ই ইউনিটে ২০০টি আসনের বিপরীতে ১২ হাজার ৯শত ৬৬টি, এফ ইউনিটে ১০০টি আসনের বিপরীতে ৩ হাজার ৭ শত ৫৯টি, জি ইউনিটে ৪৫০টি আসনের বিপরীতে ৯ হাজার ১শত ১৮টি এবং এইচ ইউনিটে ২৪০টি আসনের বিপরীতে ১০হাজার ৭শত ৩১টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে।

15/11/2017

ভর্তিযুদ্ধে প্রাণপন লড়াইরত দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তিচ্ছুক প্রিয় বন্ধুরা! নিশ্চয়ই তোমরা এখন পড়াশুনা নিয়ে খুবই ব্যস্ত। লেখাপড়ার চাপে তোমরা কেউই ক্যারিয়ার নিয়ে ভাববার সময় পাও নাই, যা তোমাকে পরবর্তী জীবনে চাকরির প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করতে সাহায্য করবে। তবে যুগ উপযোগী এবং চাহিদাসম্পন্ন বিষয় ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষা। দেশ ও বিদেশের চাকরির বাজারে এখন ব্যবসায় প্রশাসনে ডিগ্রিধারীদের চাহিদা ব্যাপক। সেই অর্থে এই সময়েই নিতে হবে ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত যা তোমাকে পরবর্তী জীবনে চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করতে সাহায্য করবে। প্রতিযোগিতামূলক এই বিশ্বে পেশার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এই বিষয়ে পড়ে তোমরাও গড়তে পারো সফল ক্যারিয়ার। তোমরা জানো আগামী ১ ডিসেম্বর স্বাধীন দেশের সর্বপ্রথম দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাই যারা ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদে পড়তে চাও, তাদের জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের কিছু তথ্য নিচে দেয়া হল।
#ব্যবসায়_প্রশাসন_অনুষদ:
১৯৮৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা এবং অন্যান্য সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তাল মিলাতে ইবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বর্তমানে এই অনুষদের অধিনে ৬ টি বিভাগ চালু রয়েছে। বর্তমানে এই অনুষদের ডিনের দায়িত্ব পালন করছেন হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন। বিভাগগুলো হলো হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ, মার্কেটিং বিভাগ এবং সদ্য চালু হওয়া হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ও ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। এই অনুষদের মোট আসন সংখ্যা ৪৫০ টি।
#হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় যে ৪ টি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ তার মধ্যে অন্যতম। ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে এ বিভাগ যাত্রা শুরু করে। এই বিভাগের শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি। বর্তমানে বিভাগের সভাপতির দ্বায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছেন অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরিন। বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো: শাহজাহান আলী বর্তমানে রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভাগে বর্তমান ১১ জন অধ্যাপক দায়িত্বশীলতা ও কর্মউদ্দীপনার সহিত শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছেন।
#ব্যবস্থাপনা বিভাগ:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নে ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে এ বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়। এই বিভাগের শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি। বর্তমানে বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ড. রুহুল আামিন। এ বিভাগে বর্তমান ৮ জন অধ্যাপক, ৩ জন সহযোগী অধ্যাপক ও ৪ জন সহকারী অধ্যাপক অধ্যাপনায়রত আছেন।
#ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ:
২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী অধ্যাপক সুতাপ কুমার ঘোষ। বর্তমানে বিভাগে ৫ জন সহকারী অধ্যাপক ও ১ জন প্রভাষক পদে দায়িত্বরত আছেন।
#মার্কেটিং বিভাগ:
বর্তমান চাকুরির বাজারের চাহিদা মোতাবেক ও বিভাগের সার্বিক গুনগতমানের বিবেচনা করে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে উক্ত অনুষদে মার্কেটিং বিভাগ চালু করা হয়। বর্তমানে বিভাগে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ড. জাকারিয়া রহমান।
এছাড়া এবার ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে আরো যুগোপযোগী ও দেশের বর্তমান চাকুরির বাজারের চাহিদানুযায়ী শিক্ষার্থীদের মানসম্মত জ্ঞানলাভের অন্যতম পাথেয় হিসেবে সদ্য চালু হওয়া ইবির ৮ টি বিভাগের মধ্যে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অধীন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ও ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি বিভাগ চালু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন ও ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি বিভাগে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনকে সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী বিবিএ এবং এমবিএ ডিগ্রী লাভ করেছে। এছাড়া প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেছে।
#চাকুরির_ক্ষেত্রে_সুবিধাসমূহ:
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, উন্নয়ন সংস্থায় উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে দায়িত্বরত আছে। এছাড়া দেশ বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংক, বীমা, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে সাফল্য দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদেরকে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষন দিয়ে থাকি যাতে তারা চাকরির বাজারে উপযোগী হয়ে গড়ে উঠতে পারে। আমার জানা মতে এখানে পড়ে কেউ সাধারনত বেকার থাকেনা। এই অনুষদে পড়ে অনেকেই ব্যাংক-বীমা ও দেশের বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পদে কর্মরত আছে। তাই ভর্তিচ্ছুরা ক্যারিয়ার গড়তে এই অনুষদে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে।

23/06/2017

পাবলিক ভার্সিটির গল্প.......
পাবলিক ভার্সিটির ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করে ,রাজনীতি করে , প্রেমও করে । তারা একই সাথে রাজনৈতিক গুন্ডাও হয় আবার ট্যালেন্টেড স্টুডেন্টও হয় । রাতের বেলা মারামারি করে সকাল বেলা পরীক্ষা দিতে যায় ।
এরা বাসের ভিড়ে দাঁড়িয়ে যেতেও অভ্যস্ত ,আবার গাড়ির সিটে ভাব নিয়ে বসতেও পটু ।
চটি জুতায় বছর পার করে ,আবার স্নিকার্স পড়ে কুল হ্যান্ডসাম ডিউড সাজতেও এদের জুড়ি মেলা ভার ।
হলের পচা খাবার খেয়েও অভ্যস্ত । আবার দামী রেস্টুরেন্টের ফাস্টফুডও পেটে হজম হয় ।
এখানকার হলে প্রতি রাতে গল্প তৈরি হয় ।
অনুপ্রেরনার গল্প , সম্ভাবনার গল্প , রিলেশন ব্রেকাপ হওয়ার গল্প । পরিবার ছেড়ে দুরে থাকার গল্প । সবাই মিলে একসাথে বাসি মুড়ি খাওয়ার গল্প । রাত জেগে তাস পেটানোর গল্প ।
অসাধারন বন্ধুত্ব আর অপরিসীম শত্রুতা দুইটাই পাবেন এখানে ।
ইন্টারে ডবল এ প্লাস পেয়ে ক্যাম্পাসে এসে সেকেন্ড ক্লাস পাওয়া ছেলে যেমন পাবেন একই ভাবে দুইটা এ মাইনাস পেয়ে ক্যাম্পাসে এসে ফাস্ট হওয়া ছেলেও পাবেন ।
হাইস্ট সিজিপিএ পাওয়া বেকার ছেলে যেমন পাবেন ,আবার কম জিপিএ নিয়ে শাইন করা ছেলেও পাবেন ।
এখানে এক রাত পড়াশুনা করে সি প্লাস পাওয়া ছেলে যেমন আছে , একইভাবে সারা বছর পড়াশুনা করে এ প্লাস পাওয়া স্টুডেন্টও আছে ।
মেকাপের আস্তরনে ঢাকা পটের বিবিও যেমন আছে ,একই সাথে ঘেমে পিঠ ভিজে ব্রা এর লেইস দৃশ্যমান হওয়া সংগ্রামী মেয়েও পাবেন ।
এইটা পাবলিক ভার্সিটি ।
এখানে কেউ কারো ""বস"" নয় । এখানে সবাই একেকটা ""বস "" । এখানে প্রতিটা ছেলে মেয়ে একেকটা ক্রিয়েটর ।
এখানে স্বপ্ন তৈরি হয় না । এখানে স্বপ্নের স্রষ্টা তৈরি হয় । প্রতিটা স্টুডেন্ট তার জায়গা থেকে একেকজন বড় মাপের ড্রিমার ।
কষ্টের মাঝেও ঠোঁটের চিলতে হাসি ধরে রাখার অসাধারণ মানুষটা
কিংবা টিউশনে গিয়ে বেতন না পেয়ে ঠকে যাওয়া মানুষটাকে তাই কেউ দমিয়ে রাখতে পারে না.......
কারন এরা পাব্লিকিয়ান ........

22/06/2017

--DMC পাস করা ছেলেটা BCS দিয়ে এখন মস্ত বড় পুলিশ অফিসার।
-- BUET থেকে EEE পাস করা ছেলেটা এখন ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজার।
-- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেমিস্ট্রিতে প্রথম শ্রেণী পাওয়া ছেলেটা এখন নামকরা ফটোগ্রাফার।
-- SUST এর CSE পাস করা ছেলেটা এখন শহরের খ্যাতনামা ঔষুধ ব্যবসায়ী।
--ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এর Accounting থেকে পাস করা ছেলেটা এখন একজন নামকরা এস.আই।
-- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে রেকর্ড মার্ক পাওয়া মেয়েটা এখন Air Force এর অফিসার।
-- প্রাইভেট থেকে পাস করা ছেলেটা আজ Public University (SUST) এর শিক্ষক।
-- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে English এ অনার্স করা মেয়েটা আজ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
-- ঢাকা কলেজ থেকে অনার্স পাস করা মানুষটা আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর!
-- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা না থাকার মানুষটা এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের সব কয়টা Public University এর চ্যান্সেলর!!
ভয় নেই! জীবন থেমে থাকার নয়। জীবনে বড় কিছু হতে হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা Subject বড় কিছু না। বড় হলো তার ইচ্ছা শক্তি! যে যা হতে চায় তাকে সেইটাই হতে দেয়া উচিৎ। বদলাতে পারে তারে সবকিছু, যেকোনো সময়, যেকোনো ভাবে!

21/06/2017

সাধারণত মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের হাতখরচ নিজেরা চালায় দুই একটা টিউশনি করিয়ে!!
বন্ধুরা যখন বিকালে বসে আড্ডা দেয়.. তখন ওই আড্ডাবাজ ছেলেটিকে চলে যেতে হয় সেই জমানো আড্ডা থেকে..!!
ক্রিকেটপাগল ছেলেটিকে বাংলাদেশের খেলা দেখা বাদ দিয়ে পড়াতে যেতে হয়..
তারপরও অনিবার্য কারণে পড়াতে যাইতে লেট হইলে স্টুডেন্টের মায়ের মুখের দিকে তাকানো যায় না..
স্টুডেন্ট পড়ুক আর আর নাই পড়ুক.. ভালো রেজাল্ট চাইই.. চাই..!! নইলে দোষ ঐ ছেলেটার..!!
পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে যে নাস্তাটা দিয়েছিলো প্রথম কয়েক দিন.. সেটারও খোঁটা শুনতে ঠিক এইভাবে.. "টিচার রাখছি, বাসায় বসায়ে বসায়ে খাওয়ানোর জন্য..??"
প্রচণ্ড আত্নসম্মানহীনতায় ভুগার পরেও ছেলেটিকে আবার পড়াইতে যাইতে হয়.. না পড়ালে চলবে কি করে..
কেননা সারাজীবন কষ্ট করা বাবার কাছে হাত পাততেও খুব কষ্ট হয় এই ছেলেটার..!!
ভেতর ভেতর জ্বলে পড়ে মরলেও.. আব্বু /আম্মু যখন বলে এইবার ঈদে তো আমাদের টান টান কিছু না কিনলে হয় না??তখন ছেলেটা জবাব দেয়,
না ঠিক আছে বাবা/আমি টিউশনিরর ফি দিয়ে নিয়ে নিবো।
ঐ মহুর্তের বাবা/মায়ের কলিজায় ঢুকে পডার আনন্দ আর সুখের চোখের জ্বল এর অনুভূতি।।
প্রকাশ করার ভাষা খুজে পায় না ছেলেটা।।

20/06/2017

তুমি যখন ফেইসবুকিং করে তোমার অলস বিকেল টা
কাটিয়ে দিচ্ছো, তোমারই কোনো বন্ধু সে সময়ে পেটের
দায়ে বা বিবেকের দায়ে টিউশনি করাচ্ছে।
তুমি যখন আড্ডায় কিংবা কার্ড খেলে রাত
জাগছো,তোমারই কোনো বন্ধু রুমের দরজা বন্ধ করে
নিরলস খেটে যাচ্ছে স্বপ্ন পূরণে।
ভোর ৫ টায় যখন তোমার মধ্য রাত, তোমারই কোনো বন্ধু
ধর্মীয় কার্যাবলী সেরে হাড়ভাঙ্গা প্রস্তুতি নিচ্ছে
আগামীর যুদ্ধের জন্য।
তুমি যেখানে ঘুম থেকে উঠে কোনোরকম এ দাঁত ব্রাশ
করে ক্লাসে যাচ্ছো এটেন্ডেন্স এর জন্য, লাস্ট বেঞ্চে
বসে ঘুমাচ্ছো, তোমারই কোনো বন্ধু কোনো নিপুণ
সাংবাদিক এর মতো টুকে নিচ্ছে কাস নোট গুলো।
তুমি যখন ক্লাসের ফাঁকে ডিপার্টমেন্ট এর ফ্রি
ওয়াইফাই তে সফটওয়্যার আপডেট করছো, তোমার কোনো
ফ্রেন্ড লাইব্রেরি তে বসে ক্লাসের লেকচারের নোট
বানাচ্ছে।
তুমি যখন বাপের টাকায় ধূমপান করে দিব্যি চলে যাচ্ছো,
তোমারই কোনো বন্ধু হলের ডাইনিং এর খাদ্যরূপ
অখাদ্যগুলো দিয়ে উদরপূর্তি করছে।
এই পরিশ্রমী, উদ্যমী, সংগ্রামী ছেলেগুলো জীবনে সফল
হবেনা কি তুমি হবা?আল্লাহ খুব,খুব,খুবই সুবিচারক। তুমি
যাই করবা তার-ই ফল পাবা।
সফলতার কোনো শর্টকাট পথ নেই, সফলতা কোনো
ঠিকানাও না। সফলতা একটা যাত্রা যেখানে তোমাকে
হাঁটতে হবে অনেকটুকু পথ।
চেষ্টা চালিয়ে যাও নিরলস, সফলতা আসবেই ইন-শা-আল্লাহ

19/06/2017

আসসালামু আলাইকুম।
-ওয়ালাইকুম আসসালাম।

-আপনি কি আফতাব রহমান?
-জি, বলছি।

-সাগর রহমান কি আপনার ছেলে?
-জি। আপনি কে বলছেন?
-আমি আপনার ছেলের ভার্সিটি থেকে বলছি। জহুরুল হক। হেড অফ ডিপার্টমেন্ট এক্স।

-ও, আচ্ছা। কেমন আছেন, স্যার?
-জি, ভালো। আপনার ছেলে সম্পর্কে কিছু কথা বলার ছিল। ও তো কিছুদিন আগে থার্ড সেমিস্টার শেষ করেছে। সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট প্রকাশ হয়েছে দুই দিন আগে। আপনার ছেলে দুই কোর্সে ফেল। আপনাকে কি বলেছে?
-জি, বলেছে।

-আমাদের ভার্সিটিতে কিছু নিয়ম-কানুন আছে। ফেল করলে আমরা ছাত্রদের আবারও পরীক্ষায় বসে পাস করার সুযোগ দেই। এরপরও ফেল করলে ভার্সিটিতে রাখার নিয়ম নেই।

-তা এসব আমাকে কেন বলছেন?
থতমত খেয়ে গেল ও প্রান্তের ব্যক্তি।
-না, মানে, আমি বলছিলাম আপনার ছেলে ফেল করেছে। আপনার কি উচিত না তার পড়াশোনার প্রতি খেয়াল রাখা?

-আমাকেই যদি তার পড়াশোনার দায়ভার নিতে হয়, তাহলে আপনি কী জন্যে আছেন?
-না, মানে আমি বলছিলাম আপনি কাউন্সেলিং করতে পারেন, বোঝাতে পারেন।

-অবশ্যই আমি তার সাথে কথা বলতে পারি। কিন্তু শিক্ষক হিসেবে আপনি কি তার সাথে কথা বলেছেন?
-মানে? বুঝলাম না।

-আমি বলতে চাইছি, আমার ছেলে যে ফেল করল, গলদটা কোথায় বোঝার চেষ্টা করেছেন কি? দোষ পুরোটা কি ওর একার? আপনার কোনও দায়ভার নেই?
-কী বলতে চাইছেন আপনি?
-দেখুন, স্যার, খুব স্পষ্ট আর সহজ ভাষায় বলছি। এভাবে ছাত্রের ব্যর্থতায় সরাসরি মা-বাবাকে তলব করার আগে আপনাদের পাঁচবার ভাবা উচিত। পড়াশোনার জন্য ছেলেকে পাঠিয়েছি আপনাদের কাছে। তাকে পড়াতে না পারার, পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে না পারার, সফলতার পথ দেখাতে না পারার ব্যর্থতাটুকু পুরোপুরি আপনাদের। বাবা-মা কোনও শিক্ষক নন যে এসব পালন করবেন। এ দায়িত্বটুকু পালনের ভার আপনাদের উপরে দেয়া হয়েছে। কই, বেতন তো ঠিকই নেন। ছাত্রের সফলতারও ভাগ চান। তাহলে ব্যর্থতার ভার কেন শুধু ছাত্র আর মা-বাবার ওপরে চাপবে?

-আমি আসলে ওভাবে বুঝাতে চাইনি।
-কোনওভাবেই বোঝানোর দরকার পড়ত না, যদি যথাযথ শিক্ষকের দায়িত্ব আপনারা পালন করতে পারতেন।
-আমি রাখছি।

-আপনার বাবার ফোন নম্বরটা পাঠিয়ে দেবেন।
-মানে? কেন?
-ব্যর্থ ছাত্রের পিতাকে ফোন দিয়ে যে দায়িত্ব আপনি পালন করেছেন, ব্যর্থ শিক্ষকের বাবাকে ফোন দিয়ে আমিও একই দায়িত্ব সারতে চাই।

♣♣ সংগৃহীত ♣

http://bangla.thereport24.com/article/110425/index.html
28/04/2016

http://bangla.thereport24.com/article/110425/index.html

রাশেদুন নবী রানা, ইবি : আকাশ ছুঁয়ে লাল কৃষ্ণচুড়া, দিগন্ত জুড়ে হলুদ রঙয়ের মাখামাখি সোনালী ফুলের সোনা রং, বাতাসে কদম আর বকুলের সৌরভের ছড়াছড়ি, গ্রীষ্মের রোদে মানুষ আর পশু পাখির যখন ত্রাহিত্রাহি অবস্থা।

19/04/2016

" #ইবিতে শিক্ষক সমিতির কর্মবিরতি প্রত্যাহার"

শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবিতে চলা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শিক্ষকরা।

গত ১৬ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় দফায় ইবি শিক্ষক সমিতির ডাকে তারা এই কর্মবিরতি শুরু করেন। এর আগে আরো এক দফায় গত ২০ মার্চ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত তারা প্রথম দফায় কর্মবিরতি পালন করেন।

পরে আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকারের আশ্বাসের ভিত্তিতে এই কর্মবিরতি আগামী ৮ মে পর্যন্ত প্রত্যাহার করেছেন শিক্ষক সমিতি।

এই সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে ৯ মে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভা করে কঠোর আন্দোলন করা হবে বলে জানান ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এই কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন শিক্ষক নেতারা।

এ সময় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. এম এয়াকুব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান, ইবি প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম জুয়েল, দফতর সম্পাদক ইকবাল হোসেন রুদ্র, প্রচার সম্পাদক শাহাদাত তিমির, ইবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মোস্তফা জুবাইর আলম অমি, যুগ্ম সম্পাদক রাসেদুন্নবী রাশেদ, অর্থ সম্পাদক এ বি ফারুক, দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ রনি প্রমুখ।

07/04/2016

হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি
বিভাগের ২০১২-১৩ সেশনের ছাত্র শুভ ,
১৪ তারিখে বাস এক্সিডেন্ট
করেছিলো।
এখন তার চখের অপারেশন করাটা খুবি
জরুরি হয়ে দারিয়েছে , পর্যাপ্ত
টাকা না থাকাই অপারেশনের
তারিখ বারবার পিছানো হচ্ছে ।
আমরা কালকে বিভিন্ন
ডিপার্টমেন্টে যাবো, ডাইনা চত্বরে
থাকবো।
অনুগ্রহ করে আপনারা আপনাদের বন্ধুদের
জানিয়ে দিন এবং নিজেও
সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন
বিকাশ করতে চাইলে ০১৬৭৬৪৯৮১০৬ এই
নাম্বারে বিকাশ করতে পারেন।

24/03/2016

#তনু হত্যার প্রতিবাদে ইবিতে মানববন্ধন

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যার প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় মেইন গেটের সামনে ইবি চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে ইবি চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি আশিকুর রহমান আতিকের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক শুভ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি সুশান্ত ওঝা, সাংগঠনিক সম্পাদক রেজওয়ান সহ আরো অনেকে।

মানববন্ধনে বক্তারা তনু হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং এই ঘটনার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এ ছাড়া এ ধরনের ঘটনার যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে এ জন্য তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

24/03/2016

#ইবিতে ছাত্রলীগের মন্দির ভাঙচুর, প্রতিবাদ কর্মসূচি

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) টিএসসিসিতে অবস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনাকক্ষে ভাঙচুরের ঘটনায় দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা।

কর্মসূচির মধ্যে আছে, আগামী ২৬ মার্চ শনিবার মহান স্বাধীনতা দিবসে কালো ব্যাজধারণ করবে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। একই সাথে তারা কালো ব্যাজধারণ করেই স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবে বলে জানা গেছে।

এছাড়া পরের দিন ২৭ মার্চ রোববার সকাল ১১টায় প্রশাসন ভবনের সামনে মন্দির ভাঙচুরকারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও ভিসি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান।

একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবি করবে বলেও জানা গেছে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় ভাঙচুরকারীদের শাস্তির দাবিতে একটি বিবৃতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

বৃহস্পতিবার ইবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. অলী উল্লা স্বাক্ষরিত এই বিবৃতির মাধ্যমে তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও বিচার দাবি করেন।

উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসিসির নিচ তলায় অবস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনাকক্ষে ভাঙচুর চালায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক ফয়সাল সিদ্দিকি আরাফাতের অনুসারী কিছু নেতাকর্মী। তবে কেনো তারা এই ভাঙচুর করেছে এ বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

Address

Shantidanga
Kushtia
7003

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic University, Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Islamic University, Bangladesh:

Share