Department of Chemistry, Govt. Debendra College, Manikgonj.

Department of Chemistry, Govt. Debendra College, Manikgonj. Official page of Chemistry Department Of Govt. Debendra College, Manikgonj

প্রফেসর মো: আ‌খেরুজ্জামান খান স‌্যারকে বিভা‌গের পক্ষ থে‌কে অ‌ভিনন্দন ও শু‌ভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়।
21/03/2023

প্রফেসর মো: আ‌খেরুজ্জামান খান স‌্যারকে বিভা‌গের পক্ষ থে‌কে অ‌ভিনন্দন ও শু‌ভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়।

শিক্ষা ক‌্যাডা‌রের স‌র্বোচ্চ পদ অধ‌্যাপক। অধ‌্যাপক প‌দে প‌দোন্ন‌তি পাওয়ায় রসায়ন বিভা‌গের বিভাগীয় প্রধান জনাব মো: আ‌খে...
20/03/2023

শিক্ষা ক‌্যাডা‌রের স‌র্বোচ্চ পদ অধ‌্যাপক। অধ‌্যাপক প‌দে প‌দোন্ন‌তি পাওয়ায় রসায়ন বিভা‌গের বিভাগীয় প্রধান জনাব মো: আ‌খেরুজ্জামান খান স‌্যার‌কে অ‌ভিনন্দন। শুভকামনা রই‌ল। স‌্যার সৌভাগ‌্যবান‌দের ম‌ধ্যে অন‌্যতম। কারণ রসায়নের প্রফেস‌রের প‌দের সংখ‌্যা খুবই সী‌মিত।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২১ সালের অনার্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার সময়সূচী। পরীক্ষা আগামী ৩/৫/২০২৩ তারিখ থেকে দুপুর ১২.৩...
19/03/2023

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২১ সালের অনার্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষার সময়সূচী। পরীক্ষা আগামী ৩/৫/২০২৩ তারিখ থেকে দুপুর ১২.৩০ টায় অনুষ্ঠিত হবে।

একটা বাজপাখি সাউথ-আফ্রিকা থেকে ফিনল্যান্ডে উড়ে যাওয়ার সময় তার শরীরে কিছু ইকুইপমেন্ট বসানো হয়, আর এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে স্...
16/03/2023

একটা বাজপাখি সাউথ-আফ্রিকা থেকে ফিনল্যান্ডে উড়ে যাওয়ার সময় তার শরীরে কিছু ইকুইপমেন্ট বসানো হয়, আর এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে স্যাটেলাইট থেকে তার যাত্রাপথ।

পাখিটি ৪২ দিনে এই ১০,০০০কিলোমিটার পথ উড়ে পারি দিয়েছে, গড়ে প্রতিদিন ২৩০ কিমি উড়েছে প্রায় সমান্তরালভাবে।

স্যাটেলাইটে তার রুটে ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, বড় জলাশয় বা সমুদ্র সামনে আসলে সে সেখান থেকে পথ পরিবর্তন করেছে যেন বিশ্রাম নিতে চাইলে স্থলভুমি পায়।

আবার, মিশর-সুদানের মরুভূমিকেও পাশ কাটিয়ে গিয়েছে যেন তৃষ্ণা পেলে পানির অভাবে না পরতে হয়।

কঠিন কঠিন এসব ম্যাপিং, রাউটিং, আল্টিটিঊড নলেজ সায়েন্টিস্টরা যুগের পর যুগ ধরে যেখানে ডেভেলপ করে, পাইলটদের এসব শিখতে যেখানে বছরের পর বছর লেগে যায়,
এই ছোট্ট পাখিকে তাহলে কে শেখালো এতকিছু?

আরও মজার কথা হল, হাই আল্টিটিঊডে উড়ার সময় এদের ১% এনার্জিও খরচ হয়না, শুধু ভেসে ভেসে, অনেক সময় ঘুমিয়ে ঘুমিয়েও এরা শত শত মাইল পাড়ি দিতে পারে। এই নিখুঁত টেকনোলজি কিভাবেই বা এদের শরীরে এলো?
সুবহানাল্লাহ, মহান রবের কুদরত অপরিসীম।

তথ্য ইন্ডিয়া টাইমস।

15/03/2023

মো‌টি‌ভেশনাল স্পিচ:

কাক হচ্ছে একমাত্র সেই পাখি যে, ঈগলের ঘাড়ের উপর বসে ঠোকর মেরে তাকে বিরক্ত করতে পারে !
এত সাহস অন্য কোনো পাখির নেই।
তবে লক্ষনীয় ব্যাপার হচ্ছে, ঈগল কিন্তু কাকের সাথে লড়াই করে বা তাকে মেরে ফেলতে যেয়ে নিজের সময় ও শক্তির অপচয় করে না।

ঈগল যেটা করে সেটা হচ্ছে, সে দ্রুত গতিতে উপরে উঠতে থাকে। অতি উচ্চতায় অক্সিজেন স্বল্পতার কারণে এবং ঈগলের প্রচণ্ড গতির কারণে কাক দুর্বল হয়ে পড়ে এবং টিকতে না পেরে ঈগলের ঘাড় থেকে পালিয়ে উল্টো নিজের জীবন বাচায়!

ঠিক তেমনিভাবে, আপনার জীবন চলার পথে কাছের মানুষ, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব রূপী অনেক কাক আপনার পিছনে ঠোকর মেরে আপনার জীবনকে ব্যহত করবে। এদের সাথে লড়তে যেয়ে সময় এবং শ্রম অপচয় করার কোন দরকার নেই।
আপনার চুড়ান্ত লক্ষ্য পৌঁছানোর জন্য কাজের গতি আর পরিশ্রম আরও বাড়িয়ে দিন। দেখবেন, আপনার গতির সাথে তাল মেলাতে না পেরে এইসব কাকেরা দুর্বল হয়ে এমনিতেই ঝড়ে পড়ে যাবে।

Collected.

14/03/2023

এম এস-‌সি শেষপর্ব পরীক্ষার্থী‌দের ব‌্যবহা‌রিক ক্লাস কাল সকাল ১১:০০টা থে‌কে। সবাই‌কে যথাসম‌য়ে বিভা‌গে উপ‌স্থিত থাকার জন‌্য বলা হ‌লো।

অনুপ‌স্থির জন‌্য অযুহাত একজন মাস্টা‌র্সের শিক্ষার্থীর কাছ থে‌কে কাম‌্য নয়।

11/03/2023

Three things about being a good person.

(একজন দারুন মানুষ হয়ে ওঠার জন্য আমাদের তিনটি জিনিসের প্রয়োজন, এই কথাটি বোঝানো হচ্ছে)।

১) Be a good person to make yourself happy not others.
আপনার নিজেকে সুখী করতে হবে প্রথমেই এবং সর্বদাই। অন্য মানুষ আপনাকে ভালো বলছে বলেই আপনি ভালো অথবা অন্য মানুষ আপনাকে মন্দ বলছে বলেই আপনি মন্দ; এ ধারণা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আপনি নিজেকে সুখী করুন; এই আপনি অপর বহু মানুষকে সুখী করতে পারবেন। আপনি নিজে অসুখী থাকবেন, সে ক্ষেত্রে আপনি কোন মানুষকেই সুখী করতে পারবেন না।

২) being a good person does not mean that always good thing will happen to you. But one day, what you did will come back to you.

আপনি একজন ভালো মানুষ হলেন.. তার অর্থ এই নয় যে, সব সময় আপনার সাথে ভালো ব্যাপারগুলো ঘটবে। এই প্রকৃতি, এই সমাজ, এই মানুষ, এই পরিবার, সবসময়ই আপনার পক্ষে অভিনন্দনযোগ্য বা গ্রহণযোগ্য আচরণ করবে; সেটি মনে করার কোন কারণ নেই।
কিন্তু দিন শেষে মনে রাখবেন, কোন এক সোনালী সকাল অথবা মায়াবী সন্ধ্যা আপনার জীবনের ঠিকই আসবে, যখন আপনি যা কিছু করেছেন... সবকিছু আপনার কাছেই ফিরে আসবে।

৩) when you be good you don't lose people. But people lose you.

শেষ বাক্যটির বাংলা শব্দার্থ আপনারা নিজেদের মতো করে করবেন।

শুভ সন্ধ‌্যা।

ভালোবাসা সর্বদা আপনাদের সাথে থাকুক।

09/03/2023

কা‌চ্চি কা‌চ্চি কা‌চ্চি . . .
সুলতান'স ডাইনের সুস্বাদু খানার ইতিহাস আজকের নয়। একশো দশ বছরের পুরাতন এক কার্স। সুলতানস ডাইন এবং গত কয়েকদিনের মিম বুঝতে হলে, আপনাকে একশো দশ বছরের হিস্ট্রি দুই মিনিটে পড়তে হবে।
একশো বছর পূর্বেও এমন রেস্টুরেন্ট ছিল না। কারণ ফসল-খাদ্যের অভাব ছিল। পুরোপুরি প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর নির্ভর করতে হতো। উদ্ভিদ নিজে যতটুকু চেষ্টা করে, প্রকৃতির দয়ার উপর নির্ভর করে, নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যাকটেরিয়া যতটুকু অ্যামোনিয়া দিয়েছে, ততটুকুতেই চালিয়ে নিতো। ফসল ফলাতো।

সেটুকু ইউরিয়া পেতেও উদ্ভিদকে অপেক্ষা করতে হতো ঝড়-বৃষ্টির। শুধু ঝড়-বৃষ্টি নয়, বজ্রপাতসহ বৃষ্টি। বজ্রপাতের উচ্চ তাপমাত্রা বায়ুস্থ নাইট্রোজেনকে বিভিন্ন প্রসেসের মাধ্যমে উদ্ভিদের দেহে পাঠাতো। উদ্ভিদ নিজে বাড়তো, ফল দিতো।

এরপর এলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইউরিয়া। বিভিন্ন পদ্ধতি আবিষ্কার হলো। এরমধ্যে একটা হলো- হেবার পদ্ধতি। শুধুমাত্র অ্যামোনিয়া বা ইউরিয়া সার আবিষ্কারের পরেই পৃথিবীর পরিস্থিতি এক ঝলকে বদলে গেল। উইকিপিডিয়া পর্যন্ত একটা হিউমারাস বাক্য লিখেছে।
the Haber process serves as the "detonator of the population explosion", enabling the global population to increase from 1.6 billion in 1900 to 7.7 billion by November 2018.
খেয়াল করুন- খাদ্য-যৌনতা-বংশবৃদ্ধি সবগুলো একটার সাথে আরেকটা লিংকড।

ইউরিয়া হলো উদ্ভিদের প্রধান খাদ্য। উদ্ভিদের দেহের বৃদ্ধি-ফসলের পরিমাণ ইউরিয়ার উপর এককভাবে নির্ভরশীল। যখনই হেবার নামের এক ভদ্রলোক ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইউরিয়া আবিষ্কারের পদ্ধতি আবিষ্কার করলো, খাদ্য এক বিপ্লব ঘটে গেল। অল্প জমি-অল্পপানি-অল্পশ্রম কিন্তু প্রচুর খাদ্য। ধীরেধীরে খাদ্যে পৃথিবী স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া শুরু করলো। শুরুতে যে খাদ্য শুধুমাত্র জীবন বাঁচানোর জন্য খাওয়া হতো, সেই খাদ্য হয়ে গেল সহজলভ্য।

এরপর- ঘরভর্তি খানা থাকলেও খুব একটা কাজের কাজ হলো না। মানুষের জিহবা নিজেদের রান্নার হাতের সাথে করলো বেইমানী। ঘরের খানায় জিহবা সন্তুষ্ট হয় না। অন্যের হাতের খানা খেতে হবে। শুরু হলো এক নতুন বিজনেস। রেস্টুরেন্ট বিজনেস।

রাস্তার মোড়ে, খেলার মাঠের কিনারায়, লেকের ধারে, ট্রেনের ভেতর, ভার্সিটির ভেতরে, সিঁড়ির চিপায়, সিনেমা হলের ভেতরে, হস্পিটালের ওয়েটিং রুমে গিজগিজ করে তৈরি হলো রেস্টুরেন্ট। মানুষ লেকের ধারে, খেলার মাঠে, বইমেলায়, সিনেমা হলে কাজের জন্য যায় না। দুটো বই কিনলে দশটা বইয়ের সমান তেলে ভাজা খানা খেতে হবে। পাঁচশো টাকায় সিনেমা দেখলে সাতশো টাকায় টেস্টিংসল্ট ভর্তি পপকর্ন-চিকেন খেতে হবে। আড়াইশো টাকার টিকেটে খেলে দেখলে এক হাজার টাকার নোংরা-গন্ধময় ঘুগনি মাখানো-তেলে মাখানো ঝালমুড়ি।

মানুষ এখন খেলা দেখতে, বই কিনতে, খেলতে, সিনেমায় যায় না। মানুষ যায় খেতে। বৃহস্পতিবার আগে নদীর ধারে যেতো। পানি দেখে, শীতল জলে মাখানো বাতাসে আমার শরীরের ক্লান্তি দূর হতো। এখন বৃহস্পতিবার মানে- রান্না বন্ধ। বাইরে খাবো। শুক্রবার মানে ঘুরতে যাবো না। আত্মীয়দের নিয়ে বাহারী রেডমিট খাবো।

আমার বন্ধু তার বাসায় একবার সবাইকে দাওয়াত দিয়ে শাক ভাজি, সব্জি ভর্তা আর ছোট মাছ খাইয়েছে। আমার বন্ধু এখন ছোটলোক। সমাজে মুখ দেখাতে পারছে না। ওর মুখ সুন্দর। উচ্চতাও অন্যদের চেয়ে বেশি। কেন যে মুখ দেখাতে পারছে না, ছোট লোক হলো, এর কারণ আমরা খুঁজেছি।
খানা। শুধুমাত্র খানা। খানা যদি তেলতেল, খানা যদি রেডমিট, খানা যদি ভারী না হয়, খানা জমে না। সম্মান থাকে না।

পুরান ঢাকার বিরিয়ানি, কাচ্চি ভাই, সুলতান্স ডাইন, বাসমতি কাচ্চি... কতসব বাহারি নাম। এখনো দিনের চেয়েও রাতে পুরান ঢাকা আলোকিত। কারণ- ভারী খাবার।

মানুষ হবার অনেক যন্ত্রণা। মানুষ ত্রুটিপূর্ণ এক জীব। তাদের জিহবা ও মুখ নিয়ন্ত্রণে রাখা সবচেয়ে মুশকিল কাজগুলোর একটা। বাঘও ক্ষুধা না থাকলে ঘুমায়, আক্রমণাত্মক হয় না। মানুষ খুশি হলে-যন্ত্রণা পেলে-ব্রেক আপ হলে- রেজাল্ট হলে- চান্স পেলে- খতনা হলে-বিয়ে হলে সবার আগে চিন্তা করে খানা কী হবে। কত ভারী খানা দেওয়া যাবে। কয়টা গরু-খাসি পড়বে!

একজন ডাক্তার একদিন লিখেছিলেন, এক মেয়ের বাসায় তার বয়স্ক বাবা বেড়তে আসে। বাবাকে কীভাবে খাওয়াবে তার জন্য মেয়ে চিন্তিত। বাবা আসার সাথেসাথেই মিষ্টি শরবত বানিয়ে দেয়। এরপর মাছ-গোমাংস- খাসির মাংস-তেলে ভাজা বাহারী সব আয়োজন করে। বাবাকে জবরদস্তি করে মেয়ে খাওয়াতে থাকে। মাছ তো খাইলা, মাংসটা একটু চেখে দেখো। খাসিটা একটু নাও না।
বাবা উদর ভরিয়ে খান। খেতে ভালো না লাগলেও মেয়ের হাসিমুখ দেখতে খেতে থাকেন। খানা শেষে মেয়ে মিষ্টি দই-ফিরনি খেতে দেন। উপরের সবগুলো খানা একজন চল্লিশোর্ধ মানুষের জন্য ভেবেচিন্তে খাবার কথা। কারণ সুস্বাদু খানা সেই বয়সে ধীরেধীরে বিষ হয়ে যায়। বাবা খান। মেয়ে আনন্দিত হোন। শেষে বাবার মুখে একটা মিষ্টি দিয়ে খানাপর্ব শেষ করেন।
বাবা টেবিল থেকে উঠলেই মেয়ে বলেন, বাবা একটু রেস্ট করো। ফ্যান-এসি ছেড়ে দিচ্ছি, ঘুমাও।
বাবা ঘুমান। জীবনের শেষ ঘুম। রেডমিট, তৈলাক্ত খানা, চিনিভর্তি মিষ্টান্ন এবং খাবার শেষে বিশ্রাম হলো হার্ট অ্যাটাকের বিশাল এক ফ্যাক্টর। মেয়ে বোঝে না। বাবা বোঝে না। মানুষ বোঝে না। মানুষ নিজের অজান্তে নিজের প্রিয় মানুষদের হত্যা করে। নিজেদের হত্যা করে। কত টাকা খরচা করে, কত আয়োজন করে এক ইনগ্লোরিয়াস মৃত্যুর আয়োজন। আহারে!

সুলতান'স ডাইন ঢাকা শহরের একটা চমৎকার ব্র্যান্ড। সবাইকে ছাড়িয়ে, তালগাছের মতো উঁচু এক ব্র্যান্ড। আমরা কখনোই চাইনা, শুধুমাত্র একটি ফেসবুক পোস্টের কারণে, ক্রস এক্সামিনেশন, ল্যাব টেস্ট ছাড়াই তাকে সমালোচিত করতে, পথে বসাতে। বরং আলোচনা হবার কথা ছিল- ঝাল খানার বিরুদ্ধে, তৈলাক্ত খানার বিরুদ্ধে, রেড মিটের আকণ্ঠপূর্তির বিরুদ্ধে, সুযোগ পেলেই কাচ্চিতে আয়োজন করার বিরুদ্ধে।

তিক্ত সত্য হলো- কুকুরের মাংসের চেয়েও অনিরাপদ হলো এমন খানা। দীর্ঘ ইন্টার্ভেলে এমন খানা খাওয়া যেতেই পারে কিন্তু সেটাকে ছড়ানোর দায়িত্ব আমাদের নয়। পজিটিভ হোক, নেগেটিভ হোক, কোনোভাবেই সেটাকে আলোচনায় না আনা।
ফেসবুকে একদিন আরিফ আর হোসেন বলেছিল, বন্দুকের নলটাই উলটা দিকে। পাখি কীভাবে মরবে?

দেখবেন- হাসপাতালে আসা সবচেয়ে সুন্দর মানুষ- বিত্তশালী মানুষ-ধনী মানুষ, অনেক অ্যাটেন্ডেন্স আনা মানুষগুলোর মুখ বাঁকা- হাত পা প্যারালাইজড, নাকে নল, বিছানায় শুয়ে গ্যাগিং নিয়ে মৃত্যুর অপেক্ষা করছে। খাদ্য শুধুমাত্র বাঁচার জন্য ফুয়েল। খাদ্য কখনোই বিলাসী দ্রব্য নয়। মাত্রার এক তিল পরিমাণ অতিরিক্ত খানা মৃত্যুর টিকেট হিসেবে কাজ করে।

আজ বাহার ভাই আমাকে বললো, 'তোরা কুত্তা খা। রাস্তায় দাবড়ায়ে দাবড়ায়ে কুত্তা ধরে বাসায় খা। সেটাও ভালো... তোরা সবকিছুতে, সব আয়োজনে কাচ্চি খাস ক্যান?'

বাহার ভাই পাগল মানুষ। যা তা বলার স্বভাব। বাহার ভাইয়ের সাথে থাকতে থাকতে আমিও পাগল হয়ে গেছি। পাগলের কথা শুনবেন না। হাসবেন।

হাসলে ক্যালরি খরচা হয়। শরীর ভালো থাকে। আয়ুষ্কাল দীর্ঘায়িত হয়। কাচ্চি হলো ইনগ্লোরিয়াস মৃত্যুর এক পরোয়ানা মাত্র।

কৃতজ্ঞতা: রা‌জিব হোসাইন সরকার।

অনার্স চতুর্থ বর্ষ ফরম পূরণ
07/03/2023

অনার্স চতুর্থ বর্ষ ফরম পূরণ

অনার্স ২য় বর্ষ ব‌্যবহা‌রিক পরীক্ষার সময়সূচী:
07/03/2023

অনার্স ২য় বর্ষ ব‌্যবহা‌রিক পরীক্ষার সময়সূচী:

03/03/2023

Collected: ঘুম নিয়ে বিবিসির প্রতিবেদন
×××××××××××××××××××
গত দু’এক শত বছরের মধ্যে মানবজাতির ঘুমের রুটিনে কি কি পরিবর্তন এসেছে, এবং এর ফলে কি সমস্যা হচ্ছে, এসব নিয়ে দারুণ একটি গবেষণামূলক আর্টিকেল।

বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক, ঐতিহাসিক, এবং ডাক্তারদের রেফারেন্স দিয়ে এখানে বলা হয়েছে যে, শিল্প বিপ্লবের পর মানবজাতির ঘুমের রুটিন ব্যাপকভাবে পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। ফলে ইউরোপ সহ বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ এখন অ-প্রাকৃতিক এবং অস্বাভাবিক জীবন যাপন করছে।

রাতের প্রথম অংশে ঘুম যেতে না পারলে ঘুমের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। অর্থাৎ, রাতের প্রথম অংশে ৪/৫ ঘণ্টা ঘুম যাওয়া আর রাতের শেষ অংশ থেকে দুপর পর্যন্ত ৭/৮ ঘণ্টা ঘুম যাওয়া একই কথা। 'একটানা ৭/৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হয়' বলে যে কথাটি আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে, তা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করে এ আর্টিকেলটি। ঘুম নির্ভর করে কোয়ালিটির উপর, কোয়ান্টাটির উপর নয়।

অ্যামেরিকার ভার্জিনিয়া টেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রফেসর রজার ইকার্চ [Roger Ekirch] এ নিয়ে একটি চমৎকার বই লিখেন। নাম – At Day's Close: Night in Times Past

রজার ইকার্চ ১৬ বছর গবেষণা করে এ বইটি লিখেন। তাঁর মতে, অতীতের মানুষেরা সন্ধ্যার পর অর্থাৎ সূর্যাস্তের দু’তিন ঘণ্টার মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়তো। এরপর, ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা ঘুমাতো। তারপর, ঘুম থেকে উঠে ১ থেকে ২ ঘণ্টা ইবাদত বা ব্যক্তিগত কাজ করতো। তারপর, আবার কিছুক্ষণের জন্যে ঘুমাতো। এবং সকালে তাড়াতাড়ি উঠে যেতো।

এ কথাটি প্রমাণ করার জন্যে রজার ইকার্চ তাঁর বইতে ৫০০টি ঐতিহাসিক রেফারেন্স প্রদান করেন। ক্লাসিক্যাল বিভিন্ন সাহিত্যের বই, মেডিক্যাল বই, আদালতের নথিপত্র, নৃতাত্ত্বিক তথ্য ও ধর্মীয় গ্রন্থসমূহ থেকে তিনি প্রমাণ করেন যে, আগেকার মানুষ গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকতো না; এবং একটানা ৭ বা ৮ ঘণ্টা ঘুমাতো না। আগেকার মানুষ প্রকৃতির সাথে ঘুমিয়ে যেত, প্রকৃতির সাথেই জেগে উঠতো। মাঝখানে দুই’এক ঘণ্টার জন্যে জেগে স্রষ্টার ইবাদত করতো অথবা ব্যক্তিগত কোনো কাজ সেরে নিতো। এটাই ছিল মানুষের স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক ঘুমের অভ্যাস।

কিন্তু, সুস্থ-স্বাভাবিক এই ঘুমের অভ্যাসটি ধ্বংস হতে শুরু হয় ১৭ শতাব্দীর শেষের দিকে। যখন শিল্প বিপ্লব শুরু হয়। প্রথম ১৬৬৭ সালে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের রাস্তায় রাস্তায় মোমবাতি লাগানো শুরু হয়। ২ বছর পর তেলের বাতি আবিষ্কার হয়। এরপর, লন্ডন সহ ইউরোপের প্রায় ৫০ টি শহরের রাস্তায় রাস্তায় তেলের বাতি লাগানো শুরু হয়। উদাহরণ স্বরূপ, Leipzig নামক জার্মানের ছোট্ট একটি শহরের কথা উল্লেখ করা যাক। এই শহরে মাত্র ১০০ জন মানুষ কাজ করতো। কিন্তু শহরটির বিভিন্ন রাস্তায় ৭০০টি বাতি বসানো হয়েছিলো।

এসব কৃত্রিম আলো সৃষ্টি করার কারণে মানুষের সুস্থ-স্বাভাবিক-প্রাকৃতিক ঘুমের রুটিনটি পরিবর্তন হয়ে যায়। মানুষ আস্তে আস্তে ভাবতে শুরু করলো যে, রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যাওয়া মানে হলো সময় অপচয় করা। দিনের কাজ দিনের আলোর মধ্যে শেষ করে ফেলার যে তাড়না অতীতের মানুষের মধ্যে ছিল, তা আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যায়। মানুষের মধ্যে অলসতা ও বিলাসিতা চলে আসে। দিনের কাজ দিনের আলোর মধ্যে শেষ না করে মানুষ তা রাতের জন্যে রেখে দিতো। ফলে অনিবার্য কারণেই রাতের ঘুমটি দিনের আলোর মধ্যে প্রবেশ করলো, এবং মানুষ তাদের সুস্থ-স্বাভাবিক-প্রাকৃতিক ঘুমের রুটিনটি হারিয়ে ফেলে।

১৯২০ সালের দিকে এসে শহরের মানুষ তাদের সুস্থ-স্বাভাবিক-প্রাকৃতিক ঘুমের নিয়মটি একেবারেই ভুলে গেল। সূর্যাস্তের ২/৩ ঘণ্টা পর ঘুমিয়ে যাওয়া, ৪/৫ ঘণ্টা ঘুমানোর পর দু’এক ঘণ্টার জন্যে রাত জেগে ইবাদত বা ব্যক্তিগত কাজ করা, এরপর আবার কিছুক্ষণের জন্যে দ্বিতীয় ঘুম দেওয়া, তারপর দিনের আলো আসার সাথে সাথে আবার জেগে উঠা – এ নিয়মগুলো তখন মানুষের কাছে কাল্পনিক মনে হতে লাগলো।
রাতের ঘুম চলে আসলো দিনের আলোতে, এবং দুই বা ততোধিক ঘুমের পরিবর্তে মানুষ একটি ঘুমের অভ্যাস করে ফেললো। মানুষ তাদের প্রাকৃতিক অভ্যাস ত্যাগ করলো, ফলে প্রকৃতিও মানুষের সাথে বিদ্রূপ আচরণ শুরু করলো। দিনের বেলা ঝিমুনি, মাথা ব্যথা, হতাশা, কাজে অমনোযোগ, অলসতা, দুর্বলতা, অযথা রাগান্বিত হওয়া সহ নানা কিছু মানুষের স্বাভাবিক অভ্যাসে পরিণত হলো।

১৯৯০ সালে সাইকোলজিস্ট Thomas Wehr একদল মানুষের উপর গবেষণা পরিচালনা করেন। ঐ মানুষদেরকে প্রতিদিন ১৪ ঘণ্টা অন্ধকারে রাখা হত। এভাবে এক মাস রাখা হলো। ফলে, তাদের ঘুমের অভ্যাসটি পরিবর্তন হয়ে গেল। তারা সূর্যাস্তের কিছুক্ষণ পর পরেই ঘুমিয়ে পড়তো, ৪/৫ ঘণ্টা ঘুমিয়ে ১/২ ঘণ্টার জন্যে জেগে থাকতো। এরপর আবার দ্বিতীয় ঘুম যেতো, এবং সূর্যোদয়ের আগেই জেগে উঠতো। এই গবেষণাটির পর ঘুম বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে, সুস্থ, স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক ঘুমের রুটিন হলো এটাই।

অ্যামেরিকার অন্যতম একজন ‘ঘুম বিশেষজ্ঞ’ হলেন Dr Charles Czeisler। তাঁর মতে, ঘুম হচ্ছে সবচেয়ে ভালো এবং উপকারী ঔষধের নাম। সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনের জন্যে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ঘুমানো উচিত। অবশ্যই রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো উচিত। এবং দুপরের পর কিছুক্ষণ ঘুমানো উচিত। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্তত দুইবার ঘুমানো উচিত।

চার্লস সিজিলার এর মতে, সূর্যাস্তের কিছুক্ষণ পরপরেই মানুষের ঘুমের হরমোনগুলো কাজ করতে শুরু করে। মানুষ যদি রাতের প্রথম অংশ না ঘুমায়, তাহলে ক্যান্সার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও বিষণ্ণতা সহ অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়। রাতের প্রথমাংশে ঘুমালে খুব সহজে এসব অসুখগুলো শরীরে দানা বাঁধতে পারে না।

অ্যামেরিকার Sleep Foundation এর তথ্য অনুযায়ী, মানুষ রাতের প্রথমাংশে ঘুম না যাবার প্রধান কারণ হলো ইন্টারনেট, স্মার্ট ফোন, ই-রিডার, ট্যাব, ল্যাপটপ, কম্পিউটার এবং টেলিভিশন জাতীয় টেকনোলোজিক্যাল পণ্য সমূহের ব্যবহার। ভালো ঘুম যাবার লক্ষে সূর্যাস্তের সাথে সাথে এসব টেকনোলোজিক্যাল পণ্য সামগ্রীর ব্যবহার থেকে নিজেকে দূরে রাখা উচিত।

স্মার্ট ফোনের প্রতি তরুণ প্রজন্মের আসক্তি নিয়ে মনোবিজ্ঞানী Jean M. Twenge একটি চমৎকার গবেষণামূলক বই লিখেন। বইটির নাম – iGen অর্থাৎ “ইন্টারনেট প্রজন্ম”। তাঁর মতে, স্মার্ট ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে তরুণ প্রজন্ম অনেক পিছিয়ে যাচ্ছে। উদাহরণ স্বরূপ তিনি বলেন, ইন্টারনেট প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা যে বয়সে গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পাওয়ার কথা ছিল, সে বয়সে তারা গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পাচ্ছে না। এবং ইন্টারনেট প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা সুস্থ-স্বাভাবিক সামাজিক আচরণেও অভ্যস্ত হতে পারছে না। এর কারণ হিসাবে তিনি বলেন যে, ই-প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা রাত জেগে স্মার্ট ফোন ব্যবহার করছে, ফলে তারা নিয়মিত ও যথেষ্ট ঘুমাতে পারছে না।

জিন টুইঙ্গের মতে, ইন্টারনেট প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা যতবেশি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে, ততবেশি তারা অসুখী, একাকীত্ব ও বিষণ্ণতা অনুভব করছে, এবং আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে।
❤ সংগ্রহ ❤

01/03/2023

বই কল্পনাশক্তি বাড়ায়; বাড়ায় একাগ্রতা।

ভিডিওতে আপনি যা দেখার, তা দেখে ফেলেন। একে অন্যভাবে কল্পনা করা যায় না।

কিন্তু বই পড়ে একেকজন চিন্তাভাবনা অনুযায়ী একেকভাবে চরিত্রের অবয়ব আর ঘটনাবলি কল্পনা করে। এই প্র্যাক্টিস তার কল্পনাশক্তি বাড়ায়।

গ্রন্থ একাগ্রতা বৃদ্ধি করে। তথ্য বিপ্লবের এই যুগে চারপাশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন নোটিফিকেশন যেসব টুংটাং শুরু করে এবং এত এত অপশন -এখানে গান তো ওখানে netflix, এদিকে আর্টসেলের অতৃতীয় তো ওদিকে ভাইরাল ভিডিও -সবকিছু মানুষের চিন্তার একাগ্রতাকে টুকরো টুকরো করে ফেলছে।

বই এর বিপরীতে কাজে পূর্ণ মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে; সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

তাই গ্রন্থের জয় চিরকাল ছিল, আছে, থাকবে।।

ভা‌লোবাসা‌ সর্বদা আপনা‌দের সা‌থে থাকুক।

Address

Govt. Debendra College
Manikganj
1800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Department of Chemistry, Govt. Debendra College, Manikgonj. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share