FEAR ALLAH

FEAR ALLAH FEAR ALLAH -একটি সহীহ্ সুন্নাহ ও কুরআন প্রচা?

যখন আল্লাহ কাউকে খুব করে চান, তখন তার চারপাশ থেকে সবাইকে সরিয়ে দেন। সবার প্রতি হতাশ করে দেন মানুষটিকে। কারো প্রতি বিন্দু পরিমাণ আশা ভরসা অন্তরে অবশিষ্ট রাখেন না। গোটা সৃষ্টির থেকে বান্দার মুখ সরিয়ে নেন। একাকীত্বের এমন এক জগতে তাকে নিয়ে যান, যেখানে শুধু সে আর আল্লাহ আছেন।
এরপর তাকে ছেড়ে দেন। একেবারে ছেড়ে দেন ওভাবে। যতক্ষণ না সে বুঝতে পারে। ওপরে তাকায়। এবং ফিরে আসে...
ফিরে আসার সেই মুহূর্

তটি হয় অশ্রুঝরা। মনের আকাশ তখন বড্ড মেঘাচ্ছন্ন। প্রতিটি অশ্রুবিন্দু যেন বৃষ্টিফোটা। প্রতিটি দীর্ঘশ্বাস যেন দমকা হাওয়া...
বান্দা জমিন থেকে ওঠতে থাকে। মেঘ ভেদ করে যেতে থাকে। অতিক্রম করতে থাকে একেকটি আসমান। এভাবে তার রূহ পৌঁছে যায় আরশে আযীমে...
তখন সিজদায় যে স্বাদ, একাকীত্বে যে প্রশান্তি, নিরবতায় যে তৃপ্তি, কোনো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
রূহ যখন এই স্তরে পৌঁছে যায়, তখন জবান থেকে এমন কথাই বের হয়ে আসে, যেমনটা ইবনু তাইমিয়াহ রহ. বলেছেন,
إن في الدنيا جنة، من لم يدخلها لا يدخل جنة الآخرة.
'নিশ্চয়ই দুনিয়াতে একটি জান্নাত আছে। আর যে সেই জান্নাতে প্রবেশ করল না, পরকালের জান্নাতেও সে প্রবেশ করবে না।'

আমির ইবনু আব্দুল্লাহ রাহিমাহুল্লাহ। তার বাড়িটি ছিল মসজিদের পাশেই। জীবনের শেষ মুহূর্তে অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। একেবা...
08/11/2020

আমির ইবনু আব্দুল্লাহ রাহিমাহুল্লাহ। তার বাড়িটি ছিল মসজিদের পাশেই। জীবনের শেষ মুহূর্তে অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। একেবারে মৃতপ্রায় অবস্থা। কিন্তু মসজিদের আজান শুনতেই বলে উঠলেন, ‘আমার হাত ধরো। আমাকে মসজিদে নিয়ে যাও।’
প্রিয়জনেরা অনুনয় করে বললেন, ‘আপনি তো খুব অসুস্থ। এ অবস্থায় মসজিদে!’
তিনি জবাব দিলেন, ‘আল্লাহর দাঈ আহ্বান করছে, আমি কি তার জবাব না দিয়ে শুয়ে থাকব?’

মাগরিবের ওয়াক্ত ছিল। তাকে হাত ধরে মসজিদে আনা হলো। ইমামের সাথে তিনি এক রাকআত আদায় করলেন। কিন্তু কে জানত এই এক রাকআত-ই তার জীবনের শেষ সালাত? তিনি আল্লাহর দাঈর আহ্বানে সাড়া দিতে মসজিদে এসেছিলেন। এবার স্বয়ং আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়েই চলে গেলেন, চিরদিনের জন্য।’
ইবরাহিম ইবনু মাইমুন আস-সায়িগ রাহিমাহুল্লাহ সম্পর্কে ইমাম ইবনু মায়িন রাহিমাহুল্লাহ বলেন, তিনি কখনো কোনো কাজের জন্য হাতুড়ি ওঠানোর পর আজানের শব্দ শুনতে পেলে, সেই হাতুড়ি আর নিচে নামাতেন না (বরং ফেলে রেখে সাথে সাথে মসজিদে চলে যেতেন)।’

আল্লাহর শপথ! নিশ্চয় সালাতেই মানুষের মঙ্গল; সালাতেই রয়েছে মানুষের সামগ্রিক কল্যাণ; দুনিয়া-আখিরাতের সফলতা। এতেই নিহিত আছে মানুষের আত্মিক ও চারিত্রিক সংশোধন।
আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় মুমিনরা সফলকাম, যারা তাদের সালাতে বিনয়ী-একাগ্রচিত্ত।’[ সুরা মুমিনুন, আয়াত : ১-২]
📘 বই: হাইয়া আলাস সালাহ’
✍️মূল: আবু আব্দিল আযিয মুনির আল-জাযায়িরি

সমালোচনা মানেই কি খারাপ?শায়খ আদহাম শারকাভি বলেন,  'সাধারণভাবে একজন মানুষ চায়, অন্যরাও তার মতো হয়ে যাক। ব্যভিচারী লোকের আ...
08/11/2020

সমালোচনা মানেই কি খারাপ?
শায়খ আদহাম শারকাভি বলেন,
'সাধারণভাবে একজন মানুষ চায়, অন্যরাও তার মতো হয়ে যাক। ব্যভিচারী লোকের আকাঙ্ক্ষা থাকে—সকল মানুষ যদি ব্যভিচারে লিপ্ত হতো! পুরুষালি স্বভাবের নারীদের আকাঙ্ক্ষা থাকে—যদি সকল নারীই তাদের মতো পুরুষের ভঙ্গিমা গ্রহণ করত! চোরদের আকাঙ্ক্ষা থাকে—সকল মানুষ যদি চুরি করত!
এ কারণেই হকপন্থীদের সদাচারে বাতিলপন্থীরা সবসময় ব্যাপক অস্বস্তি বোধ করে। একজন বিশ্বস্ত লোক নিয়োগ করা মানেই চোরদের চেহারায় চপেটাঘাত করা। একজন সচ্চরিত্রবাণ ব্যক্তির আবির্ভাব ব্যভিচারীদের মধ্যে পিঠের চামড়া তুলে ফেলার মতো আঘাত তৈরি করে। একজন ভদ্র কর্মচারীর ব্যক্তিত্ব ঘুষখোর কর্মচারীদের মনে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি করে। আর হকপন্থীরা সবসময় বাতিলপন্থীদের ভুলত্রুটির সমালোচনা করে থাকে। এ কারণেই বাতিলপন্থীরা চায়, হকপন্থীরা সবাই যেন তাদের মতো হয়ে যায়।'(১)
তাই আপনি যদি সত্যের ওপর থাকেন, তাহলে কেউ সমালোচনার তীর ছুঁড়ে দিলেই ঘাবড়ে যাবেন না। হতে পারে আপনি এমন এক ক্লাসে পড়ছেন, যেখানে আপনার সকল সহপাঠীরা হারাম রিলেশনে ডুবে আছে। রিলেশন ছাড়া এক মুহূর্তও তারা কল্পনা করতে পারে না। এমতাবস্থায় এটা খুব অসম্ভব নয়, তারা আপনার পবিত্রতাকে ভালোভাবে নেবে না। অনুরূপভাবে হতে পারে আপনি এমন একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরী শুরু করলেন, যেখানে প্রত্যেক কর্মচারীর মাঝে কম বেশি দুর্নীতির প্রবণতা আছে। প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে সবাই লুটেপুটে খাচ্ছে। এমন পরিবেশে আপনি শতভাগ ন্যায়ের পরিচয় দিয়ে থাকবেন, সেটা তারা ভালো চোখে দেখবে না। এরকম বহু উদাহরণ দেয়া যায়, যা আমাদের নিত্যদিনের অংশে পরিণত হয়েছে। জীবনের বাঁকে বাঁকে আমরা এরকম বহু পরিস্থিতির সম্মুখীন হই। আমরা যারাই স্রোতের বিপরীতে চলতে বদ্ধপরিকর, সবাই কম বেশি এসব ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী হই। সত্যের পথে চলতে গেলে মিথ্যার অনুসারীদের বাধার সম্মুখীন হবেন না, এটা অসম্ভব।
তাই দমে যাবেন না। সমালোচনার তীর আসবেই। তাই বলে বুক পেতে দেবেন না। ন্যায়ের ওপর অবিচল থেকে তাদেরকেই চপেটাঘাত করুন। মনে রাখবেন, আমাদের আদি পিতাও সমালোচিত হয়েছিলেন। মানব সৃষ্টির শুরুতেই হিংসার আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। একটা শ্রেণি সবসময় ছিল, যারা নবী রাসূলদের বিরোধিতায় অগ্রগামী ছিল। তাই বলে সত্য প্রচারে তাঁরা পিছুপা হয়ে যান নি। বরং সত্যের দ্বারাই তারা মিথ্যাকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছেন। আল্লাহর এই বাণীর ওপর আস্থা রাখুন:
وَ یُحِقُّ اللّٰہُ الۡحَقَّ بِکَلِمٰتِہٖ وَ لَوۡ کَرِہَ الۡمُجۡرِمُوۡنَ
'আল্লাহ নিজ বাণী দ্বারা সত্যকে সত্যরূপে প্রতিষ্ঠা করেন; যদিও অপরাধীরা তা অপছন্দ করে।' (সূরা ইউনুস, ১০: ৮২)

-----------
(১) সূত্র: নবীজির পাঠশালা ﷺ (লেখক: ড. আদহাম আশ শারকাভি)

08/11/2020
06/11/2020

হে মুমিন ধৈর্য ধরো;হতাশ হয়োনা।

গতবছর বিদ্যানন্দ আমাদের সাথে একটা গেইম খেলে। নেতৃত্ব থেকে সড়ে আসার নাটক সাজিয়ে দ্বীনি চেতনা লালনকারীদের প্রতি সাধারণ মান...
06/11/2020

গতবছর বিদ্যানন্দ আমাদের সাথে একটা গেইম খেলে। নেতৃত্ব থেকে সড়ে আসার নাটক সাজিয়ে দ্বীনি চেতনা লালনকারীদের প্রতি সাধারণ মানুষদের মাঝে এক প্রকার ঘৃণাবোধ তৈরি করে। এবং নিজেরা সিম্পেথি অর্জন করে নেয়। এই ধরণের সিম্পেথি গেইমগুলোতে নির্দিষ্ট চেতনাকে কালারিং করা যায় এবং সেই চেতনার ধারকবাহকদের ভিতর স্বীয় বিশ্বাসের প্রতি আপোষ এবং কৈফিয়তবাদী মানসিকতা ঢুকিয়ে দেয়া যায়। (ঐ সময়টাতে বিভিন্ন সেলিব্রেটির পোস্টে আমরা এর বাস্তবতা দেখতে পেয়েছি)। আর এই সুযোগে তারা যেই আদর্শ ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছে সেটার জন্যও একটা নিরাপদ ও প্রশ্নহীন প্লেস তৈরি করা যায় সাধারণ লোকদের ভিতর।

বিদ্যানন্দ নিছক দাতব্য কোন প্রতিষ্ঠান নয়। বরং সেবার পাশাপাশি তারা নির্দিষ্ট আদর্শ মুসলিমদের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এটা কেবল দাবিই নয়; বরং তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম ও ভাষ্যে এর সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। কিছুদিন আগে তাদের পেইজ থেকে আপলোড করা এক পোস্টে দেখানো হয়, কিছু মাদ্রাসার ছাত্র পূজার ভোজ আয়োজনে খাবার গ্রহণ করছে।[১] যদিও সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, কোন মাদ্রাসার ছাত্রই এই ধরণের আয়োজনে অংশগ্রহণ করেনি।[২] কিন্তু উদ্দেশ্যমূলকভাবে তারা এই চিত্রগুলো দেখিয়ে মুসলিমদের ঈমানী গায়রাত ও কুফুরের প্রতি সহজাত ঘৃণাবোধকে নষ্ট করে দিতে চাচ্ছে। এর আগে তারা পূজার অনুষ্ঠান থেকে এক মাদ্রাসার ছাত্রকে পাঞ্জাবি প্রদানের একটি চিত্র বেশ কয়েকটি দৈনিক পত্রিকাতে ছড়িয়ে দেয়। [৩]

মানবতা ও সেবার নামে তারা এই ধরণের আরো অনেক চিত্র ও শ্লোগানকে প্রচার করছে। যেই চিত্র ও শ্লোগানগুলো ঈমান ও কুফুরের সীমানাকে মিটিয়ে দেয়। একজন মুসলিমের ঈমানকে নষ্ট করে কুফুরে প্রবেশ করিয়ে দেয়। এমনকি সংশ্লিষ্ট পোস্টগুলোর কমেন্ট বক্সে মুসলিম নামধারী আইডি সমূহের মন্তব্য দেখলে শিউরে উঠতে হয়। কত মুসলিম আজকে হিউম্যানিজম আর ইন্টারফেইথের ধর্মে দীক্ষিত হয়ে যাচ্ছে নিজের অজান্তেই।

আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় বিষয় হল, আমরা আল্লাহর বান্দা। আমাদের সর্বপ্রথম পরিচয় হল আমরা মুসলিম। আমাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু হল, আমাদের ঈমান। এই জায়গাগুলোতে কোন কম্প্রোমাইজের সুযোগ আল্লাহ আমাদের দেননি। আমরা আল্লাহর নির্ধারণ করে দেয়া অধিকার ও মানবতাকে বাস্তবায়ন করি। মানব রচিত কোন অধিকার ও মানবতার ধারণাকে আমরা বিশ্বাস করি না। বরং ঘৃণাসহ সেগুলোকে আমরা প্রত্যাখ্যান করি।

আমাদের শরীয়ত অবস্থাভেদে অমুসলিমদেরকে তাদের অভাব, চিকিৎসা, আহার সহ এই ধরণের মানবিক জায়গাগুলোতে সাহায্য করার অনুমোদন দেয়। কিন্তু তাদের ধর্মীয়, কুফুরি, শিরকি আয়োজনে কোন ধরণের সহায়তা ও অংশগ্রহণের বৈধতা দেয় না। মহান আল্লাহ তা'য়ালা কুফুর ও শিরককে আমাদের কাছে ঘৃণিত করে দিয়েছেন। ফলে এর থেকে সর্বপ্রকার দূরুত্ব বজায় রাখি। আমাদের রব সৎ কাজে একে অপরকে সহায়তা করতে বলেছেন। কিন্তু কুফুর ও শিরকি কর্মকাণ্ড থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

আমরা বিশ্বাস করি ধর্মে ধর্মে ভেদাভেদ আছে। এই ভেদাভেদ ঈমান ও কুফুরের। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের দ্বীনে ইসলাম একমাত্র সত্য, বাকি সব ধর্ম মিথ্যা ও বাতিল। আমরা বিশ্বাস করি, একজন মানুষ যত ভাল কাজই করুক- ইসলাম গ্রহণ না করলে সে চিরস্থায়ী জাহান্নামে যাবে। এবং আমাদের একজন নিম্নতম মুসলিমও তার থেকে উত্তম। কিন্তু এই ভেদাভেদের কারণে আমরা আল্লাহপ্রদত্ত ন্যায়ের সীমাকে অতিক্রম করি না। আল্লাহর জন্যই আমাদের সম্পর্ক ও ভালবাসা, আল্লাহর জন্যই আমাদের বিচ্ছেদ ও ঘৃণা।

বিদ্যানন্দ ইসলামের এই মৌলিক বিশ্বাসগুলোতেই আঘাত হানছে। উপরোক্ত বিশ্বাসগুলো পোষণ করা ছাড়া কেউ মুসলিম থাকতে পারে না। মানবতার দোহাই দিয়ে এই বিশ্বাসগুলোকে তারা উগ্র হিসেবে আখ্যায়িত করছে। মানবতার দোহাই দিয়ে উল্লেখিত বিশ্বাসগুলোকে প্রত্যাখ্যান করা, অস্বীকার করা কিংবা উগ্র মনে করার নামই হিউম্যানিজম। হিউম্যানিজম ইসলাম বিরোধী একটি দর্শন, ধর্ম ও বিশ্বাস। আল্লাহ প্রদত্ত শরীয়তকে বাদ দিয়ে মানব কল্পনাপ্রসূত হিউম্যানিটির ধারণাকে প্রাধান্য দেয়া প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর দ্বীনকে অস্বীকার করারই নামান্তর। আজ অনেক অবুঝ মুসলিম হিউম্যানিজমের ধর্মে দীক্ষিত হয়ে আল্লাহর দেয়া শরীয়তকে ঘৃণা করছে এবং সেটাকে উগ্র মনে করছে। এর পিছনে ভূমিকা রাখছে বিদ্যানন্দের মত সেবাদানকারী নানা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিত্ব। সুতরাং মানবসেবা করতে গিয়ে হিউম্যানিজমে দীক্ষিত হয়ে আমরা যেন আখেরাতে এর মূল্য না হারিয়ে ফেলি, আমরা যেন সেবার নামে নিজের ঈমানকে প্রত্যাখ্যান করে না বসি- সে ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। এবং এই ধরণের প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের ব্যাপারে মুসলিমদের ভিতর সচেতনা তৈরি করতে হবে।

লেখাঃ Iftekhar Sifat ভাই

নিজের নেক আমলগুলো যথাসম্ভব গোপন রাখুন!সৌভাগ্যবান সেই সাত প্রকার মানুষ—যাদেরকে আল্লাহ্ আরশের ছায়ায় স্থান দিবেন—তাদের মধ্য...
06/11/2020

নিজের নেক আমলগুলো যথাসম্ভব গোপন রাখুন!

সৌভাগ্যবান সেই সাত প্রকার মানুষ—যাদেরকে আল্লাহ্ আরশের ছায়ায় স্থান দিবেন—তাদের মধ্যে দুজন হলো-যে এমনভাবে দান-সাদাকাহ করে তার ডান হাত কী দান করছে তা তার বাম হাত টের পায় না। অপরজন হলো যে নির্জনে নিভৃতে আল্লাহ্কে স্মরণ করে আর তার চোখ দিয়ে অবিরত অশ্রু বয়ে যায়।
(বুখারি- ১৪২৩, মুসলিম- ১০৩১)

তাদের উভয়ের আমলের কমন বৈশিষ্ট হলো, তাদের আমলে গোপনীয়তা লক্ষণীয়।

মদিনার বিখ্যাত ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) বলেন,
যে ব্যক্তি মৃত্যু-যন্ত্রণা ও কিয়ামাতের দুর্বিষহ পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পেতে চায়, সে যেন প্রকাশ্যে আমলের চেয়ে গোপনে অধিক আমল করে।
[তারতিবুল মাদারিক ওয়া তাক্বরিবুল মাসালিক]

সাহাবাদের মধ্যে এটি ছিলো একটি সাধারন বৈশিষ্ট।

আবু বকর রাঃ চুপে চুপে গিয়ে এক বৃদ্ধার খেদমত করে আসতেন এবং তাকে খাইয়ে দিতেন। এটি জানতে পেরে উমার রাঃ ও সেই বৃদ্ধার খেদমত করার সুযোগ খুঁজতেন। আলি বিন যাইনুল আবিদিন রহঃ নিজ কাঁধে করে বস্তিবাসীদের নিকট খাবার পৌঁছাতেন অথচ তাদেরকে তিনি নিজের পরিচয় দিতেন না। যেদিন তিনি মারা যান, সেদিন তাঁর পিঠে দাগ দেখা যায়। সেটা দেখে এবং বস্তিবাসীর খাবারের জন্য হাহাকার দেখে সবাই বুঝতে পারে যে, তিনি এতদিন সংগোপনে খাবার পৌঁছে দিতেন। এমন উদাহরণ সাহাবা-তাবিঈদের মাঝে অসংখ্য।

ইবনুল কায়্যিম (রহঃ) বলেন,
পূর্বসূরি নেককারদের একটি বৈশিষ্ট ছিলো যে, তাঁরা অন্তত একটি বিশেষ নেক আমলকে এতটাই গোপন রাখতেন যে, তাঁদের স্ত্রী বা পরিবারের সদস্যরাও তা জানতো না। এর কারণ হলো, অন্তত এই একটি আমল কবুল হওয়ার ব্যাপারে যাতে পুরোপুরি পরিতুষ্ট ও নিশ্চিন্ত থাকা যায়। কারণ, আমাদের নেক আমলগুলোতে প্রায়ই লৌকিকতার মিশ্রণ থাকে ও প্রদর্শনেচ্ছ বা রিয়ার যোগ থাকে।

উল্লেখ্য, গোপন আমলে উৎসাহিত করা হচ্ছে মানে এই না যে, প্রকাশ্যে নেক আমল করা যাবে না,অবশ্যই করা যাবে। এর প্রমাণও সাহাবাদের মধ্যে অহরহ আছে। তবে, গোপন আমল উত্তম। গোপন আমলে ইখলাস থাকে বেশি। বিশেষতঃ ফরজ আমল প্রকাশ্যে এবং নফল আমল গোপনে করা উত্তম। তাছাড়া, মানুষকে নেক কাজে উৎসাহিত করার জন্য প্রকাশ্যে নেক আমল করা উত্তম, যদি নিজের নিয়ত, উদ্দেশ্যে নিষ্ঠা ও সততা থাকে।এটা অনেক সময়ই রক্ষিত হয়না,সেকারণেই গোপনে করার প্রসংগটি এসেছে।
✍️লেখা: জামান শামস

আমাদের সর্বশেষ published ভিডিও দেখতে নিচের লিংকে ঘুরে আসুন
05/11/2020

আমাদের সর্বশেষ published ভিডিও দেখতে নিচের লিংকে ঘুরে আসুন

Assalamualikum.Jajakallahu khairan our Brothers and sisters for visiting our Baseemah media channel. –––––––––––––––––––––––––––––––––––– Please don’t forget...

05/11/2020

Surah Al-Muzammil : 15-18
Abdur Rahman Mossad

Address

Mirpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FEAR ALLAH posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to FEAR ALLAH:

Share