12/04/2014
আমাদের কথা
আমরা সবাই মানুষ। সবুজ-শ্যামল এই বাংলায় আমাদের বসবাস। আল্লাহ আমাদের সৃষ্টিকর্তা এবং হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী। ইসলাম হল আল্লাহর পক্ষ হতে মনোনীত ধর্ম। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ নিশ্চয় আল্লাহর কাছে মনোনীত চিরন্তন ধর্ম হল ইসলাম। (সূরা আলে-ইমরান,১৯)
কুরআন-হাদীস হল আমাদের সংবিধান। আর এই সংবিধান মোতাবেক জীবন যাপন করা প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব। তাহলে জীবন হবে স্বার্থক ও সফল। আল্লাহ তা’য়ালা বলেনঃ আমি কোরআন অবতীর্ণ করেছি । ( সূরা হিজর,৯)
আর এটা এমন কিতাব যাতে কোন সন্দেহ নেই। মুত্তাকী-পরহেজগারদের জন্য এটা পথ প্রদর্শনকারী। (সূরা আল-বাকারা,২)
আর তাই কুরআন-হাদীসের ইলম্ (জ্ঞান) অর্জন করা সকলের উপর আবশ্যক। যেমন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ
ইলমে দ্বীন হাসিল করা প্রত্যেক মুসলমানের (গুরুত্বপূর্ণ) ফরীযা বা কর্তব্য।
আর এই জ্ঞান আহরণের মাধ্যমে সর্বত্র ঘটবে মনুষ্যত্বের বিকাশ। নচেৎ সর্বত্র বিরাজ করবে অশান্তি আর বিশৃংখলা। বর্তমান যুগে যা আয়নার মত বাস্তব ও পরিস্ফুট। নীতি-নৈতিকতা ও চারিত্রিক অবক্ষয়ের সয়লাব চারদিকে। ফলে অকালেই ঝড়ে পড়ছে অবুঝ কোমলমতি শিশু-কিশোরদের মূল্যবান জীবন। এই চারিত্রিক অবক্ষয়রোধে প্রয়োজন আল¬াহ প্রদত্ত ইলম ওহীর জ্ঞান। তাহলে দেশ ও জাতি ফিরে পাবে সুস্থ সুন্দর সমাজ, মুসলমানরা পাবে তাদের হারানো সেই সোনালী যুগ।
আর দুনিয়ায় চলার পথে যেহেতু প্রয়োজন জাগতিক শিক্ষা। সুতরাং এই জাগতিক শিক্ষা যদি হয় কুরআন-হাদীসের আলোকে, তাহলে সেটা হবে ভবিষ্যত প্রজন্মের চলার পথের পাথেয় ও মশাল স্বরূপ। যা বিদূরিত করবে চারিত্রিক অবক্ষয়ের সকল কালিমা। আল্লাহর মেহেরবানিতে এই আশা আর স্বপ্ন নিয়ে ইসলাম ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে, প্রকৃত মানুষ গড়ার প্রত্যয়ে-আমাদের সোনার বাংলাকে একটি আদর্শ ও সচ্চরিত্রবান জনগোষ্ঠী উপহার দিতে-শরীয়তসম্মত ও আধুনিক পাঠ্যক্রমকে সামনে রেখে-“রাহমানিয়া তানযীমুল আশতাত স্কুল এন্ড মাদ্রাসা” নামে একটি ব্যতিক্রমধর্মী আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
যাতে থাকছে একটি গঠনমূলক সৃজনশীল এবং আদর্শিক সিলেবাস। যা কুরআন-হাদীস, মাসআলা-মাসাইল, ইসলামী আকাঈদ, আখলাক, আমল এবং পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজী, গণিত, সমাজ, ভূগোল, ইতিহাস ও নীতি-নৈতিকতার সমন্বয়ে গঠিত একটি মার্জিত সিলেবাস।
রাহমানিয়া তানযীমুল আশতাত স্কুলের প্রাথমিক কার্যক্রমঃ প্লে-গ্রুপ হতে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ক্লাস খোলা হয়েছে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের পি.এস.সি পরীক্ষা দেওয়ারও সু-ব্যবস্থা রয়েছে। আশাকরি আপনারাও আমাদের প্রতিষ্ঠানের কল্যাণে শ্রম, মেধা, শক্তি ও সু-পরামর্শ দানের মাধ্যমে আমাদের এগিয়ে চলার পথকে আরো বেগবান করবেন। আল্লাহ তা‘য়ালা আমাদের সকলের প্রতি সহায় হউন। (আমীন)