Bikrampur Tongibari College

Bikrampur Tongibari College It is a best college in Munshiganj

25/06/2025
27/12/2018

এই পেইজ পরিচালনার জন্য কয়েকজন এডমিন নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা কমেন্ট করুন।
বিঃদ্রঃ আগ্রহীদের এই প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অথবা প্রাক্তন শিক্ষার্থী হতে হবে। বর্তমান শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এবং নিয়মিত প্রতিষ্ঠানের আপডেট নিউজ পেইজ এ দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

24/03/2017

বিশ্বাস করুন আপনিও পারবেন|আপনার মাঝে রয়েছে
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖ স্পেশাল কিছু,যা অন্যের মাঝে নেই
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
কোন কিছু নিয়ে শুরু করার পর বিফল হলে আমরা থেমে যাই। কিন্তু কেন? জীবনে একটা ছোট্ট বিফলতা মানে এই না যে আপনার সবকিছু শেষ। আপনি আর কোন ভাবেই শুরু করতে পারবেন না। আপনার জন্য সুযোগ সব সময় অপেক্ষা করে কিন্তু আপনি চিনতে ভুল করছেন? একবার ভাবুন তো আপনার কি নেই যার জন্য আপনি পারবেন না? দেখুন তো যারা সফল হয়েছে তাদের বাড়তি কিছু ছিল কিনা?
১. যদি স্কুলের বাস্কেটবল টিম থেকে বাদ পড়া ছেলেটি পরের দুই যুগে বাস্কেটবল ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম প্লেয়ার মাইকেল জর্ডান হতে পারে তাহলে আপনার অনেক কিছু করে দেখানো এখনো বাকি।
২. যদি ইউনিভার্সিটিতে সিনেম্যাটিক আর্টসে ভর্তি হতে না পারা ছেলে আজকের ইনস্টিটিউট অফ সিনেমা লেজেন্ডারি স্টিভেন স্পিলবার্গ হতে পারে তাহলে আপনিও কিছু একটা করে দেখাতে পারবেন।
৩. যদি নয় বছর বয়সে চাচাতো ভাইদের দ্বারা যৌন নির্যাতনের স্বীকার হওয়া দরিদ্র মায়ের কালো মেয়েটি একদিন টিভি লিজেন্ড অপরা উইনফ্রে হতে পারে তাহলে আপনি কেন নিঃশেষ হয়ে যাবেন?
৪. যদি মাথায় ক্রিয়েটিভিটির অভাবের দুর্নাম নিয়ে চাকরি থেকে ব্যর্থ যুবকটি পরবর্তীতে নিজেকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম ক্রিয়েটিভ আর্টিস্ট ওয়াল্ট ডিজনিতে পরিণত করতে পারে তাহলে আপনিও বাদ যাবেন না।
৫. যদি ওয়েইট্রেসের কাজ করা সিঙ্গেল মাদার মহিলাটি নিজের লেখা পান্ডুলিপি নিয়ে ২৭ জন প্রকাশকের কাছে ঘুরে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত এক প্রকাশকের আট বছরের বাচ্চা মেয়ের অনুরোধে বই প্রকাশিত হওয়ার পর সেই বই হ্যারি পটার আর লেখিকার নাম জে কে রাওলিং হতে পারে তাহলে আপনার হতাশ হওয়ার মতো তেমন কিছু ঘটেনি।
৬. যদি চার বছর বয়স পর্যন্ত কথা বলতে না পারা, সাত বছর বয়স পর্যন্ত রিডিং পড়তে অক্ষম মানসিক প্রতিবন্ধি হিসেবে ধরে নেয়া বালকটি একদিন আলবার্ট আইনস্টাইন হতে পারে তাহলে আপনিও কিছু একটা হতে পারবেন।
৭. যদি ছেলেবেলায় হরমোন ডেফিশিয়েন্সি, অপুষ্টির স্বীকার ছেলেটি যার বাবার চিকিৎসা করানোর মতো টাকা ছিলনা সে একদিন সাফল্যে আকাশ ছুতে পারা লিওনেল মেসি হতে পারে তাহলে আপনার সামনেও নিশ্চিত অনেক দরজা খোলা আছে।
৮. যদি পেটে ভাত জোগাতে প্রিয় কুকুরটিকে ৫০ ডলারে বিক্রি করে দেয়া লোক, যার স্ত্রী অভাবের কারণে তাকে ছেড়ে দিয়েছিল সে আজকে সর্বকালের অন্যতম সেরা অ্যাকশন হিরো সিলভেস্টার স্ট্যালোন হতে পারে তাহলে আপনিও কিছু একটা হতে পারবেন।
৯. যদি নিজের কোম্পানি থেকে নিজেই বরখাস্ত হওয়া দুর্ভাগা ব্যক্তিটি পরবর্তীতে বিশ্বকে পাল্টে দেওয়া স্টিভ জবস হতে পারে তাহলে আপনারও অনেক কিছু করে দেখাবার বাকি আছে।
১০. যদি কালো হওয়ার কারণে শেতাঙ্গদের ট্রেনে জায়গা না পাওয়া ছোটখাট লোকটি একদিন মহাত্মা গান্ধী হতে পারে তাহলে আপনি কেন দমে যাবেন!?
১১. যদি সাতাশ বছর নির্জন দ্বীপে কারাবাস করার পর ফিরে আসা লোকটি দেশের প্রেসিডেন্ট এবং নোবেল বিজয়ী নেলসন ম্যান্ডেলা হতে পারে তাহলে আপনিও নিশ্চয়ই থেমে যাওয়ার পাত্র নন।
১২. যদি দু’পায়ে সাত বার সার্জারি করা ছেলেটি, সবাই যার ক্যারিয়ার শেষ ধরে নিয়েছিল সে ফিরে এসে নিজের দেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা হতে পারে তাহলে আপনারও উচিৎ…
লম্বা একটা দম নিয়ে আবার কাজের মাঠে নেমে যাওয়া।

04/12/2016

জাপানী দল বিশ্বকাপে হেরে গেলেও জাপানী দর্শকরা গ্যালারী পরিষ্কার করে স্টেডিয়াম ত্যাগ করেন। এ কেমন কথা? এটা কি কোন পরাজয়ের ভাষা! হেরেছিস- রেফারীর গুষ্টি তুলে গালি দে- বলে দে পয়সা খেয়েছে। বিয়ারের ক্যান, কোকের ক্যান, চিনাবাদামের খোসা যা পাস ছুড়ে দে। দুই দিন হরতাল ডাক। অন্তত বুদ্বিজীবিদের ভাষায় এটা তো বলতে পারিস যে খেলোয়াড় নির্বাচন ঠিক হয়নি- সরকারের অথবা বিরোধী দলের হাত আছে।
--
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে হেরে গিয়ে জাপানের সম্রাট হিরোহিতো আমেরিকার প্রতিনিধি ম্যাক আর্থারের কাছে গেলেন। প্রতীকি আইটেম হিসাবে নিয়ে গেলেন এক ব্যাগ চাল। হারাকিরি ভঙ্গিতে হাটু গেড়ে মাথা পেতে দিয়ে বললেন- আমার মাথা কেটে নেন আর এই চাল টুকু গ্রহণ করুন। আমার প্রজাদের রক্ষা করুন। ওরা ভাত পছন্দ করে। ওদের যেন ভাতের অভাব না হয়।
আরে ব্যাটা তুই যুদ্ধে হেরেছিস তোর আত্মীয় স্বজন নিয়ে পালিয়ে যা। তোর দেশের চারিদিকেই তো পানি। নৌপথে কিভাবে পালাতে হয় আমাদের ইতিহাস (লক্ষণ সেন) থেকে শিখে নে। কোরিয়া বা তাইওয়ান যা। ওখানকার মীরযাফরদের সাথে হাত মিলা। সেখান থেকে হুংকার দে।
সম্রাট হিরোহিতোর এই ক্যারেক্টার আমেরিকানদের পছন্দ হলো। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের কুখ্যাত মহানায়কদের মধ্যে কেবলমাত্র হিরোহিতোকে বিনা আঘাতে বাচিয়ে রাখা হলো।
--
জাপানে পড়তে আসা এক বাংলাদেশী ভাই একদিন ফোনে বললো- ভাই, বড়ই লজ্জায় আছি।
কেন কি হয়েছে ?
ড্রইং ক্লাসে ড্রইং বক্স নিয়ে যাইনি।
তো?
জাপানী স্যার বড় একটা শিক্ষা দিয়েছেন।
কি করেছে?
আমার কাছে এসে উল্টা ক্ষমা চেয়েছেন। বলেছেন আজ যে ড্রইং বক্স নিয়ে আসতে হবে তা স্মরণ রাখার মত জোর দিয়ে আমাকে বুঝিয়ে বলতে পারেন নি। তাই সে দুঃখিত।
হুম।
আমি তো আর কোন দিন ড্রইং বক্স নিতে ভুলবো না, ভাই । আজ যদি সে আমাকে বকা দিত বা অন্য কোন শাস্তি দিত আমি কোন একটা মিথ্যা অজুহাত দিয়ে বাচার চেষ্টা করতাম।
--
২০১১ সালের ১১ই মার্চ। Tsunami র আগাম বার্তা শুনে এক ফিশারি কোম্পানীর মালিক সাতো সান প্রথমেই বাচাতে গেলেন তার কর্মচারীদের। হাতে সময় আছে মাত্র ৩০ মিনিট। প্রায়রিটি দিলেন বিদেশি (চাইনিজ) দের। একে একে সব কর্মচারীদের অফিস থেকে বের করে পাশের উচু টিলায় নিজ হাতে রেখে এলেন। সর্বশেষে গেলেন তার পরিবারের খোজ নিতে। ইতিমধ্যে Tsunami সাহেব এসে হাজির। সাতো সানকে চোখের সামনে কোলে তুলে ভাসিয়ে নিয়ে গেলেন। আজও খোজহীন হয়ে আছেন তার পরিবার। ইসস সাতো সান যদি রানা প্লাজার মালিকের সাথে একটা বার দেখা করার সুযোগ পেতেন ।
সাতো সান অমর হলেন চায়না তে। চাইনিজরা দেশে ফিরে গিয়ে শহরের চৌরাস্তায় উনার প্রতিকৃতি বানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন।
--
নয় বছরের এক ছেলে। স্কুলে ক্লাস করছিল। Tsunami-র আগমনের কথা শুনে স্কুল কর্তৃপক্ষ সব ছাত্রদের তিন তলায় জড়ো করলো। তিন তলার বেলকনি থেকে দেখলো তার বাবা আসছে গাড়ি নিয়ে। গাড়িকে ধাওয়া করে আসছে ফোসফোসে পানির সৈন্য দল। গাড়ির স্পিড পানির স্পিডের কাছে হার মেনে গেলো। চোখের সামনে নাই হয়ে গেল বাবা। সৈকতের নিকটেই ছিল তাদের বাসা। মা আর ছোট ভাই ভেসে গেছে আরো আগে। পরিবারের সবাইকে হারিয়ে ছেলেটি আশ্রয় শিবিরে উঠলো। শিবিরের সবাই ক্ষুধায় আর শীতে কাপছে। ভলান্টিয়াররা রুটি বিলি করছেন। আশ্রিতরা লাইনে দাড়িয়ে আছেন। ছেলেটিও আছে। এক বিদেশী সাংবাদিক দেখলেন, যদ্দুর খাদ্য (রুটি) আছে তাতে লাইনের সবার হবেনা । ছেলেটির কপালে জুটবে না। সাংবাদিক সাহেব তার কোট পকেটে রাখা নিজের ভাগের রুটি দুটো ছেলেটিকে দিলেন। ছেলেটি ধন্যবাদ জানিয়ে রুটি গ্রহন করলো। তারপর যেখান থেকে রুটি ডিস্ট্রিবিউশন হচ্ছিল সেখানেই ফেরত দিয়ে আবার লাইনে এসে দাড়াল। সাংবাদিক সাহেব কৌতুহল ঢাকতে পারলেন না। ছেলেটিকে জিজ্ঞাস করলেন - এ কাজ কেন করলে খোকা? খোকা উত্তর দিল- বন্টন তো ওখান থেকে হচ্ছে। উনাদের হাতে থাকলে বন্টনে সমতা আসবে। তাছাড়া লাইনে আমার চেয়েও বেশী ক্ষুধার্ত লোক থাকতে পারে।
সহানুভুতিশীল হতে গিয়ে বন্টনে অসমতা এনেছেন- এই ভেবে সাংবাদিক সাহেবের পাপবোধ হলো। এই ছেলের কাছে কি বলে ক্ষমা চাইবেন ভাষা হারালেন।
--
যাদের জাপান সম্পর্কে ধারণা আছে তারা সবাই জানেন...যদি ট্রেনে বা বাসে কোন জিনিস হারিয়ে যায়, অনেকটা নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন, ঐ জিনিস আপনি অক্ষত অবস্থায় ফেরত পাবেন। গভীর রাতে কোন ট্রাফিক নেই, কিন্তু পথচারী ঠিকই ট্রাফিক বাতি সবুজ না হওয়া পর্যন্ত পথ পার হচ্ছেন না। ট্রেনে বাসে টিকিট ফাকি দেয়ার হার (%) প্রায় শুন্যের কোঠায়। একবার ভুলে ঘরের দরজা লক না করে এক বাংলাদেশী দেশে গেলেন মাস খানেক পর এসে দেখেন, যেমন ঘর রেখে গেছেন, ঠিক তেমনই আছে।
এই শিক্ষা জাপানীরা কোথায় পায়?
সামাজিক শিক্ষা শুরু হয় কিন্ডারগার্টেন লেভেল থেকে। সর্বপ্রথম যে তিনটি শব্দ এদের শিখানো হয় তা হলো-
কননিচিওয়া (হ্যালো) - পরিচিত মানুষকে দেখা মাত্র হ্যালো বলবে।
আরিগাতোউ (ধন্যবাদ) - সমাজে বাস করতে হলে একে অপরকে উপকার করবে। তুমি যদি বিন্দুমাত্র কারো দ্বারা উপকৃত হও তাহলে ধন্যবাদ দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।
গোমেননাসাই (দুঃখিত) - মানুষ মাত্রই ভুল করবে এবং সেই ভুলের জন্য ক্ষমা চাইবে।
এগুলো যে শুধু মুখস্ত করে শিখানো হয় তা না। বাস্তবে শিক্ষকরা প্রো-এক্টিভলি সুযোগ পেলেই ব্যবহার করবেন এবং করিয়ে ছাড়বেন।
সমাজে এই তিনটি শব্দের গুরুত্ব কত তা নিশ্চয়ই অনুধাবন করতে পারছেন। এই শিক্ষাটা এবং প্রাকটিস ওরা বাল্যকাল থেকে করতে শিখে। আমাদের রাজনীতিবিদরা বাল্যকালটা যদি কোন রকমে জাপানের কিন্ডারগার্টেনে কাটিয়ে আসতে পারতেন।
কিন্ডারগার্টেন থেকেই স্বনির্ভরতার ট্রেনিং দেয়া হয়। সমাজে মানুষ হিসাবে বসবাস করার জন্য যা দরকার - নিজের বই খাতা, খেলনা, বিছানা নিজে গোছানো; টয়লেট ব্যবহার, পরিষ্কার করা; নিজের খাবার নিজে খাওয়া, প্লেট গোছানো ইত্যাদি। প্রাইমারী স্কুল থেকে এরা নিজেরা দল বেধে স্কুলে যায়। দল ঠিক করে দেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। ট্রাফিক আইন, বাস ট্রেনে চড়ার নিয়ম কানুন সবই শিখানো হয়। আপনার গাড়ি আছে, বাচ্চাকে স্কুলে দিয়ে আসবেন, উল্টা আপনাকে লজ্জা পেয়ে আসতে হবে।
ক্লাস সেভেন থেকে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যেতে পারবে। ক্লাসে কে ধনী, কে গরীব, কে প্রথম কে দ্বিতীয় এসব বৈষম্য যেন তৈরী না হয় তার জন্য যথেষ্ট সতর্ক থাকেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। ক্লাসে রোল নং ১, মানে এই নয় যে একাডেমিক পারফরম্যান্স সবচেয়ে ভাল। রোল নং তৈরী হয় নামের বানানের ক্রমানুসারে।
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার সমস্ত আইটেম গুলো থাকে গ্রুপ পারফরম্যান্স দেখার জন্য - ইন্ডিভিজুয়েল নয়। সারা স্কুলের ছেলে মেয়েদের ভাগ করা হয় কয়েকটা টা গ্রুপে- সাদা দল, লাল দল, সবুজ দল ইত্যাদি। গ্রুপে কাজ করার ট্রেনিংটা পেয়ে যায় খেলাধুলা জাতীয় এক্টিভিটি থেকে। এই জন্যই হয়তো জাপানে বড় লিডার তৈরি হয়না কিন্তু গড়ে এরা সবার সেরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার আগে ১২ বছর শিক্ষাটা সম্ভবত ইউনিভার্সেল। আমাদেরটা হলো ৫ +৫ +২ অর্থাৎ প্রাইমারী ৫ বছর, হাইস্কুল ৫ বছর তারপর কলেজ ২ বছর। জাপানে ৬+৩+৩। শতকরা ১০০ ভাগ শিশুই ৬ বছর বয়সে প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি হয়। কারো বয়স জানতে হলে সিম্প্লি জিজ্ঞাস করুন কোন ক্লাসে পড়ে। তার সাথে ৫ যোগ করে ফেলুন।
১৮ বছর বয়সে এরা সমাজে অনেকটা প্রাপ্ত বয়স্ক-র স্ট্যাটাস পেয়ে যায়। এই স্ট্যাটাসে তারা ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে গাড়ি চালাতে পারে। ছেলেরা বিয়ে করতে পারে (মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৬ বছর)। ২০ বছর বয়সে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রাপ্ত বয়স্কে পা দেয় এবং ভোট দিতে পারে !

24/10/2015

#বৃদ্ধাশ্রম_থেকে_ছেলের_উদ্দেশ্যে_লেখা_এক_অসহায়_বাবার_চিঠি :'(
প্রিয় সোনামানিক,
তুমি কেমন আছ একথা জিজ্ঞাসা করা সম্পূর্ণ নিরর্থক মনে করছি। তুমি ভাবছ হয়ত তোমার বাবা আগের মত তোমায় ভালোবাসে না। যদি এটা ভেবে থাক তবে তোমার সেই ছোট্টবেলার মত আরেকটি ভুল করলে। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি তুমি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভালো আছ কেননা আমার দোয়া যার সাথে সর্বদা জড়িয়ে থাকে সে খারাপ থাকতে পারে এটা আমি বিশ্বাস করিনা। আমার বউমা এবং প্রিয় দাদুভাইয়েরাও ভালো আছে বলে বিশ্বাস। আমি কোন মেয়ের বাবা হতে না পারলেও তোমাকে বিবাহ দিয়ে যে লক্ষ্মী বউমাকে পেয়েছিলাম তাকে কোনভাবেই কষ্ট দিবে না। লক্ষ্মী মেয়েটি আমার মেয়ের শুণ্যস্থান পুর্ণ করে দিয়েছে! আমার নাতী-নাতনীদের অনেক অনেক আদর দিও এবং তাদের কোন চাওয়া অপূর্ণ রাখবে না। তোমার হতভাগ্য-হতদরিদ্র জন্মদাতা তোমার চাহিদা তো দূরের কথা মৌলিক চাহিদাও সম্পূর্ণভাবে পূর্ণ করতে পারেনি কিন্তু তুমি তো গরীব নও। সুতরাং ছেলে-মেয়ের কোন শখ যেন অপূর্ণ না থাকে। তোমাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। পাশের রুমের গণি মিয়া আমার সূখ দেখে ঈর্ষা করে কেননা তুমি প্রতি বছর দু’ইবার আমার কাছে ছুটে আস। তোমার ব্যস্ততা রেখে তোমাকে আসতে বারবার নিষেধ করি তারপরও তুমি কেন আস তা আমি বুঝতে পারি না। এটা ভেবোনা যে, তুমি না আসলে আমি তোমায় ভুলে যাব কিংবা কম দোয়া করবো বরং তোমাদের প্রতি দোয়ার পরিমাণ দিন দিন বাড়তেই থাকবে। কেননা দিন দিন যেভাবে অক্ষম হয়ে যাচ্ছি তাতে আমার পৃথিবীটা সংকুচিত হতে হতে আমার এক চোখ ভাঙা চশমাটির মত হয়ে দাঁড়িয়েছে। আফসুস বেচারা গণি মিঞার জন্য! ওর সন্তানগুলো ওকে এখানে রেখে যাওয়ার পর একবারও খোঁজ নেয়নি; শুধু টাকা পাঠানো ছাড়া। প্রিয় পুত্রধন! জীবন সায়াহ্নে এসে বারবার অনুশোচনা হচ্ছে। মনে হচ্ছে, কোথাও যেন আমি চরম ভুল করেছি। তোমাকে লালন-পালন করতে গিয়ে কোথায় যেন আমি আমার দায়িত্ব ঠিকমত পালন করতে পারিনি। তোমার মা আর আমি তোমাকে বাইরে রেখে জীবনের কোন পরিকল্পনা সাজাই নি অথচ আজ যেন নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছে। তোমার কাছে হয়ত এটাই আমার শেষ চিঠি তাই কিছু কথা বলে যাওয়া আবশ্যক। এত তাড়াতাড়ি মরে যাবো সেটা মনে হচ্ছে না কেননা আমি চাইলেই তো আর মৃত্যু আমাকে ধরা দেবে না কিন্তু লিখতে বসলে চোখ যেভাবে ঝাপসা হয়ে আসে, হাত যেভাবে কাঁপতে শুরু করে কিংবা মস্তিষ্ক যেভাবে আমার বিরুদ্ধাচারণ করে তাতে তোমাকে আর লিখতে পারবো বলে মনে হয়না। তাই জীবনের শেষ কথাগুলো আজকেই বলে দিব। ভেবোনা, আমি তোমাকে কৈফিয়তের কাঠগোড়ায় দাঁড় করাবো। মরন সমুদ্রের বেলাভূমিতে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছে, সন্তান হিসেব তুমি সুসন্তানের সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও আমি পিতা হিসেবে মোটেও সফল নই। বৃদ্ধাশ্র্রম নিয়ে সমাজে বহু ধরণের খারাপ কথা প্রচলিত থাকলেও আমি সেটা মনে করিনা। তুমি আমাকে জোড় করে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাও নি বরং আমিই তোমার চোখের জলের বিরুদ্ধাচারণ করে এখানে আশ্রয় নিয়েছি। আব্বু, তোমার হয়ত মনে নাই কিন্তু শুধু তোমার লেখাপড়ায় যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সেই কথা ভেবে আমার পক্ষের প্রায় সকল আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক শিথিল করে ফেলেছিলাম। তোমার মা তোমার নানা-নানীর একমাত্র মেয়ে হয়েও তাদের থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল শুধু তোমার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের চিন্তায়। আমি এবং তোমার মা-আমাদের উদ্দেশ্যে সফল হয়েছি। দেশের মাত্র কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম যদি উচ্চারিত হয় তবে সেখানে আমাদের সোনমানিকের নামটিও উচ্চারিত হয়। এটা কি আমাদের কম আনন্দের-কম পাওয়া। এত হিসেব করে তোমাকে মানুষের মত মানুষ করা এই বৃদ্ধ যদি আজ আমার দাদুভাইদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অন্তরায় ঘটায় তবে সেটা বেমানান বটে! এখানে যে ছেলেটা আমাদের দেখাশুনা করে সে ছেলেটার মত ছেলে খুব কম দেখা যায়। ওর সম্পর্কে বললে তোমার মনে হবে এই জগতেও এমন বোকা ছেলে আছে! সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা কিংবা গভীর রাতে মিষ্টি হেসে জিজ্ঞাসা করে, কাকা! কিছু লাগবে? ওর আচরণে তোমার অনুপস্থিতিতে বুকের মধ্যের শূন্যতা কেমন যেন পূণ্য হয়ে যায়। ছেলেটা খুব গরীব। দিনরাত পরিশ্রম করে এখান থেকে যা মাইনে পায় তা দিয়েই ওর বাবা-মা এবং স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে চলতে হয়। আমি মনোযোগ দিয়ে ওর কষ্টের কথা শুনি; আমার মত অক্ষম-অলসের এর বাইরে তো আর কোন কাজ থাকে না। আমার ইচ্ছা হয় ওকে কিছু বাড়তি টাকা দেই। কিন্তু আমার সে সাধ্য তো নাই। ছেলেটাকে বলেছিলাম ওর বাবা-মাকে এই বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে আসতে। এ কথাশুনে ছেলেটা হাউমাউ করে কেঁদে দিয়ে বলেছে, রক্ত বিক্রি করে হলেও বাবা-মাকে নিজের কাছে রাখবে; কোনদিন বৃদ্ধাশ্রমে দিবে না। ছেলেটার কথা শুনে ভেতরটা হঠাৎ মুচড়ে গিয়েছিল কিন্তু ক্ষণিক পরেই বুঝলাম আমি হয়ত আবেগাপ্লুত হয়ে যাচ্ছি! তাই এ নিয়ে আর ও ছেলেটার কাছে কিছু বলতে যাইনি। অল্পশিক্ষিত একটি ছেলে তার বাবা-মাকে নিয়ে যা ভাবছে সেটা কেবল আবেগের কথা! তোমরা যারা উচ্চশিক্ষিত তারা আবেগকে প্রশ্রয় দিবে কেন? আব্বু! আগামী বার আমাকে যদি দেখতে আসো তবে আমার কলিজারটুকরো প্রাণপ্রিয় দাদুভাইদের নিয়ে এসো। আমি দেখতে চেয়েছি শুনলে ওরা আসতে চাইবে। বউমাকে এতদূর আনার দরকার নাই। মামনী আমার গরম সহ্য করতে পারে না। জানি দাদুভাইদেরও কষ্ট হবে। কিন্তু জীবনে এই শেষবার। আর কোনদিন ওদের দেখতে চাইবো না বলে নিশ্চয়তা দিতে পারছি না কেননা দিন যত সামনে এগুচ্ছে ততোই আমার আচরণগুলো শিশুদের মত হয়ে যাচ্ছে। পরবর্তীতে যদি কখনো দাদুভাই কিংবা বউমাকে দেখতে চাই তবে সেটা আমার শিশু সূলভ খামখেয়ালী ভেবে মূল্যায়নের বাইরে রেখো। আসার সময় বাসা থেকে কিছু রেঁধে আনবে না। এখানে যে খাবার দেয় তার তুলনায় বাসার খাবারগুলো অনেক খারাপ! অনেক কথাই লেখার ছিল কিন্তু আর কিছুই লিখতে পারলাম না। কোথা থেকে একটা অন্ধ পোকা এসে আমার চোখের মধ্যে ঢুকে পড়লো! কিছুটা যন্ত্রনাও হচ্ছে বটে। অক্ষমবাবাকে ক্ষমা করো। তোমার সন্তানদের জন্য তুমি যেন আমার মত অক্ষম বাবা না হও তার চেষ্টা করো। কয়েকদিন হল তোমার মা আমায় খুব জ্বালাচ্ছে। তাকে হারানোর ১৫ বছর পর এমনটা কেন ঘটছে তা বুঝতে পারছি না। স্বপ্নে সে কেবল ডেকেই যাচ্ছে। আমার আরও অনেকদিন বাঁচতে ইচ্ছা করে এবং বৃদ্ধাশ্রমের খালি ঘরগুলোতে কারা আমার বন্ধু হয় তা দেখতে সাধ হয় কিন্তু সে সৌভাগ্য আমার হবে না বোধহয়! আমি মারা যাওয়ার পর, তোর মায়ের পাশেই আমাকে কবর দিও। এতে কিছুটা যায়গা নষ্ট হবে ঠিক কিন্তু তোমার মাকে ছেড়ে আমি দূরে থাকতে পারবো না। আমার এ আব্দারটুকু রেখো। রাখবে তো? আমায় ক্ষমা করে দিও।
তোমার অক্ষম জন্মদাতা
বাবা-মাকে কষ্ট না দিয়ে আসুন আমরা আরও দায়িত্ববান হই। ধর্মের নিয়ম কানুন গুলো মেনে চলি। :(
Copyed from

05/08/2015

না পড়লে চরম মিস্
বল্টু গভীর রাতে বাসায় আসলো আস্তে করে বেডরুমের দরজা খুলে বিছানার দিকে তাকাতেই
দেখতে পেল কম্বলের
নিচ দিয়ে দুই জোড়া পা দেখা যাচ্ছে
তার মাথায় মুহূর্তেই রক্ত
চড়ে গেল পাশে থাকা একটি বেসবল
ব্যাট দিয়ে ইচ্ছামত ১০-১৫ মিনিট
পিটিয়ে ক্লান্ত হয়ে ডায়নিং রুমে গেল
পানি পান করতে গিয়ে দেখল তার #স্ত্রী সেখানে খাবার
নিয়ে বসে আছে!!!
বল্টুকে দেখে স্ত্রী বললঃ
“তোমার ভাই- ভাবী ঘন্টা দুই
আগে এসেছেনআমি আমাদের বেডরুমে
উনাদের
থাকতে দিয়েছি
আশা করি তুমি ওঁদের স্বাগত জানিয়ে
এসেছো
কেমন হলো বলতে ভুলবেন না ৷

11/07/2015

লাইলাতুল ক্বদরের কিছু আলামত :
-
(১) রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে
যাবে না।
(২) নাতিশীতোষ্ণ হবে। অর্থাৎ গরম
বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।
(৩) মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হতে
থাকবে।
(৪) সে রাতে ইবাদত করে মানুষ
অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ
করবে।
(৫) কোন ঈমানদার ব্যক্তিকে
আল্লাহ স্বপ্নে হয়তো তা
জানিয়েও দিতে পারেন।
(৬) ঐ রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
(৭) সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ
সূর্যোদয় হবে। যা হবে পূর্ণিমার
চাঁদের মত।
-
(সহীহ ইবনু খুযাইমাহ, বুখারী ও
মুসলিম)

26/06/2015

কিছু অপ্রিয় সত্য ☜ . .
★ একশ টাকা মসজিদে অনেক বড় কিন্তু শপিংমলে অতিক্ষুদ্র ৷
★ মসজিদে দু'ঘন্টা ইবাদত খুব দীর্ঘ কিন্তু বিনোদন অনুষ্ঠানে খুব সামান্য৷
★ তারাবীহ নামাজ দীর্ঘ ১ ঘন্টা সময় লাগে কিন্তু ফুটবল ম্যাচ মাত্র নব্বই মিনিট সময় ৷
★ কুরআনের একটি পৃষ্ঠা পড়া খুব কষ্টকর কিন্তু দুইশ পৃষ্ঠার উপন্যাস পড়া খুব সহজ ৷
★ কনসার্ট বা খেলার মাঠে সামনে বসতে কত প্রতিযোগীতা কিন্তু মসজিদে যত পিছনে বসা যায় তত ভালো ৷
★ ঘন্টার পর ঘন্টা গান শুনতে বিরক্ত লাগে না কিন্তু জুমআর খুতবা শুনতে খুব বিরক্তকর।
#আমি_কি_ভুল_বল্লাম? ★ ★

14/04/2015

"শুভ দিন
"শুভ রাত,
"খাও ইলিশ
"পান্তা ভাত ।
"কষ্ট যাক
"আসুক সুখের দিন,
"শুভ হোক তোমার
"নতুন বছরের প্রতিদিন ।
* শুভ নববর্ষ *

31/03/2015

সকল HSC
Examine দের জন্য
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।
Best of Luck...........

30/03/2015

আপনি কি FACEBOOK এর
Status পড়তে দূর্বল?
LIKE দিতে ভয় পান?
কমেন্ট করতে লজ্জা পান?
ব্যবহার করুন পাহাড়ি গাছ-গাছড়া থেকে তৈরি Facebook হারবাল।
1_ফাইলই যথেষ্ট,মূল্য=3kb!
বিফলে মূল্য
কোন পার্শ্ব
প্রতিক্রিয়া নেই।
বিঃদ্রঃ ভিপি ও
পার্শ্বেল
যোগে ঔষধ
পাঠানো হয়।
বুকিং দিতে লাইক দিয়ে
কমেন্ট করুন

25/03/2015

"আল্লাহ যা করেন ভালোর
জন্যই করেন''
এক রাজার এক চাকর ছিল।
চাকরটা সবসময় যেকোন
অবস্থাতেই রাজাকে বলত,
"রাজা মশাই, কখনো মন খারাপ
করবেন না। কেননা আল্লাহ যা
করেন তার সবকিছুই নিখুঁত ও সঠিক।" একবার তারাশিকারে
যেয়ে নিজেরাই এক হিংস্র
প্রাণীর আক্রমণের শিকার
হলো। রাজার চাকর সেই
প্রাণীকে মারতে পারলেও,
ততক্ষণে রাজা তার একটা আঙুল খুইয়ে বসেছেন। রাগে-যন্ত্রণায়, ক্ষোভে রাজা ক্ষিপ্ত হয়ে বলে ওঠে,
"আল্লাহ যদি ভালোই হবে
তাহলে আজকে শিকারে এসে
আমার আঙুল হারাতে হতো না।"
চাকর বলল, "এতকিছুর
পরও আমি শুধু আপনাকে এটাই বলব, আল্লাহ সবসময়ই ভালো ও
সঠিক কাজই করেন; কোনো ভুল
করেন না। চাকরের এই কথায়
আরও ত্যক্ত হয়েরাজা তাকে
জেলে পাঠানোর হুকুম দিলেন। এরপর একদিন রাজা আবার
শিকারে বের হলেন। এবার
তিনি একদল বন্য মানুষের
হাতে বন্দি হলেন। এরা
তাদের দেব দেবির উদ্দেশ্যে
মানুষকে বলি দিত। বলি দিতে যেয়ে তারা দেখল যে, রাজার
একটা আঙুল নেই। তারা এমন
বিকলাঙ্গ কাউকে তাদের
দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ
করতে রাজি হলো না। তাই
তারা রাজাকে ছেড়ে দিল। প্রাসাদে ফিরে এসে তিনি
তার সেই পুরোনো চাকরকে মুক্ত
করে দেওয়ার হুকুম দিলেন।
চাকরকে এনে বললেন, "ভাই,
আল্লাহ আসলেই ভালো। আমি আজ
প্রায় মরতেই বসেছিলাম। কিন্তু আঙুল না-থাকার কারণে
প্রাণ নিয়ে ফিরে আসতে
পেরেছি। "তবে আমার একটা
প্রশ্ন আছে। আল্লাহ ভালো,
এটা তো বুঝলাম। কিন্তু তাহলে তিনি আমাকে
দিয়ে তোমাকে জেলে পুরলেন
কেন?" চাকর বললঃ
"রাজামশাই, আমি যদি আজ
আপনার সাথে থাকতাম, তাহলে
আপনার বদলে আজ আমি কোরবান হয়ে যেতাম। আপনার আঙুল ছিল
না,কিন্তু আমার তো ছিল।
কাজেই আল্লাহ যা করেন
সেটাই সঠিক, তিনি কখনো
কোনো ভুল করেন না।" জীবনের নানা দুঃখকষ্ট নিয়ে
আমাদের শত অভিযোগ......
আমরা ভুলে যাই কোন কিছুই
আপনা- আপনি হয় না, বরং
সবকিছ।। পেছনেই একটি
নির্দিষ্ট কারণ আছে। পোষ্টটা ভাল লাগলে শেয়ার
করে সবাইকে
জানিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করা
গেলো।

Address

Rongmeher, Tongibari
Munshiganj
1520

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bikrampur Tongibari College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Bikrampur Tongibari College:

Share