মুহাম্মদিয়া আইডিয়াল মাদ্রাসা ,মুন্সীগন্জ ।

  • Home
  • Bangladesh
  • Munshiganj
  • মুহাম্মদিয়া আইডিয়াল মাদ্রাসা ,মুন্সীগন্জ ।

মুহাম্মদিয়া আইডিয়াল মাদ্রাসা ,মুন্সীগন্জ । Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মুহাম্মদিয়া আইডিয়াল মাদ্রাসা ,মুন্সীগন্জ ।, College & University, Munshiganj.

27/11/2018

মাদরাসা পড়ুয়া মেয়ে বিয়ে করবেন কেন।

মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েরা মাদরাসা পড়ুয়া ছেলেদের পছন্দ করলেও অধিকাংশ মাদরাসা পড়ুয়া ছেলেরা কিন্তু মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েদেরকে কোন এক অজানা কারণে পছন্দ করেনা। মাদরাসা পড়ুয়া ছেলেদের প্রতি মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েদের হৃদয়ের টান অনেক বেশী। মাদরাসা পড়ুয়া অনেক মেয়ের কথা শুনা যায় যে, কোন ছাত্রী বিবাহ হয়ে মাদরাসায় আসলে একে অপরকে জিজ্ঞাসা করে :

কিরে! তোর বর হুজুর না খেজুর ?
হুজুর মানে মাদরাসা পড়ুয়া, দাড়ী- টুপিওয়ালা। খেজুর মানে দাড়ী ছাড়া / সাধারণ মানুষ।

মাদরাসার ছাত্রদের প্রতি তাদের ভালবাসা সীমাহীন। কারন মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েরা স্বামীদের অতি বেশী ভালবাসে এবং স্বামীর প্রতি তাদের ভক্তি শ্রদ্ধা অনেক বেশী।

কেহ যদি বলেন :তারা তো স্বামীর আদেশ মানেনা, অনেকে আবার পর্দাও করেনা। তাদের বলি আচ্ছা ভাই ! বলুন তো? এই সংখ্যাটা কি অনেক বেশী নাকি কম? যদি বলেন বেশি তাহলে আমি বলবো : কাপর সাদা হওয়ায় দাগটা ফুটে উঠেছে।

আর যদি বলেন কম, তাহলে বলবো :
কম দিয়ে বেশীকে বিবেচনা করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
তার পরেও যদি কেউ বিপথগামী হয় তাহলে জিজ্ঞাসা করবো : যদি এই মেয়েটি মাদরাসায় না পড়ে কলেজ- ভার্সিটিতে পড়তো তাহলে কেমন হতো ? লাকি কিংবা ঐশীর মত হত?

আমার দৃষ্টিতে পছন্দ না করার কারন এটা হতে পারে :
১/নিজের চেয়ে যদি জ্ঞানসম্পন্ন হয়, সে ক্ষেত্রে স্ত্রীর কাছে লজ্জিত হওয়ার ভয়।
২/নিজের চেয়ে যদি দ্বীনদার হয়, সে ক্ষেত্রে দ্বীন সম্মন্ধে নিজের উদাসীনতা স্ত্রীর কাছে প্রকাশ হওয়ার ভয়। স্ত্রী যদি নিজের চেয়ে বেশি জ্ঞান সম্পন্ন হয় সে তো সৌভাগ্য!
স্ত্রী যদি দ্বীনদার হয় তবে তো জান্নাতের পথ পাওয়া অনেক সহজ । কারণ আপনি যখন কোন গুনাহর কাজ করবেন, সে আপনাকে বাঁধা দিবে। আর নিজেও গুনাহর কাজ থেকে বিরত থাকবে।
যে সব কারণে মহিলা মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েদের বিয়ে করা উচিৎ।
১ :- পর্দানশীন হয়ে থাকে।
২ :- স্বামীকে অত্যাধিক ভালোবাসে।
৩ :- পরকিয়া প্রেমে জড়ায় না।
৪ :- সহিহভাবে কুরআন পড়তে পারে।
৫ :- শরিয়াত সম্মন্ধে পূর্ণ ধারণা রাখে।
৬ :- ভবিষ্যত প্রজন্মকে দ্বীনি ইলম শিক্ষা দিতে পারবে।

তবে সর্বশেষ কথা হলো ভালো মন্দ সব জায়গাতেই আছে। তবে মাদ্রাসার লাইনে ভাল 'র সংখ্যাটা বেশি। আর বর্তমানে স্কুল কলেজে তো নতুন প্রপোজ প্রজন্ম গড়ে উঠছে। প্রকাশ্যে প্রপোজাল করে কিস লেনদেন করে! এরপরও যারা মাদরাসার মেয়ে বিয়ে করতে চাননা বা পছন্দ করেন না, তাদের জন্য এক ড্রাম আফসোস!

26/11/2018

সুদের বিরুদ্ধে কোরআনের আয়াত ও হাদীস

সুদ একটি হারাম এবং চরম ঘৃণিত কাজ। যা কোরআন-হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।আসুন সুদ ভিত্তিক ব্যাংক-বীমা, সমিতি ও লেনদেন থেকে বিরত থাকি।

সুদের বিরুদ্ধে কোরআনের অবস্থান/আয়াতঃ

১) যারা সুদ খায় তাদের অবস্থা হয় ঠিক সেই লোকটিরমতো যাকে শয়তান স্পর্শ করে পাগল করে দিয়েছে৷তাদের এই অবস্থায় উপনীত হবার কারণ হচ্ছে এই যে,তারা বলেঃ “ ব্যবসা তো সুদেরই মতো ৷” অথচ আল্লাহব্যবসাকে হালাল করে দিয়েছেন এবং সুদকে করেছেনহারাম ৷ কাজেই যে ব্যক্তির কাছে তার রবের পক্ষ থেকেএই নসীহত পৌছে যায় এবং ভবিষ্যতে সুদখোরী থেকেসে বিরত হয়, সে ক্ষেত্রে যা কিছু সে খেয়েছে তাতোখেয়ে ফেলেছেই এবং এ ব্যাপারটি আল্লাহর কাছেসোপর্দ হয়ে গেছে ৷ আর এই নির্দেশের পরও যে ব্যক্তিআবার এই কাজ করে , সে জাহান্নামের অধিবাসী ৷সেখানে সে থাকবে চিরকাল ৷(আলবাকারাহ,আয়াতঃ২৭৫)

২) আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দানকে বর্ধিত ওবিকশিত করেন ৷ আর আল্লাহ অকৃতজ্ঞ দুষ্কৃতকারীকেপছন্দ করেন না ৷(আল বাকারাহ,আয়াতঃ২৭৬)

৩) হে ঈমানদারগণ ! আল্লাহকে ভয় করো এবংলোকদের কাছে তোমাদের যে সুদ বাকি রয়ে গেছে তাছেড়ে দাও , যদি যথার্থই তোমরা ঈমান এনেথাকো।(আল বাকারাহ,আয়াতঃ২৭৮)

৪) কিন্তু যদি তোমরা এমনটি না করো তাহলে জেনেরাখো, এটা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকেতোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা ৷ এখনো তাওবা করেনাও ( এবং সুদ ছেড়ে দাও ) তাহলে তোমরা আসলমূলধনের অধিকারী হবে ৷ তোমরা জুলুম করবে না এবংতোমাদের ওপর জুলুম করাও হবে না ৷(আলবাকারাহ,আয়াতঃ২৭৯)

৫) হে ঈমানদারগণ ! চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খাওয়া বন্ধকরো এবং আল্লাহকে ভয় করো, আশা করা যায়তোমরা সফলকাম হবে ৷(আলে ইমরান,আয়াতঃ ১৩০)

৬) সুদ গ্রহণ করার জন্য যা গ্রহণ করতে তাদেরকেনিষেধ করা হয়েছিল এবং অন্যায়ভাবে লোকদের ধন-সম্পদ গ্রাস করার জন্য, আমি এমন অনেক পাক-পবিত্র জিনিস তাদের জন্য হারাম করে দিয়েছি, যা পূর্বেতাদের জন্য হালাল ছিল৷ আর তাদের মধ্য থেকে যারাকাফের তাদের জন্য কঠিন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি তৈরীকরে রেখেছি৷ (আন নেসা,আয়াতঃ ১৬১)

৭) যে সূদ তোমরা দিয়ে থাকো, যাতে মানুষের সম্পদেরসাথে মিশে তা বেড়ে যায়, আল্লাহর কাছে তা বাড়ে না ৷ আর যে যাকাত তোমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনেরউদ্দেশ্যে দিয়ে থাকো, তা প্রদানকারী আসলে নিজেরসম্পদ বৃদ্ধি করে৷(আর রূম,আয়াতঃ ৩৯)

সুদের বিরুদ্ধে হাদীসঃ

১) হযরত মূসা ইবনে ইসমাঈল (রঃ)......সামুরা ইবনে জুনদুব (রাঃ)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, আজ রাতে আমি স্বপ্ন দেখেছি যে, দু’ব্যক্তি আমার নিকট এসে আমাকে এক পবিত্র ভূমিতে নিয়ে গেল। আমরা চলতে চলতে এক রক্তের নদীর কাছে পৌছলাম। নদীর মাঝখানে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছে এবং আরেক ব্যক্তি নদীর তীরে, তার সামনে পাথর পড়ে রয়েছে। নদীর মাঝখানের লোকটি যখন বের হয়ে আসতে চায়, তখন তীরের লোকটি তার মুখে পাথর খন্ড নিক্ষেপ করে তাকে স্বস্থানে ফিরিয়ে দিচ্ছে। এভাবে সে যতবার বেরিয়ে আসতে চায়,ততবারই তার মুখে পাথর নিক্ষেপ করছে আর সে স্বস্থানে ফিরে যাচ্ছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এ কে? সে বলল, যাকে আপনি রক্তের নদীতে দেখছেন, সে হল সূদখোর। (বুখারীঃঅধ্যায়ঃ ক্রয়-বিক্রয়ঃ ১৯৫৫)

২) হযরত আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, তোমরা সাতটি ধ্বংসকারী জিনিস থেকে বিরত থাক। জিজ্ঞেস করা হল,হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ), সে গুলো কি কি? তিনি বললেন, আল্লাহর সাথে শরীক করা, যাদু টোনা করা, আল্লাহ নিষিদ্ধ করেছেন এমন প্রাণীকে অকারণে হত্যা করা, এতীমের মাল আত্মসাত করা,সুদ খাওয়া,জিহাদের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়া এবং সতী সাধ্বী নিষ্কলুষ মুমিন মহিলার উপর ব্যভিচারের মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা। (মুসলিম, কিতাবুল ইমানঃ১৭০)

৩) হযরত আহমদ ইবনে ইউনুস(রঃ).....আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) সূদখোর, সূদ দাতা,এর সাক্ষী এবং সুদের হিসাব/দলীল লেখক—সকল কে অভিশাপ দিয়েছেন। আর তিনি এদের সবাই কে সমান অপরাধী বলেছেন।(আবু দাউদ,অধ্যায়ঃ ক্রয়-বিক্রয়ঃ ৩৩০০)

৪) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ (রঃ).....আবু হুরাইরাহ (রাঃ)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, সুদের সত্তরটি স্তর রয়েছে। সবচেয়ে নিম্নটি হল-নিজ মায়ের সাথে ব্যভিচার করা (ইবনে মাজাহ,অধ্যায়ঃ ব্যবসাঃসুদঃ ২২৭৪)

৫) হযরত আবু হুরাইরাহ (রাঃ)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, মিরাজের রাতে আমি এমন এক গোত্রের পাশ দিয়ে গমন করি,যাদের পেট ছিল ঘরের মত বড়, যার মধ্যে বিভিন্ন রকম সাপ বাহির থেকে দেখা যাচ্ছিল। আমি জিবরাঈলকে জিজ্ঞাসা করলাম, এরা কারা? তিনি বললেন, এরা হল সুদখোর।(ইবনে মাজাহ,অধ্যায়ঃ ব্যবসাঃসুদঃ ২২৭৩)

৬) হযরত আব্বাস ইবনে জাফর(রঃ).....ইবনে মাসউদ (রাঃ) সুত্রে রাসূল (সাঃ)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে বেশী সুদ খাবে, পরিনামে তার সম্পদ কম হয়ে যাবে। (ইবনে মাজাহ,অধ্যায়ঃ ব্যবসাঃসুদঃ ২২৭৯)

৭) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হানযালাহ(রাঃ)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, জেনেশুনে এক দিরহাম পরিমান সুদ খাওয়া আল্লাহর নিকট ছত্রিশ বার ব্যভিচারের চাইতেও অধিক গুনাহের কাজ। (মুসনাদে আহমদঃ১০৩৩)

 # #আসসালামু  #আলাইকুম,,,,,।আমাদের   #মুহাম্মদিয়া  #আইডিয়াল  #মাদ্রাসা,,,,,,,,,, থেকে মোট পাচজন ছাত্র  গত ১৮/১১/২০১৮ইং র...
26/11/2018

# #আসসালামু #আলাইকুম,,,,,।
আমাদের #মুহাম্মদিয়া #আইডিয়াল #মাদ্রাসা,,,,,,,,,, থেকে মোট পাচজন ছাত্র গত ১৮/১১/২০১৮ইং রবিবার সমাপনি পরক্ষায় অংশগ্রহণ করছিলেন ,আজ ২৬/১১/২০১৮ ইং সোমবার দিন পরিক্ষা শেষ হলো ,সবাই ওদের জন্য দুয়া করবেন।আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ওদেরকে কবুল করুন আর একটা ভাল রেজাল্ট উপহার দিন আমীন।

 # # # আদর্শ সন্তান গড়ে তুলতে আপনার সন্তানকে মুহাম্মদিয়া আইডিয়াল মাদ্রাসায় ভর্তি করুন । # # # # #
26/11/2018

# # # আদর্শ সন্তান গড়ে তুলতে আপনার সন্তানকে মুহাম্মদিয়া আইডিয়াল মাদ্রাসায় ভর্তি করুন । # # # # #

জামাতে সালাত আদায় করার পদ্ধতি, ও কাতার সোজা করার নিয়ম নিম্মের ছবিতে নরী সাঃ সালাতের পদ্ধতি তুলে  ধরা হলো ।
26/11/2018

জামাতে সালাত আদায় করার পদ্ধতি, ও কাতার সোজা করার নিয়ম নিম্মের ছবিতে নরী সাঃ সালাতের পদ্ধতি তুলে ধরা হলো ।

হে আদম সন্তান! যতক্ষণ আমাকে তুমি ডাকতে থাকবে এবং আমার হতে (ক্ষমা পাওয়ার) আশায় থাকবে, তোমার গুনাহ যত অধিক হোক, তোমাকে আ...
26/11/2018

হে আদম সন্তান! যতক্ষণ আমাকে তুমি ডাকতে থাকবে এবং আমার হতে (ক্ষমা পাওয়ার) আশায় থাকবে, তোমার গুনাহ যত অধিক হোক, তোমাকে আমি ক্ষমা করব, এতে কোন পরওয়া করব না

সূরা শুরা ২৫. নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের তওবা কবুল করেন। তাদের পাপমোচন করেন। তোমরা যা করো, তিনি তা সবই জানেন। ২৬. বিশ্বাসী ও সৎকর্মশীলদের ডাকে তিনি সবসময় সাড়া দেন। তাদেরকে বিশেষভাবে অনুগৃহীত করেন। অপরপক্ষে সত্য অস্বীকারকারীদের জন্যে অপেক্ষা করছে কঠিন আজাব।

সূরা মুমিন ৬০. তোমাদের প্রতিপালক বলেন, তোমরা আমাকে ডাকো, আমি সাড়া দেবো (দোয়া কবুল করব)। যারা অতি-অহমিকায় আমার ইবাদতে বিমুখ, তারা অবশ্যই লাঞ্ছিত অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।



(আল আনআম - ৮২)
যারা ঈমান আনে এবং স্বীয় বিশ্বাসকে শেরেকীর সাথে মিশ্রিত করে না, তাদের জন্যেই শান্তি এবং তারাই সুপথগামী।

সূরা মুমিন ৪১-৪৪. ‘হে আমার সম্প্রদায়! অবাক কাণ্ড! আমি তোমাদের ডাকছি মুক্তির দিকে আর তোমরা আমাকে ডাকছ জাহান্নামের দিকে! তোমরা আমাকে বলছ আল্লাহর (একত্বকে) অস্বীকার করতে? আর যার সম্পর্কে আমার কোনো জ্ঞান নেই, তাকে আল্লাহর সাথে শরিক করতে? আমি এখনো তোমাদের আহ্বান করছি মহাপরাক্রমশালী, অতীব ক্ষমাশীল আল্লাহকে বিশ্বাস করতে। আমি সন্দেহাতীতভাবে তোমাদের বলছি, তোমরা যে উপাস্যকে ডাকতে বলছ, দুনিয়া বা আখেরাতে তার কিছুই করার ক্ষমতা নেই। আমরা সবাই আল্লাহর কাছে ফিরে যাব। আর সীমালঙ্ঘনকারীরা জাহান্নামে স্থান পাবে। হে আমার সম্প্রদায়! আমার কথাগুলো শিগগিরই তোমরা স্মরণ করবে। আর আমি তো আমার সবকিছু আল্লাহতে সমর্পণ করেছি। আর আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রাখেন।’



সূরা মুমিন ৪৫. আল্লাহ তাকে ওদের সকল চক্রান্ত থেকে রক্ষা করলেন। আর ফেরাউনের সম্প্রদায় কঠিন আজাবে পরিবেষ্টিত হলো। ৪৬. (রসুলরা) সকাল-সন্ধ্যায় (অর্থাৎ প্রতিদিন যে) আগুনের শাস্তি (সম্পর্কে সতর্ক করেছে তা-ই) হবে ওদের কপালের লিখন। মহাবিচার দিবসে ফেরেশতাদের বলা হবে, ‘ফেরাউন ও তার সম্প্রদায়কে নিক্ষেপ করো কঠিন আজাবে।’


গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
অধ্যায়ঃ ৫০। তাওবাহ্ (كتاب التوبة)
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৪৫


১. তাওবার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও তার মাধ্যমে মুক্তি লাভ করা

৬৮৪৫-(১/২৬৭৫) সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ রববুল আলামীন ইরশাদ করেছেনঃ আমার উপর বান্দার ধারণা অনুযায়ী আমি তার সাথে আছি। সে যেখানেই আমাকে স্মরণ করে আমি তার সাথে আছি। আল্লাহর কসম, শূন্য মাঠে তোমাদের কেউ হারানো প্রাণী পাওয়ার পর যে আনন্দিত হয় আল্লাহ তা’আলা বান্দার তাওবার কারণে এর চেয়েও বেশি আনন্দিত হন। যদি কেউ একবিঘত সমান আমার দিকে অগ্রসর হয় তাহলে আমি তার দিকে একহাত অগ্রসর হই। যদি কেউ একহাত সমান আমার প্রতি অগ্রসর হয়, তাহলে আমি একগজ সমান তার প্রতি অগ্রসর হই। যদি কেউ আমার দিকে পায়ে হেঁটে আসে তবে আমি তার দিকে দৌড়ে আসি। (ইসলামিক ) ফাউন্ডেশন ৬৭০০, ইসলামিক সেন্টার ৬৭৫৫)সহীহুল বুখারী ৭৪০৫, ৭৫০৫, ৭৫৩৬, ৭৫৩৭, মুসলিম ২৬৭৫, তিরমিযী ২৩৮৮, ইবনু মাজাহ ৩৭২২, আহমাদ ৭৩৭৪, ২৭৪০৯, ৮৪৩৬, ৮৮৩৩, ৯০০১, ৯০৮৭, ৯৩৩৪, ৯৪৫৭

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)
হাদিস নম্বরঃ ৪৪৬


৫২: আল্লাহর কাছে ভাল আশা রাখার মাহাত্ম্য

২/৪৪৬। জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মৃত্যুর তিনদিন পূর্বে তাঁকে বলতে শুনেছেন, ‘‘আল্লাহর প্রতি সুধারণা না রেখে তোমাদের কেউ যেন অবশ্যই মৃত্যুবরণ না করে।’’ (মুসলিম) [1]

[1] মুসলিম ২৭৭৭, আবূ দাউদ ৩১১৩, ইবনু মাজাহ ৪১৩৭, আহমাদ ১৩৭১১, ১৩৯৭৭, ১৪০৭২, ১৪১২৩, ১৪১৭০, ১৪৭৭৫ হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন
অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)
হাদিস নম্বরঃ ১৬


২: তওবার বিবরণ

৩/১৬। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খাদেম, আবূ হামযাহ আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় বান্দার তওবা করার জন্য ঐ ব্যক্তি অপেক্ষা বেশী আনন্দিত হন, যে তার উট জঙ্গলে হারিয়ে ফেলার পর পুনরায় ফিরে পায়।’’

(বুখারী ৬৩০৯,
)মুসলিম ২৭৪৭, আহমাদ ১২৮১৫)

মুসলিমের অন্য বর্ণনায় এইভাবে এসেছে যে, ‘‘নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দার তওবায় যখন সে তওবা করে তোমাদের সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশী খুশী হন, যে তার বাহনের উপর চড়ে কোনো মরুভূমি বা জনহীন প্রান্তর অতিক্রমকালে বাহনটি তার নিকট থেকে পালিয়ে যায়। আর খাদ্য ও পানীয় সব ওর পিঠের উপর থাকে। অতঃপর বহু খোঁজাখুঁজির পর নিরাশ হয়ে সে একটি গাছের ছায়ায় ঘুমিয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে বাহনটি হঠাৎ তার সম্মুখে দাঁড়িয়ে যায়। সে তার লাগাম ধরে খুশীর চোটে বলে ওঠে, ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার দাস, আর আমি তোমার প্রভু!’ সীমাহীন খুশীর কারণে সে ভুল করে ফেলে।’’

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সূনান আত তিরমিজী [তাহকীককৃত]
অধ্যায়ঃ ৪৫/ দু'আসমূহ (كتاب الدعوات عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪০


৯৯. তাওবাহ ও ক্ষমা প্রার্থনার ফাযীলাত এবং বান্দাদের প্রতি আল্লাহ তা'আলার দয়া ও অনুগ্রহ প্রসঙ্গে

৩৫৪০। আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছিঃ বারাকাতময় আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ হে আদম সন্তান! যতক্ষণ আমাকে তুমি ডাকতে থাকবে এবং আমার হতে (ক্ষমা পাওয়ার) আশায় থাকবে, তোমার গুনাহ যত অধিক হোক, তোমাকে আমি ক্ষমা করব, এতে কোন পরওয়া করব না। হে আদম সন্তান! তোমার গুনাহর পরিমাণ যদি আসমানের কিনারা বা মেঘমালা পর্যন্তও পৌছে যায়, তারপর তুমি আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব, এতে আমি পরওয়া করব না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি সম্পূর্ণ পৃথিবী পরিমাণ গুনাহ নিয়েও আমার নিকট আস এবং আমার সঙ্গে কাউকে অংশীদার না করে থাক, তাহলে তোমার কাছে আমিও পৃথিবী পূর্ণ ক্ষমা নিয়ে হাযির হব।

সহীহঃ সহীহাহ (হাঃ ১২৭, ১২৮), রাওযুন নাযীর (হাঃ ৪৩২), মিশকাত তাহকীক সানী (হাঃ ২৩৩৬), তা’লীকুর রাগীব (হাঃ ২/২৬৮)।

আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীস আমরা শুধুমাত্র উপর্যুক্ত সনদেই অবগত হয়েছি।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

সূরা জুমার ৬৪. (হে নবী! ওদের) বলো, ‘হে (সত্য ও মিথ্যা সম্পর্কে) অজ্ঞরা! তোমরা কি আমাকে আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর ইবাদত করতে বলছ?’ ৬৫-৬৬. অথচ তুমি জানো, তোমার ও তোমার পূর্ববর্তী নবীদের কাছে ওহী পাঠানো হয়েছে যে, ‘তুমি আল্লাহর সাথে কোনোকিছুকে শরিক করলে তোমার সকল কর্ম নিষ্ফল হবে এবং অবশ্যই তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অতএব তুমি আল্লাহর ইবাদত করো ও শোকরগোজারদের অন্তর্ভুক্ত হও।

আল্লাহ বলেন আমাকে ডাকতে থাকবে বা ক্ষমা পাওয়ার আশায় থাকবে গুনাহ যত অধিক হোক তোমাকে আমি ক্ষমা করব

25/11/2018

জান্নাতে যাওয়ার সহজ মাধ্যমগুলো জেনে নিন
----------------------------------------------------------

১- প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুন (আশ্‌হাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা- শারী কা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহূ)

এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। (১)

২- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুণ এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন। (২)

৩- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্‌, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর) পাঠ করুন এতে আপনার অতীতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে। (৩)

সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবেন কেননা দিনে ৩৬০ বার এই তাসবিহগুলো পড়লেই জাহান্নাম থেকে মুক্ত রাখা হয় আর এভাবে ৫ ওয়াক্তে ৫০০ বার পড়া হচ্ছে। (৪)

৪- প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। (৫)

৫- রাসুল (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০ বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দরুদ পড়ুন এতে আপনি নিশ্চিত রাসুল (সাঃ)-এর সুপারিশ পাবেন। (৬)

৬- সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি পরলে সৃষ্টিকুলের সমস্ত মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা দেওয়া হবে। (৭)

৭- সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পাঠ করলে কিয়ামতের দিন তার চেয়ে বেশী সওয়াব আর কারো হবে না। (৮)

৮- সকালে ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ্‌, ১০০ বার আল্লাহু আকবার এবং ১০০ বার লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর পাঠ করলে অগণিত সওয়াব হবে। (৯)

৯- বাজারে প্রবেশ করে- (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু য়্যুহয়ী ওয়া য়্যুমীতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল লা য়্যামূত, বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)পাঠ করুণ এতে ১০ লক্ষ পুণ্য হবে, ১০ লক্ষ পাপ মোচন হবে, ১০ লক্ষ মর্যাদা বৃদ্ধি হবে এবং জান্নাতে আপনার জন্য ১ টি গৃহ নির্মাণ করা হবে। (১০)

১০- বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করুণ এতে আল্লাহ তা’লা নিজ জিম্মাদারিতে আপনাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। (১১)

১১- জামাতে ইমামের প্রথম তাকবীরের সাথে ৪০ দিন সলাত আদায় করুন এতে আপনি নিশ্চিত জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। (১২)

১২- প্রতিমাসের আয়ের একটা অংশ এতিমখানা বা মসজিদ মাদ্রাসা বা গরিব-দুখি, বিধবা ও দুস্থদের মাঝে দান করবেন হোক সেটা অতি অল্প এতে আপনি আল্লাহ তা’লার কাছে জিহাদকারির সমতুল্য হবেন। (১৩)

১৩- মহিলারা ৪টি কাজ করবেন, ১- ৫ ওয়াক্ত সলাত ২- রমজানের সিয়াম, ৩- লযযাস্থানের হেফাজত, ৪- স্বামীর আনুগত্য করুণ এতে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। (১৪)

১৪- মসজিদে ফজরের সলাত আদায় করে বসে দোয়া জিকির পাঠ করুণ এবং সূর্য উঠে গেলে ২ রাকাত চাস্তের সলাত আদায় করুণ এতে প্রতিদিন নিশ্চিত কবুল ১ টি হজ্জ ও উমরার সওয়াব পাবেন। (১৫)
তথ্যসূত্রঃ (১) সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৩৪। (২) সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৯৭২। (৩) সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ১২২৮। (৪) সহিহ মুসলিম, মিশকাত হাদিস নং- ১৮০৩) । (৫) সহিহ নাসাই, সহিহ তারগিব, হাকিম হাদিস নং- ৩৮৩৯, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ১১৪০। (৬) তবরানি, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৬৫৬ । (৭) সহিহ আবু দাউদ, হাদিস নং- ৫০৯১। (৮) সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৬৯২। (৯) নাসাই, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৬৫১। (১০) তিরমিজি, হাদিস নং- ৩৪২৮,৩৪২৯। শাইখ আলবানী হাদিসটিকে হাসান সহিহ বলেছেন । (১১) ইবনু হিব্বান, হাদিস নং- ৪৯৯, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৩১৬। (১২) তিরমিজি, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৭৪৭, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৪০৪)। (১৩) সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ৬০০৭। (১৪) সহিহ ইবনু হিব্বান, হাদিস নং- ৪১৬৩ । (১৫) তিরমিজি, তারগিব হাদিস নং- ৪৬১।
(বি দ্রঃ শির্ক, বিদআত ও হারাম ভক্ষণ থেকে দূরে না থাকলে কোন দোয়াই কবুল হয় না)
[পুনশ্চঃ ফরয ইবাদত ও ইসলামের মুল বিষয় গুলো পালনের পাশাপাশি এই আমল গুলো করলে জান্নাতে যাবার পথ সহজ করবে। কিন্তু কেউ যদি ইসলামের মূল বিষয়গুলো পালন না করে শুধু এই আমল করেন তাহলে ফলপ্রসূ হবে না।। তাই ইসলামের মূল খুটি আকরে ধরে এই আমল গুলো করতে হবে ইন শা আল্লাহ্‌]

25/11/2018

মুহাম্মদিয়া আইডিয়াল মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রীরা ।

25/11/2018
আস সালামুআলাইকুম ,,,,আপনার সন্তানকে কোরআন ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক শিক্ষা দানে আজই যোগাযোগ করুন মুহাম্মদিয়া আইডিয়াল মাদ্রাসা...
25/11/2018

আস সালামুআলাইকুম ,,,,আপনার সন্তানকে কোরআন ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক শিক্ষা দানে আজই যোগাযোগ করুন
মুহাম্মদিয়া আইডিয়াল মাদ্রাসায়। পান্চাসার দশকানিয়া মুন্সীগন্জ ।

Address

Munshiganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মুহাম্মদিয়া আইডিয়াল মাদ্রাসা ,মুন্সীগন্জ । posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share