Mymensingh Homoeopathic Medical College

Mymensingh Homoeopathic Medical College বাংলাদেশের অন্যতম একটি হোমিওপ্যাথিক
মেডিক্যাল কলেজ, স্থাপিত ১৯০৮
Get all information about this college, please like this page.

পেশা হিসেবে হোমিওপ্যাথি (must read)
প্রযুক্তির উন্মেষ ঘটিয়ে দ্রুত এগিয়ে চলেছে বিশ্ব। তারই ধারাবাহিকতায় নব নব পেশার সম্মিলন ঘটে চলেছে আমাদের চারপাশে। মানুষ স্বাভাবিকভাবেই আধুনিতাকে স্বাগত জানিয়ে থাকে। ফলে আধুনিকতা সমৃদ্ধ পেশার চাহিদা সবসময়ই বৃদ্ধির পথে। সারাবিশ্বে আধুনিকতার উন্নয়নের সাথে সাথে এমন অনেক পেশা রয়েছে যাদের চাহিদা বিন্দুমাত্র হরাস পায়নি। হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার তার মধ্যে অন্যতম। হোমিওপ্য

াথিক শিক্ষা অর্জন করেই হতে হয় হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার।
বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশেই হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সার যথেষ্ট কদর রয়েছে। হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সার অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে হোমিওপ্যাথিক ঔষধে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। ফলে এ সংক্রান্ত চিকিত্সা সেবা গ্রহণ করতে আমাদের দেশে প্রচুর মানুষ রয়েছে। চিকিত্সাশাস্ত্রের অন্যতম একটি ক্ষেত্র হোমিও চিকিত্সা। এই চিকিত্সা যারা প্রদান করেন তাদেরকেই মূলত হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হিসেবে বিবেচিত করা হয়।
বাংলাদেশে হোমিও চিকিত্সার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে স্বল্প খরচে চিকিত্সা সেবা প্রদানের কারণে এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াবিহীন চিকিত্সার কারণে বিপুল সংখ্যক মানুষ হোমিও চিকিত্সার উপর নির্ভরশীল। ফলে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলে আজীবন উপার্জন করা সম্ভব। বরং এই পেশার সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে এই পেশাতে নিয়োজিত ডাক্তারদের যত অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে ততই আয় বৃদ্ধি পেতে থাকে। এমনকি হোমিও চিকিত্সকরা আজীবন চিকিত্সা প্রদানের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে যেতে সক্ষম।
সুবিধা :হোমিও চিকিত্সক হিসেবে ডিএইচএমএস কোর্স (ডিপ্লোমা) এবং বিএইচএমএস কোর্স (ডিগ্রি) সম্পন্নকারীরা হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হিসেবে সরকার কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হওয়ার মাধ্যমে সারাদেশে হোমিও চিকিত্সা প্রদান করতে পারেন। এ ছাড়াও শিক্ষাসম্পন্নকারীরা সরকার কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়োগ পেতে সক্ষম। বাংলাদেশের ১৫ কোটি জনগোষ্ঠীকে অ্যালোপ্যাথিক চিকিত্সা কার্যক্রমের আওতায় আনা এখনও সম্ভবপর হয়ে উঠেনি। ফলে হোমিওপ্যাথি ডাক্তারদের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে সারা দেশব্যাপী।
বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা সংক্রান্ত পড়ালেখা সম্পন্ন করার পর হোমিও ডাক্তার হিসেবে প্রত্যেকেই একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর অর্জন করে। যার ফলে সরকারি চাকরির উপর নির্ভরশীল না হয়ে বেশিরভাগই স্ব উদ্যোগে চিকিত্সা সেবায় নিয়োজিত হয়ে থাকেন। এই পেশাতে উল্লেখযোগ্য সুবিধা হচ্ছে, একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে নিজ সুবিধাজনক স্থানে চিকিত্সা সেবা শুরু করতে সক্ষম। এই পেশাতে সদ্য পাশ করা একজন ডাক্তার প্রাথমিকভাবে প্রতিমাসে ৮-১৫ হাজার টাকা উপার্জন করেত সক্ষম হয়ে থাকে। তবে এই পেশাতে যোগ্যতার দাম অনেক বেশি। একজন রোগীকে ডাক্তার হিসেবে কত দ্রুত সুস্থ করতে পারেন অর্থাত্ হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সায় একজন চিকিত্সকের হাতের যশের উপর নির্ভর করে উপার্জনের পরিমাণ। অভিজ্ঞতার সাথে সাথে বৃদ্ধি পেতে পারে একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সকের প্রতিমাসের উপার্জনের পরিমাণও। অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণের মাধ্যমে চিকিত্সায় সফল একজন চিকিত্সকের প্রতিমাসের বেতন ১৫-৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। ফলে ক্যারিয়ার হিসেবে যে কেউ এই পেশাকে গ্রহণ করতে পারেন। সেই সাথে দেশের চিকিত্সা সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করনের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারেন।
কোর্স ও পড়ালেখা :বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ২টি শিক্ষা কোর্স ও একটি ট্রেনিং কোর্স চালু আছে। শিক্ষা কোর্স হলো- ১. ডিপ্লোমা কোর্স ও ২. ডিগ্রি কোর্স এবং ডিএইচএমএস প্রাপ্ত উচ্চতর প্রশিক্ষণদানের জন্য আছে ১ বছর মেয়াদি পোস্ট ডিপ্লোমা ট্রেনিং ইন হোমিওপ্যাথি কোর্স। এখানে দিবা ও নৈশ বিভাগ নামে দুটি বিভাগ রয়েছে। দিবা বিভাগের অধীনে ডিপ্লোমা কোর্স (ডিএইচএমএস) ও ডিগ্রি কোর্স (বিএইএমএস) এবং ট্রেনিং কোর্স রয়েছে। আর নৈশ বিভাগে রয়েছে ডিপ্লোমা কোর্স (ডিএইচএমএস)।
ডিএইচএমএস কোর্স
ডিএইচএমএস (ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি) কোর্স ৪ বছর মেয়াদি এবং বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড, ঢাকা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। কোর্স শেষে ৬ মাস ইন্টার্নি করতে হয়। এই কোর্সে দিবা ও নৈশ বিভাগের যেকোনো বিভাগে ভর্তি হওয়া যায়।
ভর্তির যোগ্যতা
স্বীকৃতিপ্রাপ্ত যেকোনো শিক্ষাবোর্ড থেকে এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় (যেকোনো গ্রুপে) উত্তীর্ণ হতে হবে। উচ্চতর ডিগ্রিপ্রাপ্তদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
বিএইচএমএস কোর্স
বিএইচএমএস (ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি) কোর্স ৫ বছর মেয়াদি এবং ১৯৮৫-৮৬ সাল থেকে কার্যকর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএইচএমএস কোর্সের নিয়মাবলী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। কোর্স শেষে ১ বছর ইন্টার্নি করতে হয়।
ভর্তির যোগ্যতা
স্বীকৃতিপ্রাপ্ত যেকোনো শিক্ষা বোর্ড থেক এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় বিজ্ঞান গ্রুপে (প্রি-মেডিকেল) চলতি বছরে উত্তীর্ণ হতে হবে।
পোস্ট ডিপ্লোমা ট্রেনিং ইন হোমিওপ্যাথি (পিডিটি হোম)
ডিএইচএমএসপ্রাপ্ত ডাক্তারদের উন্নত শিক্ষা ও ট্রেনিং দেয়ার মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিতে দক্ষ প্র্যাকটিস উত্সাহিত করা, হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা বিজ্ঞানে সকল বিষয়ে পোস্ট ডিপ্লোমা শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা, হোমিও প্র্যাকটিশনারদের জন্য অব্যাহত মেডিকেল শিক্ষা এর সুযোগ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যেই প্রধানত পোস্ট ডিপ্লোমা ট্রেনিং ইন হোমিওপ্যাথিক কোর্স চালু করা হয়েছে।
ভর্তি যোগ্যতা
ক. হোমিওপ্যাথিক বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কোনো হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে ৪ বছর অধ্যয়ন শেষে ডিএইচএমএস ফাইনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং ৬ মাসের ইন্টার্নি সমাপ্ত করতে হবে।
খ. ডিএইচএমএস পাস করার পর ২ বছর অতিবাহিত হতে হবে এবং হোমিওপ্যাথিক বোর্ড থেকে প্র্যাকটিশনার রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত হতে হবে। পল্লী এলাকায় কাজ করেছেন বা কর্মরত আছে এমন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়।
গ. ডিএইচএমএস কোর্স অধ্যয়নকালে কোনো ব্রেক অব স্টাডি থাকা চলবে না। কোর্সের মেয়াদ মোট ১ বছর। তাই মেয়াদকে ৬ মাস করে দুটি অংশে বিভক্ত করা হয়েছে।
আমাদের দেশে চাকরির পদের তুলনায় চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যা দিন দিনই বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। ফলে প্রতিবছরই ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীর সংখ্যা। বাস্তবতার নিরীক্ষে বাংলাদেশে প্রয়োজন বিশেষায়িত শিক্ষার। যার মাধ্যমে শিক্ষা সম্পন্ন করার পরপর কেউ যেন চাকরির পিছনে না ছুটে স্বনির্ভরতার সাথে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়ে উঠে। এরই ধারাবাহিকতায় হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সায় ডিপ্লোমা/ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে দক্ষ হোমিও চিকিত্সক রূপে ক্যারিয়ার শুরু করা সম্ভব। হোমিও চিকিত্সায় নিয়োজিত হলে এবং সফলভাবে চিকিত্সা কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হলে আপনার ক্যারিয়ার আজীবন সচল থাকবে কোন বিরতি ছাড়াই।
বাংলাদেশে অগনিত মানুষ রয়েছে যারা কেবলমাত্র হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা সেবা গ্রহণ করে থাকে। বিশেষ করে হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা স্বল্পমূল্যে করা সম্ভব হওয়ার কারণে এবং হোমিও ঔষধের মূল্যে অনেক কম হবার কারণে বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠী হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা সেবার উপর নির্ভরশীল। যার ফলশ্রুতিতে এই পেশাতে নিয়োজিত চিকিত্সকদের ক্যারিয়ারে প্রতিষ্ঠা পেতে বেশিদিন প্রয়োজন হয় না।
হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে স্বল্প ব্যায়ে এবং স্বল্পসময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সক হিসেবে চিকিত্সা প্রদান করা সম্ভব। সেই সাথে দেশের স্বাস্থ্যখাতে সরাসরি অবদান রাখার পাশাপাশি নিজের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আনয়ন সম্ভব। হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ক্যারিয়ারে সফল হতে আপনি যদি এই পেশাতে ভব্যিষতে কাজ করতে চান তবে অবশ্যই দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।
সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

Admission result  Total 150 ভর্তির জন্য কলেজ এ সরাসরি যোগাযোগ করুন।
02/11/2025

Admission result
Total 150
ভর্তির জন্য কলেজ এ সরাসরি যোগাযোগ করুন।

31/10/2025

"✨ স্বপ্ন পূরণের পথ শুরু করুন! ✨
হোমিওপ্যাথি শিক্ষা গ্রহণে এক নতুন দিগন্ত!
এখানে অভিজ্ঞ BHMS হোমিওপ্যাথ চিকিৎসক ছাড়াও MBBS/Gyn/Medicine ডাক্তারগণ আপনাদের সাথে থাকবেন।
🔥 ক্লাস সম্পূর্ণ ফ্রি 🔥
দ্রুত এডমিশন নিতে আজই যোগাযোগ করুন!
আপনার ভবিষ্যত রঙিন হয়ে উঠুক! 🌟
#হোমিওপ্যাথিক_শিক্ষা #ফ্রি_ক্লাস #স্বপ্নপূরণ"

30/10/2025

ভর্তি পরিক্ষার জন্য প্রস্তুত তো????

যাদের সপ্ন এই মহান পেশায় মানব সেবা করবেনতারা দ্রুতই আবেদন করুন, আসন সীমিত
11/09/2025

যাদের সপ্ন এই মহান পেশায় মানব সেবা করবেন
তারা দ্রুতই আবেদন করুন, আসন সীমিত

05/06/2025

সবাই কে কোরবানি মোবারক

23/03/2025

যারা ডি.এইচ.এম.এস কোর্স করতে চান তারা এখনি ফরম সংগ্রহ করুন
কারন..ভর্তি পরিক্ষা ছাড়া কেউই পরে এতে সুযোগ পাবেননা।

16/03/2025

চিকিৎসার সাথে সম্পর্কিত ছাড়া অন্য কোন পোষ্ট করলে তাকে গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হবে

05/03/2025

আমি ডায়াবেটিসকে জয় করতে চাই

ডা: মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্যার, মেডিকেল অফিসার, ময়মনসিংহ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ৫ আগস্ট দুনিয়ার মায়া ম...
05/08/2024

ডা: মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্যার, মেডিকেল অফিসার, ময়মনসিংহ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ৫ আগস্ট দুনিয়ার মায়া মমতা ত্যাগ করে পরলোক গমন করেন।ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলিয়হি রাজিউন
আল্লাহ তায়ালা জান্নাতের উঁচু মাক্বাম দান করুন। আমীন।
বাদ যোহর নিজ এলাকায় জানাজার নামাজ রুদ্র গ্রামে সিবিএমসিবি হা: কাছে এিশাল, ময়মনসিংহ।

BHMS(On course)BHMCHUniversity of DhakaDHMS (Dhaka)BHBMymenshingh homeopayhic medical college আমি সবার কাছে শিখতে চাই ও ...
12/10/2023

BHMS(On course)BHMCH
University of Dhaka
DHMS (Dhaka)BHB
Mymenshingh homeopayhic medical college

আমি সবার কাছে শিখতে চাই ও আমি যা পারি তা সবাইকে শিখাতে চাই

📌অর্শ রোগের হোমিও ঔষধ, লক্ষণ ও চিকিৎসা🧬অর্শ রোগের হোমিও ঔষধ সম্পূর্ণ ভাবে অর্শ নিরাময় করতে পারে! আমাদের জীবনযাত্রার পরিব...
14/11/2022

📌অর্শ রোগের হোমিও ঔষধ, লক্ষণ ও চিকিৎসা🧬

অর্শ রোগের হোমিও ঔষধ সম্পূর্ণ ভাবে অর্শ নিরাময় করতে পারে! আমাদের জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে, আমাদের রুটিন জীবনে খারাপ খাদ্যাভাস, এতগুলি রোগ দেখা দেয়। আমাদের খাওয়ার সময়, ঘুমানোর সময় এবং কাজের সময়গুলিতে কোনও বিরামচিহ্ন নেই।

শারীরিক অনুশীলনের অভাবের পাশাপাশি মানসিক চাপ বিভিন্ন যেমন বদহজম, গ্যাস্ট্রিক সমস্যা, অ্যাসিডিটি, পাইলস সহ কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি জ্বালানীকে বাড়িয়ে তোলে। যদি এই সমস্যাগুলি দীর্ঘকাল ধরে চলে যায় তবে ব্যক্তি পাইলসে আক্রান্ত হতে পারে।

📌অর্শ রোগের হোমিও ঔষধ অর্শ নিরাময় করতে পারে কি?

উত্তর হলো হ্যাঁ ! হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পাইলস সম্পূর্ণ নিরাময় করতে পারে।
✔️ অস্ত্রোপচারের জন্য যাওয়ার দরকার নেই।
✔️ ভবিষ্যতে পুনর্বার হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
✔️ কিছু দিন চিকিৎসার পরে ব্যথা এবং রক্তক্ষরণ থেকে মুক্তি দেয়।
✔️ এটি কেবল আপনার পাইলস স্থায়ীভাবে নিরাময় করে না সেইসাথে ✔️ আপনার হজমে উন্নতি করে এবং আপনার অন্ত্রের গতিপথ পরিষ্কার করে দেয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয়।
✔️ এটি সবচেয়ে নিরাপদ, কোনও ওষুধের কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, ১০০ % আসল এবং প্রাকৃতিক।

📌অর্শ কি এবং কেন হয়?

বিস্তারিত যাবার আগে আমাদের জানা দরকার ইহা কি এবং কেন হয়। পাইলস বা হেমোরয়েডস মলদ্বারের চারপাশে ফোলা শিরা ছাড়া কিছুই নয়।

🧬 আপনার খাবারের মুখ থেকে শুরু হয় এবং মলদ্বার অঞ্চলে শেষ হয়। আপনার খাদ্য পাইপের শেষ অংশটিকে বৃহত অন্ত্র বলা হয়। বৃহত অন্ত্রটি কোলন থেকে মলদ্বার পর্যন্ত শুরু হয় এবং মলদ্বারে শেষ হয়।

🧬 মলদ্বার এবং মলদ্বারের নীচের অংশে অবস্থিত শিরাগুলিকে ফুলে যাওয়া হলে তাকে পাইলস বা হেমোরয়েড বলা হয়।

🧬 মলদ্বারের নীচের অংশে শিরা ফুলে উঠলে তাকে অভ্যন্তরীণ পাইলস বা অভ্যন্তরীণ হেমোরয়েড বলে। যদি ত্বকের নীচে পায়ুপথের অঞ্চলে শিরা ফুলে যায় তবে তাকে বাহ্যিক পাইলস বা বাহ্যিক হেমোরয়েডস বলা হয়।

🧬 শিরাতে চাপ বাড়তে থাকে যা শিরাগুলিকে ফুলে ওঠে এবং রক্তে লিপ্ত হয় মলদ্বারের সমস্ত লক্ষণগুলি মলদ্বার এবং পায়ূ অঞ্চলে অবস্থিত শিরাগুলিতে চাপ বাড়ার কারণে হয়।

🧬 শিরাগুলির বাইরে আরও চাপের প্রভাব থাকলে শিরাটির অভ্যন্তরে চাপ বাড়ানো হয়। মাতাল শিরাগুলির বাইরে বেশি চাপের প্রভাব দেখা দেয় যখন আন্তঃ পেটের চাপ বৃদ্ধি পায়।

🧬 মল পাস করার সময় আপনি আরও স্ট্রেন রাখলে পেটের ভিতরে চাপ বৃদ্ধি পায়। আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বা শক্ত মল সমস্যা থাকলে আপনি স্টলের সময় আরও স্ট্রেন দেবেন।

🧬 যদি আপনি খাবার বা পর্যাপ্ত জল পান না করেন, ফাইবার গ্রহণ না করেন তবে আপনার শক্ত মল বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হবে। হাইপারসিডিটি বা পেট ফাঁপা সমস্যার মতো বাড়তি পেটে চাপ বাড়ার অন্যান্য কারণও রয়েছে।

📌পাইলস এর ধাপ বা প্রকারভেদ :

প্রথম ধাপ– হেমোরোহাইডাল ভেনাস প্লেক্সাস যা স্টুলে স্ট্রেইন করার সময় ফুলে ওঠে এবং রক্তক্ষরণ হয়।

দ্বিতীয় ধাপ – হেমোরোহাইডাল ভেনাস প্লেক্সাস যা স্ট্রেইনিংয়ের সাথে প্রলম্বিত হয় তবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে হ্রাস করে।

তৃতীয়-ধাপ – হেমোরয়েডস যা ম্যানুয়ালি প্রতিস্থাপন না করে পায়ূ খালের বাইরে থাকে।

চতুর্থ ধাপ– অর্শ্বরোগ যা হ্রাস করা যায় না।

📌পাইলস বা অর্শ এর সাধারণ কারণ:

পাইলস বা অর্শ এর কারণটি একটি কারণের উপর ভিত্তি করে অর্থাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে আন্তঃ পেটের চাপ। ইনট্রা-পেটে চাপের বর্ধনের প্রভাব মলদ্বার এবং পায়ূ অঞ্চলে অবস্থিত মলদ্বার শিরাতে চাপের প্রভাব বাড়ায়। এইভাবে নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে পেটের চাপ বৃদ্ধি পায়।

১. কোষ্ঠকাঠিন্য – কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে মল পাস করার সময় আপনি আরও স্ট্রেন চাপিয়ে দেবেন এবং এটি পরোক্ষভাবে আন্তঃ পেটের চাপ বাড়িয়ে দেবে এবং রেকটাল শিরাজনিত চাপকে প্রভাবিত করবে।

২. হার্ড স্টুল- যদি তন্তুযুক্ত সমৃদ্ধ ডায়েট না খাওয়ার কারণে যদি আপনার স্টুল থাকে তবে এটি আপনাকে মল চলাকালীন আরও স্ট্রেন দেয় এবং পাইলসের কারণ হতে পারে।

৩. দীর্ঘস্থায়ী হাইপারসিটিডিটি এবং পেট ফাঁপা অবস্থা এছাড়াও আন্তঃ পেটের চাপ বাড়ায় এবং পাইলসের কারণ হয়।

৪. দীর্ঘ সময় ধরে একসাথে কয়েক ঘন্টা বসে থাকা – আপনি যদি এমন একটি চাকরিতে থাকেন যেখানে আপনাকে আইটি সেক্টর বা কর্পোরেট সেক্টরে কাজ করে এমন ব্যক্তির মতো ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে হয় তবে চাপ তৈরির কারণে অভ্যন্তরীণ পেটের চাপ বাড়ার সম্ভাবনাও অবদান রাখে একটি আসনে দীর্ঘ সময় বসে। সুতরাং শেষ পর্যন্ত পাইলস বিকাশ।

৫. শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাব – শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাব এইভাবে মসৃণ ছন্দবদ্ধ পেরিস্টালটিক অন্ত্র আন্দোলনকে প্রভাবিত করে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পাইলস বিকাশের জন্য একটি কারণকে অবদান রাখে।

৬. স্থূলত্ব – ওজন বাড়ানো বা স্থূলত্বও পায়ূ শিরাজনিত অঞ্চলে চাপ বাড়িয়ে পাইলস বিকাশে ভূমিকা রাখে।

৭. গর্ভাবস্থা – গর্ভাবস্থা আন্তঃ পেটের চাপ বৃদ্ধি এবং পাইলস বিকাশের একটি কারণকে অবদান রাখে।

৮. দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়ায়ও পাইলস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

📌পাইলস বা অর্শ এর লক্ষণ:

🩺 রক্তস্রাব – মলদ্বারে এবং মলদ্বার অংশে উপস্থিত সূক্ষ্ম ছোট শিরাগুলি ছিঁড়ে যাওয়ার সময় রক্তপাত হতে পারে যখন মলটিতে স্ট্রেইন হওয়ার কারণে বা শিরাতে তলপেটের চাপ বাড়ার কারণে শিরাটির অভ্যন্তরে বাড়তি চাপ থাকে।

🩺 শক্ত স্টুল যখন পাসের মলদ্বার এবং পায়ূ অঞ্চলে উপস্থিত শিরাগুলির সূক্ষ্ম পাতলা আস্তরণের অশ্রু দেয় যা পাইলসে রক্তক্ষরণ করে।

🩺 মল চলাকালীন এবং তার পরে ব্যথা- বেদনাগুলি যদি শ্বাসনালীতে উন্নত হয় যা শিরা ফুলে যাওয়ার কারণ হয়ে থাকে এতে কোনও ব্যথার তন্তু সংযুক্ত না হওয়ায় ফোলা শিরাগুলি নিজেই ব্যথা শুরু করে না।

🩺 তবে ফোলা শিরাটি চারপাশে পেশীগুলির স্প্যাম শুরু করে যা শিরাগুলির ফলে ব্যথা হয় বিশেষত পাইলস যা বাইরে বেরিয়ে যায়। পাইলসে ব্যথার অন্য কারণ হ’ল স্তূপের শিরাতে থ্রম্বাস গঠন।

🩺 পায়ুপথের চুলকানি – স্ফীত হেমোরয়েডস শ্লেষ্মা ফুটো করে যা মলদ্বারের চারপাশে ত্বকের প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে যা চুলকানি এবং জ্বলন সৃষ্টি করে।

📌চিকিত্সার কৌশল:

✔️ আন্তঃ পেটের চাপ কমাতে
✔️ যদি রক্তপাত হয় তবে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
✔️ যদি ব্যথা হয় তবে ব্যথা উপশম করতে
✔️ যদি এটি আকার এবং বড় আকারে বড় হয় তবে এর আকারগুলি হ্রাস করতে যাতে আমাদের আরও তা না হয়

📌সাধারণ চিকিৎসার সুযোগ:

সার্জারি সাধারণত পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে কারণটি সংশোধন বা সংশোধন না করা হলে অস্ত্রোপচারের পরেও পুনরায় পুনর্বার সম্ভাবনা রয়েছে

📌হোমিওপ্যাথি পাইলস বা অর্শ এর চিকিৎসা:

🧬 পাইলস হ’ল ত্রুটিপূর্ণ জীবনধারা এবং ত্রুটিযুক্ত খাদ্যাভাসের একটি রোগ যা মলদ্বার শিরাগুলিকে ফুলে যায় এবং সমস্ত পাইলস বা অর্শ এর লক্ষণ প্রকাশ পায়।

🧬 সুতরাং পাইলস বা অর্শ এর চিকিত্সার ক্ষেত্রে পাইলস বিকাশের জন্য দায়ী যে কার্যকরী অসুস্থতাগুলি সংশোধন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া মৃদু উপায়ে লক্ষণগুলির চিকিত্সা পাইলগুলি স্থায়ীভাবে নিরাময় করতে পারে।

🧬 রক্তক্ষরণ, ব্যথা, চুলকানির লক্ষণগুলির সাথে থাকা পাইলস বা অর্শ এর তীব্র ক্ষেত্রে যথাযথ হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা দ্বারা চিকিত্সা করা যেতে পারে যা এই অবস্থার দীর্ঘস্থায়ী নিরাময় দেয়।

🧬 পাইলস বা অর্শ এর রক্তক্ষরণ ২৪ ঘন্টার মধ্যে সঠিক হোমিওপ্যাথি চিকিত্সার মাধ্যমে ভালভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ব্যথা এবং অন্যান্য উপসর্গগুলি সঠিক হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে চিকিত্সা করা যায়।

🧬 অন্যান্য থেরাপির তুলনায় হোমিওপ্যাথি পাইলস বা অর্শ এর দীর্ঘমেয়াদী নিরাময় করতে সহায়তা করে কারণ এটি রোগের অন্তর্নিহিত কারণগুলি উন্নত করার লক্ষ্যে রয়েছে। প্রচলিত চিকিত্সায় সার্জারিই প্রধান বিকল্প।

🧬 অস্ত্রোপচার চিকিত্সার একটি ব্যবস্থাপনার অংশ যেখানে ভারী রক্তপাত হয় বা কোনও ভাল হোমিওপ্যাথির চিকিত্সার উপলব্ধতা নেই।

🧬 অস্ত্রোপচারটি বিশেষত পাইলস বা অর্শ এর চতুর্থ গ্রেডে ফোলা শিরাযুক্ত অংশ অপসারণের জন্য বোঝানো হয়। তবে যে কোনও পর্যায়ে সেই স্ফীত হেমোরয়েড অপসারণ দীর্ঘমেয়াদী নিরাময়ের সমাধান নয়, কেবল বর্তমান পরিস্থিতির পরিচালনা।

🧬 সঠিক হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা কেবল লক্ষণগুলিই পরিচালনা করে না তবে অসুস্থতায় দীর্ঘমেয়াদী স্বস্তি এবং নিরাময়ের প্রস্তাব দেয়। চিকিত্সার পাশাপাশি, আপনার জীবনযাত্রা এবং খাদ্যাভাস উন্নত করা অত্যন্ত প্রয়োজন যা পাইলস বা অর্শ এর বিকাশের প্রাথমিক কারণ।

🧬 যদি আপনি নিয়মিত জাঙ্ক খাবার গ্রহণ করেন এবং এমন খাবারগুলি প্রক্রিয়াজাত করেন যা কোষ্ঠকাঠিন্য এবং এসিডিটির সমস্যা শুরু করে যা শেষ পর্যন্ত পাইলস বা অর্শ এর সাথে শেষ হয়।

🧬 বিশেষ করে কর্পোরেট সেক্টর বা আইটি সেক্টরে কাজের চাপ এত বেশি যে তারা নিজের চেয়ার থেকে ওঠার জন্য সময় পান না এবং অতিরিক্ত খাবারের মতো ঠাণ্ডা কফি বা পিজ্জা বা বার্গারের মতো খাবার গ্রহণ করার ফলে জ্বালানী জ্বালিয়ে দেয়। সময় বদলে যাওয়ায় আমাদের জীবনযাত্রাও বদলে যাচ্ছে।

🧬 দিন দিন প্রতিযোগিতার স্তর বাড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা এই ঘোড়ার দৌড়ের সঠিক অবস্থানে থাকার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছি। তবে অন্যদিকে আমরা আমাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি ভুলে যাচ্ছি।

🧬 আমাদের ত্রুটিপূর্ণ জীবনযাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাসের কারণে যখন একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যার মতো পাইলস বেড়ে যায় তখন আমরা সেই অসুস্থতার দ্রুত নিরাময়ের জন্য ডাক্তারের কাছে ছুটে যাই।

🧬 এই বাধা স্বাস্থ্য সমস্যার স্থায়ী নিরাময়ের জন্য আমরা চিন্তায় সার্জারি করি। তবে আমরা ভুলে যাই যে পাইলসগুলি কেবল কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড স্বাস্থ্য সমস্যার ফলাফল যা পাইলস আকারে বহির্মুখী প্রকাশ করে বা প্রকাশ করে।

🧬 পটভূমির স্থায়ী নিরাময়ের জন্য কোষ্ঠকাঠিন্য, দীর্ঘস্থায়ী অম্লতা, পেট ফাঁপা, ত্রুটিপূর্ণ জীবনধারা, ভুল খাদ্যাভাসের মতো পটভূমি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যাগুলি যা সংশোধন করা দরকার।

🧬 এই ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির ওষুধগুলি দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য, দীর্ঘস্থায়ী অ্যাসিডিটি এবং পেট ফাঁপা যেমন পাইলস স্থায়ীভাবে নিরাময় করতে পারে তার জন্য দায়ী কারণগুলির জন্য চিকিত্সার লক্ষ্য করে।

🧬 এই ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির ওষুধগুলি দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য, দীর্ঘস্থায়ী অ্যাসিডিটি এবং পেট ফাঁপা যেমন পাইলস স্থায়ীভাবে নিরাময় করতে পারে তার জন্য দায়ী কারণগুলির জন্য চিকিত্সার লক্ষ্য করে।

🧬 এই ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির ওষুধগুলি দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য, দীর্ঘস্থায়ী অ্যাসিডিটি এবং পেট ফাঁপা যেমন পাইলস স্থায়ীভাবে নিরাময় করতে পারে তার জন্য দায়ী কারণগুলির জন্য চিকিত্সার লক্ষ্য করে

📌অর্শ রোগের হোমিও ঔষধ :

💊 নাক্স ভম (Nux vom)– নাক্স ভম কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে সহায়তা করে। খাওয়ার এক ঘন্টা পরে পেটের ভারী ভারী অবস্থা দেখা দেয়। মল জন্য অকার্যকর বাসনা সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্য। গলায় খাদ্যদ্রব্য জমে যাওয়ার অনুভূতি সহ বুক জ্বলন।
ব্যক্তিটি নার্ভাস ইরিটেটেবল হাইপোকন্ড্রিয়াক এবং রোষাক্রান্ত প্রকৃতির। তৈলাক্ত সমৃদ্ধ খাবার বা জাঙ্ক ফাস্ট ফুড খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে যা তাদের সমস্ত লক্ষণ বিকাশের কারণ হয়।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস বা ত্রুটিযুক্ত জীবনযাত্রার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য বা অনিয়মিত অন্ত্র অভ্যাস নিরাময়ের জন্য পাইলস বা অর্শ এর মধ্যে এটি অন্যতম কার্যকর ওষুধ।

💊 ব্রায়োনিয়া (Bryonia) – কোষ্ঠকাঠিন্যে পরামর্শ দেওয়া হয় যদি মল খুব শক্ত হয় এবং মল পাস করার সময় ব্যক্তি আরও স্ট্রেন দেয়। মল কঠোর পাশাপাশি কালো রঙ এবং পাস করা শক্ত। বেশি জল নেওয়ার প্রবণতা রয়েছে কারণ ব্যক্তিটি সর্বদা তৃষ্ণার্ত বোধ করে।

💊 লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium) – অতিরিক্ত পেট ফাঁপা সমস্যাযুক্ত ব্যক্তি। পেটে গুড়গুড় বা কাঁপুনি দিয়ে শব্দে পেটে ফুলে উঠা সংবেদন রয়েছে।
পেটের ভারী ভারী অবস্থা সাধারণত বিকেলে হয়। ভাল খিদে আছে তবে অল্প খাবারই তাকে পেট ভরে দেয়। মুখের মধ্যে একটি টক স্বাদ সহ বুক এবং টক জাতীয় জ্বলন রয়েছে

💊 কার্বো ভেজি (Carboveg) – পেটের ফোলা সংবেদন সহ পেট ফাঁপা আছে। আরও অনেক বেশি বিড়বিড় হয় এবং তার পরে ব্যক্তি স্বস্তি বোধ করে। এত বেশি পেট ফাঁপা হওয়ার প্রবণতা যে সে খায় তা সবকিছুই গ্যাসে রূপান্তরিত করে। সাধারণত পেটের উপরের পেটের ভারী ভারী অবস্থা থাকে।

💊 অ্যানাকার্ডিয়াম (Anacardium) – খালি পেটে ব্যথার সাথে কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতা রয়েছে। যখন ব্যক্তি খালি পেটে থাকে তখন মাথাব্যথার অনুভূতি হয়। খাবার গ্রহণ মাথা ব্যথা এবং পেটের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়।
ব্যক্তির ভুলে যাওয়া এবং স্বল্প আত্মবিশ্বাসের প্রবণতা রয়েছে। এই লক্ষণগুলি যদি কোনও ব্যক্তির মধ্যে উপস্থিত থাকে তবে অ্যানাকার্ডিয়াম একটি উপযুক্ত প্রতিকার

💊 সালফার (Sulphur) – মলের পরে মলদ্বারের জ্বলন সংবেদন হয়। সবসময় মলদ্বার চুলকানি থাকে। বিছানা থেকে উঠার ঠিক পরে লোকটির খুব ভোরে মলের ঝোঁক থাকে। অল্প আওয়াজে ঘুম ভাঙার অভ্যাস রয়েছে। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতি সম্পর্কে ঘাবড়ে যায়।

💊 এস্কুলাস (Aesculus) – মলদ্বারে জ্বলন এবং সেলাইয়ের মতো ব্যথা মল পরে দীর্ঘ ঘন্টা অবধি থাকে। মলদ্বার চুলকানি আছে। পাইলস বা অর্শ এর প্রদাহের কারণে মলদ্বারের ভিতরে কিছু আটকে যাওয়ার অনুভূতি। কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতা রয়েছে। স্তূপের সমস্যাটি একটি ব্যাক ব্যথার সাথে জড়িত। এছাড়াও আরো অনেক ওষুধ রয়েছে।

চিকিত্সা চিরকাল নিরাময়ের জন্য ওষুধ ছাড়াও নিম্নলিখিত স্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলি অনুশীলন করা প্রয়োজন:

✔️ সমস্ত জাঙ্ক এবং ফাস্ট ফুড, তৈলাক্ত মশলার খাবার এড়িয়ে চলুন।
✔️ আপনার ডায়েটে আরও বেশি প্রাকৃতিক ফল এবং কাঁচা শাকসবজি যুক্ত করুন।
✔️ আপনার প্রাতঃরাশ কখনই এড়িয়ে যাবেন না। আপনার নিয়মিত প্রাতঃরাশে আরও ফল এবং শাকসবজি যুক্ত করুন।
✔️ নিয়মিত অনুশীলন এবং মর্নিং ওয়াক সবসময় পরামর্শ দেওয়া হয়।
✔️ আপনার প্রাতঃরাশ এবং সমস্ত খাবার সময়মতো নিন।
✔️ গভীর রাতে ঘুম এবং রাতের স্থানান্তর দায়িত্ব আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক এবং পাইলস বা অর্শ এর কারণ।
✔️ প্রতিদিন কমপক্ষে ২ থেকে ৩ লিটার প্রচুর পরিমাণে জল গ্রহণ করুন।
✔️ একদিনে একাধিকবার কফি, চা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
✔️ ধূমপানকে এড়িয়ে চলুন কারণ ধূমপানের ফলে আরও অ্যাসিডিটি হয় এবং এটি পাইলস বা অর্শ এর কারণ হয়।
✔️ আপনার বয়স এবং উচ্চতা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিসরের মধ্যে আপনার ওজন বজায় রাখুন। স্থূলতা পাইলস বিকাশের জন্য একটি উপাদানকে অবদান রাখে।
✔️ অতিরিক্ত চাপ এড়ান এবং নিজেকে সর্বদা আনন্দময় এবং সুখী রাখার চেষ্টা করুন।
✔️ নিয়মিত যোগা ও প্রাণায়াম অনুশীলন করুন।

⭕️বিশেষভাবে মনে রাখবেন:

সঠিক খাদ্য অভ্যাস ও নিয়ন্ত্রণ জীবনযাত্রা আপনাকে অর্শ রোগ থেকে দূরে রাখতে পারে।
🧬🧬🧬🧬🧬🧬🧬🧬🧬🧬

ডাঃ মোঃ আহসান উল্লাহ (সোহাগ)
কনসালটেন্ট অফ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন
ডি,এইচ,এম,এস (ঢাকা)
রেজি. নংঃ ১১৪৪১

🩺 রোগী দেখার সময় ও পদ্ধতিঃ
অনলাইনেঃ প্রতি শুক্রবার (9am - 12pm)
ইমো / হোয়াটসঅ্যাপ- ০১৭০১-৯৯৬৩৬৩

🩺 চেম্বারেঃ প্রতি শুক্রবার (4pm - 8pm)
আলাউদ্দিন হোমিও হল
কাহালগাঁও বাজার, ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ।

* আগেই সিরিয়াল দিয়ে রাখতে হবে।
* অনলাইনের ক্ষেত্রে সিরিয়ালের সময়ে আপনার ইমো / হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে কল করা হবে, সেজন্য উক্ত সময়ে মোবাইলের ডাটা চালু রাখতে হবে।

Address

Mymensingh

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

09161873

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mymensingh Homoeopathic Medical College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share