Student Community Policing- Nawabganj Govt. College

Student Community Policing- Nawabganj Govt. College Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Student Community Policing- Nawabganj Govt. College, College & University, Naogaon.

❝পুলিশ হচ্ছে জনগনের বন্ধু ❞এই কথা টা শুধু আমরা বলি বা শুনি কিন্তু আমরা অনেকেই  জানি এর ভিতরের কি হয়...কিন্তু কেউ প্রকাশ ...
07/04/2024

❝পুলিশ হচ্ছে জনগনের বন্ধু ❞

এই কথা টা শুধু আমরা বলি বা শুনি কিন্তু আমরা অনেকেই জানি এর ভিতরের কি হয়...কিন্তু কেউ প্রকাশ করে আবার কেউ করতে চাই না।
তাদের প্রতি আজও শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা কাজ করে বিধায় ঘটনা বিস্তারিত বলতে পারলাম না।
আমি চাই না আমার দেশের রক্ষাকর্তাদের মানুষ খারাপ ভাবে দেখুক বা জানুক।
তবে উপরওয়ালার কাছে এর সঠিক বিচার একদিন পাবো ইনশাআল্লাহ।


#বাংলাদেশ_রেলওয়ে_পুলিশ

24/01/2023

এই পেজের Admin এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমাকে এই আইডি থেকে রিমুভ করুন। Ayatullah Nirob

পুষ্টিকর কিছু ফলকলা : একটি পুষ্টিকর খাদ্য। তা ছাড়া পালাঞ্জুর লিভার, অগ্ন্যাশয়, কিডনি এই তিনের ভালো কাজ করে। আমাশয়, মৃতবৎ...
13/01/2019

পুষ্টিকর কিছু ফল

কলা : একটি পুষ্টিকর খাদ্য। তা ছাড়া পালাঞ্জুর লিভার, অগ্ন্যাশয়, কিডনি এই তিনের ভালো কাজ করে। আমাশয়, মৃতবৎসা, কিংবা সন্তান জন্মের পর মাতার মৃত্যু হলে মজাকলা, যে কলার খোলাটা কালচে হয়ে গেছে মাতৃদুগ্ধের সমান। প্রাতরাশের প্রথমেই কলা অথবা পাকা পেঁপে খেলে অম্লদোষ দূরীভূত হয়। কাঁটালি কলা সর্বোত্কৃষ্ট। মজা চাঁপা কলার অম্লদোষ দূরীভূত করার জন্য সামান্য লবণসহকারে মজাকলা খেতে হয়। মনের ওপর এ কলার প্রভাব রয়েছে। হৃদরোগীদের সন্ধ্যার পর কলা না খাওয়াই ভালো।

শসা : শসা সব সময় অল্প পরিমাণ মুড়ির সঙ্গে খেতে হয়। শসার গুণ ‘সকালে হীরা, দুপুরে খিরা, রাতে পীড়া’।

মৌসম্বী (শরবতি লেবু) : পেট ঠাণ্ডা রাখে। মৌসম্বী বেদানা ও ডালিমের রস রক্তবর্ধক, সোজাসুজিভাবে রক্তে রূপান্তরিত হয়।

কমলা (লেবুবর্গীয়) : একটি মিষ্টি কমলা, ১০-১২টি চন্দন, তুলসীপাতার রস ও পরিমাণমতো (২-৩ চামচ) মধুসহ খেলে (সকাল-সন্ধ্যায় ও শোবার আগে) দুরারোগ্য এনিমিয়া রোগে অব্যর্থ ওষুধ।

আম : ফলের মধ্যে আমের স্থান শীর্ষে। আম অনেক গুণের আধার। পাকা আমের চেয়ে কাঁচা আমের গুণ বেশি। আমসি যকৃৎ (লিভার) ও প্লিহা দুয়ের পক্ষেই ভালো। আম টকই হোক আর মিষ্টিই হোক গলার নিচে নামলেই দুয়ের গুণ সমান। টক আম মধুমেহ রোগে ওষুধের কাজ করে। পাকা আম রক্তবর্ধক। বেদানা ছাড়া আর কোনো ফলই এত রক্ত জোগান দেয় না। দুপুর ১২টার আগে এক বল্কা দুধের সঙ্গে পাকা আমের রস পান করলে রোগমুক্ত মানুষ অল্প সময়েই শক্তি ফিরে পায়। অতিবৃদ্ধ ছাড়া সব বয়সের মানুষ, বিশেষ করে অল্প বয়সী যুবক এ আমদুধ পান করে প্রভূত শক্তির অধিকারী হতে পারে। এটি কিন্তু উষ্ণবীর্য। তাই পেট যার খুব ভালো নয় তার পক্ষে আমদুধ পান না করাই উচিত। ক্যালসিয়াম যথেষ্ট পরিমাণে থাকায় পেট ভালো থাকলে যক্ষ্মারোগী আমদুধ পান করলে বিশেষভাবে উপকৃত হবে। অতিমাত্রায় পান করলে মধুমেহ রোগের সৃষ্টি করে ও রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে দিতে পারে।

জাম : সর্বগুণাধার। কিছুটা কষ থাকায় তা মধুমেহ রোগের প্রতিষেধক। জামের অস্থির অন্তর্গত সারসত্তায়ও রয়েছে মধুমেহ প্রতিষেধক। জামের ভিতরের অংশ মধুমেহের ওষুধ।

এই হচ্ছে মিডিয়য়া জগৎ...ata amar sathe ghota.....
11/09/2018

এই হচ্ছে মিডিয়য়া জগৎ...
ata amar sathe ghota.....

 #যুগ্ম_আহ্বায়কঃ ফাহিম খান। একটু চোখ বুলান, হয়তো জীবন বাচানোর একটা ওষুধ হতে পারে এই জ্ঞানটি। #তথ্যসূত্রঃ জীববিজ্ঞান(2য় প...
29/07/2018

#যুগ্ম_আহ্বায়কঃ ফাহিম খান।
একটু চোখ বুলান, হয়তো জীবন বাচানোর একটা ওষুধ হতে পারে এই জ্ঞানটি।
#তথ্যসূত্রঃ জীববিজ্ঞান(2য় পত্র)(একাদশ-দ্বাদশ)- গাজী আজমল স্যার এর বই। ও understanding biology...
#ধূমপায়ী_ও_অধূমপায়ী_মানুষের_ফুসফুসঃ
একটি সিগারেটের শলায় থাকে প্রায় ৪ হাজার বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ। ধূমপান করার ফলে এসকল পদার্থ দেহের অভ্যন্তরে, বিশষত ফুসফুসে প্রবেশ করে দেহকে অসুস্থ করতে শুরু করে। সিগারেটে যে রাসায়নিক পদার্থ থাকে তার মধ্যে নিকোটিন, অর্সেনিক, মিথেন, অ্যামোনিয়া, কার্বন মনোক্সাইড, হাইড্রোজেন সায়ানাইড ইত্যাদি প্রধান। এ কারণে ধূমপায়ীর ফুসফুসের এক্সরে দেখতে রঞ্জিত ও ছোপযুক্ত মনে হয়। একজন অধূমপায়ী যে কাজ অতি দ্রুত করতে পারে, সে কাজ ধূমপায়ীর জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ হয়।

ধূমপায়ীর ফুসফুসে অধূমপায়ীর চেয়ে অল্প সংখ্যক অ্যালভিওলাই দেখা যায়। অ্যালভিওলাই হচ্ছে মানবদেহের রক্তপ্রবাহে অক্সিজেন স্থানান্তরে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ধূমপান করার কারণে অ্যালভিওলাই নষ্ট হয়ে যায় ও কালচে বর্ণ ধারণ করে। এগুলোর কখনও পুনর্জন্ম হয় না। একারণে যে কোনো শারীরিক পরিশ্রমে ধূমপায়ীরা অধূমপায়ীদের সঙ্গে পেরে উঠেনা।

মানুষের স্বাভাবিক ফুসফুসের অন্তঃপ্রাচীর জুড়ে চুলের মতো সিলিয়া থাকে। এগুলোর আন্দোলনে ফুসফুসের ভেতর কোনো ক্ষতিকর কণা থাকতে পারে না। ধূমপানের ফলে সিলিয়া অবশ হয়ে পড়ে, ফলে ধূলি ও কণা ভেতরে জমা হয়। ধূমপায়ীর ফুসফুসের এক্সরের এটিও অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

এক্স রে মেশিনে যে শক্তির রশ্মি ব্যবহৃত হয় তা খুব ছোট এবং রোগীর দেহ ভেদ করে বিশেষ ফিল্মে প্রতিচ্ছবির সৃষ্টি করে। কোমল টিস্যুর ভেতর দিয়ে এক্সরে সহজে অতিক্রান্ত হলেও ঘন টিস্যু (যেমন- হাড়), রশ্মিকে আটকে দেয়। ফিল্মের প্রতিচ্ছবিটি তখন ছায়ার ফটো-নেগেটিভের মতো দেখায়। এ ফিল্মের গাঢ় অংশের অর্থ হচ্ছে রশ্মি অতিক্রমের সময় ক বা একেবারেই কোনো বাধার সম্মুখীন হয়নি। কালচে রংয়ের মাঝখানে থাকে একটি সাদা দাগ (স্টার্ণাম) অন্যদিকে, সাদা অংশ হচ্ছে রশ্মি অতিক্রমের সময় কোনো না কোনো প্রতিবন্ধকের সম্মুখীন হয়েছে। চিকিৎসকরা এভাবে ধূমপায়ীর ফুসফুসে ধূলি-কণার জমাট, ছোপ ইত্যাদি শনাক্ত করেন।

অর্থাৎ অধূমপায়ী ব্যক্তির এক্সরে ফিল্মটি হবে কালো, ধূমপায়ীদের কোথাও কোথাও সাদাটে বা সাদা। ধূমপায়ীর ফুসফুসও ধূমপান অভ্যাসের আগে এক্সরে করালে কালোই হতো। কিন্তু ধূমপান শুরুর পর থেকেই তার ফুসফুস সাদাটে হতে শুরু করে। যদি ক্যান্সার টিউমার সৃষ্টি হয় তাহলে এক্সরে ফিল্মের কোথাও ঘন সাদা জায়গা দেখা দেয়।

এক্সরে দেখে চিকিৎসক ধূমপায়ী ব্যক্তির ফুসফুসে পানি জমা (Pleural effusion) শনাক্ত করতে পারবেন। তাছাড়া হিলার গ্রন্থি বড় হয়ে যেতে পারে (Hilar Lymphadenopathy)। ধূমপায়ী ব্যক্তির হৃৎপিন্ড লম্বাকার ছায়ার মকো দেখাবে এবং ডায়াফ্রাম এর লেভেল নিচু হয়ে যাবে।

শুধু ধূমপানেই যে ফুসফুসে কালচে ছোপ বা ধুলিকণাজনিত জমাটের সৃষ্টি হয় তা নয়। যারা অফিস আদালত, রাস্তা-ঘাট বা অন্য জায়গায় নিয়মিত বসেন যেখানে নিয়মিত আশপাশের সিগারেটের ধোঁয়া প্রশ্বাসের সঙ্গে গৃহীত হয়, এমন ব্যক্তিরা ধূমপানের যা কুফল তারাও তাতে ভুগেন। এমফাইসেমা, ব্রঙ্কাইটিস এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে এভাবে পরোক্ষ ধূমপানের কারণে। চিকিৎসা করাতে গেলে চিকিৎসককে এ ব্যাপারে খোলাখুলি বলতে হবে।

(Joint convener: Fahim Khan) #মাদককে_লাথি_মারি,     #খেলাধুলার_অভ্যাস_গড়ি। #মাদকাসক্তি_কিঃ      মাদকাসক্তি বলতে মাদকের প...
17/07/2018

(Joint convener: Fahim Khan)
#মাদককে_লাথি_মারি,
#খেলাধুলার_অভ্যাস_গড়ি।
#মাদকাসক্তি_কিঃ
মাদকাসক্তি বলতে মাদকের প্রতি আসক্তিকে বোঝায়। বিভিন্ন ধরণের মাদক হতে পারে। মাদক বা ড্রাগস হলো বিষধর সাপের বিষাক্ত ছোবলের মতো যা প্রতিনিয়ত একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ধীরে ধীরে তার দংশনে নিঃশেষ করে দেয়। যার প্রভাব আমরা আমাদের যুব সমাজে বেশি দেখিতে পাই। কিন্তু আমরা কখনো ভেবে দেখেছি কি? যুব সমাজের এই পরিণতির জন্য অনেকাংশে দায়ি শুধুমাত্র মাদক দ্রব্য এবং মাদকাসক্তি সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞান না থাকা !
মাদক দ্রব্য হলো একটি রাসায়নিক দ্রব্য যা গ্রহণে মানুষের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়ে এবং যা আসক্তি সৃষ্টি করে। মাদক দ্রব্যে বেদনানাশক কর্মের সাথে যুক্ত থাকে তন্দ্রাচ্ছন্নতা, মেজাজ পরিবর্তন, মানসিক, আচ্ছন্নতা রক্তচাপ পরিবর্তন ইত্যাদি । মাদক দ্রব্য গ্রহণ করলে মানুষের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক পরিবর্তন ঘটে এবং দ্রব্যের উপর নির্ভরশীলতা সৃষ্টির পাশাপাশি দ্রব্যটি গ্রহণের পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকে ব্যক্তির এই অবস্থাকে বলে মাদকাসক্তি এবং যে গ্রহণ করে তাকে বলে মাদকাসক্ত।
#বিভিন্ন_ধরণের_মাদকদ্রব্যঃ
মাদক দ্রব্য আসলে কি কি সেটার নির্দিষ্ট সংখ্যা বা নাম বলা সম্ভব নয়। মানুষ নেশার জন্য যা ব্যবহার করে তাই মাদক দ্রব্য। সেটি হতে পারে ইনজেকশন , ধূমপান বা যে কোন মাধ্যম।

বিভিন্ন ধরণের মাদক দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে হিরোইন , কোকেন , ইয়াবা, আফিম , মারিজুয়ানা , গাজা , ফেনসিডিল , বিয়ার , কেটামিন , স্পিড , বিভিন্ন রকমের ঘুমের ওষুধ থেকে শুরু করে জুতা লাগানোর আঠা পর্যন্ত।

অনেকে বিভিন্ন ধরণের এনার্জি ড্রিংকসের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে নেশা করে থাকে । বিভিন্ন ধরণের মাদক গ্রহণের ফলে মানুষের চোখের যে পরিবর্তন হয় ।

11/07/2018
09/07/2018

Address

Naogaon

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Student Community Policing- Nawabganj Govt. College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share